রিমান্ডে আইসসহ গ্রেপ্তার ৬ কারবারি

রিমান্ডে আইসসহ গ্রেপ্তার ৬ কারবারি

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, আসামি এবং তাদের সহযোগীরা কক্সবাজারের টেকনাফের সীমান্ত এলাকা থেকে অবৈধ মাদক আইস ও ইয়াবা পাইকারি দামে কেনে। পরে তারা এসব মাদক ঢাকা মহানগর ও আশপাশের এলাকায় গোপনে পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করে আসছিল।

রাজধানীর মতিঝিল থেকে মাদক ক্রিস্টাল মেথসহ (আইস) ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ছয় কারবারিকে দুই দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত।

শনিবার ঢাকার মহানগর হাকিম মইনুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

আসামিরা হলেন হোসাইন মোহাম্মদ বাবু ওরফে বাবুল, এসএম খবির উদ্দিন, ইখতিয়ার চৌধুরী ওরফে শুভ, তোফায়েল ওরফে তোপেল চাকমা, মো. মিজানুর রহমান ও সাদেকুল ইসলাম।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের অস্ত্র উদ্ধার ও মাদক নিয়ন্ত্রণ টিমের এসআই (নিরস্ত্র) ডিএমএ মজিদ মতিঝিল থানার মামলায় আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, আসামি এবং তাদের সহযোগীরা কক্সবাজারের টেকনাফের সীমান্ত এলাকা থেকে অবৈধ মাদক আইস ও ইয়াবা পাইকারি দামে কেনে। পরে তারা এসব মাদক ঢাকা মহানগর ও আশপাশের এলাকায় গোপনে পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করে আসছিল।

মাদকের উৎস, আসামিদের কাছে থাকা মাদক উদ্ধার, সহযোগীদের গ্রেপ্তার করতে তাদের রিমান্ডের আবেদন জানান তদন্ত কর্মকর্তা।

শুক্রবার রাতে মতিঝিল থানার ফকিরাপুল ডিআইটি রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা ওয়ারী বিভাগ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২৫০ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ (আইস) ও ৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন:
এশিয়ার ইতিহাসে ইয়াবা ও আইসের সর্ববৃহৎ চালান আটক
নারীদের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম প্রক্রিয়া শেখাল আইডিয়া প্রকল্প
ঢাকায় বিশ্ব তথ্যপ্রযুক্তি সম্মেলন নভেম্বরে
আইস সিন্ডিকেটের খোকন-রফিক রিমান্ডে
আইস পাচারে নতুন কৌশল, ধরা পড়লে টাকা মাফ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

স্বাস্থ্য সচিব ও ডিজির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

স্বাস্থ্য সচিব ও ডিজির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

ফাইল ছবি

আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও চাকরি না দেয়ায় দুজন অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত অবমাননার রুল জারি করে হাইকোর্ট।

আদালতের নির্দেশ না মানায় স্বাস্থ্য সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ কেন আনা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

রোববার বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এক আবেদনের শুনানিতে এ আদেশ দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ড. মো. ইউনুছ আলী আকন্দ।

পরে তিনি জানান, আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও চাকরি না দেয়ায় দুজন অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত অবমাননার রুল জারি করে হাইকোর্ট।

জানা গেছে, সপ্তাহ দুয়েক আগে স্বাস্থ্য বিভাগে এমএলএসএস পদে শারমিন সুলতানা আঁখি ও স্বাস্থ্য সহকারী পদে আয়েশা সিদ্দিকাকে আদালতের নির্দেশে নিয়োগ না দেয়ায় আদালত অবমাননার অভিযোগে হাইকোর্টে অভিযোগ করা হয়।

আরও পড়ুন:
এশিয়ার ইতিহাসে ইয়াবা ও আইসের সর্ববৃহৎ চালান আটক
নারীদের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম প্রক্রিয়া শেখাল আইডিয়া প্রকল্প
ঢাকায় বিশ্ব তথ্যপ্রযুক্তি সম্মেলন নভেম্বরে
আইস সিন্ডিকেটের খোকন-রফিক রিমান্ডে
আইস পাচারে নতুন কৌশল, ধরা পড়লে টাকা মাফ

শেয়ার করুন

অভিমানে ছাত্রের ‘আত্মহত্যা’, কলহে গৃহবধূর

অভিমানে ছাত্রের ‘আত্মহত্যা’, কলহে গৃহবধূর

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। ফাইল ছবি

পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার রাত ও রোববার সকালে তাদের মৃত্যু হয়। তারা আত্মহত্যা করেছেন বলে পরিবারের স্বজনরা জানিয়েছেন।

রাজধানীর সবুজবাগ ও আদাবর এলাকায় এক শিক্ষার্থী ও এক গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে; যারা আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

শনিবার রাত ও রোববার সকালে তাদের মৃত্যু হয়। মারা যাওয়া দুজন হলেন ১৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থী শাহরিয়ার ও ২০ বছর বয়সী গৃহবধূ মোছা. সুমি আক্তার।

সবুজবাগ থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) বিমল চন্দ্র পাইন বলেন, ’আমরা খবর পেয়ে মুগদা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের স্ট্রেচারের ওপর থেকে রাত সাড়ে ১১টার দিকে শাহরিয়ারের মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তা ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।'

তিনি বলেন, ‘নিহত শিক্ষার্থীর স্বজনদের কাছ থেকে জানতে পারি, সে মুগদা রেলওয়ে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল। প্রি টেস্ট পরীক্ষার কিছু সাবজেক্ট খারাপ হয় বলে সে আত্মহত্যা করেছে।’

নিহতের চাচা আজিজুল ইসলাম বলেন, ’নিজ বাসার স্টোররুমে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেয় শাহরিয়ার। পরে দরজায় গিয়ে ডাকাডাকি করলে দরজা খোলেনি সে। দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে দেখি ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে রয়েছে শাহরিয়ার। দ্রুত মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
নিহত শাহরিয়ারের বাসা সবুজবাগের দক্ষিণ মাদারটেক কবরস্থানের পাশে, ১২৭ নম্বর বাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। তার বাবা মোহাম্মদ শিমুল। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার বড়।

এদিকে রোববার সকাল ৬টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে গৃহবধূ সুমি আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

আদাবর থানার পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল বাশার বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে সকাল ৬টার দিকে সুমির মরদেহ উদ্ধার করি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

তিনি জানান, স্বামী-স্ত্রীর কলহের জের ধরে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজ কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন সুমি। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিয়ে এলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

নিহতের বড় ভাই আব্দুল মালেক বলেন, ‘আরমান বাসারের সঙ্গে আমার বোনের প্রায় পাঁচ মাস আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর কলহ লেগে থাকত। সুমি অতিরিক্ত রাগী ছিল। কথায় কথায় রেগে যেত।’

তিনি বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার স্বামী বাসায় থাকা অবস্থায় বেলা দেড়টার দিকে তার নিজ কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেয় সে। পরে আমরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে এলে রোববার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।’

নিহত সুমি নোয়াখালী সদরের মহত্তাপুর গ্রামের মৃত নূর নবী মাস্টারের মেয়ে। আদাবরের বাইতুল আমান হাউজিংয়ে একটি বাসায় স্বামী আরমান বাসারের সঙ্গে থাকতেন তিনি। তারা চার ভাই-চার বোন।

আরও পড়ুন:
এশিয়ার ইতিহাসে ইয়াবা ও আইসের সর্ববৃহৎ চালান আটক
নারীদের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম প্রক্রিয়া শেখাল আইডিয়া প্রকল্প
ঢাকায় বিশ্ব তথ্যপ্রযুক্তি সম্মেলন নভেম্বরে
আইস সিন্ডিকেটের খোকন-রফিক রিমান্ডে
আইস পাচারে নতুন কৌশল, ধরা পড়লে টাকা মাফ

শেয়ার করুন

গৃহকর্মী হত্যা: গৃহকর্তা ও গৃহকর্ত্রীর স্বীকারোক্তি

গৃহকর্মী হত্যা: গৃহকর্তা ও গৃহকর্ত্রীর স্বীকারোক্তি

গৃহকর্মী পারভীন হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার জসীমুল হক ও তার স্ত্রী সামিনা হাসান। ছবি: নিউজবাংলা

পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তর কার্যালয়ের বিশেষ পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, 'গৃহকর্তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক আছে- এমন সন্দেহে পারভীনকে হত্যা করেন গৃহকর্ত্রী। পরে তার লাশ গুম করতে তুরাগের ঝাউবন এলাকায় ফেলে আসা হয়।'

গৃহকর্মী পারভীন ওরফে ফেন্সি আরা হত্যা মামলায় গৃহকর্তা সৈয়দ জসীমুল হক এবং গৃহকর্ত্রী সৈয়দা সামিনা হাসান দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম রোববার দুই আসামিকে আদালতে হাজির করেন। আসামিরা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছেন উল্লেখ করে তা রেকর্ড করার জন্য আবেদন করেন তিনি।

সৈয়দ জসীমুল হকের জবানবন্দি ১৬৪ ধারায় রেকর্ড করেন ঢাকা মহানগর হাকিম আশেক ইমাম এবং আরেক আসামি সামিনা হাসানের জবানবন্দি নেন মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়া হয়।

তুরাগ থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক লিয়াকত আলী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

গৃহকর্মী পারভীন হত্যা মামলা নিয়ে এর আগে রোববার বেলা ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তর কার্যালয়ের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, পারভীন গুলশানের নিকেতনে একটি বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতেন। গৃহকর্তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক আছে- এমন সন্দেহে তাকে হত্যা করেন গৃহকর্ত্রী। পরে তার লাশ গুম করতে তুরাগের ঝাউবন এলাকায় ফেলে আসা হয়।

পারভীনকে খুনের ঘটনায় তার স্বামী মোমিনুল ইসলাম তুরাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শনিবার নিকেতন থেকে গৃহকর্তা সৈয়দ জসীমুল হক ও গৃহকর্ত্রী সৈয়দা সামিনা হাসানকে আটক করেন পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তর জোনের সদস্যরা।

জানা যায়, ছয় বছর আগে জীবিকার সন্ধানে স্বামীর সঙ্গে ঢাকায় আসেন পারভীন। স্বামী রিকশা চালানো শুরু করেন। আর পারভীন গৃহকর্মীর কাজ করতেন। এ বাসায় পারভীনকে মাসে ৭ হাজার টাকা করে পারিশ্রমিক দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দেয়া হতো মাত্র ১ হাজার টাকা করে।

আরও পড়ুন:
এশিয়ার ইতিহাসে ইয়াবা ও আইসের সর্ববৃহৎ চালান আটক
নারীদের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম প্রক্রিয়া শেখাল আইডিয়া প্রকল্প
ঢাকায় বিশ্ব তথ্যপ্রযুক্তি সম্মেলন নভেম্বরে
আইস সিন্ডিকেটের খোকন-রফিক রিমান্ডে
আইস পাচারে নতুন কৌশল, ধরা পড়লে টাকা মাফ

শেয়ার করুন

করোনায় ঢাবি অধ্যাপক মাহমুদ হাসানের মৃত্যু

করোনায় ঢাবি অধ্যাপক মাহমুদ হাসানের মৃত্যু

অধ্যাপক মাহমুদ হাসান। ছবি: সংগৃহীত

মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘স্যারের করোনা পজিটিভ ছিল। প্রায় সাত দিন ধরে উনি হাসাপাতালে ভর্তি ছিলেন। শেষের দিকে তিনি কথা বলতে পারছিলেন না। আজ সাড়ে ১২টায় তিনি মারা যান।’

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মাহমুদ হাসান।

রাজধানীর একটি হাসপাতালে রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় তার মৃত্যু হয় বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো মনিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘স্যারের করোনা পজিটিভ ছিল। প্রায় সাত দিন ধরে উনি হাসাপাতালে ভর্তি ছিলেন। শেষের দিকে তিনি কথা বলতে পারছিলেন না। আজ সাড়ে ১২টায় তিনি মারা যান।’

আসরের নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে মাহমুদ হাসানের নামাজে জানাজা হওয়ার কথা রয়েছে। জানাজা শেষে তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীতে নিয়ে যাওয়া হবে।

অবিবাহিত ছিলেন মাহমুদ হাসান। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুলার রোডের মনিরুজ্জামান ভবনের একটি বাসায় থাকতেন তিনি।

আরও পড়ুন:
এশিয়ার ইতিহাসে ইয়াবা ও আইসের সর্ববৃহৎ চালান আটক
নারীদের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম প্রক্রিয়া শেখাল আইডিয়া প্রকল্প
ঢাকায় বিশ্ব তথ্যপ্রযুক্তি সম্মেলন নভেম্বরে
আইস সিন্ডিকেটের খোকন-রফিক রিমান্ডে
আইস পাচারে নতুন কৌশল, ধরা পড়লে টাকা মাফ

শেয়ার করুন

বদনাম কাউয়াদের কারণে: তাপস

বদনাম কাউয়াদের কারণে: তাপস

রোববার গুলিস্তানের মহানগর নাট্যমঞ্চে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউনিট সম্মেলনে বক্তব্য দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। ছবি: নিউজবাংলা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা-কর্মী দল ও সরকারের কোনো বদনাম করে না। কোনো সুনাম ধ্বংস করে না। সুনাম ধ্বংস করে কাউয়ার দল। এই কাউয়ার দল থেকে আমাদের সচেতন থাকতে হবে। এই গুটিকয়েক কাউয়ারা আমাদের দলের বদনাম করে। তারা দলের সকল অর্জনকে, শেখ হাসিনার সকল অর্জনকে ম্নান করে দেয়। আমরা কাউয়া চাই না, আমরা চাই ত্যাগী পরীক্ষিত নেতা-কর্মীদের যথার্থ মূল্যায়ণ।’

সুযোগসন্ধানীদেরকে ‘কাউয়া’ উল্লেখ করে তাদেরকে আওয়ামী লীগের দেখতে চান না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। বলেছেন, এই ‘কাউয়াদের’ কারণে দলের বদনাম হচ্ছে।

রোববার গুলিস্তানের মহানগর নাট্যমঞ্চে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউনিট সম্মেলনে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

আওয়ামী লীগে ‘কাউয়া’ শব্দটি দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের মুখে উচ্চারিত হয় ২০১৭ সালে। সে বছর সিলেট আওয়ামী লীগের এক প্রতিনিধি সম্মেলনে ‘দলে কাউয়া ঢুকেছে’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। দলের অনুপ্রবেশকারীদেরও একই নামে অবহিত করা হয়।

শেখ তাপস বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা-কর্মী দল ও সরকারের কোনো বদনাম করে না। কোনো সুনাম ধ্বংস করে না্। সুনাম ধ্বংস করে কাউয়ার দল। এই কাউয়ার দল থেকে আমাদের সচেতন থাকতে হবে।

‘এই গুটিকয়েক কাউয়ারা আমাদের দলের বদনাম করে। তারা দলের সকল অর্জনকে, শেখ হাসিনার সকল অর্জনকে ম্নান করে দেয়। আমরা কাউয়া চাই না, আমরা চাই ত্যাগী পরীক্ষিত নেতা-কর্মীদের যথার্থ মূল্যায়ন।’

জন্মলগ্ন থেকে আওয়ামী লীগ নিপীড়িত, অত্যাচারিত, অধিকার বঞ্চিত, জনগণের জন্য কাজ করে চলেছে উল্লেখ করে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র বলেন, ‘আমাদের রয়েছে দীর্ঘ পথ পরিক্রমা, ত্যাগী, পরীক্ষিতে নেতা-কর্মী, বীরমুক্তিযোদ্ধারা। তাদের মূল্যায়ন করতে হবে। তাদের যোগ্য জায়গায় অধিষ্ঠিত করতে হবে। তাহলে আওয়ামী লীগ আরও শক্তিশালী হবে।’

ইউনিট সম্মেলনে পর ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগে এক এলাকার ভোটার অন্য এলাকায় দিয়ে আর নেতৃত্ব দেয়ার সুযোগ থাকবে বলে জানান তাপস। বলেন, ‘তৃণমূলে যে কারও নেতৃত্বের মেধা, কার্যক্রম তার এলাকাতেই তাকে দেখাতে হবে এবং অবস্থান নিতে হবে।’

সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বক্তব্য রাখেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহম্মেদ মান্নাফী, হুমায়ুন কবির।

আরও পড়ুন:
এশিয়ার ইতিহাসে ইয়াবা ও আইসের সর্ববৃহৎ চালান আটক
নারীদের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম প্রক্রিয়া শেখাল আইডিয়া প্রকল্প
ঢাকায় বিশ্ব তথ্যপ্রযুক্তি সম্মেলন নভেম্বরে
আইস সিন্ডিকেটের খোকন-রফিক রিমান্ডে
আইস পাচারে নতুন কৌশল, ধরা পড়লে টাকা মাফ

শেয়ার করুন

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শাহবাগে কফিন মিছিল

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শাহবাগে কফিন মিছিল

পুলিশের বাধার কারণে শিক্ষার্থীদের প্রতীকী কফিন মিছিলটিকে শাহবাগ এলাকা থেকে সরে যেতে হয়। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

শিক্ষার্থীরা ‘ভাই কবরে খুনি কেন বাহিরে’, ‘৯ দফার সংগ্রাম চলবে চলবে’, ‘আইন করে হাফ পাস দিতে হবে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

সড়ক দুর্ঘটনায় বিচার, সারা দেশে বাস ভাড়া অর্ধেক করা এবং নিরাপদ সড়কসহ নানা দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় প্রতীকী মরদেহের কফিন নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা।

প্রতীকী কফিন নিয়ে রোববার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা । সেখানে তাদের অবস্থান না নিতে পুলিশ অনুরোধ করলে কফিন নিয়ে তারা মিছিল শুরু করেন। পরে শাহবাগ মোড় থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির এলাকায় রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান নেন।

শিক্ষার্থীরা ‘ভাই কবরে খুনি কেন বাহিরে’, ‘৯ দফার সংগ্রাম চলবে চলবে’, ‘আইন করে হাফ পাস দিতে হবে’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

ছাত্রদের মিছিলটি ঘিরে সতর্ক অবস্থানে ছিল পুলিশ। শাহবাগ থানার ওসি শেখ মো কামরুজ্জামান বলেন, ‘যান চলাচল ব্যাহত হয় এরকম কোনো কাজ আমরা তাদের করতে দেব না। প্রয়োজনে যান চলাচল ব্যাহত না হয় এমন কোনো স্থানে দাঁড়িয়ে তারা তাদের প্রোগ্রাম সম্পন্ন করবে। মিছিল নিয়ে তারা রাস্তায় হাঁটলেও যান চলাচল ব্যাহত হবে। তাই আমরা তাদের এটিও করতে দেব না।’

সড়কে অনিয়মের প্রতিবাদে ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে শনিবার রাজধানীর রামপুরা ব্রিজ এলাকায় ‘লাল কার্ড’ দেখিয়েছে আন্দোলনকারীরা। সেখান থেকে প্রতীকী কফিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

আন্দোলনকারীদের একটি অংশ কফিন ছাড়া শুধু ব্যানার নিয়ে শাহবাগ গণগ্রন্থাগারের সামনে থেকে মিছিল শুরু করে। শাহবাগে অবস্থান নেয়া পুলিশ সদস্যরা জাতীয় জাদুঘরের সামনে আটকাতে গেলে আন্দোলনকারীদের অন্য একটি অংশ কফিন নিয়ে শাহবাগের ফুলের দোকানের পাশ থেকে এসে শাহবাগ মোড়ের মাঝখানে অবস্থান নেয়।

এরপর রমনা জোনের এডিসি হারুন অর রশীদ শিক্ষার্থীদের অবস্থান না নিতে অনুরোধ করলে তারা মিছিল শুরু করে। আন্দোলনকারীরা শাহবাগ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় এসে তাদের কর্মসূচি শেষ করেন।

এসময় আন্দোলনকারীদের শিক্ষার্থীদের পক্ষে স্টেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী ইনজামুল হক রামিম তাদের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে আমাদের আজকের এই কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করছি। তারপরও আমরা আজকে রেলপথ এবং নৌপথ মন্ত্রণালয়ে আমাদের স্মারক পৌঁছে দেব। সড়ক ব্যবস্থাপনায় আলোর পথ দেখানোর জন্য আগামীকাল সন্ধ্যা ৬টায় শহীদ মিনারে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচী এবং প্রতিবাদী গানের আসরের আয়োজন করা হবে।

‘আমাদের আন্দোলন নিয়ে রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা বিতর্কমূলক বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন। আমরা এটির তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
এশিয়ার ইতিহাসে ইয়াবা ও আইসের সর্ববৃহৎ চালান আটক
নারীদের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম প্রক্রিয়া শেখাল আইডিয়া প্রকল্প
ঢাকায় বিশ্ব তথ্যপ্রযুক্তি সম্মেলন নভেম্বরে
আইস সিন্ডিকেটের খোকন-রফিক রিমান্ডে
আইস পাচারে নতুন কৌশল, ধরা পড়লে টাকা মাফ

শেয়ার করুন

কালো ব্যাজ নিয়ে সোমবার রামপুরায় থাকবে শিক্ষার্থীরা

কালো ব্যাজ নিয়ে সোমবার রামপুরায় থাকবে শিক্ষার্থীরা

সড়কে অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে রাজধানীর রামপুরা এলাকায় রোববার ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

সোমবারের কর্মসূচি নিয়ে সোহাগী সামিয়া বলেন, ‘আমরা আগামীকাল ঠিক দুপুর ১২টায় সড়কে নাইম আর মাইন উদ্দিনসহ যারা মারা গিয়েছে, তাদের জন্য শোক প্রকাশ, কালো ব্যাজ ধারণ এবং মুখে কালো কাপড় বাঁধব।’

সড়কে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে রোববার রাজধানীর রামপুরা ব্রিজ এলাকায় ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করেছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

এ কর্মসূচি শেষে সোমবার একই জায়গায় দুপুর ১২টায় নাইম আর মাইন উদ্দিনের মতো সড়কে প্রাণ হারানো লোকজনের জন্য শোক প্রকাশ ও কালো ব্যাজ ধারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

রামপুরা ব্রিজের ওপর রোববার দুপুর ১২টা ১৪ মিনিটে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। বেলা ১টা ৫ মিনিটে তারা অবস্থানস্থল থেকে চলে যায়। ওই সময় তাদের হাতে ছিল নানা ধরনের ব্যঙ্গচিত্র।

ব্যঙ্গচিত্রে নানা স্লোগানের মধ্যে আছে, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘গণপরিবহনে হাফ পাস চাই’, ‘জাতির ভবিষ্যৎ মরলে কে গড়বে সোনার বাংলা’।

আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া খিলগাঁও সরকারি মডেল কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী সামিয়া জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘আমরা আমাদের যে ১১ দফা দাবি আছে, তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের আন্দোলন কারও বিপক্ষে না। আমরা সবার হয়ে এই আন্দোলন করছি। অথচ আমাদের আন্দোলনকে ভিন্ন দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য কিছু লোক অপপ্রচার চালাচ্ছে।

‘এসব অপপ্রচার করে আমাদের থামিয়ে দেয়া যাবে না। আমরা আমাদের চলমান আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি আর যাব।’

সোমবারের কর্মসূচি নিয়ে সোহাগী বলেন, ‘আমরা আগামীকাল ঠিক দুপুর ১২টায় সড়কে নাইম আর মাইন উদ্দিনসহ যারা মারা গিয়েছে, তাদের জন্য শোক প্রকাশ, কালো ব্যাজ ধারণ এবং মুখে কালো কাপড় বাঁধব।’

এর আগে শনিবার সড়কে অব্যবস্থাপনার প্রতি লাল কার্ড দেখায় ১১ দফা দাবিতে রামপুরায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

রামপুরা ব্রিজের ওপর ওই দিন দুপুর ১২টার পর পরই অবস্থান নেয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। ওই সময় তারা লাল কার্ড উঁচিয়ে সড়ক ও পরিবহন খাতের লুটপাট আর দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষে সোহাগী সামিয়া বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় পুরো সিস্টেম জড়িত। এই সিস্টেমে ঘুষ আছে, লুটপাট আছে। এর সঙ্গে জড়িত সরকারি-বেসরকারি লোক। এই লুটপাট ও দুর্নীতিকে আজ আমরা লাল কার্ড দেখাচ্ছি।’

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা নিজেদের ‘রেফারি’ দাবি করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর কথা জানায়।

সোহাগী বলেন, ‘যখন ফুটবল খেলা হয়, খেলোয়াড়রা ভুল করলে লাল কার্ড দেখায়। আমরা সেই রেফারিদের ভূমিকা পালন করতে যাচ্ছি।

‘আমরা দেখাতে চাই বাংলার মাটিতে দুর্নীতি হচ্ছে, যে মাটিতে ছাত্রসমাজ বড় বড় আন্দোলন করেছে। আজ আবার ২০২১ সালে আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাস্তায় দাঁড়িয়েছি।’

আরও পড়ুন:
এশিয়ার ইতিহাসে ইয়াবা ও আইসের সর্ববৃহৎ চালান আটক
নারীদের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম প্রক্রিয়া শেখাল আইডিয়া প্রকল্প
ঢাকায় বিশ্ব তথ্যপ্রযুক্তি সম্মেলন নভেম্বরে
আইস সিন্ডিকেটের খোকন-রফিক রিমান্ডে
আইস পাচারে নতুন কৌশল, ধরা পড়লে টাকা মাফ

শেয়ার করুন