ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আ. লীগ জনপ্রিয়: কাদের

ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আ. লীগ জনপ্রিয়: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, দেশের প্রতিটি খাতে এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন এবং সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রা। এ অবস্থায় দেশের মানুষ বিএনপির অপরাজনীতির পরিবর্তন চায়।’

আওয়ামী লীগ ভুল থেকে শিক্ষা নিতে জানে বলে জনপ্রিয়-বলেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ক্ষমতার রাজনীতিতে বিএনপিকে মানুষ আওয়ামী লীগের বিকল্প ভাবতে পারছে না বলেও মনে করেন তিনি।

রোববার তার সরকারি বাসভবনে ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে তিনি একথা বলেন।

ভুল থেকে শিক্ষা নিতে না পারাই বিএনপির বড় ব্যর্থতা উল্লেখ করে কাদের বলেন, ‘ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার সৎ সাহস আছে বলেই আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তার পাল্লা এখন অনেক ভারী।

‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, দেশের প্রতিটি খাতে এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন এবং সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রা। এ অবস্থায় দেশের মানুষ বিএনপির অপরাজনীতির পরিবর্তন চায়।’

বিএনপির ‘ভুল’ কোথায়, তাও তুলে ধরেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। বলেন, ‘বিরোধী রাজনৈতিক দল হিসেবে জনগণের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন বিএনপির রাজনীতিতে নেই, নেই কোন রাজনৈতিক ইতিবাচক কর্মসূচি।’

বিএনপি জনপ্রত্যাশা থেকে ছিটকে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি কাদের। বলেন, ‘সরকার চায় শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল বিরোধী দল কিন্তু বিএনপি মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় তুলতে চায় তাদের আন্দোলন কথা সর্বস্ব এবং ভার্চুয়াল। বিএনপির এসব কর্মসূচির সঙ্গে জনগণ ও রাজপথের কোনো সংযোগ নেই।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি নেতারা সর্বত্র নৈরাজ্য দেখতে পায়, তারা দেশের ভালো কিছু দেখতে পায় না। বিএনপি সকালের স্নিগ্ধ আলোয় দেখে সন্ধ্যার অন্ধকার। তারা এতটাই একচোখা যে, গত একযুগের বেশি সময় সরকারের একটা ভালো কাজও দেখতে পাননি।’

চারদিকে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা, মানুষ পরিবর্তন চায় বিএনপির এমন মন্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘নেতিবাচক রাজনীতির কারণে বিএনপির অবস্থাই এখন শ্বাসরুদ্ধকর। একদিকে নির্বাচন ও আন্দোলনের ব্যর্থতা, অপরদিকে কর্মী সমর্থকদের হতাশা, সবমিলিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা বিরাজ করছে।

‘হঠকারী রাজনীতি এবং ধর্মান্ধ ও ক্ষমতালোভী নেতৃত্ব বিএনপিকে আজ কঠিন সময়ের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি যদি নিজেদের বদলাতে না পারে, তাহলে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হতে হবে মুসলিম লীগের মতো। দেশের মানুষ বিএনপির উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর লালন পালন থেকে পরিবর্তন চায়, পরিবর্তন চায় বিএনপি জনগণের প্রতি দায়িত্বশীল হোক। জনগণ চায় বিএনপি অগণতান্ত্রিক পথে না হেঁটে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য স্বীকৃত ও সাংবিধানিক পথে আসুক।’

আরও পড়ুন:
ইউপি নির্বাচন নিয়ে দল দুর্বিষহ অবস্থায়: কাদের
‘বিএনপি নেতাদের মিথ্যাচার গোয়েবলসকেও হার মানায়’
বিআরটিএ অফিসে শর্ষের মধ্যে ভূত: কাদের

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ভোটে হেরে ‘ফেরত নিলেন’ অনুদানের কম্বল

ভোটে হেরে ‘ফেরত নিলেন’ অনুদানের কম্বল

পরাজিত সদস্য প্রার্থী রমেছা খানম তার দেয়া অনুদানের কম্বল ফেরত নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ছবি: নিউজবাংলা

কম্বল পাওয়া অনু মিয়া বলেন, ‘যে কাজটি রমেছা খানম করলেন তা এলাকাবাসী দেখলেন। গরীবদের প্রতি তার অবিচার আগে থেকেই। এ জন্য তার পক্ষে নির্বাচন করিনি। এ কারণেই তিনি আজ সকালে (সোমবার) এসে সব কম্বল নিয়ে গেছেন।’

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ভোটে হেরে যাওয়ায় চারজনকে দেয়া অনুদানের কম্বল ফিরিয়ে নিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী রমেছা খানম। ওই চারজন এমন অভিযোগ করেছেন।

তারা বলছেন রমেছার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় ও সেই প্রার্থী বিজয়ী হওয়ায় ক্ষেপে গিয়ে রমেছা এ কাজ করেছেন।

রমেছা খানম সহদেবপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত আসনের সদস্য থাকাকালে দুই বছর আগে ইউপির অনুদানের টাকায় একটি করে কম্বল দেন আকুয়া গ্রামের মকবুল হোসেন, অনু মিয়া, মো. সংকু ও মো. বংকুকে। তারা চারজন ভাই।

ওই আসনের জন্য এবার রমেছার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জোসনা বেগম। ভোটে জয় হয় জোসনার। কম্বল পাওয়া চার ভাইয়ের বাড়ি জোসনার বাড়ির পাশেই। তারা জোসনার পক্ষে নির্বাচনে কাজও করেছেন বলে জানান।

এর মধ্যে মকবুল হোসেন বলেন, ‘আমার পাশের বাড়ির জোসনা বেগম এ বছর নির্বাচন করলে আমরা তার পক্ষে কাজ করি। এজন্য রমেছা আমাদেরকে দেয়া কম্বলগুলো নিয়ে গেছেন।’

অনু মিয়া বলেন, ‘যে কাজটি রমেছা খানম করলেন তা এলাকাবাসী দেখলেন। গরীবদের প্রতি তার অবিচার আগে থেকেই। এ জন্য তার পক্ষে নির্বাচন করিনি। এ কারণেই তিনি আজ সকালে (সোমবার) এসে সব কম্বল নিয়ে গেছেন।’

অভিযোগ সত্য কি না জানতে রমেছা খানমকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে পারব না।’

আরও পড়ুন:
ইউপি নির্বাচন নিয়ে দল দুর্বিষহ অবস্থায়: কাদের
‘বিএনপি নেতাদের মিথ্যাচার গোয়েবলসকেও হার মানায়’
বিআরটিএ অফিসে শর্ষের মধ্যে ভূত: কাদের

শেয়ার করুন

বন্দি খালেদার চিকিৎসায় বিদেশি চিকিৎসক আনতে বাধা নেই

বন্দি খালেদার চিকিৎসায় বিদেশি চিকিৎসক আনতে বাধা নেই

ফাইল ছবি

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া একজন বন্দি। দেশের ভেতরে যে কোনো জায়গায় তিনি চিকিত্সা নিতে পারবেন। কিন্তু বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হলে তাকে আইনি প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে এগুতে হবে। তবে বিদেশ থেকে কোন চিকিৎসক এনে তার চিকিত্সা করাতে কোনো বাধা নেই। এমনটি জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

সৌদি পরিবহন মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার সময় কূটনৈতিকদের এমনটি জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

বিস্তারিত আসছে….

আরও পড়ুন:
ইউপি নির্বাচন নিয়ে দল দুর্বিষহ অবস্থায়: কাদের
‘বিএনপি নেতাদের মিথ্যাচার গোয়েবলসকেও হার মানায়’
বিআরটিএ অফিসে শর্ষের মধ্যে ভূত: কাদের

শেয়ার করুন

চর দখলের মতো ইউপি নির্বাচনে কেন্দ্র দখল: জি এম কাদের

চর দখলের মতো ইউপি নির্বাচনে কেন্দ্র দখল: জি এম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বক্তব্য দেন জি এম কাদের। ছবি: নিউজবাংলা

জি এম কাদের বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যেভাবে সহিংসতা হচ্ছে তা সভ্য সমাজে মেনে নেয়া যায় না। ইউপি নির্বাচনে চর দখলের মতো কেন্দ্র দখলের মহড়া হচ্ছে। পাল্টাপাল্টি হামলা আর খুনোখুনিতে ভীতিকর অবস্থা বিরাজ করছে গ্রামাঞ্চলে। দেশের মানুষ খুনোখুনির নির্বাচন চায় না। কোথাও কোথাও নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেয়া হচ্ছে- এমন অভিযোগও রয়েছে।’

গত তিন ধাপে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চর দখলের মতো কেন্দ্র দখলের মহড়া চলেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

সোমবার দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ের বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার (বিপিইউএম) সঙ্গে মতবিনিময় সভায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এ অভিযোগ তোলেন।

জি এম কাদের বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যেভাবে সহিংসতা হচ্ছে তা সভ্য সমাজে মেনে নেয়া যায় না। ইউপি নির্বাচনে চর দখলের মতো কেন্দ্র দখলের মহড়া হচ্ছে। পাল্টাপাল্টি হামলা আর খুনোখুনিতে ভীতিকর অবস্থা বিরাজ করছে গ্রামাঞ্চলে।

‘দেশের মানুষ খুনোখুনির নির্বাচন চায় না। কোথাও কোথাও নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেয়া হচ্ছে- এমন অভিযোগও রয়েছে।’

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, ‘নির্বাচনকে অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে নির্বাচন কমিশন পুরোপুরি ব্যর্থ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সামনে অস্ত্রের মহড়া দেখে সাধারণ মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ছে।’

আগামী নির্বাচনগুলো যেন অবাধ, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর হয়, সে জন্য কার্যকর উদ্যোগ নিতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান জি এম কাদের।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফকরুল ইমাম, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়াসহ বিপিইউএম নেতারা।

আরও পড়ুন:
ইউপি নির্বাচন নিয়ে দল দুর্বিষহ অবস্থায়: কাদের
‘বিএনপি নেতাদের মিথ্যাচার গোয়েবলসকেও হার মানায়’
বিআরটিএ অফিসে শর্ষের মধ্যে ভূত: কাদের

শেয়ার করুন

সরকার খালেদা জিয়াকে ভয় পায়: রিজভী

সরকার খালেদা জিয়াকে ভয় পায়: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। ছবি: নিউজবাংলা

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী বলেন, ‘সরকার গণতন্ত্রের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ভয় পায়। এ কারণে খুনের আসামির সাজা মাফ করলেও খালেদা জিয়ার মুক্তি মিলছে না।’

খুনের আসামির সাজা মওকুফ হলেও গণতন্ত্রের নেত্রীর মুক্তি মিলছে না মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী বলেন, এর কারণ সরকার খালেদা জিয়াকে ভয় পায়।

রাজধানীর শান্তিনগর বাজারে সোমবার দুপুরে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে স্বেচ্ছাসেবক দলের লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সরকার গণতন্ত্রের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ভয় পায়। এ কারণে খুনের আসামির সাজা মাফ করলেও খালেদা জিয়ার মুক্তি মিলছে না।’

রিজভী বলেন, ‘দল-মত নির্বিশেষে সবাই খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা নিশ্চিতের দাবি তুলছে, কিন্তু অবৈধ সরকার কোনো কিছুতেই কর্ণপাত করছে না। ফ্যাসিবাদের রূপ নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে তারা। দয়া, মানবতা বলতে কিছু নেই তাদের। এর মধ্য দিয়ে সরকার খালেদা জিয়ার চিকিৎসা পাওয়ার মৌলিক অধিকার হরণ করেছে।’

খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ নেয়ার দাবি জানিয়ে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াকে এই মুহূর্তে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেয়া প্রয়োজন।’

এ সময় মেডিক্যাল বোর্ডের বক্তব্য গুরুত্বের সঙ্গে নিতে সরকারের প্রতি আহ্বানও জানান রিজভী।

অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিন আলী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম ফিরোজসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ইউপি নির্বাচন নিয়ে দল দুর্বিষহ অবস্থায়: কাদের
‘বিএনপি নেতাদের মিথ্যাচার গোয়েবলসকেও হার মানায়’
বিআরটিএ অফিসে শর্ষের মধ্যে ভূত: কাদের

শেয়ার করুন

ভাগনে চেয়ারম্যান, আনন্দ আয়োজনে মামার মৃত্যু

ভাগনে চেয়ারম্যান, আনন্দ আয়োজনে মামার মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ভাগনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় রঙ মেখে আনন্দ করার সময় মামার মৃত্যু হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

বাড়াদি ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান তোবারক হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনে জয়লাভ করায় সোমবার সকালে এলাকাবাসীর সঙ্গে আনন্দ করছিলেন আমার ছোট মামা। সবাই মিলে রং মাখামাখি করে আনন্দ করার সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ভাগনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় রং মেখে আনন্দ করার সময় মামার মৃত্যু হয়েছে।

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত ইকার উদ্দিন মালিথার বাড়ি আলমডাঙ্গা উপজেলার বাড়াদি ইউনিয়নের অনুপনগর গ্রামে। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য।

বাড়াদি ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান তোবারক হোসেন বলেন, ‘রোববার তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে বাড়াদি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী (মোটরসাইকেল) হিসেবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই। নির্বাচনে জেতায় সোমবার সকালে এলাকাবাসীর সঙ্গে আনন্দ করছিলেন আমার ছোট মামা।

‘এ সময় তিনি তার দোকান থেকে এলাকার সবাইকে চকলেট-বিস্কুট খাওয়াতে থাকেন। সবাই মিলে রং মাখামাখি করে আনন্দ করার সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক রিয়াসাদ জামান তুলন জানান, হাসপাতালে নেয়ার আগেই বীর মুক্তিযোদ্ধা ইকার উদ্দিনের মৃত্যু হয়। তিনি হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন। তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ইউপি নির্বাচন নিয়ে দল দুর্বিষহ অবস্থায়: কাদের
‘বিএনপি নেতাদের মিথ্যাচার গোয়েবলসকেও হার মানায়’
বিআরটিএ অফিসে শর্ষের মধ্যে ভূত: কাদের

শেয়ার করুন

জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে মামলা

জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে মামলা

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বহিষ্কৃত মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। ফাইল ছবি

সোমবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালতে মামলাটি করেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য ওমর ফারুক আসিফ।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বহিষ্কৃত মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা হয়েছে।

সোমবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালতে মামলাটি করেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য ওমর ফারুক আসিফ।

মামলার বাদী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য মোহাম্মদ ওমর ফারুক আসিফ।

আদালত বাদীর জবানবন্দি নিয়ে আগামী ৬ জানুয়ারির মধ্যে সিআইডিকে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দিয়েছে।

মামলার বাদী ওমর ফারুক আসিফ বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

গতকাল রোববার একই আদালতে আবেদন জমা দিলে বিচারক বাদিকে থানায় মামলা করার কথা বলেন।

তবে সোমবার বাদির জবানবন্দি নিয়ে সিআইডিকে মামলা তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দেন বিচারক।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, জাহাঙ্গীর আলম স্বাধীন বাংলার স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন। আসামির বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা সম্পর্কে ঔদ্ধত্যপূর্ণ, ঘৃণ্য, চরম অসত্য বক্তব্যে দেশের প্রতিটি নাগরিক তথা সমগ্র বাঙালি জাতি স্তম্ভিত এবং হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তার এরূপ বক্তব্য সকল ডিজিটাল মাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রচার ও প্রকাশিত হয়। যা ভাইরাল হয়ে যায়।

আসামি ডিজিটাল মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা সম্পর্কে ঔদ্ধত্যপূর্ণ, ঘৃণ্য, চরম অসত্য প্রপাগান্ডা করে এবং প্রচার করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অপরাধ করেছেন।

মামলা করার বিষয়ে বাদী এজাহারে বলে, গত ২২ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টার কিছু আছে ভাইরাল হওয়া অডিও/ভিডিও শোনেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন কর্মী এবং স্বাধীন বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা সম্পর্কে আসামির এরূপ ঔদ্ধত্যপূর্ণ, ঘৃণ্য, চরম অসত্য বক্তব্যে স্তম্ভিত, মর্মাহত হয়ে মামলাটি করেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর আলমকে আওয়ামী লীগ থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়।

১৯ নভেম্বর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয় দলটি। এরপর ২৫ নভেম্বর তাকে মেয়র পদ থেকেও বহিষ্কার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এর আগে বহিষ্কৃত মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধূকে নিয়ে কটূক্তি করায় রাজবাড়ী, মাদারীপুর ও পঞ্চগড়েও মামলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ইউপি নির্বাচন নিয়ে দল দুর্বিষহ অবস্থায়: কাদের
‘বিএনপি নেতাদের মিথ্যাচার গোয়েবলসকেও হার মানায়’
বিআরটিএ অফিসে শর্ষের মধ্যে ভূত: কাদের

শেয়ার করুন

নৌকার চেয়ারম্যানের ভাগনেকে পিটিয়ে হত্যা

নৌকার চেয়ারম্যানের ভাগনেকে পিটিয়ে হত্যা

প্রতীকী ছবি

চকরিয়া থানার ওসি ওসমাণ গণি জানান, রোববার বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী আরিফ জয়ী হন। ফল ঘোষণার পর মিছিল বের করেন তিনি। গাউসিয়া মসজিদ হেফজখানা এলাকায় রাত পৌনে ১১টার দিকে মিছিলে হামলা চালায় চশমা প্রতীকের বিদ্রোহী প্রার্থী হেফাজ সিকদারের এক থেকে দেড় শ সমর্থক।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় আওয়ামী লীগের নতুন চেয়ারম্যান নুরে হোছাইন আরিফের ভাগনেকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

বদরখালী ইউনিয়নে রোববার রাত পৌনে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে সোমবার দুপুরে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওসমাণ গণি বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

নিহত গিয়াস উদ্দিন মিন্টুর বাড়ি ১ নম্বর ওয়ার্ড ঢেমুশিয়া পাড়ায়।

স্থানীয়দের বরাতে ওসি জানান, রোববার বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী আরিফ জয়ী হন। ফল ঘোষণার পর মিছিল বের করেন তিনি। গাউসিয়া মসজিদ হেফজখানা এলাকায় রাত পৌনে ১১টার দিকে মিছিলে হামলা চালায় চশমা প্রতীকের বিদ্রোহী প্রার্থী হেফাজ সিকদারের এক থেকে দেড় শ সমর্থক।

এ সময় আরিফের ভাগনে গিয়াস উদ্দিনকে লাঠি ও দা দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৩টার দিকে মিন্টুর মৃত্যু হয়।

ওসি ওসমাণ গণি আরও জানান, মরদেহ চকরিয়া হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
ইউপি নির্বাচন নিয়ে দল দুর্বিষহ অবস্থায়: কাদের
‘বিএনপি নেতাদের মিথ্যাচার গোয়েবলসকেও হার মানায়’
বিআরটিএ অফিসে শর্ষের মধ্যে ভূত: কাদের

শেয়ার করুন