উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বিদেশি বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী

উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বিদেশি বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার লন্ডনে ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট-২০২১: বিল্ডিং সাসটেইনেবল গ্রোথ পার্টনারশিপ’ শীর্ষক অনুষ্ঠা‌নে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনা ব‌লেন, ‘আমা‌দের বাংলা‌দেশি ব্যবসায়ীরা যারা আছেন, তা‌দের‌ আমি অনু‌রোধ কর‌ব যে আপনারা এখন নি‌জের দে‌শে আসেন, ইন‌ভেস্ট ক‌রেন। আর এখা‌নে যারা ব্যবসা কর‌ছেন, আপনারা বাংলা‌দে‌শে আপনা‌দের ইন্ডাস্ট্রি কর‌তে পা‌রেন। আপনারা আসেন এবং যারা ব্রিটিশ ইনভেস্টর আছেন, তা‌দের‌ পার্টনার ক‌রে নি‌য়ে আসেন। তা‌দের সঙ্গে আপনারা বাংলা‌দে‌শে এসে ব্যবসা ক‌রেন।’

বাংলা‌দে‌শের উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অংশীদার হতে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকারী ও দেশে বিনিয়োগ আনতে ভূমিকা রাখতে প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জা‌নি‌য়ে‌ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনা।

বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনের কুইন এলিজাবেথ সেন্টারের চার্চিল হলে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট-২০২১: বিল্ডিং সাসটেইনেবল গ্রোথ পার্টনারশিপ’ শীর্ষক অনুষ্ঠা‌নে তিনি এ আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে ভি‌ডিও কনফা‌রে‌ন্সিংয়ের মাধ্যমে যুক্ত হ‌ন শেখ হা‌সিনা। প্রবাসীরা দে‌শে বি‌নি‌য়োগ কর‌লে তা‌দের সব ধর‌নের সু‌যোগ-সু‌বিধা নি‌শ্চিত করার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হা‌সিনা ব‌লেন, ‘আমা‌দের বাংলা‌দেশি ব্যবসায়ীরা যারা আছেন, তা‌দের‌ আমি অনু‌রোধ কর‌ব যে আপনারা এখন নি‌জের দে‌শে আসেন, ইন‌ভেস্ট ক‌রেন। আর এখা‌নে যারা ব্যবসা কর‌ছেন, আপনারা বাংলা‌দে‌শে আপনা‌দের ইন্ডাস্ট্রি কর‌তে পা‌রেন। আপনারা আসেন এবং যারা ব্রিটিশ ইনভেস্টর আছেন, তা‌দের‌ পার্টনার ক‌রে নি‌য়ে আসেন। তা‌দের সঙ্গে আপনারা বাংলা‌দে‌শে এসে ব্যবসা ক‌রেন।’

জ্বালানি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জাহাজ নির্মাণ, অটোমোবাইল, লাইন ইঞ্জিনিয়ারিং, অ্যাগ্রো প্রসেসিং, ব্লু-ইকোনমি, ট্যুরিজম, হাইটেক ইন্ডাস্ট্রি, তথ্য-প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। ব্রিটিশ উদ্যোক্তারা বিনিয়োগের জন্য এসব খাতের বাইরেও যেকোনো খাত বেছে নিতে পারেন বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন তো এ দে‌শে (যুক্তরাজ্য) মানুষ ভাত আর কা‌রি খা‌চ্ছে। তো এই ক্ষে‌ত্রে আপনারা য‌দি আমা‌দের দে‌শে বি‌শেষ ক‌রে খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্প গ‌ড়ে তো‌লেন, তাহ‌লে আমি মনে ক‌রি, আরও বে‌শি ভালো, একেবারে তাজা শাক-সব‌জি, মাছ, ফলমূল সব নি‌য়ে আস‌তে পারবেন।’

বাংলাদেশের কৃ‌ষি‌তে বিপ্লব ঘ‌টে‌ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সারা বছরই আমরা সব ধর‌নের সব‌জি এবং সব‌কিছু উৎপাদন কর‌তে পা‌রি। গবেষণার মাধ্যমে সেটা আমরা অর্জন ক‌রে‌ছি।’

ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত ক‌রে সরকারপ্রধান ব‌লেন, ‘সব রকম সু‌যোগ-সু‌বিধা তাদের দেয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘কা‌রও য‌দি কোনো অসু‌বিধা থা‌কে, অবশ্যই আমি আছি। সহজভা‌বে যাতে সব ধরনের ব্যবসা কর‌তে পা‌রেন, সেই ব্যবস্থা আমরা ক‌রে দেব। আমি খুব খু‌শি হ‌ব, আমা‌দের বাংলাদে‌শি যারা আজ‌কে গ্রেট ব্রিটে‌নের বি‌ভিন্ন জায়গায় বসবাস কর‌ছেন, তারা য‌দি বাংলা‌দে‌শে আসেন এবং ব্যবসা ক‌রেন। তা‌দের জন্য বি‌শেষ ব্যবস্থা দেয়া হ‌বে।’

১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল, ২৮টি হাই-টেক পার্ক বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত রয়েছে জানিয়ে বিনিয়োগে যুক্তরাজ্যের ব্যবসায়ীদের একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বেছে নিতেও আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুবিধা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘দ্রুত নগরায়ন, মানুষের বিদ্যুৎ ব্যবহারের সক্ষমতা বৃদ্ধি, মধ্যম আয়ের ভোক্তাদের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষিণ এশিয়ার বিশাল বাজারের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়ার কারণে বাংলাদেশ এখন আকর্ষণীয় বিনিয়োগ গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।’

পুঁজিবাজারেও বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘অনুকূল ব্যবসা পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ সরকারের এজেন্সিগুলো সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেবে।’

এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে সফলভাবে তাদের ব্যবসা পরিচালনা কর‌ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

গত এক দশকে আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বদলে যাওয়া বাংলাদেশের গল্পও উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেলসহ যোগাযোগ ও অবকাঠামো খাত, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অগ্রগতির কথাও বিদেশি ব্যবসায়ীদের কাছে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘দেশকে উন্নত করতে সরকারের প্রচেষ্টার ফলে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা দিয়েছে।’

এই বিনিয়োগ সম্মেলনের মাধ্যমে দুই দেশের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সম্পর্ক আরও ফলপ্রসূ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জন্মের পর থেকে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য চমৎকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উপভোগ করছে। শুধু তা-ই নয়, যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ গড়ায় যারা এগিয়ে এসেছে, যুক্তরাজ্য তাদের মধ্যে অন্যতম। তখন থেকে দুই দেশের সম্পর্ক শক্তিশালী থেকে আরও শক্তিশালী হচ্ছে।’

যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য এবং যুক্তরাজ্য বাংলাদেশে দ্বিতীয় বৃহত্তম বিনিয়োগকারী দেশ বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলনের মাধ্যমে দুই দেশের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সম্পর্ক আরও ফলপ্রসূ হবে বলে আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রোড শোটি ব্যবসা ও বিনিয়োগে বাংলাদেশের সম্ভাবনাগুলোকে তুলে ধরবে।’

অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যের সিংহাসনের উত্তরাধিকার প্রিন্স চার্লস ও প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন:
রেনং-চট্টগ্রাম বন্দরের সরাসরি যোগাযোগ চায় ডিসিসিআই
১১৬ কোটি ডলার বিনিয়োগের আশ্বাস পেল বাংলাদেশ
বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ বাড়াতে চুক্তি
বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই সময়: ড. মসিউর রহমান
বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে কেউ হতাশ হবে না: সালমান

শেয়ার করুন

মন্তব্য

চার স্কুলছাত্রকে অপহরণ, ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি

চার স্কুলছাত্রকে অপহরণ, ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি

নিখোঁজ কায়সারের চাচা মোহাম্মদ তাহের নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জাহাঙ্গীর ও ইব্রাহীম চারজনকে সেন্টমার্টিন বেড়াতে নেয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে নিয়ে যান। পরে তাদের মুঠোফোন ব্যবহার করে মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে।’ 

কক্সবাজার রামুর খুনিয়াপালংয়ে চার স্কুলছাত্র অপহরণের শিকার হয়েছে। সেন্টমার্টিন বেড়াতে নেয়ার কথা বলে তাদের অপহরণের পর ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। অপহরণকারীরা মোবাইল ফোনে কল দিয়ে দফায় দফায় টাকা দাবি করছে বলে অভিযোগ স্বজনদের।

অপহৃতরা হলো, রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পেচারদ্বীপের মংলা পাড়া এলাকার মোহাম্মদ কায়সার, মিজানুর রহমান নয়ন, জাহেদুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান। তাদের মধ্যে জাহেদুল সোনারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণিতে পড়ে। বাকিরা অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।

রামু থানায় করা অভিযোগে বলা হয়েছে, পেচারদ্বীপের বাতিঘর নামে একটি কটেজের কর্মচারী জাহাঙ্গীর আলম ও মো. ইব্রাহীমের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় চার স্কুলছাত্রের। সে সুবাদে গত ৭ ডিসেম্বর সকাল ১০টার দিকে চারজনকে সেন্টমার্টিন বেড়াতে নেয়ার কথা বলে টেকনাফের হোয়াইক্যং এলাকায় নিয়ে যান জাহাঙ্গীর ও ইব্রাহীম।

বেড়াতে যাওয়ার পর থেকে ওই চারজনের খোঁজ মিলছে না। নিখোঁজের ২৪ ঘন্টা পর ৮ ডিসেম্বর বুধবার দুপুরে স্বজনদের কাছে বিভিন্ন অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন করে তাদের মুক্তিপণ হিসেবে ২০ লাখ টাকা দাবি করা হচ্ছে। আর তা না পেলে মরদেহ ফেরত পাঠানোর হুমকি দেয়া হচ্ছে।

অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর ও ইব্রাহীম টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ২৬ নং ব্লকের বাসিন্দা। তারা দুইজনই বাতিঘর কটেজের কর্মচারী বলে স্থানীয়রা জানান।

নিখোঁজ জাহেদুলের বাবা আব্দুস সালাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে ছেলেদের নিয়ে গেছে ওই দুইজন। খোঁজখবর নিতে ফোন দিলে তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। জাহাঙ্গীর ও ইব্রাহীমের মোবাইল ফোনও বন্ধ। বুধবার দুপুরে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী পরিচয়ে মুক্তিপণ হিসেবে ২০ লাখ টাকা দাবি করা হয়।’

নিখোঁজ কায়সারের চাচা মোহাম্মদ তাহের নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জাহাঙ্গীর ও ইব্রাহীম চারজনকে সেন্টমার্টিন বেড়াতে নেয়ার কথা বলে নিয়ে যান। পরে তাদের মুঠোফোন ব্যবহার করে মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে।’

অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরুপ কুমার চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যেহেতু বিষয়টি টেকনাফে ঘটেছে, তাই তাদের সেখানে অভিযোগ করার পরামর্শ দিয়েছি। আমরা তাদের সহযোগীতায় বিষয়টি তদন্ত করব।’

আরও পড়ুন:
রেনং-চট্টগ্রাম বন্দরের সরাসরি যোগাযোগ চায় ডিসিসিআই
১১৬ কোটি ডলার বিনিয়োগের আশ্বাস পেল বাংলাদেশ
বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ বাড়াতে চুক্তি
বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই সময়: ড. মসিউর রহমান
বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে কেউ হতাশ হবে না: সালমান

শেয়ার করুন

প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ নিজ ঘরে

প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ নিজ ঘরে

প্রতীকী ছবি।

মৃতের নাম মারুফা বেগম। তার বাড়ি পিরোজপুর জেলায়। স্বামী আল আমিন কুয়েত প্রবাসী। চার বছরের সন্তান নিয়ে সাভার নরসিংহপুরের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন তিনি। কাজ করতেন একটি পোশাক কারখানায়।

ঢাকার সাভারে ভাড়া বাসা থেকে উদ্ধার হয়েছে এক গৃহবধূর মরদেহ। আশুলিয়া নরসিংহপুরের বাড়িটি থেকে বুধবার রাত ১০টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার হয়।

মৃতের নাম মারুফা বেগম। তার বাড়ি পিরোজপুর জেলায়। স্বামী আল আমিন কুয়েত প্রবাসী। চার বছরের সন্তান নিয়ে তিনি নরসিংহপুরের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। কাজ করতেন একটি পোশাক কারখানায়।

মৃতের ছেলের বরাতে তার মামী আসমা বেগম বলেন, ‘মারুফার চাচাতো দেবর প্রতিদিন দুপুরে তার বাসায় খেতে আসতেন। বুধবার দুপুরে তার সঙ্গে মারুফার ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে গলা টিপে তাকে হত্যা করে দেবর। তারপর বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে চলে যায়। ছেলের চিৎকারে আশপাশের লোকজন দরজা খুলে মারুফাকে মৃত অবস্থায় পায়।‘

আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাচিব সিকদার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘স্থানীয়দের খবরে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। মনে হচ্ছে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

আরও পড়ুন:
রেনং-চট্টগ্রাম বন্দরের সরাসরি যোগাযোগ চায় ডিসিসিআই
১১৬ কোটি ডলার বিনিয়োগের আশ্বাস পেল বাংলাদেশ
বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ বাড়াতে চুক্তি
বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই সময়: ড. মসিউর রহমান
বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে কেউ হতাশ হবে না: সালমান

শেয়ার করুন

চবিতে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে ইমামকে পিটুনি

চবিতে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে ইমামকে পিটুনি

বলাৎকার চেষ্টার অভিযোগে ইমামকে গণপিটুনি দেয় শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

প্রত্যক্ষদর্শী ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের ছাত্র জুবায়ের নূর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ক্যান্টিনের এক ছেলেকে পেছনের বাগানে বলাৎকারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যান শহিদুল। কিছুক্ষণ পর ছেলেটি চিৎকার করলে তার ভাই ও কয়েকজন ছাত্র হাতেনাতে শহিদুলকে আটক করে। পরে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তাকে পেটায়।’ 

ক্যান্টিনে কর্মরত এক কিশোরকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স মসজিদের পেশ ইমামকে পিটুনি দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল ইন্সটিটিউট প্রাঙ্গণে বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত ইমামের নাম শহিদুল ইসলাম। তার বাড়ি হাটহাজারী উপজেলায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের ছাত্র জুবায়ের নূর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ক্যান্টিনের এক ছেলেকে পেছনের বাগানে বলাৎকারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যান শহিদুল। কিছুক্ষণ পর ছেলেটি চিৎকার করলে তার ভাই ও কয়েকজন ছাত্র হাতেনাতে শহিদুলকে আটক করে। পরে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তাকে পেটায়।

‘ছেলেটির বয়স ১৩ থেকে ১৪ বছর হবে। তার বড় ভাইও ক্যান্টিনে কাজ করে। এর আগে তাকেও (বড় ভাইকে) যৌন হয়রানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ আছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভুঁইয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা ওই ইমামকে উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে তার পরিবারের লোকজন এসে চিকিৎসার জন্য অন্যত্র নিয়ে যান।’

তদন্ত কমিটি করে ওই ইমামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভুঁইয়া।

আরও পড়ুন:
রেনং-চট্টগ্রাম বন্দরের সরাসরি যোগাযোগ চায় ডিসিসিআই
১১৬ কোটি ডলার বিনিয়োগের আশ্বাস পেল বাংলাদেশ
বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ বাড়াতে চুক্তি
বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই সময়: ড. মসিউর রহমান
বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে কেউ হতাশ হবে না: সালমান

শেয়ার করুন

নারীকে লাঞ্ছনাকর সাজা, ইউপি সদস্য বললেন ‘কম শাস্তি’

নারীকে লাঞ্ছনাকর সাজা, ইউপি সদস্য বললেন ‘কম শাস্তি’

নারীকে লাঞ্ছনার ভাইরাল ভিডিও থেকে নেয়া ছবি। নিউজবাংলা

ওই নারীকে লাঞ্ছনা করার কথা স্বীকার করে স্থানীয় ইউপি সদস্য কাওসার চৌধুরী জানিয়েছেন, স্বামী বিদেশ থাকার সুযোগে তিনি যে অপরাধ করেছেন, তার জন্য এটি ‘কম শাস্তি’।

বাগেরহাটের মোল্লাহাটে বিয়েবহির্ভূত সর্ম্পকের অভিযোগ তুলে এক গৃহবধূকে প্রকাশ্যে জুতার মালা পরিয়ে লাঠিপেটা করা হয়েছে। এ ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে ফেসবুকে।

ওই নারীকে লাঞ্ছনা করার কথা স্বীকার করে স্থানীয় ইউপি সদস্য কাওসার চৌধুরী বলেন, স্বামী বিদেশ থাকার সুযোগে তিনি যে অপরাধ করেছেন, তার জন্য এটি ‘কম শাস্তি’।

লাঞ্ছিত ওই নারী নিউজবাংলাকে জানান, মারধরের পর তার টাকা ও গয়না ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। সামাজিকভাবে তিনি হেয় হয়েছেন।

এ ঘটনা উপজেলার চুনখোলা ইউনিয়নের সিংগাতী গ্রামের।

ইউপি সদস্য কাওসার চৌধুরীসহ গ্রামের কয়েকজন লোক অভিযোগ করেন, বিভিন্ন লোকের সঙ্গে ওই নারীর বিয়েবর্হিভূত সম্পর্ক ছিল।

ইউপি সদস্য বলেন, ‘এগুলো আমাদের কাছে খারাপ লাগে। সোমবার রাতে নিজের মেয়ের শ্বশুরের সঙ্গে ওই নারীকে এক ঘরে পেয়ে তাদেরকে ধরা হয়। এরপর তার বিচার করা হয়।

‘কেবল জুতার মালা গলায় দিয়ে ও কঞ্চির লাঠি দিয়ে বাড়িয়ে লাঞ্ছিত করছি, তার বিচার আরও কঠিন হওয়া উচিত ছিল।’

ওই নারী বলেন, ‘আমার বাড়ির আশপাশের লোকজন আমাকে ধরে আমার সিঁড়ির কাছে নিয়ে আমার গলায় চেইন ছিল এক ভরি ওজনের, আট আনা ওজনের কানের দুল ও ৯৫ হাজার টাকা দামের একটি মোবাইল নিয়ে গেছে। কাওসার মেম্বার ও জানিক ছিল, এরা আমারে জুতার মালা দেছে ও কঞ্চি দিয়ে বাইড়াইছে।

‘আমি এর বিচার প্রশাসনের কাছে চাই। আর এই যে ভিডিও সব জায়গা ছড়াইছে, আমার মানসম্মান যা যাবার তা তো গেইছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’

এ খবর পেয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনিন্দ্য মন্ডল ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রুনীয়া আক্তার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

অনিন্দ্য মন্ডল নিউজবাংলাকে বলেন, 'ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীকে পাওয়া যায়নি। শোনা গেছে তিনি ওই ঘটনার পর গ্রাম ছেড়েছেন।'

রুনীয়া আক্তার বলেন, ‘ওই নারীকে এলাকায় পাওয়া যায়‌নি। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পা‌রি‌নি। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে‌ছি। বিষয়‌টি আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখ‌ছি।’

মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোমেন দাশ বলেন, ‘থানায় অভিযোগ পাইনি, পেলে ব্যবস্থা নেব।’

আরও পড়ুন:
রেনং-চট্টগ্রাম বন্দরের সরাসরি যোগাযোগ চায় ডিসিসিআই
১১৬ কোটি ডলার বিনিয়োগের আশ্বাস পেল বাংলাদেশ
বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ বাড়াতে চুক্তি
বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই সময়: ড. মসিউর রহমান
বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে কেউ হতাশ হবে না: সালমান

শেয়ার করুন

কার্যালয় মন্টুদের দখলে, নতুন ঠিকানায় ড. কামালপন্থিরা

কার্যালয় মন্টুদের দখলে, নতুন ঠিকানায় ড. কামালপন্থিরা

ড. কামাল হোসেন ও মোস্তফা মহসিন মন্টু। ফাইল ছবি

নব্বইয়ের দশকে আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে এসে ড. কামাল হোসেন গণফোরাম গঠন করার পর থেকেই মতিঝিলের ইডেন বিল্ডিংয়ের কার্যালয় থেকে দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। তবে দুই বছর আগে দলের মধ্যে বিভেদ দেখা দেয়ার পর বাধে গোল।

গণফোরাম মতিঝিলের ইডেন বিল্ডিংয়ের দলীয় কার্যালয় দখল করে নিয়েছেন দলের প্রতিষ্ঠাতা ড. কামাল হোসেনকে বাদ দিয়ে কমিটি ঘোষণা করা নেতারা। এই অবস্থায় নতুন কার্যালয় নিতে বাধ্য হয়েছে কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন দলের অংশটি।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা অনুসারী সংসদ সদস্য মোকাব্বির খান।

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে গণফোরামের (ড. কামাল অংশের) নির্বাহী সভাপতি মোকাব্বির খান স্বাক্ষরিত সংবাদ সংগ্রহের আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়। সেখানে বলা হয়, ‘গণফোরামের নতুন কেন্দ্রীয় কার্যালয় আগামী ০৯-১২-২০২১ ইং তারিখ বৃহস্পতিবার বিকাল ৩.৩০টার সময় উদ্বোধন করা হবে।’

নতুন কার্যালয়ের ঠিকানা জানানো হয়, কাকরাইলের ভিআইপি রোডের রূপায়ণ টাওয়ার।

নব্বইয়ের দশকে আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে এসে ড. কামাল হোসেন গণফোরাম গঠন করার পর থেকেই মতিঝিলের ইডেন বিল্ডিংয়ের কার্যালয় থেকে দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। তবে দুই বছর আগে দলের মধ্যে বিভেদ দেখা দেয়ার পর বাধে গোল।

কামাল হোসেনের সিদ্ধান্ত মেনে না নেয়া সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টুর নেতৃত্বাধীন অংশ দলকে দুই ভাগে বিভক্ত করার পাশাপাশি দলীয় কার্যালয়ও কার্যত দখল করে নেয়। প্রায় এক বছর আগেই সেই কার্যালয়ে আর যেতে পারছেন না কামাল হোসেনের অনুসারী নেতারা।

কার্যালয় মন্টুদের দখলে, নতুন ঠিকানায় ড. কামালপন্থিরা
মতিঝিলের ইডেন বিল্ডিংয়ে যে কার্যালয়টি দুই যুগেরও বেশি সময় কামাল হোসেন ব্যবহার করেছেন, সেটি এখন মন্টুদের দখলে

দলীয় কার্যালয়ের দখল হারানোর পর পুরানা পল্টনের সিদ্দিক ম্যানশনে একটি কক্ষকে অস্থায়ী ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করছিলেন কামাল অনুসারীরা। সেটি ছোট আর যাওয়া আসার সমস্যার কারণে বড়সড় একটি কার্যালয় নেয়া হয়।

কামাল হোসেন নেতৃত্বাধীন অংশের নির্বাহী সভাপতি মোকাব্বির খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কাল (বৃহস্পতিবার) নতুন দলীয় কার্যালয় নিচ্ছি। এটা আগের চেয়ে ভালো হবে।‘

মন্টুপন্থি নেতা মহসিন রশিদ দাবি করেছেন, কাউকে দলীয় কার্যালয় থেকে বের করা হয়নি। অপর অংশ নিজেরাই বের হয়ে গিয়েছে।

যদিও মোকাব্বির খান বলেন উল্টো কথা। তিনি বলেন, ‘গত এপ্রিলে ছেড়ে দিতে হয়েছে। এর পর টেম্পোরারি একটি অফিস নিয়েছিলাম পল্টনের সিদ্দিক ম্যানশনে।’

মন্টুপন্থিরা গত ৩ ডিসেম্বর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে সম্মেলন করে কামাল হোসেনকে বাদ দিয়ে কমিটির ঘোষণা দেয়। এর সভাপতি করা হয় মোস্তফা মোহসীন মন্টুকে, সাধারণ সম্পাদক করা হয় সুব্রত চৌধুরীকে, যিনি কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন কমিটির নির্বাহী সভাপতি ছিলেন।

কামাল হোসেনকে বাদ দিয়ে এই সম্মেলন করা হলেও তিনি সেখানে শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি লেখেন।

তবে মোকাব্বির খান বলেন, ‘স্যার আমাদের সঙ্গে আছেন।’

তাহলে মন্টুপন্থিদের সম্মেলনে কেন শুভেচ্ছা বার্তা পাঠালেন- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘স্যার তো সব জায়গায় শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান। সবাইকেই শুভেচ্ছা দেন।’

নতুন কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ড. কামাল হোসেন আসবেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘উনি তো সম্মতি দিয়েছেন। তবে আসবেন কি না তা কালকে (বৃহস্পতিবার) বলতে পারব। উনি তো আমাকে নির্বাহী সভাপতির দায়িত্ব দিয়েছেন। উনি তো অসুস্থ, এখন আর আগের মতো আসতে পারেন না।‘

কার্যালয় মন্টুদের দখলে, নতুন ঠিকানায় ড. কামালপন্থিরা
ড. কামাল বারবার জাতীয় ঐক্যে জোর দিলেও নিজের দলের ভাঙনই ঠেকাতে পারেননি

বারবার জাতীয় ঐক্যে জোর দেয়া কামাল হোসেনের দলে ভাঙন ধরার পরিস্থিতি দেখা দেয় গত জাতীয় নির্বাচনের পর। আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া গণফোরামে আনার কিছুদিন পরেই তাকে সাধারণ সম্পাদকের পদ দিয়ে দেন কামাল হোসেন। এটি মেনে নিতে চাননি পোড়খাওয়া রাজনীতিক মন্টু ও তার অনুসারীরা।

এ নিয়ে বিভেদ প্রকাশ্যে আসার পর দুই পক্ষই আলাদা সম্মেলন ডাকে। মন্টু গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার নিয়ে কামাল হোসেনের সমালোচনা করেন। নিউজবাংলাকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তাকে ‘ব্যর্থ নেতা’ উল্লেখও করেন।

তবে কামাল হোসেন একপর্যায়ে বিরোধ মিটিয়ে দলকে এক রাখার চেষ্টা করেন। মন্টুদের বহিষ্কারের আদেশ ফিরিয়ে নেন তিনি। রেজা কিবরিয়া সরে যান গণফোরাম থেকে। যোগ দেন ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের উদ্যোগে করা গণ-অধিকার পরিষদে। এই দলের আহ্বায়ক হয়েছেন তিনি।

তবে যাকে ঘিরে বিরোধের শুরু, সেই রেজা কিবরিয়া সরে গেলেও গণফোরামের বিভেদ থামেনি। তখন একদিকে থাকেন মন্টুরা আর অন্যদিকে মোকাব্বিররা।

এর মধ্যে গত ৩ ডিসেম্বর মণ্টুপন্থিরা সম্মেলন করে কামাল হোসেনকে বাদ দিয়ে কমিটি ঘোষণার পর গণফোরাম আনুষ্ঠানিকভাবে দুই টুকরো হয়ে যায়।

গণফোরামে মন্টুপন্থিদের নতুন কমিটির নির্বাহী পরিষদের সদস্য মহসিন রশিদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আরজিনাল কার্যালয়ে সেটা তো আমাদের নামেই আছে। আজকেও তো আমরা সেখানে মিটিং করলাম।’

তিনি বলেন, ‘আমরা কাউকে বের করে দিইনি। ওনারা বের হয়ে গিয়েছেন। আমরা এখনও চাই ওনারা আমাদের সঙ্গে আসুক। আমরা ওনাদের জন্য জায়গা রেখেছি। আমরা ওনাদের সম্মানজনক জায়গাই দেব।’

তবে মোকাব্বির খান বলেন, ‘কামাল হোসেন এখনো আমাদের ডাইরেক্ট সভাপতি। নির্বাচন কমিশনে তো ওনার নামই রয়েছে। কাজেই দল তো আমাদেরই।‘

আরও পড়ুন:
রেনং-চট্টগ্রাম বন্দরের সরাসরি যোগাযোগ চায় ডিসিসিআই
১১৬ কোটি ডলার বিনিয়োগের আশ্বাস পেল বাংলাদেশ
বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ বাড়াতে চুক্তি
বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই সময়: ড. মসিউর রহমান
বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে কেউ হতাশ হবে না: সালমান

শেয়ার করুন

প্রকৌশল গুচ্ছের ২য় দফায় ভর্তি শুরু ২০ ডিসেম্বর

প্রকৌশল গুচ্ছের ২য় দফায় ভর্তি শুরু ২০ ডিসেম্বর

নিরীক্ষা কমিটির কাছে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের আসন খালি থাকা সাপেক্ষে ভর্তি করা হবে। আসন সংখ্যার চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী থাকলে উপস্থিত তাদের মধ্য থেকে মেধাক্রম অনুযায়ী একটি তালিকা সংরক্ষণ করা হবে। পরবর্তী সময়ে ওই তালিকা থেকে আসন খালি হওয়া সাপেক্ষে শিক্ষার্থীদের পর্যায়ক্রমে ডাকা হবে।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) গুচ্ছ পদ্ধতির দ্বিতীয় দফায় ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে ২০ ডিসেম্বর।

এবার ‘ক’ গ্রুপে ৩০৮১-৪৫০০ এবং ‘খ’ গ্রুপে ১০১-৩০০ মেধাতালিকার প্রার্থীদের ডাকা হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষার আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে বুধবার পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়েছে, ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভাগওয়ারি শূন্য আসন সংখ্যা সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে https://admissionckruct.ac.bd প্রদান করা হয়েছে। প্রথম দফায় ভর্তির পর আসন খালি থাকায় মেধাক্রমে বাকি শিক্ষার্থীদের আগামী ২০ ডিসেম্বর ভর্তির জন্য নিরীক্ষা কমিটির কাছে উপস্থিত থাকতে হবে।

নিরীক্ষা কমিটির কাছে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের আসন খালি থাকা সাপেক্ষে ভর্তি করা হবে। আসন সংখ্যার চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী থাকলে উপস্থিত তাদের মধ্য থেকে মেধাক্রম অনুযায়ী একটি তালিকা সংরক্ষণ করা হবে। পরবর্তী সময়ে ওই তালিকা থেকে আসন খালি হওয়া সাপেক্ষে শিক্ষার্থীদের পর্যায়ক্রমে ডাকা হবে।

তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের প্রকাশিত মেধাতালিকা থেকে গত ৫ ও ৬ ডিসেম্বর প্রথম পর্যায়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।

আসন সংখ্যা কত?

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে ৯০১টি আসন, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ৬৫ এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ৩৫ আসন রয়েছে।

এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে https://admissionckruet.ac.bd/res.php ওয়েবসাইটে।

আরও পড়ুন:
রেনং-চট্টগ্রাম বন্দরের সরাসরি যোগাযোগ চায় ডিসিসিআই
১১৬ কোটি ডলার বিনিয়োগের আশ্বাস পেল বাংলাদেশ
বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ বাড়াতে চুক্তি
বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই সময়: ড. মসিউর রহমান
বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে কেউ হতাশ হবে না: সালমান

শেয়ার করুন

অসংক্রামক রোগ মহামারি আকারে দেখা দিচ্ছে

অসংক্রামক রোগ মহামারি আকারে দেখা দিচ্ছে

ভার্চুয়াল মাধ্যমে আয়োজিত সেমিনারে বক্তব্য দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘দেশে নানা কারণে অসংক্রামক রোগ দেখা দিচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম তামাকের ব্যবহার। পরিবেশ দূষণ, খাদ্যে ভেজাল, অস্বাস্থ্যকর জীবনাচার, কায়িক শ্রমের অভাবও দায়ী।’

বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগগুলো নীরব মহামারি আকারে দেখা দিয়েছে। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এসব রোগ প্রতিরোধে বহুমুখী উদ্যোগ নিতে হবে।

বুধবার সন্ধ্যায় এক অনলাইন সেমিনারে অংশ নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

‘নীরব মহামারি অসংক্রামক রোগ: জনস্বাস্থ্য রক্ষায় করণীয়’ র্শীষক এই সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর এনসিডি কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (বিএনএনসিপি)।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক একেএম মহিবুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে এতে যুক্ত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এবিএম খুরশীদ আলম।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে অসংক্রামক রোগগুলো নীরব মহামারি আকারে দেখা দিয়েছে। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। নানা কারণে অসংক্রামক রোগ দেখা দিচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম তামাকের ব্যবহার। এছাড়া পরিবেশ দূষণ, বায়ু দূষণ, খাদ্যে ভেজাল, অস্বাস্থ্যকর জীবনাচার, কায়িক শ্রমের অভাব ইত্যাদিও দায়ী।

‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একার পক্ষে এই রোগগুলো প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। এজন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি-বেসরকারি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগ দরকার।’

সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আব্দুল মালিক বলেন, ‘অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে আমাদেরকে বিশেষ করে তামাক নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের ওপর জোর দিতে হবে। সরকারের একার পক্ষে এটা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। এজন্য আমাদের সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে।’

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের অধ্যাপক সোহেল রেজা চৌধুরী সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। অসংক্রামক রোগের অন্যতম প্রধান ঝুঁকি তামাকের ব্যবহার কমাতে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন আরও শক্তিশালী করার দাবি জানান তিনি। এ লক্ষ্যে বিদ্যমান আইনে ছয়টি সংশোধনীর প্রস্তাব তুলে ধরেন।

প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে: পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনে ধূমপান এলাকা বা ডিএসএ রাখার বিধান বাতিল করা; এফসিটিসি’র আলোকে দোকানে তামাকজাত দ্রব্য প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা, তামাক কোম্পানির সিএসআর নিষিদ্ধ করা, ই-সিগারেট আমদানি, উৎপাদন, বিক্রি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা, তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কের আকার র্নিধারণ করে দেয়া এবং তামাকদ্রব্যের খুচরা বিক্রি নিষিদ্ধ করা।

আরও পড়ুন:
রেনং-চট্টগ্রাম বন্দরের সরাসরি যোগাযোগ চায় ডিসিসিআই
১১৬ কোটি ডলার বিনিয়োগের আশ্বাস পেল বাংলাদেশ
বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ বাড়াতে চুক্তি
বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখনই সময়: ড. মসিউর রহমান
বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে কেউ হতাশ হবে না: সালমান

শেয়ার করুন