চট্টগ্রাম শহরে ধর্মঘট প্রত্যাহার

চট্টগ্রাম শহরে ধর্মঘট প্রত্যাহার

চট্টগ্রাম মহানগর পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি বেলায়েত হোসেন বেলাল বলেন, রোববার সকাল ৬টা হতে চট্টগ্রাম মহানগরীতে গণপরিবহন চলবে। রাস্তা বন্ধ করে সিএনজি অটোরিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলে বাধা দিয়ে, রাজনৈতিকভাবে ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে একটি পক্ষ। সে জন্য ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে চট্টগ্রাম মহানগর পরিবহন মালিক গ্রুপ।

সংগঠনের সভাপতি বেলায়েত হোসেন বেলাল শনিবার দুপুর ১টার দিকে নিউজবাংলাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রোববার সকাল ৬টা হতে চট্টগ্রাম মহানগরীতে গণপরিবহন চলবে। রাস্তা বন্ধ করে সিএনজি অটোরিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচলে বাধা দিয়ে, রাজনৈতিকভাবে ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে একটি পক্ষ। সে জন্য ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

বেলায়েত আরও বলেন, ‘জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোয় সরকার যেন গাড়ি ভাড়া বাড়ায় বা তেলের দাম আবার কমিয়ে দেয়। শনিবার আমরা সড়কে গিয়ে দেখি, এক শ্রেণির লোক নিজেদের শ্রমিক দাবি করে সব গাড়ি বন্ধ করে দিচ্ছে।

‘অটোরিকশা গ্যাসে চলে, ব্যক্তিগত গাড়ি বেশিরভাগ অকটেনে চলে। তবে শ্রমিক নামধারীরা পিকেটিং করে এসব গাড়িও বন্ধ করে দিচ্ছে। ব্যক্তিগত গাড়িতে মবিল মেরে দিচ্ছে। সরকার আমাদের সঙ্গে রোববার বেলা ১১টায় মিটিং করবে বলেছে। তবে রাস্তায় কিছু লোক অরাজকতা করায় আমরা মনে করছি, এখানে কারও ইন্ধন আছে। তাই ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত।’

বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘আমরা রোববার সকাল থেকে গাড়ি চালাব। এ ক্ষেত্রে আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা চাই। কোনো দুষ্কৃতিকারী যেন আমাদের চালকদের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য সকাল থেকে প্রশাসনকে মাঠে থাকার অনুরোধ করছি আমরা।

নগরীর টাইগারপাস মোড়ে সড়ক অবরোধ করে শনিবার সকালে গাড়ি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচলে বাধা দিয়েছে পরিবহন শ্রমিকরা।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে টাইগারপাস এলাকায় পরিবহন শ্রমিকরা রাস্তায় অবস্থান নেন। এ সময় তাদের বিভিন্ন গণপরিবহন চলাচলে বাধা দিতে দেখা গেছে। শ্রমিকরা ব্যক্তিগত গাড়ি ও সিএনজি আটকে দেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। পরে বেলা ১১টার দিকে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়।

চট্টগ্রাম মহানগর পরিবহন মালিক গ্রুপ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার গণপরিবহন বন্ধের ঘোষণা দেয়। পাশাপাশি পণ্য পরিবহনও বন্ধ রাখার ঘোষণা এসেছে সংগঠনগুলো থেকে।

সেদিন চট্টগ্রাম জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের মহাসচিব গোলাম রসুল বাবুল বলেন, ‘বিভিন্ন সময় আমাদের ১০ দফা দাবি ছিল, যেগুলো পূরণ করা হয়নি। এর মধ্যে হুট করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। এই অবস্থায় মালিক-শ্রমিকদের পক্ষে গাড়ি চালানো খুব কষ্টকর। এর প্রভাব পড়বে ভাড়ায়। কিন্তু ভাড়া বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি। অতীতে বিআরটিএর ট্যাক্স-টোকেন ফি কয়েকগুণ বাড়ানো হয়েছিল। তা আর কমানো হয়নি। কোনো দাবি মানা হয়নি। তার মধ্যে এভাবে তেলের দাম বাড়ালে গাড়ি চালানো সম্ভব নয়। এসব কারণে শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে পণ্য ও যাত্রীবাহী সব ধরনের যানবাহন চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বুধবার রাতে জ্বালানি তেলের দাম ৬৫ থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকা নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপ প্রধান তথ্য অফিসার মীর মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়তে থাকায় ‘লোকসান কমাতে’ দেশের বাজারেও এই জ্বালানির তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য ক্রমবর্ধমান। বিশ্ববাজারে ঊর্ধ্বগতির কারণে পাশের দেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশ জ্বালানি তেলের মূল্য নিয়মিত সমন্বয় করছে। গত ১ নভেম্বর ভারতে ডিজেলের বাজার মূল্য প্রতি লিটার ১২৪.৪১ টাকা বা ১০১.৫৬ রূপি ছিল। অথচ বাংলাদেশে ডিজেলের মূল্য প্রতি লিটার ৬৫ টাকা অর্থাৎ লিটার প্রতি ৫৯.৪১ টাকা কম।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার শুধু ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্য প্রতি লিটার ভোক্তা পর্যায়ে ৬৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকা পুনর্নির্ধারণ করেছে। নতুন এই মূল্যবৃদ্ধি বুধবার দিবাগত রাত ১২টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘রিকশা, পাঠাও, উবার সবাই গলা কাটছে’
২০০ টাকার পথ হাজার টাকায়
তেলের মূল্যবৃদ্ধি: পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রীর পর্যবেক্ষণে
তেলের দাম না কমালে চলবে পরিবহন ধর্মঘট
পরিবহন ধর্মঘট: অফিসগামী ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বিজিবি সদস্যকে হত্যা: ঘটনাস্থলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের টিম

বিজিবি সদস্যকে হত্যা: ঘটনাস্থলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের টিম

পরাজিত প্রার্থীর চাচি ইয়ামিন বেগম জানান, ‘আমরা হেরে গেছি। তারপর কী হয়েছে আমাদের জানা নেই। রাত ২টার দিকে আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে কিছু ব্যক্তি।

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত বিজিবি সদস্যের ময়নাতদন্ত হয়েছে।

জেনারেল হাসপাতালের মর্গে সোমবার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের সহকারী পরিচালক মেজবাহুর হাসান চৌধুরী।

তিনি জানান, দুপুর ১২টার দিকে বিজিবি সদস্যে রুবেল মন্ডলের ময়নাতদন্ত হয়। পরে কর্তৃপক্ষের কাছে মৃতদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিহত রুবেলের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।

এদিন দুপুর আড়াইটার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি টিম। এতে ছিলেন বিজিবি রংপুর রিজিওনাল কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহবুবুর রহমান খান, রংপুর রেঞ্জের অতিরিক্ত উপপুলিশ মহাপরিদর্শক ওয়ালিদ হোসেন ও নীলফামারীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা মুরাদ হাসান বেগ।

সাংবাদিকদের প্রশ্নে মিজানুর রহমান বলেন, এই মুহূর্তে কিছু বলা যাচ্ছে না। সবার সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত জানান হবে।

নির্বাচনি সহিংসতায় বিজিবি সদস্যকে পিটিয়ে হত্যার পর নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের গাড়াগ্রামের মাঝাপাড়া এখন সুনসান।

ঘটনাস্থলে সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গিয়ে দেখা গেছে গুমট পরিবেশ। পশ্চিম দলিরাম মাঝাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রটি ঘিরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। আশপাশে কাউকে ভিড়তে দিচ্ছে না পুলিশ।

ফল ঘোষণার পর জাতীয় পার্টির পরাজিত প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মারুফ হোসেন অন্তিকের সমর্থকদের হামলায় বিজিবি সদস্য রুবেল হোসেন নিহত হন বলে অভিযোগ উঠেছে। রুবেল বাহিনীটির নায়েক ছিলেন।

এ ঘটনার পর পরাজিত প্রার্থীর বাড়িতে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। দুজনকে বাড়ি থেকে তুলে নেয়ার অভিযোগও করেছেন ওই প্রার্থীর এক স্বজন।

সহিংসতার বর্ণনা দিতে গিয়ে স্থানীয়রা জানান, গাড়াগ্রাম ইউপিতে রাত সাড়ে ৮টার দিকে জাতীয় পার্টির সাবেক নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী জোনাব আলীকে জয়ী ঘোষণা করা হয়। সেই ফল প্রত্যাখান করেন জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মারুফ হোসেন অন্তিকের সমর্থকরা। কেন্দ্র থেকে ব্যালটসহ নির্বাচনি সরঞ্জাম নিয়ে উপজেলা সদরে রির্টানিং কর্মকর্তার দপ্তরে যাওয়ার সময় কর্মকর্তাদের ওপর লাটিসোঁটা নিয়ে হামলা চালান তারা।

তারা আরও জানান, ওই সময় আত্মরক্ষায় বিজিবি সদস্য রুবেল কেন্দ্রের একটি কক্ষে আশ্রয় নিলে বিক্ষুব্ধরা সেখানে তাকে পিটিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যান। পুলিশের গাড়ি ও ভোট কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগের চেষ্টাও চলান তারা। আত্মরক্ষায় তখন কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সরকার বিভাগের উপপরিচালক আবদুর রহমান বলেন, ‘হামলায় পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেসসহ নির্বাচনি কাজে নিয়োজিত ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হয়েছেন।’

নির্বাচনি সহিংসতার পর গাড়াগ্রামের মাঝাপাড়ায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দা জোসনা বেগম জানান, প্রথম শোনা গেছে বর্তমান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। পরে আবার জানা গেল সে হেরে গিয়ে জিতেছে স্বতন্ত্র প্রার্থী। এনিয়ে সংঘর্ষ শুরু হয় স্থানীয়দের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর।

শুনছি সে সময় বিজিবির এক সদস্য নিহত হয়েছেন। তবে ঘটনার পর থেকে এলাকায় কোনো মানুষ নেই।

পরাজিত প্রার্থীর চাচি ইয়ামিন বেগম জানান, ‘আমরা হেরে গেছি। তারপর কী হয়েছে আমাদের জানা নেই। রাত ২টার দিকে আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে কিছু ব্যক্তি।

‘আমার পরিবার থেকে দুজনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কে বা কারা নিয়ে গেছে তা আমরা জানি না।’

প্রতিবেশী ফজিলা বেগম বলেন, ‘রাতে শুনেছি হাঙ্গামার খবর। সকাল থেকে এই এলাকায় কোনো মানুষ পাওয়া যায়নি।’

সহিংসতার ঘটনায় কেউ আটক আছে কিনা এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)। তিনি কথা বলতে চাননি মামলার প্রসঙ্গেও।

আরও পড়ুন:
‘রিকশা, পাঠাও, উবার সবাই গলা কাটছে’
২০০ টাকার পথ হাজার টাকায়
তেলের মূল্যবৃদ্ধি: পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রীর পর্যবেক্ষণে
তেলের দাম না কমালে চলবে পরিবহন ধর্মঘট
পরিবহন ধর্মঘট: অফিসগামী ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ

শেয়ার করুন

কাউন্সিলর সোহেল হত্যায় গ্রেপ্তার আরও দুই

কাউন্সিলর সোহেল হত্যায় গ্রেপ্তার আরও দুই

কুমিল্লার কাউন্সিলর সোহেল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে আরও দুজনকে। ছবি: নিউজবাংলা

সবশেষ গ্রেপ্তার দুজন হলেন নগরীর সুজানগরের জিসান মিয়া ও সংরাইশ এলাকার মোহাম্মদ রাব্বি ইসলাম অন্তু। এর মধ্যে জিসান মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। আর রাব্বিকে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ নিয়ে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হলেন ছয়জন।

কুমিল্লায় কাউন্সিলর সৈয়দ মো. সোহেল ও তার সঙ্গীকে গুলি করে হত্যা মামলায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ নিয়ে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হলেন ছয়জন।

সবশেষ গ্রেপ্তার দুজন হলেন নগরীর সুজানগরের জিসান মিয়া ও সংরাইশ এলাকার মোহাম্মদ রাব্বি ইসলাম অন্তু।

এর মধ্যে জিসান মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। আর রাব্বিকে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রোববার মধ্যরাতে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার পাঁচথুবী এলাকা থেকে জিসান ও দেবিদ্বার উপজেলা সদর থেকে অন্তুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সোহান সরকার।

জেলা পুলিশের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে জানান, ঘটনার দিন অন্তুর বাড়িতে দুপুরের খাবার খান এজাহারভুক্ত সাত আসামি। এ কারণে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে অন্তুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নিজ কার্যালয়ে গত ২২ নভেম্বর বিকেলে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সৈয়দ মো. সোহেলসহ গুলিবিদ্ধ হন অন্তত ছয়জন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সোহেল ও তার সঙ্গী হরিপদ সাহার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের শাহ আলমকে প্রধান আসামি করে ১১ জনের নামে মামলা হয় কোতোয়ালি থানায়। অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে ১০-১২ জনকে।

আরও পড়ুন:
‘রিকশা, পাঠাও, উবার সবাই গলা কাটছে’
২০০ টাকার পথ হাজার টাকায়
তেলের মূল্যবৃদ্ধি: পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রীর পর্যবেক্ষণে
তেলের দাম না কমালে চলবে পরিবহন ধর্মঘট
পরিবহন ধর্মঘট: অফিসগামী ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ

শেয়ার করুন

ভোটে হেরে ‘ফেরত নিলেন’ অনুদানের কম্বল

ভোটে হেরে ‘ফেরত নিলেন’ অনুদানের কম্বল

পরাজিত সদস্য প্রার্থী রমেছা খানম তার দেয়া অনুদানের কম্বল ফেরত নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ছবি: নিউজবাংলা

কম্বল পাওয়া অনু মিয়া বলেন, ‘যে কাজটি রমেছা খানম করলেন তা এলাকাবাসী দেখলেন। গরিবদের প্রতি তার অবিচার আগে থেকেই। এ জন্য তার পক্ষে নির্বাচন করিনি। এ কারণেই তিনি আজ সকালে (সোমবার) এসে সব কম্বল নিয়ে গেছেন।’

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ভোটে হেরে যাওয়ায় চারজনকে দেয়া অনুদানের কম্বল ফিরিয়ে নিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী রমেছা খানম। ওই চারজন এমন অভিযোগ করেছেন।

তারা বলছেন, রমেছার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় ও সেই প্রার্থী বিজয়ী হওয়ায় ক্ষেপে গিয়ে রমেছা এ কাজ করেছেন।

রমেছা খানম সহদেবপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত আসনের সদস্য থাকাকালে দুই বছর আগে ইউপির অনুদানের টাকায় একটি করে কম্বল দেন আকুয়া গ্রামের মকবুল হোসেন, অনু মিয়া, মো. সংকু ও মো. বংকুকে। তারা চারজন ভাই।

ওই আসনের জন্য এবার রমেছার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জোসনা বেগম। ভোটে জয় হয় জোসনার। কম্বল পাওয়া চার ভাইয়ের বাড়ি জোসনার বাড়ির পাশেই। তারা জোসনার পক্ষে নির্বাচনে কাজও করেছেন বলে জানান।

এর মধ্যে মকবুল হোসেন বলেন, ‘আমার পাশের বাড়ির জোসনা বেগম এ বছর নির্বাচন করলে আমরা তার পক্ষে কাজ করি। এ জন্য রমেছা আমাদের দেয়া কম্বলগুলো নিয়ে গেছেন।’

অনু মিয়া বলেন, ‘যে কাজটি রমেছা খানম করলেন তা এলাকাবাসী দেখলেন। গরিবদের প্রতি তার অবিচার আগে থেকেই। এ জন্য তার পক্ষে নির্বাচন করিনি। এ কারণেই তিনি আজ সকালে (সোমবার) এসে সব কম্বল নিয়ে গেছেন।’

অভিযোগ সত্য কিনা জানতে রমেছা খানমকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে পারব না।’

আরও পড়ুন:
‘রিকশা, পাঠাও, উবার সবাই গলা কাটছে’
২০০ টাকার পথ হাজার টাকায়
তেলের মূল্যবৃদ্ধি: পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রীর পর্যবেক্ষণে
তেলের দাম না কমালে চলবে পরিবহন ধর্মঘট
পরিবহন ধর্মঘট: অফিসগামী ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ

শেয়ার করুন

নির্বাচনি সহিংসতা: আহত স্কুলছাত্রের মৃত্যু

নির্বাচনি সহিংসতা: আহত স্কুলছাত্রের মৃত্যু

সলঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাকেরিয়া ইসলাম নিউজবাংলাকে জানান, ৩নং ওয়ার্ডের দুই মেম্বর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত স্কুলছাত্র বগুড়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। সুরতহাল শেষে তার মরদেহ নিজ বাড়িতে নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হবে।

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় নির্বাচনি সহিংসতায় আহত স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।

বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ নিয়ে ইউপি নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে ৭ জেলায় প্রাণ গেল ৯ জনের।

মৃত দেলোয়ার হোসেন সাগর মাছুয়াকান্দি গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে ও সলঙ্গা ইসলামি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণিতে পড়ত।

হাটিকুমরুল ইউপি চেয়ারম্যার হেতায়েতুল আলম নিউজবাংলাকে জানান, রোববার দুপুরে ভোট চলাকালে মাছিয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বর প্রার্থী সেলিম রেজা মোল্লা ও হিরা সর্দারের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

ভোট দেখতে এসে মারধরের শিকার হন স্কুলছাত্র সাগর। তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোররাতে ছেলেটি মারা যায়।

সংঘর্ষ দুপক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলেও জানান চেয়ারম্যান।

আহতদের মধ্যে হিরা মন্ডল, আমিরুল হোসেন সবুজ, হাদি, ইব্রাহিম, আশরাফুল, মতি, আমিরুল ইসলাম ও শফি খানকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

সলঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাকেরিয়া ইসলাম নিউজবাংলাকে জানান, ৩নং ওয়ার্ডের দুই মেম্বর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত স্কুলছাত্র বগুড়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। সুরতহাল শেষে তার মরদেহ নিজ বাড়িতে নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হবে।

আরও পড়ুন:
‘রিকশা, পাঠাও, উবার সবাই গলা কাটছে’
২০০ টাকার পথ হাজার টাকায়
তেলের মূল্যবৃদ্ধি: পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রীর পর্যবেক্ষণে
তেলের দাম না কমালে চলবে পরিবহন ধর্মঘট
পরিবহন ধর্মঘট: অফিসগামী ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ

শেয়ার করুন

পেশাভিত্তিক গুচ্ছগ্রামের চিন্তা

পেশাভিত্তিক গুচ্ছগ্রামের চিন্তা

সুনামগঞ্জ সদরের লক্ষ্মণশ্রী ইউনিয়নের একটি গুচ্ছগ্রামে পানির সংকটে থাকা বাসিন্দারা। ফাইল ছবি

ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মনে করছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা গেলে গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ফলপ্রসূ হবে।

পেশাভিত্তিক গুচ্ছগ্রাম স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে যাচ্ছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ে ২০২১-২২ অর্থ বছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় কর্মকর্তাদের এ সংক্রান্ত কাজ শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।

কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাঁতী, জেলে, কামার, কুমার, মুচি ইত্যাদি পেশাকেন্দ্রিক গুচ্ছগ্রাম স্থাপন বা স্থানীয় লক্ষ্যভিত্তিক করে গুচ্ছগ্রাম বাস্তবায়নের সক্ষমতা যাচাই করা হবে।

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত কপ ২৬-এর সিভিএফ-কমনওয়েলথ প্যানেল আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী ও ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের সভাপতি শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাস্তবসম্মত, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং স্থানীয়ভাবে পরিচালিত সমাধানগুলো খুঁজে বের করার তাগিদ দেন।

এ বিষয়টিকে মাথায় রেখেই ভূমিমন্ত্রী গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প অধিকতর স্থানীয় লক্ষ্যভিত্তিক করে বাস্তবায়নের সক্ষমতা যাচাই করতে ভূমি সচিবকে নির্দেশ দেন।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মনে করছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা গেলে গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ফলপ্রসূ হবে।

আরও পড়ুন:
‘রিকশা, পাঠাও, উবার সবাই গলা কাটছে’
২০০ টাকার পথ হাজার টাকায়
তেলের মূল্যবৃদ্ধি: পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রীর পর্যবেক্ষণে
তেলের দাম না কমালে চলবে পরিবহন ধর্মঘট
পরিবহন ধর্মঘট: অফিসগামী ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ

শেয়ার করুন

রায়পুরায় নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রায়পুরায় নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রতীকী ছবি

এসআই জব্বার বলেন, ‘আমরা ফারজানার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছি। তার স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়া হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে আমরা মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বলতে পারব।’

নরসিংদীর রায়পুরায় এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার আমিরগঞ্জ বাজারের একটি বিউটি পার্লারের ভেতর থেকে ফারজানা আক্তারের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মৃতের স্বামী মো. লোকমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

ফারজানা উপজেলার আদিয়াবাদ ইউনিয়নের টিপ্পিনগর এলাকার বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।

স্থানীয়দের বরাতে রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল জব্বার বলেন, লোকমান-ফারজানা দম্পতি আমিরগঞ্জ বাজারের কাছে দুটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন। এরমধ্যে একটিতে তারা থাকতেন আরেকটিতে ফারজানা বিউটি পার্লার করেন।

রোববার রাত দুইটায় লোকমান স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে ফারজানাকে বিউটি পার্লারের কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পুলিশ দুপুরে এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

এসআই জব্বার বলেন, ‘আমরা ফারজানার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছি। তার স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়া হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে আমরা মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বলতে পারব।’

আরও পড়ুন:
‘রিকশা, পাঠাও, উবার সবাই গলা কাটছে’
২০০ টাকার পথ হাজার টাকায়
তেলের মূল্যবৃদ্ধি: পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রীর পর্যবেক্ষণে
তেলের দাম না কমালে চলবে পরিবহন ধর্মঘট
পরিবহন ধর্মঘট: অফিসগামী ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ

শেয়ার করুন

ভোটের পরদিনও লক্ষ্মীপুরে সংঘর্ষ

ভোটের পরদিনও লক্ষ্মীপুরে সংঘর্ষ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরায় ইউপির ভোটে জয়ী ও পরাজিত সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

ভোটের দিন সংঘর্ষ হয় লক্ষ্মীপুরের রায়পুর ও রামগঞ্জের কয়েকটি কেন্দ্রে। ভোট শেষের আগমুহূর্তে রামগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতা নিহত হন। পরদিনও রায়পুরে ভোটে জয়ী-পরাজিত সদস্য প্রার্থীর সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়ান।

লক্ষ্মীপুরে ভোটের পরদিনও থেমে নেই সহিংসতা। ভোটের দিন সংঘর্ষে রামগঞ্জ উপজেলায় একজনের প্রাণহানির পর সোমবার আবারও রায়পুর উপজেলায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই উপজেলায় ভোটের দিনও সংঘর্ষ হয়েছে।

রায়পুরের উত্তর চরবংশীর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুচিয়া মোড় এলাকায় সোমবার দুপুরে সংঘর্ষে জড়ান নির্বাচনে জয়ী ও পরাজিত সদস্য প্রার্থীর সমর্থকরা। এ সময় তারা অন্তত ২০টি বাড়িঘর ভাঙচুর করেন।

সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল জলিল।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, রোববারের নির্বাচনে ওই ওয়ার্ডের সদস্য হন জাহাঙ্গীর বকসি। পরাজিত প্রার্থী মফিজ দেওয়ানের সমর্থকরা দুপুরে কুচিয়া মোড় এলাকায় জড়ো হন। জাহাঙ্গীরের লোকজন সেখানে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়, যা পড়ে সংঘর্ষে গড়ায়।

তিনি বলেন, অন্তত ১০ জন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। আহত অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

সংঘর্ষের বিষয়ে পরাজিত প্রার্থী মফিজ দেওয়ান অভিযোগ করে বলেন, তার সমর্থকরা বসে চা খাচ্ছিল। এ সময় জাহাঙ্গীর বকসির ভাই লিটন বকসির নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা হয়। হামলাকারীরা কয়েকটি বাড়ি ভাঙচুর করে, একটি মাছ ধরার নৌকা ও জাল পুড়িয়ে দেয়।

জবাবে বিজয়ী প্রার্থী জাহাঙ্গীর বলেন, নির্বাচনে হেরে যাওয়ার মফিজের ক্ষুব্ধ সমর্থকরা হামলা চালায় তার লোকজনের ওপর।

এর আগে ভোটের দিন রায়পুরের দক্ষিণ চরবংশীর পশ্চিম চরলক্ষ্মী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই সদস্য পদপ্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

স্থানীয় লোকজন জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী আলমগীর হোসেন তার সমর্থকদের নিয়ে কেন্দ্রে যাওয়ার সময় অন্য সদস্য পদপ্রার্থী খালেকুজ্জামান খালেক বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়।

এতে খালেকুজ্জামানসহ দুই পক্ষের ছয়জন আহত হয়েছেন।

একই সময় রামগঞ্জের বাদুর ইউপির আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহিদ হোসেনের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে হানুবাইশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে।

এরপর ভোট শেষের আগমুহুর্তে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে রামগঞ্জের ইছাপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ও এর বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা সজিব হোসেন নিহত হন।

ইউনিয়নের নয়নপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে এই সংঘর্ষ হয়।

নিহত সজিব ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহনাজ আক্তারের সমর্থক ছিলেন।

আরও পড়ুন:
‘রিকশা, পাঠাও, উবার সবাই গলা কাটছে’
২০০ টাকার পথ হাজার টাকায়
তেলের মূল্যবৃদ্ধি: পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রীর পর্যবেক্ষণে
তেলের দাম না কমালে চলবে পরিবহন ধর্মঘট
পরিবহন ধর্মঘট: অফিসগামী ও শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ

শেয়ার করুন