গাড়ি ৯ কোটির, কর ৭২ কোটি, বিপাকে পুলিশ

গাড়ি ৯ কোটির, কর ৭২ কোটি, বিপাকে পুলিশ

পুলিশ সদর দপ্তরের একজন কর্মকর্তা জানান, গাড়িগুলো আটকে দেয়ার পর আমরা বিশেষায়িত ভেহিক্যাল হিসেবে এগুলোর শুল্ক মওকুফের জন্য কাস্টম কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু আবেদনে সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে এনবিআর বিলম্বে কর পরিশোধের ব্যবস্থা করে দিয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) জন্য জাপান থেকে আসা ২০টি এস্কর্ট গাড়ি ছয় মাস ধরে পড়ে আছে চট্টগ্রাম বন্দরে।

গাড়িগুলোর চুক্তিমূল্য দেখানো হয়েছে ৮ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। পুলিশের ধারণা ছিল, এর জন্য কর দিতে হবে ৩ কোটি টাকার বেশি। কিন্তু বন্দর কর্তৃপক্ষ দাবি করছে ৭২ কোটি টাকার বেশি।

এই ২০টি ছাড়াও আরও যে গাড়ি আনবে, তার জন্য কর হিসেবে বরাদ্দ রাখা আছে ৩৯ কোটি টাকা। এই বাড়তি টাকার সংস্থান কোথায় হবে, আপাতত জানে না বাহিনীটি।

তবে একটি ব্যবস্থাপনায় আপাতত গাড়িগুলো বন্দর থেকে ছাড়ানো হবে। পরে কর পরিশোধ করা হবে, এমন একটি ব্যবস্থাপনায় রাজি হয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

চট্টগ্রাম বন্দরের কাস্টম কর্তৃপক্ষ গাড়িগুলোর জন্য ৭২ কোটি ১১ লাখ টাকা কর দাবি করেছে।

গাড়িগুলো ছাড়ানোর জন্য ‘সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক প্রকল্পে এত টাকা বরাদ্দ নেই। গাড়ি কেনার জন্য কাস্টম ডিউটি বাবদ এই প্রকল্পে বরাদ্দ আছে মোট ৩৯ কোটি টাকা। সেখানে এই ২০টি ছাড়াও আরও গাড়ি আছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের একজন কর্মকর্তা বলেন, `গাড়িগুলো আটকে দেয়ার পর আমরা বিশেষায়িত ভেহিক্যাল হিসেবে এগুলোর শুল্ক মওকুফের জন্য কাস্টম কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু আবেদনে সাড়া পাওয়া যায়নি।’

এই কর্মকর্তা বলেন, বিশেষায়িত যান হিসেবে গাড়িগুলোর জন্য শুল্ক হিসেবে ধরা হয়েছিল ২ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এখন বাড়তি প্রায় ৭০ কোটি টাকা গুনতে হবে। তাই বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ৫টি ফ্লাডলাইট যান ইতিমধ্যে ডিএমপির কাছে হস্তান্তর হয়েছে। যা জাপান সরকারের অনুমোদিত এজেন্সি জেআইসিএসের মাধ্যমে জাপান থেকে আনা হয়েছে।

একই এজেন্সির মাধ্যমে ১০টি আর্মার্ড কার কেনার চুক্তি হয়। চুক্তিমূল্য দেখানো হয় ৮ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। গাড়িগুলো বন্দরে আসে গত মার্চের দিকে। গাড়িগুলো বন্দরে এলে এইচএস কোড যাচাই করে কর নির্ধারণ করে কর্তৃপক্ষ।

পরে সেগুলো ছাড় নিয়ে জটিলতা তৈরি হলে গত ১৫ সেপ্টেম্বর পুলিশ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এক সভা হয়।

সভায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই প্রকল্পের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়। এ বিষয়ে সভায় উপস্থিত সবাই একমত হন। তবে মেয়াদ বাড়ানোর জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট উইং ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জননিরাপত্তা বিভাগে রিভিশন প্রস্তাব পাঠানোর জন্য প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের সভা থেকে বলা হয়েছে।

এনবিআরের বিকল্প উদ্যোগ

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে গাড়ি ছাড়াতে রাজি না হওয়ার পর পুলিশের পক্ষ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে এনবিআর ‘ডেফার্ড পেমেন্টে’ ব্যবস্থাপনায় গাড়িগুলো ছাড় করার অনুমোদন দেয়। অর্থাৎ গাড়িগুলোর জন্য কর পরিশোধ করা হবে পরে।

অনুমোদনের কাগজটি বন্দরের যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর পর গাড়িগুলো ছাড়ানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ বাপ্পী শাহরিয়ার সিদ্দিকী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হোলি আর্টিজানের পর জাপান থেকে ডোনেশন হিসেবে গাড়িগুলো পেয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। ওনারা ডিউটি ফি হিসেবে ডিক্লেয়ার দিয়েছিলেন ২ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। আমরা সঠিক এইচ এস কোড যাচাই করে দেখি এর ট্যাক্স দাঁড়ায় ৭২ কোটি টাকা।

‘এত টাকা ট্যাক্স দেয়া লাগবে, এটা হয়তো তখন পুলিশ জানত না। গাড়ি চলে এলেও টাকা না থাকায় তারা গাড়িগুলো নিতে পারেনি।’

এখন কী হবে- এমন প্রশ্নে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘পুলিশ কর অব্যাহতি পাওয়ার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু পারেনি। এখন এনবিআর থেকে একটা অনুমোদন এনেছে তারা। ফাইলটা এখনও আমাদের কাছে পৌঁছায় নাই। ডেফার্ড পেমেন্ট দেয়ার একটা অনুমোদন পেয়েছে। এই ট্যাক্সটা তারা পরে পরিশোধ করবে, এই শর্তে তারা গাড়িগুলো ছাড়াতে পারবে।’

পুলিশকে কত দিন সময় দেয়া হবে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘অন্তত ছয় মাস সময় পাওয়া যাবে।’

আরও পড়ুন:
আরও এক বছর ডিএমপি কমিশনার শফিকুল
শফিকুল ডিএমপি কমিশনার থাকছেন আরও এক বছর
অবসরে যাচ্ছেন ডিএমপি কমিশনার
মাদকে আসক্ত হয়ে চাকরিচ্যুত ডিএমপির ৯০ জন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

হলের গেস্টরুমে নির্যাতন বন্ধে আইন দাবি

হলের গেস্টরুমে নির্যাতন বন্ধে আইন দাবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ সমাবেশ করে। ছবি: নিউজবাংলা

সংগঠনের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, ‘অঘটন থামাতে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করা কোনো দূরদর্শী চিন্তা নয়। এ ধরনের খুনের দায় ছাত্র রাজনীতির নয়। ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রনেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং প্রশাসনের প্রশ্রয় পেয়ে এসব অপরাধ করে।’

দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনা প্রতিরোধে সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে বুধবার আয়োজিত এক সমাবেশ থেকে এ দাবি জানান পরিষদের নেতারা।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্বদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি নিয়ে বুধবার বিকেলে সমাবেশ করে ছাত্র অধিকার পরিষদ।

সংগঠনের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা সমাবেশে বলেন, ‘আবরার হত্যা মামলার রায় দ্রুত বাস্তবায়ন করলে একটা নজির তৈরি হবে। ছাত্র নির্যাতনের ঘটনা প্রতিরোধে এ নজির জরুরি। সারা দেশে বিশ্ববিদ্যালয় হলের গেস্টরুমে যে নির্যাতনের ধারা তৈরি হয়েছে, তা থামাতে আমরা গেস্টরুমের নির্যাতনবিরোধী আইন চাই।

‘অঘটন থামাতে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করা কোনো দূরদর্শী চিন্তা নয়। এ ধরনের খুনের দায় ছাত্র রাজনীতির নয়। ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রনেতারা শিক্ষক এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রশ্রয় পেয়ে এসব অপরাধ করে।’

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, ‘আবরার হত্যা মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের পাশাপাশি সে সময় বুয়েটের হলে দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের বিচারের আওতায় আনা উচিত। তাদের সহযোগিতায় হলগুলো হয়ে ওঠে নির্যাতন-নিপীড়নের আস্তানা।’

ছাত্র অধিকার পরিষদের সহসভাপতি তরিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় সমাবেশে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাকিল মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্যা রহমতুল্লাহ, সহসভাপতি সোহেল মৃধা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসাইন, নাহিদ উদ্দিন, রেদোয়ান উল্লাহ, ফরহাদ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান, জহির ফয়সাল, মোহাম্মদ সানাউল্লাহসহ নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
আরও এক বছর ডিএমপি কমিশনার শফিকুল
শফিকুল ডিএমপি কমিশনার থাকছেন আরও এক বছর
অবসরে যাচ্ছেন ডিএমপি কমিশনার
মাদকে আসক্ত হয়ে চাকরিচ্যুত ডিএমপির ৯০ জন

শেয়ার করুন

রায়ে সন্তুষ্ট, তবে মর্মাহত বুয়েট ভিসি

রায়ে সন্তুষ্ট, তবে মর্মাহত বুয়েট ভিসি

সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সত্যপ্রসাদ মজুমদার। ছবি: নিউজবাংলা

বুয়েট ভিসি বলেন, ‘আমরা সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছি। সর্বোচ্চ শাস্তিই হয়েছে। এখন আমরা আশা করি, এ রায় যেন দ্রুত ও স্বল্প সময়ের মধ্যে কার্যকর করা হয়।’

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যামামলার রায়ে সন্তুষ্ট হয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সত্যপ্রসাদ মজুমদার। তবে সাজাপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য তিনি মর্মাহতও বলে জানিয়েছেন।

বুধবার দুপুরে রায়ের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে সাংবাদিকদের কাছে এমন মনোভাবের কথা তুলে ধরেন বুয়েট ভিসি।

দুই বছর তিন মাস পর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ২৫ আসামির মধ্যে ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। বুধবার ঢাকা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় উপাচার্য বলেন, ‘আমাদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত রায় আজ আমরা পেয়েছি। আবরার হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার হয়েছে। খুব দ্রুতই রায় হয়েছে। তবে কোভিড পরিস্থিতি না থাকলে এ রায় আরও দ্রুত হতো। বিচার বিভাগের এ রায়ের ওপর আমাদের আস্থা রাখা উচিত।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছি। সর্বোচ্চ শাস্তিই হয়েছে। এখন আমরা আশা করি, এ রায় যেন দ্রুত ও স্বল্প সময়ের মধ্যে কার্যকর করা হয়।’

সাজাপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিয়ে জানতে চাইলে উপাচার্য বলেন, ‘আমি বিভাগীয় প্রধান, ডিন এবং প্রভোস্টও ছিলাম। আমি ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের শিক্ষক ছিলাম। আমি আমার ছাত্রদের খুব ভালোবাসি। আমি বিশেষভাবে মর্মাহত হয়েছি।’

ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষার্থী এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তাদেরকেও সর্বোচ্চ শাস্তি ভোগ করতে হবে বলে জানান উপাচার্য।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সময় একেকজন ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত থেকেও একসঙ্গে ক্লাস করেছি। আমরা চাই, বুয়েট ক্যাম্পাসে সেই জিনিসটা আবার ফিরে আসুক। আমরা চাই, শিক্ষার্থীদের মধ্যে যেন পূর্বের সেই ভালোবাসা এবং মানবতাবোধ ফিরে আসে। এ জন্য আমরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি।’

আরও পড়ুন:
আরও এক বছর ডিএমপি কমিশনার শফিকুল
শফিকুল ডিএমপি কমিশনার থাকছেন আরও এক বছর
অবসরে যাচ্ছেন ডিএমপি কমিশনার
মাদকে আসক্ত হয়ে চাকরিচ্যুত ডিএমপির ৯০ জন

শেয়ার করুন

রায়ে খুশি, দ্রুত কার্যকরের দাবি বুয়েটশিক্ষার্থীদের

রায়ে খুশি, দ্রুত কার্যকরের দাবি বুয়েটশিক্ষার্থীদের

আবরার হত্যার রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বুয়েটের শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের ১৬ ব্যাচের শাফকাত ইসলাম সাকিব বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম এ রকম ফাঁসি নাও হতে পারে। এই রায় দেখে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করছি, সন্তোষজনক রায় হয়েছে। তবে এটি পুরোপুরি নির্ভর করবে এই রায় পরবর্তী সময়ে পরিবর্তন হবে কি না সেটির ওপর।’

বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা। দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি চেয়েছেন তারা।

দুই বছর তিন মাস পর বুধবার আলোচিত আবরার হত্যা মামলার রায় হয়। রায়ে ২৫ আসামির মধ্যে ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

আবরারকে যে রাতে হত্যা করা হয়, তার পরদিন ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর তার বাবা ১৯ শিক্ষার্থীকে আসামি করে চকবাজার থানায় মামলা করেন। তদন্তে নেমে পুলিশ এজাহারের ১৬ জনসহ মোট ২১ জনকে গ্রেপ্তার করে। অভিযোগপত্রে মোট আসামি করা হয় ২৫ জনকে।

২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলার বিচার শুরু হয়। দুই পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত ১৪ নভেম্বর বিচারক এ মামলার রায়ের জন্য ২৮ নভেম্বর তারিখ রাখেন। তবে ওই দিন রায় লেখা বাকি থাকায় তারিখ পিছিয়ে ৮ ডিসেম্বর ঠিক করা হয়। সে অনুযায়ী রায় ঘোষণা হলো।

রায়ের পর বুয়েটের শিক্ষার্থীরা জানান, আদালতের এই রায়ে তারা সন্তুষ্ট। এ সময় শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত এই রায় কার্যকরের দাবি জানান।

এই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো কর্মসূচি আছে কি না, জানতে চাইলে শিক্ষার্থীরা জানান, এই বিষয়ে তারা একসঙ্গে আলোচনা করে কর্মসূচি নির্ধারণ করে পরে জানাবেন।

পুরকৌশল বিভাগের ১৬ ব্যাচের শাফকাত ইসলাম সাকিব বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম এ রকম ফাঁসি নাও হতে পারে। এই রায় দেখে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করছি, সন্তোষজনক রায় হয়েছে। তবে এটি পুরোপুরি নির্ভর করবে এই রায় পরবর্তী সময়ে পরিবর্তন হবে কি না, সেটির ওপর।’

এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের কাছে সবচেয়ে বেশি ম্যাটার হচ্ছে আবরারের পরিবার কী রকম ফিল করছে। তারা যদি এ রায়ে সন্তুষ্ট হয়, তাহলে আমরাও সন্তুষ্ট। আর তারা যদি মনে করেন এ রায়ে নতুন কিছু মডিফিকেশন দরকার, তাহলে উনাদের সিদ্ধান্তকে আমরা সংহতি জানাব।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১৭ ব্যাচের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘বিজ্ঞ আদালতকে ধন্যবাদ। প্রথম থেকে আমরা আদালতের রায়ের ওপর ভরসা করেছিলাম। আজকের এই রায়ের মাধ্যমে সে ভরসার আমরা প্রতিফলন পেয়েছি। আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট। আমরা চাই, অতিদ্রুত এ রায় কার্যকর করা হোক। বর্তমানে বুয়েটে যে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় আছে, সেটিও যেন ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকে।’

মাহফুজুর রহমান নামের ১৬ ব্যাচের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের আইন ব্যবস্থা এবং মহামান্য আদালতের ওপর আমাদের সম্পূর্ণ আস্থা ছিল। এখন যে রায় হয়েছে সেই রায়ে আবরারেন পরিবার সন্তুষ্ট হলে আমরাও সন্তুষ্ট।’

এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা চাই দ্রুততম সময়ে এ রায় কার্যকর করা হোক। যদিও এখানে আরও অনেক জটিলতা আছে। সুপ্রিম কোর্ট আছে, আপিল বিভাগ আছে। সবকিছু মিলিয়ে এই জটিলতা দ্রুত শেষ হয়ে দ্রুত যেন রায় কার্যকর হয়, এটিই আমাদের চাওয়া।’

আরও পড়ুন:
আরও এক বছর ডিএমপি কমিশনার শফিকুল
শফিকুল ডিএমপি কমিশনার থাকছেন আরও এক বছর
অবসরে যাচ্ছেন ডিএমপি কমিশনার
মাদকে আসক্ত হয়ে চাকরিচ্যুত ডিএমপির ৯০ জন

শেয়ার করুন

মেয়ের কাঁথা শুকাতে গিয়ে ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যু

মেয়ের কাঁথা শুকাতে গিয়ে ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যু

প্রতীকী ছবি

আব্দুল হান্নানের বড় ভাই সাইফুল ইসলাম জানান, তার ছোট ভাই পল্টনে মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি বাসার ছাদে মেয়ের কাঁথা, বালিশ শুকাতে যান। ওই সময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যান তিনি।

রাজধানীর শাজাহানপুর এলাকায় মেয়ের কাঁথা শুকাতে গিয়ে ছাদ থেকে পড়ে আব্দুল হান্নান (৩৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

পাঁচ তলা ভবন থেকে বুধবার বেলা ১১টার দিকে পড়ে যান আব্দুল হান্নান। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দুপুর দুইটার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

তিন মেয়ের জনক আব্দুল হান্নানের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানার গোরাগ্রাম এলাকায়। তিনি শাজাহানপুরের বেনজির বাগান এলাকার একটি বাসায় পরিবার নিয়ে থাকতেন।

আব্দুল হান্নানের বড় ভাই সাইফুল ইসলাম জানান, তার ছোট ভাই পল্টনে মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি বাসার ছাদে মেয়ের কাঁথা, বালিশ শুকাতে যান। ওই সময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যান তিনি।

সাইফুল আরও জানান, আব্দুল হান্নানকে শুরুতে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
আরও এক বছর ডিএমপি কমিশনার শফিকুল
শফিকুল ডিএমপি কমিশনার থাকছেন আরও এক বছর
অবসরে যাচ্ছেন ডিএমপি কমিশনার
মাদকে আসক্ত হয়ে চাকরিচ্যুত ডিএমপির ৯০ জন

শেয়ার করুন

ইউজিসিতে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার

ইউজিসিতে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার

আগারগাঁওয়ে ইউজিসি কার্যালয়ে বুধবার বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার উদ্বোধন করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা

কমিশনের লাইব্রেরিতে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারে জাতির পিতার একটি ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়। সেখানে ‘খোকা থেকে বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির পিতা’ গ্যালারিতে তার পরিবারের সদস্যদের আলোকচিত্র, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম তুলে ধরা হয়েছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার স্থাপন করা হয়েছে।

বুধবার ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারের মাধ্যমে আগামী প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর চেতনায় উজ্জীবিত হবে। বঙ্গবন্ধুর চেতনা ধারণ করে দেশকে এগিয়ে নিতে তরুণ প্রজন্মকে দায়িত্বশীল হতে হবে।

কমিশনের লাইব্রেরিতে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারে জাতির পিতার একটি ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়। সেখানে ‘খোকা থেকে বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির পিতা’ গ্যালারিতে তার পরিবারের সদস্যদের আলোকচিত্র, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম তুলে ধরা হয়েছে।

এ ছাড়া বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ও ছয় দফা ঘোষণাপত্র এবং দেশের উচ্চ শিক্ষাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি কর্নারে সংরক্ষণ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কর্নারে স্থান পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর ওপর দুই শতাধিক বই।

দেশের প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউজিসির সহায়তায় এরই মধ্যে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার স্থাপন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগম, অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর, অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ, অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের।

আরও পড়ুন:
আরও এক বছর ডিএমপি কমিশনার শফিকুল
শফিকুল ডিএমপি কমিশনার থাকছেন আরও এক বছর
অবসরে যাচ্ছেন ডিএমপি কমিশনার
মাদকে আসক্ত হয়ে চাকরিচ্যুত ডিএমপির ৯০ জন

শেয়ার করুন

সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বুধবার সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রামাদান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ছবি: আইএসপিআর

আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ সময় তারা পারস্পরিক কুশল বিনিময় করেন এবং দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ অগ্রগতির বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। সেনাবাহিনী প্রধান তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানান।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রামাদান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

বুধবার সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে তারা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানিয়েছে আইএসপিআর।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ সময় তারা পারস্পরিক কুশল বিনিময় করেন এবং দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ অগ্রগতির বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

সেনাবাহিনী প্রধান তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানান। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ রাষ্ট্রদূতকে সেনাবাহিনীর ক্রেস্ট উপহার দেন।

উল্লেখ্য, ফিলিস্তিনের সাত ক্যাডেট বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে প্রশিক্ষণরত, যারা আগামী ১২ ডিসেম্বর কমিশন লাভ করবেন।

আরও পড়ুন:
আরও এক বছর ডিএমপি কমিশনার শফিকুল
শফিকুল ডিএমপি কমিশনার থাকছেন আরও এক বছর
অবসরে যাচ্ছেন ডিএমপি কমিশনার
মাদকে আসক্ত হয়ে চাকরিচ্যুত ডিএমপির ৯০ জন

শেয়ার করুন

চেরাগ আলীর যানজট ঠেকেছে মহাখালী

চেরাগ আলীর যানজট ঠেকেছে মহাখালী

যানজটের ছবিটি কুড়িল ফ্লাইওভার থেকে তোলা-নিউজবাংলা

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ঢাকা থেকে আব্দুল্লাহপুর হয়ে যানবাহন বের হতে পারছে না। খুবই ধীর গতি। কোথাও কোথাও দীর্ঘ সময় এক জায়গাতেই দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।

সংস্কার কাজের কারণে গাজীপুরের চেরাগ আলী এলাকায় তিন লেনের রাস্তায় দুই লেনই বন্ধ। গাড়ি চলাচল করছে এক লেনে। এতে তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পরেছে রাজধানীতেও।

চেরাগআলীর যানজট বুধবার ১২টায় ছাড়িয়ে গেছে মহাখালী। এতে এয়ারপোর্ট, উত্তরা ও গাজীপুরগামী যাত্রীরা পড়েছেন চরম বিপাকে।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ঢাকা থেকে আব্দুল্লাহপুর হয়ে যানবাহন বের হতে পারছে না। খুবই ধীর গতি। কোথাও কোথাও দীর্ঘ সময় এক জায়গাতেই দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।

ঢাকা থেকে বের হওয়ার ক্ষেত্রে তীব্র যানজটে পড়লেও সেই তুলনায় ঢাকায় প্রবেশের যানজট কিছুটা কম।

ট্রাফিক উত্তরা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) বদরুল হাসান জানান, রাস্তার সংস্কার কাজের জন্য গাজীপুরের চেরাগ আলীতে ৩ লেনের জায়গায় ১ লেনের গাড়ী চলছে। এজন্য গাজীপুর থেকে রাজধানীর বনানী পেরিয়ে মহাখালী পর্যন্ত যানজট ছড়িয়েছে।

গুলশান জোনের সহকারী কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঢাকা থেকে আউটগোয়িং অনেকটা বন্ধ থাকায় এর প্রভাব ইনকামিংয়ের সড়কগুলোতেও পড়ছে।’

চেরাগ আলীর যানজট ঠেকেছে মহাখালী

রাজধানীর অন্যতম প্রধান সড়ক বিমানবন্দর সড়কে তীব্র যানজট থাকায় অন্যান্য সড়কেও ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে।

ট্রাফিক গুলশান জোনের সহকারী কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘চেরাগ আলীর যানজট মহাখালী পর্যন্ত ছড়িয়েছে। এয়ারপোর্ট বা উত্তরাগামী যানবাহনগুলো ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে আছে। যেকারণে অন্যান্য সড়কগুলোতেও ছড়িয়েছে। বিশেষ করে ইউলুপগুলোর কাছে সব গাড়ি আটকে আছে। কারণ একপাশে গাড়ি আগাচ্ছেই না। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
আরও এক বছর ডিএমপি কমিশনার শফিকুল
শফিকুল ডিএমপি কমিশনার থাকছেন আরও এক বছর
অবসরে যাচ্ছেন ডিএমপি কমিশনার
মাদকে আসক্ত হয়ে চাকরিচ্যুত ডিএমপির ৯০ জন

শেয়ার করুন