এসএসসির প্রবেশপত্র বিতরণ ৩ নভেম্বর

player
এসএসসির প্রবেশপত্র বিতরণ ৩ নভেম্বর

অফিস আদেশে বলা হয়, ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু হবে ৩ নভেম্বর। কেন্দ্র সচিব নিজে অথবা তার প্রাধিকারপ্রাপ্ত কোনো শিক্ষককে (স্বাক্ষর সত্যায়িতসহ) কেন্দ্রের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশপত্র অফিস চলাকালীন নিতে হবে।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু হবে ৩ নভেম্বর। পরে ৪ থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত প্রবেশপত্রে কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধন করা যাবে।

রোববার ঢাকা শিক্ষা বোডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলামের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

অফিস আদেশে বলা হয়, ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ শুরু হবে ৩ নভেম্বর। কেন্দ্র সচিব নিজে অথবা তার প্রাধিকারপ্রাপ্ত কোনো শিক্ষককে (স্বাক্ষর সত্যায়িতসহ) কেন্দ্রের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশপত্র অফিস চলাকালীন নিতে হবে।

আরও বলা হয়, কোনো অবস্থাতেই শিক্ষক ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তিকে প্রবেশপত্র নিতে পারবেন না। তিনি নিজ কেন্দ্রাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশপত্র ৩ নভেম্বর বিতরণ করবেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান প্রবেশপত্র যাচাই করে কোনো ক্রটি বা সমস্যা সংশোধন করার জন্য ৪ নভেম্বর থেকে ১১ নভেম্বরের মধ্যে শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) এর কাছে ছক অনুযায়ী আবেদনপত্র জমা দিয়ে সংশোধন করতে পারবেন।

পরীক্ষার কোনো জটিলতার সৃষ্টি হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানরা দায়ী থাকবেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

চলতি বছরে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ১৪ নভেম্বর। তা চলবে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত। এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে শুধু নৈর্বাচনিক বিষয়ে।

অন্য আবশ্যিক বিষয়ে আগের পাবলিক পরীক্ষার সাবজেক্ট ম্যাপিং করে মূল্যায়নের মাধ্যমে নম্বর দেয়া হবে। এবার চতুর্থ বিষয়েরও পরীক্ষা নেয়া হবে না।

নির্ধারিত সূচিতে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা ৩০ মিনিট এবং বেলা ২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পরীক্ষা হবে।

কবে কোন পরীক্ষা

১৪ নভেম্বর পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়), ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ও হিসাববিজ্ঞান এবং ১৬ নভেম্বর রসায়ন (তত্ত্বীয়), ১৮ নভেম্বর শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া (তত্ত্বীয়), ২১ নভেম্বর ভূগোল ও পরিবেশ ও ফিন্যান্স ও ব্যাকিং, ২২ নভেম্বর উচ্চতর গণিত (তত্ত্বীয়) ও জীববিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) এবং ২৩ নভেম্বর পৌরনীতি ও নাগরিকতা, অর্থনীতি ও ব্যবসায় উদ্যোগ পরীক্ষা হবে।

যত নম্বরে পরীক্ষা

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার নম্বর বিভাজন প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। এসএসসি ও এইচএসসির বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষার্থীরা প্রতি বিষয়ে ৩২ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নেবে। এর মধ্যে রচনামূলক ২০ নম্বর ও এমসিকিউতে (নৈর্ব্যক্তিকে) থাকবে ১২ নম্বর। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের বিষয়গুলোয় শিক্ষার্থীরা ৪৫ নম্বরের পরীক্ষা দেবে। এর মধ্যে ৩০ নম্বর রচনামূলক ও ১৫ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। রচনামূলক ও নৈর্ব্যক্তিকের নম্বরকে ১০০ নম্বরে রূপান্তর করে প্রাপ্ত নম্বর নির্ধারণ করা হবে।

এসএসসির নম্বর বিভাজন

বিজ্ঞান: ঢাকা বোর্ড প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার নম্বর বিভাজনে বলা হয়েছে, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, উচ্চতর গণিত ও জীববিজ্ঞান বিষয়ে পরীক্ষার রচনামূলক অংশে শিক্ষার্থীদের ৩২ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে। এর মধ্যে রচনামূলক ২০ আর নৈর্ব্যক্তিক অংশে ১২ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে পরীক্ষার্থীদের।

বিজ্ঞান বিভাগের রচনামূলক অংশে ৮টি প্রশ্ন থাকলেও যেকোনো দু’টির উত্তর দিতে হবে শিক্ষার্থীদের। ১০ করে ২০ নম্বর। নৈর্ব্যক্তিক অংশে ২৫টি প্রশ্নের মধ্যে ১২টির উত্তর দিতে হবে। এখানে নম্বর ১২। মোট ৩২ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে এসএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের।

শিক্ষা বোর্ড বলছে, বিজ্ঞানে শিক্ষার্থীদের ২০ নম্বরকে ৫০ ও নৈর্ব্যক্তিকের ১২ নম্বরকে ২৫ নম্বরে রূপান্তর করে মোট প্রাপ্ত নম্বর নির্ধারণ করা হবে।

মানবিক ও ব্যবসায়:এসএসসির মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ৪৫ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। রচনামূলকে ৩০ নম্বর ও নৈর্ব্যক্তিকে ১৫ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এর মধ্যে রচনামূলক অংশে ১১টি প্রশ্ন থাকলেও উত্তর দিতে হবে যেকোনো ৩টির। প্রতিটির মান ১০। নৈর্ব্যক্তিকে ৩০টি প্রশ্ন থাকলেও উত্তর দিতে হবে ১৫টির। প্রতিটি প্রশ্নের জন্য ১ নম্বর করে মোট ১৫।

মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ৩০ নম্বরকে ৭০ ও নৈর্ব্যক্তিকের ১৫ নম্বরকে ৩০ নম্বরে রূপান্তর করে শিক্ষার্থীদের মোট নম্বর নির্ধারণ করবে বোর্ড। প্রতিটি বিষয়ের পরীক্ষা ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিটে হবে। রচনামূলক ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট ও নৈর্ব্যক্তিকে সময় ১৫ মিনিট।

আরও পড়ুন:
এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন যাবে ফয়েল প্যাকেটে
এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ
আন্দোলনেও আর সংক্ষেপ হবে না এসএসসির সিলেবাস
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৩ নির্দেশনা
যে রুটিনে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এসএসসি: ফেল থেকে জিপিএ-৫ চার বোর্ডে ১৩ জন

এসএসসি: ফেল থেকে জিপিএ-৫ চার বোর্ডে ১৩ জন

ফাইল ছবি।

চার বোর্ডে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণে ফেল থেকে পাশ করেছেন ৩৭৮ জন। এ ছাড়া গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে আরও অনেকের।

ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও কুমিল্লা বোর্ডে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় আগে ফেল করলেও পুনঃনিরীক্ষণে তাদের মধ্য থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৩ জন।

শুক্রবার এই ফল প্রকাশ করা হয়।

ফলাফলে দেখা গেছে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছেন ৪৩ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ফলাফল পরিবর্তন হয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৬ জন। আর ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন চার শিক্ষার্থী।

ঢাকা বোর্ডের প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থী ২২ হাজার ৮৫৫টি বিষয়ের খাতা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করেছিলেন।

ব‌রিশাল মাধ‌্যমিক ও উচ্চ মাধ‌্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুন কুমার গাইন জানান, ওই বোর্ডে ৫ হাজার ৪৭৯ পরীক্ষার্থী ৬ হাজার ১৩৯‌টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করেছিলেন। এতে ৩৯২ জনের ফলাফল পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে ফেল থেকে পাশ করেছেন ২৫১ জন এবং ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ জন। পাশাপা‌শি সব মিলিয়ে ফল পরিবর্তনে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩০ শিক্ষার্থী।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফলে ফেল থেকে পাস করেছেন ৩৩ জন। আর ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ জন। এ ছাড়া পরীক্ষার ফল পরিবর্তন হয়েছে ২১২ জনের।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নারায়ণ চন্দ্র নাথ বলেন, ‘উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণ শেষে ফল পরিবর্তন হয়েছে ২১২ পরীক্ষার্থীর। এর ফলে ফেল থেকে পাস করেছে আরও ৩৩ জন। গ্রেড পরিবর্তন হয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন। আর ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।’

বোর্ড সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এবার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য ৭ হাজার ৬৯ পরীক্ষার্থী আবেদন করেছিলেন। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে ৭ হাজার ৮২৩টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণ করা হয়।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে গ্রুপ ভিত্তিক নৈর্বাচনিক ১১ বিষয়ে ৪১৯৩ জন শিক্ষার্থী ৪৬৭৯টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করেছিলেন।

আবেদনকারীদের মধ্যে ৮২ জনের ফল পরিবর্তন হয়। এর মধ্যে ৫১ জন ফেল থেকে পাশ করেছেন। আর ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬ জন। এ ছাড়া ২৫ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে।

এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর ২০২১ সনের এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয় এবং ৩১ ডিসেম্বর থেকে ০৬ জানুয়ারি পর্যন্ত পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করা হয়।

জানা গেছে, করোনার কারণে দেড় বছর ক্লাস না হওয়ায় গত বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেওয়া হয় তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে।

ফল প্রকাশের দিনের হিসেব অনুযায়ী, এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ড মিলে পাসের হার ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। ২০২০ শিক্ষাবর্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ। সে হিসেবে এবার পাসের হার বেড়েছে ১০ দশমিক ৭১ শতাংশ।

৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডে এবার পাসের হার ৯৪.০৮ শতাংশ। মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১৭ লাখ ৯২ হাজার ৩১২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৬২৫ জন।

মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডে এবার পাসের হার ৯৩.২২ শতাংশ। মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ২ লাখ ৯২ হাজার ৫৬৯ জন। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী ১৪ হাজার ৩১৩ জন।

আর কারিগরি শিক্ষাবোর্ডে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৫১৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাসের হার ৮৮.৪৯ শতাংশ। জিপিএ ফাইভ পাওয়া শিক্ষার্থী ৫ হাজার ১৮৭ জন।

আরও পড়ুন:
এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন যাবে ফয়েল প্যাকেটে
এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ
আন্দোলনেও আর সংক্ষেপ হবে না এসএসসির সিলেবাস
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৩ নির্দেশনা
যে রুটিনে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা

শেয়ার করুন

জবি: ক্লাস অনলাইনে, অবশিষ্ট পরীক্ষা সশরীরে

জবি: ক্লাস অনলাইনে, অবশিষ্ট পরীক্ষা সশরীরে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই সপ্তাহ অনলাইনে ক্লাস চলবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ইমদাদুল হক বলেন, ‘আগামী দুই সপ্তাহ আমাদের সশরীরে ক্লাস বন্ধ থাকবে। তবে অনলাইনে ক্লাস চলবে।’

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ব্যাপক হারে বেড়ে যাওয়ায় ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। নির্দেশ পাওয়ার পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সশরীরে ক্লাস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

অনলাইনে সব ধরনের ক্লাস নেয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে চলমান সেমিস্টার ফাইনালের অবশিষ্ট লিখিত পরীক্ষাগুলো সশরীরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নেয়া হবে।

শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ইমদাদুল হক নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘আগামী দুই সপ্তাহ আমাদের সশরীরে ক্লাস বন্ধ থাকবে। তবে অনলাইনে ক্লাস চলবে।’

পরীক্ষার ব্যাপারে উপাচার্য বলেন, ‘যেহেতু আমাদের পরীক্ষা প্রায় শেষ, আর দু-একটা ডিপার্টমেন্টে হয়ত ব্যবহারিক-মৌখিক পরীক্ষা বাকি আছে সেগুলো অনলাইনে নেয়া যেতে পারে।

‘যেসব বিভাগের পরীক্ষা চলছে সেসব বিভাগের চেয়ারম্যান, অনুষদের ডিন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’

নিউজবাংলাকে উপাচার্য আরও বলেন, ‘আমরা গতকাল একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যেসব ডিপার্টমেন্টে করোনা সংক্রমণ ঘটেছে তাদের ক্লাসগুলো অনলাইনে আর বাকিরা আপাতত সশরীরে নেয়ার। কিন্তু যেহেতু প্রজ্ঞাপন আসছে তাই এখন থেকে সব ডিপার্টমেন্টের সব ক্লাস অনলাইনে হবে।’

এদিকে উপাচার্যের নির্দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. ওহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত ক্লাস-পরীক্ষা ও অফিস খোলা নিয়ে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। তবে অনলাইনে ক্লাস চলবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব বিভাগে পরীক্ষা চলছে, সেগুলো সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও অনুষদের ডিনদের আলোচনা সাপেক্ষে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নিতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অফিস স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

পরীক্ষার বিষয়ে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল নিউজবাংলাকে জানান, চলমান সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার যে কয়টি লিখিত পরীক্ষা বাকি আছে সেগুলো যথানিয়মে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে নেয়া হবে। কোনো মৌখিক বা ব্যবহারিক পরীক্ষা সশরীরে নেয়া হবে না। সেগুলো অনলাইনে হবে।

চলবে না বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক আব্দুল্লাহ্-আল্- মাসুদ নিউজবাংলাকে জানান, ক্লাস বন্ধ থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস চলবে না। শিক্ষক-কর্মকর্তাদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে সীমিত পরিসরে বাস চলবে।

চলবে ভর্তি
ক্লাস বন্ধ থাকলেও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষে ভর্তি চলবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এর আগে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের জন্য দেশের সব স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর গত বছরের ৭ অক্টোবর সশরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হয়।

আরও পড়ুন:
এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন যাবে ফয়েল প্যাকেটে
এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ
আন্দোলনেও আর সংক্ষেপ হবে না এসএসসির সিলেবাস
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৩ নির্দেশনা
যে রুটিনে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা

শেয়ার করুন

শাবি সংকট: ভিসির তদন্ত কমিটির খোঁজ নেই

শাবি সংকট: ভিসির তদন্ত কমিটির খোঁজ নেই

শাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার ঘটনায় উপাচার্যের তদন্ত কমিটির কার্যক্রম শুরু হয়নি। ফাইল ছবি

১৩ জানুয়ারির হামলা-সংঘর্ষসহ সব ঘটনা তদন্ত করতে ১৭ জানুয়ারি আট সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানান উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। কমিটির প্রধান করা হয় অধ্যাপক রাশেদ তালুকদারকে। এ ছাড়া পাঁচ অনুষদের ডিন, প্রক্টর ও ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টাকে রাখা হয় কমিটিতে। তবে অধ্যাপক রাশেদ বলেন, তাকে আনুষ্ঠানিক কোনো আদেশ দেয়া হয়নি।

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবি) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় গত সোমবার একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছিলেন উপাচার্য। তবে পাঁচ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরও শুক্রবার পর্যন্ত এই তদন্ত কমিটি কোনো কার্যক্রম শুরু করেনি।

এমনকি এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে আনুষ্ঠাানিক কোনো চিঠি পাননি বলেও জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির প্রধান গণিত বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক রাশেদ তালুকদার।

বেগম সিরাজুন্নেসা হলের প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে গত ১৩ জানুয়ারি থেকে আন্দোলনে নামেন ওই হলের ছাত্রীরা। ১৬ জানুয়ারি তারা উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিনকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। ওই দিন সন্ধ্যায় ছাত্রদের লাঠিপেটা করে উপাচার্যকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে পুলিশ। এ সময় পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী-পুলিশসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।

এ ঘটনায় রাতেই জরুরি সিন্ডিকেট সভা করে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা ও পরদিন দুপুর ১২টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেন উপাচার্য। এই সিদ্ধান্ত আসার রাতেই উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার থেকে তারা শুরু করেন অনশন।

শাবি সংকট: ভিসির তদন্ত কমিটির খোঁজ নেই

১৩ জানুয়ারির হামলা-সংঘর্ষসহ সব ঘটনা তদন্ত করতে ১৭ জানুয়ারি আট সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানান উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। কমিটির প্রধান করা হয় অধ্যাপক রাশেদ তালুকদারকে। এ ছাড়া পাঁচ অনুষদের ডিন, প্রক্টর ও ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টাকে রাখা হয় কমিটিতে।

তদন্ত কমিটির কার্যক্রম সম্পর্কে ওই দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য জহির বিন আলম নিউজবাংলাকে বলেছিলেন, ‘ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে, কারা দোষী এটা আমরা খুঁজে বের করব। বিশ্ববিদ্যালয় শান্ত ছিল, হঠাৎ কেন এমন অশান্ত হলো তা বের করা হবে।’

তদন্ত কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

তবে শুক্রবার সন্ধ্যায় অধ্যাপক রাশেদ তালুকদার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা শুনেছি। তবে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো চিঠি এখনও পাইনি। ফলে কমিটির কার্যক্রমও শুরু হয়নি।’

পাঁচ দিনেও তদন্ত কমিটি চিঠি না পাওয়া প্রসঙ্গে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ আহমদের কোনো বক্তব্য জানা যায়নি। শুক্রবার মোবাইল ফোনে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

তবে রেজিস্ট্রার ইশফাকুল হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। প্রশাসনিক ভবনেও তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালানো যাচ্ছে না। এ কারণে তদন্ত কমিটির সদস্যদের এখনও আনুষ্ঠানিক চিঠি দেয়া সম্ভব হয়নি। প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হলেই চিঠি প্রেরণ করা হবে।’

উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে টানা তিন দিন ধরে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন ২৩ শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে অন্তত ১৩ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শাবি সংকট: ভিসির তদন্ত কমিটির খোঁজ নেই

আন্দোলন শুরুর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা একাধিকবার আলোচনার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছে আসেন। তারা শিক্ষার্থীদের বলেন, তদন্ত করে এই ঘটনায় যাদেরই দোষ পাওয়া যাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এমনকি উপাচার্য ফরিদ উদ্দিনও গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সরকার তদন্ত কমিটি করে যদি আমার দোষ পায় তাহলে যে ব্যবস্থা নেবে তা মেনে নেব।’

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা অবশ্য কমিটি নিয়ে ভাবছেন না। এদের একজন সাব্বির আহমদ বলেন, ‘আমরা কোনো তদন্ত কমিটি চাই না। উপাচার্যের পদত্যাগ চাই। তবু শিক্ষকরা তদন্তের কথা বলছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন এটি করেছে। কিন্তু এই কমিটি এখনও কার্যক্রম শুরু না করাই প্রমাণ করে তদন্ত কমিটির নামে আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিতের চেষ্টা করা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন যাবে ফয়েল প্যাকেটে
এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ
আন্দোলনেও আর সংক্ষেপ হবে না এসএসসির সিলেবাস
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৩ নির্দেশনা
যে রুটিনে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা

শেয়ার করুন

চবিতে অনলাইনে ক্লাস, সশরীরে পরীক্ষা

চবিতে অনলাইনে ক্লাস, সশরীরে পরীক্ষা

চবির ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড. শহীদুল ইসলাম জানান, চবিতে ২২ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সশরীরে ক্লাস বন্ধ থাকবে। সেসব ক্লাস অনলাইনে হবে। পূর্বনির্ধারিত পরীক্ষাগুলো যথাসময়ে সশরীরে হবে।

করোনা পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস বন্ধ রেখে অনলাইনে পাঠদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিভিন্ন বিভাগে চলমান পরীক্ষাগুলো সশরীরেই হবে। আবাসিক সব হল ও শাটল ট্রেন চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চবি প্রশাসন।

শুক্রবার রাতে ডিনস কমিটির জরুরি বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড. শহীদুল ইসলাম নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী চবিতে ২২ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সশরীরে ক্লাস বন্ধ থাকবে। সেসব ক্লাস অনলাইনে হবে। পূর্বনির্ধারিত পরীক্ষাগুলো যথাসময়ে সশরীরে হবে। এ ক্ষেত্রে পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, হলগুলো চালু রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগের নিয়মে শাটল ট্রেনও চালু থাকবে। পরে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দেখে শাটলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি কার্যক্রম চলমান থাকবে।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে আগামী দুই সপ্তাহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

আরও পড়ুন:
এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন যাবে ফয়েল প্যাকেটে
এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ
আন্দোলনেও আর সংক্ষেপ হবে না এসএসসির সিলেবাস
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৩ নির্দেশনা
যে রুটিনে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা

শেয়ার করুন

রাবিতে ক্লাসে পাঠদান বন্ধ, হল খোলা

রাবিতে ক্লাসে পাঠদান বন্ধ, হল খোলা

করোনার কারণে সারা দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের প্রতিবাদে শুক্রবার বিকেলে রাবি ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। ছবি: নিউজবাংলা

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অফিস সীমিত পরিসরে রোববার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু থাকবে। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ আবাসস্থলে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে অবস্থান করার নির্দেশনা দেয়া হলো।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে হল খোলা রেখে সশরীরে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও ইনস্টিটিউট নিজ নিজ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

শুক্রবার বিকেলে রাবি প্রশাসনের সভা শেষে জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক প্রদীপ কুমার পান্ডের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অফিস সীমিত পরিসরে রোববার থেকে বৃহস্পতিবার (সরকারি ছুটির দিন ছাড়া) পর্যন্ত সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু থাকবে।

বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, ইন্টারনেট, চিকিৎসা, পরিষ্কার-পরিছন্নতাসহ জরুরি পরিষেবাও চালু থাকবে।

শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ আবাসস্থলে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে অবস্থান করার জন্য বিজ্ঞপ্তিতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অধিকতর মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

দাপ্তরিক প্রয়োজন ছাড়া বহিরাগতদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ না করার জন্য বলা হয়েছে। ক্যাম্পাসে সভা, সমাবেশ ও জনসমাগম না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশ দেয়া হয়।

এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে রাখার দাবিতে ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয়া শিক্ষার্থীরা সন্ধ্যা ৬টার দিকে কর্মসূচি শেষ করে হলে ফিরেছেন।

অবস্থান কর্মসূচি

এর আগে করোনার কারণে সারা দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের প্রতিবাদে শুক্রবার বিকেল ৪টায় রাবি শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সচল রাখার দাবি জানানো হয় কর্মসূচি থেকে।

সারা দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দুই সপ্তাহ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় সরকার। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বিকেল ৫টার দিকে জরুরি সভায় বসে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয় খোলা রাখার দাবিতে তারা অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করেন। সিদ্ধান্ত অনুকূলে না এলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন শিক্ষার্থীরা।

কর্মসূচিতে রাবির ফলিত রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান রাকিব বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের যে ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রী দিয়েছেন তার পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সিদ্ধান্তের জন্য মিটিং হবে৷ তা শুনে আমরা এখানে অবস্থান নিয়েছি। প্রায় দেড় বছর পর বিশ্ববিদ্যালয় খুলেছে। আমরা মাত্র ফার্স্ট সেমিস্টার পরীক্ষা দিয়েছি৷ সামনে সেকেন্ড সেমিস্টার পরীক্ষা৷ এর মধ্যেই আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের টালবাহানা চলছে। নিঃসন্দেহে তারা শিক্ষা খাতকে নষ্ট করার জন্য উঠে-পড়ে লেগেছেন।’

ছাত্র অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক আমানুল্লাহ আমানের সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য রাখেন রাবি ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাব্বত হোসেন মিলন।

আরও পড়ুন:
এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন যাবে ফয়েল প্যাকেটে
এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ
আন্দোলনেও আর সংক্ষেপ হবে না এসএসসির সিলেবাস
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৩ নির্দেশনা
যে রুটিনে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা

শেয়ার করুন

সশরীরে ক্লাস বন্ধেও এবার খোলা হল

সশরীরে ক্লাস বন্ধেও এবার খোলা হল

গত ১০ অক্টোবর হল খুলে দেয়ার পর শিক্ষার্থীরা বন্ধুদের পাশে পেয়ে এভাবেই আনন্দ প্রকাশ করে। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা এদিক ওদিক ছড়িয়ে পড়লে স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বাড়বে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের হলে রাখাটাই উত্তম। হলগুলো বন্ধ করার পরিকল্পনা নেই।’

করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সশরীরের ক্লাস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিলেও এবার আর হল বন্ধ করছে না।

শুক্রবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য অধ্যাপক ড মো আখতারুজ্জামান নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় সিদ্ধান্তের সঙ্গে সংহতি রেখে আমাদেরও সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ক্লাসগুলো অনলাইনে চলবে। তবে আবাসিক হল বন্ধ করা হবে না।’

হল বন্ধ না করার ব্যাপারে উপাচার্য বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা এদিক ওদিক ছড়িয়ে পড়লে স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বাড়বে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের হলে রাখাটাই উত্তম। হলগুলো বন্ধ করার পরিকল্পনা নেই।’

বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়টির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীর শিক্ষা কার্যক্রম আজ শুক্রবার থেকে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। তবে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক সহযোগিতায় অব্যাহত থাকবে।

আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসগুলো সীমিত পরিসরে সকাল নয়টা থেকে বেলা একটা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা থাকবে। জরুরি পরিষেবা (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ইন্টারনেট, স্বাস্থ্যসেবা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ইত্যাদি) যথারীতি অব্যাহত থাকবে।

শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ আবাসস্থলে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে অবস্থান করার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। এ ছাড়া ক্যাম্পাসে সভা, সমাবেশ ও জনসমাগম না করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে।

২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়লে ১৭ মার্চ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। সে সময় হলগুলোও বন্ধ করে দেয়া হয়।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর গত ৫ অক্টোবর চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য হল খুলে দেয়া হয়। পরে ১০ অক্টোবর থেকে খুলে দেয়া হয় সবার জন্য।

হল খুলে দেয়ার ৭ দিন পর থেকে সশরীরে ক্লাসে ফিরে বিশ্ববিদ্যালয়। গত ৭ জানুয়ারি করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার পর সরকারের পক্ষ থেকে একাধিকবার বলা হয়েছে, পরিস্থিতির অবনতি না হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হবে না।

তবে করোনার সংক্রমণ ২৪ ঘণ্টায় সাড়ে ১১ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়া, পরীক্ষার বিপরীতে সংক্রমণের হার ৩০ ছুঁই ছুঁই হয়ে যাওয়ার পর শুক্রবার এক বিজ্ঞপ্তিতে স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরপর একই পথে হাঁটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন জানিয়েছে, কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেবে।

আরও পড়ুন:
এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন যাবে ফয়েল প্যাকেটে
এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ
আন্দোলনেও আর সংক্ষেপ হবে না এসএসসির সিলেবাস
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৩ নির্দেশনা
যে রুটিনে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা

শেয়ার করুন

মত পাল্টালেন শাবি শিক্ষার্থীরা, শিক্ষামন্ত্রীর আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান

মত পাল্টালেন শাবি শিক্ষার্থীরা, শিক্ষামন্ত্রীর আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের পক্ষে সংবাদমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলছেন মুখপাত্ররা। ছবি: নিউজবাংলা

শিক্ষার্থীদের পক্ষে সাদিয়া বলেন, ‘এখানে আন্দোলনকারীদের ফেলে ঢাকা যাওয়া সম্ভব না। আলোচনার জন্য শিক্ষামন্ত্রীকে সিলেট আসতে আহ্বান জানিয়েছি। কিংবা ভিডিও কলেও আলোচনা হতে পারে।’

উপাচার্য ইস্যুতে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির সঙ্গে আলোচনা করতে ঢাকায় আসছেন বলে দুপুরে জানালেও বিকেলে মত পাল্টেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

তারা জানিয়েছেন, ঢাকায় নয়, আলোচনা হবে সিলেটেই। সে জন্য শিক্ষামন্ত্রীকে সিলেট যেতে হবে অথবা আলোচনা ভিডিও কলে হবে।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের পক্ষে সাদিয়া আফরিন নিউজবাংলাকে এ কথা জানিয়েছেন।

তিনি শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জানান, শিক্ষামন্ত্রীর আলোচনার প্রস্তাবে ঢাকা যেতে রাজি হয়েছিলেন। এক ঘণ্টা সময় চেয়েছিলেন তাদের মধ্য থেকে কারা যাবে সেটি সিদ্ধান্ত নিতে। তবে পরে অন্যদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত পাল্টানো হয়।

সাদিয়া বলেন, ‘এখানে আন্দোলনকারীদের ফেলে ঢাকা যাওয়া সম্ভব না। আলোচনার জন্য শিক্ষামন্ত্রীকে সিলেট আসতে আহ্বান জানিয়েছি। কিংবা ভিডিও কলেও আলোচনা হতে পারে।’

সাদিয়া জানান, তাদের এই সিদ্ধান্ত শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষে আলোচনার প্রস্তাব নিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম নাদেলকে জানানো হয়েছে। তিনি মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে শিক্ষার্থীদের জানাবেন।

এর আগে শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রীর আহ্বানে আলোচনার জন্য তাদের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা যাবে।

এক হল প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে গত ১৩ জানুয়ারি থেকে আন্দোলন শুরু করেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে আন্দোলন মোড় নেয় উপাচার্য পদত্যাগের এক দফা দাবিতে।

এই দাবি নিয়ে গত ১৯ জানুয়ারি থেকে আমরণ অনশনে বসেন শিক্ষার্থীরা।

মত পাল্টালেন শাবি শিক্ষার্থীরা, শিক্ষামন্ত্রীর আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ফোনে শুক্রবার দুপুরে আন্দোলনরতদের সঙ্গে কথা বলেন। সংবাদমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে লাউড স্পিকারে তিনি আলাপ করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের সন্তানরা ভালো থাকবে। তাদের যেন কোনো কষ্ট না হয়। ক্যাম্পাসও ঠিক থাকবে।

‘বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বায়ত্তশাসনের ব্যাপার আছে। আমরা তাতে দ্রুত হস্তক্ষেপ করতে চাই না। তবে শিক্ষার্থীরা কষ্ট পাবে, এটাও চাই না। সব সমস্যার সমাধান আছে। এটারও নিশ্চয় আছে। আলোচনার মাধ্যমে সেই সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মধ্যে চার-পাঁচজন যদি আসেন, শিক্ষক সমিতির নেতারাও যদি আসেন, তবে আমরা আলাপ করে একটা সমাধানে পৌঁছাতে পারব।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আপনারা নিজেদের মধ্যে কথা বলে আসবেন। পরে নিজেদের মধ্যে যেন ঝামেলা না হয়।’

শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলাপকালে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের পক্ষে সাদিয়া আফরিন বলেন, ‘আমরা শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী। সন্ধ্যার আগেই আমাদের পাঁচজন ঢাকায় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে যাবেন। আশা করছি, মন্ত্রী আমাদের দাবি মেনে নেবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় গেলেও অনশন যথারীতি চলবে।’

এরপর প্রতিনিধি দল ঠিক করতে এক ঘণ্টা সময় নেন তিনি। এর মধ্যেই আন্দোলনকারীরা মত পাল্টে বিকালে জানান, তারা ঢাকা যাবেন না।

এর আগে শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে শিক্ষামন্ত্রীর আলোচনার প্রস্তাব নিয়ে ক্যাম্পাসে যান আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম নাদেল, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আশফাক, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেনসহ কয়েকজন নেতা। তারা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন।

মত পাল্টালেন শাবি শিক্ষার্থীরা, শিক্ষামন্ত্রীর আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান

এরপর তারা উপাচার্য ফরিদ উদ্দিনের বাসভবনেও যান।

সেখান থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শফিউল আলম নাদেল। তার আগে সাংগঠনিক সম্পাদকের মোবাইল ফোনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

নাদেল বলেন, ‘এভাবে অচলাবস্থা দীর্ঘদিন চলতে পারে না। আমাদের সন্তানদের এই কষ্ট মেনে নিতে পারছি না।’

‘শিক্ষামন্ত্রীর বার্তা নিয়ে এখানে এসেছি। দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের পথ বের করার চেষ্টা করব। উপাচার্যও আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।’

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী মোহাইমিনুল বাশার বলেন, ‘আমাদের একটাই দাবি। তা হলো উপাচার্যের পদত্যাগ। এই দাবি আদায় না হলে আমরা আন্দোলন থেকে সরছি না। প্রয়োজনে আমরা মারা যাব।’

এদিকে অনশনকারীদের মধ্যে অসুস্থ হওয়ার সংখ্যা বাড়ছে। বেলা ৩টা পর্যন্ত ১২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা সেখানেও অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নেয়াদের সবার স্যালাইন চলছে।

আরও পড়ুন:
এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন যাবে ফয়েল প্যাকেটে
এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ
আন্দোলনেও আর সংক্ষেপ হবে না এসএসসির সিলেবাস
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৩ নির্দেশনা
যে রুটিনে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা

শেয়ার করুন