গেটওয়েতে আটক অর্থ কেন ফেরত নয়: হাইকোর্ট

গেটওয়েতে আটক অর্থ কেন ফেরত নয়: হাইকোর্ট

গেটওয়েতে আটকে থাকা টাকা গ্রাহকদের ফেরত কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি। ফাইল ছবি

আইনজীবী সাবরিনা জেরিন বলেন, ‘ই-কমার্স ব্যবসায় যারা অনলাইনে অর্ডার করেছেন, অনেক টাকা লগ্নি করেছেন। যাদের টাকা একটি গেটওয়েতে আটকে আছে। পণ্য ডেলিভারি না হওয়ায় তারা টাকা ফেরত পাওয়ার কথা। কিন্তু এখন পর্যন্ত ওই টাকা ফেরত পায়নি গ্রাহকেরা। ওই টাকা ফেরত চেয়ে আমরা হাইকোর্টে রিট করি। আদালত রিটের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছেন।’

ই-কমার্স ব্যবসায় পেমেন্ট করে অর্ডার দেয়ার পরও পণ্য না দিয়ে গেটওয়েতে আটকে থাকা টাকা গ্রাহকদের ফেরত (রিফান্ড) কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

গেটওয়েতে আটকে থাকা টাকা ফেরত চেয়ে করা আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সাবরিনা জেরিন ও এম. আব্দুল কাইয়ূম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ রাসেল চৌধুরী।

আইনজীবী সাবরিনা জেরিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ই-কমার্স ব্যবসায় যারা অনলাইনে অর্ডার করেছেন, অনেক টাকা লগ্নি করেছেন। যাদের টাকা একটি গেটওয়েতে আটকে আছে। পণ্য ডেলিভারি না হওয়ায় তারা টাকা ফেরত পাওয়ার কথা। কিন্তু এখন পর্যন্ত ওই টাকা ফেরত পায়নি গ্রাহকেরা। ওই টাকা ফেরত চেয়ে আমরা হাইকোর্টে রিট করি। আদালত রিটের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছেন।’

রুলে বিভিন্ন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ও পেমেন্ট গেটওয়ে কোম্পানিদের কাছে গ্রাহকদের আটকে থাকা অর্থ ফেরতের জন্য নির্দেশনা দিতে বিবাদীদের ব্যর্থতা/নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

বাণিজ্য সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগের মহাব্যবস্থাপক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিওটিও এর পরিচালক, বিভিন্ন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস, পেমেন্ট গেটওয়ে এসএসএল ওয়্যারলেস, ফোস্টার পে এবং সূর্য পে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

গেটওয়েতে আটকে থাকা টাকা ফেরত চেয়ে বেসরকারি সংগঠন কনসাস কনজুমার্স সোসাইটি (সিসিএস) গত ২১ অক্টোবর রিট করে। ওই রিটের শুনানি শেষে আদালত আজকে এ আদেশ দেয়।

আরও পড়ুন:
ই-কমার্সের নিবন্ধন এক মাসের মধ্যে শুরু
বিলুপ্তি না সচল: ইভ্যালির ভাগ্যে কী
আদিয়ান মার্টের বিরুদ্ধে ৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
প্রতারণার অভিযোগে আদিয়ান মার্টের সিইওসহ গ্রেপ্তার ৪
অনিবন্ধিত ই-কমার্সের দায় নেবে না সরকার 

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সঞ্চয়পত্র বিক্রি কমছে, বাড়ছে সরকারের ব্যাংক ঋণ

সঞ্চয়পত্র বিক্রি কমছে, বাড়ছে সরকারের ব্যাংক ঋণ

অর্থনীতির গবেষক জায়েদ বখত বলেন, ‘সুদের হার কমানোয় সঞ্চয়পত্র বিক্রি কমে গেছে। এ অবস্থায় সরকারকে বাধ্য হয়ে ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে হচ্ছে। তবে রাজস্ব আদায়ের গতি ভালো আছে। এটা অব্যাহত থাকলে বছর শেষে সরকারের ব্যাংক ঋণ গ্রহণের পরিমাণ বাজেটের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যেই থাকবে।’

ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণের পরিমাণ বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের সাড়ে চার মাসে (১ জুলাই থেকে ১৫ নভেম্বর) ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১৪ হাজার ২০২ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার।

২০২০-২১ অর্থবছরের এই সাড়ে চার মাসে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকার ঋণ নিয়েছিল ৪ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা। সে হিসাবে এবার একই সময়ে সরকারের ঋণ নেয়ার পরিমাণ তিন গুণের বেশি।

সুদের হার কমানোয় সঞ্চয়পত্র বিক্রি কমে গেছে। এ অবস্থায় সরকারকে বাধ্য হয়ে ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থনীতির গবেষক জায়েদ বখত। তবে এতে চিন্তার কিছু নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রাজস্ব আদায়ের গতি ভালো; এটা অব্যাহত থাকলে বছর শেষে সরকারের ব্যাংক ঋণ গ্রহণের পরিমাণ বাজেটের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যেই থাকবে।’

বাংলাদেশ ব্যাংক বৃহস্পতিবার দেশের অর্থনীতির প্রধান সূচকগুলোর পাক্ষিক তথ্য প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যায়, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে সরকার প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে মোট ১৪ হাজার ২০২ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। রাজস্ব আদায় বাড়লেও সঞ্চয়পত্র বিক্রি কমে যাওয়ায় ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে হচ্ছে সরকারকে। গত ২০২০-২১ অর্থবছরের এই সাড়ে মাসে ৪ হাজার ৩৩৪ কোটি ২১ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিল সরকার।

চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ৭৬ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণের লক্ষ্য ধরা আছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, গত অর্থবছর ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ নেয়ার চাহিদা ছিল বেশ কম। শুরুর দিকে সরকার ব্যাংক থেকে যে পরিমাণ ঋণ নিয়েছিল পরিশোধ করেছিল তার চেয়ে বেশি। তবে শেষদিকে গিয়ে নিট ঋণ দাঁড়ায় ২৬ হাজার ৭৮ কোটি টাকা। যদিও সরকারের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮৪ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা। তার আগের অর্থবছর ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে রেকর্ড ৭২ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা নিয়েছিল সরকার।

চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রাজস্ব আদায়ের তথ্য প্রকাশ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তাতে দেখা যায়, এই তিন মাসে ৫৮ হাজার ৩৫১ কোটি টাকার লাজস্ব আদায় হয়েছে। তা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ১৭ শতাংশ বেশি।

এই তিন মাসে ৮ হাজার ৫৫৮ কোটি ১৪ লাখ টাকার নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে বিক্রি হয়েছিল ১১ হাজার ৬০৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা। এ হিসাবে এই তিন মাসে নিট বিক্রির পরিমাণ কমেছে ২৬ দশমিক ২৭ শতাংশ।

সর্বশেষ সেপ্টেম্বর মাসে নিট বিক্রির পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৮২৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। এটি গত বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় প্রায় অর্ধেক; গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রির পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ১৫৩ কোটি টাকা।

সঞ্চয়পত্র খাতে সরকারকে যাতে বেশি সুদ পরিশোধ করতে না হয়, সে জন্য বিক্রি কমাতে গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের সুদের হার ২ শতাংশের মতো কমিয়ে দিয়েছে সরকার।

এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিক্রিতে। আর এতে সরকারের ভবিষ্যৎ ঋণের বোঝা লাঘবের পথ মসৃণ হয়েছে বলে মনে করছেন অর্থনীতির গবেষক বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষক জায়েদ বখত।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, মুনাফার হার কমানোয় সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণের পরিমাণ আগামী দিনগুলোতে আরও কমবে। এক ধরনের স্বস্তিতে থাকবে সরকার।

রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জায়েদ বখত বলেন, ‘সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর সুদের হার কমানো ছাড়া সরকারের উপায় ছিল না। গত অর্থবছরে সুদ-আসল বাবদ সরকারকে ৭০ হাজার কোটি টাকার বেশি পরিশোধ করতে হয়েছে। এটা একটা বিশাল অঙ্ক; বাজেট থেকে সুদ-আসল বাবদ এত টাকা চলে গেলে অন্য কাজ কীভাবে হবে।

‘তাই আমি মনে করি সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কমিয়ে সরকার ঠিক কাজটিই করেছে। এখন বিক্রি আরও কমে আসবে; সরকারকে বেশি সুদ পরিশোধ করতে হবে না। ব্যাংকের চেয়ে সঞ্চয়পত্রের সুদের হার অনেক বেশি। সে কারণে সঞ্চয়পত্র থেকে যতো কম ঋণ নেয়া যায় ততোই ভালো।’

এবারের বাজেটে সঞ্চয়পত্র থেকে ৩২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্য ধরেছে সরকার।

সঞ্চয়পত্র থেকে গত ২০২০-২১ অর্থবছরে ৪২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল সরকার। মূল বাজেটে এ খাত থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা ধার করার লক্ষ্য ধরা হয়েছিল। বিক্রি অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় ৩ জুন ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার সময় সেই লক্ষ্য বাড়িয়ে ৩০ হাজার ৩০২ কোটি টাকা করা হয়।

বছর শেষে দেখা যায়, সরকার সঞ্চয়পত্র থেকে মূল বাজেটের দ্বিগুণেরও বেশি ঋণ নিয়েছে। সংশোধিত বাজেটের চেয়ে বেশি নিয়েছে ৩২ শতাংশ। আর আগের অর্থবছরের চেয়ে বেশি নিয়েছে প্রায় তিন গুণ।

অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গত অর্থবছরে মোট ১ লাখ ১২ হাজার ১৮৮ কোটি ২৪ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়। এর মধ্যে আগে বিক্রি হওয়া সঞ্চয়পত্রের সুদ-আসল বাবদ ৭০ হাজার ২২৯ কোটি টাকা গ্রাহকদের পরিশোধ করা হয়। সে হিসাবে নিট বিক্রির পরিমাণ ছিল ৪১ হাজার ৯৬০ কোটি টাকা।

আগে বিক্রি হওয়া সঞ্চয়পত্রের সুদ-আসল গ্রাহকদের পরিশোধের পর যেটা অবশিষ্ট থাকে, তাকে বলা হয় নিট বিক্রি। ওই অর্থ সরকারের কোষাগারে জমা থাকে এবং সরকার তা রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজে লাগায়। বিনিময়ে সঞ্চয়পত্রের গ্রাহকদের প্রতি মাসে সুদ দিতে হয়। এ কারণে অর্থনীতির পরিভাষায় সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রিকে সরকারের ‘ঋণ’ বা ‘ধার’ হিসেবে গণ্য করা হয়।

এর আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকার সঞ্চয়পত্র থেকে ১৪ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল।

বাংলাদেশের ইতিহাসে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকার সবচেয়ে বেশি ঋণ নিয়েছিল ২০১৬-১৭ অর্থবছরে, ৫২ হাজার ৪১৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।

সঞ্চয়পত্র খাতে সরকারকে যাতে বেশি সুদ পরিশোধ করতে না হয় সে জন্য গত ২২ সেপ্টেম্বর সঞ্চয়পত্রের সুদ কমিয়ে দিয়েছে সরকার।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এক রকম সুদের হার, ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এক রকম হার এবং ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আরেক রকম হার নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।

তবে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার হারে সরকার হাত দেয়নি। অর্থাৎ আগে যে হারে সুদ পাওয়া যেত, এখনও সেই হারে পাওয়া যাবে।

সাত বছর আগে ২০১৫ সালের ২৩ মে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার গড়ে ২ শতাংশের মতো কমিয়েছিল সরকার।

আরও পড়ুন:
ই-কমার্সের নিবন্ধন এক মাসের মধ্যে শুরু
বিলুপ্তি না সচল: ইভ্যালির ভাগ্যে কী
আদিয়ান মার্টের বিরুদ্ধে ৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
প্রতারণার অভিযোগে আদিয়ান মার্টের সিইওসহ গ্রেপ্তার ৪
অনিবন্ধিত ই-কমার্সের দায় নেবে না সরকার 

শেয়ার করুন

অর্থপাচার: এসবিএসির ব্যাংকের ৫ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

অর্থপাচার: এসবিএসির ব্যাংকের ৫ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাউথবাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কর্মাস ব্যাংক লিমিটেডের (এসবিএসি) সাবেক চেয়ারম্যান এস এম আমজাদ হোসেন এবং তার সহযোগী তপুসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে গত ২১ অক্টোবর মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সাউথবাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এসএম আমজাদ হোসেনের সহযোগী তপু কুমারসহ ৫ জনের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন হুমায়ন কবির। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান, আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

পাঁচ আসামি হলেন- সাউথবাংলা ব্যাংকের ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহা. মঞ্জুরুল আলম, এক্সিকিউটিভ অফিসার ও ক্রেডিট ইনচার্জ নজরুল ইসলাম, ব্যাংকটির খুলনার শাখার সাবেক এমটিও ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার তপু কুমার সাহা, বিদ্যুৎ কুমার মন্ডল ও মারিয়া খাতুন।

আইনজীবী একেএম আমিন উদ্দিন মানিক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুর্নীতি মামলায় এ আসামিরা জামিন আবেদন করেন। পর আবেদনটি শুনানির জন্য তালিকায় এলে তারা হাজির হননি। এর আগেও একদিন তালিকায় ছিল সে দিনও আসেনি। এরপর আজকে তারা নট প্রেস (উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ) চেয়েছেন। পরে আদালত তারা যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারে সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইনশৃংঙ্খলা বাহিনীর প্রতি নির্দেশ দিয়েছে।’

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাউথবাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কর্মাস ব্যাংক লিমিটেডের (এসবিএসি) সাবেক চেয়ারম্যান এস এম আমজাদ হোসেন এবং তার সহযোগী তপুসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে গত ২১ অক্টোবর মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলার এজাহারে বলা হয়, কমপক্ষে চারটি দেশে টাকা পাচার করেছেন এস এম আমজাদ হোসেন। ৪০০ কোটি টাকারও বেশি ঋণ জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত আমজাদের বিরুদ্ধে ২০ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির প্রাথমিক প্রমাণ পেয়ে মামলা করেন তদন্ত কর্মকর্তা সংস্থার উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার।

আরও পড়ুন:
ই-কমার্সের নিবন্ধন এক মাসের মধ্যে শুরু
বিলুপ্তি না সচল: ইভ্যালির ভাগ্যে কী
আদিয়ান মার্টের বিরুদ্ধে ৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
প্রতারণার অভিযোগে আদিয়ান মার্টের সিইওসহ গ্রেপ্তার ৪
অনিবন্ধিত ই-কমার্সের দায় নেবে না সরকার 

শেয়ার করুন

বাংলাদেশের পোশাকের সাফল্য প্রচার করবে সিএনএন

বাংলাদেশের পোশাকের সাফল্য প্রচার করবে সিএনএন

গুলশানে বিজিএমইএ অফিসে চুক্তি সই অনুষ্ঠান।

বিজিএমইএ জানিয়েছে, চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের পোশাক খাত কিভাবে জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখছে এবং আগামীতে এ খাত কী ধরনের অবদান রাখতে পারে- তা প্রচার করবে সিএনএন।

বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাককে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্র্যান্ডিং করবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম সিএনএন ইন্টারন্যাশনাল কমার্সিয়াল (সিএনএনআইসি)। ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ শিরোনামে বাংলাদেশের পোশাক খাতের সাফল্য এবং সম্ভাবনার কথা বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরা হবে।

রোববার পোশাক শিল্পমালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ এবং সিএনএনআইসির মধ্যে এ-সংক্রান্ত একটি চুক্তি হয়েছে। বিজিএমইএ এবং সিএনএনআইসির স্থানীয় প্রতিনিধি স্পেলবাউন্ড কমিউনিকেশনস লিমিটেডের মধ্যে এই চুক্তি হয়।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান এবং বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটের (বিএফটিআই) প্রধান নির্বাহী জাফর উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

বিজিএমইএর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের পোশাক খাত কিভাবে জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখছে এবং আগামীতে এ খাতের কী ধরনের অবদান রাখার সম্ভাবনা আছে- তা প্রচার করবে সিএনএন। পোশাক খাতের উঠে আসার গল্পও বলা হবে এতে। বিশেষ করে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পোশাক খাতের কর্মপরিবেশের নিরাপত্তা উন্নয়ন, পরিবেশবান্ধব টেকসই উন্নয়ন ও শ্রমিকদের কল্যাণে নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরা হবে।

প্রতিযোগী সক্ষমতা, উদ্ভাবনী কার্যক্রম, পোশাকের মধ্যে বৈচিত্র্য আনার মতো বিষয়গুলোও থাকবে এর মধ্যে। সিএনএনের এই কার্যক্রমে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বিজিএমইএ।

রাজধানীর গুলশানে বিজিএমইএ অফিসে চুক্তি সই অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বিজিএমইএর সহসভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম, বিএফটিআই পরিচালক ওবায়দুল আজম এবং স্পেলবাউন্ড কমিউনিকেশনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ সাদেকুল আরেফিন উপস্থিত ছিলেন।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, মহামারি করোনার মধ্যেও ২০২০-২১ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি থেকে ৩৮ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার আয় করে বাংলাদেশ, যা ছিল আগের বছরের চেয়ে ১৫ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। এই আয়ের মধ্যে ৮২ শতাংশই এসেছিল তৈরি পোশাক থেকে।

সেই ইতিবাচক ধারা চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরেও অব্যাহত রয়েছে। এই অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) ১ হাজার ৫৭৫ কোটি (১৫.৭৫ বিলিয়ন) ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। এই অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২২ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি। লক্ষ্যের চেয়ে আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। আর এই আয়ের ৮০ দশমিক ১৩ শতাংশ এসেছে তৈরি পোশাক থেকে।

আরও পড়ুন:
ই-কমার্সের নিবন্ধন এক মাসের মধ্যে শুরু
বিলুপ্তি না সচল: ইভ্যালির ভাগ্যে কী
আদিয়ান মার্টের বিরুদ্ধে ৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
প্রতারণার অভিযোগে আদিয়ান মার্টের সিইওসহ গ্রেপ্তার ৪
অনিবন্ধিত ই-কমার্সের দায় নেবে না সরকার 

শেয়ার করুন

শ্রমিকের পুষ্টিকর নাস্তা নিশ্চিত করুন: শ্রম প্রতিমন্ত্রী

শ্রমিকের পুষ্টিকর নাস্তা নিশ্চিত করুন: শ্রম প্রতিমন্ত্রী

অপুষ্টিকর ও দ্রুত প্রক্রিয়াজাত খাবার খেয়ে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পোশাক শ্রমিকরা, এমনটি উঠে এসেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য-অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের নতুন গবেষণায়। ফাইল ছবি

অনুষ্ঠানে উপস্থিত পোশাক খাতের মালিকদের সবচেয়ে বড় দুই সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতাদেরকে প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান বলেন, ‘পুষ্টিকর খাবার জনস্বাস্থ্যের তথা শারীরিক বৃদ্ধি, মেধা বিকাশ ও যথাযথ কর্মক্ষমতার জন্য খুবই গুরত্বপূর্ণ। তাই মালিকরা কারখানায় শ্রমিকদের যে নাস্তা দেয়, সেগুলো যেন পুষ্টিকর হয়। কারণ পুষ্টিকর খাবার খেয়ে শ্রমিক সুস্থ থাকলে উৎপাদন বাড়বে এবং এতে মালিকরাই লাভবান হবে। অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদী অপুষ্টি শ্রমিকের কর্মক্ষমতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে।’

কারখানায় শ্রমিকদের পুষ্টিকর নাস্তা দিতে শিল্প মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান। জানিয়েছেন, আয়রনের অভাবজনিত এনেমিয়ার কারণে বাংলাদেশে জিডিপির প্রায় ৮ শতাংশ কমে যায়।

রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘কর্মক্ষেত্র পুষ্টি কার্যক্রম: শিক্ষণ বিনিময়’ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান তিনি।

‘গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইম্প্রুভড নিউট্রিশন-গেইন’ নামে একটি উদ্যোগের সহযোগিতায় কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত পোশাক খাতের মালিকদের সবচেয়ে বড় দুই সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতাদেরকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পুষ্টিকর খাবার জনস্বাস্থ্যের তথা শারীরিক বৃদ্ধি, মেধা বিকাশ ও যথাযথ কর্মক্ষমতার জন্য খুবই গুরত্বপূর্ণ। তাই মালিকরা কারখানায় শ্রমিকদের যে নাস্তা দেয়, সেগুলো যেন পুষ্টিকর হয়।

‘কারণ পুষ্টিকর খাবার খেয়ে শ্রমিক সুস্থ থাকলে উৎপাদন বাড়বে এবং এতে মালিকরাই লাভবান হবে। অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদী অপুষ্টি শ্রমিকের কর্মক্ষমতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে।

এ বিষয়ে সরকারের করণীয় উল্লেখ করে শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার শুধু শ্রমিক নয় সকল জনগণের অপুষ্টির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। বাংলাদেশের মানুষের পুষ্টির অবস্থার উন্নতির জন্য সরকার পুষ্টি নীতি-২০১৫ প্রণয়ন করেছে এবং দ্বিতীয় জাতীয় পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা (২০১৬-২০২৫) গ্রহণ করেছে। সবাই মিলে সতের কোটি মানুষকে পুষ্টির বেড়াজালে আটকাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উত্তরাঞ্চল থেকে মঙ্গাকে বিদায় করেছি, খাদ্য ঘাটতিকে দূর করেছি, মধ্যম আয়ের উন্নীত হয়েছি।’

নীতি, প্রশাসনিক দক্ষতা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকারের মাধ্যমে দেশের শুধু শ্রমজীবী মানুষই নয় সব নাগরিকের অপুষ্টিজনিত ঘাটতি দূর করার লক্ষ্য অর্জনে সরকার সফল হবে বলে প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রতিমন্ত্রী অনুষ্ঠানে সরকারী বেসরকারী উদ্যোগে একটি পুষ্টি কালচার তৈরির আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তৃতায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এহছানে এলাহী বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে স্বাস্থ্যই সম্পদ। আগামীতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মাধ্যমে পুষ্টি বিষয়ে শ্রমিকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে আরও বেশি বেশি প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।’

সেমিনারে কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এর মহাপরিদর্শক মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ, বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান, বিকেএমইএর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মনসুর আহমেদ, আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর তোমো পুতিআইনেন, ন্যাশনাল নিউট্রেশন সার্ভিসের লাইন ডিরেক্টর ডা. এস এম মোস্তাফিজুর রহমান, কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের যুগ্ম-মহাপরিদর্শক ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং গেইনের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. রুদাবা খন্দকার বক্তব্য দেন।

ওয়ার্ক ফোর্স নিউটেশন এবং ইভালুয়েশন এন্ড লার্নিং এর ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নাজমা শাহীন এবং ডা. সাইদ আবুল হামিদ।

আরও পড়ুন:
ই-কমার্সের নিবন্ধন এক মাসের মধ্যে শুরু
বিলুপ্তি না সচল: ইভ্যালির ভাগ্যে কী
আদিয়ান মার্টের বিরুদ্ধে ৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
প্রতারণার অভিযোগে আদিয়ান মার্টের সিইওসহ গ্রেপ্তার ৪
অনিবন্ধিত ই-কমার্সের দায় নেবে না সরকার 

শেয়ার করুন

তামাক কোম্পানির সিএসআর বন্ধের আহ্বান

তামাক কোম্পানির সিএসআর বন্ধের আহ্বান

রোববার ‘তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ সূচক’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে অতিথিরা।

সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘কোভিডের চেয়ে তামাকের কারণে বাংলাদেশে অনেক বেশি মানুষ মারা যাচ্ছে। অথচ তামাক নিয়ন্ত্রণে সরকার কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছে না। আসলে সরকারি সংস্থাগুলো এফসিটিসি এবং প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকে ধারণ করছে কি না সেটাই মৌলিক প্রশ্ন।’

তামাক কোম্পানির সব সিএসআর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছে তামাকবিরোধী সংগঠন প্রগতির জন্য জ্ঞান (প্রজ্ঞা)।

সংগঠনটি জানিয়েছে, তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ সূচক-২০২১ এ বাংলাদেশের স্কোর ৭২। গত বছর এই স্কোর ছিল ৬৮। করোনাভাইরাস মহামারিতে কোম্পানিগুলোর আগ্রাসী কার্যক্রমে হুমকির মুখে পড়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফ্রেমওর্য়াক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোলের (এফসিটিসি) কার্যকর বাস্তবায়ন এবং তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য। ব্যবসা চালু রাখতে তামাক কোম্পানিগুলো সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচি (সিএসআর), লবিং, অনুদান ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারসহ বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করছে।

রোববার ঢাকায় প্রকাশিত ‘তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ সূচক: এফসিটিসি আর্টিক্যাল ৫.৩ বাস্তবায়ন প্রতিবেদন, বাংলাদেশ ২০২১’ গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা এবং অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স (আত্মা) আয়োজিত অনুষ্ঠানে গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘কোভিডের চেয়ে তামাকের কারণে বাংলাদেশে অনেক বেশি মানুষ মারা যাচ্ছে। অথচ তামাক নিয়ন্ত্রণে সরকার কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছে না। আসলে সরকারি সংস্থাগুলো এফসিটিসি এবং প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকে ধারণ করছে কি না সেটাই মৌলিক প্রশ্ন।’

অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে অর্থনীতিবিদ এবং জাতীয় তামাকবিরোধী মঞ্চের আহ্বায়ক ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, ‘হস্তক্ষেপ সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান খুবই নাজুক। এমনকি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ, সেটা কেন?’

তিনি বিএটিবির শেয়ার প্রত্যাহার এবং তামাকের ২৫ শতাংশ রপ্তানি শুল্ক পুনর্বহালের দাবি জানান।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি সাংবাদিক এবং টিভি টুডের এডিটর ইন চিফ মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, ‘সরকারি সংস্থাগুলোকে সচেতন করতে হবে যাতে তারা তামাক কোম্পানি থেকে কোনো সহায়তা না নেয়। তামাক কোম্পানির সহায়তা নেয়া এফসিটিসির সুস্পষ্ট লংঘন এবং প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।’

মূল গবেষণা তুলে ধরেন প্রজ্ঞার তামাক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কর্মসূচি প্রধান মো. হাসান শাহরিয়ার।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশে তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ বেড়েছে এবং আর্টিক্যাল ৫.৩ এর নির্দেশনা বাস্তবায়নে কোনো অগ্রগতি হয়নি। আবারও কূটনৈতিক মাধ্যম ব্যবহার করে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ এবং প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চলছে।

গবেষণায় জানানো হয়, ‘জাপান টোব্যাকো ইন্টারন্যাশনাল (জেটিআই) কোম্পানির পক্ষে অর্থমন্ত্রীকে লেখা জাপানি রাষ্ট্রদূতের চিঠিতে বলা হয়েছে, জেটিআইর ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমন কোনো তামাকনিয়ন্ত্রণ পদক্ষেপ নেয়া হলে সেটি বাংলাদেশে ভবিষ্যত জাপানি বিনিয়োগের (এফডিআই) পথে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করবে।’

গবেষণায় আরও বলা হয়, ২০২০ সালে করোনা মহামারি চলার সময় তামাক কোম্পানিগুলো যেভাবে কথিত সিএসআর কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিল, এর আগে সেটি কখনও দেখা যায়নি। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থাও তামাক কোম্পানিগুলোকে পুরস্কৃত করেছে।

গবেষণার সুপারিশে তামাক কোম্পানির সিএসআর কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধসহ তামাকনিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করে এফসিটিসির সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করার তাগিদ দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
ই-কমার্সের নিবন্ধন এক মাসের মধ্যে শুরু
বিলুপ্তি না সচল: ইভ্যালির ভাগ্যে কী
আদিয়ান মার্টের বিরুদ্ধে ৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
প্রতারণার অভিযোগে আদিয়ান মার্টের সিইওসহ গ্রেপ্তার ৪
অনিবন্ধিত ই-কমার্সের দায় নেবে না সরকার 

শেয়ার করুন

‘বঙ্গোপসাগরের ৮০ ভাগে এখনো হাতই পড়েনি’

‘বঙ্গোপসাগরের ৮০ ভাগে এখনো হাতই পড়েনি’

ফাইল ছবি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন বলেন, ‘মেরিন ট্যুরিজম বর্তমান বিশ্বে একটি সম্ভাবনাময় খাত। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই খাতে নিজেদেরকে এগিয়ে নিতে হবে।’

বাংলাদেশ গভীর সমুদ্রের মাত্র ২০ ভাগ এলাকায় মাছ আহরণ করে থাকে। বাকি ৮০ শতাংশ অধরা রয়ে গেছে। বঙ্গোপসাগরের এসব এলাকায় এখনও মৎস্যজীবীদের হাতই পড়েনি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন।

রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা) আয়োজিত ব্লু ইকোনমি অন ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট সামিটে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ড. মোমেন বলেন, মৎস্য শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মাত্র ১২ শতাংশ অবদান রাখে। দেশের মানুষের প্রাথমিক প্রোটিনের যোগান, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, বৈদেশিক আয় ও খাদ্য নিরাপত্তা মৎস্য শিল্পের সঙ্গে জড়িত। তবে বাস্তবতা হল গভীর সমুদ্র থেকে মৎস্য আহরণে বাংলাদেশ এখনও পিছিয়ে আছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘সমুদ্রে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। আমাদের সমুদ্রে ৪৭৫টি জলজ প্রাণী রয়েছে। কিন্তু আমরা আহরণ করি মাত্র ১২০ প্রজাতির মাছ। অর্থাৎ মাত্র ২৫ শতাংশ মাছ ধরছি আমরা। গভীর সমুদ্রের মাত্র ৫০ থেকে ৬০ নটিক্যাল মাইলের মধ্যে আমরা মাছ ধরে থাকি।

‘অন্যদিকে বিশ্ব চাহিদার কারণে দেশে জাহাজ নির্মাণ শিল্প উত্তরোত্তর উন্নতি করছে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী জাহাজ নির্মাণ শিল্প ১৬শ’ বিলিয়ন ডলারের। বাংলাদেশ এর ১ শতাংশ দখল করতে পারলেও ১৬ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হতে পারে।’

মোমেন বলেন, ‘বাংলাদেশের তেল ও গ্যাস শিল্প বিদেশি বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। মেরিন ট্যুরিজম বর্তমান বিশ্বে একটি সম্ভাবনাময় খাত। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই খাতে নিজেদেরকে এগিয়ে নিতে হবে।

‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বঙ্গোপসাগরের সামুদ্রিক সম্পদের ওপর বাংলাদেশের মানুষের সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সমুদ্রসম্পদ অনুসন্ধান ও আহরণের জন্য ১৯৭৪ সালে টেরিটোরিয়াল ওয়াটার অ্যান্ড মেরিটাইম জোন আইন প্রণয়ন করেন।’

আরও পড়ুন:
ই-কমার্সের নিবন্ধন এক মাসের মধ্যে শুরু
বিলুপ্তি না সচল: ইভ্যালির ভাগ্যে কী
আদিয়ান মার্টের বিরুদ্ধে ৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
প্রতারণার অভিযোগে আদিয়ান মার্টের সিইওসহ গ্রেপ্তার ৪
অনিবন্ধিত ই-কমার্সের দায় নেবে না সরকার 

শেয়ার করুন

‘বদলে যাওয়া বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের বড় বাজার’

‘বদলে যাওয়া বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের বড় বাজার’

রোববার রাজধানীর রেডিসন হোটেলে শুরু হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট সামিট। ছবি: নিউজবাংলা

সালমান এফ রহমান বলেন, ‘অবকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে বাংলাদেশে এখন পুরোপুরি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গত ১২ বছরে আমরা নতুন বাংলাদেশ তৈরি করতে পেরেছি। বদলে যাওয়া বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের বড় বাজার। বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ আসছে। বাড়ছে দেশি বিনিয়োগও।’

বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সরকার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে, তবে মুনাফা কতটুকু হবে সে বিষয়ে সরকারের কিছুই করণীয় নেই বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। তিনি বলেছেন, অবকাঠামো খাতের উন্নয়নসহ ব্যবসা করার ক্ষেত্রে সহজ উপায় বের করতে নানামুখী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে রোববার রাজধানীতে শুরু হয়েছে দু’দিনব্যাপী ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট সামিট (আইআইএস)। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদ ভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন সরকার প্রধান।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন বোর্ডের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সামিটে অংশ নিচ্ছে ৫৪টি দেশ। অনলাইনে যুক্ত হতে বিদেশ থেকে দু’হাজার ৫৭৪ জন ও দেশের দু’হাজার ১০৯ জন নিবন্ধন করেছেন।

রাজধানীর রেডিসন হোটেলে শুরু হওয়া সম্মেলনটি শেষ হবে সোমবার। সমাপনী অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল উপস্থিত থাকবেন।

সামিটে যোগ দিতে বেশ কয়েকটি দেশের সরকারি-বেসরকারি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে এসেছে। অনুষ্ঠানে সরাসরি যোগ দিতে সৌদি আরবের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধি দল এখন ঢাকায়। ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী ও চীনের ভাইস মিনিস্টার (বাণিজ্য মন্ত্রণালয়) ভিডিও বার্তা পাঠিয়েছেন। এছাড়া জাপানের একজন ভাইস মিনিস্টারের বার্তা ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি সম্মেলনে পড়ে শোনান।

সামিটে বিডার পক্ষ থেকে ১১টি খাতকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। তবে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কেউ এর বাইরে অন্য কোনো খাত নিয়ে আগ্রহ দেখালে তা নিয়েও আলোচনার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

এর আগে ২০১৬ সালে সর্বশেষ বিনিয়োগ সম্মেলন (ইনভেস্টমেন্ট সামিট) অনুষ্ঠিত হয়।

সালমান এফ রহমান বলেন, ‘দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমরা নীতি সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ বিনিয়োগের সফলতা পেতে পারে। এদেশে বিনিয়োগ করে বিনিয়োগকারীরা লাভবান হবেন।

‘অবকাঠামোগত এসব উন্নয়নের ফলে বাংলাদেশে এখন পুরোপুরি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ রয়েছে। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল ও বন্দরসহ বড় বড় বহু প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গত ১২ বছরে আমরা নতুন বাংলাদেশ তৈরি করতে পেরেছি। বদলে যাওয়া বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের বড় বাজার। বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ আসছে। বাড়ছে দেশি বিনিয়োগও। একইসঙ্গে এখানে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, ‘গত কয়েক বছর ৬ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। জিডিপি ৪১১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। মাথাপিছু গড় আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৫৫৪ ডলার। আগের হিসেবে তা ছিল দুই হাজার ২২৭ ডলার। দেশের অভ্যন্তরে কৃষি, শিল্প ও সেবাসহ সব খাত এগিয়ে যাচ্ছে। সবজি উৎপাদনে আমরা বিশ্বে তৃতীয়, চাল উৎপাদনে চতুর্থ স্থানে রয়েছি।

‘তৈরি পোশাক, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, আইসিটি, প্লাস্টিক, চামড়াজাতীয় পণ্যসহ বাংলাদেশে কয়েকটি খাতে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। দেশে একশ’ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন হচ্ছে। এখানে বিনিয়োগে সব ধরনের সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে।’

বিডার আয়োজনে সামিটে সহযোগী হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ ইকোনমিক জোনস অথরিটি (বেজা), বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনস অথরিটি (বেপজা), বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক অথরিটি (বিএইচটিপিএ), পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষ (পিপিপিএ), ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এবং ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই)।

এছাড়াও ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন ও ইউকেএইড সামিট আয়োজনে সহায়তা করছে।

সম্মেলনের প্রথম দিন বিজনেস সেশনে ‘ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড লজিস্টিক: দ্য রাইট মুভ’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া ‘ক্যাপিটাল মার্কেট: দ্য রাইজিং টাইগার’, ‘পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি: চার্জ অ্যাহেড’, ‘লিগাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার, ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস: এনশিউরিং সাসটেইন গ্রোথ’, ‘এগ্রোবিজনেস: গ্রোথ বাই ন্যাচার’, ‘লেদার অ্যান্ড লেদারগুডস: স্টেপ ইট আপ’, ‘রেডিমেড গার্মেন্টস অ্যান্ড টেক্সটাইল: ওয়েভিং দ্য ওয়ে’, ‘ইলেকট্রিক্যাল ইলেক্ট্রনিকস ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড প্লাস্টিক গুডস: রাইড দ্য কারেন্ট’ বিষয়ে সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন সোমবার প্লেনারি সেশনে থাকছে ইনভেস্টমেন্ট কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড বিজনেস এনভায়রনমেন্ট: রেসিং নিউ হাইস্ট ইন দ্য নিউ নরমাল শীর্ষক আলোচনা। দুটি বিজনেস সেশন ইন প্যারালালে থাকছে ইকোনমিক জুন: এক্সেডিং অল এক্সপেক্টেশনস, ব্লু ইকোনমি: ডিসকভার দ্য ফিউচার, লেভেরাজিং ফোর্থ-আইআর: নিউজ এভিনিউ ফর ইনোভেটিভ ইনভেস্টমেন্ট, হেলথ অ্যান্ড ফার্মাসিটিক্যালস: অ্যাফর্ডেবল ওয়েলবিং: হেলদি লিভিং ফর অল শীর্ষক আলোচনা।

আরও পড়ুন:
ই-কমার্সের নিবন্ধন এক মাসের মধ্যে শুরু
বিলুপ্তি না সচল: ইভ্যালির ভাগ্যে কী
আদিয়ান মার্টের বিরুদ্ধে ৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
প্রতারণার অভিযোগে আদিয়ান মার্টের সিইওসহ গ্রেপ্তার ৪
অনিবন্ধিত ই-কমার্সের দায় নেবে না সরকার 

শেয়ার করুন