শক্তি বাড়াতে কংগ্রেসের অপেক্ষায় থাকবে না তৃণমূল

player
শক্তি বাড়াতে কংগ্রেসের অপেক্ষায় থাকবে না তৃণমূল

কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বিরোধী জোট গঠনে বৈঠক করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: এনডিটিভি

তৃণমূলের মুখপত্র জাগো বাংলায় প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়েছে, ‘বিজেপিকে কীভাবে হারাতে হয়, আমরা দেখিয়ে দিয়েছি। ফলে কংগ্রেসের অপেক্ষায় বসে থাকা যাবে না । আমরা আমাদের শক্তি বাড়াতেই থাকব। জোটের রাস্তা খোলা থাকল। কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে চলার কথা আমাদের নেত্রী বলেননি। ওদের জন্য সময় নষ্ট করার ইচ্ছাও নেই।’

ভারতে বিজেপিবিরোধী জোটে শক্তি বাড়াতে কংগ্রেসের অপেক্ষায় থাকবে না তৃণমূল। বৃহস্পতিবার এমন বার্তা দেয়া হয়েছে তৃণমূলের দলীয় মুখপত্র দৈনিক জাগো বাংলার সম্পাদকীয় নিবন্ধে।

দেশে বিজেপিবিরোধী লড়াইয়ে কংগ্রেসকে সঙ্গে নিয়ে চলতে চেয়েও কংগ্রেসের ঢিলেমি ও উদ্যোগহীনতাকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি তৃণমূল। মাঠে ময়দানে নেমে বিজেপিবিরোধী কর্মসূচিতে কংগ্রেসকে দেখা যায়নি। তারা শুধু টুইটারে সীমাবদ্ধ বলে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল।

তৃণমূলের দাবি, ২০১৪ এবং ২০১৯ সালের নির্বাচনে বিজেপিবিরোধী লড়াইয়েও দুর্বল নেতৃত্বের জন্য ডুবেছে কংগ্রেস। একই সঙ্গে তারা অন্যদেরও ডুবিয়েছে। কংগ্রেস নিজেদের সমস্যায় নাকাল বলেও উল্লেখ করা হয়েছে সম্পাদকীয়তে।

বৃহস্পতিবারের জাগো বাংলায় লেখা হয়েছে, ‘আমরা বিজেপির বিকল্প চাই। বিজেপির বিরুদ্ধে জোট চাই। কংগ্রেসকেও সে কথা বলা হয়েছে। তবে তাদের কোনো হেলদোল নেই।

‘আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, জোটের কাঠামো হোক। স্টিয়ারিং কমিটি হোক। নীতি বা কর্মসূচির লাইন হোক। কিন্তু কংগ্রেসের কোনো সাড়া নেই।’

ওই নিবন্ধে বলা হয়েছে, ‘বিজেপিকে কীভাবে হারাতে হয়, আমরা দেখিয়ে দিয়েছি। ফলে কংগ্রেসের অপেক্ষায় বসে থাকা যাবে না । আমরা আমাদের শক্তি বাড়াতেই থাকব। জোটের রাস্তা খোলা থাকল। কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে চলার কথা আমাদের নেত্রী বলেননি। ওদের জন্য সময় নষ্ট করার ইচ্ছাও নেই।’

ভারতে বিজেপিবিরোধী জোটের নেতৃত্ব দিতে চায় তৃণমূল। অথচ জোটের সিদ্ধান্ত ঝুলিয়ে রেখেছে কংগ্রেস। এ অবস্থায় তৃণমূল কংগ্রেস ত্রিপুরা, অসম, গোয়ায় তাদের শক্তি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। দলটি এই বার্তা দিচ্ছে যে, জোটের জন্য তারা দীর্ঘদিন হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না।

কংগ্রেসকে আক্রমণ করতেও ছাড়ছে না তৃণমূল। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোয়া সফরে সেটি আরও স্পষ্ট হয়েছে। বিজেপিবিরোধী জোট নিয়ে কংগ্রেসের উদ্যোগহীনতার মধ্যে এবার গোয়ায় বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াই হতে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন:
তৃণমূলে গেলেন বিজেপি বিধায়ক
ত্রিপুরায় তৃণমূল নেত্রীর ওপর হামলা, বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ
তৃণমূল সম্প্রসারণে গোয়া যাচ্ছেন মমতা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বিদেশে সার কারখানা দিতে পারবে দেশি উদ্যোক্তারা

বিদেশে সার কারখানা দিতে পারবে দেশি উদ্যোক্তারা

একনেক সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান। ছবি: নিউজবাংলা

পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, ‘আজকের একনেক সভায় দেশে একটি নতুন ইউরিয়া প্ল্যান্ট স্থাপনের ৭২৪ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের আলোচনার সময় একনেকের সদস্যরা অভিমত দেন, দেশীয় কারখানা স্থাপন করার পাশাপাশি, যেসব দেশে কম মূল্যে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়, সেখানে আমরা গিয়ে ইউরিয়া কারখানা স্থাপন করতে পারি, যা অধিক লাভজনক হতে পারে।’

বিদেশি সার কারখানায় বিনিয়োগ করতে, এমনকি চাইলে বিদেশে সার কারখানা স্থাপন করতে পারবে দেশের বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা। এ বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভা (একনেক) শেষে প্রধানমন্ত্রী মনোভাবের কথা জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, ‘আজকের একনেক সভায় দেশে একটি নতুন ইউরিয়া প্ল্যান্ট স্থাপনের ৭২৪ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের আলোচনার সময় একনেকের সদস্যরা অভিমত দেন, দেশীয় কারখানা স্থাপন করার পাশাপাশি, যেসব দেশে কম মূল্যে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়, সেখানে আমরা গিয়ে ইউরিয়া কারখানা স্থাপন করতে পারি, যা অধিক লাভজনক হতে পারে।

‘তখন প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা ভালো হয়। অবশ্যই আমরা করতে পারি, প্রাইভেট সেক্টরও বাইরে কারখানা করতে পারে। তবে তার আগে দেশে পর্যাপ্ত কারখানা লাগবে। কারণ নিজেদের যদি সংস্থান না থাকে, কখন কোন কারণে তারা যদি কারখানা বন্ধ করে দেয়, তখন আমরা পাব কোথায়?’

প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরে পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, ‘ইনভেস্টটররা যদি বাইরে যেতে চায় যাক, কারখানা স্থাপন করে ইউরিয়া আনতে চায় আনুক। আমরাও দেশে সার কারখানা তৈরি করব।’

এ দিন প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি নিয়ে কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘একনেক সভায় মঙ্গলবার ১০টি প্রকল্প অনুমোদন পায়। এর মধ্যে পাঁচটি প্রকল্প সংশোধিত এবং পাঁচটি প্রকল্প নতুন। তাই প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বারবার কেন প্রকল্পগুলোর সংশোধন করতে হয়। এটা যেন বারবার না হয় সেটা দেখতে হবে।’

আরও পড়ুন:
তৃণমূলে গেলেন বিজেপি বিধায়ক
ত্রিপুরায় তৃণমূল নেত্রীর ওপর হামলা, বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ
তৃণমূল সম্প্রসারণে গোয়া যাচ্ছেন মমতা

শেয়ার করুন

কনক সারোয়ারের বোনের জামিন ইস্যুতে রুল

কনক সারোয়ারের বোনের জামিন ইস্যুতে রুল

সাংবাদিক কনক সারোয়ারের বোন রাকার জামিন নাকচ করে কারাগারে পাঠানো হয়। ফাইল ছবি

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রেজাউল করিম বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় নুসরাত শাহরিন রাকাকে জামিন দিতে এক সপ্তাহের রুল জারি করেছেন আদালত। তবে মাদক মামলায় কোন আদেশ দেননি।’

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সাংবাদিক কনক সারোয়ারের বোন নুসরাত শাহরিন রাকাকে জামিন কেন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি এসএম মজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জেড আই খান পান্না। তার সঙ্গে ছিলেন জামিউল হক ফয়সাল। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রেজাউল করিম।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রেজাউল করিম বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় নুসরাত শাহরিন রাকাকে জামিন দিতে এক সপ্তাহের রুল জারি করেছেন আদালত। তবে মাদক মামলায় কোন আদেশ দেননি।’

ডিজিটাল নিরাপত্তা ও মাদক আইনের দুই মামলায় জামিন চেয়ে গত ৮ নভেম্বর হাইকোর্টে আবেদন করেন সাংবাদিক কনক সারোয়ারের বোন নুসরাত শাহরিন রাকা।

গত বছরের ৪ অক্টোবর রাতে রাজধানীর উত্তরায় অভিযান চালিয়ে রাকাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) সদস্যরা।

র‌্যাবের দাবি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতার কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তার বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি এবং মাদক আইনে আরেকটি মামলা করে র‌্যাব।

গত ৬ অক্টোবর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় রাকার ৩ দিন এবং মাদক মামলায় ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে বিচারিক আদালত। রিমান্ড শেষে তাকে গত ১২ অক্টোবর কারাগারে পাঠায় আদালত।

আরও পড়ুন:
তৃণমূলে গেলেন বিজেপি বিধায়ক
ত্রিপুরায় তৃণমূল নেত্রীর ওপর হামলা, বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ
তৃণমূল সম্প্রসারণে গোয়া যাচ্ছেন মমতা

শেয়ার করুন

আত্মসমর্পণের পর কারাগারে জি কে শামীমের মা

আত্মসমর্পণের পর কারাগারে জি কে শামীমের মা

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় আগেও জামিন নিতে অ্যাম্বুলেন্সে করে আদালতে যান জি কে শামীমের মা আয়েশা আক্তার। ফাইল ছবি

ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে মঙ্গলবার আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন আয়েশা আক্তার।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় যুবলীগের কথিত সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ঠিকাদার এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমের মা আয়েশা আক্তার আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে মঙ্গলবার আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন আয়েশা আক্তার।

তার পক্ষে জামিন শুনানি করেন মিজানুর রহমান।

শুনানিতে মিজানুর রহমান বলেন, ‘তিনি (আয়েশা আক্তার) একজন বয়োবৃদ্ধা ও অসুস্থ মানুষ, এ মামলার বিষয়ে তিনি কিছু অবগত নন, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে হুজুরের আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। যেকোনো শর্ত পূরণে রাজি আছেন, তাই তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করা হোক। যেকোনো শর্তে তার জামিনের প্রার্থনা করছি।’

দুদকের পক্ষে মোশাররফ হোসেন কাজল জামিনের বিরোধিতা করেন।

শুনানিতে তিনি বলেন, ‘উনি নারী হলেও অনেক দিন পলাতক থাকার পর আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। তিনি জামিন নিয়ে পলাতক হলে আবারও মামলার বিচার কাজ বিলম্বিত হবে।’

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয় বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন দুদকের আদালত পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম।

গত বছরের ১৬ নভেম্বর আদালত জি কে শামীম এবং তার মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে দুদকের দেয়া অভিযোগপত্র আমলে নেয়। তখন আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর জি কে শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে ২৯৭ কোটি ৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা করেন দুদকের উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন। গত বছর দুই জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
তৃণমূলে গেলেন বিজেপি বিধায়ক
ত্রিপুরায় তৃণমূল নেত্রীর ওপর হামলা, বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ
তৃণমূল সম্প্রসারণে গোয়া যাচ্ছেন মমতা

শেয়ার করুন

উন্নয়ন প্রকল্পের ধীরগতিতে প্রধানমন্ত্রীর বিরক্তি প্রকাশ

উন্নয়ন প্রকল্পের ধীরগতিতে প্রধানমন্ত্রীর বিরক্তি প্রকাশ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘উন্নয়ন প্রকল্পগুলো ধীর গতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী একনেক সভায় বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। বার বার যেন প্রকল্পগুলো সংশোধনে না আসে সে বিষয়েও নির্দেশনা দেন তিনি।’

উন্নয়ন প্রকল্পে ধীরগতি নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই সঙ্গে বারবার প্রকল্প সংশোধন বন্ধ করতেও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রধানমন্ত্রী উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে এসব কথা বলেন সাংবাদিকদের জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

তিনি বলেন, ‘উন্নয়ন প্রকল্পগুলো ধীর গতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী একনেক সভায় বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। বার বার যেন প্রকল্পগুলো সংশোধনে না আসে সে বিষয়েও নির্দেশনা দেন তিনি।’

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘একনেক সভায় মঙ্গলবার ১০টি প্রকল্প অনুমোদন পায়। এর মধ্যে পাঁচটি প্রকল্প সংশোধিত এবং পাঁচটি প্রকল্প নতুন। তাই প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বারবার কেন প্রকল্পগুলোর সংশোধন করতে হয়। এটা যেন বারবার না হয় সেটা দেখতে হবে।’

সভায় পাঁচটি সংশোধনী প্রকল্পের মধ্যে একটি তৃতীয় দফায় সংশোধন হয়েছে। নতুন প্রকল্প ও সংশোধিত প্রকল্পের বাড়তি অর্থ মিলে ১০টি প্রকল্পে মোট ব্যয় হবে ৪ হাজার ৬২১ কোটি টাকা।

প্রধানমন্ত্রী আরও কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী। দেশের বাইরে ইউরিয়া কারখানা স্থাপনেও সম্মতি দিয়েছেন সরকারপ্রধান।

মন্ত্রী বলেন, আজকের একনেক সভায় দেশে একটি নতুন ইউরিয়া প্ল্যান্ট স্থাপনে ৭২৪ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এ প্রকল্পে আলোচনাকালে একনেকের সদস্যরা অভিমত দেন, দেশীয় কারখানা স্থাপন করার পাশাপাশি, যেসব দেশে কম মূল্যে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায় সেখানে আমরা গিয়ে ইউরিয়া কারখানা স্থাপন করতে পারি, যা অধিক লাভজনক হতে পারে।

‘প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা ভালো হয়। অবশ্যই আমরাও করতে পারি, প্রাইভেট সেক্টরও বাইরে কারখানা করতে পারে। তবে তার আগে দেশে পর্যাপ্ত কারখানা লাগবে। কারণ নিজেদের যদি সংস্থান না থাকে, কোনো কারণে তারা যদি কারখানা বন্ধ করে দেয় তখন আমরা পাবো কোথায়? ইনভেস্টরা যদি বাইরে যেতে চায় যাক, কারখানা স্থাপন করে ইউরিয়া আনতে চায় আনুক। আমরাও দেশে সার কারখানা তৈরি করব।’

সেতু নির্মাণের ক্ষেত্রে নিচ দিয়ে নৌ চলাচল যাতে নির্বিঘ্ন থাকে সে বিষয়টি লক্ষ্য রাখতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান পরিকল্পনামন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘হাওড়া যেখানে পানির কারণে রাস্তাঘাট করা সম্ভব নয় সেখানে উড়ালসড়ক করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।’

আরও পড়ুন:
তৃণমূলে গেলেন বিজেপি বিধায়ক
ত্রিপুরায় তৃণমূল নেত্রীর ওপর হামলা, বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ
তৃণমূল সম্প্রসারণে গোয়া যাচ্ছেন মমতা

শেয়ার করুন

২২ দিনে ৯ জেব্রার মৃত্যু: সাফারি পার্কে বিশেষজ্ঞ দল

২২ দিনে ৯ জেব্রার মৃত্যু: সাফারি পার্কে বিশেষজ্ঞ দল

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে জেব্রার দল। ছবি: নিউজবাংলা

সাফারি পার্কের প্রকল্প পরিচালক মো. জাহিদুল কবির বলেন, ‘মারা যাওয়ার আগে জেব্রাগুলো দল থেকে আলাদা হয়ে পড়ে যায়। এরপর সঙ্গে সঙ্গে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় এবং পেট ফুলে মুখ দিয়ে ফেনা বের হয়। করোনা সন্দেহে পিসিআর ল্যাবে মৃত জেব্রাগুলোর নমুনা পাঠিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে। রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।’

গাজীপুরের শ্রীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে ২২দিনের ব্যবধানে ৯টি জেব্রার মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখতে সাফারি পার্কে বৈঠকে বসেছে বিশেষজ্ঞ দল।

২ জানুয়ারি থেকে ২৪ জানুয়ারির মধ্যে জেব্রাগুলো মারা যায়। সবশেষ সোমবার রাতে পার্কে একটি জেব্রার মৃত্যুর পর বিষয়টি প্রকাশ পায়।

নিউজবাংলাকে জেব্রার মৃত্যু ও বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাফারি পার্কের প্রকল্প পরিচালক মো. জাহিদুল কবির।

তিনি বলেন, ‘জেব্রার মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানসহ নানা বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদের তিনজন বিশেষজ্ঞ, ঢাকা চিড়িয়াখানার সাবেক কিউরেটর মো. শহিদুল্ল্যাহ ও গাজীপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে বিশেষজ্ঞ দল বোর্ড মিটিংয়ে বসেছে।’

মৃত্যুর আগে জেব্রাগুলোর মধ্যে কোনো রোগের উপসর্গ দেখা যাচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি জেব্রার মরদেহ ময়নাতদন্ত হয়েছে। মরদেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।’

২২ দিনে ৯ জেব্রার মৃত্যু: সাফারি পার্কে বিশেষজ্ঞ দল

প্রকল্প পরিচালক আরও বলেন, ‘জেব্রার অস্বাভাবিক মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে মৃত জেব্রাগুলোর ফুসফুস, লিভার, মৃত্যুর পর পেটে থাকা অর্ধগলিত খাবারগুলোর পরীক্ষা করা হয়েছে, যার রিপোর্ট চলে এসেছে। সেগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।’

তিনি জানান, মারা যাওয়ার আগে জেব্রাগুলো দল থেকে আলাদা হয়ে পড়ে যায়। এরপর সঙ্গে সঙ্গে শ্বাসকষ্ট শুরু হয় এবং পেট ফুলে মুখ দিয়ে ফেনা বের হয়। করোনা সন্দেহে পিসিআর ল্যাবে মৃত জেব্রাগুলোর নমুনা পাঠিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে। রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

এছাড়াও খাবারে বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হতে পারে এমন সন্দেহে খাবার পরীক্ষা করা হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘জেব্রাগুলো যে খাবার খাচ্ছে তা পার্কে থাকা অন্যান্য প্রাণীগুলোও খাচ্ছে। খাদ্যে বিষক্রিয়া হয়ে মৃত্যু হলে অন্য প্রাণীগুলোরও মৃত্যু হতে পারতো।’

২২ দিনে ৯ জেব্রার মৃত্যু: সাফারি পার্কে বিশেষজ্ঞ দল

পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী বনসংরক্ষক তবিবুর রহমান বলেন, ‘জেব্রার মৃতদেহের নমুনা রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল। সোমবার রাতে পরীক্ষার ফলাফলও হাতে এসেছে। ওই ফল নিয়েই মঙ্গলবার সকালে পার্কে বিশেষজ্ঞ দল বৈঠকে বসেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাফারি পার্কে জেব্রাকে ঘাস সরবরাহ করে মাহবুব এন্টারপ্রাইজ নামে একটি প্রতিষ্ঠান। ওই প্রতিষ্ঠানের একজনকে নিয়ে যেসব এলাকা থেকে ঘাস সংগ্রহ করা হয় সেসব এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে।

‘সেখান থেকে বিভিন্ন ধরনের নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। সাফারি পার্কের চারণভূমির ঘাস ও মাটি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।’

তিনি জানান, পার্কে মোট ৩১টি জেব্রা ছিল। ৯টি জেব্রার মৃত্যুর পর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২টিতে।’

আরও পড়ুন:
তৃণমূলে গেলেন বিজেপি বিধায়ক
ত্রিপুরায় তৃণমূল নেত্রীর ওপর হামলা, বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ
তৃণমূল সম্প্রসারণে গোয়া যাচ্ছেন মমতা

শেয়ার করুন

বিএনপির আন্দোলনের হুমকি শব্দদূষণ: কাদের

বিএনপির আন্দোলনের হুমকি শব্দদূষণ: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

বিএনপি নেতাদের গণঅভ্যুত্থানের ডাক প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির সব প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে মানুষ এগিয়ে যাচ্ছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। জনগণ এখন হতাশাগ্রস্ত বিএনপির আন্দোলনের ডাককে শব্দদূষণ মনে করে।’

বিএনপি নেতাদের আন্দোলনের হুমকিকে শব্দদূষণ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বলেছেন, দেশের রাজনীতিতে নয়, দলটি এখন নিজেদের রাজনীতিতেই দুর্দিন অতিক্রম করছে।

রাজধানীতে সরকারি বাসভবনে মঙ্গলবার ব্রিফিংয়ে এসব মন্তব্য করেন ক্ষমতাসীন দলের দ্বিতীয় এই শীর্ষ নেতা। নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জে কূটচাল ব্যর্থ হওয়ায় বিএনপির হতাশা আরও ঘনীভুত হয়েছে।’

বিএনপি নেতাদের গণঅভ্যুত্থানের ডাক প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির সব প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে মানুষ এগিয়ে যাচ্ছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। জনগণ এখন হতাশাগ্রস্ত বিএনপির আন্দোলনের ডাককে শব্দদূষণ মনে করে।

‘বিএনপি ৬৯ এর মতো গণঅভ্যুত্থানের স্বপ্ন দেখে, কিন্তু নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে যে অভ্যুত্থান দেখিয়েছে, তা বিএনপি দেখেও দেখে না, বুঝেও বোঝে না।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের মতে, বিএনপি এখনও অগণতান্ত্রিক পথে ক্ষমতা দখল করে জনগণের ঘাড়ে জগদ্দল পাথরের মতো সওয়ার হওয়ার দিবাস্বপ্ন দেখে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারদের নিয়োগে আইন প্রণয়নে উদ্যোগী হয়েছে সরকার। এ বিষয়েও বিএনপি স্বভাবগত সমালোচনা করছে বলে জানালেন ওবায়দুল কাদের। বিএনপি নেতাদের কাছে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘তাদের শাসনামলে তারা কেন এই আইন করতে পারলেন না?

করোনা সংক্রমণ আবারও বেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দেশবাসীকে স্বাস্থ্যবিধি মানার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, করোনার সংক্রমণ বাড়লে একটি মহল গুজব এবং অপপ্রচার শুরু করে। জনমনে ভীতি সঞ্চার করতে চায়।

আরও পড়ুন:
তৃণমূলে গেলেন বিজেপি বিধায়ক
ত্রিপুরায় তৃণমূল নেত্রীর ওপর হামলা, বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ
তৃণমূল সম্প্রসারণে গোয়া যাচ্ছেন মমতা

শেয়ার করুন

দুর্নীতির মামলায় ক্যাপ্টেন শওকতকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

দুর্নীতির মামলায় ক্যাপ্টেন শওকতকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

মাওয়া আরিচা ফেরিঘাটে ফগ লাইট পরীক্ষা করার পর দেখা যায়, ৭ হাজার ওয়ার্ডের ফগ লাইট কাজ করছে মাত্র ৩ হাজার ওয়ার্ডের সমান। ফাইল ছবি

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের সাবেক মহাব্যবস্থাপক ক্যাপ্টেন শওকত সরদারকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। ফেরির ফগ লাইট কেনায় অনিয়মের অভিযোগে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের পরিচালক ও জিএমসহ ৭ কর্মকর্তার নামে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন।

ফেরির ফগ লাইট কেনায় অনিয়মের অভিযোগে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের সাবেক মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ক্যাপ্টেন শওকত সরদারকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে তাকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।

আগাম জামিন চেয়ে তার করা আবেদন খারিজ করে মঙ্গলবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জে কে পাল। দুদকের পক্ষে ছিলেন শাহীন আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

ফেরির ফগ লাইট কেনায় অনিয়মের অভিযোগে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) পরিচালক ও জিএমসহ ৭ কর্মকর্তার নামে ৫ জানুয়ারি দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলায় আসামি করা হয়, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) সাবেক চেয়ারম্যান ও পরিচালক (কারিগরি) ড. জ্ঞান রঞ্জন শীল, মহাব্যবস্থাপক বা জিএম ক্যাপ্টেন শওকত সরদার, মো. নুরুল হুদা, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি পঙ্কজ কুমার পাল, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) সাবেক মহাব্যবস্থাপক (মেকানিক্যাল) ইঞ্জিনিয়ার মো. রহমত উল্লা, বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) মেকানিক্যাল বিভাগের ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন এবং মেসার্স জনী করপোরেশনের মালিক ওমর আলী।

ঘন কুয়াশায় ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ১০ কিলোমিটার দেখা যায় এমন উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ফগ অ্যান্ড সার্চ লাইট ক্রয়ে ৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তাদের নামে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সাইদুজ্জামান বাদি হয়ে মামলাটি করেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ও পিএসআই কমিটির সুপারিশ উপেক্ষা করে সার্চ অ্যান্ড ফগ লাইটের পরিবর্তে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সার্চ লাইটসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্রয় করে সরকারের ৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধন করেছেন।

অনুমোদনকৃত মামলায় তাদের নামে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালে বিআইডব্লিউটিসির ৬ কোটি টাকার ফগলাইট কিনতে আমেরিকায় যায় প্রতিষ্ঠানটির তখনকার চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, পরিচালক জ্ঞান রঞ্জন শীল, জিএম ক্যাপ্টেন শওকত সরদার ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পংকজ কুমার পাল। এই চার সদস্যের মধ্যে ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন মাত্র একজন।

৬ কোটি টাকা দিয়ে তারা ১০টি ফগ লাইট ক্রয় করে। যা ছিল নিম্ন মানের। এছাড়া দেশে ফিরে গ্রীষ্মকালেই তারা এই ফগ (কুয়াশা) লাইট পরীক্ষা করেছে। মাওয়া আরিচা ফেরিঘাটে ফগ লাইট পরীক্ষা করার পর দেখা যায়, ৭ হাজার ওয়ার্ডের ফগ লাইট কাজ করছে মাত্র ৩ হাজার ওয়ার্ডের সমান। কিন্তু এর মধ্যে টাকা তুলে নেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জনি করপোরেশন। তবে অনিয়ম ধরা পড়ায় আটকে দেয়া হয় ব্যাংক গ্যারান্টির টাকা।

এরপর ২০১৬ সালে হাইকোর্টের দ্বারস্ত হয় ফগ লাইট আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান জনি করপোরেশন। ওই রিটের দীর্ঘ শুনানি শেষে রিটটি খারিজ করে দিয়ে এ রায় দেয় হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ।

আরও পড়ুন:
তৃণমূলে গেলেন বিজেপি বিধায়ক
ত্রিপুরায় তৃণমূল নেত্রীর ওপর হামলা, বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ
তৃণমূল সম্প্রসারণে গোয়া যাচ্ছেন মমতা

শেয়ার করুন