সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ দমনে বিশেষ প্রশিক্ষণ পাবেন ২০০ এসআই

সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ দমনে বিশেষ প্রশিক্ষণ পাবেন ২০০ এসআই

পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (ডেভেলপমেন্ট) আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘পুলিশের চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, যেগুলো চলতি অর্থ বছরে বাস্তবায়ন করা হবে।’

সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ দমনে সুস্পষ্ট ধারণা ও করণীয় বিষয়ে পুলিশের ২০০ উপপরিদর্শককে (এসআই) বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। দেশের সব থানায় কমপক্ষে একজন করে কর্মকর্তাকে পারদর্শী করে তোলার জন্য এই বিশেষ প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

এছাড়া সারদা পুলিশ একাডেমিতে ক্যাডেট এসআই এবং অন্যান্য ট্রেনিং একাডেমিতে ডিসি কোর্সের জন্য মনোনীত এসআইদেরকেও সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ বিষয়ে বিশেষ কর্মশালার মাধ্যমে প্রশিক্ষিত করা হবে।

সিআইডি ট্রেনিং একাডেমির এসবির কোর্সেও এই বিশেষ কর্মশালা থাকবে। এর মাধ্যমে ট্রেনিংয়ে অংশ নেয়া পুলিশ সদস্যরা সন্ত্রাসবাদ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা ও করণীয় বিষয়ে জানতে পারবেন।

পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ দমনের ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পর্কে পুলিশ সদস্যদের সঠিক জ্ঞান থাকা জরুরি। প্রশিক্ষণ-কর্মশালার মাধ্যমে পুলিশ সদস্যদের এসব বিষয়ে পারদর্শী করে তোলার পাশাপাশি সমাজের সাধারণ মানুষের মধ্যে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতেই এই উদ্যোগ।

১৫ সেপ্টেম্বর পুলিশ সদর দপ্তরে পুলিশের বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতির বিষয়ে এক সভায় এই বিশেষ প্রশিক্ষণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। বর্তমান ২০২১-২২ অর্থবছরে মোট ২ হাজার ৯৯১ লাখ টাকা ব্যয়ের কর্ম-পরিকল্পনা সভায় উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক।

তিনি ডি- র‍্যাডিকালাইজেশন, সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম, পুনর্বাসন ও ট্রেনিং নিয়ে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন।

পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (ডেভেলপমেন্ট) আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘পুলিশের চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, যেগুলো চলতি অর্থ বছরে বাস্তবায়ন করা হবে।’

সভার কার্যবিবরণী থেকে জানা যায়, পুলিশের সন্ত্রাস দমন ও আন্তর্জাতিক অপরাধ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় উগ্রবাদ মোকাবেলায় বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শমূলক অনুষ্ঠানের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। সিআইডি ট্রেনিং একাডেমিতে ‘এইড টু গুড ইনভেস্টিগেশন ও এফটিআই কোর্স, এসবিতে’ ইন্টেলিজেন্স কোর্সে সন্ত্রাসবাদ বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা ও করণীয় সম্পর্কে কর্মশালার মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

আরও পড়ুন:
পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা নিল না থানা, আদালতে আবেদন
সম্প্রীতি না থাকলে সমাজ টিকবে না: ডিএমপি কমিশনার
আসামি বহনকারী গাড়িতে বিস্ফোরণ, ৪ পুলিশ দগ্ধ
পুলিশের স্ত্রী হত্যা, গ্রেপ্তার ৪
কনস্টেবল নিয়োগ হবে মেধা ও শারীরিক যোগ্যতায়: আইজিপি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

৫০তম বিজয় দিবস: শপথ পড়াবেন প্রধানমন্ত্রী

৫০তম বিজয় দিবস: শপথ পড়াবেন প্রধানমন্ত্রী

১৬ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা বাংলাদেশে একটি শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন। ফাইল ছবি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বলেন, ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ মিলিয়ে আমরা ইতিহাসের অসাধারণ সময় অতিক্রম করছি। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠান হবে। আগে এ সব অনুষ্ঠান জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে হয়েছিল। জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি থেকে মহা বিজয়ের মহা নায়ক শিরোনামে ১৬ ও ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠান হবে। ১৬ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টায় প্রধানমন্ত্রী সেখান থেকে সারা বাংলাদেশে একটি শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন, সেখানে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেবেন। কি বিষয়ে শপথ হবে পরে জানানো হবে।’

মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে ১৬ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শপথ পরিচালনা করবেন বলে জানিয়েছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।

সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বলেন, ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ মিলিয়ে আমরা ইতিহাসের অসাধারণ সময় অতিক্রম করছি। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠান হবে। আগে এ সব অনুষ্ঠান জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে হয়েছিল। ১৬ ডিসেম্বর প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ বড় আকারে হবে। সেখানে ছয়টি দেশ মিলিয়ে আন্তর্জাতিক একটা প্যারেড হবে। অনেকগুলো দেশের অংশগ্রহণ থাকবে।

‘জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি থেকে মহা বিজয়ের মহা নায়ক শিরোনামে ১৬ ও ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠান হবে। ১৬ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টায় প্রধানমন্ত্রী সেখান থেকে সারা বাংলাদেশে একটি শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন, সেখানে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেবেন। কি বিষয়ে শপথ হবে পরে জানানো হবে।’

তিনি বলেন, ‘বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে আলোচনা সভা শুরু হবে। সেখানে ভারতের রাষ্ট্রপতি অংশ নেবেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীও এতে অংশ নেবেন। পুরো অনুষ্ঠান সুন্দরভাবে সাজিয়ে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, প্রকৃতি, পরিবেশ সব মিলিয়ে দেশের ৫০ বছরের অগ্রগতি, এসবের সমন্বয়ে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠান হবে।

‘যাদের আমন্ত্রণ জানাবো সময়মত তাদের অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছানো, সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে যেন অনুষ্ঠানগুলো হয় সেটার নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও অন্যান্য বিষয়গুলো আজকে পর্যালোচনা করা হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে অংশ নেয়াদের করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক বলে জানান কামাল আবদুল নাসের। তিনি বলেন, ‘আমন্ত্রণপত্রে জানিয়ে দেয়া হবে কোথায় কোথায় করোনা পরীক্ষা করতে হবে। করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট ছাড়া কেউ সেখানে উপস্থিত হতে পারবেন না, যেহেতু স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করতে নমুনা পরীক্ষাটা বাধ্যতামূলক।

‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব কিছু আমরা ফলো করবো। সব মিলিয়ে প্রতিদিন তিন হাজার মানুষ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। অনুষ্ঠান সারা দেশের পাশাপাশি গোটা পৃথিবীতে সম্প্রচার হবে।’

আরও পড়ুন:
পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা নিল না থানা, আদালতে আবেদন
সম্প্রীতি না থাকলে সমাজ টিকবে না: ডিএমপি কমিশনার
আসামি বহনকারী গাড়িতে বিস্ফোরণ, ৪ পুলিশ দগ্ধ
পুলিশের স্ত্রী হত্যা, গ্রেপ্তার ৪
কনস্টেবল নিয়োগ হবে মেধা ও শারীরিক যোগ্যতায়: আইজিপি

শেয়ার করুন

ইউপি নির্বাচন: ভোটের দিন ঠিক রেখে পঞ্চম ধাপের পুনঃতফসিল

ইউপি নির্বাচন: ভোটের দিন ঠিক রেখে পঞ্চম ধাপের পুনঃতফসিল

পঞ্চম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের ভোট হবে ৫ জানুয়ারি। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা

৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার কথা জানানো হলেও পুনঃতফসিলে বলা হয়েছে, প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাই ৯ ডিসেম্বরের বদলে হবে ১২ ডিসেম্বর।

চলমান ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের পঞ্চম ধাপের ভোটের তফসিল পুনর্নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৫ জানুয়ারিতে পঞ্চম ধাপের ভোট হবে। তবে পরিবর্তন এসেছে ভোটের অন্যান্য কার্যক্রমে।

বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব আতিয়ার রহমানের সই করা এক চিঠিতে নির্বাচনের তফসিল পুনর্নির্ধারণের কথা জানোনো হয়।

নির্বাচন কমিশনের ৯০তম কমিশন সভা শেষে গত শনিবার পঞ্চম ধাপের তফসিল ঘোষণা করেন ইসি সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার। এই ধাপে ৭০৭ ইউপিতে ভোট হওয়ার কথা রয়েছে।

৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার কথা জানানো হলেও পুনঃতফসিলে বলা হয়েছে, প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাই ৯ ডিসেম্বরের বদলে হবে ১২ ডিসেম্বর।

পুনর্নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আপিল দায়েরেরে সুযোগ থাকছে ১৩ থেকে ১৫ ডিসেম্বর। আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ১৮ ডিসেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ঠিক করা হয়েছে ১৯ ডিসেম্বর।

দেশে প্রায় সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি বর্তমান কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। মেয়াদ শেষের আগেই ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনগুলো শেষ করার পরিকল্পনা করেছে ইসি।

গত জুন থেকে ধাপে ধাপে নির্বাচন হচ্ছে। প্রথম ধাপে গত ২১ জুন ২০৪ ইউপি ও ২০ সেপ্টেম্বর ১৬০ ইউপির ভোট হয়। দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৬ ইউপির ভোট হয় ১১ নভেম্বর। তৃতীয় ধাপে এক হাজার ইউপির ভোট হয় ২৮ নভেম্বর। চতুর্থ ধাপে ৮৪০ ইউপিতে ভোট হবে ২৬ ডিসেম্বর।

আরও পড়ুন:
পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা নিল না থানা, আদালতে আবেদন
সম্প্রীতি না থাকলে সমাজ টিকবে না: ডিএমপি কমিশনার
আসামি বহনকারী গাড়িতে বিস্ফোরণ, ৪ পুলিশ দগ্ধ
পুলিশের স্ত্রী হত্যা, গ্রেপ্তার ৪
কনস্টেবল নিয়োগ হবে মেধা ও শারীরিক যোগ্যতায়: আইজিপি

শেয়ার করুন

খালেদার দুই মামলায় চার্জ শুনানি পিছিয়েছে

খালেদার দুই মামলায় চার্জ শুনানি পিছিয়েছে

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দুটির চার্জ শুনানির নির্ধারিত দিন ছিল বৃহস্পতিবার। কিন্তু তিনি হাসপাতালে থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি। এ জন্য তার পক্ষে আইনজীবী সময় চাইলে আদালত নতুন তারিখ ধার্য করে।

ভুয়া জন্মদিন পালন ও যুদ্ধাপরাধীদের মদদ দেয়ার অভিযোগে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মানহানির দুই মামলায় চার্জ গঠন বিষয়ে শুনানির তারিখ পিছিয়েছে। নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭ ডিসেম্বর।

ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূরের আদালতে মামলা দুটির চার্জ শুনানির নির্ধারিত দিন ছিল বৃহস্পতিবার। কিন্তু খালেদা জিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি। এ জন্য তার পক্ষে আইনজীবী সময় আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত চার্জ শুনানির জন্য নতুন তারিখ ধার্য করে।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী হান্নান ভূঁইয়া নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী জহিরুল ইসলাম ভুয়া জন্মদিন পালনের অভিযোগে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ৩০ আগস্ট মামলা করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বিভিন্ন মাধ্যমে খালেদা জিয়ার পাঁচটি জন্মদিন পাওয়া গেলেও তার মধ্যে ১৫ আগস্ট নেই। অথচ তিনি পাঁচটি জন্মদিনের একটিও পালন না করে ১৯৯৬ সাল থেকে ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎবার্ষিকীর দিনে আনন্দ উৎসব করে জন্মদিন পালন করে আসছেন। শুধু বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য তিনি ওইদিন জন্মদিন পালন করেন।

এছাড়া ২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর বাংলাদেশ জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিকী ‘স্বীকৃত স্বাধীনতাবিরোধীদের গাড়িতে জাতীয় পতকা তুলে দিয়ে দেশের মানচিত্র এবং জাতীয় পতাকার মানহানি ঘটানোর অভিযোগে আদালতে একটি মানহানির মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা নিল না থানা, আদালতে আবেদন
সম্প্রীতি না থাকলে সমাজ টিকবে না: ডিএমপি কমিশনার
আসামি বহনকারী গাড়িতে বিস্ফোরণ, ৪ পুলিশ দগ্ধ
পুলিশের স্ত্রী হত্যা, গ্রেপ্তার ৪
কনস্টেবল নিয়োগ হবে মেধা ও শারীরিক যোগ্যতায়: আইজিপি

শেয়ার করুন

ডাকাত সন্দেহে ৬ ছাত্র হত্যা: ‘ন্যায়বিচার পেয়েছি’

ডাকাত সন্দেহে ৬ ছাত্র হত্যা: ‘ন্যায়বিচার পেয়েছি’

সাভারে ডাকাত সন্দেহে খুন হওয়া শিক্ষার্থীরা। ফাইল ছবি

নিহত ছাত্র টিপু সুলতানের মা কাজী নাজমা সুলতানা বলেন, ‘সব আসামির ফাঁসি আশা করেছিলাম, তা হলে আরও খুশি হতাম। তবে এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। এতদিন কষ্ট পেয়েছি, যতদিন বেঁচে থাকব কষ্ট পাব। তার পরও যে সাজা হয়েছে তাতে শুকরিয়া আদায় করি।’

সাভারের আমিন বাজারে ৯ বছর আগে শবেবরাতের রাতে ডাকাত সন্দেহে ছয় ছাত্রকে ডাকাত সাজিয়ে পিটিয়ে হত্যার মামলায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন নিহতদের স্বজনরা। সেই সঙ্গে দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন তারা।

ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ইসমত জাহান বৃহস্পতিবার আলোচিত এ মামলাটির রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে ৬০ আসামির মধ্যে ১৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। খালাস পেয়েছেন ২৫ আসামি। আর মামলা চলাকালীন মারা যাওয়ায় তিন আসামিকে আগেই অব্যাহতি দেয়া হয়েছিল।

রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন ৪৭ আসামি। রায় শুনতে আদালতের বাইরে অপেক্ষায় ছিলেন আসামি ও নিহতদের স্বজনরা।

রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন নিহত ছাত্রদের পরিবারের সদস্যরা। এ রায় যেন উচ্চ আদালতেও বহাল থাকে সেই প্রত্যাশা করেন তারা।

নিহত ছাত্র টিপু সুলতানের মা কাজী নাজমা সুলতানা বলেন, ‘সব আসামির ফাঁসি আশা করেছিলাম, তা হলে আরও খুশি হতাম। তবে এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। এতদিন কষ্ট পেয়েছি। যতদিন বেঁচে থাকব কষ্ট পাব। তার পরও যে সাজা হয়েছে তাতে শুকরিয়া আদায় করি।’

এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন নাজমা সুলতানা। বলেন, ‘আমার আর কিছু বলার নেই। তবে চাই দ্রুততার সঙ্গে যেন ফাঁসি কার্যকর হয়। যত দ্রুত ফাঁসি কার্যকর হবে, দেখতে পেলে খুশি হব।’

নিহত আরেক ছাত্র পলাশের বাবা মজিবুর রহমান বলেন, ‘ন্যায়বিচার পেয়েছি। তবে রায় যেন দ্রুত কার্যকর হয়।’

ইব্রাহিম খলিলের বাবা আবু তাহের বলেন, ‘রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। দোষীদের সাজা হয়েছে। তবে আশা, রায়টা যেন দ্রুত কার্যকর করা হয়।’

সংশ্লিষ্ট আদালতের অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর আনন্দ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ‘রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। এ মামলায় ৯২ জন সাক্ষীর মধ্যে ৫৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করা হয়। আর ১৪ জন আসামি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দেয়। সব কিছু বিবেচনা করে মাননীয় আদালত সুন্দর সুচিন্তায় এ রায় ঘোষণা করেছে। খালাসও দিয়েছে ২৫ জনকে। সাজা দিয়েছে ৩২ জনকে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হলে আদেশ পর্যালোচনা শেষে খালাস আসামিদের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলে যেতে পারি। একটা চাঞ্চল্যকর মামলায় যুগান্তকারী রায় দিয়েছে আদালত।’

তবে রায়ে সংক্ষুব্ধ আসামিপক্ষের আইনজীবী ও পরিবার। আসামিরা ন্যায়বিচার পায়নি বলে অভিযোগ তাদের। এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাবেন বলে জানান তারা।

আসামিপক্ষের আইনজীবী শিউলী আক্তার খান, ‘আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাব। রায়ে ন্যায়বিচার হয়নি। এই মামলায় কোনো চাক্ষুষ সাক্ষী নেই। এই সাজা উচ্চ আদালতে টিকবে না। মামলার তদন্ত ঠিকমতো সম্ভব হয়নি। রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটি টোটালি প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। উচ্চ আদালতে গেলে আসামিরা খালাস পাবেন বলে আশা করেন আইনজীবীরা।’

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন আব্দুল মালেক, সাঈদ মেম্বর, আব্দুর রশীদ, ইসমাইল হোসেন, জমসের আলী, মীর হোসেন, মজিবর রহমান, আনোয়ার হোসেন, রজ্জব আলী, মো. আলম, মো. রানা, মো. হামিদ ও মো. আসলাম।

যাবজ্জীন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন মো. শাহীন আলম, মো. ফরিদ হোসেন, মো. রাজিব হোসেন, মো. ওয়াসিম, মো. ছাত্তার, মো. সেলিম, মনির হোসেন, মো. আলমগীর, মোবারক হোসেন, অখিল খন্দকার, মো. বসির উদ্দিন, রুবেল হোসেন, মো. নুরুল ইসলাম, মো. শাহাদাত হোসেন জুয়েল, মো. টুটুল, মো. মাসুদ, মো. মোকলেছুর রহমান মোকলেছ, মো. তোতন ও মো. সাইফুল ইসলাম।

মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ৩২ আসামিকে আলামত নষ্টের দায়ে আরও সাত বছরের কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও ছয় মাস তাদের কারাভোগ করতে হবে।

আরও পড়ুন:
পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা নিল না থানা, আদালতে আবেদন
সম্প্রীতি না থাকলে সমাজ টিকবে না: ডিএমপি কমিশনার
আসামি বহনকারী গাড়িতে বিস্ফোরণ, ৪ পুলিশ দগ্ধ
পুলিশের স্ত্রী হত্যা, গ্রেপ্তার ৪
কনস্টেবল নিয়োগ হবে মেধা ও শারীরিক যোগ্যতায়: আইজিপি

শেয়ার করুন

পার্বত্য অঞ্চল বোঝা হবে না: বীর বাহাদুর

পার্বত্য অঞ্চল বোঝা হবে না: বীর বাহাদুর

পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির পাহাড়ঘেরা কাপ্তাই লেক। ছবি: সংগৃহীত

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘পার্বত্য অঞ্চল দেশের জন্য বোঝা হবে না; পার্বত্য অঞ্চল হবে দেশের জন্য সবচেয়ে বড় সম্পদশালী। সব ভেদাভেদ ভুলে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী যে সমৃদ্ধশালী দেশের স্বপ্ন দেখেন, সেটি বাস্তবায়নের জন্য পার্বত্য অঞ্চলের সন্তানরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর হাত শক্তিশালী করবে।’

পার্বত্য অঞ্চল দেশের জন্য বোঝা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং।

তিনি বলেছেন, এ অঞ্চল দেশের সম্পদ।

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির ২৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘পার্বত্য অঞ্চল দেশের জন্য বোঝা হবে না; পার্বত্য অঞ্চল হবে দেশের জন্য সবচেয়ে বড় সম্পদশালী। সব ভেদাভেদ ভুলে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী যে সমৃদ্ধশালী দেশের স্বপ্ন দেখেন, সেটি বাস্তবায়নের জন্য পার্বত্য অঞ্চলের সন্তানরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর হাত শক্তিশালী করবে।’

ওই সময় বীর বাহাদুর উশৈসিং জানান, পার্বত্য অঞ্চলে বর্তমানে শিক্ষার হার ৫০ ভাগের কাছাকাছি।

তিনি বলেন, ‘আগে শিক্ষার হার অনেক কম ছিল। এখন ৫০ শতাংশের কাছাকাছি। আমরা শিক্ষা খাতে এগিয়ে যাচ্ছি। যেখানে স্কুল-কলেজ ছিল না। সেখানে প্রধানমন্ত্রী অনেক স্কুল-কলেজ করেছেন। উচ্চশিক্ষার জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজ করা হয়েছে, মেডিক্যাল কলেজও করা হয়েছে।

‘প্রায় উপজেলায় টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ করা হয়েছে। এ ধরনের অনেক প্রতিষ্ঠান করা হয়েছে। আগের শিক্ষার হারে সরকারগুলো গুরুত্ব দেয়নি, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী গুরুত্ব দিয়েছেন। শিক্ষার হার বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলায় গুরুত্ব দিচ্ছেন। আমাদের গ্রামগুলো অনেক দূরে পাহাড়ে পাহাড়ে। আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলে তাদের কষ্ট কম হবে। এতে শিক্ষার হারও বাড়বে।’

ওই সময় পার্বত্য চট্টগ্রামকে ‘কারাগারে পরিণত করা হয়েছে’ বলে সন্তু লারমার এক বক্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘উনি ওনার দৃষ্টিকোণ থেকে বলতেই পারেন। সারা বিশ্বে এমন কোনো জায়গা আছে, যেখানে সমস্যা থাকে না?

‘সেখানে কোনো কারণে যদি কোনো ঘটনা ঘটেই যায়, সরকার তাৎক্ষণিকভাবে সেটি চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে সে এলাকার সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টির জন্য সব সময় তৎপর থাকে। কোনো ঘটনা ঘটলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে সরকার তৎপর।’

মন্ত্রী বলেন, ‘১৯৯৭ সালের পার্বত্য শান্তিচুক্তির আগে এবং আজকের পার্বত্য অঞ্চলের পরিবেশ-পরিস্থিতি আকাশ-পাতাল তফাৎ। আজকে সেখানে অনেক উন্নয়ন হয়েছে। যত দ্রুত আমরা সেখানে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারি, তত আমাদের জন্য কল্যাণকর। সবাইকে আহ্বান করব যারা শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলনে ছিলেন, সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা।

‘সংঘর্ষ, সংঘাত বাদ দিয়ে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে হাতে হাত মিলিয়ে সুন্দর পরিবেশ তৈরির যে আস্থা তৈরি করেছিলাম, সেটি আরও দৃঢ়ভাবে টিকিয়ে রাখতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই।’

আরও পড়ুন:
পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা নিল না থানা, আদালতে আবেদন
সম্প্রীতি না থাকলে সমাজ টিকবে না: ডিএমপি কমিশনার
আসামি বহনকারী গাড়িতে বিস্ফোরণ, ৪ পুলিশ দগ্ধ
পুলিশের স্ত্রী হত্যা, গ্রেপ্তার ৪
কনস্টেবল নিয়োগ হবে মেধা ও শারীরিক যোগ্যতায়: আইজিপি

শেয়ার করুন

বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের জায়গা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের জায়গা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আমেরিকান চেম্বার অফ কমার্সের ২৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। ছবি: নিউজবাংলা

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের জায়গা। আমেরিকান বিনিয়োগকারীরা টাকা বানাতে আসতে পারে। আমাদের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং হাইটেক পার্কগুলোতে বিনিয়োগ করতে পারে।’

বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের উত্তম জায়গা বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। এ দেশে বিনিয়োগ করতে আমেরিকান ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বৃহস্পতিবার আমেরিকান চেম্বার অফ কমার্সের ২৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘এ বছর আমরা আমাদের স্বাধীনতার ৫০ বছর পালন করছি। আর আমেরিকান চেম্বার অফ কমার্স ২৫ বছর পালন করছে। এটা আমাদের বন্ধুত্বের শক্ত অবস্থান প্রমাণ করে।

‘বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের জায়গা। আমেরিকান বিনিয়োগকারীরা টাকা বানাতে আসতে পারে। আমাদের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং হাইটেক পার্কগুলোতে বিনিয়োগ করতে পারে।’

যুক্তরাষ্ট্রকে তুলা ও তুলাজাতীয় পণ্যের ওপর থেকে মাত্রাতিরিক্ত কর তুলে নেয়ার আহ্বান জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমেরিকা থেকে তুলা আমদানি করি। সেই আমদানিতে অনেক ট্যাক্স। ফলে সেই তুলার উৎপাদিত পণ্য আমেরিকান বাজারেও যায়, কিন্তু তাতেও অনেক ট্যাক্স। আমেরিকা এই ট্যাক্সটা তুলে নিতে পারে।’

জলবায়ু ইস্যুতে তিনি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। আর বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর প্রধান। আমাদের নর্দান জোনের নদীভাঙন এই সমস্যার অন্যতম কারণ। এই সমস্যার সমাধান আছে আমাদের ডেল্টা প্ল্যানে।

‘যুক্তরাষ্ট্র নদীভাঙন রোধে নদী খনন ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে বিনিয়োগ করতে পারে। ফলে উদ্ধার করা জমি শিল্পাঞ্চল, নগর ও পুনর্ব্যবহার করা শক্তি উৎপাদনে ব্যবহার করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র এ কাজে বিনিয়োগ করলে দুই দেশই লাভবান হবে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ নিশ্চিত হওয়া ১০টি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ বন্ধ করেছে। এতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ ছিল। যুক্তরাষ্ট্র এখন এ ক্ষেত্রে পরিবেশবান্ধব শক্তি উৎপাদনে বিনিয়োগ করতে পারে। এটা এখন একটি সুযোগ হিসেবে এসেছে।’

রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের প্রশংসা করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ১.১ মিলিয়ন রোহিঙ্গা পিপলের বোঝা বহন করে চলছে। এটা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। যুক্তরাষ্ট্র সব সময়ই এই কঠিন দায়িত্ব পালনে বাংলাদেশের পাশে থেকেছে। জোর গলায় রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমিতে ফিরিয়ে নেয়ার দাবি তুলেছে। রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার বাহিনীর অমানবিক নির্যাতনের প্রতিবাদ ও বিচার দাবি করেছে।

‘কোভিড-১৯-এর কঠিন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র তার বন্ধুত্বের হাত বাংলাদেশের দিকে বাড়িয়ে দিয়েছে। এটা সত্যিই খুব জটিল ও কঠিন সময় ছিল। যখন আমরা ভ্যাকসিনের জন্য হন্যে হয়ে দেশে দেশে হাত পাতছিলাম, তখন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের মিলিয়ন মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন দিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে।’

আরও পড়ুন:
পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা নিল না থানা, আদালতে আবেদন
সম্প্রীতি না থাকলে সমাজ টিকবে না: ডিএমপি কমিশনার
আসামি বহনকারী গাড়িতে বিস্ফোরণ, ৪ পুলিশ দগ্ধ
পুলিশের স্ত্রী হত্যা, গ্রেপ্তার ৪
কনস্টেবল নিয়োগ হবে মেধা ও শারীরিক যোগ্যতায়: আইজিপি

শেয়ার করুন

পাঠ্যপুস্তকে স্বাধীনতার ঘোষণা-ঘোষণাপত্র অন্তর্ভুক্তি চেয়ে রিট

পাঠ্যপুস্তকে স্বাধীনতার ঘোষণা-ঘোষণাপত্র অন্তর্ভুক্তি চেয়ে রিট

রিটকারী আইনজীবী উত্তম লাহেড়ি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষণা ও ঘোষণাপত্র পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্তির নির্দেশনা চেয়ে রিট করা হয়েছে। নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুক্তের ইতিহাস জানাতে এই ঘোষণা ও ঘোষণাপত্র পাঠ্যবইয়ে যুক্ত করা দরকার। এর আগে এ বিষয়ে আইনি নোটিশ দেয়া হয়েছিল।’

বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যপুস্তকে স্বাধীনতার ঘোষণা ও ঘোষণাপত্রের অন্তর্ভুক্তি চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

আইনজীবী উত্তম লাহেড়ি বৃহস্পতিবার উচ্চ আদালতে রিটটি করেন।

তার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন নাহিদ সুলতানা যুথী ও এবিএম শাহজাহান আকন্দ মাসুম।

রিটকারী আইনজীবী উত্তম লাহেড়ি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষণা ও ঘোষণাপত্র পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্তির নির্দেশনা চেয়ে রিট করা হয়েছে। নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুক্তের ইতিহাস জানাতে এই ঘোষণা ও ঘোষণাপত্র পাঠ্যবইয়ে যুক্ত করা দরকার। এর আগে এ বিষয়ে আইনি নোটিশ দেয়া হয়েছিল।’

রিটে স্বাধীনতার ঘোষণা ও ঘোষণাপত্র যারা অস্বীকার করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়।

এতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ১০ জনকে বিবাদী করা হয়।

আইনজীবী এবিএম শাহজাহান আকন্দ মাসুম বলেন, ‘আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম যেন স্বাধীনতার ঘোষণা ও ঘোষণাপত্র সম্পর্কে জানতে পারে, সে কারণেই এ রিট করা হয়েছে।’

রিট আবেদনটি বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হবে বলেও জানিয়েছেন রিটকারীর আইনজীবী।

আরও পড়ুন:
পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা নিল না থানা, আদালতে আবেদন
সম্প্রীতি না থাকলে সমাজ টিকবে না: ডিএমপি কমিশনার
আসামি বহনকারী গাড়িতে বিস্ফোরণ, ৪ পুলিশ দগ্ধ
পুলিশের স্ত্রী হত্যা, গ্রেপ্তার ৪
কনস্টেবল নিয়োগ হবে মেধা ও শারীরিক যোগ্যতায়: আইজিপি

শেয়ার করুন