সেনবাগে বাস খালে, আহত ৩০

সেনবাগে বাস খালে, আহত ৩০

সেনবাগে রোববার বিকেলে বাঁধন পরিবহনের বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে যায়। ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয়রা জানান, বাঁধন পরিবহনের একটি বাস চট্টগ্রাম থেকে নোয়াখালী আসার পথে সেনবাগের ভূঁইয়ার দিঘি রাস্তার মাথায় এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন পানিতে নিমজ্জিত বাসের যাত্রীদের উদ্ধার করে সেবারহাটসহ সেনবাগের কয়েকটি হাসপাতালে নিয়ে যান।

নোয়াখালীর সেনবাগে বাঁধন পরিবহনের বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে ৩০ যাত্রী আহত হয়েছেন।

নোয়াখালী-ফেনী আঞ্চলিক মহাসড়কের ভূঁইয়ার দিঘি রাস্তার মাথায় সিএনজি স্টেশনের সামনে রোববার বিকেল ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, বাঁধন পরিবহনের একটি বাস চট্টগ্রাম থেকে নোয়াখালী আসার পথে সেনবাগের ভূঁইয়ার দিঘি রাস্তার মাথায় এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন পানিতে নিমজ্জিত বাসের যাত্রীদের উদ্ধার করে সেবারহাটসহ সেনবাগের কয়েকটি হাসপাতালে নিয়ে যান।

এ ঘটনায় ৩০ যাত্রী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

চন্দ্রগঞ্জ হাইয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মৃদুল কান্তি মজুমদার জানান, পুলিশ বাসটি উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রদক্ষেপ নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ক্যাম্প থেকে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ যুবক আটক

ক্যাম্প থেকে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ যুবক আটক

কামরান হোসেন জানান, রবিনের কাছ থেকে একটি রিভলবার, চারটি গুলি ও ২ হাসার ২৭২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা শেষে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হবে।

কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ের রোহিঙ্গা শিবির থেকে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ এক যুবককে আটক করা হয়েছে।

শনিবার ভোররাতে ১৫ নম্বর ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে রবিন লেতটিয়াকে আটক করা হয়।

নিউজবাংলাকে এদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৮ আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কামরান হোসেন।

আটক রবিন টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের হরিণখোলা এলাকার ক্যাচচিং চাকমার ছেলে।

কামরান হোসেন আরও জানান, রবিনের কাছ থেকে একটি রিভলবার, চারটি গুলি ও ২ হাসার ২৭২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা শেষে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হবে।

শেয়ার করুন

আশ্বাসে টঙ্গীতে মহাসড়ক ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা

আশ্বাসে টঙ্গীতে মহাসড়ক ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা

টঙ্গীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন। ছবি: নিউজবাংলা

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান বলেন, ‘ঢাকার শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ পাস, অথচ সারা দেশের শিক্ষার্থীরা পূর্ণ ভাড়া দেবে, এটা হতে পারে না। এক দেশে দুই নীতি কেন? ঢাকার মতো সারা দেশেও গণপরিবহনে হাফ ভাড়া কার্যকর করতে হবে।’

সারা দেশে গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া নিশ্চিতের দাবিতে গাজীপুরের টঙ্গীতে মহাসড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশের আশ্বাসে সড়ক ছাড়েন তারা।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় কলেজ গেইট এলাকায় সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরমুখী সড়ক অবরোধ করেন।

এসময় ওই সড়কে যানচলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে বেলা ১১টার দিকে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেন। তবে শিক্ষার্থীরা মহাসড়কের পাশেই অবস্থান নিয়ে হাফ ভাড়ার দাবিতে বিক্ষোভ করে। দুপুর ১২টার দিকে সেখান থেকেও সরে যায় শিক্ষার্থীরা।

টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা সারা দেশের গণপরিবহনে হাফ ভাড়া নিশ্চিত করার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। আমরা তাদেরকে আশ্বাস দিয়েছি বিষয়টি সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে সমাধান করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়ার পর যানচলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।’

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান বলেন, ‘ঢাকার শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ পাস, অথচ সারা দেশের শিক্ষার্থীরা পূর্ণ ভাড়া দেবে, এটা হতে পারে না। এক দেশে দুই নীতি কেন? ঢাকার মতো সারা দেশেও গণপরিবহনে হাফ ভাড়া কার্যকর করতে হবে।’

রাজধানী ঢাকায় নিরাপদ সড়ক, গণপরিবহনে হাফ ভাড়ার দাবিতে দীর্ঘদিন থেকেই বিক্ষোভ চলছে। দাবির মুখে সরকার বিটিআরসির সব বাসে হাফ ভাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার কথা জানায়।

পরে বাস মালিক সমিতিও রাজধানীতে বাসে শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র দেখানোসহ কয়েকটি শর্তে হাফ ভাড়া কার্যকর করে। তবে সারা দেশের শিক্ষার্থীদের জন্যই হাফ ভাড়া দাবিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে তারপর থেকেই বিক্ষোভ চলছে।

শেয়ার করুন

কুয়েটে শিক্ষকের মৃত্যু: ফের তদন্ত কমিটি

কুয়েটে শিক্ষকের মৃত্যু: ফের তদন্ত কমিটি

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক মো. সেলিম হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

কুয়েটের সহকারী রেজিস্ট্রার আক্কাস আলী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আগের কমিটি অপারগতা প্রকাশ করায় তা বাতিল করে শুক্রবার রাতে নতুন কমিটি করা হয়েছে।’

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) শিক্ষক অধ্যাপক সেলিম হোসেনের মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কুয়েটের সিন্ডিকেট সভায় শুক্রবার রাতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এ নিয়ে মৃত্যুর ঘটনায় দ্বিতীয় দফায় কমিটি গঠন করল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সেলিম হোসেনের মৃত্যুর পর গঠিত প্রথম তদন্ত কমিটিটি বাতিল করা হয়েছে।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুয়েটের সহকারী রেজিস্ট্রার আক্কাস আলী। তিনি বলেন বলেন, ‘আগের কমিটি অপারগতা প্রকাশ করায় তা বাতিল করে শুক্রবার রাতে নতুন এই কমিটি করা হয়েছে।’

নতুন কমিটিতে কুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মহিউদ্দিন আহমেদকে সভাপতি ও গণিত বিভাগের অধ্যাপক আলহাজ উদ্দিনকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। এ ছাড়া কমিটিতে সদস্য করা হয়েছে কুয়েটের অধ্যাপক খন্দকার মাহবুব, খুলনা জেলা প্রশাসকের একজন প্রতিনিধি ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের একজন প্রতিনিধিকে।

কমিটিকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

গত ৩০ নভেম্বর দুপুরে কুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক সেলিম হোসেনের মৃত্যু হয়।

কিছু ছাত্রের কারণে এই শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে এমন দাবি তুলে বৃহস্পতিবার প্রতিবাদ র‍্যালি ও সমাবেশ করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়, উচ্ছৃঙ্খল কিছু ছাত্রের অপমান, অবরুদ্ধ ও মানসিক নির্যাতনে অধ্যাপক সেলিমের মৃত্যু হয়েছে।

সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় এনে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার না করা পর্যন্ত শিক্ষকরা সব ধরনের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবেন বলেও ঘোষণা দেন তারা।

এই প্রেক্ষাপটে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত কুয়েট বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর শিক্ষার্থীরা ই‌তিম‌ধ্যে হল ছে‌ড়ে‌ছেন। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পু‌লিশ মোতা‌য়েন র‌য়ে‌ছে।

শেয়ার করুন

ডেমু ট্রেন-বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষ, পুলিশসহ নিহত ২

ডেমু ট্রেন-বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষ, পুলিশসহ নিহত ২

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনুজ্জামান জানান, নিহত পুলিশ কনস্টেবলের নাম মো. মনির। আরেকজনের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

চট্টগ্রাম নগরের খুলশীতে ডেমু ট্রেন, বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে পুলিশ কনস্টেবলসহ দুজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন সাতজন।

খুলশী থানার ঝাউতলা এলাকায় রেল ক্রসিংয়ে শনিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত পুলিশ কনস্টেবলের নাম মো. মনির। আরেকজনের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনুজ্জামান নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আলাউদ্দিন তালুকদার জানান, আহত সাতজনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিস্তারিত আসছে...

শেয়ার করুন

‘নৌকার ভোট হবে টেবিলে, আঙুল দিয়ে হবে না’

‘নৌকার ভোট হবে টেবিলে, আঙুল দিয়ে হবে না’

ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউপি নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভোটের প্রচারের সভায় আব্দুল হাই আকন্দের বক্তব্যের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়। ছবি: নিউজবাংলা

কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম ঠান্ডু বলেন, ‘নতুন চেয়ারম্যান হয়েছে তো, কোথায় কী বলতে হবে সেটাই তো জানে না। এখন পর্যন্ত ভিডিওটি আমি দেখিনি। আপনি যেহেতু জানালেন বিষয়টি আমি দেখছি।’

‘নৌকা মার্কার ভোট হবে টেবিলের ওপরে। আঙুল দিয়ে কোনো ভোট হবে না। মতিন সরকারকে নৌকা মার্কায় বিজয়ী করতেই হবে। যেখানে ৪ হাজার ১০০ ভোট আছে, সেখানে ৩ হাজার ৫০০ ভোট কাস্ট হলেই হবে ​এবং তা টেবিলের ওপরই দিতে হবে। কোনো আড়াল করা চলবে না। সব ভোট হবে নৌকার।’

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী মতিন সরকারের ভোটের প্রচারের সভায় শুক্রবার সন্ধ্যায় এ কথা বলেন আব্দুল হাই আকন্দ। তিনি কালিহাতী উপজেলার গোহাইলবাড়ি ইউনিয়নের সদ্য নির্বাচিত চেয়ারম্যান।

আগামী ২৬ ডিসেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে নিকরাইল ইউনিয়নে ভোট হবে। মতিন এই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী।

আকন্দের এই বক্তব্যের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।

ভিডিওতে হাইকে আরও বলতে শোনা যায়, ​‘মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ৬ তারিখ। প্রতীক দেয়া হবে হবে ৭ তারিখ। সেদিনই খেলা হবে। প্রতিপক্ষ প্রার্থী মাসুদ কীভাবে এই ওয়ার্ডে প্রচারে আসবে সেটা আমি দেখব। পুলিশ, প্রশাসন যেভাবেই লাগবে সেভাবেই দেখব।’

‘ভোটের জন্য আপনাদের হাতে ধরব, পায়ে ধরব কিন্তু তারপরও যদি কেউ অন্য জায়গায় ভোট দেয় তাহলে সেই ব্যবস্থা আমরা নেব। আমার বংশের কেউ যদি প্রতিপক্ষ প্রার্থীর পক্ষে যায় তাহলে তাকেও শাস্তি দেয়া হবে।’

এমন বক্তব্যের বিষয়ে নিউজবাংলা কথা বলেছে আকন্দের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আসলে আমাদের নৌকা মার্কার কর্মীদের গায়ে হাত তুলেছিল, তাই রাগের মাথায় কথার পরিপ্রেক্ষিতে বলে ফেলেছি। এটা আসলেই বলা উচিত হয়নি।’

কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম ঠান্ডু বলেন, ‘নতুন চেয়ারম্যান হয়েছে তো, কোথায় কী বলতে হবে সেটাই তো জানে না। এখন পর্যন্ত ভিডিওটি আমি দেখিনি। আপনি যেহেতু জানালেন বিষয়টি আমি দেখছি।’

এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এ এইচ এম কামরুল হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি ভিডিওটি দেখতেছি। তারপর ওনাকে অফিশিয়ালি শোকজ নোটিশ দেয়া হবে এবং পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

শেয়ার করুন

তিতাসের পারে গাছে ঝুলছিল অটোরিকশাচালকের দেহ

তিতাসের পারে গাছে ঝুলছিল অটোরিকশাচালকের দেহ

প্রতীকী ছবি

পরিবারের সদস্যরা জানান, ফজর নামাজের সময় মোফাস্সেলকে একজন কল করেন। পরে তিনি অটোরিকশা নিয়ে বের হন। এর ঘণ্টাখানেক পর স্থানীয় লোকজন তিতাস নদীর পারে মেড্ডার শ্মশানঘাটের একটি কড়ইগাছের সঙ্গে তার মরদেহ ঝুলতে দেখে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে তিতাস নদীর পারে গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় এক অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পৌর শহরের মেড্ডার শ্মশানঘাট এলাকা থেকে শনিবার সকাল ৮টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

২৫ বছর বয়সী মৃত ওই অটোরিকশাচালক মোফাস্সেল বাবুর বাড়ি সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামে। তিনি শহরের মেড্ডা এলাকায় থাকতেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ফজর নামাজের সময় মোফাস্সেলকে একজন কল করেন। পরে তিনি অটোরিকশা নিয়ে বের হন। এর ঘণ্টাখানেক পর স্থানীয় লোকজন তিতাস নদীর পারে মেড্ডার শ্মশানঘাটের একটি কড়ইগাছের সঙ্গে তার মরদেহ ঝুলতে দেখে। পাশেই অটোরিকশাটি ছিল।

তিতাসের পারে গাছে ঝুলছিল অটোরিকশাচালকের দেহ

ভাইয়ের দাবি, মোফাস্সেলকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমরানুল ইসলাম বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।’

শেয়ার করুন

গাইবান্ধায় প্রথম হানাদারমুক্ত হয় ফুলছড়ি

গাইবান্ধায় প্রথম হানাদারমুক্ত হয় ফুলছড়ি

ফুলছড়িতে শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভ। ছবি: নিউজবাংলা

বীর মুক্তিযোদ্ধারা হানাদারদের তিস্তামুখ ফেরিঘাট ক্যাম্পেও ধাওয়া করেন। এরপর হানাদাররা আশ্রয় নেয় সাঘাটা উপজেলার গোবিন্দি বাঁধে। সেখানে সম্মুখযুদ্ধের পর প্রায় দুই শ পাকিস্তানি আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে।

১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দখল থেকে মুক্ত হয় গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা। গাইবান্ধায় এটিই প্রথম হানাদারমুক্ত এলাকা।

প্রতিবছর দিনটি ফুলছড়ি মুক্ত দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

এই অঞ্চলের বীর মুক্তিযোদ্ধারা জানান, ১৯৭১ সালের ২৩ এপ্রিল ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদে ও এর থেকে চার কিলোমিটার দূরে তিস্তামুখ রেলওয়ে ফেরিঘাট এলাকায় ঘাঁটি গড়ে তোলে হানাদার বাহিনী। এই দুই ক্যাম্প থেকে তারা নিয়মিত হত্যা, নারী নির্যাতন, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করত।

৩ ডিসেম্বর রাতে গেরিলা বাহিনীর সদস্যরা বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শামছুল আলম, নাজিম উদ্দিন, আব্দুল জলিল তোতা ও এনামুল হকের নেতৃত্বে চারটি দলে ভাগ হয়ে ব্রহ্মপুত্র পাড়ি দেন।

পরদিন সূর্য ওঠার আগেই তারা ফুলছড়ি থানায় আক্রমণ করেন। তাদের আক্রমণে পাকিস্তানি সেনারা এই ক্যাম্প ছেড়ে তিস্তামুখ ফেরিঘাট ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধারা তাদের সেখানেও ধাওয়া করেন। এরপর হানাদাররা আশ্রয় নেয় সাঘাটা উপজেলার গোবিন্দি বাঁধে। সেখানে সম্মুখযুদ্ধের পর প্রায় দুই শ পাকিস্তানি আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে।

প্রায় ১০ থেকে ১২ মিনিটের যুদ্ধে পাঁচজন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। আর পাকিস্তানিদের নিহত হয় ২৭ জন।

১১ নম্বর সেক্টর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা গৌতম চন্দ্র মোদক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পাঁচ শহীদের মরদেহ ৫ ডিসেম্বর গরুর গাড়িতে করে সাঘাটা থানার সগুনা ইউনিয়নের খামার ধনারুহা স্কুলমাঠে নেয়া হয়। সেখানেই তাদের সমাহিত করা হয়েছে। দেশ স্বাধীনের পর তাদের সম্মানে সগুনা ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন করে মুক্তিনগর ইউনিয়ন রাখা হয়।

‘তাদের কবরের পাশে স্মৃতিস্তম্ভ ও মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবছর আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে শহীদদের স্মরণ করি।’

ফুলছড়ি মুক্ত দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও সাঘাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মুক্তিনগরের ধনারুহা শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।

শেয়ার করুন