একসঙ্গে জন্ম নেয়া ৫ শিশুর দুটির মৃত্যু

একসঙ্গে জন্ম নেয়া ৫ শিশুর দুটির মৃত্যু

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে মঙ্গলবার সকালে একসঙ্গে জন্ম নেয়া ৫ শিশুর মধ্যে এক মেয়ে শিশু মারা গেছে। ছবি: নিউজবাংলা

চিকিৎসক নাজিম বলেন, ‘বাচ্চাগুলো কম ওজনের। এ কারণে তাদের সার্ভাইভ করা কঠিন। তাদের রাখার জন্য কুষ্টিয়া হাসপাতলে সে রকমের আইসিইউ সাপোর্ট নেই। এ জন্য উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকা নিয়ে যাওয়া দরকার।’

কুষ্টিয়ার হাসপাতালে একসঙ্গে জন্ম নেয়া পাঁচ শিশুর মধ্যে মারা গেছে এক মেয়েশিশু। অন্য তিন শিশুর অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে বাচ্চাটির মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আশরাফুল আলম।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে ওই পাঁচ শিশুর মধ্যে ছেলেশিশুটি মারা যায়।

হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘বাচ্চাগুলো কম ওজনের। এ কারণে তাদের সার্ভাইভ করা কঠিন। তাদের রাখার জন্য হাসপাতলে সে রকমের আইসিইউ সাপোর্ট নেই। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকা নিয়ে যাওয়া দরকার। বাচ্চাটির বাবা আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ায় তারা এখানে রেখেই চিকিৎসা দিতে চাচ্ছেন। কিন্তু এত কম ওজনের বাচ্চাকে আইসিইউ সাপোর্ট ছাড়া বাঁচিয়ে রাখা কঠিন হবে।’

জীবিত শিশুদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘শিশুগুলোকে এখনো স্ক্যানো ওয়ার্ডে আলোর তাপে রাখা হয়েছে। তাদের অক্সিজেন দেয়া আছে ও নিবিড় পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।’

এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে জন্মে নেয় পাঁচ শিশু।

চিকিৎসকরা জানান, অস্ত্রোপচার ছাড়া গর্ভধারণের পাঁচ মাসের মাথায় জন্ম হওয়ায় শিশুদের ওজন কম হয়েছে। মা সুস্থ আছেন।

ডাক্তার নাজিম এই বাচ্চাগুলোকে ঢাকায় নিয়ে উন্নত চিকিৎসায় সহযোগিতা করার জন্য সামর্থ্যবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

একই আহ্বান জানিয়েছেন শিশুটির বাবা সোহেল রানা। তিনি বলেন, ‘আমার সামান্য চায়ের দোকান আছে, শ্রমিকের কাজ করি। আল্লাহ একসঙ্গে পাঁচটি বাচ্চা দিয়েছে, তাদের বাঁচিয়ে রাখতে ঢাকা নিয়ে যাওয়ার মতো টাকা আমার নেই।’

আরও পড়ুন:
একসঙ্গে জন্ম নেয়া ৫ শিশুর মধ্যে বাঁচল না ছেলেটি
অস্ত্রোপচার ছাড়াই ৫ সন্তানের জন্ম
ট্রেনে সন্তান প্রসবে এগিয়ে আসা সেই চিকিৎসক
একসঙ্গে জন্ম নিল তিন ভাই-বোন
সড়ক-নদী পেরিয়ে হাসপাতালের গে‌টে সন্তান প্রসব

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ছাত্রীকে ‘ধর্ষণচেষ্টা’, মাদ্রাসাশিক্ষক কারাগারে

ছাত্রীকে ‘ধর্ষণচেষ্টা’, মাদ্রাসাশিক্ষক কারাগারে

বাদী বলেন, ‘মেয়ে আমার স্ত্রীকে জানায়, মাদ্রাসায় যাওয়ার ২০ মিনিট পর পাঁচতলার একটি কক্ষে নিয়ে রাকিবুল ধর্ষণের চেষ্টা করে। সে পালিয়ে বের হয়। ঘটনা শুনেই আমি ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশকে জানাই।’

নারায়ণগঞ্জ বন্দরে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

তাকে বুধবার বিকালে নারায়ণগঞ্জের জ্যেষ্ট বিচারিক হাকিম আদালতে তোলা হলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক বিচারক নুর নাহার ইয়াসমিন।

আদালত পুলিশের পরির্দশক মো. আসাদুজ্জামান নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শিশুটিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে তার বাবা মাদ্রাসাশিক্ষক রাকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

বাদী বলেন, ‘আমার মেয়ে বন্দরের ওই মাদ্রাসায় চতুর্থ শ্রেণিতে লেখাপড়া করে। মঙ্গলবার সকালে আমি মেয়েকে মাদ্রাসায় নামিয়ে দিয়ে কাজে যাই। আমার প্রতিবেশীর মেয়েও ওই মাদ্রাসায় পড়ে।

‘বেলা ১১ টার দিকে আমার প্রতিবেশী তার মেয়েকে আনতে গেলে দেখেন আমার মেয়ে কান্নাকাটি করছে। তাকে বাড়ি নিয়ে আসলে মেয়ে আমার স্ত্রীকে জানায়, মাদ্রাসায় যাওয়ার ২০ মিনিট পর পাঁচতলার একটি কক্ষে নিয়ে রাকিবুল ধর্ষণের চেষ্টা করে। সে পালিয়ে বের হয়। ঘটনা শুনেই আমি ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশকে জানাই।’

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিপক চন্দ্র সাহা জানান, গত রাতে ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করে ওই ব্যক্তি ঘটনাটি জানান। পুলিশ গিয়ে ওই মাদ্রাসা থেকে রাকিবুলকে আটক করে। পরে তার নামে মামলা হয়।

আরও পড়ুন:
একসঙ্গে জন্ম নেয়া ৫ শিশুর মধ্যে বাঁচল না ছেলেটি
অস্ত্রোপচার ছাড়াই ৫ সন্তানের জন্ম
ট্রেনে সন্তান প্রসবে এগিয়ে আসা সেই চিকিৎসক
একসঙ্গে জন্ম নিল তিন ভাই-বোন
সড়ক-নদী পেরিয়ে হাসপাতালের গে‌টে সন্তান প্রসব

শেয়ার করুন

এবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের গাড়ির ধাক্কায় পথচারী আহত

এবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের গাড়ির ধাক্কায় পথচারী আহত

পাঁচলাইশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাদেকুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, সুজন নামের ওই পথচারী দুই পায়ে ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত পেয়েছেন। আহতাবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় দুজনের প্রাণহানির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের গাড়ির ধাক্কায় এক পথচারী আহত হয়েছেন।

নগরীর দেওয়ানহাট সেতুর নিচে বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতের নাম মো. সুজন, তবে তার বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি। তার আনুমানিক বয়স ৬০ বছর।

পাঁচলাইশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাদেকুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, সুজন নামের ওই পথচারী দুই পায়ে ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত পেয়েছেন। আহতাবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

সিটি করপোরেশনের গাড়িটি সড়ক বাতি সংস্কারের কাজে নিয়োজিত ছিল বলেও জানান তিনি।

নিরাপদ সড়ক আন্দোলন নিয়ে এমনিতেই এখন উত্তাল দেশ। ঘটনার শুরু গত ২৪ নভেম্বর রাজধানীর গুলিস্তানে হল মার্কেটের কাছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় নটর ডেম কলেজের নাঈম হাসান নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে।

সেই ঘটনার বিচার দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই ২৫ নভেম্বর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ির চাপায় প্রাণ যায় আহসান কবির খান নামে আরেক ব্যক্তির।

এরপর নিরাপদ সড়কের দাবিতে সড়কে নামে শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন সংগঠন। এর মধ্যেই আজ দেশের দ্বিতীয় প্রধান নগরীতে সরকারি প্রতিষ্ঠানের গাড়ির ধাক্কায় আহত হলেন একজন।

আরও পড়ুন:
একসঙ্গে জন্ম নেয়া ৫ শিশুর মধ্যে বাঁচল না ছেলেটি
অস্ত্রোপচার ছাড়াই ৫ সন্তানের জন্ম
ট্রেনে সন্তান প্রসবে এগিয়ে আসা সেই চিকিৎসক
একসঙ্গে জন্ম নিল তিন ভাই-বোন
সড়ক-নদী পেরিয়ে হাসপাতালের গে‌টে সন্তান প্রসব

শেয়ার করুন

বহুতল ভবন থেকে পড়ে প্রাণ গেল শ্রমিকের

বহুতল ভবন থেকে পড়ে প্রাণ গেল শ্রমিকের

চট্টগ্রামে বহুতল ভবন থেকে পড়ে নিহত রিয়াদ হোসাইন রনি। ছবি: নিউজবাংলা

রনির বড় ভাই কাইছার হোসেন নিউজবাংলাকে জানান, বেলা ১১টার দিকে চুনতি এলাকায় পাঁচতলা একটি ভবনে রঙের কাজ করার সময় নিচে পড়ে আহত হন রনি। তাকে উদ্ধার করে পরে আমিরাবাদের একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বহুতল ভবন থেকে পড়ে রিয়াদ হোসাইন রনি নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার চুনতি এলাকায় বুধবার বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ২২ বছরের রনির বাড়ি একই উপজেলার আমিরাবাদ এলাকায়।

রনির বড় ভাই কাইছার হোসেন নিউজবাংলাকে জানান, বেলা ১১টার দিকে চুনতি এলাকায় পাঁচতলা একটি ভবনে রঙের কাজ করার সময় নিচে পড়ে আহত হন রনি। তাকে উদ্ধার করে পরে আমিরাবাদের একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত রনির বন্ধু আব্দুর রহিম বলেন, ‘পারিবারিক অভাব-অনটনের কারণে পড়াশোনা বন্ধ করে রনি রঙের কাজ করত। চলতি মাসে তার দুবাই চলে যাওয়ার কথা ছিল। সব কিছু সম্পন্ন হয়েছে, শুধু ফ্লাইটের তারিখ ফিক্সড হয়নি। এর মধ্যেই এই দুর্ঘটনা ঘটে গেল।’

লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন নিউজবাংলাকে জানান, তারা এমন কোনো তথ্য পাননি। নিহতের পরিবার থেকেও তাদের কিছু জানানো হয়নি।

আরও পড়ুন:
একসঙ্গে জন্ম নেয়া ৫ শিশুর মধ্যে বাঁচল না ছেলেটি
অস্ত্রোপচার ছাড়াই ৫ সন্তানের জন্ম
ট্রেনে সন্তান প্রসবে এগিয়ে আসা সেই চিকিৎসক
একসঙ্গে জন্ম নিল তিন ভাই-বোন
সড়ক-নদী পেরিয়ে হাসপাতালের গে‌টে সন্তান প্রসব

শেয়ার করুন

বাঁশখালীতে ফের মৃত হাতি

বাঁশখালীতে ফের মৃত হাতি

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে আবারও মিলল মৃত হাতি। ছবি: নিউজবাংলা

চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘একদল লোক ওই হাতিকে মাটিচাপা দিচ্ছিল। সেই খবর পেয়ে বনবিভাগের লোকজন সেখানে যায়। মাটি খুঁড়ে হাতির মৃতদেহটি তোলা হয়। তবে কাউকে সেখানে পাওয়া যায়নি।’ 

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর পাহাড়ি এলাকা থেকে আবারও একটি মৃত বন্যহাতি উদ্ধার করেছে বনবিভাগ।

বাঁশখালীর সাধনপুর ইউনিয়নের লটমনি এলাকা থেকে মঙ্গলবার দুপুরে হাতির মৃতদেহটি পাওয়া গেলে বুধবার বিকালে তা সংবাদমাধ্যমকে জানান বনবিভাগ কর্মকর্তারা।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘একদল লোক ওই হাতিকে মাটিচাপা দিচ্ছিল। সেই খবর পেয়ে বনবিভাগের লোকজন সেখানে যায়। মাটি খুঁড়ে হাতির মৃতদেহটি তোলা হয়। তবে কাউকে সেখানে পাওয়া যায়নি।

‘হাতিটির শরীরের আঘাতে চিহ্ন নেই। প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, বৈদ্যুতিক ফাঁদ ব্যবহার করে মেরে ফেলা হয়েছে। এরপর বিষয়টি গোপন করার জন্য মাটিতে পুতে ফেলা হচ্ছিল।’

হাতিটি মাঝবয়সী বলে জানান এই কর্মকর্তা।

তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের জন্য আলামত রেখে মৃতদেহটি মাটিচাপা দেয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক থেকে চিকিৎসক আনা হয়েছে।

বন কর্মকর্তা বলেন, ‘সাধনপুর বিট কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন এই ঘটনায় বাঁশখালী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ময়নাতদন্ত রিপোর্টের পর আমরা পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেব।’

এই নভেম্বরেই শেরপুর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে গুলিতে ও বিদ্যুতায়িত হয়ে ৮টি হাতি মারা গেছে।

আরও পড়ুন:
একসঙ্গে জন্ম নেয়া ৫ শিশুর মধ্যে বাঁচল না ছেলেটি
অস্ত্রোপচার ছাড়াই ৫ সন্তানের জন্ম
ট্রেনে সন্তান প্রসবে এগিয়ে আসা সেই চিকিৎসক
একসঙ্গে জন্ম নিল তিন ভাই-বোন
সড়ক-নদী পেরিয়ে হাসপাতালের গে‌টে সন্তান প্রসব

শেয়ার করুন

জাবিতে ভর্তি হতে ৪ লাখ টাকায় ‘চুক্তি’, সাক্ষাৎকারের সময় ধরা

জাবিতে ভর্তি হতে ৪ লাখ টাকায় ‘চুক্তি’, সাক্ষাৎকারের সময় ধরা

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহীন জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়ে কামালকে আটক করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার জালিয়াতি করে ভর্তি হতে আসা এক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদে সাক্ষাৎকার দিতে আসা ওই শিক্ষার্থীকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

আটক শিক্ষার্থীর নাম মোস্তফা কামাল উৎস। তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার উত্তর তারুটিয়া গ্রামে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহীন জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়ে কামালকে আটক করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

জিজ্ঞাসাবাদে কামাল জানিয়েছেন, তার দুই বন্ধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ডি’ ইউনিটে জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মাধ্যমে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ ব্যাচের শিক্ষার্থী শামীম নামে দুজনের খোঁজ পান।

তিনি আরও জানান, দুই বন্ধুর মাধ্যমে পরে মেহেদী ও শামীমের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। তাদের সঙ্গে ৪ লাখ টাকার বিনিময়ে জাবিতে চান্স পাইয়ে দেয়ার চুক্তি হয় তার। পরে তার প্রবেশপত্র নিয়ে আরেকজন জাবির গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন। পরীক্ষায় তার মেধাক্রম আসে ৩০০। পরে চুক্তি অনুযায়ী পুরো টাকা শোধ করেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আশুলিয়া থানায় মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পরে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। এ ছাড়া জালিয়াতি চক্রের বাকি সদস্যদের আটক করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
একসঙ্গে জন্ম নেয়া ৫ শিশুর মধ্যে বাঁচল না ছেলেটি
অস্ত্রোপচার ছাড়াই ৫ সন্তানের জন্ম
ট্রেনে সন্তান প্রসবে এগিয়ে আসা সেই চিকিৎসক
একসঙ্গে জন্ম নিল তিন ভাই-বোন
সড়ক-নদী পেরিয়ে হাসপাতালের গে‌টে সন্তান প্রসব

শেয়ার করুন

স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণে যাবজ্জীবন

স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণে যাবজ্জীবন

ঝিনাইগাতীর পাইকুড়া গ্রামের ওই স্কুলছাত্রীকে ২০১৫ সালের ২০ মে সন্ধ্যায় রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যায় আসামিরা। বিভিন্ন স্থানে নিয়ে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করে শফিকুল। ওই কিশোরীর বাবা পাঁচ দিন পর থানায় মামলা করেন। প্রায় দুই মাস পর কিশোরীকে উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে এক আসামিকে যাবজ্জীবন এবং এ কাজে সহযোগিতা করায় আরেক আসামিকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান মঙ্গলবার বিকেলে এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া বুলু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

যাবজ্জীবন দণ্ড পাওয়া আসামি হলেন ঝিনাইগাতীর কালিনগর গ্রামের শফিকুল ইসলাম। তাকে সহযোগিতা করায় ১৪ বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন হাসলিগাঁও গ্রামের ছানা মিয়া।

ঝিনাইগাতীর পাইকুড়া গ্রামের ওই স্কুলছাত্রীকে ২০১৫ সালের ২০ মে সন্ধ্যায় রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যায় আসামিরা। বিভিন্ন স্থানে নিয়ে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করে শফিকুল।

ওই কিশোরীর বাবা পাঁচ দিন পর থানায় মামলা করেন। প্রায় দুই মাস পর কিশোরীকে উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া বুলু নিউজবাংলাকে জানান, ১১ জনের সাক্ষ্য নিয়ে বিচারক এই রায় দিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
একসঙ্গে জন্ম নেয়া ৫ শিশুর মধ্যে বাঁচল না ছেলেটি
অস্ত্রোপচার ছাড়াই ৫ সন্তানের জন্ম
ট্রেনে সন্তান প্রসবে এগিয়ে আসা সেই চিকিৎসক
একসঙ্গে জন্ম নিল তিন ভাই-বোন
সড়ক-নদী পেরিয়ে হাসপাতালের গে‌টে সন্তান প্রসব

শেয়ার করুন

খালেদাকে লন্ডনে নিয়ে অপরাজনীতির প্ল্যাটফর্ম খোলা হবে: মেয়র লিটন

খালেদাকে লন্ডনে নিয়ে অপরাজনীতির 
প্ল্যাটফর্ম খোলা হবে: মেয়র লিটন

টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতাশেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন। ছবি: নিউজবাংলা

মেয়র লিটন বলেন, ‘খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ সন্তান তারেক জিয়া অজস্র অপকর্মের নায়ক। হত্যা, খুনসহ বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তিনি এখন লন্ডনে আছেন। তিনি তার মাকে লন্ডনে নিয়ে গিয়ে আরেকটি অপরাজনীতির প্লাটফর্ম যে খুলবেন না সেটা বলা যায় না। তাকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা পানি ঘোলা করার একটি অপচেষ্টা।’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে তাকে লন্ডনে নিয়ে গিয়ে অপরাজনীতির আরেকটি প্ল্যাটফর্ম খোলা হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি।

মেয়র লিটন বলেন, ‘খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ সন্তান তারেক জিয়া অজস্র অপকর্মের নায়ক। হত্যা, খুনসহ বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তিনি এখন লন্ডনে আছেন।

‘তিনি তার মাকে লন্ডনে নিয়ে গিয়ে আরেকটি অপরাজনীতির প্ল্যাটফর্ম যে খুলবেন না সেটা বলা যায় না। তাকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা পানি ঘোলা করার একটি অপচেষ্টা।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশে যখন দৃশ্যমান উন্নয়ন চলছে, তখন একটি মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের জন্য খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতি করে দেশের মানুষকে ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করছে। সেই কারণে একসঙ্গে থেকে প্রতিক্রিয়াশীল চক্রের সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে প্রস্তুত থাকতে হবে।

দলের সদস্যদেরই বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নিয়ে বিরোধিতা করার বিষয়ে লিটন বলেন, ‘দু-একটি জায়গায় এমন ঘটনা ঘটছে। সে বিষয়ে আমাদের আরও সতর্ক থাকতে হবে। আমরা দীর্ঘ দিন ক্ষমতায় রয়েছি। দেশের কল্যাণে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী।

‘তিনি দলের দিকে নজর রাখলেও ফাঁক-ফোকর দিয়ে কোনো ব্যক্তি যারা অন্য চেতনায় বিশ্বাসী তারা যে দলে চলে আসেনি তা বলা যাবে না।’

এর আগে ফুল ‍দিয়ে বঙ্গবন্ধু সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন। পরে বঙ্গবন্ধু ও পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

ওই সময় রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আলী কামাল, সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, প্যানেল মেয়র সরিফুল ইসলাম বাবুসহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগসহ অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
একসঙ্গে জন্ম নেয়া ৫ শিশুর মধ্যে বাঁচল না ছেলেটি
অস্ত্রোপচার ছাড়াই ৫ সন্তানের জন্ম
ট্রেনে সন্তান প্রসবে এগিয়ে আসা সেই চিকিৎসক
একসঙ্গে জন্ম নিল তিন ভাই-বোন
সড়ক-নদী পেরিয়ে হাসপাতালের গে‌টে সন্তান প্রসব

শেয়ার করুন