ফ্রি ফায়ারের পক্ষে লড়তে গারেনার আবেদন খারিজ

ফ্রি ফায়ারের পক্ষে লড়তে গারেনার আবেদন খারিজ

বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেয়। এর ফলে গারেনা বাংলাদেশে ফ্রি ফায়ারের পক্ষে আইনি লড়াই করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী।

পাবজিসহ বিভিন্ন অনলাইন গেমস বন্ধের নির্দেশের পর ফ্রি ফায়ারের পক্ষে আইনি লড়াই করতে গেমসটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সিঙ্গাপুরের গারেনা অনলাইন প্রাইভেট লিমিটেডের পক্ষভুক্তির আবেদন খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেয়। ফলে গারেনা বাংলাদেশে ফ্রি ফায়ারের পক্ষে আইনি লড়াই করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী।

আদালতে গারেনার পক্ষে ছিলেন জুনায়েদ আহমেদ চৌধুরী ও তানভীর কাদের। অন্যদিকে এসব গেমস বন্ধে রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন মো. হুমায়ন কবির পল্লব ও মোহাম্মদ কাওছার।

পরে হুমায়ন কবির পল্লব নিউজবাংলাকে বলেন, আদালত তাদের আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে তারা আর ফ্রি ফায়ারের পক্ষে এ দেশে আইনি লড়াই করতে পারবে না।

দেশের বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে থাকা পাবজি, ফ্রি ফায়ারসহ ক্ষতিকারক সব গেম অবিলম্বে বন্ধ করতে গত ১৬ আগস্ট নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট।

এরপর ২৫ আগস্ট এসব গেমস বন্ধের খবর আসে। এর মধ্যে এ বিষয়ে আইনি লড়াই করতে উচ্চ আদালতে পক্ষভুক্ত হওয়ার আবেদন করে গেমসটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সিঙ্গাপুরের গারেনা অনলাইন প্রাইভেট লিমিটেড।

গত ১০ অক্টোবর তাদের আবেদনের শুনানি শেষে আজ আদেশের জন্য ছিল। আদালত তাদের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠন ল’ অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে গত ২৪ জুন রিট করা হয়।

রিটকারীদের দাবি, পাবজি ও ফ্রি ফায়ারের মতো গেমগুলোতে দেশের যুবসমাজ এবং শিশু-কিশোররা ব্যাপকভাবে আসক্ত হয়ে পড়েছে। যার ফলে সামাজিক মূল্যবোধ, শিক্ষা, সংস্কৃতি বিনষ্ট হচ্ছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়ে পড়ছে মেধাহীন। এসব গেম যেন যুবসমাজকে সহিংসতা প্রশিক্ষণ দেয়ার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে।

অন্যদিকে টিকটক, লাইকি অ্যাপগুলো ব্যবহার করে দেশের শিশু-কিশোর এবং যুবসমাজ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে। অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে এবং সারা দেশে কিশোর গ্যাং কালচার তৈরি হচ্ছে। টিকটক অনুসারীরা বিভিন্ন গোপনীয় জায়গায় পুল পার্টির নামে অনৈতিক বিনোদন ও যৌন কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে। এ ছাড়া সম্প্রতি নারী পাচারের ঘটনা এবং বাংলাদেশ থেকে দেশের বাইরে অর্থ পাচারও টিকটক, লাইকি ও বিগো লাইভের মাধ্যমে চলছে, যেটা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক এবং দেশ ও জনস্বার্থ পরিপন্থি, শৃঙ্খলা পরিপন্থি, মূল্যবোধ পরিপন্থি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫ কোটি মানুষ’

‘করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫ কোটি মানুষ’

বৃহস্পতিবার ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির (এসডিপি) আয়োজনে এক আলোচনা সভায় অতিথিরা। ছবি: নিউজবাংলা

ব্র্যাক জানিয়েছে, অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত নারীদের নিয়মিত আয় এবং কাজের সুযোগ যথাক্রমে ৬৬ ও ২৪ শতাংশ কমে গেছে। এ ছাড়া সারা দেশে দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং অর্থনৈতিক মন্দা চলার কারণে স্কুল থেকে নারী শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার ঝুঁকিও আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে, যা সমাজের অন্যান্য বিষয়েও নেতিবাচকভাবে প্রভাব ফেলেছে।

করোনাভাইরাস মহামারি চলার সময় দেশের শ্রমবাজারে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনানুষ্ঠানিক খাতে যুক্ত পাঁচ কোটিরও বেশি মানুষ। এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে কিশোরী ও নারীদের ওপর। এর কারণ, বাংলাদেশের মোট নারী শ্রমশক্তির প্রায় ৯১ দশমিক ৮ শতাংশই অনানুষ্ঠানিক খাতের কাজে নিয়োজিত।

বৃহস্পতিবার ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির (এসডিপি) আয়োজনে এক আলোচনা সভায় এমন তথ্য জানিয়েছেন অংশগ্রহণকারীরা।

আলোচনা সভায় তারা জানান, করোনা মহামারি চলার সময় দেশের অনানুষ্ঠানিক খাতে জড়িত প্রায় ৫ কোটি ২০ লাখ মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে।

গত বছর ব্র্যাকেরই এক গবেষণায় দেখা গেছে, অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত নারীদের নিয়মিত আয় এবং কাজের সুযোগ যথাক্রমে ৬৬ ও ২৪ শতাংশ কমে গেছে। এ ছাড়া সারা দেশে দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং অর্থনৈতিক মন্দা চলার কারণে স্কুল থেকে নারী শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার ঝুঁকিও আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে, যা সমাজের অন্যান্য বিষয়েও নেতিবাচকভাবে প্রভাব ফেলেছে।

আরেক গবেষণায় দেখা গেছে, করোনা মহামারির সময় ২০২০ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাল্যবিবাহের হার ২২০ শতাংশ বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা ওই সময়ে কর্মসংস্থান এবং শিক্ষা থেকে নারীদের ছিটকে পড়াকে এর প্রধান প্রভাবক হিসেবে দায়ী করেন।

সভায় এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক কেএম তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘সরকার বেশ কিছু শিল্পক্ষেত্র তৈরি করছে, যেখানে নারীরাও কাজ করবে। এত বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘বাংলাদেশে ১ কোটি ৮০ লাখেরও বেশি নারী কর্মরত। কোভিডের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের প্রাদুর্ভাব ঘটলে এদের বিপর্যয়ের কথাও ভাবতে হবে। কীভাবে তাদের সংকট সামাল দেয়া যাবে, এ নিয়ে আগাম প্রস্তুতি থাকাও দরকার।’

সমাপনী বক্তব্যে ব্র্যাকের ঊর্ধ্বতন পরিচালক কেএএম মোর্শেদ বলেন, ‘সময়ের প্রয়োজনে দক্ষতা উন্নয়ন একটি পরিকল্পিত পছন্দ হওয়া উচিত। ঐতিহ্যগত শিক্ষার পরিবর্তে অনেকে দক্ষতা উন্নয়নের শিক্ষাকে বেছে নিতে পারেন।’ অনুষ্ঠানে কিশোরী এবং নারীদের বর্তমান অবস্থা এবং সমাধান হিসেবে অনানুষ্ঠানিক সেক্টরে শিক্ষানবিশভিত্তিক প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি অ্যান্ড প্রিভেনটিং ভায়োলেন্স অ্যাগেইনস্ট উইমেন ইনিশিয়েটিভ কর্মসূচির পরিচালক নবনিতা চৌধুরী।

শেয়ার করুন

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে পাশে থাকছে জাপান

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে পাশে থাকছে জাপান

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হায়াশি ইয়োশিমাসা বলেন, ‘বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের নিরাপদে, স্বেচ্ছায় এবং সম্মানজনকভাবে ফেরত পাঠাতে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরিতে জাপান কাজ করবে। বাংলাদেশের পদক্ষেপে সহযোগিতার পাশাপাশি দ্রুত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর লক্ষ্যে বিদ্যমান পরিস্থিতি উন্নতির জন্য জাপান মিয়ানমারকে উৎসাহিত করবে।’

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া জোর করে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক বা রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে জাপান কাজ করবে বলে জানিয়েছেন জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হায়াশি ইয়োশিমাসা।

তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের নিরাপদে, স্বেচ্ছায় এবং সম্মানজনকভাবে ফেরত পাঠাতে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরিতে জাপান কাজ করবে। বাংলাদেশের পদক্ষেপে সহযোগিতার পাশাপাশি দ্রুত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর লক্ষ্যে বিদ্যমান পরিস্থিতি উন্নতির জন্য জাপান মিয়ানমারকে উৎসাহিত করবে।’

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পদে হায়াশি ইয়োশিমাসার নিযুক্তিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন তাকে অভিনন্দন জানিয়ে চিঠি পাঠান। এর জবাবে জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী চিঠি দিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

চিঠিতে জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জাপান ও বাংলাদেশের সম্পর্ক আস্থা, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক কল্যাণের দৃঢ় নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত। তিনি ২০২২ সালে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে এই ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে তিনি একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশার কথাও জানান।

শেয়ার করুন

সশস্ত্রবাহিনীর আধুনিক প্রশিক্ষণে গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীর

সশস্ত্রবাহিনীর আধুনিক প্রশিক্ষণে গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীর

গণভবনের সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: বাসস

দেশের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রুপকল্প-২০৪১ সামনে রেখে সময়োপযোগী নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সশস্ত্রবাহিনীর আধুনিক প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষভাবে গুরুত্ব আরোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জ্ঞানভিত্তিক সামরিক-বেসামরিক নেতৃত্ব তৈরির পাশাপাশি জাতীয় সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারেও নির্দেশ দিয়েছেন সরকারপ্রধান।

ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) এবং সামরিক বাহিনী কমান্ড ও স্টাফ কলেজের (ডিএসইএসই) পরিচালনা পর্ষদের ১৮তম যৌথ সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

এতে বলা হয়, কলেজ দুটির উন্নতি ও অগ্রগতিতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান প্রধানমন্ত্রী। দেশের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ প্রদানেরও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

সভায় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা, সেনাবাহিনী প্রধান, নৌবাহিনী প্রধান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, অর্থ মন্ত্রণালয় (অর্থ বিভাগ), প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ) সিনিয়র সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালসের (বিইউপি) উপাচার্যরা উপস্থিত ছিলেন। এতে এনডিসি এবং ডিএসসিএসসি কমান্ড্যান্টরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের ওপর সংক্ষিপ্ত বিবরণী তুলে ধরেন।

শেয়ার করুন

নারী নির্যাতন মামলার আসামি জজের নিয়োগ স্থগিত

নারী নির্যাতন মামলার আসামি জজের নিয়োগ স্থগিত

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ অনুযায়ী ১৩তম বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস পরীক্ষা, ২০১৯ এর মাধ্যমে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের সুপারিশ করা প্রার্থী মো. শাহ্ পরানের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলায় তার সহকারী জজ (শিক্ষানবিশ), নেত্রকোণা হিসেবে যোগদানের কার্যক্রম স্থগিত করা হলো।

নারী নির্যাতন মামলার আসামি মো. শাহ্ পরানের বিচারক হিসেবে নিয়োগ স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ অনুযায়ী ১৩তম বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস পরীক্ষা, ২০১৯ এর মাধ্যমে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের সুপারিশ করা প্রার্থী মো. শাহ্ পরানের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলায় তার সহকারী জজ (শিক্ষানবিশ), নেত্রকোণা হিসেবে যোগদানের কার্যক্রম স্থগিত করা হলো।

বিস্তারিত আসছে...

শেয়ার করুন

সরকার কেন চুক্তি করেছিল, প্রশ্ন সন্তু লারমার

সরকার কেন চুক্তি করেছিল, প্রশ্ন সন্তু লারমার

বৃহস্পতিবার পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির দুই যুগ পূর্তিতে আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে আলোচনায় বক্তব্য দেন দুই যুগ আগে সরকারের সঙ্গে চুক্তিতে সই করা জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা বা সন্তু লারমা। ছবি: নিউজবাংলা

দুই যুগ আগে সরকারের সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তিতে সই করা জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা বা সন্তু লারমা বলেন, ‘আজ প্রশ্ন করতে হচ্ছে, সরকার কেন চুক্তি করেছিল? পার্বত্য সমস্যাকে সমাধানের জন্য, নাকি জুম্ম জনগণের অস্তিত্বকে ধ্বংস করার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করার জন্য?’

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন হয়নি অভিযোগ করে একে হতাশাজনক বলেছেন দুই যুগ আগে সরকারের সঙ্গে চুক্তিতে সই করা জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা বা সন্তু লারমা।

যে সরকার এই চুক্তি করেছিল, গত ২৪ বছরে সেই সরকারই ক্ষমতায় আছে উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন রাখেন, তা হলে কেন এই চুক্তি করা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির দুই যুগ পূর্তিতে রাজধানীর ঢাকার আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে এক আলোচনায় তিনি এই প্রশ্ন রাখেন।

আশির দশক থেকে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে থাকা পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সামরিক শাখা ‘শান্তি বাহিনী’কে অস্ত্র সমর্পণে রাজি করিয়ে ১৯৯৭ সালের ১ ডিসেম্বর সই হয় ঐহিতাসিক চুক্তি। এতে সরকারের পক্ষ থেকে সই করেন আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, আর জনসংহতি সমিতির পক্ষ থেকে সই করেন প্রধান সন্তু লারমা।

চুক্তিতে যেসব শর্তের উল্লেখ ছিল, তার অনেকগুলো বাস্তবায়ন হলেও বেশ কিছু ধারা এখনও অবাস্তবায়িত অবস্থায় আছে। প্রতিবছর চুক্তির বার্ষিকীতে সেই বিষয়গুলো উঠে আসে।

সন্তু লারমা বলেন, ‘আজ প্রশ্ন করতে হচ্ছে, সরকার কেন চুক্তি করেছিল? পার্বত্য সমস্যাকে সমাধানের জন্য নাকি, জুম্ম জনগণের অস্তিত্বকে ধ্বংস করার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করার জন্য?’

তিনি বলেন, ‘যে সরকারের আমলে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, গত ২৪ বছরে সে সরকারই অধিকাংশ সময় ক্ষমতায় আছে। কিন্তু চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া একেবারেই থেমে আছে।... পাহাড়ের মানুষ শান্তিপ্রিয় বলে এখনও অপেক্ষা করছে সরকার চুক্তি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা করবে।’

চুক্তি যদি বাস্তবায়ন না হয়, তবে পাহাড়ের ছাত্র, যুব সমাজ রুখে দাঁড়াবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

সন্তু লামরা বলেন, ‘পার্বত্য জনগণ তাদের ভূমির অধিকার, অস্তিত্বকে সুরক্ষার জন্যই আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছিল। পাহাড়ের মানুষের জন্য কোনো অসৎ উদ্দেশ্য থাকত, তা হলে পাহাড়ের জুম্ম জনগণ সরকারের সঙ্গে আলোচনায় আসত না।’

জনসংহতি সমিতির সভাপতি বলেন, ‘সরকার বলছে তারা উন্নয়ন করছে। কিন্তু পাঁচতারকা হোটেল করে পাহাড়িদের জীবিকার সর্বনাশ করা তাদের উন্নয়ন।...পার্বত্য চট্টগ্রাম আজ বড় ধরনের কারাগারে পরিণত হয়েছে। কারাগারে যেভাবে কয়েদিদের বসবাস করতে হয়, আজকে সেভাবেই বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছি।’

সন্তু লারমা করেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে আজ দুটি পক্ষ। একটি পক্ষ যারা পাহাড়ের নিরীহ মানুষ, যারা চুক্তির বাস্তবায়ন চায়; আর আরেকটি পক্ষ সরকার এবং তার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন পক্ষ।’

আজও জনসংহতি সমিতিকে ‘সন্ত্রাসী দল’ হিসেবে চিহ্নিত করে দমন-পীড়ন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয় আলোচনায়। বলেন, ‘অনেক নেতাকর্মীকে আজ মামলা দিয়ে, হামলা করে নিপীড়ন চালানো হচ্ছে।...বহিরাগত যে গরিব বাঙালিদের জিয়াউর রহমান নিয়ে গিয়েছিল, তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া এখনো চলমান। তারা আজ পাহাড়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।

‘সেখানে বলার অধিকার নেই, জীবিকার অধিকার নেই। সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রণীত পাহাড়ে আদিবাসী জনগণের জুম চাষ, আদা-হলুদ চাষের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।’

বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রংয়ের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন ঐক্য ন্যাপের সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, পার্বত্য চট্টগ্রাম কমিশনের কো-চেয়ার সুলতানা কামাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক মেসবাহ কামাল ও সাদেকা হালিমও আলোচনায় বক্তব্য রাখেন।

শেয়ার করুন

স্কুলে ভর্তি শেষ করতে হবে ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে

স্কুলে ভর্তি শেষ করতে হবে ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে

ফাইল ছবি

মাউশি মহাপরিচালক ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক বলেন, সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ভর্তি প্রক্রিয়া যেন ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হয় এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভর্তির ক্ষেত্রে যেন পরীক্ষা নেয়া না হয় এ বিষয়েও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবগত করা হয়েছে।

সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি প্রক্রিয়া ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে। আর শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি ছাড়া ভর্তি পরীক্ষা নেয়া যাবে না।

বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ গোলাম ফারুকের সই করা অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মাউশি মহাপরিচালক বলেন, সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ভর্তি প্রক্রিয়া যেন ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হয় এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভর্তির ক্ষেত্রে যেন পরীক্ষা নেয়া না হয় এ বিষয়েও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবগত করা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়, সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন ও ভর্তি প্রক্রিয়া অবশ্যই আগামী ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে। লটারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ভর্তি পরিচালনা কমিটি, ঢাকা মহানগরের ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাউশি অভিভাবক, ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষক প্রতিনিধির উপস্থিতি থাকতে হবে।

আরও বলা হয়, শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে ভর্তি নীতিমালা (সংশোধিত-২০২১) অনুসরণ করে লটারির কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। কোনোভাবেই ১১০ টাকার বেশি ফি নেয়া যাবে না।

আগামী বছরের জন্য সরকারি ও বেসরকারি স্কুলগুলোয় প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তির আবেদন শুরু হয়েছে ২৫ নভেম্বর। এই আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ৮ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

২০২২ শিক্ষাবর্ষে সরকারি স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তিতে শিক্ষার্থীর বয়স ছয় বছরের বেশি হতে হবে। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এর আলোকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এই বয়স নির্ধারণ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

ভর্তি কার্যক্রমের শর্তাবলি

সরকারি বিদ্যালয়: ঢাকা মহানগরে ৪৪টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় তিনটি ভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত থাকবে। আবেদনের সময় একজন শিক্ষার্থী একটি গ্রুপের পাঁচটি বিদ্যালয় নির্বাচন করতে পারবে। এখান থেকে লটারির মাধ্যমে একটি বিদ্যালয় নির্বাচন করা হবে।

সারা দেশে আবেদনকারীরা আবেদনের সময় প্রতিষ্ঠান নির্বাচনকালে থানাভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা পাবে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীরা প্রাপ্যতার ভিত্তিতে প্রতিটি আবেদনে সর্বোচ্চ পাঁচটি স্কুল পছন্দের ক্রমানুসারে নির্বাচন করতে পারবে।

ডাবল শিফটের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উভয় শিফট পছন্দ করলে দুটি পছন্দক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। একই পছন্দক্রমের বিদ্যালয় কিংবা শিফট দ্বিতীয়বার পছন্দ করা যাবে না।

এ ছাড়া ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির মোট শূন্য আসনের ১০ শতাংশ কোটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

বেসরকারি বিদ্যালয়: ঢাকা মহানগরীর বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানসংলগ্ন কমপক্ষে একটি এবং সর্বোচ্চ তিনটি প্রশাসনিক থানা ক্যাচমেন্ট এরিয়া হিসেবে নির্ধারণ করা যাবে।

আবেদনকারীরা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনকালে মহানগর পর্যায়ের জন্য বিভাগীয় সদরের মেট্রোপলিটন এলাকা এবং জেলা সদরের সদর উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা পাবে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীরা প্রাপ্যতার ভিত্তিতে প্রতিটি আবেদনে সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় পছন্দের ক্রমানুসারে নির্বাচন করতে পারবে।

ডাবল শিফটের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উভয় শিফট পছন্দ করলে দুটি পছন্দক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। একই পছন্দক্রমের বিদ্যালয় কিংবা শিফট দ্বিতীয়বার পছন্দ করা যাবে না।

করোনা মহামারির কারণে গত বছর প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এর আগে শুধু প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হতো। আর দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তিতে পরীক্ষা নেয়া হতো। নবম শ্রেণিতে ভর্তি করা হতো জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে।

শেয়ার করুন

ফিলিস্তিন সংকটের সমাধান খুঁজুন: জাতিসংঘে বাংলাদেশ

ফিলিস্তিন সংকটের সমাধান খুঁজুন: জাতিসংঘে বাংলাদেশ

গাজা সীমান্তে ইসরায়েলের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে ফিলিস্তিনিরা। ছবি: এএফপি

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘ইসরায়েল যাতে সব আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও মানবিক আইন এবং জাতিসংঘ রেজুলেশন ২৩৩৪-এর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য জাতিসংঘ রেজুলেশন যথাযথভাবে প্রতিপালন করতে সম্মত হয়, তা আমাদেরই নিশ্চিত করতে হবে।’

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই ফিলিস্তিন সংকটের মূল কারণ খুঁজে বের করে তার সমাধান করতে হবে বলে মনে করছে বাংলাদেশ।

একই সঙ্গে ইসরায়েলি আগ্রাসনের অবসানে সত্যিকারের প্রচেষ্টা নেয়ারও আহ্বান জানিয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘ইসরায়েল যাতে সব আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও মানবিক আইন এবং জাতিসংঘ রেজুলেশন ২৩৩৪-এর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য জাতিসংঘ রেজুলেশন যথাযথভাবে প্রতিপালন করতে সম্মত হয়, তা আমাদেরই নিশ্চিত করতে হবে।’

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ফিলিস্তিন প্রশ্নে আয়োজিত প্লেনারি সভায় দেশের পক্ষে বক্তব্য তুলে ধরেন সংস্থাটিতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা।

১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন, কার্যকর ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায়সঙ্গত অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের অটুট ও অবিচল সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।

ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর মাধ্যমে বাড়িঘর ও অবকাঠামো ভেঙে ফেলা, দখল করা, বহিষ্কার, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি এবং ফিলিস্তিনিদের রক্তপাত ঘটানোর কারণে ইসরায়েল অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত বলেন, ইসরায়েলের এ ধরনের কর্মকাণ্ড জাতিসংঘ রেজুলেশন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও মানবিক আইনের প্রতি সুস্পষ্ট অবজ্ঞা প্রদর্শন।

তিনি বলেন, অপরাধ করে পার পেয়ে যাওয়ার ঘৃণ্য সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে এবং অধিকৃত ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর সংঘটিত নৃশংস অপরাধের অবশ্যই জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

শেয়ার করুন