চবিতে ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২৭ শতাংশ

চবিতে ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ২৭ শতাংশ

শুক্রবার এক ঘণ্টার পরীক্ষা বেলা ১১টায় শুরু হয়ে শেষ হয় দুপুর ১২টায়। ১৩ হাজার ৯১৮ জন ভর্তিচ্ছুর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ১০ হাজার ১৩২ জন। উপস্থিতির হার ৭৩ শতাংশ। অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৭৮৬ জন। অনুপস্থিতির হার ২৭ শতাংশ।

কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা।

শুক্রবার এক ঘণ্টার পরীক্ষা বেলা ১১টায় শুরু হয়ে শেষ হয় দুপুর ১২টায়। ১৩ হাজার ৯১৮ জন ভর্তিচ্ছুর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ১০ হাজার ১৩২ জন। উপস্থিতির হার ৭৩ শতাংশ।

এক শিফটে হওয়া এ পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৭৮৬ জন। অনুপস্থিতির হার ২৭ শতাংশ।

‘সি’ ইউনিটে ইংরেজি, হিসাববিজ্ঞান এবং ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগের ওপর ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষা হয়। জিপিএর আরও ২০ নম্বর হিসাব করে মোট ১২০ নম্বরের ওপর ফলাফল তৈরি হবে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য দশমিক ২৫ কর্তন করা হবে।

বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক শিরীণ আখতার এবং উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক বেনু কুমার দে ভর্তি পরীক্ষার হলগুলো পরিদর্শন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ‘সি’ ইউনিট ভর্তি কমিটির কো-অর্ডিনেটর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক এস এম সালামত উল্যা ভূঁইয়াসহ অনেকে।

সালামত উল্যা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আজকের পরীক্ষায় উপস্থিতির হার প্রায় ৭৩ শতাংশ। পরীক্ষা সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এখন রেজাল্ট তৈরির কাজ চলছে। যান্ত্রিক ও বৈদ্যুতিক সমস্যা না থাকলে আজ রাতের মধ্যেই রেজাল্ট তৈরি করে আইসিটি সেলে পাঠানো হবে।’

আরও পড়ুন:
শেষ হলো চবির ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা, অনুপস্থিত ৩১ শতাংশ
গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা: ‘বি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় কুবিতে অনুপস্থিত ১১৪ জন
গুচ্ছ পদ্ধতির ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু
শেষ হলো ‘এ’ ইউনিটের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

৪১তম বিসিএস: বিষয়ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা শুরু ২৯ ডিসেম্বর

৪১তম বিসিএস: বিষয়ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা শুরু ২৯ ডিসেম্বর

সরকারি চাকরিতে বিভিন্ন ক্যাডারে ২ হাজার ১৩৫টি শূন্য পদে প্রার্থী নিয়োগ দিতে গত বছরের ২৭ নভেম্বর ৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। ফাইল ছবি

বৃহস্পতিবার পিএসসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নূর আহম্মদের সই করা অফিস আদেশে বলা হয়, ৪১তম বিসিএসের বিষয়ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে, চলবে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত। পরীক্ষার হল, আসন বিন্যাস ও বিস্তারিত বিষয়াধি পরে জানিয়ে দেয়া হবে। এর আগে গত ১৯ মার্চ দেশের আট বিভাগের কেন্দ্রে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৪১তম বিসিএসে আবেদন করেছিলেন ৪ লাখ ৪ হাজার ৫১৩ জন প্রার্থী। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৩ লাখ ৪ হাজার ৯০৭ জন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি ৯৯ হাজার ৬০৬ জন।

৪১তম বিসিএসের বিষয়ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে। চলবে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত। এর আগে গত ২৯ নভেম্বর থেকে ৪১তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়গুলোর লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়। যা চলবে আগামী ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসসি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নূর আহম্মদের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়, ৪১তম বিসিএসের বিষয়ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে, চলবে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত। পরীক্ষার হল, আসন বিন্যাস ও বিস্তারিত বিষয়াধি পরে জানিয়ে দেয়া হবে।

এর আগে গত ১৯ মার্চ দেশের আট বিভাগের কেন্দ্রে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৪১তম বিসিএসে আবেদন করেছিলেন ৪ লাখ ৪ হাজার ৫১৩ জন প্রার্থী। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৩ লাখ ৪ হাজার ৯০৭ জন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি ৯৯ হাজার ৬০৬ জন।

গত ১ আগস্ট প্রকাশিত প্রিলিমিনারির ফলাফলে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২১ হাজার ৫৬ জন। উত্তীর্ণরাই লিখিত পরীক্ষায় বসছেন।

সরকারি চাকরিতে বিভিন্ন ক্যাডারে ২ হাজার ১৩৫টি শূন্য পদে প্রার্থী নিয়োগ দিতে গত বছরের ২৭ নভেম্বর ৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রশাসন ক্যাডারে ৩২৩ জন, পুলিশে ১০০ জন, পররাষ্ট্রে ২৫ জন, আনসারে ২৩ জন, অর্থ মন্ত্রণালয়ে সহকারী মহাহিসাবরক্ষক (নিরীক্ষা ও হিসাব) ২৫ জন, সহকারী কর কমিশনার (কর) ৬০ জন, সহকারী কমিশনার (শুল্ক ও আবগারি) ২৩ জন ও সহকারী নিবন্ধক হিসেবে ৮ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে।

শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ দেয়া হবে ৯১৫ জনকে। বিসিএস স্বাস্থ্যে সহকারী সার্জন হিসেবে ১১০ জন ও সহকারী ডেন্টাল সার্জন হিসেবে ৩০ জন নিয়োগ পাবেন।

পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে পরিসংখ্যান কর্মকর্তা হিসেবে ১২ জন, রেলপথ মন্ত্রণালয়ে সহকারী যন্ত্র প্রকৌশলী হিসেবে ৪ জন, সহকারী ট্রাফিক সুপারিনটেনডেন্ট হিসেবে ১ জন, সহকারী সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক হিসেবে ১ জন, সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) হিসেবে ২০ জন ও সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) হিসেবে ৩ জন নিয়োগ পাবেন।

তথ্য মন্ত্রণালয়ে সহকারী পরিচালক বা তথ্য কর্মকর্তা বা গবেষণা কর্মকর্তা হিসেবে ২২ জন, সহকারী পরিচালক (অনুষ্ঠান) হিসেবে ১১ জন, সহকারী বার্তা নিয়ন্ত্রক হিসেবে ৫ জন, সহকারী বেতার প্রকৌশলী হিসেবে ৯ জন, স্থানীয় সরকার বিভাগে বিসিএস জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে ৩৬ জন, সহকারী বন সংরক্ষক হিসেবে ২০ জন নিয়োগ পাবেন।

সহকারী পোস্টমাস্টার জেনারেলে ২ জন, মৎস্যে ১৫ জন, পশুসম্পদে ৭৬ জন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হিসেবে ১৮৩ জন ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে ৬ জন, বাণিজ্যে সহকারী নিয়ন্ত্রক হিসেবে ৪ জন নিয়োগ পাবেন।

এ ছাড়া পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা পদে ৪ জন, সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক পদে ৬ জন ও সহকারী রক্ষণ প্রকৌশলী পদে ২ জন, বিসিএস গণপূর্তে সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) পদে ৩৬ জন এবং সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম) পদে ১৫ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
শেষ হলো চবির ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা, অনুপস্থিত ৩১ শতাংশ
গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা: ‘বি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় কুবিতে অনুপস্থিত ১১৪ জন
গুচ্ছ পদ্ধতির ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু
শেষ হলো ‘এ’ ইউনিটের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা

শেয়ার করুন

স্কুলে ভর্তি শেষ করতে হবে ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে

স্কুলে ভর্তি শেষ করতে হবে ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে

ফাইল ছবি

মাউশি মহাপরিচালক ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক বলেন, সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ভর্তি প্রক্রিয়া যেন ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হয় এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভর্তির ক্ষেত্রে যেন পরীক্ষা নেয়া না হয় এ বিষয়েও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবগত করা হয়েছে।

সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি প্রক্রিয়া ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে। আর শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি ছাড়া ভর্তি পরীক্ষা নেয়া যাবে না।

বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ গোলাম ফারুকের সই করা অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মাউশি মহাপরিচালক বলেন, সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ভর্তি প্রক্রিয়া যেন ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হয় এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভর্তির ক্ষেত্রে যেন পরীক্ষা নেয়া না হয় এ বিষয়েও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবগত করা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়, সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন ও ভর্তি প্রক্রিয়া অবশ্যই আগামী ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে। লটারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ভর্তি পরিচালনা কমিটি, ঢাকা মহানগরের ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাউশি অভিভাবক, ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষক প্রতিনিধির উপস্থিতি থাকতে হবে।

আরও বলা হয়, শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে ভর্তি নীতিমালা (সংশোধিত-২০২১) অনুসরণ করে লটারির কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। কোনোভাবেই ১১০ টাকার বেশি ফি নেয়া যাবে না।

আগামী বছরের জন্য সরকারি ও বেসরকারি স্কুলগুলোয় প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তির আবেদন শুরু হয়েছে ২৫ নভেম্বর। এই আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ৮ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

২০২২ শিক্ষাবর্ষে সরকারি স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তিতে শিক্ষার্থীর বয়স ছয় বছরের বেশি হতে হবে। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এর আলোকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এই বয়স নির্ধারণ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

ভর্তি কার্যক্রমের শর্তাবলি

সরকারি বিদ্যালয়: ঢাকা মহানগরে ৪৪টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় তিনটি ভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত থাকবে। আবেদনের সময় একজন শিক্ষার্থী একটি গ্রুপের পাঁচটি বিদ্যালয় নির্বাচন করতে পারবে। এখান থেকে লটারির মাধ্যমে একটি বিদ্যালয় নির্বাচন করা হবে।

সারা দেশে আবেদনকারীরা আবেদনের সময় প্রতিষ্ঠান নির্বাচনকালে থানাভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা পাবে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীরা প্রাপ্যতার ভিত্তিতে প্রতিটি আবেদনে সর্বোচ্চ পাঁচটি স্কুল পছন্দের ক্রমানুসারে নির্বাচন করতে পারবে।

ডাবল শিফটের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উভয় শিফট পছন্দ করলে দুটি পছন্দক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। একই পছন্দক্রমের বিদ্যালয় কিংবা শিফট দ্বিতীয়বার পছন্দ করা যাবে না।

এ ছাড়া ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির মোট শূন্য আসনের ১০ শতাংশ কোটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

বেসরকারি বিদ্যালয়: ঢাকা মহানগরীর বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানসংলগ্ন কমপক্ষে একটি এবং সর্বোচ্চ তিনটি প্রশাসনিক থানা ক্যাচমেন্ট এরিয়া হিসেবে নির্ধারণ করা যাবে।

আবেদনকারীরা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনকালে মহানগর পর্যায়ের জন্য বিভাগীয় সদরের মেট্রোপলিটন এলাকা এবং জেলা সদরের সদর উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা পাবে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীরা প্রাপ্যতার ভিত্তিতে প্রতিটি আবেদনে সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় পছন্দের ক্রমানুসারে নির্বাচন করতে পারবে।

ডাবল শিফটের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উভয় শিফট পছন্দ করলে দুটি পছন্দক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। একই পছন্দক্রমের বিদ্যালয় কিংবা শিফট দ্বিতীয়বার পছন্দ করা যাবে না।

করোনা মহামারির কারণে গত বছর প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এর আগে শুধু প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হতো। আর দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তিতে পরীক্ষা নেয়া হতো। নবম শ্রেণিতে ভর্তি করা হতো জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে।

আরও পড়ুন:
শেষ হলো চবির ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা, অনুপস্থিত ৩১ শতাংশ
গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা: ‘বি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় কুবিতে অনুপস্থিত ১১৪ জন
গুচ্ছ পদ্ধতির ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু
শেষ হলো ‘এ’ ইউনিটের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা

শেয়ার করুন

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে রাবিতে ৭ দিনব্যাপী উৎসব

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে রাবিতে ৭ দিনব্যাপী উৎসব

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবাস বাংলাদেশ চত্বর।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে, 'জাতির পিতার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও কর্মময় জীবন’ শীর্ষক আলোচনায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মশিউর রহমান। উৎসবের প্রথম দিনের দ্বিতীয় পর্বে বেলা ৩টা থেকে ‘সাবাস বাংলাদেশ’ চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ৪ ডিসেম্বর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে আলোচনা সভা এবং পরে সাবাস বাংলাদেশ চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ৫ ডিসেম্বরও থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাত দিনব্যাপী বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

শুক্রবার বেলা ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবাস বাংলাদেশ চত্বরে উৎসবের শুরু হবে।

প্রধান অতিথি হিসেবে উৎসবের উদ্বোধন করবেন মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ৩ থেকে ৫ ডিসেম্বর ও ১১ থেকে ১৪ ডিসেম্বর দুই ধাপে এ কর্মসূচি পালিত হবে।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক ড. আজিজুর রহমান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মাননীয় মেয়র ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, রাজশাহী-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ফজলে হোসেন বাদশা, রাজশাহী-৩ আসনের এমপি মো. আয়েন উদ্দিন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়া ও অধ্যাপক মো. সুলতান-উল-ইসলাম।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেবেন ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মলয় ভৌমিক।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ‘জাতির পিতার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও কর্মময় জীবন’ শীর্ষক আলোচনায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মশিউর রহমান।

উৎসবের প্রথম দিনে দ্বিতীয় পর্বে বেলা ৩টা থেকে ‘সাবাস বাংলাদেশ’ চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ৪ ডিসেম্বর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে আলোচনা সভা ও পরে সাবাস বাংলাদেশ চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ৫ ডিসেম্বরও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে।

এদিকে ১১ থেকে ১৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে সাবাস বাংলাদেশ চত্বরে শুরু হবে নাট্যোৎসব ও ১৪ ডিসেম্বর প্রামাণ্যচিত্র ‘বধ্যভূমিতে এক দিন’ প্রদর্শিত হবে।

আরও পড়ুন:
শেষ হলো চবির ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা, অনুপস্থিত ৩১ শতাংশ
গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা: ‘বি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় কুবিতে অনুপস্থিত ১১৪ জন
গুচ্ছ পদ্ধতির ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু
শেষ হলো ‘এ’ ইউনিটের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা

শেয়ার করুন

আগামী বছরে ক্লাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়নি

আগামী বছরে ক্লাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়নি

ওমিক্রনের প্রভাবে টেকনিক্যাল কমিটি ক্লাস সংখ্যা না বাড়াতে পরামর্শ দিয়েছে। ফাইল ছবি

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম আগামী বছরের শুরু থেকেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস সংখ্যা বাড়াতে, তবে ওমিক্রনের প্রভাবে টেকনিক্যাল কমিটি ক্লাস সংখ্যা না বাড়াতে পরামর্শ দিয়েছেন। সেটার ভিত্তিতে এখনই ক্লাস সংখ্যা বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগামী বছরের ক্লাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর দিন বৃহস্পতিবার সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম আগামী বছরের শুরু থেকেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস সংখ্যা বাড়াতে, তবে ওমিক্রনের প্রভাবে টেকনিক্যাল কমিটি ক্লাস সংখ্যা না বাড়াতে পরামর্শ দিয়েছেন। সেটার ভিত্তিতে এখনই ক্লাস সংখ্যা বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। পরিস্থিতি খারাপ হলে টেকনিক্যাল কমিটির পরামর্শক্রমে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।

‘এ ছাড়া প্রাক-প্রাথমিক ক্লাস চালুর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, তবে আমি যতটুকু জানি এখন পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।’

ওই সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম ফারুক, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
শেষ হলো চবির ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা, অনুপস্থিত ৩১ শতাংশ
গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা: ‘বি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় কুবিতে অনুপস্থিত ১১৪ জন
গুচ্ছ পদ্ধতির ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু
শেষ হলো ‘এ’ ইউনিটের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা

শেয়ার করুন

ওমিক্রনে বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ওমিক্রনে বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে নির্ধারিত সময়ের আট মাস পর শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা। শিক্ষামন্ত্রী বলছেন, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনে পরিস্থিতি খারাপ হলে আবার বন্ধ হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ওমিক্রনের কারণে পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হতে পারে। তবে আমাদের এ জাতীয় কোনো পরিকল্পনা এখনও নেই। আমরা চাই ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু থাকুক।’

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের কারণে পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলে আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

বৃহস্পতিবার সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজে এইচএসসি পরীক্ষা পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ওমিক্রনের কারণে পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হতে পারে। তবে আমাদের এ জাতীয় কোনো পরিকল্পনা এখনও নেই। আমরা চাই ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু থাকুক।

‘আমরা আশা করছি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা লাগবে না। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের টেকনিক্যাল কমিটির সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চলছে। আমরা বিজ্ঞানের বাইরে গিয়ে তো কিছু করতে পারব না। সবকিছুর ঊর্ধ্বে আমাদের সন্তানদের সুরক্ষা। তাদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে আমরা সবকিছু করতে প্রস্তুত আছি।’

ওমিক্রনে বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

‘প্রশ্ন ফাঁসের সুযোগ নেই’

চলমান এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

তিনি বলেন, ‘এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। আমাদের যে পদ্ধতি তাতে প্রশ্ন ফাঁস হতে পারে না। তবুও এর গুজব ছড়ানো এবং ফাঁসের কাজের সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব।’

সামনে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন থাকলেও পরীক্ষায় কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না বলে জানিয়েছেন দীপু মনি। তিনি বলেন, ‘২৩ তারিখেও আমাদের এইচএসসি পরীক্ষা হবে। ওই দিন ইউপি নির্বাচনেরও তারিখ ছিল। আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় করেছি। তারা নির্বাচন পিছিয়েছে। যার কারণে ২৩ তারিখে পরীক্ষা যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে।’

আগামী বছরের পাবলিক পরীক্ষাগুলো নিয়েও কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। বলেন, ‘আমরা আগামী বছরের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে পরীক্ষা বছরের মাঝামাঝি নিয়ে আসার চেষ্টা করব।’

শিক্ষার্থীদের টিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে যাদের টিকা দেয়া হয়নি কিংবা টিকা প্রথম ডোজ দিয়েছে, তাদের পরীক্ষার পরপরই খুব দ্রুত টিকা দেয়া হবে।’

এইচএসসির পরীক্ষার ফল পরীক্ষা শেষ হওয়ার এক মাসের মধ্যে দেয়ার চেষ্টা করা হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম ফারুক, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদসহ আরও অনেকে।

আরও পড়ুন:
শেষ হলো চবির ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা, অনুপস্থিত ৩১ শতাংশ
গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা: ‘বি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় কুবিতে অনুপস্থিত ১১৪ জন
গুচ্ছ পদ্ধতির ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু
শেষ হলো ‘এ’ ইউনিটের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা

শেয়ার করুন

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু

আজ থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা। ছবিটি সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ থেকে তোলা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

সূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার বিজ্ঞান বিভাগের পদার্থবিজ্ঞানের পরীক্ষায় বসেছে শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষা হবে দুই শিফটে। সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া প্রথম শিফটের পরীক্ষা শেষ হবে সাড়ে ১১টায়। দ্বিতীয় শিফট দুপুর ২টা থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে সাড়ে ৩টায়।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে নির্ধারিত সময়ের আট মাস পর শুরু হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় বসছেন প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থী।

সূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার বিজ্ঞান বিভাগের পদার্থবিজ্ঞানের পরীক্ষায় বসেছেন শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষা হবে দুই শিফটে। সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া প্রথম শিফটের পরীক্ষা শেষ হবে সাড়ে ১১টায়। দ্বিতীয় শিফট দুপুর ২টা থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে সাড়ে ৩টায়।

এবারের এইচএসসি পরীক্ষা অন্যান্য বছরের মতো হচ্ছে না। পরীক্ষা হবে শুধু নৈর্বাচনিক বিষয়ে। আর আবশ্যিক বিষয়ে আগের পাবলিক পরীক্ষার সাবজেক্ট ম্যাপিং করে মূল্যায়নের মাধ্যমে নম্বর দেয়া হবে। এ ছাড়া চতুর্থ বিষয়েরও পরীক্ষা নেয়া হবে না।

দেশে গত দেড় বছরে এসএসসির পর এটি দ্বিতীয় পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সাধারণত প্রতিবছর এপ্রিল মাসে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হলেও এ বছর করোনা মহামারির কারণে এই পাবলিক পরীক্ষা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নেয়ার ঘোষণা দেয় সরকার।

স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাত জীবাণুমুক্ত করা এবং তাপমাত্রা মাপার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাখা হয়েছে আইসোলেশন রুমও।

কেন্দ্র এলাকায় অভিভাবকদের বাড়তি চাপ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। এর অংশ হিসেবে পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষার্থী ও কেন্দ্রের কর্মী ছাড়া অন্য কাউকে পরীক্ষাকেন্দ্রের ২০০ গজের ভেতরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬৯০ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ২৯ হাজার ৭৩৮ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৬৯ হাজার ৯৫২ জন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা যায়, এবার সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষা দেবে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ১৭ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৫ লাখ ৬৩ হাজার ১১৩ জন এবং ছাত্রী ৫ লাখ ৭৪ হাজার ৯০৪ জন।

মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষা দেবে ১ লাখ ১৩ হাজার ১৪৪ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬১ হাজার ৭৩৮ জন এবং ছাত্রী ৫১ হাজার ৪০৬ জন।

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু
আজ থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা। ছবিটি ফার্মগেট তেজগাঁও কলেজ থেকে তোলা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

এইচএসসি (বিএম/ভোকেশনাল) পরীক্ষা দেবে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫২৯ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৪ হাজার ৮২৭ জন এবং ছাত্রী ৪৩ হাজার ৬৪২ জন।

আন্তশিক্ষা বোর্ড থেকে জানা যায়, এবার এইচএসসি-সমমান পরীক্ষার জন্য ১৫ লাখ ৫৮ হাজার শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করেছিল। সে হিসাবে এ বছর এইচএসসিতে ঝরে পড়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৩১০ জন। এবার ৯ হাজার ১৮৩টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ২ হাজার ৬২১টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবেন।

কবে কোন পরীক্ষা

২ ডিসেম্বর: পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত), সাধারণ বিজ্ঞান এবং খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র (রসায়ন), সাধারণ বিজ্ঞান এবং খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র (জীববিজ্ঞান), খাদ্য ও পুষ্টি প্রথম পত্র, লঘু সংগীত (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

৫ ডিসেম্বর: যুক্তিবিদ্যা প্রথম পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং হিসাববিজ্ঞান প্রথম পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

৬ ডিসেম্বর: পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং সাধারণ বিজ্ঞান এবং খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র (খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান), খাদ্য ও পুষ্টি দ্বিতীয় পত্র, লঘু সংগীত (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

৭ ডিসেম্বর: যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয় পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং হিসাববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

৮ ডিসেম্বর: রসায়ন (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং শিশু বিকাশ প্রথম পত্র, উচ্চাঙ্গ সংগীত (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

৯ ডিসেম্বর: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, ইতিহাস প্রথম পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন প্রথম পত্র, ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা প্রথম পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

১২ ডিসেম্বর: রসায়ন (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং শিশু বিকাশ দ্বিতীয় পত্র, উচ্চাঙ্গ সংগীত (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

১৩ ডিসেম্বর: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি দ্বিতীয় পত্র, ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন দ্বিতীয় পত্র, ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

১৫ ডিসেম্বর: জীববিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র, উচ্চতর গণিত প্রথম পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং গৃহ ব্যবস্থাপনা ও শিশুবর্ধন এবং পারিবারিক সম্পর্ক (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র, গৃহ ব্যবস্থাপনা ও পারিবারিক জীবন প্রথম পত্র, ইসলাম শিক্ষা প্রথম পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

১৯ ডিসেম্বর: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা প্রথম পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

২০ ডিসেম্বর: জীববিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র, উচ্চতর গণিত দ্বিতীয় পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং গৃহ ব্যবস্থাপনা ও শিশু বর্ধন এবং পারিবারিক সম্পর্ক (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র, গৃহ ব্যবস্থাপনা ও পারিবারিক জীবন দ্বিতীয় পত্র, ইসলাম শিক্ষা দ্বিতীয় পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

২১ ডিসেম্বর: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা দ্বিতীয় পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

২২ ডিসেম্বর: ভূগোল (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং আরবি প্রথম পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

২৩ ডিসেম্বর: ভূগোল (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং আরবি দ্বিতীয় পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

২৭ ডিসেম্বর: অর্থনীতি প্রথম পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং ব্যাবহারিক শিল্পকলা এবং বস্ত্র ও পোশাক শিল্প (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

২৮ ডিসেম্বর: সমাজবিজ্ঞান প্রথম পত্র, সমাজ কর্ম প্রথম পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং ক্রীড়া (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

২৯ ডিসেম্বর: অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং ব্যাবহারিক শিল্পকলা এবং বস্ত্র ও পোশাক শিল্প (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

৩০ ডিসেম্বর: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, সমাজ কর্ম দ্বিতীয় পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং ক্রীড়া (তত্ত্বীয়) দ্বিতীয় পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনা

০১. করোনা মহামারির কারণে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

০২. পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।

০৩. পরীক্ষার সময় হবে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না। পরীক্ষার দিন সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র এবং ওএমআর শিট বিতরণ করা হবে। সকাল ১০টায় বহুনির্বাচনি প্রশ্নপত্র বিতরণ। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে বহুনির্বাচনি উত্তরপত্র সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ।

০৪. দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনি শিট বিতরণ। দুপুর ২টায় বহুনির্বাচনি প্রশ্নপত্র বিতরণ। দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে বহুনির্বাচনি উত্তরপত্র সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ।

০৫. পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। দেড় বছর পর ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয়েছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

আরও পড়ুন:
শেষ হলো চবির ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা, অনুপস্থিত ৩১ শতাংশ
গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা: ‘বি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় কুবিতে অনুপস্থিত ১১৪ জন
গুচ্ছ পদ্ধতির ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু
শেষ হলো ‘এ’ ইউনিটের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা

শেয়ার করুন

এইচএসসি: কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

এইচএসসি: কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়া জনসাধারণের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফাইল ছবি

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) থেকে এইচএসসি/ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিজ, এইচএসসি (ভোকেশনাল), এইচএসসি (বিএম), ডিপ্লোমা ইন কমার্স ও আলিম পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রগুলোয় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ডিএমপি।

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রগুলোর ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়া জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার রাজধানীর সব পরীক্ষা কেন্দ্রে এই কড়াকড়ি আরোপ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) থেকে এইচএসসি/ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিজ, এইচএসসি (ভোকেশনাল), এইচএসসি (বিএম), ডিপ্লোমা ইন কমার্স ও আলিম পরীক্ষা হতে যাচ্ছে।

পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রগুলোয় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

নিষেধাজ্ঞায় পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়া জনসাধারণের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এ আদেশ বৃহস্পতিবার থেকে পরীক্ষার দিনগুলোয় বহাল থাকবে।

আরও পড়ুন:
শেষ হলো চবির ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা, অনুপস্থিত ৩১ শতাংশ
গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা: ‘বি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় কুবিতে অনুপস্থিত ১১৪ জন
গুচ্ছ পদ্ধতির ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু
শেষ হলো ‘এ’ ইউনিটের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা

শেয়ার করুন