এএসপি আনিসুল হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু

এএসপি আনিসুল হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু

সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুল করিম

কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্রে জানা যায়, এএসপি আনিসুল করিম হত্যা মামলার আসামি নিয়াজ মোর্শেদ হাজতি হিসেবে কারাগারে ছিলেন। তিনি প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত ছিলেন।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হঠাৎ অসুস্থতায় মৃত্যু হয়েছে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আনিসুল করিম হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মাইন্ড এইড হাসপাতালের পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদের।

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শুক্রবার রাত ৮টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সাড়ে ৯টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিয়াজ মোর্শেদকে হাসপাতালে নিয়ে আসা কারারক্ষী মারুফ বলেন, ‘কেন্দ্রীয় কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। নিহতের পিতার নাম মুজিবুর রহমান। তিনি হাজতে ছিলেন সেটির নম্বর ৪০৬৫৭/২১। আমরা এর বেশি কিছু বলতে পারব না।’

কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্রে জানা যায়, এএসপি আনিসুল করিম হত্যা মামলার আসামি নিয়াজ মোর্শেদ হাজতি হিসেবে কারাগারে ছিলেন। তিনি প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত ছিলেন।

২০২০ সালের ৯ নভেম্বর সকালে আদাবরের মাইন্ড এইড হাসপাতাল থেকে আনিসুল করিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালের কর্মচারীদের পিটুনিতে এই পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা হয়। এই মামলার অন্যতম আসামি মাইন্ড এইড হাসপাতালের পরিচালক নিয়াজ মোর্শেদকে গত বছরের ১০ নভেম্বর গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের ৩৩ ব্যাচের ছাত্র আনিসুল করিম ৩১ বিসিএসে পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান। এক সন্তানের জনক আনিসুলের বাড়ি গাজীপুরে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, মানসিক সমস্যার কারণে মাইন্ড এইড হাসপাতালে ভর্তি করার পরপরই কর্মচারীরা আনিসুলকে পিটিয়ে হত্যা করেন। আর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করায় কর্মচারীরা তাকে শান্ত করার চেষ্টা করছিলেন।

এএসপি আনিসুল হত্যা মামলার আসামি নিয়াজ মোর্শেদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যালের মর্গে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
আনিসুল হত্যার বিচার চাইলেন জাবি শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বিএনপির নামে ফেসবুকে পেজ খুলে অপপ্রচার: রিজভী

বিএনপির নামে ফেসবুকে পেজ খুলে অপপ্রচার: রিজভী

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী। ছবি: নিউজবাংলা

‘মহল বিশেষের’ প্ররোচনায় গভীর চক্রান্তের অংশ হিসেবে এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে অভিযোগ করে বিএনপি নেতা বলেন, ‘অপপ্রচারকারী ও ষড়যন্ত্রকারীরা বিএনপির বিরুদ্ধে সরকারি নীলনকশা বাস্তবায়নের সক্রিয় সদস্য।’

ফেসবুকে রিসার্চ সেন্টার-বিএনপি (আরসিবি) নামে পেজ থেকে দলের নেতাদের নামে কুৎসা রটানো হচ্ছে অভিযোগ করে পেজটির বিষয়ে নেতা-কর্মীদের সতর্ক করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, ‘আমি দেশবাসীসহ দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে ‘রিসার্চ সেন্টার-বিএনপি (আরসিবি) সহ এ ধরনের ফেসবুক পেজের অপপ্রচার সম্পর্কে সতর্ক থাকতে অনুরোধ করছি।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

‘মহল বিশেষের’ প্ররোচনায় গভীর চক্রান্তের অংশ হিসেবে এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে অভিযোগ করে বিএনপি নেতা বলেন, ‘অপপ্রচারকারী ও ষড়যন্ত্রকারীরা বিএনপির বিরুদ্ধে সরকারি নীলনকশা বাস্তবায়নের সক্রিয় সদস্য।’

টাকা দিয়ে স্পন্সর করে সেই ভুয়া পেজগুলো প্রমোট করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করে রিজভী বলেন, এতেই প্রমাণ হয়, এর পেছনে সরকারের লোকজন জড়িত।

বিএনপি নেতা বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপি এবং এর গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সম্পর্কে মিথ্যাচার, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য ছাড়াও উসকানিমূলক বক্তব্য, মন্তব্য প্রচার করা হচ্ছে- যার সঙ্গে বিএনপির বিন্দুমাত্র সংশ্লিষ্টতা নেই।

‘এরা ষড়যন্ত্রকারীদের এজেন্ট হিসেবে বিএনপির নেতাদের ভাবমূর্তি বিনষ্টের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।’

আরবিসি ছাড়াও অপপ্রচার চালানোর জন্য আরও নানা পেজ খোলা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপির মুখপাত্র।

আরও পড়ুন:
আনিসুল হত্যার বিচার চাইলেন জাবি শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

পুলিশের বাধা ঠেলে আবার বিক্ষোভ

পুলিশের বাধা ঠেলে আবার বিক্ষোভ

নিরাপদ সড়কসহ নানা দাবিতে রাজধানীর রামপুরা ব্রিজের ওপর শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। ছবি: নিউজবাংলা

শিক্ষার্থীরা ‘পুলিশ দিয়ে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না’, ‘নিরাপদ সড়ক চাই’, ‘আমরা আছি থাকব, যুগে যুগে লড়ব’, ‘একাত্তরের হাতিয়ের গরজে উঠুক আরেকবার’,  ‘জেগেছেরে জেগেছে, ছাত্র সমাজ জেগেছে’ ইত্যাদি স্লোগান ধরেন।

পুলিশের বাধা ঠেলে নিরাপদ সড়কসহ নানা দাবিতে রাজধানীর রামপুরা ব্রিজের ওপর আবার বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

দুপুর ১২টা থেকে শিক্ষার্থীদের অবস্থান করার কথা থাকলেও শুরুতে পুলিশের বাধায় তারা প্রথমে নামতে পারেননি। সময়ের সঙ্গে ছাত্রদের সংখ্যা বাড়ে। পরে তারা দুপুর দেড়টার দিকে রাস্তায় নামেন। অবস্থান করেন ২টা ১০ মিনিট পর্যন্ত।

বিক্ষোভের এ সময় তারা নিরাপদ সড়ক চেয়ে শ্লোগান দেন। সবশেষে রাজধানীতে সম্প্রতি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত দুই ছাত্রের উদ্দেশে দুই মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। রামপুরা ব্রিজের ওপর শুক্রবার সকাল ১০টায় আবারও জমায়েত হবেন বলে জানান ছাত্ররা।

শিক্ষার্থীরা ‘পুলিশ দিয়ে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না’, ‘নিরাপদ সড়ক চাই’, ‘আমরা আছি থাকব, যুগে যুগে লড়ব’, ‘একাত্তরের হাতিয়ের গরজে উঠুক আরেকবার’, ‘জেগেছেরে জেগেছে, ছাত্র সমাজ জেগেছে’ ইত্যাদি স্লোগান ধরেন।

পুলিশের বাধা ঠেলে আবার বিক্ষোভ

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তারা ১২টার দিকে রামপুরা ব্রিজে এসে দাঁড়াতে চাইলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। তাদেরকে লাঞ্চনা করা হয়। পুলিশ কয়েকজনের ফোন নম্বর, বাসার ঠিকানা নিয়েছে বলেও জানান তারা।

খিলগাঁও মডেল কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী বলেন, ‘জেলখানা বড় করেন আমরা আসতেছি। পুলিশ আমাদের আজ আটকিয়েছে। তাদের কাছে বন্দুক আছে, কামান আছে, হাতিয়ার আছে। এক মাঘেই তো শীত চলে যায় না। আজকে আমাদের আটকিয়েছে। ছাত্ররা যখন দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে মাঠে নামবে। তখন কীভাবে আটকাবে? ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে যখন জনগণ রাস্তায় নামবে, তখন তাদের কিছু করার থাকবে না।’

আরেক শিক্ষার্থী মো. রাব্বি বলেন, ‘২০১৮ এর আন্দোলন থেমে গেছে কিন্তু ছাত্ররা হাল ছেড়ে দেয় নাই। তাই তারা আবার রাস্তায় নেমেছে। পুলিশ আমাদের সঙ্গে নয় সাংবাদিকদের সঙ্গেও খারাপ আচরণ করেছে। তারা আমাদের দাঁড়াতে দেয় নাই। আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে দাঁড়াতে চেয়েছি। পুলিশ আমাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছে। আমাদের ফোন নম্বর বাসার ঠিকানা নিয়েছে। হয়তো আমাদের নামে মামলা নেবে।’

রাজধানীর খিলগাঁও জোনের এডিসি নুরুল আমীন সাংবাদিকদের বলেন, ‘ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে তাদের দাবি জানাতে পারে সে ব্যবস্থা আমরা আগেই করে দিয়েছি। ছাত্রদের আন্দোলনে কিছু কুচক্রী আন্দোলনে ঢুকে পড়েছে। তারা আন্দোলনকে ভিন্ন দিকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। গতকাল থেকেই আমরা এটা খুব সুক্ষ্মভাবে ফলো করছি।

‘কারা কারা এই কাজ করছে এমন কিছু মানুষকে আমরা শনাক্ত করেছি। এই কুচক্রীরা ছাত্রদের আন্দোলনে যাতে ঢুকে পড়তে না পারে, আন্দোলনকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত না করতে পারে সে ব্যাপারে আমরা সজাগ দৃষ্টি রাখছি। আমরা তাদের আন্দোলনকে শ্রদ্ধা করি।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে তাদের প্রস্তাব মেনে নিয়েছেন। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যেহেতু মেনে নেয়া হয়েছে, সেখানে আন্দোলন করার কোন সু্যোগ নাই। রোগীসহ সাধারণ মানুষের রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে সমস্যা হচ্ছে। তাদের যেন কোনো সমস্যা না হয় আমরা সেদিকে খেয়াল রাখছি।’

শিক্ষার্থীদের অভিযোগের উত্তরে এডিসি নুরুল আমীন বলেন, ‘ছাত্ররা যেন আমাদের কাছ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, আমরা সে দিকে খেয়াল রাখছি। তাদের সেঙ্গে আমরা কোন খারাপ আচরণ করি নাই। তারা আমাদের ছোট ভাই-বোন। আমাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে তাদের সঙ্গে যেন আমরা খারাপ আচরণ না করি।’

বাসভাড়া অর্ধেক করার দাবিতে ছাত্রদের আন্দোলনের মাঝে গত সোমবার রাতে রামপুরায় অনাবিল পরিবহনের বাসের ধাক্কায় এসএসসি পরীক্ষা দেয়া এক ছাত্রের প্রাণ যায়।

এর আগে ২৪ নভেম্বর রাজধানীর গুলিস্তানে সিটি করপোরেশনের একটি ময়লার গাড়ির ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই নিহত হয় নটর ডেম কলেজের এক ছাত্র।

এ ঘটনার পর নানা দাবিতে প্রতিদিনই রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করে আসছে শিক্ষার্থীরা। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পেছনে যারা জড়িত, তাদের বিচারের পাশাপাশি অন্যতম দাবি ছিল বাসভাড়া অর্ধেক করা।

এমন অবস্থায় মঙ্গলবার ঢাকা পরিবহন মালিক সমিতির এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ছাত্রদের দাবি মেনে নিয়েছেন তারা। বুধবার থেকেই ঢাকা শহরে ছাত্রদের জন্য কার্যকর করা হবে হাফ পাস।

হাফ পাসের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্তজুড়ে দিয়েছে মালিক সমিতি। এর মধ্যে রয়েছে হাফ পাস কার্যকর হবে শুধু রাজধানীতে, হাফ ভাড়া দেয়ার সময় অবশ্যই ছবিসংবলিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ড দেখাতে হবে। হাফ পাস কার্যকর সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এবং সরকারি ছুটির দিনগুলোতে কোনো হাফ পাস থাকবে না।

আরও পড়ুন:
আনিসুল হত্যার বিচার চাইলেন জাবি শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

এবার ময়লার গাড়ির ধাক্কায় বৃদ্ধা আহত, চালক আটক

এবার ময়লার গাড়ির ধাক্কায় বৃদ্ধা আহত, চালক আটক

পুলিশ জানায়, আজ সকালে সিটি করপোরেশনের একটি ময়লার গাড়ি একটি বাসকে ধাক্কা মারে। তখন এ বাস থেকে ওই বৃদ্ধা নামতে ছিলেন। ময়লার গাড়ির ধাক্কা বাসে লাগলে বৃদ্ধা নামতে গিয়ে তার কোমরে ব্যথা পান।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের একটি ময়লার গাড়ি এবার যাত্রীবাহী একটি বাসকে ধাক্কা দিয়েছে। এতে বাস থেকে নামার সময় আরজু বেগম নামে ৬৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা আহত হন।

মোহাম্মদপুর আল্লাহ করিম মার্কেটের সামনে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন মোহাম্মদপুর থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হাসান।

তিনি জানান, এ ঘটনায় ময়লার গাড়ির চালক রতনকে আটক করা হয়েছে। আর ওই বৃদ্ধাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আজ সকালে সিটি করপোরেশনের একটি ময়লার গাড়ি একটি বাসকে ধাক্কা মারে। তখন এ বাস থেকে ওই বৃদ্ধা নামতে ছিলেন। ময়লার গাড়ির ধাক্কা বাসে লাগলে বৃদ্ধা নামতে গিয়ে তার কোমরে ব্যথা পান।

‘এ সময় ময়লার গাড়িটি খালি ছিল। গাড়িতে কোনো ধরনের ময়লা ছিল না। এ ঘটনায় চালক রতনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাকে এখন জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ছাড়া ওই বৃদ্ধাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

এর আগে গুলিস্তানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের একটি ময়লার গাড়ির ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ যায় নাঈম হাসান নামের নটর ডেম কলেজের এক ছাত্রের।

এ ঘটনার প্রতিবাদে রাজধানীজুড়ে আন্দোলনের মাঝে বসুন্ধরা সিটি কমপ্লেক্সের উল্টো দিকে ঢাকা উত্তরের এক ময়লার গাড়ির ধাক্কায় নিহত হন আহসান কবির খান নামের এক ব্যক্তি। তিনি প্রথম আলোর সাবেক কর্মী ছিলেন।

আরও পড়ুন:
আনিসুল হত্যার বিচার চাইলেন জাবি শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

‘বোমার তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি, এয়ারক্র্যাফট নিরাপদ’

‘বোমার তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি, এয়ারক্র্যাফট নিরাপদ’

উড়োজাহাজ, যাত্রী ও লাগেজের কোথাও বোমার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি, নিশ্চিত করেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম তৌহিদুল আহসান। ছবি: নিউজবাংলা

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম তৌহিদুল আহসান বলেন, ‘বোমা থাকার সত্যতা পাওয়া না গেলেও এমন তথ্যকে গুরুত্ব দিয়ে আমরা উড়োজাহাজটি একটি নিরাপদ জায়গায় রেখে তল্লাশি চালাই। যাত্রী, এয়ারক্র্যাফট ও লাগেজের কোথাও বোমার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। ফ্লাইটটি নিরাপদ উড্ডয়নের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।’

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের জরুরি অবতরণ করা ফ্লাইটটির কোথাও কোনো বোমা পাওয়া যায়নি।

বুধবার রাত দেড়টায় বিমানবন্দরে জরুরি ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এসএম তৌহিদুল আহসান।

তিনি বলেন, ‘বোমা থাকার সত্যতা পাওয়া না গেলেও এমন তথ্যকে গুরুত্ব দিয়ে আমরা উড়োজাহাজটি একটি নিরাপদ জায়গায় রেখে তল্লাশি চালাই। যাত্রী, এয়ারক্র্যাফট ও লাগেজের কোথাও বোমার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি।’

ব্রিফিংয়ের শুরুতে বিমানবন্দরের পরিচালক তৌহিদুল আহসান বলেন, ‘তথ্য পাওয়ার পর আমরা বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে মিটিং করি। যদিও যে নিউজটা পেয়েছিলাম, সেটির সত্যতা মিটিংয়েও পাওয়া যায়নি। যেহেতু তথ্য পেয়েছি বিমানে বোমা থাকার আশঙ্কা আছে, সে জন্য আমরা যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইস্যুটিকে আমরা হালকাভাবে নেইনি।’

‘বোমার তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি, এয়ারক্র্যাফট নিরাপদ’

বুধবার রাত দেড়টায় বিমানবন্দরে জরুরি ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম তৌহিদুল আহসান। ছবি: নিউজবাংলা

‘আমরা সব অপারেশন করার জন্য প্রস্তুত হই। আমরা তখন ঘোষণা দেই যে আমরা অ্যাকশনে যাব, আমরা সব তল্লাশি করব। নিয়ম অনুসারে সে সময় সব প্রয়োজনীয় কাজ করার জন্য প্রস্তুত হই। তখন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে খবর দেয়া হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই বোমা নিষ্ক্রিয় টিমসহ অন্যান্য টিম হাজির হয়। এ্রয়ারক্রাফট যখন ল্যান্ড করে, তখন অন্যান্য সংস্থ্যা র‌্যাব, এপিবিএন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, সিভিল ডিফেন্সসহ গোয়েন্দা সংস্থাদের খবর দেয়া হয়।'

তিনি আরও বলেন, ‘তারপর ব্যাপক তল্লাশি চলে। যেভাবে তল্লাশি করার কথা, সেভাবেই হয়। প্রথমে আমরা যাত্রীদের অফলোড করি, এরপর তাদের নিরাপত্তা তল্লাশি করি। কার্গো অফলোড করা হয়। আমরা তল্লাশি করার সময় ডেনজারাস কিছু পাইনি।

‘এটা করতে একটু সময় লাগে। যাত্রীদের একে একে বের করে তাদের নিখুঁতভাবে তল্লাশি করা হয়। এরপর লাগেজ কম্পাটমেন্ট দুটি রয়েছে, একটি সামনে আর একটি পেছনে। আমরা পেছনের কম্পাটমেন্ট থেকে লাগেজ নামিয়ে সেগুলোকে আস্তে আস্তে ট্রলিতে করে নামিয়ে বে’তে পাঠিয়ে দেই। এরপর সামনের কম্পাটমেন্ট থেকেও লাগেজ নামিয়ে স্ক্যান করি। রাত ১টার দিকে কাজ শেষ করি। তার আগে আমরা কেবিন স্ক্যান করি, সেখানেও কিছু পাওয়া যায়নি। বম্ব ডিসপোজাল টিমের কমান্ডার ছিলেন বিমান বাহিনীর। তিনি ঘোষণা দেন এখানে কোনো বোমার সন্ধান পাওয়া যায়নি, এয়ারক্র্যাফট নিরাপদ।’

‘বোমার তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি, এয়ারক্র্যাফট নিরাপদ’

বোমা আতঙ্ক নিয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি জরুরি অবতরণ করে বুধবার রাত ৯টা ৩৮ মিনিটে।

১৩৫ যাত্রী নিয়ে ফ্লাইটটি মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে ঢাকায় জরুরি অবতরণ করার আগেই সংবাদ মেলে যাত্রীর লাগেজে বোমা থাকার। তারই সূত্রে ফ্লাইটটিতে তল্লাশি চালানো হয়।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, জরুরি অবতরণের পর কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ফ্লাইটটি থেকে যাত্রী নামাতে সব এয়ারলাইনসের বাসগুলো বিমানের পাশে নেয়া হয়। সব যাত্রীকে নিরাপদ অবস্থানে সরিয়ে নিয়ে শুরু হয় তল্লাশি।

রাত সোয়া ১১টায় সেনাবাহিনীর একটি টিম বিমানবন্দরের ভেতরে ঢোকে। নিরাপত্তা তল্লাশিসহ সার্বিক কাজে সহায়তা করছে সেনা টিম।

একই রাতে ল্যান্ডিং গিয়ারে ত্রুটি থাকায় চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট।

বুধবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে ৪২ যাত্রী নিয়ে সেই বিমানটি অবতরণ করে বলে নিউজবাংলাকে জানান বিমানবন্দরের বিমান বাংলাদেশের সহকারী ম্যানেজার ওমর ফারুক।

আরও পড়ুন:
আনিসুল হত্যার বিচার চাইলেন জাবি শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

রামপুরায় ছাত্র নিহতের ঘটনায় সড়কমন্ত্রীর নানা প্রশ্ন

রামপুরায় ছাত্র নিহতের ঘটনায় সড়কমন্ত্রীর নানা প্রশ্ন

রাজধানীর রামপুরায় বাসের ধাক্কায় এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর অন্তত আটটি বাস পুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় ভাঙচুর করা হয়েছে আরও চারটি বাস। বাসের আগুন নেভাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা

‘ঘটনার ১২ মিনিটেই নিরাপদ সড়ক চাই পেজ লাইভে গেল কীভাবে? নাকি তারা আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল? বাঁশেরকেল্লা ১৫ মিনিটের মধ্যেই সব খবর পেয়ে গেল কীভাবে?  আর বাকি ১০ মিনিটেই ১০টি গাড়িতে আগুন কীভাবে দেয়া হলো? এত জনবল রাত ১১টার পর ঘটনাস্থলে এলো কীভাবে? তা হলে তারা কি আগেই প্রস্তুত ছিল?’

রামপুরায় বাসচাপায় শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনাটি পরিকল্পিত কি না, জাতির বিবেকের কাছে সে প্রশ্ন রেখেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছাত্র নিহতের ঘটনার ১৫ মিনিটের মধ্যেই ফেসবুক পেজে লাইভ এবং গাড়িতে আগুন ও ভাঙচুরের মধ্যে কোনো সম্পর্ক আছে কি না, সে প্রশ্নও রাখেন তিনি।

বুধবার আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপকমিটি আয়োজিত ‘ফাইভজি: দ্য ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি’ শীর্ষক সেমিনারে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ নেতা এও বলেন, ছাত্র নিহত হওয়ায় গভীর শোকাহত ও ব্যথিত।

তিনি বলেন, ঘটনাটি ঘটে রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে। এর ১২ মিনিট পর ১০টা ৫৭ মিনিটে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ ফেসবুক পেজে সেই স্থান থেকে লাইভ করা হয়। সঙ্গে সঙ্গে ১৭টি বাসে আগুন দেয়া হয় এবং অসংখ্য গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘রাত ১১টায় জামায়াত পরিচালিত টেলিগ্রাম চ্যানেলে খবরটি প্রকাশিত হয় এবং দুর্ঘটনার স্থান থেকেই সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। খবরটি ছড়িয়ে পড়ার ১০ মিনিটের মধ্যেই প্রায় ১৫টি বাসে আগুন দেয়াও শেষ হয়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে- বিষয়টি আসলেই দুর্ঘটনা কি না?

তিনি বলেন, ‘ঘটনার ১২ মিনিটেই নিরাপদ সড়ক চাই পেজ লাইভে গেল কীভাবে? নাকি তারা আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল? বাঁশেরকেল্লা ১৫ মিনিটের মধ্যেই সব খবর পেয়ে গেল কীভাবে? আর বাকি ১০ মিনিটেই ১০টি গাড়িতে আগুন কীভাবে দেয়া হলো?’

এত রাতে দুর্ঘটনার পর পরই ঘটনাস্থলে মানুষের জটলা নিয়েও প্রশ্ন রাখেন সড়কমন্ত্রী। বলেন, ‘এত জনবল রাত ১১টার পর ঘটনাস্থলে এলো কীভাবে? তা হলে তার কি আগেই প্রস্তুত ছিল?’

মন্ত্রী বলেন, ‘সেনাবাহিনী, পুলিশ বা ফায়ার বিগ্রেড এত তাড়াতাড়ি পৌঁছতে পারে না, যত দ্রুত গাড়ি পোড়ানো হয়েছে। এত রাতে অল্প বয়সী শিক্ষার্থীরা কি এত দ্রুত পৌঁছে গেছে?’

তিনি বলেন ‘এমনিতেই সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে আন্দোলন চলছে। যারাই দুর্ঘটনাকবলিত হচ্ছেন তারা সবাই শিক্ষার্থী। গাড়িতে কি ছাত্র ছাড়া অন্য আর যাত্রী থাকে না?‘

এসব প্রশ্ন করে নিজের মূল্যায়ন তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি মোটেই দুর্ঘটনা নয়।… এ ঘটনায় যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনতে সরকার বদ্ধপরিকর।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ২০২৩ সালের মধ্যেই পর্যায়ক্রমে এই ফাইভজি সেবা দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহর, শিল্প প্রতিষ্ঠাননির্ভর এলাকায় বিস্তারের পরিকল্পনা রয়েছে।

আগামী ১২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এ পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
আনিসুল হত্যার বিচার চাইলেন জাবি শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

এইচএসসি: কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

এইচএসসি: কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়া জনসাধারণের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফাইল ছবি

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) থেকে এইচএসসি/ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিজ, এইচএসসি (ভোকেশনাল), এইচএসসি (বিএম), ডিপ্লোমা ইন কমার্স ও আলিম পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রগুলোয় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ডিএমপি।

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রগুলোর ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়া জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার রাজধানীর সব পরীক্ষা কেন্দ্রে এই কড়াকড়ি আরোপ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) থেকে এইচএসসি/ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিজ, এইচএসসি (ভোকেশনাল), এইচএসসি (বিএম), ডিপ্লোমা ইন কমার্স ও আলিম পরীক্ষা হতে যাচ্ছে।

পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রগুলোয় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

নিষেধাজ্ঞায় পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়া জনসাধারণের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এ আদেশ বৃহস্পতিবার থেকে পরীক্ষার দিনগুলোয় বহাল থাকবে।

আরও পড়ুন:
আনিসুল হত্যার বিচার চাইলেন জাবি শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন

দক্ষিণ ঢাকায় রুট পারমিটবিহীন বাসের বিরুদ্ধে অভিযান

দক্ষিণ ঢাকায় রুট পারমিটবিহীন বাসের বিরুদ্ধে অভিযান

রাজধানীতে রুট পারমিটবিহীন বাস চলার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। ফাইল ছবি

অভিযানের প্রথম দিন রুট পারমিট ছাড়া চলাচল করা দুটি বাস ডাম্পিং করা হয়। এছাড়া রুট পারমিট ও ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদোত্তীর্ণ ছয়টি গাড়িকে ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রুট পারমিটবিহীন এবং এক রুটের পারমিট নিয়ে অন্য রুটে চলাচল করা বাসের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, বিআরটিএ এবং পুলিশ।

অভিযানের প্রথম দিন বুধবার রুট পারমিট ছাড়া চলাচল করা দুটি বাস ডাম্পিং করা হয়। এছাড়া রুট পারমিট ও ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদোত্তীর্ণ ছয়টি গাড়িকে ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুস সামাদ সিকদার, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফখরুল ইসলাম এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সদস্যরা রাজধানীর বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে দিনব্যাপী এই অভিযান পরিচালনা করেন।

দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের নিউজবাংলাকে জানান, অভিযানে রুট পারমিট ছাড়া চলাচলকারী দুটি বাস ডাম্পিং করা হয়েছে।

এছাড়া রুট পারমিট ও ট্যাক্স টোকেন মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় সাভার, শ্রাবণ, হিমাচল, ট্রান্স সিলভা, দোলা ও গ্রীন ঢাকা পরিবহনের একটি করে মোট ছয়টি গাড়ীকে ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এ অভিযান বৃহস্পতিবারও চলবে বলে জানা আবু নাছের।

আরও পড়ুন:
আনিসুল হত্যার বিচার চাইলেন জাবি শিক্ষার্থীরা

শেয়ার করুন