আফগানিস্তান নিয়ে ভারতের বৈঠকে যাবে না পাকিস্তান

আফগানিস্তান নিয়ে ভারতের বৈঠকে যাবে না পাকিস্তান

ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মইদ ইউসুফ।

ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালকে ইঙ্গিত করে ইউসুফ বলেন, ‘একজন মন্দ মানুষ শান্তি স্থাপনকারী হতে পারে না।’

১০-১১ নভেম্বর ভারতের আয়োজনে আফগানিস্তান বিষয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের (এনএসএ) বৈঠকে যোগ দেবে না পাকিস্তান। উজবেকিস্তানের এনএসএ-এর সঙ্গে দেখা করার পর পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মইদ ইউসুফ ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে বৈঠকে না যাওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান।

ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালকে ইঙ্গিত করে ইউসুফ বলেন, ‘একজন মন্দ মানুষ শান্তি স্থাপনকারী হতে পারে না।’

আফগানিস্তান সম্পর্কিত বিভিন্ন নিরাপত্তাজনিত বিষয়গুলো নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে আছে ভারত। সেই উদ্বেগ দূর করতেই ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এই অঞ্চল এবং বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে বৈঠকের উদ্যোগ নিয়েছেন৷

ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, দেশটির শীর্ষ নিরাপত্তা সংস্থা, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিবালয়, সম্মেলন আয়োজনে নেতৃত্ব দিচ্ছে। আফগানিস্তানের প্রতিবেশী পাকিস্তান, ইরান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান এবং রাশিয়া, চীন সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দেশকে এই সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মইদ ইউসুফ বলেন, ‘আমি মনে করি এই অঞ্চলের প্রতিবন্ধকতাগুলো কি- তা সবার জানা। এ নিয়ে বিতর্কের দরকার নেই।’

তিনি শান্তি প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেয়ার জন্য ভারত সরকারের আচরণ ও আদর্শ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তার মতে, ভারত বিষয়ে বিশ্ব তার চোখ বন্ধ করে রেখেছে এবং ভারতের সঙ্গে যেমন কথা বলা উচিত তেমন বলছে না।

তিনি বলেন, ‘যদি আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে ওই দেশ সংযোগের একটি করিডোর হিসেবে বিশ্বের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।’

এদিকে, দিল্লির জন্য আসন্ন নিরাপত্তা বিষয়ক বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আফগানিস্তানে নতুন তালেবান ব্যবস্থার বিষয়ে ভারতের নেতিবাচক মনোভব এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে।

আফগানিস্তানের মাটিকে সন্ত্রাসের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হতে না দেয়া, প্রশাসনে সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করা এবং সংখ্যালঘু, নারী ও শিশুদের অধিকার রক্ষার বিষয়গুলো এখনও অনিশ্চিত হয়ে রয়েছে।

ভারতের দাবি, এখনও তালেবানের পক্ষ থেকে ওই প্রশ্নগুলোর উৎসাহব্যঞ্জক জবাব পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
কাবুলে হামলাকারী ৪ আইএস সদস্য নিহত
তালেবান থেকে বাঁচতে আইএসের আশ্রয়ে সাবেক আফগান গোয়েন্দারা
কাবুলের সামরিক হাসপাতালে বিস্ফোরণ-গোলাগুলি, বহু হতাহত
নির্বাসনেও আফগান সংস্কৃতি তুলে ধরছে ‘জোহরা’
আফগানিস্তান সবুজায়নে সহযোগিতা চায় তালেবান

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এটি কিন্তু ব্লাউজ নয়

এটি কিন্তু ব্লাউজ নয়

ছবি: ইনস্টাগ্রাম।

ইনস্টাগ্রামের ওই পোস্টে মিশ্র প্রক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকে নতুন ফ্যাশনকে স্বাগত জানাচ্ছেন। আরও চমকের অপেক্ষায় থাকার কথা বলছেন কেউ; কেউ আবার বলছেন, সেলাইয়ের টাকা বাঁচানোর ফন্দি। অনেকে আবার বিষয়টিকে মাত্রাতিরিক্ত বলছেন।

মেহেদি কেবল হাতে পরার জন্য এ কথা কে বলেছে? ভারতের পাঞ্জাবে এক ডিজাইনার মেহেদির ব্যবহারকে নিয়ে গেছেন এমন এক পর্যায়ে, যা নিয়ে নেট দুনিয়ায় তোলপাড়।

মুম্বাইভিত্তিক ইংরেজি দৈনিক দ্য ফ্রি প্রেস জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ওই ডিজাইনার হয়তো বলিউডের জনপ্রিয় ‘মেহেদি লাগাকে রাখ না’ গানটিকে একটু বেশিই গুরুত্বসহকারে নিয়েছেন। যার কারণে ‘মেহেদি ব্লাউজ’ ডিজাইন করে চমক সৃষ্টি করেছেন ফ্যাশন দুনিয়ায়।

ইনস্টাগ্রামে সম্প্রতি পোস্ট হওয়া একটি ভিডিও এই আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এতে দেখা গেছে, সাদা শাড়ির সঙ্গে এক নারী চিরাচরিত ব্লাউজের পরিবর্তে পরেছেন মেহেদি দিয়ে আঁকা ব্লাউজ। মানে শরীরে ব্লাউজের আদলে এঁকেছেন মেহেদির নকশা। এক ঝলক দেখে বোঝার উপায় নেই এটি মেহেদি দিয়ে আঁকা নকশা।

ইনস্টাগ্রামের ওই পোস্টে মিশ্র প্রক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকে নতুন ফ্যাশনকে স্বাগত জানাচ্ছেন। আরও চমকের অপেক্ষায় থাকার কথা বলছেন কেউ; কেউ আবার বলছেন, সেলাইয়ের টাকা বাঁচানোর ফন্দি। অনেকে আবার বিষয়টিকে মাত্রাতিরিক্ত বলছেন।

ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, কয়েক বছর আগেও মেহেদি দিয়ে শুধু হাতে ও পায়ে নকশা করা হতো। তবে ভারতজুড়ে এই বিয়ের মৌসুমে অনেক কনেই এখন ব্লাউজ ছেড়ে মেহেদির নকশার দিকে ঝুঁকছেন।

আরও পড়ুন:
কাবুলে হামলাকারী ৪ আইএস সদস্য নিহত
তালেবান থেকে বাঁচতে আইএসের আশ্রয়ে সাবেক আফগান গোয়েন্দারা
কাবুলের সামরিক হাসপাতালে বিস্ফোরণ-গোলাগুলি, বহু হতাহত
নির্বাসনেও আফগান সংস্কৃতি তুলে ধরছে ‘জোহরা’
আফগানিস্তান সবুজায়নে সহযোগিতা চায় তালেবান

শেয়ার করুন

চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড মোকাবিলায় তৎপর ইইউ

চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড মোকাবিলায় তৎপর ইইউ

চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্প পশ্চিম বলকান ছাড়িয়ে মন্টিনিগ্রো পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। ছবি: এএফপি

বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভকে অনেক দেশই সন্দেহের চোখে দেখে। ‘চীনা ঋণের ফাঁদ’ কথাটি এখন বৈশ্বিকভাবে ব্যবহৃত। এশিয়া ও আফ্রিকায় উন্নয়নশীল দেশগুলোয় প্রধানত মহাসড়ক, রেলপথ, গভীর সমুদ্রবন্দরসহ নানা অবকাঠামোয় সহজ শর্তে যে বিপুল ঋণ দিয়ে থাকে বেইজিং, তাতে বেশির ভাগ দেশ প্রলুব্ধ হচ্ছে।

চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনেশিয়েটিভ প্রকল্পের বিপরীতে বিশ্বব্যাপী কয়েক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তথ্যপ্রযুক্তি, যোগাযোগ, পরিবেশ ও জ্বালানি খাত ঘিরে বিনিয়োগের এই পরিকল্পনা নিয়েছে ইইউ।

আফ্রিকাসহ বিশ্বের যে কোনো অঞ্চলে চীনের প্রভাব মোকাবিলায় একে পশ্চিমাদের নেয়া শক্তিশালী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রধান ভন ডার লেইন এ প্রচেষ্টাকে ‘গ্লোবাল গেটওয়ে’ শিরোনামে উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন। ইইউ ইতোমধ্যে খতিয়ে দেখছে এই প্রকল্পে বিলিয়ন বিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগ করে ঠিক কীভাবে তারা লাভবান হতে পারে।

স্টেট ইউনিয়নের ভাষণে গত সেপ্টেম্বরে ভন ডার লেইন জানিয়েছিলেন, টেকসই অবকাঠামো, পণ্য বিপণন ব্যবস্থাপনা ও সেবা খাতে সারা বিশ্বে বিনিয়োগ করতে চায় ইইউ।

ধারণা করা হচ্ছে, চীনের বৈশ্বিক নীতির সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে গ্লোবাল গেটওয়ে প্রকল্পটিকে এখনই সামনে আনতে চাচ্ছে না ইইউ। তবে জার্মান মার্শাল ফান্ডের সিনিয়র ট্রান্সআটলান্টিকের ফেলো এন্ড্রু স্মল মনে করছেন, চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনেশিয়েটিভ প্রকল্প থেকেই গ্লোবাল গেটওয়ের ধারণা এসেছে।

চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনেশিয়েটিভ শুধু বাণিজ্যিক প্রকল্প নয়, এটি চীনের পররাষ্ট্রনীতিরও অংশ। যার মাধ্যমে প্রভাবশালী দেশটি উন্নয়নশীল দেশে নতুন রাস্তা, বন্দর, রেলপথ ও সেতু নির্মাণে বিনিয়োগ ও ঋণ দিয়ে থাকে। পাকিস্তান, শ্রীলংকাসহ এশিয়ার অনেক দেশই এখন এই প্রকল্পের অংশ। এ ছাড়া আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়া ও জিবুতিতেও চীনের অনেক প্রকল্প আছে। ইইউর সবচেয়ে কাছের প্রতিবেশী পশ্চিম বলকানও তাদের কব্জায়।

সম্ভাবনার পাশাপাশি একই সঙ্গে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভকে অনেক দেশই সন্দেহের চোখে দেখে। ‘চীনা ঋণের ফাঁদ’ কথাটি এখন বৈশ্বিকভাবে ব্যবহৃত। এশিয়া ও আফ্রিকায় উন্নয়নশীল দেশগুলোয় প্রধানত মহাসড়ক, রেলপথ, গভীর সমুদ্রবন্দরসহ নানা অবকাঠামোয় সহজ শর্তে যে বিপুল ঋণ দিয়ে থাকে বেইজিং, তাতে বেশির ভাগ দেশ প্রলুব্ধ হচ্ছে।

এই ঋণের দায়ে সমুদ্রবন্দরও চীনকে ইজারা দিতে বাধ্য হয়েছে শ্রীলংকা। তাই উন্নয়নশীল দেশগুলোর চীনা ঋণে আগ্রহ থাকলেও, তাদের মধ্যে ভীতিও কাজ করে। আর এই ভীতিকেই হয়তো কাজে লাগাতে চাচ্ছে গ্লোবাল গেটওয়ে।

এন্ড্রু স্মল গ্লোবাল গেটওয়েকে দেখছেন চীনের নব্য অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক আধিপত্যের বিপরীতে প্রথম কোনো পশ্চিমা পদক্ষেপ হিসেবে। তিনি মনে করেন, এতে চীনের সঙ্গে নিশ্চিতভাবেই পশ্চিমাদের অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়বে।

আরও পড়ুন:
কাবুলে হামলাকারী ৪ আইএস সদস্য নিহত
তালেবান থেকে বাঁচতে আইএসের আশ্রয়ে সাবেক আফগান গোয়েন্দারা
কাবুলের সামরিক হাসপাতালে বিস্ফোরণ-গোলাগুলি, বহু হতাহত
নির্বাসনেও আফগান সংস্কৃতি তুলে ধরছে ‘জোহরা’
আফগানিস্তান সবুজায়নে সহযোগিতা চায় তালেবান

শেয়ার করুন

সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর তেল আবিব

সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর তেল আবিব

ইসরায়েলের তেল আবিব শহর। ছবি: এএফপি

ইআইইউ বলছে, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি ডলারের বিপরীতে ইসরায়েলের মুদ্রা শেকেলের মূল্য কমে যাওয়ায় শীর্ষে উঠে এসেছে তেল আবিব।

বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর ইসরায়েলের তেল আবিব। গত বছর এ তালিকায় শীর্ষে থাকা প্যারিস এবার যৌথভাবে সিঙ্গাপুর সিটির সঙ্গে দ্বিতীয় অবস্থানে। আর জীবনযাত্রায় সবচেয়ে কম ব্যয়ের শহর সিরিয়ার দামেস্ক।

লন্ডনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্ট ইউনিটের (ইআইইউ) বুধবার এ তালিকা প্রকাশ করে।

চলতি বছরের ডলারের ভিত্তিতে বিশ্বের ১৭৩ শহরে কমপক্ষে ৫০ হাজার পণ্য ও সেবার ব্যয় বিবেচনায় এ সূচক তৈরি করেছে ইআইইউ।

ইআইইউর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে তথ্য সংগ্রহ করে এ তালিকা করা হয়। এ সময়ে নৌপথে পরিবহন খরচের পাশাপাশি পণ্যের দামও বেড়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশে স্থানীয় মুদ্রার ক্ষেত্রে গড় দাম ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে। বলা হচ্ছে, গত পাঁচ বছরের মধ্যে বিশ্বে দ্রুততম মুদ্রাস্ফীতির রেকর্ড হয়েছে এবার।

পরিবহন খরচ বৃদ্ধি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি ডলারের বিপরীতে ইসরায়েলের মুদ্রা শেকেলের মূল্য কমে যাওয়ায় শীর্ষে উঠে এসেছে তেল আবিব।

তালিকায় প্রথম পাঁচে আছে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ ও চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হংকং। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক আছে ষষ্ঠ অবস্থানে।

প্রথম দশের মধ্যে আছে সুইজারল্যান্ডের আরেক শহর জেনেভা, ডেনমার্কের কোপেনহেগেন, যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস ও জাপানের ওসাকা।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ১৪, মেলবোর্ন ১৬ ও যুক্তরাজ্যের লন্ডন তালিকার ১৭ নম্বরে।

জীবনযাত্রায় সবচেয়ে কম ব্যয়বহুল শহর সিরিয়ার দামেস্কের আগের ঠিক ওপরে লিবিয়ার ত্রিপোলি ও উজবেকিস্তানের রাজধানী তাসখন্দ।

আরও পড়ুন:
কাবুলে হামলাকারী ৪ আইএস সদস্য নিহত
তালেবান থেকে বাঁচতে আইএসের আশ্রয়ে সাবেক আফগান গোয়েন্দারা
কাবুলের সামরিক হাসপাতালে বিস্ফোরণ-গোলাগুলি, বহু হতাহত
নির্বাসনেও আফগান সংস্কৃতি তুলে ধরছে ‘জোহরা’
আফগানিস্তান সবুজায়নে সহযোগিতা চায় তালেবান

শেয়ার করুন

ক্ষুব্ধ রূপা গাঙ্গুলী বেরিয়ে গেলেন বিজেপির বৈঠক থেকে

ক্ষুব্ধ রূপা গাঙ্গুলী বেরিয়ে গেলেন বিজেপির বৈঠক থেকে

রূপা গাঙ্গুলী । ফাইল ছবি

বিজেপির ভার্চুয়াল বৈঠকের সময় এমন ঘটনা ঘটে। বৈঠকের এক পর্যায়ে রূপা বলে ওঠেন, 'এ রকম বৈঠকে আমাকে আর ডাকবেন না।’ এরপর তিনি তার ভার্চুয়াল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় পৌর নির্বাচনে বিজেপির প্রকাশিত প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিরোধ চরমে উঠেছে। প্রার্থী তালিকা নিয়ে ক্ষোভ দেখিয়ে দলের সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের উপস্থিতিতে চলা নির্বাচনি বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন বিজেপি নেত্রী ও অভিনেত্রী রূপা গাঙ্গুলী।

মঙ্গলবার রাতে বিজেপির ভার্চুয়াল বৈঠকের সময় এমন ঘটনা ঘটে। বৈঠকের এক পর্যায়ে রূপা বলে ওঠেন, 'এ রকম বৈঠকে আমাকে আর ডাকবেন না।’ এরপর তিনি তার ভার্চুয়াল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

নির্বাচনি এই বৈঠকে দিল্লি থেকে অংশ নেন দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদার। এছাড়া অমিতাভ চক্রবর্তীসহ নির্বাচনি কমিটি অন্যান্য সদস্যরাও এতে উপস্থিত ছিলেন।

ক্ষোভের কারণ স্পষ্ট না হলেও রূপার একটি ফেসবুক পোস্ট নিয়ে গুঞ্জন চলছে। ওই পোস্টে রূপা জানান, বিজেপি নেত্রী তিস্তা বিশ্বাসের মৃত্যুর পেছনে অন্তর্ঘাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন তিনি এবং বিষয়টিকে ছোট করে দেখিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে না বিজেপি।

বিদায়ী কাউন্সিলর তিস্তা বিশ্বাসের ৮৬ নম্বর ওয়ার্ডে রাজর্ষী লাহিড়ীকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। অন্যদিকে তিস্তা বিশ্বাসের স্বামী গৌরব বিশ্বাস স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। বিজেপির একাংশ মনে করছে, তিস্তা বিশ্বাসের স্বামী গৌরব বিশ্বাসকে মনোনয়ন না দেয়ায় ক্ষুব্ধ রূপা গাঙ্গুলী।

কিছুদিন আগে দীঘা থেকে ফেরার সময় গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় পুর প্রতিনিধি ও দক্ষিণ কলকাতার লড়াকু বিজেপি নেত্রী তিস্তা বিশ্বাসের। আগেই রূপা তিস্তার মৃত্যুতে অন্তর্ঘাতের অভিযোগ তুলেছিলেন। যা নিয়ে দলের সঙ্গে তার দূরত্ব বাড়ে।

৮৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী বিজেপি কাউন্সিলর তিস্তার স্বামী গৌরবকে প্রার্থী করার কথা থাকলেও তাকে প্রার্থী না করায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন।

ক্ষুব্ধ গৌরব বলেন, 'কাকে সুবিধা করে দিতে আমাকে ওই ওয়ার্ডের প্রার্থী করা হল না। ১৫ বছর ধরে দলটা করে আসছি।'

বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য এ প্রসঙ্গে বলেন, 'গৌরবের পারিবারিক জীবনে বিপর্যয় ঘটেছে। দলের সবাই ওর সমব্যথী। সমস্যা মিটে যাবে। কোন কিছু নিয়ে বিরোধ থাকলে তা জানানোর নির্দিষ্ট ফোরামও আছে।'

৮৬ নম্বর ওয়ার্ড ছাড়া ৮৭ এবং ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে বিজেপির ভেতরে। প্রার্থী হতে না পেরে অনেকেই ক্ষুব্ধ। দলের রাজ্য দপ্তরে গিয়ে বিক্ষোভও দেখিছেন কেউ কেউ।

আরও পড়ুন:
কাবুলে হামলাকারী ৪ আইএস সদস্য নিহত
তালেবান থেকে বাঁচতে আইএসের আশ্রয়ে সাবেক আফগান গোয়েন্দারা
কাবুলের সামরিক হাসপাতালে বিস্ফোরণ-গোলাগুলি, বহু হতাহত
নির্বাসনেও আফগান সংস্কৃতি তুলে ধরছে ‘জোহরা’
আফগানিস্তান সবুজায়নে সহযোগিতা চায় তালেবান

শেয়ার করুন

এবার সু চির বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা

এবার সু চির বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা

মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চি। ফাইল ছবি/এএফপি

একটি নতুন হেলিকপ্টার কেনা ও তা ভাড়া নিয়ে এই অভিযোগ আনা হয়েছে। এটি দুর্নীতিবিরোধী আইনের অধীনে পড়ে এবং তা ভঙ্গ করায় ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চির বিরুদ্ধে এবার দুর্নীতির নতুন একটি মামলা করেছে জান্তা সরকার।

মামলায় তার সঙ্গে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট উইন মিন্তকেও আসামি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এমআরটিভি।

সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি নতুন হেলিকপ্টার কেনা ও তা ভাড়া নিয়ে এই অভিযোগ আনা হয়েছে। এটি দুর্নীতিবিরোধী আইনের অধীনে পড়ে এবং তা ভঙ্গ করায় ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

৭৬ বছর বয়সী সু চির বিরুদ্ধে ডজনের বেশি মামলা হয়েছে। এসব মামলার মধ্যে রয়েছে কোভিড-১৯ প্রোটোকল ভাঙার মামলাও।

একটি মামলায় মঙ্গলবার রায় ঘোষণার কথা থাকলেও তা হয়নি। তার বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোতে দোষী সাব্যস্ত হলে কারাগারেই বাকি জীবন কাটিয়ে দিতে হতে পারে এই নেত্রীকে।

নতুন করে অভিযোগ আনা দুর্নীতির মামলা সম্পর্কে জান্তা সরকারের কেউ কোনো মন্তব্য করেননি।

সংবাদমাধ্যম সিএনএন সু চির আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তিনি কিছু বলতে চাননি।

চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশটির সেনাবাহিনী; আটক করে শান্তিতে নোবেলজয়ী সু চি, প্রেসিডেন্ট উইন মিন্তসহ অনেককে।

এরপর থেকেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে নজিরবিহীন বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে মিয়ানমার। বিক্ষোভ দমনে কঠোর হয় সেনাবাহিনী।

এ পর্যন্ত ১২ শর বেশি মানুষকে হত্যা ও ১০ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় পর্যবেক্ষক সংস্থা অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্স।

বিশ্লেষকদের মতে, মিয়ানমারে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব সু চি। তাই দেশটিতে সামরিক শাসন অব্যাহত রাখতে সু চিকে সারা জীবনের জন্য রাজনীতি থেকে উৎখাত করতে চায় সেনাবাহিনী। ফলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই এসব মামলা।

আরও পড়ুন:
কাবুলে হামলাকারী ৪ আইএস সদস্য নিহত
তালেবান থেকে বাঁচতে আইএসের আশ্রয়ে সাবেক আফগান গোয়েন্দারা
কাবুলের সামরিক হাসপাতালে বিস্ফোরণ-গোলাগুলি, বহু হতাহত
নির্বাসনেও আফগান সংস্কৃতি তুলে ধরছে ‘জোহরা’
আফগানিস্তান সবুজায়নে সহযোগিতা চায় তালেবান

শেয়ার করুন

পশ্চিমবঙ্গে বাসে ছাত্রদের ছাড় ছিল, এখন নেই

পশ্চিমবঙ্গে বাসে ছাত্রদের ছাড় ছিল, এখন নেই

পশ্চিমবঙ্গে বাস ভাড়ার ক্ষেত্রে ছাত্র বলে আর কিছু নেই। সবাই সাধারণ যাত্রী। ছবি: সংগৃহীত

করোনায় রাজ্যজুড়ে লকডাউনের আগে পর্যন্ত কোথাও ৫০ শতাংশ, কোথাও ৪০ শতাংশ ভাড়া দিতে হতো ছাত্রছাত্রীদের। করোনা সংকটকালে বাস পরিষেবা বন্ধ থাকায় বাস মালিকরা ক্ষতির মুখে পড়েন। এরপর রাজ্যের কোথাও আর তেমনভাবে তা বিবেচনা করা হচ্ছে না। বাস ভাড়ার ক্ষেত্রে ছাত্র বলে আর কিছু নেই। সবাই সাধারণ যাত্রী।

সরকারি বা বেসরকারি বাসের ভাড়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য কোনো ছাড়ের নির্দেশনা নেই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পরিবহন দপ্তরের তরফে। তবে অলিখিতভাবে কলকাতাসহ বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন রকম ছাড় পাওয়া যায়।

করোনায় রাজ্যজুড়ে লকডাউনের আগে পর্যন্ত কোথাও ৫০ শতাংশ, কোথাও ৪০ শতাংশ, কোথাও বা এক-তৃতীয়াংশ ভাড়া দিতে হতো ছাত্রছাত্রীদের। এ জন্য স্কুল-কলেজের সুপারিশপত্রসহ নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে আবেদন করতে হতো। তার ভিত্তিতে বেসরকারি বাস মালিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ছাত্রছাত্রীদের জন্য নির্দিষ্ট রুটে নির্দিষ্ট দূরত্বের জন্য ছাড়ের অনুমতি দেয়া হতো।

করোনা সংকটকালে বাস পরিষেবা বন্ধ থাকায় বাস মালিকরা ক্ষতির মুখে পড়েন। তার ওপর জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে বাস মালিক সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে বাস ভাড়া বৃদ্ধির জোরালো দাবি জানানো হয়।

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে পরিবহনমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে বাস ভাড়া বৃদ্ধি করা হবে না । তবে বাস মালিকদের অন্যভাবে আমরা পুষিয়ে দেব।’

এই পরিস্থিতিতে বাস মালিক সংগঠনগুলি বিভিন্ন রুটে বিভিন্ন স্ল্যাবে নিজেদের মতো ৫ টাকা ১০ টাকা ভাড়া বাড়িয়ে নিয়েছেন। যাত্রীরাও গন্তব্যে পৌঁছানোর তাগিদে ৫ টাকা ১০ টাকা বেশি দিচ্ছেন। প্রতিবাদ হচ্ছে, কোথাও বা ঝগড়া বিবাদ হচ্ছে।

ফলে বেসরকারি বাস মালিক সংগঠনগুলি ছাত্রদের ভাড়ায় আগে যে ছাড় দিত, এ সময় রাজ্যের কোথাও আর তেমনভাবে তা বিবেচনা করা হচ্ছে না। বাস ভাড়ার ক্ষেত্রে ছাত্র বলে আর কিছু নেই। সবাই সাধারণ যাত্রী।

পশ্চিমবঙ্গে বাসে ছাত্রদের ছাড় ছিল, এখন নেই

সরকারি বাস ভাড়ায় ছাত্রদের কোনো ছাড় আছে কি না, সেটা পশ্চিমবঙ্গ পরিবহন দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে জিজ্ঞেস করায় ওই কর্মকর্তা একটুক্ষণ চুপ করে থেকে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘না’। অন্য কোনো প্রশ্ন করার আগেই ফোন রেখে দেন।

নদীয়ার হরিণঘাটা মহাবিদ্যালয়ের ছাত্রী স্নেহা বেলা এবং রাজদীপ মালাকার জানান, কলেজ আসা-যাওয়ার জন্য তারা এখন বাস ভাড়ায় কোনো ছাড় পান না। পুরো ভাড়া দিতে হয়।

কলকাতার এসবি/৩ রুটের কন্ডাক্টর আফতাব হোসেন বলেন, ‘বাস ভাড়ায় ছাত্রদের কোনো ছাড় নেই।’

মেটিয়াবুরুজ-রাজাবাজার পথে ১২/১ রুটের বাস কন্ডাক্টর বলেন, ‘ছাত্র বললে ১০ টাকায় দু টাকা ছেড়ে দেই।’

নদিয়া ও উত্তর ২৪ পরগনার জাগুলি কচরাপাড়া রুটের ২৭ নম্বর বেসরকারি বাসের অপারেটর কেষ্ট দাস জানান, আগে ছাত্রছাত্রীদের ৫০ শতাংশ ছাড় দেয়া হতো। এখন পুরোপুরি বন্ধ।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর-মজিলপুর বেসরকারি বাস ইউনিয়নের সম্পাদক আখতার শেখ জানান, ‘আগে আবেদন করলে ছাত্র ছাত্রীদের ৪০ শতাংশ ছাড় দেয়া হতো। এখন কোনো ছাড় নেই।’

শিয়ালদা ২৮ নম্বর রুটের বাস মালিক সংগঠনের পক্ষে সুশান্ত চক্রবর্তী বলেন, ‘ছাত্রদের জন্য বাস ভাড়ায় কোনো ছাড় নেই । তবে কেউ বললে, আমরা বিবেচনা করি।’

বরিশা-কদমতলা রুটের বেসরকারি বাস মালিক সংগঠনের পক্ষে অমল সাহা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পেট্রোপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি, করোনা সংকটের বিধিনিষেধ এবং দীর্ঘকাল বাস না চালানোর ফলে বাস মালিকরা অর্থ সংকটে আছেন। এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের থেকে দু-চার টাকা বেশি ভাড়া নিয়ে পরিষেবা চালু রাখা হয়েছে। বিরোধ নয়, যাত্রীরা ভালোবেসে বেশি ভাড়া দিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে আলাদা করে ছাত্রছাত্রীদের জন্য কোনো ছাড়ের ব্যবস্থা নেই।’

ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত এসইউসিআই কর্মী প্রভাশিষ দাস বলেন, ‘এখন ভাড়ায় কোথাও কোনো ছাড় নেই। বরঞ্চ অনেক বেশি টাকা দিয়েই ছাত্রদের স্কুল-কলেজে যাওয়া আসা করতে হয়। এটা রাজ্যের সব জেলার চিত্র বলা যায়। সরকার সঠিকভাবে ভাড়া কাঠামো না করে ছেড়ে রেখে দিয়েছে। ফলে মালিকরা ইচ্ছে মতো ভাড়া নিচ্ছে। আমরা এর বিরুদ্ধে বড় ধরনের ছাত্র আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
কাবুলে হামলাকারী ৪ আইএস সদস্য নিহত
তালেবান থেকে বাঁচতে আইএসের আশ্রয়ে সাবেক আফগান গোয়েন্দারা
কাবুলের সামরিক হাসপাতালে বিস্ফোরণ-গোলাগুলি, বহু হতাহত
নির্বাসনেও আফগান সংস্কৃতি তুলে ধরছে ‘জোহরা’
আফগানিস্তান সবুজায়নে সহযোগিতা চায় তালেবান

শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে ছাত্রের গুলিতে নিহত ৩

যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে ছাত্রের গুলিতে নিহত ৩

স্কুল শিক্ষার্থীর স্বজনদের আহাজারি। ছবি: এএফপি

পুলিশের ধারণা, ওই স্কুলের ১৫ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী একটি সেমি-অটোমেটিক হ্যান্ডগান দিয়ে ১৫ থেকে ২০টি গুলি ছুড়েছে। একাই এ ঘটনা ঘটিয়েছে ওই শিক্ষার্থী। তবে কী উদ্দেশ্যে এ হামলা চালিয়েছে তা এখনও জানা যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে একটি হাইস্কুলে এলোপাতাড়ি গুলিতে তিন শিক্ষার্থীর প্রাণ গেছে। আহত হয়েছেন এক শিক্ষকসহ আটজন। ওই স্কুলেরই এক ছাত্র এ হামলা চালিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুরের পর মিশিগানের ডেট্রয়েট থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরের অক্সফোর্ড শহরে এ ঘটনা ঘটে।

কর্তৃপক্ষের বরাতে বিবিসি লিখেছে, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ১৬ বছর বয়সী একজন কিশোর এবং ১৪ ও ১৭ বছর বয়সী দুই কিশোরী।

পুলিশের ধারণা, ওই স্কুলের ১৫ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী একটি সেমি-অটোমেটিক হ্যান্ডগান দিয়ে ১৫ থেকে ২০টি গুলি ছুড়েছে। একাই এ ঘটনা ঘটিয়েছে ওই শিক্ষার্থী। তবে কী উদ্দেশ্যে এ হামলা চালিয়েছে তা এখনও জানা যায়নি।

ওকল্যান্ড কাউন্টির নিরাপত্তা বাহিনীর মুখপাত্র মাইক ম্যাকক্যাবে সাংবাদিকদের জানান, দুপুর ১২টা ৫১ মিনিটে ইমারজেন্সি সার্ভিসে একের পর এক ফোন আসতে থাকে। কয়েক মিনিটের মধ্যে ১০০ থেকে ৯১১টি ফোন আসে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, পুলিশ ডাকার পাঁচ মিনিট পরই আত্মসমর্পণ করে সন্দেহভাজন হামলাকারী। তিনি স্কুলের দ্বিতীয় বর্ষের ছেলে শিক্ষার্থী।

ম্যাককাবে বলেন, কোনো সমস্যা ছাড়াই হামলাকারী আত্মসমর্পণ করে। ধারণা করা হচ্ছে গুলি শুরু করার আগে তিনি ক্লাসে উপস্থিত ছিলেন।

একজন পুলিশ অফিসার বলেন, ওই হামলাকারীকে আটক করতে কোনো সমস্যা হয়নি। নতুন করে কোনো গুলির ঘটনা ঘটেনি। হামলাকারীরও কিছু হয়নি।

ঘটনার পর পরই স্কুলটি খালি করে দেয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ স্কুলের আনাচে-কানাচে তিনবার তন্ন তন্ন করে খুঁজে দেখেছে, আরও কেউ আহত বা নিহত হয়ে পড়ে রয়েছে কি না।

গুলিতে আহতদের মধ্যে দুজনের অস্ত্রপচার হয়েছে। বাকি ছয়জনের অবস্থা স্থিতিশীল।

সংবাদ সম্মেলনে কাউন্টির নিরাপত্তাবাহিনীর মুখপাত্র ম্যাকক্যাবে জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন হামলাকারী এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো কথা বলছে না। জিজ্ঞাসাবাদে সহযোগিতা করছে না।

তিনি জানান, ধারণা করা হচ্ছে, ওই শিক্ষার্থীকে হয়তো তার মা-বাবা বলেছে, পুলিশকে কিছু না বলতে। ইতোমধ্যে ওই শিক্ষার্থীর বাড়িতেও অভিযান চালানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
কাবুলে হামলাকারী ৪ আইএস সদস্য নিহত
তালেবান থেকে বাঁচতে আইএসের আশ্রয়ে সাবেক আফগান গোয়েন্দারা
কাবুলের সামরিক হাসপাতালে বিস্ফোরণ-গোলাগুলি, বহু হতাহত
নির্বাসনেও আফগান সংস্কৃতি তুলে ধরছে ‘জোহরা’
আফগানিস্তান সবুজায়নে সহযোগিতা চায় তালেবান

শেয়ার করুন