× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Unnecessary conditions for renewal of EPB certificate
google_news print-icon

ইপিবির সনদ নবায়নে অপ্রয়োজনীয় শর্ত

ইপিবির-সনদ-নবায়নে-অপ্রয়োজনীয়-শর্ত
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয় বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশে। ফাইল ছবি
ইপিবির নিবন্ধন কিংবা নবায়ন প্রক্রিয়ায় নয়টি শর্ত রয়েছে। এগুলোর চারটিই অযৌক্তিক ও অপ্রয়োজনীয় বলে দাবি করেছে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।

বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হয় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক। রপ্তানির এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে খাতসংশ্লিষ্ট রপ্তানিকারকদের বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) থেকে নানারকম সেবা নিতে হয়।

প্রতি বছর নির্দিষ্ট মেয়াদে এই সেবা গ্রহণের জন্য ইপিবি থেকে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিবন্ধন গ্রহণ কিংবা মেয়াদ নবায়নের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

কিন্তু ইপিবির নিবন্ধন এবং নবায়ন প্রক্রিয়ায় নয়টি শর্ত রয়েছে, যার চারটিই অযৌক্তিক ও অপ্রয়োজনীয় বলে দাবি করেছে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।

দেশে ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সহজীকরণের স্বার্থে সংস্থাটির আরোপিত অপ্রসাঙ্গিক ওইসব শর্ত প্রত্যাহার করে নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা গতকাল এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পেয়েছি। তাদের প্রস্তাবটি আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব। ইন হাউজ একটা মিটিং করতে হবে। যদি কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকে, তা হলে তাদের প্রস্তাবটি ব্যবসা সহজীকরণের স্বার্থে বিবেচনা করা হবে।’

ইপিবির সনদ নবায়নে অপ্রয়োজনীয় শর্ত
রপ্তানি ও আমদানি কাজে ব্যস্ত চট্রগ্রাম বন্দর। ফাইল ছবি

২০২০-২১ অর্থবছর মেয়াদে ইপিবি সনদ পাওয়ার ক্ষেত্রে ৩ হাজার টাকা নবায়ন ফি এবং বিলম্বের ক্ষেত্রে আরও ২ হাজার টাকাসহ মোট ৫ হাজার টাকা ফি দেয়ার নিয়ম ছিল। একই সঙ্গে নিবন্ধন সনদ গ্রহণ বা নবায়নে রপ্তানিকারকদের নয়টি শর্ত পূরণ করতে হয়েছিল।

শর্তগুলো হচ্ছে: রপ্তানিকারককে আবেদন ফর্মের সঙ্গে সত্যায়িত দুই কপি ছবি প্রদান, ট্রেড লাইসেন্সের নবায়িত কপি, এক্সপোর্ট রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (ইআরসি) লাইসেন্সের নবায়িত কপি, সংশ্লিষ্ট সমিতির সদস্য সনদের নবায়িত কপি, বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্সের নবায়িত কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), ফায়ার সার্ভিস সনদপত্রের নবায়িত কপি, ফায়ার পলিসির নবায়িত কপি, গ্রুপ বীমার নবায়িত কপি এবং যেসব প্রতিষ্ঠান এখন পর্যন্ত যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত কারখানা ভবনের লে-আউট প্ল্যান ও স্ট্র্যাকচারাল ডিজাইনের কপি দাখিল করেনি, সেসব প্রতিষ্ঠানকে আবেদনপত্রের সঙ্গে বাধ্যতামূলক কারখানা ভবনের লে-আউট প্ল্যান ও স্ট্র্যাকচারাল ডিজাইনের কপি দাখিল করতে হবে।

এরপর নতুন কোনো সংস্কার না আসায় চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্যও খাতসংশ্লিষ্টদের ইপিবির নিবন্ধন সনদ গ্রহণ বা নবায়নে একই শর্ত পালন করতে হবে।

ইপিবির দেয়া এসব শর্তের বেশিরভাগকেই অপ্রসাঙ্গিক উল্লেখ করে গত রোববার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যানের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছে বিজিএমইএ।

সংগঠনের মহাসচিব মো. ফয়জুর রহমান স্বাক্ষরিত ওই চিঠির অনুলিপি সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়েও পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বিজিএমইএ-এর পক্ষ থেকে বলা হয়, বিদেশি ক্রেতার চাহিদার কারণে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকার স্বার্থে বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পসমূহ নিজ উদ্যোগেই কমপ্লায়েন্ট হতে বাধ্য হয়েছে।

কিন্তু ইপিবির জারিকৃত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নিবন্ধন গ্রহণ ও নবায়নের ক্ষেত্রে মোট নয় ধরনের নথি দাখিল করতে হয়।

এর মধ্যে কারখানা ভবনের অনুমোদিত লে-আউট প্ল্যান ও স্ট্র্যাকচারাল ডিজাইন, বন্ডেড ওয়্যার হাউসের লাইসেন্সের নবায়িত কপি, ফায়ার পলিসির নবায়িত কপি, গ্রুপ বিমার নবায়িত কপি – এ জাতীয় ডকুমেন্ট প্রাপ্তির সাথে ইপিবির সেবার কোনো সম্পর্ক নেই।

ব্যবসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের প্রসঙ্গে টেনে চিঠিতে বলা হয়, ব্যবসায় সহজীকরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বের ১৯০টি দেশের মধ্যে ১৬৮তম অবস্থানে আছে। ব্যবসা সহজীকরণ প্রক্রিয়ায় এমন তলানি অবস্থান দেশে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগসহ দেশি বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করে।

এমন পরিস্থিতিতে দেশের রপ্তানি এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে বাধাহীন ও নিরবচ্ছিন্নভাবে রপ্তানি কার্যক্রম চালাতে পারে, সে লক্ষ্যে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সেবা প্রাপ্তিকে আরও সহজ করতে হবে। এ লক্ষ্যে সনদ প্রদান বা নবায়নের স্বার্থে যেসব ডকুমেন্ট একান্ত আবশ্যক, কেবলমাত্র সেগুলো রেখে অন্যান্য ডকুমেন্ট প্রদানের বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার করা হোক।

বিজিএমইএ-এর যুক্তি

একটি কারখানা ভবনে লে-আউট প্ল্যান ও স্ট্র্যাকচারাল ডিজাইন পর্যবেক্ষণ করেই অনুমোদন দেয়ার জন্য কারিগরী জ্ঞানসম্পন্ন সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর রয়েছে।

এ বিষয়ে ইপিবি ওইসব কাগজপত্র পর্যবেক্ষণের বিষয়টি পরিহার করতে পারে।

বন্ডেড ও নন-বন্ডেড উভয় ধরনের কারখানাকে ইপিবির নিবন্ধন নিতে হয় এবং উভয় ধরনের কারখানা রপ্তানির জন্য অনুমোদিত। তাই বন্ডেড ওয়ারহাউসের লাইসেন্সের নবায়িত কপি দাখিলের শর্ত বাদ দেয়া যায়।

অগ্নিকাণ্ড বা দুর্ঘটনা জাতীয় যে কোনো পরিস্থিতিতে কারখানার যন্ত্রপাতি বা মালামালের ক্ষতিপূরণের স্বার্থে কারখানা কর্তৃপক্ষ ইচ্ছা করলে যে কোনো বিমা কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হতে পারে। এটি কারখানা কর্তৃপক্ষের একান্ত নিজস্ব ব্যাপার। এ ক্ষেত্রে সরকারিভাবে কোনো বাধবাধকতা নেই।

এ কারণে ইপিবির নিবন্ধন গ্রহণ বা নবায়নকালে ফায়ার পলিসির নবায়িত কপি দাখিলের শর্ত পরিহার করা যেতে পারে।

এ ছাড়া বর্তমানে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পের ক্ষেত্রে গ্রুপ বিমার প্রচলন আর নেই। কারণ ইতিমধ্যে সরকারি আইন অনুসারে জুলাই ২০১৬ থেকে প্রতিটি এলসির বিপরীতে রপ্তানিমূল্য প্রত্যাবাসিত হওয়ার সাথে সাথে শূন্য দশমিক ০৩ হারে উৎস্য মূ্ল্য থেকে কেটে নিয়ে তা শ্রমিক কল্যাণ তহবিলের নামে গঠিত তহবিলে জমা করা হয়, যা শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন।

ওই তহবিল থেকে জানুয়ারি ২০১৭ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের আর্থিক অনুদান দেয়া হচ্ছে।

তাই এ বিষয়ে ইপিবিতে গ্রুপ বীমার নবায়িত কপি দাখিলের শর্ত বাদ দেয়া যেতে পারে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
"Business Review Meeting 2026" held by Bengal Commercial Bank

বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের ”ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা ২০২৬” অনুষ্ঠিত

বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের  ”ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা ২০২৬” অনুষ্ঠিত

সফলভাবে অনুষ্ঠিত হল বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের “ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা-২০২৬”। বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, রাজধানীর গুলশানে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভার সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক মোর্শেদ। চলতি বছরের ৩১ মে পর্যন্ত ব্যাংকের ব্যবসায়িক অগ্রগতি এবং ভবিষ্যত লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাসহ আগামীর কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সভায় আলোচনা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিবিও কে. এম. আওলাদ হোসেন। তিনি শাখাভিত্তিক ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমানত সংগ্রহ, মানসম্মত ঋণ বিতরণ এবং গ্রাহকসেবা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসিম সিকান্দার, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিটিও ড. মো. রফিকুল ইসলাম, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কোম্পানি সচিব মো. হুমায়ুন কবির, এফসিএস; বিভাগীয় প্রধানগণ এবং সকল শাখা ব্যববস্থাপকগণ সভায় অংশ নেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Award distribution to winners of National Cyber ​​Drill completed

জাতীয় সাইবার ড্রিলের বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন

জাতীয় সাইবার ড্রিলের বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর প্রতিনিধিরা প্রধান অতিথির কাছ থেকে চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করছেন

জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি (NCSA)-এর উদ্যোগে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগিতায় আয়োজিত জাতীয় সাইবার ড্রিলের বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ১৩ জুন ২০২৬ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সাইবার ড্রিলের প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসি এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব ফকির মাহবুব আনাম, এমপি, মাননীয় মন্ত্রী, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

এছাড়া অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং এর আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ মামুনুর রশীদ ভূঞা, ভারপ্রাপ্ত সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং ড. মো. তৈয়বুর রহমান, মহাপরিচালক, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি।

বক্তারা দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সাইবার নিরাপত্তা দক্ষতা বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক মানের সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ তৈরিতে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Global growth could drop to 13 percent if war breaks out
বিশ্বব্যাংকের সতর্কতা

যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়লে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি নামতে পারে ১.৩ শতাংশে

যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়লে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি নামতে পারে ১.৩ শতাংশে ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাবে ২০২৬ সালের জন্য বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে ২ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি তাদের অর্ধবার্ষিক ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস’ প্রতিবেদনে এক আশঙ্কাজনক সতর্কবার্তা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, যদি এই যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হয় এবং জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়, তবে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি আশঙ্কাজনকভাবে কমে মাত্র ১ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে আসতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতি বিশ্ব অর্থনীতিতে এক ভয়াবহ আর্থিক সংকট তৈরি করতে পারে বলে মনে করছে ওয়াশিংটনভিত্তিক এই ঋণদাতা সংস্থা।

রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে যে বিশ্বব্যাংকের এবারের পূর্বাভাস গত জানুয়ারির অনুমানের চেয়ে দশমিক ১ শতাংশ কম। কোভিড-১৯ মহামারীর পরবর্তী সময়ে এটিই বিশ্ব অর্থনীতির জন্য সর্বনিম্ন প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০১৫ সালে বিশ্ব অর্থনীতি কিছুটা ভালো অবস্থানে থাকলেও বর্তমান সামরিক সংঘাত পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। এই যুদ্ধের ফলে বিশ্বব্যাংক বিশ্বের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ দেশেরই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে দিয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধ এখন চতুর্থ মাসে পা দিয়েছে। যুদ্ধের কারণে বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ধস নেমেছে। ফলে বিশ্বজুড়ে নতুন করে মূল্যস্ফীতির প্রবল চাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা নিয়ন্ত্রণে আনতে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো উচ্চ সুদহারের মতো কঠোর মুদ্রানীতির কথা ভাবছে। এছাড়া যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে সারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ভয়াবহ খাদ্য সংকটের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংক তাদের মূল প্রাক্কলনে ব্রেন্ট ক্রুড জ্বালানি তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৪ ডলার হওয়ার সম্ভাবনা ধরে নিয়েছে। তবে বিকল্প একটি ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলারে পৌঁছালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ১ শতাংশে নেমে আসতে পারে। পরিস্থিতি আরও চরমে পৌঁছালে প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ৩ শতাংশে ঠেকতে পারে। বিশ্বব্যাংকের উপ-প্রধান অর্থনীতিবিদ আয়হান কোসে বলেন, ‘জ্বালানি সরবরাহ সংকট এবং আর্থিক বাজারের চাপ যখন একে অন্যকে প্রভাবিত করে, তখন বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত দ্রুত ভেঙে পড়তে পারে।’

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, ২০২৭ ও ২০২৮ সালের দিকে প্রবৃদ্ধি সামান্য ঘুরে দাঁড়ালেও তা ২০১০-এর দশকের গড় প্রবৃদ্ধির চেয়ে অনেক কম থাকবে। প্রধান অর্থনীতিবিদ ইন্দরমিত গিল জানিয়েছেন, উচ্চ সরকারি ঋণ, বেসরকারি বিনিয়োগে মন্দা এবং বিশ্ব বাণিজ্যের শ্লথগতি এই পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে। উন্নত দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ২ শতাংশ এবং চীনের প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ২ শতাংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিশ্বব্যাপী এই মন্দার মধ্যেও ভারত ৬ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বড় অর্থনীতি হিসেবে নিজের অবস্থান বজায় রেখেছে। অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো সবচেয়ে বেশি অর্থনৈতিক স্থবিরতার সম্মুখীন হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Irans four major banks are victims of cyber attacks

ইরানের প্রধান চার ব্যাংক সাইবার হামলার শিকার

ইরানের প্রধান চার ব্যাংক সাইবার হামলার শিকার ছবি: সংগৃহীত

সাইবার আক্রমণের শিকার হয়েছে ইরানের শীর্ষস্থানীয় চারটি বাণিজ্যিক ব্যাংক। এই অতর্কিত হামলার ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর নিয়মিত আর্থিক সেবা প্রদান প্রক্রিয়ায় সাময়িক বিপর্যয় ও স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।

ইরানের ব্যাংকিং সমন্বয় পরিষদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্যে অননুমোদিত প্রবেশাধিকার কিংবা তথ্য চুরির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে হামলার কারণে ব্যাংকগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, হামলাটি মূলত ব্যাংক মেল্লি, ব্যাংক তেজারাত, ব্যাংক সাদেরাত এবং এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক অব ইরান-এর ব্যবহৃত একটি যৌথ যোগাযোগ অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে সেবা পুনরায় স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After the withdrawal of the floor price the two stocks reacted in two ways

ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর দুই শেয়ারে দুই রকম প্রতিক্রিয়া

ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর দুই শেয়ারে দুই রকম প্রতিক্রিয়া ছবি: সংগৃহীত

শেয়ারবাজারের দুই আলোচিত প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এবং বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ারে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর ভিন্নধর্মী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। গত মঙ্গলবার ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার মাধ্যমে দেশের পুঁজিবাজার দীর্ঘ সময় পর সম্পূর্ণ ফ্লোর মুক্ত হলেও আজ (১৪ জুন) নতুন সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে কোম্পানি দুটির শেয়ারের মুভমেন্ট ছিল সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী।
ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের প্রথম কয়েক দিন উভয় কোম্পানিতেই ক্রেতা সংকট দেখা দিলেও আজ দুপুরে চিত্রটি পাল্টে যায়। ইসলামী ব্যাংক ফ্লোর প্রত্যাহারের প্রাথমিক ধাক্কা সামলে বিনিয়োগকারীদের প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দেখা যায়, ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারে প্রচুর ক্রয় আদেশ থাকলেও বিক্রেতার সংখ্যা ছিল শূন্য। ফলে কোম্পানিটির শেয়ারদর সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমা অর্থাৎ প্রায় ১০ শতাংশ বা ২ টাকা ৯০ পয়সা বেড়ে ৩২ টাকায় লেনদেন শেষ হয়। হল্টেড হওয়ার আগে কোম্পানিটির প্রায় ৮৫ লাখ ১০ হাজার টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে।
অন্যদিকে, বেক্সিমকো লিমিটেডের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ উল্টো। ফ্লোর পরবর্তী সময়ে শেয়ারটি বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। আজ দুপুরে দেখা গেছে, বেক্সিমকোর শেয়ারে বিপুল পরিমাণ বিক্রয় আদেশ থাকলেও ক্রেতার উপস্থিতি ছিল না বললেই চলে। এর ফলে কোম্পানিটির শেয়ারদর সার্কিট ব্রেকারের সর্বনিম্ন সীমা বা ১০ শতাংশ (৮ টাকা) কমে ৭২ টাকা ৩০ পয়সায় অবস্থান নেয়। লেনদেনের পরিমাণ ছিল অত্যন্ত নগণ্য, মাত্র ৫৭ বারে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের পুনরায় ফিরে আসা বাজারের জন্য ইতিবাচক সংকেত হলেও বেক্সিমকোর ক্ষেত্রে ফ্লোর পরবর্তী দরপতন বিনিয়োগকারীদের মাঝে কিছুটা উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সকল কোম্পানি ফ্লোর মুক্ত হওয়ায় বাজার তার স্বাভাবিক গতি ফিরে পাবে বলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Eurocham Bangladesh emphasizes modernization of tax administration in economic transition

অর্থনৈতিক উত্তরণে কর প্রশাসন আধুনিকীকরণের ওপর জোর ইউরোচ্যাম বাংলাদেশের

অর্থনৈতিক উত্তরণে কর প্রশাসন আধুনিকীকরণের ওপর জোর ইউরোচ্যাম বাংলাদেশের ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির এই সন্ধিক্ষণে সামষ্টিক স্থিতিশীলতা রক্ষা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণের পাশাপাশি কর ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ব্যবসায়ীদের সংগঠন ‘ইউরোচ্যাম বাংলাদেশ’। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে রোববার (১৪ জুন) এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে যে, বাজেটে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের জন্য বেশ কিছু ইতিবাচক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তবে এর প্রকৃত সুফল পেতে হলে কার্যকর বাস্তবায়ন ও ধারাবাহিক নীতি সংস্কার অপরিহার্য।

ইউরোচ্যাম বাংলাদেশের পর্যালোচনা অনুযায়ী, প্রস্তাবিত বাজেটে তাদের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশের প্রতিফলন ঘটেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—একটি বহু-বার্ষিক কর নীতি রোডম্যাপের প্রবর্তন, কর প্রদান ও রিফান্ড ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজেশন এবং রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য বন্ডেড ও শুল্কমুক্ত সুবিধার সম্প্রসারণ। এছাড়া প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (ফ্রি ট্রেড জোন) কাঠামোকেও তারা ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। সংগঠনটি মনে করে, এই উদ্যোগগুলো ব্যবসায়িক নীতির পূর্বাভাসযোগ্যতা বাড়িয়ে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।

নবায়নযোগ্য শক্তি, বৈদ্যুতিক যানবাহন (ইভি), আইসিটি এবং সেমিকন্ডাক্টর খাতের জন্য ঘোষিত প্রণোদনাকে সাধুবাদ জানিয়ে ইউরোচ্যাম বলেছে যে, সরকারের ৬.৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে স্থিতিশীল জ্বালানি সরবরাহ এবং বেসরকারি খাতের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। ইউরোচ্যাম বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক আরিফ শাম্মা বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কর প্রশাসন ও বাণিজ্য সহজীকরণের ভালো উদ্যোগ থাকলেও বিদেশি বিনিয়োগ টানতে ব্যবসার পরিবেশের উন্নতি ও ধারাবাহিক সংস্কারের বিকল্প নেই। তবে তিনি সবকিছুর মূলে এই নীতিমালার সঠিক ও কার্যকর প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশ যখন স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন ইউরোচ্যাম সরকারকে নীতিমালার ধারাবাহিকতা রক্ষা, শুল্ক আধুনিকীকরণ এবং মানসম্মত সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে আরও বেশি জোর দেওয়ার তাগিদ দিয়েছে। টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এবং ইউরোপীয় বিনিয়োগ ও বাণিজ্য অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করতে সংগঠনটি সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sufi Nights organized by Twab Pioneers Coalition

সুফি নাইটস আয়োজন করলো টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোট

সুফি নাইটস আয়োজন করলো টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোট ছবি: সংগৃহীত

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্যানেল টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোট শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনের একটি কনভেনশন হলে “সুফি নাইটস ও ডিনার” শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে টোয়াবের সম্মানিত সদস্যদের উপস্থিতিতে গড়ে ওঠে এক অনন্য সাংস্কৃতিক সম্প্রীতি ও পেশাগত ঐক্যের পরিবেশ।

সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে টোয়াবের সদস্যবৃন্দ, পর্যটন খাতের বিভিন্ন অংশীজন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময় এবং নৈশভোজের মধ্য দিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পেশাগত বন্ধন ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে ভূমিকা রাখে। আগামী টোয়াব নির্বাচনের প্রাক্কালে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র একটি সামাজিক মিলনমেলা নয়, বরং দেশের পর্যটন শিল্পের অংশীদারদের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে।

অনুষ্ঠানে সুফি সংগীত পরিবেশনা, নৈশভোজ এবং অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা পর্যটন শিল্পের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। উপস্থিত প্যানেল প্রধান ও প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জনাব ড. তাসলিম আমিন শোভন ও সদস্যরা একটি শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ এবং টেকসই পর্যটন খাত গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প আজ এমন এক পর্যায়ে রয়েছে যেখানে অভিজ্ঞ নেতৃত্ব, স্বচ্ছতা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত জরুরি। তারা শিল্পের উন্নয়ন, অন্তর্ভুক্তি এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্বের প্রতি তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৌফিক উদ্দিন আহমেদ, সাবেক সভাপতি, টোয়াব এবং গ্রুপ চেয়ারম্যান, গ্যালাক্সি বাংলাদেশ; ফরিদুল হক, সাবেক সভাপতি, টোয়াব ও চেয়ারম্যান, ইনোগ্লোব; সৈয়দ গোলাম মোহাম্মদ, সভাপতি, বাংলাদেশ আউটবাউন্ড ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন (বোটোয়া); সৈয়দ গোলাম কাদির, প্রধান সম্পাদক, ট্রাভেল ক্যানভাস; এবং রেজাউল একরাম (রাজু), প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ আউটবাউন্ড ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন (বোটোয়া) ও নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ফর ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট (বিএফটিডি)। এছাড়াও টোয়াবের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ এবং পর্যটন শিল্পের বিশিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও ট্রাভেলবাংলা ডটকমের প্রধান সম্পাদক প্রণব সাহা। পুরো আয়োজনটি সমন্বয় করেন টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোটের প্রধান সমন্বয়কারী চৌধুরী হাসানুজ্জামান রনি, সভাপতি, বোটফ; এবং উপ-সমন্বয়কারী আবদুল্লাহ আল কাফি, সিইও, বাংলাদেশ ভ্যাকেশন।

মন্তব্য

p
উপরে