প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২৭ নির্দেশনা

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২৭ নির্দেশনা

প্রাথমিক বিদ্যালয়। ফাইল ছবি

করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় দুই বছর ক্ষতির পর আগামী বছরের শুরু থেকেই যেন শিক্ষা কার্যক্রম পুরোমাত্রায় সচল ও নির্বিঘ্ন করা যায়, সে জন্য প্রস্তুতিমূলক এসব নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ২৭ দফা নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সারা দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের নানা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ এসব নির্দেশনা দেয়া হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব গোলাম মো. হাসিবুল আলমের সই করা এসব নির্দেশনা বুধবার জারি করা হয়। এতে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শূন্যপদ পূরণ ও প্রকল্প বাস্তবায়নের ব্যাপারেও বলা হয়েছে।

নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে অনলাইনে পাঠদানের সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, শ্রেণিকক্ষে সরাসরি পাঠদানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, এসআরএমের সঠিক ব্যবস্থা এবং ব্লাকবোর্ড, হোয়াইটবোর্ড, স্মার্টবোর্ডসহ উপকরণের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করাসহ কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

এ ছাড়াও নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতে প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করা, শূন্যপদের ব্যাপারে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিতে। পিটিআই, মাঠপর্যায়ের দপ্তর ও বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবকাঠামো ও বিভিন্ন নির্মাণের ক্ষেত্রে পুরাতন অবকাঠামো বিধিগতভাবে নিষ্পত্তি করা, গুদামে থাকা পুরাতন আসবাবসহ মালপত্র ও যানবাহন নিষ্পত্তি করা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণে ইনভেন্টরি রেজিস্টার সংরক্ষণ ও হালনাগাদ করতে হবে।

সরকারি জমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ, শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের ক্ষেত্রে যথাযথভাবে চাহিদা নিরূপণ এবং নির্মাণকাজের
রিয়ালটাইম মনিটরিং করা এবং নির্মাণ বাস্তবায়ন শেষে সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে এ নির্দেশনায়।

শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার রোধে বাস্তবমুখী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি প্রকল্পের আওতায় সব উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ম অনুযায়ী বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়েছে নির্দেশনায়। বিশেষ করে পার্বত্য জেলায় ছাত্রাবাসের ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বলেছে মন্ত্রণালয়।

একই সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষাক্রম বিস্তরণ ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনার অগ্রগতি মনিটরিং, পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষক সহায়িকা যুগপৎভাবে প্রণয়ন ও বিতরণের ব্যবস্থা করা, পাঠ্যপুস্তকের বাংলা থেকে ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ সহজতর ও বোধগম্য করা। শিক্ষা চ্যানেল ও কমিউনিটি রেডিওর মাধ্যমে পাঠাদান সম্প্রচারের আওতা বাড়াতেও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর ২০২০ সালের ১৭ মার্চ সারা দেশে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। এর প্রায় দেড় বছর পর গত ১২ সেপ্টেম্বর স্কুল-কলেজে ক্লাস শুরু হয়। তবে প্রতিদিন সব শ্রেণিতে ক্লাস হচ্ছে না।

চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত হলেও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও সমমানের ইবতেদায়ি পরীক্ষা এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা না নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে আগামী বছরের শুরু থেকেই যেন শিক্ষা কার্যক্রম পুরোমাত্রায় সচল ও নির্বিঘ্ন করা যায়, সে জন্য প্রস্তুতিমূলক এসব নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকের শিক্ষকদের ১১ দফা নির্দেশনা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জগন্নাথে জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড

জগন্নাথে জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড

দ্বাদশ জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড ২০২১ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে অনলাইন প্লাটফর্মে হয়।

প্রতিযোগিতা থেকে শীর্ষ ১০ জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগে অনুষ্ঠিতব্য চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত হন। অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘এমন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গণিত ভীতি দূর হবে বলে আমি আশাবাদী। আমি শিক্ষার্থীদের আহ্বান করব তারা যেন এমন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ‘দ্বাদশ জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড ২০২১ (ঢাকা দক্ষিণ অঞ্চল)’ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে অনলাইন প্লাটফর্ম ‘জুম’-এ বাংলাদেশ গণিত সমিতির উদ্যোগে এবং এ. এফ. মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে এই অলিম্পিয়াড হয়।

শুক্রবার এ গণিত অলিম্পিয়াডে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকা দক্ষিণ অঞ্চলের মোট ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৬টি বিভাগ থেকে ১১৮ প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন।

প্রতিযোগিতা থেকে ১০ প্রতিযোগী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগে অনুষ্ঠিতব্য চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত হন। তারা হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জুবায়ের রহমান, কাজী হাফিজুর রহমান, রেদওয়ানুল ইসলাম সিয়াম, শোভা ইসলাম, মো. তারিকুজ্জামান শাকিল ও পার্থ সুত্রধর; বুয়েটের রিদওয়ানুল হাসান তানভীর; জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তাসনিম রহমান মীম; ঢাবির মো. রিয়াজুল হাসান লিয়ন এবং হাসান কিবরিয়া।

অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘এমন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গণিত ভীতি দূর হবে বলে আমি আশাবাদী। আমি শিক্ষার্থীদের আহ্বান করব তারা যেন এমন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।’

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, বাংলাদেশ গণিত সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. শওকত আলী, এ. এফ মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি মো. নুরুল আলম এবং গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শরিফুল আলম সহ অন্যান্য শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকের শিক্ষকদের ১১ দফা নির্দেশনা

শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটে তথ্য দিলেই টিকা পাবেন জবি শিক্ষার্থীরা

ওয়েবসাইটে তথ্য দিলেই টিকা পাবেন জবি শিক্ষার্থীরা

আগামী ৫ থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত জবিতে দেয়া হবে টিকার দ্বিতীয় ডোজ। ছবি: নিউজবাংলা

জবি রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান জানান, যে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী টিকা ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রথম ডোজ নিয়েছেন তাদের দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে http://student.erp.jnu.ac.bd/jnuis/student/login/view.html লিংকে ঢুকে তথ্য দিতে হবে। আর যারা দেশের অন্যত্র থেকে সিনোফার্মের প্রথম ডোজ নিয়েছেন, তারা টিকা কার্ড দেখিয়ে অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারবেন।  

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আধুনিক মেডিক্যাল সেন্টারের অস্থায়ী টিকা ক্যাম্পে দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেয়া হবে।

আগামী ৫ থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেয়া হবে টিকা। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের টিকা নেয়ার আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ঢুকে বিষয়টি নিশ্চিত করে তথ্য দিতে হবে।

এ ক্ষেত্রে যারা প্রথম ডোজ নিয়েছেন তারা স্টুডেন্ট পোর্টালে ঢুকে টিকা গ্রহণের তারিখ ঠিক করাসহ অন্যান্য তথ্য দিতে হবে। এরপর তারা টিকা নিতে পারবেন।

শুক্রবার সকালে নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (প্রশাসন) মোহাম্মদ মশিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

রেজিস্ট্রার বলেন, যে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী টিকা ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রথম ডোজ নিয়েছেন তাদের দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে এই লিংকে ঢুকে http://student.erp.jnu.ac.bd/jnuis/student/login/view.html তথ্য দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ৭ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের করোনার দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেয়া হবে। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী যারা দেশের অন্যত্র থেকে সিনোফার্মের প্রথম ডোজ নিয়েছেন, তারা টিকা কার্ড দেখিয়ে অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারবেন।

এর আগে গত ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে ১৯৬০ শিক্ষার্থী প্রথম ডোজের টিকা গ্রহণ করেছেন।

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকের শিক্ষকদের ১১ দফা নির্দেশনা

শেয়ার করুন

এবার বুয়েটে চান্স পেলেন ১৯ আবরার

এবার বুয়েটে চান্স পেলেন ১৯ আবরার

বুয়েটে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে প্রকৌশল, পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের অধীনে ১২টি বিভাগে স্নাতকে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হবে। চূড়ান্ত পর্বে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া ১ হাজার ২১৫ জন ভর্তির সুযোগ পাবেন। এ বছর বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পাওয়া তালিকায় ১৫ শিক্ষার্থীর নামের অংশে ‘আবরার’ শব্দটি রয়েছে। অপেক্ষমাণ তালিকায় আছেন আরও চারজন। ভর্তির সুযোগ পাওয়া তিন শিক্ষার্থীর নামের সঙ্গে যুক্ত আছে ‘ফাহাদ’ শব্দটি।

ছাত্রলীগের নির্মম নির্যাতনে নিহত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের মৃত্যুর দুই বছর পর বিশ্ববিদ্যালয়টির ভর্তি পরীক্ষায় পাস করেছেন আবরার নামের ১৯ জন।

তাদের নামের অংশে ‘আবরার’ শব্দটি রয়েছে। তবে তিন শিক্ষার্থীর নামের সঙ্গে যুক্ত আছে ‘ফাহাদ’ শব্দটি।

বুয়েটে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়টির ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হয়।

প্রকৌশল এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এবং স্থাপত্য বিভাগের আওতায় বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া ছয় হাজার শিক্ষার্থী গত ৬ নভেম্বর চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

এবার প্রকৌশল, পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের অধীনে ১২টি বিভাগে স্নাতকে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হবে। চূড়ান্ত পর্বে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া ১ হাজার ২১৫ জন ভর্তির সুযোগ পাবে। এ বছর বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পাওয়া তালিকায় ১৫ শিক্ষার্থীর নামের অংশে ‘আবরার’ শব্দটি রয়েছে।

এ ছাড়া অপেক্ষমাণ তালিকায় আছেন আরও চারজন শিক্ষার্থী, যাদের নামের অংশেও ‘আবরার’ রয়েছে। ভর্তির সুযোগ পাওয়া তিন শিক্ষার্থীর নামের সঙ্গে যুক্ত আছে ‘ফাহাদ’ শব্দটি। তাদের মধ্যে দুজন অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছেন।

এবার বুয়েটে চান্স পেলেন ১৯ আবরার
ছাত্রলীগের নির্মম নির্যাতনে নিহত বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ। ফাইল ছবি

বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পাওয়া ‘আবরার’ নামের ওই শিক্ষার্থীরা হলেন, আবরার আসেম ফুয়াদ (চতুর্থ), আশিক আবরার নাইম (১১তম), আবরার জাহিন সরকার (২১তম), আবরার জামিল (৬৭তম), আবরার রহমান আবির (১০৪তম), হাদি মোহাম্মদ ফারদিন আবরার (৩১৭তম), আবরার শাহরিয়ার হোসাইন (৩১৮তম), ইসমাম আবরার ইউশা (৪১৭তম), আবরার জাহিন (৫৪৭তম), মো. আবরার ফায়াজ (৭৩৪তম), এ টি এম আবরার মোহতাদি (৭৮৭তম), আবরার ইয়াসির (৮৩৭তম), শেখ মাহির আবরার (৯০৭তম), ফাইয়াজ আবরার (৯৪৫তম) ও মো. আবরার শাহরিয়ার কবির (১০৬৬তম)।

অপেক্ষমাণ তালিকায় আছেন ফাহিম আবরার (১২৩৬তম), আবরার আহমেদ ফাহিম (১৩০০তম), আবরার ইহতাসুম আফিফ (১৩১৭তম) এবং আবরার হাফিজ রাব্বানী (১৭৮৬তম)।
মূল তালিকায় ‘ফাহাদ’ নামের শিক্ষার্থীরা হলেন আতিকুল আলম ফাহাদ (৭৯৯তম)। অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছেন মো. ফাহাদ ইসলাম দীপ্ত (১৩৫১তম) এবং নাবিল ফাহাদ (১৪৮৭তম)।

এর আগে আবরার ফাহাদ হত্যার বছর অর্থাৎ ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষেও বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় ‘আবরার’ নামের ১৭ জন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ভর্তির সুযোগ পান। তাদের মধ্যে মূল তালিকায় ছিলেন ১৫ জন আর অপেক্ষমাণ তালিকায় ২ জন।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর বুয়েটের শেরে বাংলা হলে পিটিয়ে হত্যা করা হয় তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে। এ ঘটনায় করা মামলায় ওই বছরের ১৩ নভেম্বর বুয়েটের ২৫ ছাত্রের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।

গত বছরের ২১ জানুয়ারি অভিযোগপত্রটি আমলে নেয় আদালত। ওই বছরের ২ সেপ্টেম্বর তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এ বছরের ৪ মার্চ এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়েছে। ২৮ নভেম্বর রোববার রায় ঘোষণার দিন ঠিক করেছে আদালত। অভিযুক্তদের সবাই বুয়েট ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তাদের মধ্যে বর্তমানে তিনজন পলাতক।

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকের শিক্ষকদের ১১ দফা নির্দেশনা

শেয়ার করুন

বুয়েটেও প্রথম সিয়াম

বুয়েটেও প্রথম সিয়াম

বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন মেফতাহুল ইসলাম সিয়াম।

সিয়াম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা এবং গাজীপুরের ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির ভর্তি পরীক্ষায়ও প্রথম হন। এ ছাড়া ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় সিয়ামের অবস্থান ছিল ৫৯তম।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) স্নাতকে (২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ) ভর্তি পরীক্ষায় প্রকৌশল এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা (ইউআরপি) বিভাগে প্রথম হয়েছেন বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজের শিক্ষার্থী মেফতাহুল ইসলাম সিয়াম।

সিয়াম শুধু বুয়েটেই নয়, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা এবং গাজীপুরের ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির ভর্তি পরীক্ষায়ও প্রথম হন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় সিয়ামের অবস্থান ছিল ৫৯তম। এ ছাড়া ১৮ নভেম্বর প্রকাশিত তিন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় সিয়াম তৃতীয় হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বুয়েটের ওয়েবসাইটে চূড়ান্ত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

বুয়েটের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক শ্রেণিতে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে গত ২০ ও ২১ অক্টোবর প্রাক্‌-নির্বাচনী পরীক্ষা হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে ১৮ হাজার ৫ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। এর মধ্যে ছেলে শিক্ষার্থী ১২ হাজার ৩১৫ জন এবং মেয়ে শিক্ষার্থী ৫ হাজার ৬৯০ জন।

মহামারি পরিস্থিতি বিবেচনায় চার শিফটে ভাগ করে প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষা নেয়া হয়। সেখানে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত ছয় হাজার পরীক্ষার্থীকে চূড়ান্ত পর্বের পরীক্ষার জন্য বাছাই করা হয়।

পরিবহন ধর্মঘটের মধ্যেই ৬ নভেম্বর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে (২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ) ভর্তির চূড়ান্ত পরীক্ষা হয়। ধর্মঘটের মধ্যেও চূড়ান্ত পরীক্ষায় ৫ হাজার ৯৪৪ জন শিক্ষার্থী অর্থাৎ মোট পরীক্ষার্থীর ৯৯ ভাগ শিক্ষার্থী নেন।

এবার প্রকৌশল, পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের অধীনে ১২টি বিভাগে স্নাতক শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হবে। চূড়ান্ত পর্বে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া ১ হাজার ২১৫ জন ভর্তির সুযোগ পাবেন।

প্রকৌশল এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এবং স্থাপত্য বিভাগের আওতায় বুয়েটের ভর্তি অনুষ্ঠিত হয়।

মেফতাহুল ইসলাম প্রথম হয়েছেন প্রকৌশল এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের ভর্তি পরীক্ষায়। পরীক্ষায় তার রোল নম্বর ছিলে ৫০৬১৫। অন্যদিকে স্থাপত্য বিভাগের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন নাবিলা তাবাসসুম নামের এক ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থী। ভর্তি পরীক্ষায় তার রোল নম্বর ৯০৩১৯।

কলেজে থাকার সময় মেফতাহুল সিয়াম বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশ কেমিস্ট্রি অলিম্পিয়াডে জাতীয় পর্যায়ে প্রথম, বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে কলেজ পর্যায়ে অষ্টম এবং বিজ্ঞান একাডেমির স্থানীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে তিনি প্রথম হন।

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকের শিক্ষকদের ১১ দফা নির্দেশনা

শেয়ার করুন

টিকা নিতে পরীক্ষার্থীদের দীর্ঘ লাইন

টিকা নিতে পরীক্ষার্থীদের দীর্ঘ লাইন

একজন অভিভাবক বলেন, ‘মেয়ের পরীক্ষা এক সপ্তাহ পর। বুধবার রাতে ফেসবুকের মাধ্যমে জানলাম পরীক্ষার্থীদের টিকা দিতে হবে। বাধ্য হয়ে অফিস থেকে ছুটি নিয়ে, তারপর টিকা কেন্দ্রে এসেছি। এতো তাড়াহুড়ার কারণ বুঝতে পারছি না।’

মাগুরায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের করোনার টিকা দেয়া শুরু হয়েছে। একদিনের ঘোষণায় বৃহস্পতিবার একযোগে টিকা দিতে গিয়ে বিশৃঙ্খলা ও ভোগান্তির শিকার হয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

বৃহস্পতিবার সকালে মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার কাজ উদ্বোধন করেন মাগুরার দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য মোছা. নাসিমা বেগম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বীরেন সিকদার, জেলা প্রশাসক ড. আশরাফুল আলম, সিভিল সার্জন ডা. শহীদুল্লাহ দেওয়ানসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ছয়টি কেন্দ্রে ১১ হাজার ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে ফাইজারের টিকা দেয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টিকা দেয়া হয়।

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের টিকার জন্য যে সব কেন্দ্র করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট, সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, শ্রীপুর ডিগ্রি কলেজ, মহম্মদপুর ও শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভা কক্ষ।

এদিকে হঠাৎ ঘোষনায় টিকা নিতে গিয়ে হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে জানান অনেক শিক্ষার্থী।

মাগুরা সরকারি কলেজে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মাসুদ হোসেন বলেন, ‘টিকা নেয়ার খবর শুনেছি সকালে, এরপর তড়িঘড়ি করে বন্ধুদের নিয়ে এসেছি। ঘণ্টা দুয়েক দাড়িয়ে আছি। ধীর গতিতে টিকা দেয়ায় বাড়ছে লাইন।’

তাবাস্সুম মারিয়া নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘রাতে টিকার কথা শুনে ছুটে চলে এসেছি। অনেকে আসতে পারেননি সংবাদ না জানার কারণে।’
পরীক্ষার্থী শারমীন বলেন, ‘সকালে এসেছি, রেজিষ্ট্রেশন কার্ড চেক করতেই দুপুর। কয়েক দিন পরই পরীক্ষা, এ সময়ে টিকা নিতে গিয়ে প্রায় পুরো দিন চলে যাচ্ছে।’

একজন অভিভাবক বলেন, ‘মেয়ের পরীক্ষা এক সপ্তাহ পর। বুধবার রাতে ফেসবুকের মাধ্যমে জানলাম পরীক্ষার্থীদের টিকা দিতে হবে। বাধ্য হয়ে অফিস থেকে ছুটি নিয়ে, তারপর টিকা কেন্দ্রে এসেছি। এতে তাড়াহুড়ার কারণ বুঝতে পারছি না।’

সিভিল সার্জন শহীদুল্লাহ দেওয়ান জানান, ফাইজারের টিকা শিক্ষার্থীদের জন্য পুরোপুরি নিরাপদ। এই টিকা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ ছাড়া রাখা যাবে না। তাই সতর্কতা অবলম্বন করতে গিয়ে কিছুটা দেরি হচ্ছে। প্রশিক্ষিত সিনিয়র নার্সদের মাধ্যমে টিকা দেয়া হচ্ছে।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আলমগীর কবীর বলেন, ‘বুধবার রাতে টিকা আসবে শুনেই আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সংবাদ দিয়েছি। একটা ছক করে ৬ কেন্দ্রে ১১ হাজার ১৪ জন পরীক্ষার্থীর টিকা দেয়ার ব্যবস্থা করেছি।'

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকের শিক্ষকদের ১১ দফা নির্দেশনা

শেয়ার করুন

রাবিতে ৪০ পদের ৩২টিতে আওয়ামীপন্থীদের জয়

রাবিতে ৪০ পদের ৩২টিতে আওয়ামীপন্থীদের জয়

ফাইল ছবি

নির্বাচনে ৪০ পদের বিপরীতে ৩২টিতেই জয় পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ। অন্যদিকে মাত্র ৮টি পদে জয় পেয়েছে বিএনপি-জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের দল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিক্ষক গ্রুপ (সাদা প্যানেল)।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ডিন, সিন্ডিকেট, শিক্ষক সমিতিসহ ৬ ক্যাটাগরির নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের দল হলুদ প্যানেল।

নির্বাচনে ৪০ পদের বিপরীতে ৩২টিতেই জয় পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ।

অন্যদিকে মাত্র ৮টি পদে জয় পেয়েছে বিএনপি-জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের দল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিক্ষক গ্রুপ (সাদা প্যানেল)।

নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব পালনকারী বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আবদুস সালাম ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ড. রেজিনা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের জুবেরী ভবনের শিক্ষক লাউঞ্জে ভোটগ্রহণ হয়।

নির্বাচনে সিন্ডিকেটের পাঁচটি পদের সবগুলোতে জয় পেয়েছেন আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরা। ১২টি অনুষদের ডিন নির্বাচনে সমান ৬টি করে পদ পেয়েছে হলুদ গ্রুপ ও সাদা প্যানেল। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি নির্বাচনে ১৫টি পদের মধ্যে সভাপতিসহ ১৪টি পদেই জয় পেয়েছে হলুদ গ্রুপ। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনান্স কমিটির নির্বাচনে আওয়ামীপন্থী গ্রুপ থেকে অধ্যাপক আহসান হাবিব শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে জয় পেয়েছেন। তবে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটিতে জয় পেয়েছেন সাদা গ্রুপের ড. সোহেল হাসান। শিক্ষা পরিষদের ছয়টি পদেই জয় পেয়েছে হলুদ গ্রুপ।

ডিন নির্বাচন:
হলুদ গ্রুপ থেকে নির্বাচিত ডিনরা হলেন, বিজনেস অনুষদে অধ্যাপক ড. শাহ্ আজম শান্তনু, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে অধ্যাপক ইলিয়াছ হোসেন, জীববিজ্ঞান অনুষদে অধ্যাপক মোহাম্মদ শহিদুল আলম, প্রকৌশল অনুষদে অধ্যাপক আবু জাফর মো. তৌহিদুল ইসলাম, ফিশারীজ অনুষদে অধ্যাপক ইসতিয়াক হোসেন বিতান এবং ভেটেরিনারী অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সস অনুষদে অধ্যাপক জালাল উদ্দিন সরদার।

সাদা গ্রুপ থেকে নির্বাচিত ডিনরা হলেন, কলা অনুষদে অধ্যাপক ফজলুল হক, বিজ্ঞান অনুষদে অধ্যাপক শাহেদ জামান, কৃষি অনুষদে অধ্যাপক আব্দুল আলিম, চারুকলা অনুষদে অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী, ভূ-বিজ্ঞান অনুষদে খোন্দকার ইমামুল হক, আইন অনুষদে অধ্যাপক আব্দুল হান্নান।

সিন্ডিকেট নির্বাচন:
সিন্ডিকেটের পাঁচটি পদের সবগুলোতেই জয় পেয়েছেন হলুদ গ্রুপ। প্রাধ্যক্ষ ক্যাটাগরিতে জয় পেয়েছেন শহীদ শামসুজ্জোহা হলের প্রাধ্যক্ষ ড. একরামুল হক, প্রফেসর ক্যাটাগরিতে অধ্যাপক মামুনুর রশীদ তালুকদার (সবুজ), সহযোগী অধ্যাপক ক্যাটাগরিতে শফিকুজ্জামান জোয়ার্দ্দার মুক্ত, সহকারী অধ্যাপক ক্যাটাগরিতে সাদিকুল ইসলাম সাগর এবং প্রভাষক ক্যাটাগরিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় জয় পেয়েছেন শামসুন নাহার।

শিক্ষা পরিষদ নির্বাচন:
শিক্ষা পরিষদের ছয়টি পদের বিপরীতে ৬টিতেই জয়ী হলুদ গ্রুপের শিক্ষকরা। জয়ীরা হলেন, ড. মনীরা জান্নাতুল কোবরা স্নিগ্ধা, ড. মিজানুর রহমান, ড. কনক পারভেজ। হলুদ দল থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছেন এসএম সানজিদ রহমান, আরিফুর রহমান ও শাহাদাৎ হোসেন।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক দুলাল, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক কুদরত:

শিক্ষক সমিতির ১৫টি পদের ১৪টি পদেই জয় পেয়েছে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন হলুদ গ্রুপ। হলুদ গ্রুপের অধ্যাপক দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস ৫০০ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অধ্যাপক ছায়েদুর রহমান পান্নু পেয়েছেন ৪৮৭টি ভোট।

৪৯০ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সাদা গ্রপের অধ্যাপক কুদরত-ই জাহান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হলুদ প্যানেলের অধ্যাপক জাফর সাদিক পেয়েছেন ৪৭৪ ভোট।

হলুদ গ্রুপ থেকে অন্য নির্বাচিতরা হলেন, সহ-সভাপতি পদে প্রাণীবিদ্যা বিভাগের ড. মোহা. মাইনুল হক, কোষাধ্যক্ষ পদে ইন্সটিটিউট অফ বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগের ড. কামরুজ্জামান মিতুল, যুগ্ম সম্পাদক পদে লোক প্রশাসন বিভাগের এ এইচ এম কামরুল আহসান।

১০ জন সদস্য পদের মধ্যে ১০ জনই হলুদ গ্রুপ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন ফিসারিজ বিভাগের ড. মো. আব্দুস সামাদ, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ড. মোহা. আশরাফ-উজ-জামান, চিত্রকলা বিভাগের ড. মো. বনি আদম, নৃবিজ্ঞান বিভাগের ড. মো. আলতাফ হোসেন, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইজঞ্জিনিরিং বিভাগের ড. মো. মতিকুল ইসলাম, মাইক্রোবায়োজি বিভাগের অমিত কুুমার দত্ত, ফার্মেসি বিভাগের ড. রনক জাহান, মো. কামরুল হাসান শোভন, হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ড. রেজাউল হক আনসারী, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ড. মো. মোজাম্মেল হোসেন।

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকের শিক্ষকদের ১১ দফা নির্দেশনা

শেয়ার করুন

একজনের কবজায় শিক্ষার ২৫ প্রকল্প

একজনের কবজায় শিক্ষার ২৫ প্রকল্প

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ৫০ প্রকল্পের অর্ধেকের দায়িত্বে একজন প্রকৌশলী। এতো প্রকল্পের দায়িত্বে একজন থাকাকে অস্বাভাবিক বলছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি ধীর হয়ে যেতে পারে।

একজন কর্মকর্তার একটি প্রকল্পে দায়িত্ব পালনের কথা। এটাই সরকারি বিধান। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট নির্দেশনাও রয়েছে। কিন্তু এ নির্দেশকে অমান্যকে করে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ইইডি) একজন নির্বাহী প্রকৌশলীর হাতেই রয়েছে ২৫ প্রকল্প।

বিষয়টিকে নজিরবিহীন বলছেন শিক্ষা প্রকৌশল সংশ্লিষ্টরা। আলোচিত এই কর্মকর্তার নাম মো. আবুল হাসেম সরদার।

কাজ বণ্টনের নথিতে দেখা যায়, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল হাসেম সরদার চলতি অর্থবছরের ২৫টি উন্নয়ন প্রকল্পের দায়িত্বে রয়েছেন। প্রকল্পে তার সহযোগী হিসেবে আছেন সহকারী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম, উপসহকারী প্রকৌশলৗ মো. জাফর আলী সিকদার, মো. শাহজাজান আলী এবং শাহ মো. রাকিব।

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন, নতুন ভবন নির্মাণ, বিদ্যমান ভবনগুলোর সম্প্রসারণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও সংস্কার এবং আসবাবপত্র সরবরাহের কাজ করে থাকে। এ ছাড়া মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, আইসিটি ল্যাব স্থাপন, ইন্টারনেট সংযোগ, আইসিটি সুবিধা সরবরাহের কাজও তারা করে থাকে।

এক প্রকৌশলীর অধীনে এতো বিপুল প্রকল্পের ব্যাপারে জানতে চাইলে বিষয়টি অস্বীকার করেন প্রকৌশলী আবুল হাসেম সরদার। তিনি বলেন, ‘আমি ২৫টি প্রকল্পের দায়িত্বে না।’

তার অধীনে কয়টি প্রকল্প আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘১০-১১টি হতে পারে।’ একটু পরেই তিনি বলেন, “অফিস থেকে আমাকে ২৫টি প্রকল্পের ‘দেখভালের’ দায়িত্ব দিয়েছে। আমি প্রকল্প পরিচালক না।

“এ রকম একাধিক প্রকল্পের দায়িত্বে অনেকেই আছেন। আমি এর বেশি কিছু বলতে পারব না। যদি আপনার কিছু জানার থাকে তাহলে প্রধান প্রকৌশলীর কাছে যান।”

তিনি আরও বলেন, ‘২৫ প্রকল্পের মধ্যে অনেকগুলোই আছে ২ কোটি, ৫ কোটি, ১৪ কোটি টাকার। আমি অনেকগুলো প্রকল্প তৈরি করেছি। এ জন্য হয়তো আমার নামের পাশে এতগুলো প্রকল্প লেখা আছে।’

২৫ প্রকল্পের দায়িত্বে একজন কর্মকর্তা থাকতে পারেন কি না, এমন প্রশ্নে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্বে) মো. আরিফুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি কয়টি প্রকল্পের দায়িত্বে? অফিস প্রধান হিসেবে সব প্রকল্পের দায়িত্বেই তো আমি। আমার তো কাজ করাতে হবে। এ জন্য একজন কর্মকর্তা অনেকগুলো প্রকল্প দেখভাল করেন।’

অনেকের কাছেই একাধিক প্রকল্প থাকতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, ‘অনেকের কাছেই একাধিক প্রকল্প থাকতে পারে। ধরেন আমার কাছে আছে ১০০টা কাজ। অফিসে যারা আছে, তাদের মধ্যেই তো কাজগুলো ভাগ করে দিতে হবে। আগে তো কাজগুলো ভাগ করে দেয়া হতো না। এখন আমরা কাজগুলো ভাগ করে দিচ্ছি। এতে কাজের সুবিধা হচ্ছে।’

সরকারি নিয়মে একাধিক প্রকল্পে এক কর্মকর্তাকে প্রকল্প পরিচালক (পিডি) হিসেবে নিয়োগের সুযোগ নেই। ২০০৯ সালে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রের ১৬(৩৬) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ৫০ কোটি টাকার বেশি প্রকল্পে একজন পূর্ণকালীন পিডি নিয়োগ করতে হবে। ১৬(৩৭) অনুচ্ছেদে বলা হয়, এক কর্মকর্তাকে একাধিক প্রকল্পের পিডির দায়িত্ব দেয়া যাবে না।

এছাড়া এক ব্যক্তিকে একাধিক প্রকল্পে দায়িত্ব না দিতে গত ২০ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক শামীম আহম্মেদের সই করা চিঠি সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগে পাঠানো হয়। সেখানে বলা হয়, একজন কর্মকর্তার ১০-১৪টি প্রকল্পের দায়িত্ব পালনকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘ভয়াবহ’ বলে মন্তব্য করেছেন। চিঠিতে যেসব কর্মকর্তা একাধিক প্রকল্পে পিডি আছেন, তাদের অতিরিক্ত প্রকল্পের দায়িত্ব ছেড়ে দিতে এ বছরের ২২ ফেব্রুয়ারির পর্যন্ত সময় দেয়া হয়।

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে বর্তমানে চলমান প্রকল্পের সংখ্যা প্রায় ৫০টি। এর অর্ধেক সংখ্যকের দায়িত্বেই প্রকৌশলী আবুল হাসেম সরদার। অধিদপ্তরে নির্বাহী প্রকৌশলীর সংখ্যা সাত জন। খোঁজ নিয়ে অন্য কারো দায়িত্বে এতো বিপুল সংখ্যক প্রকল্প পাওয়া যায়নি।

অনুসন্ধানে জানা যায়, কার্য বণ্টনের তালিকায় নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবুল হাসেম সরদারের নামের পাশে ‘অর্পিত দায়িত্ব’/কাজসমূহ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ২৫টি প্রকল্পে।

প্রকল্পগুলো হলো ১. সুনামগঞ্জ জেলায় তিনটি বেসরকারি কলেজ উন্নয়ন; ২. বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ বিজিবি হেড কোয়ার্টার, ঢাকা-এর অবকাঠামো উন্নয়ন; ৩. গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও রাজবাড়ী জেলার তিনটি বেসরকারি কলেজের অবকাঠামো উন্নয়ন; ৪. মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুল, খুলনা-এর অবকাঠামো উন্নয়ন; ৫. নোয়াখালী ও ফেনী জেলার দুটি সরকারি ও একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন; ৬. শেখ রাসেল উচ্চ বিদ্যালয়, সদর গোপালগঞ্জ ও শেরেবাংলা বালিকা মহাবিদ্যালয়, সূত্রাপুর, ঢাকা-এর অবকাঠামো উন্নয়ন; ৭. রাজস্ব খাতের অধীনে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংস্কার (৪৯৩১); ৮. রাজস্ব খাতের অধীনে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংস্কার (৭০২৬); ৯. রাজস্ব খাতের অধীনে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আসবাবপত্র সরবরাহ; ১০. সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন; ১১. তিন পার্বত্য জেলায় বিদ্যমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আবাসিক ভবন নির্মাণ ও নতুন আবাসিক বিদ্যালয় স্থাপন; ১২. কলেজবিহীন পাঁচ উপজেলায় সরকারি কলেজ স্থাপন; ১৩. ১০০টি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ (টিএসসি) স্থাপন; ১৪. উপজেলা পর্যায়ে ৩২৯টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন (২য় পর্যায়); ১৫. কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন ৬৪টি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সক্ষমতা বৃদ্ধি; ১৬. সিলেট, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে চারটি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন; ১৭. বাংলাদেশ ভূমি জরিপ শিক্ষার উন্নয়ন; ১৮. কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার লালমাই ডিগ্রি কলেজের অবকাঠামো উন্নয়ন; ১৯. নয়টি সরকারি কলেজ স্থাপন; ২০. অধিকসংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বিদ্যমান পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসমূহের অবকাঠামো উন্নয়ন; ২১. উপকূলীয় এলাকায় ভোলা জেলার তজুমউদ্দিন উপজেলায় নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জলবায়ু প্রভাব সহিষ্ণু অবকাঠামো নির্মাণ; ২২. ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলাধীন কুতকুড়া টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেজ ম্যানেজমেন্ট কলেজ জলবায়ু প্রভাব সহিষ্ণু অবকাঠামো নির্মাণ; ২৩. উপকূলীয় এলাকায় পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া ও ইন্দুকানি উপজেলায় নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জলবায়ু প্রভাব সহিষ্ণু অবকাঠামো নির্মাণ; ২৪. সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের উন্নয়ন (৩২৩ সরকারি স্কুল); এবং ২৫. পাইকগাছা কৃষি কলেজ স্থাপন।

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, একজনের হাতে এত প্রকল্প থাকা অস্বাভাবিক। বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় ইতোমধ্যে দুই থেকে তিনটি প্রকল্প সেখান থেকে কমানো হয়েছে।

আবুল হাসেম সরদার মোট কত কোটি টাকার কাজের দায়িত্বে রয়েছেন, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘অ্যাকচুয়াল হিসাব বলা সম্ভব না। তবে এটুকু বলতে পারি, ২৫ প্রকল্পের মধ্যে বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্প রয়েছে, যেগুলোর একেকটি কয়েক হাজার কোটি টাকারও বেশি।

একজন কর্মকর্তার ২৫ প্রকল্পের দায়িত্বে থাকাকে অস্বাভাবিক বলছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামানও।

তিনি বলেন, ‘বিষয়টি অবশ্যই অস্বাভাবিক। এটা কেমন করে সম্ভব হলো তা খতিয়ে দেখা দরকার। এতে কাজের দীর্ঘসূত্রতা বাড়বে। এ ছাড়া এর ফলে কাউকে বিশেষ সুবিধা দেয়া হচ্ছে কি না, সেটাও দেখা দরকার।’

এ বিষয়ে জানতে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলকে ফোন করা হলে তিনি ফোন কেটে প্রশ্ন এসএমএস করতে মেসেজ পাঠান। পরে ৬ ঘন্টা ১৪ মিনিট পর এসএমএসে লেখেন, ‘উনার ব্যাপারে আপনারা খবর নেন। চিফ ইঞ্জিনিয়ার সাহেব ব্যাখা দিবে।’

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকের শিক্ষকদের ১১ দফা নির্দেশনা

শেয়ার করুন