× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
BPC in trouble with jetty crisis oil tankers
hear-news
player
print-icon

জেটি সংকট, তেলবাহী জাহাজ নিয়ে বিপাকে বিপিসি

জেটি-সংকট-তেলবাহী-জাহাজ-নিয়ে-বিপাকে-বিপিসি
পরিচয় গোপনের শর্তে বিপিসির এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ডলফিন জেটি ৫ ও ৬ দ্রুত চালুর সম্ভাবনা নেই। জেটি দুটি মেরামতের প্রস্তাব দিয়েছে চট্টগ্রাম ও খুলনা ড্রাইডক। এখনও কিছু চূড়ান্ত হয়নি। ততদিন জ্বালানি তেল খালাসে আমাদের এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।’

জ্বালানি তেল খালাসের ডলফিন জেটির সংকটে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসি। তেল খালাসের বিশেষায়িত তিনটি ডলফিন জেটির মধ্যে ৫ নম্বরটি জাহাজের ধাক্কায় অচল হয়ে পড়ে আছে। আর ৬ নম্বরটি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বন্ধ। ৭ নম্বর জেটিতেই অপরিশোধিত জ্বালানি খালাস করছে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড।

চাপ সামাল দিতে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে একটি ডলফিন জেটি ধার নিয়েছে বিপিসি। কিন্তু তাতেও কাটছে না সংকট। ধার করা সেই ৪ নম্বর জেটিটি দৈর্ঘ্যে ছোট হওয়ায় জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ ভিড়তে বেগ পেতে হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর ডেপুটি কনজারভেটর ক্যাপ্টেন ফরিদুল আলম বলেন, ‘জ্বালানি তেল খালাস নির্বিঘ্ন রাখতে চট্টগ্রাম বন্দর এগিয়ে এসেছে। ডলফিন জেটি-৪ বিপিসিকে সাময়িকভাবে দেয়া হয়েছে। কিন্তু সেই জেটিতে জাহাজ ভিড়াতে ঝামেলা হচ্ছে। কারণ জ্বালানি তেলের জাহাজগুলো বেশ বড়।’

আমদানি করা জ্বালানি তেলের খালাস নির্বিঘ্ন করতে রিভার মুরিং তিনটি জেটিকে ২০০৫ সালে ডলফিন জেটিতে রূপান্তর করে বিপিসি। সেগুলোর মধ্যে ডলফিন জেটি-৫ ব্যবহার করে মেঘনা পেট্রোলিয়াম, পদ্মা অয়েল কোম্পানি ব্যবহার করছে ডলফিন জেটি-৬। আর ডলফিন জেটি-৭ ব্যবহার করে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল খালাস করে রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত একমাত্র তেল শোধনাগার প্রতিষ্ঠান- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড।

পরিচয় গোপনের শর্তে বিপিসির এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জ্বালানি তেলবাহী জাহাজগুলো ডলফিন জেটি-৪ এর তুলনায় একটু বড়। ফলে সেখানে তেল খালাসে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। বন্দর সহযোগিতা করায় আমরা এখন পর্যন্ত বড় ঝামেলায় পড়িনি।’

তিনি বলেন, ‘ডলফিন জেটি-৫, ডলফিন জেটি-৬ খুব দ্রুত চালুর সম্ভাবনা নেই। জেটি দুটি মেরামত করতে চাইছে চট্টগ্রাম ও খুলনা ড্রাইডক। এখনো কিছু চূড়ান্ত হয়নি। ততদিন পর্যন্ত জ্বালানি তেল খালাসে আমাদের এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Wife confesses to killing her husband by drowning her in a bucket of water

স্বামীকে বালতির পানিতে চুবিয়ে হত্যায় স্ত্রীর স্বীকারোক্তি

স্বামীকে বালতির পানিতে চুবিয়ে হত্যায় স্ত্রীর স্বীকারোক্তি হত্যার শিকার মোশারফ হোসেন ভূইয়া (বায়ে)।
প্রতিবেশীদের কাছে শাহিনুর আক্তার দাবি করেছিলেন, শনিবার মধ্যরাতে ডাকাতেরা বাড়িতে এসে তার স্বামীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বাথরুমে নিয়ে বালতির পানিতে চুবিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে।

বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মোশারফ হোসেন ভূইয়া নামে এক দলিল লেখককে হত্যার মামলায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন স্ত্রী শাহিনুর আক্তার।

নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মহসিনের আদালতে সোমবার বিকেলে জবানবন্দি দেন শাহিনুর। আদালত ওই জবানবন্দি রেকর্ড করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।

এর আগে স্বামীকে হত্যার সন্দেহে রোববার শাহিনুর আক্তারকে আটক করেছিল পুলিশ।

আদালত পুলিশের পরির্দশক আসাদুজ্জামান জানান, নিহতের বড়ভাই সুলেইমানের করা মামলায় শাহিনুর আক্তারকে আদালতে তোলা হলে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তিনি। হত্যায় জড়িত থাকার কথা তিনি স্বীকার করেছেন।

রোববার দুপুরে সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের খালপাড় চেঙ্গাইন গ্রাম থেকে মোশারফের মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। মোশারফ ওই গ্রামেরই আব্দুল কাদির ভূইয়ার ছেলে।

এর আগে সকালে শাহিনুর আক্তার প্রতিবেশীদের জানান, শনিবার মধ্য রাতে ডাকাতরা বাড়িতে এসে তার স্বামীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বাথরুমে নিয়ে বালতির পানিতে চুবিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে। কিন্তু খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ডাকাতির কোনো আলামত পায়নি।

পরে শাহিনুর আক্তার একটি বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িত বলে তথ্য পায় পুলিশ। তাই স্বামীকে হত্যার সন্দেহে শাহিনুরকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় রাতেই নিহতের বড়ভাই শাহিনুরসহ দুজনকে আসামি করে মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
স্বামীকে বালতিতে চুবিয়ে মারার অভিযোগে স্ত্রী আটক
বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কে জন্ম নেয়া শিশুকে হত্যার অভিযোগ
বউ ফেরাতে আদালতে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The childs cremation is being done with the money collected to buy puja clothes

পূজার পোশাক কিনতে জমানো টাকায় হচ্ছে সন্তানের সৎকার

পূজার পোশাক কিনতে জমানো টাকায় হচ্ছে সন্তানের সৎকার করতোয়ায় ডুবে মারা গেছে রবিনের স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারের ৫ জন। ছবি: নিউজবাংলা
রবিন বলেন, ‘বাচ্চাটা খুব বায়না ধরেছিল নতুন কাপড় নেবে। আমি বলেছিলাম, মহালয়া শেষ হলে তারপর কিনে দেব। আমার বাচ্চার আর নতুন কাপড় পরানো হলো না। আমার আজ সব শেষ হয়ে গেল। কী নিয়ে বেঁচে থাকব আমি...?’

মহালয়া দেখতে গিয়ে নৌকাডুবিতে হারিয়েছেন স্ত্রী ও তিন বছরের ছেলেকে। ছেলের জন্য নতুন জামা কেনার টাকা জমিয়েছিলেন। সেই টাকায় এখন স্ত্রী-সন্তানের সৎকারের প্রস্তুতি নিচ্ছেন পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাঙ্গা ইউনিয়নের হাতিডুবা ছত্রশিকারপুর গ্রামের রবিন চন্দ্র রায়।

রবিন কাজ করেন ইটভাটার শ্রমিক হিসেবে। স্ত্রী মিনতি রাণী ও তিন বছরের ছেলে বিষ্ণু রায়সহ পরিবারের ৫ জনকে নিয়ে রোববার তিনি মহালয়া দেখতে করতোয়া নদীর ওপারে বদ্বেশ্বরী মন্দির যাচ্ছিলেন।

নৌকায় করে যাওয়ার সময় মাঝনদীতে সেটি ডুবে যায়। রবিন একা সাঁতরে তীরে ফেরেন। এরপর একে একে উদ্ধার হয় তার স্ত্রী-সন্তান এবং ছোট ভাইয়ের স্ত্রী লক্ষ্মী রাণী ও ৩ বছর বয়সী ভাতিজা দীপঙ্কর রায়ের মরদেহ।

রবিনের চোখেমুখে শূন্যতা। ভেজা কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘সারা দিন কাজ করে টাকা জমাচ্ছিলাম ছেলের নতুন কাপড়-চোপড় কেনার জন্য। সেই টাকা দিয়ে এখন লাশ সৎকার করতে হবে।

‘বাচ্চাটা খুব বায়না ধরেছিল নতুন কাপড় নেবে। আমি বলেছিলাম, মহালয়া শেষ হলে তারপর কিনে দেব। আমার বাচ্চার আর নতুন কাপড় পরানো হলো না। আমার আজ সব শেষ হয়ে গেল। কী নিয়ে বেঁচে থাকব আমি...?’

ওই নৌকায় থাকা দিপুও গিয়েছিলেন মন্দিরে।

তিনি বলেন, ‘আমরা মহালয়া দেখার জন্য যাচ্ছিলাম। মাঝখানে যাওয়ার পর হঠাৎ করে নৌকা দুলতে থাকে। তারপর আমি নিচে পড়ে যাই। কিছুক্ষণ কিছুই বুঝতে পারিনি। তারপর সাঁতার কাটালাম।

‘আমি আমার নিজ হাতে তিনটা লাশ উদ্ধার করেছি। আরও কয়েকজনকে বাঁচিয়েছি। বেশি লোক নেয়ায় নৌকাটা ডুবে যায়। ১০০ জনেরও বেশি লোক আমরা নৌকায় ছিলাম।’

দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমার ইউনিয়নের ৮ জনের লাশ পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ৪ জনই রবিনের স্বজন। বিষয়টি আসলে অনেক কষ্টদায়ক। পুরো এলাকায় শোকের পরিবেশ।’

বোদা উপজেলার মারেয়া আউলিয়া-বদ্বেশ্বরী ঘাটে করতোয়া নদীতে রোববার দুপুরে ডুবে যায় নৌকাটি। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত অর্ধশত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন:
করতোয়ায় নৌকাডুবি: দুই দিনে উদ্ধার ৫০ মরদেহ
করতোয়ায় নৌকাডুবিতে মৃত বেড়ে ৪৩
নৌকাডুবি: করতোয়ার পাড়ে ৫ নিখোঁজের অপেক্ষায় ধীরেন
পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি: মৃত বেড়ে ৩২
বাধা না মেনে অতিরিক্ত যাত্রী ওঠায় নৌকাডুবি: ডিসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Traffickers with endangered owls arrested

মহাবিপন্ন উল্লুকসহ পাচারকারী আটক

মহাবিপন্ন উল্লুকসহ পাচারকারী আটক বনবিভাগের তথ্যমতে, সারা দেশে মাত্র আড়াই শ’টি উল্লুক রয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
আটক সোহেল দাবি করেছেন, উল্লুকটিকে তিনি ১৬ হাজার টাকায় বান্দরবানের এক ব্যক্তির কাছ থেকে কিনেছেন। ভারতীয় পাচারকারীদের হাতে বেশি দামে এটিকে পৌঁছে দেয়াই ছিল তার উদ্দেশ্য।

পাচারের উদ্দেশে পরিবহনের সময় মহাবিপন্ন প্রাণী উল্লুকসহ এক পাচারকারীকে আটক করেছে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল।

রোববার গভীর রাতে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মিয়াবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে উল্লুকটি সহ পাচারকারী জুয়েল রহমান সোহেলকে আটক করা হয়।

২৭ বছর বয়সী সোহেলের বাড়ি খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১৭ নং ওয়ার্ডের হাফিজনগর এলাকায়।

সোমবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) এম তানভীর আহমেদ।

পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাসের নির্দেশে গোয়েন্দা পুলিশের ওসি রাজেস বড়ুয়ার নেতৃত্বে ওই অভিযানটি পরিচালিত হয়।

এ সময় ইম্পেরিয়াল এক্সপ্রেস নামে একটি যাত্রীবাহী বাসের ভেতর তল্লাশি চালিয়ে কৌশলে লুকিয়ে রাখা উল্লুকটিকে জব্দ করে গোয়েন্দা পুলিশ।

আটক সোহেল দাবি করেছেন, উল্লুকটিকে তিনি ১৬ হাজার টাকায় বান্দরবানের এক ব্যক্তির কাছ থেকে কিনেছেন। ভারতীয় পাচারকারীদের হাতে বেশি দামে এটিকে পৌঁছে দেয়াই ছিল তার উদ্দেশ্য।

মহাবিপন্ন উল্লুকসহ পাচারকারী আটক

তবে পাচারের আগেই ডিবি পুলিশের হাতে আটক হন সোহেল। পরে তার মোবাইল ফোন তল্লাশি করে আরও বহু বিপন্ন প্রাণীর ছবি পেয়েছে পুলিশ। এতে আটক সোহেলকে বন্যপ্রাণী পাচারকারী দলের সক্রিয় সদস্য হিসেবে সন্দেহ করা হচ্ছে।

কুমিল্লা ডিবির পুলিশের ওসি রাজেস বড়ুয়া জানান, বন্যপ্রাণী আইনে মামলা করে আটক সোহেলকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া উল্লুকটিকে কুমিল্লা বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কুমিল্লা বনবিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘উল্লুক মহাবিপন্ন প্রাণী। আমাদের হিসেব মতে, সারা দেশে মাত্র আড়াই শ’টি উল্লুক রয়েছে। এসব প্রাণী ভারত হয়ে মধ্যপ্রাচ্যর ধনী ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত চিড়িয়াখানায় স্থান পায়। মাঝে হাত বদলের সময় বড় অঙ্কের লেনদেন হয়। উদ্ধার করা উল্লুকটিকে আমরা খুব শীঘ্রই বনে উন্মুক্ত করবো।’

এদিকে, কুমিল্লা কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মুজিবুর রহমান বলেন, ‘সোহেলকে আদালতে নিয়ে এলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।’

আরও পড়ুন:
খাঁচামুক্ত প্রাণীর দাবিতে খাঁচাবন্দি সোহেল
২০ হাজার টাকায় বিক্রির খবরে জব্দ বিপন্ন গঙ্গা কাছিম
ব্যাঙ হত্যায় প্রথম শাস্তি পেলেন দুই যুবক
‘অজ্ঞাত প্রাণীর’ আতঙ্কে ৪ গ্রামের মানুষ
ফের গাইবান্ধায় ‘অচেনা প্রাণীর’ আক্রমণ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Boat sinking in Kartoa 48 bodies recovered in two days

করতোয়ায় নৌকাডুবি: দুই দিনে উদ্ধার ৫০ মরদেহ

করতোয়ায় নৌকাডুবি: দুই দিনে উদ্ধার ৫০ মরদেহ করতোয়ার পাড়ে স্বজনদের খোঁজে ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা
ডিসি বলেন, ‘নদীতে পানি বেশি ছিল, স্রোতও বেশি ছিল। নিষেধ করতে করতে সবাই উঠে যান। যেহেতু ধর্মীয় বিষয় সবাই উঠতে চাইছিলেন। এরপর মাঝনদীতে গিয়ে ডুবে যায় নৌকাটি।’

পঞ্চগড়ের বোদায় করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় সোমবার সন্ধ্যায় আরও ৭ মরদেহ উদ্ধারের কথা জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দীপঙ্কর রায়।

তিনি জানান, সোমবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে নৌকাডুবিতে দুই দিনে ৫০ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একজন নৌকার মাঝি।

সোমবার উদ্ধার মরদেহগুলোর মধ্যে দিনাজপুরের খানসামার আত্রাই নদী থেকে ৮ জনের, বোদায় ১৫ জনের ও দেবীগঞ্জে ২ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে।

সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৭ জন নিখোঁজের তথ্য দিয়েছে ঘটনাস্থলে বসানো জেলা প্রশাসনের তথ্য কেন্দ্র।

পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক সৈয়দ মাহাবুবুল আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৫টায় দ্বিতীয় দিনের মতো নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রংপুর, কুড়িগ্রাম ও রাজশাহী থেকে ডুবুরি দল এসেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিস।

‘ঘটনাস্থল করতোয়ার আউলিয়ার ঘাট থেকে ৩০ কিলোমিটার ভাটির দিকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা টহল দিচ্ছেন, নজর রাখছেন।’

করতোয়ায় নৌকাডুবি: দুই দিনে উদ্ধার ৫০ মরদেহ

বোদা উপজেলার মারেয়া আউলিয়া-বদ্বেশ্বরী ঘাটে করতোয়া নদীতে রোববার দুপুরে শতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ডুবে যায়, যার বেশির ভাগই মহালয়ার পুণ্যার্থী ছিলেন। তারা নদীর ওপারে বদ্বেশ্বরী মন্দিরে প্রার্থনা শেষে ফিরছিলেন।

এই প্রাণহানির জন্য অতিরিক্ত যাত্রী বহনকে দায়ী করেছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) জহুরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘নৌকায় অতিরিক্ত যাত্রী ছিল। ঘটনাস্থলে মারওয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও পুলিশ সদস্য ছিলেন। তারা সবাই ওই নৌকায় এত লোক উঠতে নিষেধ করেছিলেন।

‘গতকাল বৃষ্টি হওয়ার কারণে নদীতে পানি বেশি ছিল, স্রোতও বেশি ছিল। নিষেধ করতে করতে সবাই উঠে যান। যেহেতু ধর্মীয় বিষয় সবাই উঠতে চাইছিলেন। এরপর মাঝনদীতে গিয়ে ডুবে যায় নৌকাটি।’

মৃতদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

করতোয়ায় নৌকাডুবি: দুই দিনে উদ্ধার ৫০ মরদেহ

নৌকার বেঁচে যাওয়া যাত্রী মাড়েয়া বামনপাড়া এলাকার সুবাস চন্দ্র রায় বলেন, ‘নৌকায় দেড় শরও বেশি যাত্রী ছিল। আমরা ওঠার পর পরই নৌকায় পানি ঢুকতে শুরু করে। এ সময় মানুষজন নৌকার মধ্যেই হুড়োহুড়ি শুরু করে।

‘যে পাশেই যাচ্ছিলাম, সে পাশেই নৌকায় পানি ঢুকছিল। আমরা পাঁচ বন্ধু ছিলাম। কোনোমতে সাঁতার কেটে প্রাণে বেঁচে যাই। অন্য যাত্রীরা একে অন্যকে জড়িয়ে ধরে বাঁচার আকুতি করছিল। ওই মুহূর্তের বর্ণনা করতে পারব না। তবে এত মানুষ মারা যাবে, তা বুঝতে পারিনি।’

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ঢাকা সদর দপ্তরের পরিচালক অপারেশন লে. কর্নেল জিল্লুর রহমান বলেন, ‘পানিতে ডুবে থাকা যেকোনো মানুষ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ভেসে উঠবে। সে মোতাবেক ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা পর্যন্ত আমাদের অভিযান চলবে।’

এদিকে এই দুর্ঘটনা তদন্তে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথৈ আদিত্যকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ মৃত্যু
নৌকাডুবি: নিখোঁজ চাচা-ভাতিজাসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার
নৌকাবাইচ দেখতে গিয়ে ব্রহ্মপুত্রে নিখোঁজ দুই শিশু
রাজশাহীতে পদ্মায় নৌকাডুবি, ৩ জন নিখোঁজ
নৌকাডুবির ৩ দিন পর মিলল শিশুর মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Boda boat sinking death toll rises to 41

করতোয়ায় নৌকাডুবিতে মৃত বেড়ে ৪৩

করতোয়ায় নৌকাডুবিতে মৃত বেড়ে ৪৩
বোদা উপজেলার মারেয়া আউলিয়া-বদ্বেশ্বরী ঘাটে করতোয়া নদীতে রোববার দুপুরে শতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ডুবে যায়। যার বেশির ভাগই মহালয়ার পুণ্যার্থী ছিলেন। তারা নদীর ওপারে বদ্বেশ্বরী মন্দিরে প্রার্থনা শেষে ফিরছিলেন।

পঞ্চগড়ের বোদায় করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ১৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে নৌকার ৪৩ যাত্রী নিহত হয়েছেন।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দীপঙ্কর রায়।

তিনি জানান, নৌকাডুবির ঘটনার দ্বিতীয় দিন দিনাজপুরের খানসামার আত্রাই নদীর জিয়া সেতুর নিচ থেকে ৮ জনের, বোদায় ৮ জনের ও দেবীগঞ্জে ২ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে।

তিনি আরও জানান, প্রায় ৪০ জন এখনও নিখোঁজের তথ্য পাওয়া গেছে।

পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক সৈয়দ মাহাবুবুল আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৫টায় দ্বিতীয় দিনের মতো নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রংপুর, কুড়িগ্রাম ও রাজশাহী থেকে ডুবুরিদল এসেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পঞ্চগড় ফায়ার সার্ভিস।

‘ঘটনাস্থল করতোয়ার আউলিয়ার ঘাট থেকে ৩০ কিলোমিটার ভাটির দিকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা টহল দিচ্ছেন, নজর রাখছেন।’

করতোয়ায় নৌকাডুবিতে মৃত বেড়ে ৪৩

বোদা উপজেলার মারেয়া আউলিয়া-বদ্বেশ্বরী ঘাটে করতোয়া নদীতে রোববার দুপুরে শতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ডুবে যায়। যার বেশির ভাগই মহালয়ার পুণ্যার্থী ছিলেন। তারা নদীর ওপারে বদ্বেশ্বরী মন্দিরে প্রার্থনা শেষে ফিরছিলেন।

এই প্রাণহানির জন্য অতিরিক্ত যাত্রী বহনকে দায়ী করেছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) জহুরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘নৌকায় অতিরিক্ত যাত্রী ছিল। ঘটনাস্থলে মারওয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও পুলিশ ছিল। তারা সবাই ওই নৌকায় এত লোক উঠতে নিষেধ করেছিলেন।

‘গতকাল বৃষ্টি হওয়ার কারণে নদীতে পানি বেশি ছিল, স্রোতও বেশি ছিল। নিষেধ করতে করতে সবাই উঠে যায়। যেহেতু ধর্মীয় বিষয় সবাই উঠতে চাইছিলেন। এরপর মাঝনদীতে গিয়ে ডুবে যায় নৌকাটি।’

মৃত ৪৩ জনের মধ্যে ১২ জনই শিশু বলে জানান তিনি। আর ২২ জন নারী ও ৯ জন আছেন পুরুষ।

করতোয়ায় নৌকাডুবিতে মৃত বেড়ে ৪৩

নৌকার বেঁচে যাওয়া যাত্রী মাড়েয়া বামনপাড়া এলাকার সুবাস চন্দ্র রায় বলেন, ‘নৌকায় দেড়শরও বেশি যাত্রী ছিল। আমরা উঠার পরপরই নৌকায় পানি ঢুকতে শুরু করে। এ সময় মানুষজন নৌকার মধ্যেই হুড়োহুড়ি শুরু করে।

‘যে পাশেই যাচ্ছিলাম, সে পাশেই নৌকায় পানি ঢুকছিল। আমরা ৫ বন্ধু ছিলাম। কোনোমতে সাঁতার কেটে প্রাণে বেঁচে যাই। অন্য যাত্রীরা একে অন্যকে জড়িয়ে ধরে বাঁচার আকুতি করছিল। ওই মুহূর্তের বর্ণনা করতে পারব না। তবে এত মানুষ মারা যাবে, তা বুঝতে পারিনি।’

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর ঢাকা সদর দপ্তরের পরিচালক অপারেশন লেঃ কর্নেল জিল্লুর রহমান বলেন, ‘পানিতে ডুবে থাকা যে কোনো মানুষ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ভেসে উঠবে। সে মোতাবেক ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা পযর্ন্ত আমাদের অভিযান চলবে।’

এদিকে এই দুর্ঘটনা তদন্তে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথৈ আদিত্যকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
নৌকাডুবি: নিখোঁজ চাচা-ভাতিজাসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার
নৌকাবাইচ দেখতে গিয়ে ব্রহ্মপুত্রে নিখোঁজ দুই শিশু
রাজশাহীতে পদ্মায় নৌকাডুবি, ৩ জন নিখোঁজ
নৌকাডুবির ৩ দিন পর মিলল শিশুর মরদেহ
গড়াই নদীতে নৌকাডুবি: নিখোঁজ শিশু উদ্ধারে ডুবুরিদল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Maulvi died in the conflict between his wife and mother in law

বউ-শাশুড়ির দ্বন্দ্বে প্রাণ গেল মৌলভীর

বউ-শাশুড়ির দ্বন্দ্বে প্রাণ গেল মৌলভীর
মদন থানার ওসি ফেরদৌস আলম বলেন, ‘নিহত শফিকুল ইসলামের মরদেহ সোমবার ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

নেত্রকোণার মদন উপজেলায় পুত্রবধূ ও শাশুড়ির দ্বন্দ্বের জেরে হামলার ঘটনায় শফিকুল ইসলাম নামে প্রতিবেশী এক মৌলভী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নারী-শিশুসহ আরও সাতজন।

রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের রুদ্রশ্রী গ্রামে ওই হামলা ও হতাহতের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সোমবার দুপুরে স্বরূপা আক্তার নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে।

নিহত শফিকুল ইসলাম রুদ্রশী গ্রামের মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে। আর আহতরা হচ্ছেন একই গ্রামের ইব্রাহীম, মোবারক হোসেন, মাসুম মিয়া, মিনারা, জুনাঈদ, রিনা আক্তার ও কাদির মিয়া।

আহতদের মধ্যে প্রথম তিনজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এবং বাকিদের মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

মদন থানার ওসি ফেরদৌস আলম নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাতে ওসি জানান, রুদ্রশ্রী গ্রামের এলাল উদ্দিনের ছেলে মোবারক হোসেন কয়েক বছর আগে ফতেপুর মড়লপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের মেয়ে মুন্না আক্তারকে বিয়ে করেন।

রোববার সন্ধ্যায় তুচ্ছ বিষয় নিয়ে শাশুড়ি রিনা আক্তারের সঙ্গে মুন্না আক্তারের বাগবিতণ্ডা হয়। পরে রাগ করে বাবার বাড়িতে চলে যান মুন্না।

এ অবস্থায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে মুন্না আক্তারের বাবা আব্দুল মান্নান লোকজন নিয়ে ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার জামাতা মোবারক হোসেনের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালান। এ সময় প্রতিবেশী মৌলবি শফিকুল ইসলামকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এ ছাড়া জামাতা মোবারক হোসেনসহ আরও সাতজন গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক শফিকুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন।

মদন থানার ওসি ফেরদৌস আলম বলেন, ‘নিহত শফিকুল ইসলামের মরদেহ সোমবার ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

এ ছাড়া সোমবার দুপুরে আব্দুল মান্নানের স্ত্রী স্বরূপা আক্তারকে আটক করা হয়েছে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মামলা হয়নি।

আরও পড়ুন:
‘একঘরে’ নয়, সামাজিক অনুষ্ঠানে ‘বয়কট’
নারিকেল নিয়ে দ্বন্দ্বের বলি নারী
ভাবির বিরুদ্ধে ননদের শরীর ঝলসে দেয়ার অভিযোগ
‘মাছ মেরেছি, এরপর মারব মানুষ’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In what way is the Pakistan era better Fakhrulke Mozammel

পাকিস্তান আমল কোন দিক দিয়ে ভালো: ফখরুলকে মোজাম্মেল

পাকিস্তান আমল কোন দিক দিয়ে ভালো: ফখরুলকে মোজাম্মেল শরীয়তপুরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স উদ্বোধন করেন মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। ছবি: নিউজবাংলা
গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিএনপি মহাসচিব ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ‘পাকিস্তান সরকার থেকে বর্তমান সরকার আরও নিকৃষ্ট। আমরা পাকিস্তান আমলে আর্থিক ও জীবনযাত্রার দিক থেকে এর থেকে ভালো ছিলাম। তার পরও পাকিস্তান সরকার যেহেতু আমার অধিকার ও সম্পদ হরণ করত, সে কারণে আমরা যুদ্ধ করেছি। কিন্তু এখন তার থেকেও খারাপ অবস্থায় আমরা আছি।’

পাকিস্তান আমলে কোন দিক দিয়ে এখনকার চেয়ে ভালো ছিলেন- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে জানতে চেয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেছেন, মুক্তিযেদ্ধারা বঙ্গবন্ধুর কাছে অস্ত্র জমা দিয়েছেন, কিন্তু প্রশিক্ষণ ও চেতনা জমা দেননি। প্রয়োজনে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আবার যুদ্ধের নেতৃত্ব দেবে তারা।

সোমবার শরীয়তপুর সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের উদ্বোধন শেষে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিএনপি মহাসচিব ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ‘পাকিস্তান সরকার থেকে বর্তমান সরকার আরও নিকৃষ্ট। আমরা পাকিস্তান আমলে আর্থিক ও জীবনযাত্রার দিক থেকে এর থেকে ভালো ছিলাম। তার পরও পাকিস্তান সরকার যেহেতু আমার অধিকার ও সম্পদ হরণ করত, সে কারণে আমরা যুদ্ধ করেছি। কিন্তু এখন তার থেকেও খারাপ অবস্থায় আমরা আছি।’

এর জবাবে মির্জা ফখরুলকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘কোন মানদণ্ডে পাকিস্তান ভালো ছিল তা আপনি সুস্পষ্ট করুন।’

তিনি বলেন, ‘স্বাধীন বাংলাদেশে থেকে যারা বলে পাকিস্তান ভালো ছিল তাদের দাঁতভাঙা জবাব দিতে হবে, বিষদাঁত উপড়ে ফেলতে হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ছিল ২৭৮ ডলার, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১৯৭৬ সালে তা নেমে আসে ১২৩ ডলারে।’

৭৫-এর হাতিয়ার আবার গর্জে ওঠার বিষয়ে বিএনপির সমাবেশ থেকে যে বক্তব্য দেয়া হয়েছে, সেটি নিয়েও প্রশ্ন রাখেন মন্ত্রী। বলেন, ‘এ কথা দিয়ে কী বোঝাতে চাইছেন? বঙ্গবন্ধুর রক্তের ছিটেফোঁটা যা আছে, আজকের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কি তারা হত্যা করতে চান? যারা বলেন তাদের উদ্দেশ্য কী? তা জাতির সামনে পরিষ্কার করতে হবে।’

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে সরকার কাজ করছে বলেও জানান মোজাম্মেল হক। জানান, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নির্মিত প্রত্যেকটি মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে ক্যাপসুল লিফট বসানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্মাণাধীন বন্ধ থাকা ঘরগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণ করা হবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘রাজাকারদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। শিগগির তা প্রকাশ করা হবে।

বেলা ১১টার দিকে জেলা শহরের পালং স্কুল সড়কে সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু, শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক, পুলিশ সুপার সাইফুল হক।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এরপর মন্ত্রী যান জাজিরা উপজেলায়। সেখানে নির্মিত উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনও উদ্বোধন করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
ফখরুল পাকিস্তানের চর: আমু
পাকিস্তান নিয়ে বক্তব্য: ফখরুলকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান হানিফের
ফখরুলের পাকিস্তান আমলের প্রশংসা নির্লজ্জ দালালি: কাদের
পাকিস্তান আমলে আরও ভালো ছিলাম: ফখরুল

মন্তব্য

p
উপরে