উন্নত জাতি গঠনে গবেষণার সংস্কৃতি চান শিক্ষামন্ত্রী

উন্নত জাতি গঠনে গবেষণার সংস্কৃতি চান শিক্ষামন্ত্রী

বিএসএমএমইউর তৃতীয় গবেষণা দিবস উপলক্ষে বুধবার বৈজ্ঞানিক অধিবেশন ও অ্যাওয়ার্ড প্রদানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ছবি: নিউজবাংলা

গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘উন্নত জাতি গঠনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করেন গবেষকরা। তাই আমাদের দেশে গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।’

উন্নত জাতি গঠনে গবেষকদের বিকল্প নেই জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, দেশে গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) তৃতীয় গবেষণা দিবস উপলক্ষে বুধবার বৈজ্ঞানিক অধিবেশন ও অ্যাওয়ার্ড প্রদানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘উন্নত জাতি গঠনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করেন গবেষকরা। তাই আমাদের দেশে গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।’

অনেক সময় গবেষণার বরাদ্দ ফিরে যায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যারা গবেষণা করেন, তারা হয়তো সঠিক নিয়মকানুন মেনে আবেদন করেন না। কোথাও একটা সমস্যা আছে।

‘এ বিষয়ে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। নইলে যারা ভালো গবেষক আছেন, তারা হতাশ হবেন।’

ওই সময় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ‘সবাই গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধির কথা বলেন, কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় বরাদ্দকৃত টাকার যথাযথ ব্যবহারও হয় না। তাই বরাদ্দকৃত টাকা ফেরত যায়।’

দেশের গবেষণা খাতকে এগিয়ে নিতে ব্যবসায়ীদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান ইউজিসি চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, ‘দেশের উন্নতির জন্য আমি ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করব, আপনারা গবেষণা খাতে কিছু ব্যয় করুন। এতে দেশ লাভবান হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বর্তমানে আমরা গবেষণায় গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি, যেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় বিশ্বের বুকে রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।’

করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং গবেষণার ফল প্রকাশ করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘গবেষণায় দেখা গেছে, মোট ১৮ শতাংশ হচ্ছে ইন্ডিয়ান বা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট।’

তিনি জানান, করোনার টিকাগ্রহীতাদের ওপর গবেষণার ফলে দেখা গেছে, তাদের ৯৮ শতাংশের দেহে অ্যান্টিবডি।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, বিএসএমএমইউর উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. এ কে এম মোশাররফ হোসেন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. ছয়েফ উদ্দিন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান।

আরও পড়ুন:
স্কুল খুললেও করোনা বাড়লে যে কোনো সময় আবার বন্ধ
শিক্ষাব্যবস্থা তারা ধ্বংস করেছিল: দীপু মনি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে কবে?
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা নিয়ে কথা শুনতে হয়েছে: দীপু মনি                                                                    

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ইউনিক আইডি: ফরম পূরণে ভোগান্তির শেষ নেই

ইউনিক আইডি: ফরম পূরণে ভোগান্তির শেষ নেই

ইউনিক আইডিতে থাকবে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও শিক্ষা সংক্রান্ত সব তথ্য। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা

এক অভিভাবক বললেন, ‘বাচ্চার ইউনিক আইডির জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বাবা-মায়ের জন্ম নিবন্ধন চাওয়া হচ্ছে। আমাদের জাতীয় পরিচয়পত্র আছে। তাহলে কেন আবার জন্ম নিবন্ধন লাগবে?’

দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর জন্য ইউনিক আইডি তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও শিক্ষা সংক্রান্ত সব তথ্য থাকবে। এ আইডির জন্য প্রয়োজনীয় ফরম পূরণ করতে গিয়ে প্রক্রিয়াগত জটিলতায় ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের।

রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন স্কুলে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর ইউনিক আইডির কাগজপত্র নিয়ে মঙ্গলবার স্কুলে আসেন অভিভাবক ওয়াহিদুর রহমান। স্কুল কর্তৃপক্ষ তাকে জানায়, শিক্ষার্থীর ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধনের সঙ্গে অভিভাবকের ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধনও লাগবে। তা না হলে তার ইউনিক আইডির কাগজ জমা নেয়া হবে না।

একই অভিযোগ করেন রাজধানীর একাধিক বিদ্যালয়ের অভিভাবকরা। তেমনই একজন তাসমিয়া বিনতে জামান। তিনি বলেন, ‘বাচ্চার ইউনিক আইডির জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বাবা-মায়ের জন্ম নিবন্ধন চাওয়া হচ্ছে। আমাদের জাতীয় পরিচয়পত্র আছে। তাহলে কেন আবার জন্ম নিবন্ধন লাগবে?’

তবে ভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন তমাল পাল। তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ে ইস্পাহানি গার্লস স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়ে। ইউনিক আইডির ফরমের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সব কাগজ জমা দেয়ার পর হঠাৎ করে স্কুল থেকে ফোন করে জানায়, রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের কাগজ জমা দিতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওর রক্তের গ্রুপ তো ছোট্ট সময়েই নির্ণয় করে রেখেছি। ইউনিক আইডির জন্য এখন আবার রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করতে হলো। এ জন্য অতিরিক্ত টাকা ব্যয় করতে হলো।’

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করতে কিছু শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকের নানা ভোগান্তিতে পড়ার কথা স্বীকার করেন ইউনিক আইডির প্রকল্প পরিচালক শামসুল আলম। তিনি বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে আসলে আমাদের কিছুই করার নেই। জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে এন্ট্রি দেয়ার জন্য অফিস অফ রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় অনেক আগেই অফিস আদেশ জারি করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে এখন জন্ম নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। তাই আমরা ধরে নিতেই পারি, সব শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন আছে। যারা স্কুলে ভর্তিই হয়নি, তাদের জন্ম নিবন্ধন নাও থাকতে পারে।

‘সমস্যা হলো, জন্ম নিবন্ধনের কোনোটা ম্যানুয়াল, কোনোটা ডিজিটাল। যেসব শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন ম্যানুয়াল, তাদের ডিজিটাল অর্থাৎ অনলাইনে এন্ট্রি দেয়া জন্ম নিবন্ধন লাগবে। কারণ ইউনিক আইডি দেয়ার অন্যতম শর্ত হলো শিক্ষার্থীর বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র বা অনলাইন জন্ম নিবন্ধনের সঙ্গে মিল থাকতে হবে শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধনের।

‘যদি কোনো শিক্ষার্থীর বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকে, সে ইউনিক আইডি পাবে না। কারণ আমরা শিক্ষার্থীদের তথ্যগুলো পাঠাব অফিস অফ রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ে। তারপর সেখান থেকে যাবে নির্বাচন কমিশনে। এরপর তারা ইউনিক আইডি তৈরি করবে। এটাই সিস্টেম। এ জন্য কোনো শিক্ষার্থীর যদি অনলাইন জন্ম নিবন্ধন না থাকে, তাহলে সে ইউনিক আইডি পাবে না।’

শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধনে বাবা-মায়ের জন্ম নিবন্ধন কেন প্রয়োজন হয়, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে শিক্ষার্থীর বাবা-মায়ের জন্ম নিবন্ধন আগে করে নিতে হবে। এটা জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন-২০১৯ অনুযায়ী করা হচ্ছে। সেখানে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সব নাগরিকের জন্ম নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক। যদি কেউ তা না করে তাহলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।’

যেসব শিক্ষার্থীর বাবা-মায়ের জন্ম নিবন্ধন নেই, তাদের করণীয় কী, এমন প্রশ্নে শামসুল আলম বলেন, ‘যেসব শিক্ষার্থীর অনলাইন জন্ম নিবন্ধন ইতোমধ্যে করা আছে, তাদের বাবা-মায়ের শুধু জাতীয় পরিচয়পত্র থাকলেই শিক্ষার্থী ইউনিক আইডি পাবে। আর যেসব শিক্ষার্থীর অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন এখনও করা হয়নি, তাদের জন্ম নিবন্ধন করতেও বাবা-মায়ের অনলাইন জন্ম নিবন্ধন লাগবে। এটা আইনে স্পষ্ট উল্লেখ আছে।’

রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের কাগজ ইউনিক আইডির ফরমের সঙ্গে দেয়া বাধ্যতামূলক কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের কাগজ ইউনিক আইডির ফরমের সঙ্গে দেয়া বাধ্যতামূলক না। তবে কিছু স্কুল কর্তৃপক্ষ ইউনিক আইডির ফরমের সঙ্গে রক্তের গ্রুপের কাগজ নিচ্ছে, যেন ফরমে দেয়া তথ্য ভুল না হয়।

ইউনিক আইডি: ফরম পূরণে ভোগান্তির শেষ নেই

‘ইউনিক আইডি’র তথ্য পূরণের ক্ষেত্রে পাঁচটি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

ইউনিক আইডি কেন

প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও শিক্ষাসংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য এক জায়গায় রাখার জন্য তৈরি করা হচ্ছে ইউনিক আইডি। শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হলে এই আইডি জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) রূপান্তরিত হবে।

ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি তৈরির দায়িত্বে আছে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইজ)। আর প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি তৈরি করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

কেন শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিক আইডি তৈরি করা হচ্ছে, এমন প্রশ্নে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, ‘কোনো শিশু জন্মগ্রহণ করলেই স্থানীয় সরকার বিভাগের অফিস অফ রেজিস্ট্রার জেনারেলের আওতায় তার জন্মনিবন্ধন হয়। আর ১৮ বছর পূর্ণ হওয়া সবার জন্য আছে জাতীয় পরিচয়পত্র। কিন্তু যারা প্রাইমারি, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী, অর্থাৎ যাদের বয়স ১৮-এর নিচে তারা এই সিস্টেমের বাইরে। এ জন্য তাদের সিস্টেমের মধ্যে আনতেই ইউনিক আইডি তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

ফরমে যেসব তথ্য দিতে হয়

স্ট্যাবলিশমেন্ট অফ ইন্টিগ্রেটেড এডুকেশনাল ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইইআইএমএস) প্রকল্পের আওতায় তৈরি করা চার পৃষ্ঠার ফরমে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

ফরমে শিক্ষার্থীর নাম, জন্মনিবন্ধন নম্বর, জন্মস্থান, জেন্ডার, জাতীয়তা, ধর্ম, অধ্যয়নরত শ্রেণি, রোল নম্বর, বৈবাহিক অবস্থা, প্রতিবন্ধিতা (ডিজঅ্যাবিলিটি), রক্তের গ্রুপ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কি না, মা-বাবার নামসহ বেশ কিছু তথ্যের ঘর রয়েছে।

বৈবাহিক অবস্থার অপশন হিসেবে অবিবাহিত, বিবাহিত, বিধবা, বিপত্নীক ছাড়াও স্বামী-স্ত্রী পৃথক বসবাস, তালাকপ্রাপ্ত, বিবাহবিচ্ছেদের ঘরও রয়েছে ফরমে।

আরও পড়ুন:
স্কুল খুললেও করোনা বাড়লে যে কোনো সময় আবার বন্ধ
শিক্ষাব্যবস্থা তারা ধ্বংস করেছিল: দীপু মনি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে কবে?
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা নিয়ে কথা শুনতে হয়েছে: দীপু মনি                                                                    

শেয়ার করুন

জগন্নাথে জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড

জগন্নাথে জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড

দ্বাদশ জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড ২০২১ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে অনলাইন প্লাটফর্মে হয়।

প্রতিযোগিতা থেকে শীর্ষ ১০ জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগে অনুষ্ঠিতব্য চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত হন। অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘এমন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গণিত ভীতি দূর হবে বলে আমি আশাবাদী। আমি শিক্ষার্থীদের আহ্বান করব তারা যেন এমন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ‘দ্বাদশ জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড ২০২১ (ঢাকা দক্ষিণ অঞ্চল)’ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে অনলাইন প্লাটফর্ম ‘জুম’-এ বাংলাদেশ গণিত সমিতির উদ্যোগে এবং এ. এফ. মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে এই অলিম্পিয়াড হয়।

শুক্রবার এ গণিত অলিম্পিয়াডে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকা দক্ষিণ অঞ্চলের মোট ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৬টি বিভাগ থেকে ১১৮ প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন।

প্রতিযোগিতা থেকে ১০ প্রতিযোগী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগে অনুষ্ঠিতব্য চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত হন। তারা হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জুবায়ের রহমান, কাজী হাফিজুর রহমান, রেদওয়ানুল ইসলাম সিয়াম, শোভা ইসলাম, মো. তারিকুজ্জামান শাকিল ও পার্থ সুত্রধর; বুয়েটের রিদওয়ানুল হাসান তানভীর; জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তাসনিম রহমান মীম; ঢাবির মো. রিয়াজুল হাসান লিয়ন এবং হাসান কিবরিয়া।

অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘এমন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গণিত ভীতি দূর হবে বলে আমি আশাবাদী। আমি শিক্ষার্থীদের আহ্বান করব তারা যেন এমন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।’

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, বাংলাদেশ গণিত সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. শওকত আলী, এ. এফ মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি মো. নুরুল আলম এবং গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শরিফুল আলম সহ অন্যান্য শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন:
স্কুল খুললেও করোনা বাড়লে যে কোনো সময় আবার বন্ধ
শিক্ষাব্যবস্থা তারা ধ্বংস করেছিল: দীপু মনি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে কবে?
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা নিয়ে কথা শুনতে হয়েছে: দীপু মনি                                                                    

শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটে তথ্য দিলেই টিকা পাবেন জবি শিক্ষার্থীরা

ওয়েবসাইটে তথ্য দিলেই টিকা পাবেন জবি শিক্ষার্থীরা

আগামী ৫ থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত জবিতে দেয়া হবে টিকার দ্বিতীয় ডোজ। ছবি: নিউজবাংলা

জবি রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান জানান, যে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী টিকা ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রথম ডোজ নিয়েছেন তাদের দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে http://student.erp.jnu.ac.bd/jnuis/student/login/view.html লিংকে ঢুকে তথ্য দিতে হবে। আর যারা দেশের অন্যত্র থেকে সিনোফার্মের প্রথম ডোজ নিয়েছেন, তারা টিকা কার্ড দেখিয়ে অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারবেন।  

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আধুনিক মেডিক্যাল সেন্টারের অস্থায়ী টিকা ক্যাম্পে দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেয়া হবে।

আগামী ৫ থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেয়া হবে টিকা। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের টিকা নেয়ার আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ঢুকে বিষয়টি নিশ্চিত করে তথ্য দিতে হবে।

এ ক্ষেত্রে যারা প্রথম ডোজ নিয়েছেন তারা স্টুডেন্ট পোর্টালে ঢুকে টিকা গ্রহণের তারিখ ঠিক করাসহ অন্যান্য তথ্য দিতে হবে। এরপর তারা টিকা নিতে পারবেন।

শুক্রবার সকালে নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (প্রশাসন) মোহাম্মদ মশিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

রেজিস্ট্রার বলেন, যে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী টিকা ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রথম ডোজ নিয়েছেন তাদের দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে এই লিংকে ঢুকে http://student.erp.jnu.ac.bd/jnuis/student/login/view.html তথ্য দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ৭ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের করোনার দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেয়া হবে। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী যারা দেশের অন্যত্র থেকে সিনোফার্মের প্রথম ডোজ নিয়েছেন, তারা টিকা কার্ড দেখিয়ে অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারবেন।

এর আগে গত ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে ১৯৬০ শিক্ষার্থী প্রথম ডোজের টিকা গ্রহণ করেছেন।

আরও পড়ুন:
স্কুল খুললেও করোনা বাড়লে যে কোনো সময় আবার বন্ধ
শিক্ষাব্যবস্থা তারা ধ্বংস করেছিল: দীপু মনি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে কবে?
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা নিয়ে কথা শুনতে হয়েছে: দীপু মনি                                                                    

শেয়ার করুন

এবার বুয়েটে চান্স পেলেন ১৯ আবরার

এবার বুয়েটে চান্স পেলেন ১৯ আবরার

বুয়েটে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে প্রকৌশল, পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের অধীনে ১২টি বিভাগে স্নাতকে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হবে। চূড়ান্ত পর্বে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া ১ হাজার ২১৫ জন ভর্তির সুযোগ পাবেন। এ বছর বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পাওয়া তালিকায় ১৫ শিক্ষার্থীর নামের অংশে ‘আবরার’ শব্দটি রয়েছে। অপেক্ষমাণ তালিকায় আছেন আরও চারজন। ভর্তির সুযোগ পাওয়া তিন শিক্ষার্থীর নামের সঙ্গে যুক্ত আছে ‘ফাহাদ’ শব্দটি।

ছাত্রলীগের নির্মম নির্যাতনে নিহত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের মৃত্যুর দুই বছর পর বিশ্ববিদ্যালয়টির ভর্তি পরীক্ষায় পাস করেছেন আবরার নামের ১৯ জন।

তাদের নামের অংশে ‘আবরার’ শব্দটি রয়েছে। তবে তিন শিক্ষার্থীর নামের সঙ্গে যুক্ত আছে ‘ফাহাদ’ শব্দটি।

বুয়েটে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়টির ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হয়।

প্রকৌশল এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এবং স্থাপত্য বিভাগের আওতায় বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া ছয় হাজার শিক্ষার্থী গত ৬ নভেম্বর চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

এবার প্রকৌশল, পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের অধীনে ১২টি বিভাগে স্নাতকে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হবে। চূড়ান্ত পর্বে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া ১ হাজার ২১৫ জন ভর্তির সুযোগ পাবে। এ বছর বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পাওয়া তালিকায় ১৫ শিক্ষার্থীর নামের অংশে ‘আবরার’ শব্দটি রয়েছে।

এ ছাড়া অপেক্ষমাণ তালিকায় আছেন আরও চারজন শিক্ষার্থী, যাদের নামের অংশেও ‘আবরার’ রয়েছে। ভর্তির সুযোগ পাওয়া তিন শিক্ষার্থীর নামের সঙ্গে যুক্ত আছে ‘ফাহাদ’ শব্দটি। তাদের মধ্যে দুজন অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছেন।

এবার বুয়েটে চান্স পেলেন ১৯ আবরার
ছাত্রলীগের নির্মম নির্যাতনে নিহত বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ। ফাইল ছবি

বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পাওয়া ‘আবরার’ নামের ওই শিক্ষার্থীরা হলেন, আবরার আসেম ফুয়াদ (চতুর্থ), আশিক আবরার নাইম (১১তম), আবরার জাহিন সরকার (২১তম), আবরার জামিল (৬৭তম), আবরার রহমান আবির (১০৪তম), হাদি মোহাম্মদ ফারদিন আবরার (৩১৭তম), আবরার শাহরিয়ার হোসাইন (৩১৮তম), ইসমাম আবরার ইউশা (৪১৭তম), আবরার জাহিন (৫৪৭তম), মো. আবরার ফায়াজ (৭৩৪তম), এ টি এম আবরার মোহতাদি (৭৮৭তম), আবরার ইয়াসির (৮৩৭তম), শেখ মাহির আবরার (৯০৭তম), ফাইয়াজ আবরার (৯৪৫তম) ও মো. আবরার শাহরিয়ার কবির (১০৬৬তম)।

অপেক্ষমাণ তালিকায় আছেন ফাহিম আবরার (১২৩৬তম), আবরার আহমেদ ফাহিম (১৩০০তম), আবরার ইহতাসুম আফিফ (১৩১৭তম) এবং আবরার হাফিজ রাব্বানী (১৭৮৬তম)।
মূল তালিকায় ‘ফাহাদ’ নামের শিক্ষার্থীরা হলেন আতিকুল আলম ফাহাদ (৭৯৯তম)। অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছেন মো. ফাহাদ ইসলাম দীপ্ত (১৩৫১তম) এবং নাবিল ফাহাদ (১৪৮৭তম)।

এর আগে আবরার ফাহাদ হত্যার বছর অর্থাৎ ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষেও বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় ‘আবরার’ নামের ১৭ জন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ভর্তির সুযোগ পান। তাদের মধ্যে মূল তালিকায় ছিলেন ১৫ জন আর অপেক্ষমাণ তালিকায় ২ জন।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর বুয়েটের শেরে বাংলা হলে পিটিয়ে হত্যা করা হয় তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে। এ ঘটনায় করা মামলায় ওই বছরের ১৩ নভেম্বর বুয়েটের ২৫ ছাত্রের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।

গত বছরের ২১ জানুয়ারি অভিযোগপত্রটি আমলে নেয় আদালত। ওই বছরের ২ সেপ্টেম্বর তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এ বছরের ৪ মার্চ এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়েছে। ২৮ নভেম্বর রোববার রায় ঘোষণার দিন ঠিক করেছে আদালত। অভিযুক্তদের সবাই বুয়েট ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তাদের মধ্যে বর্তমানে তিনজন পলাতক।

আরও পড়ুন:
স্কুল খুললেও করোনা বাড়লে যে কোনো সময় আবার বন্ধ
শিক্ষাব্যবস্থা তারা ধ্বংস করেছিল: দীপু মনি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে কবে?
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা নিয়ে কথা শুনতে হয়েছে: দীপু মনি                                                                    

শেয়ার করুন

বুয়েটেও প্রথম সিয়াম

বুয়েটেও প্রথম সিয়াম

বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন মেফতাহুল ইসলাম সিয়াম।

সিয়াম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা এবং গাজীপুরের ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির ভর্তি পরীক্ষায়ও প্রথম হন। এ ছাড়া ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় সিয়ামের অবস্থান ছিল ৫৯তম।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) স্নাতকে (২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ) ভর্তি পরীক্ষায় প্রকৌশল এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা (ইউআরপি) বিভাগে প্রথম হয়েছেন বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজের শিক্ষার্থী মেফতাহুল ইসলাম সিয়াম।

সিয়াম শুধু বুয়েটেই নয়, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা এবং গাজীপুরের ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির ভর্তি পরীক্ষায়ও প্রথম হন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় সিয়ামের অবস্থান ছিল ৫৯তম। এ ছাড়া ১৮ নভেম্বর প্রকাশিত তিন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় সিয়াম তৃতীয় হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বুয়েটের ওয়েবসাইটে চূড়ান্ত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

বুয়েটের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক শ্রেণিতে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে গত ২০ ও ২১ অক্টোবর প্রাক্‌-নির্বাচনী পরীক্ষা হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে ১৮ হাজার ৫ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। এর মধ্যে ছেলে শিক্ষার্থী ১২ হাজার ৩১৫ জন এবং মেয়ে শিক্ষার্থী ৫ হাজার ৬৯০ জন।

মহামারি পরিস্থিতি বিবেচনায় চার শিফটে ভাগ করে প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষা নেয়া হয়। সেখানে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত ছয় হাজার পরীক্ষার্থীকে চূড়ান্ত পর্বের পরীক্ষার জন্য বাছাই করা হয়।

পরিবহন ধর্মঘটের মধ্যেই ৬ নভেম্বর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে (২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ) ভর্তির চূড়ান্ত পরীক্ষা হয়। ধর্মঘটের মধ্যেও চূড়ান্ত পরীক্ষায় ৫ হাজার ৯৪৪ জন শিক্ষার্থী অর্থাৎ মোট পরীক্ষার্থীর ৯৯ ভাগ শিক্ষার্থী নেন।

এবার প্রকৌশল, পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের অধীনে ১২টি বিভাগে স্নাতক শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হবে। চূড়ান্ত পর্বে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া ১ হাজার ২১৫ জন ভর্তির সুযোগ পাবেন।

প্রকৌশল এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এবং স্থাপত্য বিভাগের আওতায় বুয়েটের ভর্তি অনুষ্ঠিত হয়।

মেফতাহুল ইসলাম প্রথম হয়েছেন প্রকৌশল এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের ভর্তি পরীক্ষায়। পরীক্ষায় তার রোল নম্বর ছিলে ৫০৬১৫। অন্যদিকে স্থাপত্য বিভাগের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন নাবিলা তাবাসসুম নামের এক ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থী। ভর্তি পরীক্ষায় তার রোল নম্বর ৯০৩১৯।

কলেজে থাকার সময় মেফতাহুল সিয়াম বিভিন্ন পুরস্কার পেয়েছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশ কেমিস্ট্রি অলিম্পিয়াডে জাতীয় পর্যায়ে প্রথম, বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে কলেজ পর্যায়ে অষ্টম এবং বিজ্ঞান একাডেমির স্থানীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে তিনি প্রথম হন।

আরও পড়ুন:
স্কুল খুললেও করোনা বাড়লে যে কোনো সময় আবার বন্ধ
শিক্ষাব্যবস্থা তারা ধ্বংস করেছিল: দীপু মনি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে কবে?
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা নিয়ে কথা শুনতে হয়েছে: দীপু মনি                                                                    

শেয়ার করুন

টিকা নিতে পরীক্ষার্থীদের দীর্ঘ লাইন

টিকা নিতে পরীক্ষার্থীদের দীর্ঘ লাইন

একজন অভিভাবক বলেন, ‘মেয়ের পরীক্ষা এক সপ্তাহ পর। বুধবার রাতে ফেসবুকের মাধ্যমে জানলাম পরীক্ষার্থীদের টিকা দিতে হবে। বাধ্য হয়ে অফিস থেকে ছুটি নিয়ে, তারপর টিকা কেন্দ্রে এসেছি। এতো তাড়াহুড়ার কারণ বুঝতে পারছি না।’

মাগুরায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের করোনার টিকা দেয়া শুরু হয়েছে। একদিনের ঘোষণায় বৃহস্পতিবার একযোগে টিকা দিতে গিয়ে বিশৃঙ্খলা ও ভোগান্তির শিকার হয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

বৃহস্পতিবার সকালে মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার কাজ উদ্বোধন করেন মাগুরার দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য মোছা. নাসিমা বেগম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বীরেন সিকদার, জেলা প্রশাসক ড. আশরাফুল আলম, সিভিল সার্জন ডা. শহীদুল্লাহ দেওয়ানসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ছয়টি কেন্দ্রে ১১ হাজার ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে ফাইজারের টিকা দেয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টিকা দেয়া হয়।

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের টিকার জন্য যে সব কেন্দ্র করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট, সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, শ্রীপুর ডিগ্রি কলেজ, মহম্মদপুর ও শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভা কক্ষ।

এদিকে হঠাৎ ঘোষনায় টিকা নিতে গিয়ে হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে জানান অনেক শিক্ষার্থী।

মাগুরা সরকারি কলেজে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মাসুদ হোসেন বলেন, ‘টিকা নেয়ার খবর শুনেছি সকালে, এরপর তড়িঘড়ি করে বন্ধুদের নিয়ে এসেছি। ঘণ্টা দুয়েক দাড়িয়ে আছি। ধীর গতিতে টিকা দেয়ায় বাড়ছে লাইন।’

তাবাস্সুম মারিয়া নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘রাতে টিকার কথা শুনে ছুটে চলে এসেছি। অনেকে আসতে পারেননি সংবাদ না জানার কারণে।’
পরীক্ষার্থী শারমীন বলেন, ‘সকালে এসেছি, রেজিষ্ট্রেশন কার্ড চেক করতেই দুপুর। কয়েক দিন পরই পরীক্ষা, এ সময়ে টিকা নিতে গিয়ে প্রায় পুরো দিন চলে যাচ্ছে।’

একজন অভিভাবক বলেন, ‘মেয়ের পরীক্ষা এক সপ্তাহ পর। বুধবার রাতে ফেসবুকের মাধ্যমে জানলাম পরীক্ষার্থীদের টিকা দিতে হবে। বাধ্য হয়ে অফিস থেকে ছুটি নিয়ে, তারপর টিকা কেন্দ্রে এসেছি। এতে তাড়াহুড়ার কারণ বুঝতে পারছি না।’

সিভিল সার্জন শহীদুল্লাহ দেওয়ান জানান, ফাইজারের টিকা শিক্ষার্থীদের জন্য পুরোপুরি নিরাপদ। এই টিকা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ ছাড়া রাখা যাবে না। তাই সতর্কতা অবলম্বন করতে গিয়ে কিছুটা দেরি হচ্ছে। প্রশিক্ষিত সিনিয়র নার্সদের মাধ্যমে টিকা দেয়া হচ্ছে।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আলমগীর কবীর বলেন, ‘বুধবার রাতে টিকা আসবে শুনেই আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সংবাদ দিয়েছি। একটা ছক করে ৬ কেন্দ্রে ১১ হাজার ১৪ জন পরীক্ষার্থীর টিকা দেয়ার ব্যবস্থা করেছি।'

আরও পড়ুন:
স্কুল খুললেও করোনা বাড়লে যে কোনো সময় আবার বন্ধ
শিক্ষাব্যবস্থা তারা ধ্বংস করেছিল: দীপু মনি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে কবে?
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা নিয়ে কথা শুনতে হয়েছে: দীপু মনি                                                                    

শেয়ার করুন

রাবিতে ৪০ পদের ৩২টিতে আওয়ামীপন্থীদের জয়

রাবিতে ৪০ পদের ৩২টিতে আওয়ামীপন্থীদের জয়

ফাইল ছবি

নির্বাচনে ৪০ পদের বিপরীতে ৩২টিতেই জয় পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ। অন্যদিকে মাত্র ৮টি পদে জয় পেয়েছে বিএনপি-জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের দল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিক্ষক গ্রুপ (সাদা প্যানেল)।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ডিন, সিন্ডিকেট, শিক্ষক সমিতিসহ ৬ ক্যাটাগরির নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের দল হলুদ প্যানেল।

নির্বাচনে ৪০ পদের বিপরীতে ৩২টিতেই জয় পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ।

অন্যদিকে মাত্র ৮টি পদে জয় পেয়েছে বিএনপি-জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের দল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিক্ষক গ্রুপ (সাদা প্যানেল)।

নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব পালনকারী বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আবদুস সালাম ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ড. রেজিনা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের জুবেরী ভবনের শিক্ষক লাউঞ্জে ভোটগ্রহণ হয়।

নির্বাচনে সিন্ডিকেটের পাঁচটি পদের সবগুলোতে জয় পেয়েছেন আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরা। ১২টি অনুষদের ডিন নির্বাচনে সমান ৬টি করে পদ পেয়েছে হলুদ গ্রুপ ও সাদা প্যানেল। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি নির্বাচনে ১৫টি পদের মধ্যে সভাপতিসহ ১৪টি পদেই জয় পেয়েছে হলুদ গ্রুপ। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনান্স কমিটির নির্বাচনে আওয়ামীপন্থী গ্রুপ থেকে অধ্যাপক আহসান হাবিব শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে জয় পেয়েছেন। তবে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটিতে জয় পেয়েছেন সাদা গ্রুপের ড. সোহেল হাসান। শিক্ষা পরিষদের ছয়টি পদেই জয় পেয়েছে হলুদ গ্রুপ।

ডিন নির্বাচন:
হলুদ গ্রুপ থেকে নির্বাচিত ডিনরা হলেন, বিজনেস অনুষদে অধ্যাপক ড. শাহ্ আজম শান্তনু, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে অধ্যাপক ইলিয়াছ হোসেন, জীববিজ্ঞান অনুষদে অধ্যাপক মোহাম্মদ শহিদুল আলম, প্রকৌশল অনুষদে অধ্যাপক আবু জাফর মো. তৌহিদুল ইসলাম, ফিশারীজ অনুষদে অধ্যাপক ইসতিয়াক হোসেন বিতান এবং ভেটেরিনারী অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সস অনুষদে অধ্যাপক জালাল উদ্দিন সরদার।

সাদা গ্রুপ থেকে নির্বাচিত ডিনরা হলেন, কলা অনুষদে অধ্যাপক ফজলুল হক, বিজ্ঞান অনুষদে অধ্যাপক শাহেদ জামান, কৃষি অনুষদে অধ্যাপক আব্দুল আলিম, চারুকলা অনুষদে অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী, ভূ-বিজ্ঞান অনুষদে খোন্দকার ইমামুল হক, আইন অনুষদে অধ্যাপক আব্দুল হান্নান।

সিন্ডিকেট নির্বাচন:
সিন্ডিকেটের পাঁচটি পদের সবগুলোতেই জয় পেয়েছেন হলুদ গ্রুপ। প্রাধ্যক্ষ ক্যাটাগরিতে জয় পেয়েছেন শহীদ শামসুজ্জোহা হলের প্রাধ্যক্ষ ড. একরামুল হক, প্রফেসর ক্যাটাগরিতে অধ্যাপক মামুনুর রশীদ তালুকদার (সবুজ), সহযোগী অধ্যাপক ক্যাটাগরিতে শফিকুজ্জামান জোয়ার্দ্দার মুক্ত, সহকারী অধ্যাপক ক্যাটাগরিতে সাদিকুল ইসলাম সাগর এবং প্রভাষক ক্যাটাগরিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় জয় পেয়েছেন শামসুন নাহার।

শিক্ষা পরিষদ নির্বাচন:
শিক্ষা পরিষদের ছয়টি পদের বিপরীতে ৬টিতেই জয়ী হলুদ গ্রুপের শিক্ষকরা। জয়ীরা হলেন, ড. মনীরা জান্নাতুল কোবরা স্নিগ্ধা, ড. মিজানুর রহমান, ড. কনক পারভেজ। হলুদ দল থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছেন এসএম সানজিদ রহমান, আরিফুর রহমান ও শাহাদাৎ হোসেন।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক দুলাল, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক কুদরত:

শিক্ষক সমিতির ১৫টি পদের ১৪টি পদেই জয় পেয়েছে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন হলুদ গ্রুপ। হলুদ গ্রুপের অধ্যাপক দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস ৫০০ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অধ্যাপক ছায়েদুর রহমান পান্নু পেয়েছেন ৪৮৭টি ভোট।

৪৯০ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সাদা গ্রপের অধ্যাপক কুদরত-ই জাহান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হলুদ প্যানেলের অধ্যাপক জাফর সাদিক পেয়েছেন ৪৭৪ ভোট।

হলুদ গ্রুপ থেকে অন্য নির্বাচিতরা হলেন, সহ-সভাপতি পদে প্রাণীবিদ্যা বিভাগের ড. মোহা. মাইনুল হক, কোষাধ্যক্ষ পদে ইন্সটিটিউট অফ বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগের ড. কামরুজ্জামান মিতুল, যুগ্ম সম্পাদক পদে লোক প্রশাসন বিভাগের এ এইচ এম কামরুল আহসান।

১০ জন সদস্য পদের মধ্যে ১০ জনই হলুদ গ্রুপ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন ফিসারিজ বিভাগের ড. মো. আব্দুস সামাদ, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ড. মোহা. আশরাফ-উজ-জামান, চিত্রকলা বিভাগের ড. মো. বনি আদম, নৃবিজ্ঞান বিভাগের ড. মো. আলতাফ হোসেন, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইজঞ্জিনিরিং বিভাগের ড. মো. মতিকুল ইসলাম, মাইক্রোবায়োজি বিভাগের অমিত কুুমার দত্ত, ফার্মেসি বিভাগের ড. রনক জাহান, মো. কামরুল হাসান শোভন, হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের ড. রেজাউল হক আনসারী, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ড. মো. মোজাম্মেল হোসেন।

আরও পড়ুন:
স্কুল খুললেও করোনা বাড়লে যে কোনো সময় আবার বন্ধ
শিক্ষাব্যবস্থা তারা ধ্বংস করেছিল: দীপু মনি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে কবে?
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা নিয়ে কথা শুনতে হয়েছে: দীপু মনি                                                                    

শেয়ার করুন