চুল কর্তন: মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলনের চেষ্টা

চুল কর্তন: মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলনের চেষ্টা

দুপুরের দিকে অনশনে বক্তব্য দেয়ার সময় পকেট থেকে ছোট বোতল বের করে তরল জাতীয় কিছু পান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মো. শামীম। তিনি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগে পড়েন। এর পরপরই শিক্ষার্থীরা বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করেন। 

সিরাজগঞ্জের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় দিনের অনশনে বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনের বহিষ্কারের দাবিতে চলা এই কর্মসূচিতে এক শিক্ষার্থী ‘বিষপানে’ আত্মহত্যার চেষ্টা করলে সড়ক অবরোধে একজোট হন আন্দোলনকারীরা।

তবে স্থানীয়দের অনুরোধে তারা সড়ক থেকে সড়ে যান।

বিশ্ববিদ্যালয়ে বিসিক বাসস্ট্যান্ড এলাকার একাডেমিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে রোববার সকাল থেকে এই কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

দুপুরের দিকে অনশনে বক্তব্য দেয়ার সময় পকেট থেকে ছোট বোতল বের করে তরল জাতীয় কিছু পান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মো. শামীম। তিনি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগে পড়েন।

এর পরপরই শিক্ষার্থীরা বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করেন।

আন্দোলনরত আরেক শিক্ষার্থী সোহেল মাহমুদ জানান, শামীকে সঙ্গে সঙ্গে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়।

হাসপাতালের চিকিৎসক সোহেল রানা নিউজবাংলাকে জানান, শামীমকে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তিনি শঙ্কামুক্ত।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী আবু জাফর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা শনিবার সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে আমরণ অনশন শুরু করেছি। শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনকে বহিষ্কার করা না পর্যন্ত এই আন্দোলন চলিয়ে যাব।’

এদিকে রোববার সকালে তদন্ত কমিটির প্রধান সহ অন্যান্য শিক্ষকেরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কাছে যান, তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। সিন্ডিকেট সভায় আইনী প্রক্রিয়ায় এ সমস্যার সমাধান হবে বলেও মনে করেন তারা। তবে তাদের কধায় শিক্ষার্থীরা আশ্বস্ত না হয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেয়ার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে রবীন্দ্র উপাচার্য ও ট্রেজারার আব্দুল লতিফের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। এরপর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে শুক্রবার বিকেলে ঢাকা অফিসে সিন্ডকেট বৈঠক ডাকেন ভিসি। বৈঠক হলেও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এ বিষয়ে আন্দোলনকারীদের পক্ষে শিক্ষার্থী শামীম হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শুক্রবারের সিন্ডিকেট বৈঠকে শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনকে স্থায়ীভাবে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত আশা করেছিলাম, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে আমাদের পরীক্ষার হলে ফিরে যেতে বলে। আমরা তাদের এ আদেশ গ্রহণ না করে শিক্ষিকা ফারহানার বহিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত আবারও আন্দোলন শুরু করেছি।’

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (দায়িত্বপ্রাপ্ত) ও কোষাধ্যক্ষ আব্দুল লতিফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি।

চুল কর্তন: মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলনের চেষ্টা

২৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের প্রথম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষার হলে ঢোকার সময় বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী প্রক্টর ফারহানা ইয়াসমিন বাতেন দরজায় কাঁচি হাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন। শিক্ষার্থীরা হলে ঢোকার সময় যাদের মাথার চুল হাতের মুঠোর মধ্যে ধরা যায়, তাদের সামনের অংশের বেশ খানিকটা কেটে দেন তিনি। এভাবে ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেন ওই শিক্ষক।

ওই ঘটনা নিয়ে শিক্ষার্থীরা ফেসবুকে পোস্ট দিলে বিষয়টি ভাইরাল হয়। বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। শিক্ষক ফারহানার শাস্তির দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। এ নিয়ে দফায় দফায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বৈঠক হয়। মীমাংসা না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা বর্জনের সিদ্ধান্ত নেন।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ফারহানা ইয়াসমিন শিক্ষার্থীদের গালাগালি করে পরীক্ষার হলে যেতে বাধ্য করেন। এর প্রতিবাদ করলে নাজমুল হাসান তুহিন নামের প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে গালাগালি করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের হুমকি দেন।

ওই ঘটনার পর ‘অপমান সইতে না পেরে’ তুহিন রাতে দ্বারিয়াপুরের শাহ মখদুম ছাত্রাবাসের নিজ কক্ষে দরজা আটকে ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। সহপাঠীরা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ঘটনার পর থেকে শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনের শাস্তির দাবিতে দফায় দফায় আন্দোলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন:
চুল কর্তন: দ্বিতীয় দিনের মতো অনশনে শিক্ষার্থীরা
চুল কর্তন: ফারহানার শাস্তি চেয়ে ফের আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা
শিক্ষার্থীদের চুল কর্তন: ফারহানার বক্তব্য ছাড়াই তদন্ত প্রতিবেদন
শিক্ষকের হাতে কাঁচি: সিসিটিভি ফুটেজে সময় কেন সন্ধ্যার?
‘শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে’ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধ শিথিল

শেয়ার করুন

মন্তব্য

গাছে ঝুলছিল যুবকের মরদেহ  

গাছে ঝুলছিল যুবকের মরদেহ

 

এই অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

যুবকের বাবা খায়রুল প্রধান বলেন, ‘শনিবার সকালে দোকান খুলতে বাজারের উদ্দেশে বের হয় হাবিবুল। রাতে আর বাড়ি ফেরেনি। বাজারে গিয়ে দেখি দোকান খোলা। তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ ছিল। রোববার স্থানীয়রা তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।’

গাজীপুরের শ্রীপুরে গাছের সঙ্গে দড়ি বাঁধা অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। কাওরাইদ ইউনিয়নের পন্ডিতের ভিটা এলাকা থেকে রোববার সকাল ৮টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

মৃত যুবকের নাম হাবিবুল বাশার। ৩৫ বছরের হাবিবুলের বাড়ি কাওরাইদ ইউনিয়নের বেলদিয়া গ্রামে। কাওরাইদ বাজারে তার একটি ফার্মেসি আছে।

এসব নিশ্চিত করেছেন শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার ইমাম হোসেন।

যুবকের বাবা খায়রুল প্রধান বলেন, ‘শনিবার সকালে দোকান খুলতে বাজারের উদ্দেশে বের হয় হাবিবুল। রাতে আর বাড়ি ফেরেনি। বাজারে গিয়ে দেখি দোকান খোলা। তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ ছিল। রোববার স্থানীয়রা তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।’

স্থানীয় আলফাজ মিয়া বলেন, ‘মরদেহের হাঁটু মাটিতে লেগে ছিল, গলায় দড়ি পেঁচানো। মনে হচ্ছে এটা পরিকল্পিত হত্যা।’

ওসি ইমাম হোসেন বলেন, ‘ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে মরদেহ। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
চুল কর্তন: দ্বিতীয় দিনের মতো অনশনে শিক্ষার্থীরা
চুল কর্তন: ফারহানার শাস্তি চেয়ে ফের আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা
শিক্ষার্থীদের চুল কর্তন: ফারহানার বক্তব্য ছাড়াই তদন্ত প্রতিবেদন
শিক্ষকের হাতে কাঁচি: সিসিটিভি ফুটেজে সময় কেন সন্ধ্যার?
‘শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে’ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধ শিথিল

শেয়ার করুন

গ্রামের সব স্থানে মিলছে সাপ, আতঙ্ক

গ্রামের সব স্থানে মিলছে সাপ, আতঙ্ক

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার দক্ষিণ সারোয়াতলী গ্রামে পাওয়া একটি সাপ। ছবি: নিউজবাংলা

আকবর হোসেন নামের এক কৃষক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জমিতে কাজ করছিলাম। হঠাৎ পেছন থেকে কী যেন কামড় দিল, বুঝতে পারিনি। পরে হাসপাতালে নেয়ার পর ডাক্তার বললেন বিষধর সাপে কামড়েছে। আট দিন হাসপাতালে ছিলাম।’

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার দক্ষিণ সারোয়াতলী গ্রামে হঠাৎ বেড়েছে সাপের উপদ্রব। শীতল রক্তের প্রাণীটির এখন শীতনিদ্রার সময়, অথচ সেই সময়েই গ্রামের ঘরে-বাইরে সবখানেই দেখা মিলছে তাদের।

ঘর, বিছানা থেকে শুরু করে ক্ষেত-খামার, পুকুর, রাস্তা কোনো স্থানই বাদ নেই। এরই মধ্যে গ্রামের ১০-১২ জনকে সাপে কামড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান।

এলাকাবাসী নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন, মাসখানেক ধরে গ্রামে হঠাৎ বেড়েছে সাপের উপদ্রব। এতে তাদের অনেকটা নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে। আবার ক্ষেতে সাপ পাওয়ায় ফসল তোলার মানুষ পাওয়া যাচ্ছে না। এতে ক্ষেতেই ফসল নষ্ট হওয়ায় আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা।

তাদের অভিযোগ, স্থানীয় একটি খাল খননের সময় ঝোপ-জঙ্গল কেটে ফেলার পর সাপের উপদ্রব বেড়েছে।

সারোয়াতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন বলেন, ‘গ্রামে একটি প্রাচীন খাল ছিল। কৃষি জমিতে সেচের পানি সরবরাহ ঠিক রাখতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (বিএডিসি) খালটি খনন করছে। এর অংশ হিসেবে কয়েক মাস আগে তাদের গ্রামের পাশের রায়খালী খালপাড়ের জঙ্গল কেটে ফেলা হয়।

‘এরপর থেকে বিভিন্ন প্রজাতির সাপ কৃষি জমিতে, উঠানে, রাস্তায় ও বাড়িঘরে ঢুকে পড়ছে। চারদিকে সাপ আতঙ্ক বিরাজ করছে। অবশ্য আগের তুলনায় এখন কিছুটা কমে এসেছে। আমরা ব্যাপারটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।’

গ্রামের সব স্থানে মিলছে সাপ, আতঙ্ক

বাবুল চৌধুরী নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘রাতে ঘুমাতে গিয়ে ঘরের চাল থেকে বিছানায় পড়ে বিষধর এক সাপ। রাতভর ঘরের কেউ ঘুমাতে পারিনি।’

তাপস নামের এক শিক্ষার্থী বলে, ‘সকালে ঘুম থেকে উঠে পড়ার টেবিলে গিয়ে দেখি চেয়ারের নিচে ফনা তুলে আছে একটি সাপ। চিৎকার দিতেই বাড়ির অন্যরা ছুটে এসে পিটিয়ে মারার পর স্বস্তি পাই।’

আকবর হোসেন নামের এক কৃষক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জমিতে কাজ করছিলাম। হঠাৎ পেছন থেকে কী যেন কামড় দিল, বুঝতে পারিনি। পরে হাসপাতালে নেয়ার পর ডাক্তার বললেন বিষধর সাপে কামড়েছে। আট দিন হাসপাতালে ছিলাম। এখন ক্ষেতে যেতে ভয় পাচ্ছি। শুধু আমি না, সাপের ভয়ে এখন কেউ জমিতে নামতে চাচ্ছে না।’

দক্ষিণ সারোয়াতলীর স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সুরেষ চৌধুরী বলেন, ‘কৃষি জমির পাশাপাশি বাড়িঘরেও সাপ দেখা যাচ্ছে। এরই মধ্যে এখানকার ১০ থেকে ১২ জনকে সাপ কামড়েছে। কৃষকরা ধান কাটতে জমিতে যেতে ভয় পাচ্ছেন।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ জানান, আবাসস্থলে আঘাত আসার কারণেই সাপগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে যাচ্ছে। উষ্ণ স্থানে আশ্রয় পাওয়ার আশায় তারা এখন বাড়িঘরে ঢুকে পড়ছে।

বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুন নাহার জানান, তিনি খোঁজ নিয়েছেন। ওই এলাকার ঝোপ-জঙ্গল কাটা বন্ধ রাখতেও বলেছেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দেশে প্রতিবছর বর্ষায় প্রায় ৫ লাখ ৮০ হাজার মানুষ সাপের কামড়ের শিকার হন। এর মধ্যে অন্তত ৬ হাজার মানুষের মৃত্যু হয় বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০১৯ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
চুল কর্তন: দ্বিতীয় দিনের মতো অনশনে শিক্ষার্থীরা
চুল কর্তন: ফারহানার শাস্তি চেয়ে ফের আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা
শিক্ষার্থীদের চুল কর্তন: ফারহানার বক্তব্য ছাড়াই তদন্ত প্রতিবেদন
শিক্ষকের হাতে কাঁচি: সিসিটিভি ফুটেজে সময় কেন সন্ধ্যার?
‘শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে’ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধ শিথিল

শেয়ার করুন

ভোট না দেয়ায় ভিক্ষুককে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

ভোট না দেয়ায় ভিক্ষুককে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর ইউনিয়নের খৈয়রভাঙ্গা এলাকার শারীরিক প্রতিবন্ধী খলিল খান। ছবি: নিউজবাংলা

খলিল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শুক্রবার সকালে আমি মস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ডে ভিক্ষা করতে যাই। ভিক্ষা করেই আমার সংসার চলে। বাসস্ট্যান্ডে একা পেয়ে ওই সময় সোহরাব খানের সামনেই তার ভাই ও ভাইয়ের ছেলে দলবল নিয়ে আমার ওপর হামলা চালায়।’

মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জয়ী চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করেছেন শারীরিক প্রতিবন্ধী এক ভিক্ষুক।

নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে সমর্থন দেয়ায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে শনিবার রাতে সদর থানায় লিখিত অভিযোগটি দেন ভিক্ষুক খলিল খান। তার বাড়ি মস্তফাপুর ইউনিয়নের খৈয়রভাঙ্গা এলাকায়।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত ২৮ নভেম্বর মস্তফাপুর ইউনিয়নে ভোট হয়। নির্বাচনে আনারস প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন সোহরাব খান। আরেক স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মজিবর রহমান মোটরসাইকেল প্রতীকে পরাজিত হন।

নির্বাচনে মজিবরকে সমর্থন দেন ভিক্ষুক খলিল। এতেই ক্ষিপ্ত হয় শুক্রবার সকালে মস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ডে এলাকায় খলিলকে শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টা চালান সোহরাবের ভাই আনোয়োর খান ও তার ছেলে সজিব খানসহ বেশ কয়েকজন।

এ ঘটনায় খলিল নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে সদর মডেল থানায় অভিযোগ দেন।

খলিল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শুক্রবার সকালে আমি মস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ডে ভিক্ষা করতে যাই। ভিক্ষা করেই আমার সংসার চলে। বাসস্ট্যান্ডে একা পেয়ে ওই সময় সোহরাব খানের সামনেই তার ভাই ও ভাইয়ের ছেলে দলবল নিয়ে আমার ওপর হামলা চালায়। আমাকে সবাই মিলে মারধর করে।’

চেয়ারম্যান সোহরাব খান অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ভিক্ষুককে আমি মারধর কেন করব। আমি কিছু করিনি। তবে ওই ভিক্ষুকের সঙ্গে একটু ঝামেলা হয়েছিল, যা পুলিশের এসআই খসরুজ্জামান এসে মীমাংসা করে দিয়েছেন।’

মাদারীপুর সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, থানায় এ বিষয় অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার গোলাম মস্তফা রাসেল বলেন, ‘থানায় যদি অভিযোগ দেয়, তাহলে ঘটনার সঙ্গে যেই জড়িত হোক তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
চুল কর্তন: দ্বিতীয় দিনের মতো অনশনে শিক্ষার্থীরা
চুল কর্তন: ফারহানার শাস্তি চেয়ে ফের আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা
শিক্ষার্থীদের চুল কর্তন: ফারহানার বক্তব্য ছাড়াই তদন্ত প্রতিবেদন
শিক্ষকের হাতে কাঁচি: সিসিটিভি ফুটেজে সময় কেন সন্ধ্যার?
‘শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে’ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধ শিথিল

শেয়ার করুন

অসৌজন্যমূলক আচরণের দায়ে আ. লীগ নেতা বহিষ্কার

অসৌজন্যমূলক আচরণের দায়ে আ. লীগ নেতা বহিষ্কার

সাটুরিয়ার ধানকোড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হককে বহিষ্কার করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

সাটুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফাজ উদ্দিন জানান, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সদর উপজেলার পড়পাড়ায় দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে মতবিনিময় করেন। সেখানে আব্দুল মজিদ ফটোর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন আব্দুল হক।

মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুল মজিদ ফটোর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করায় সাটুরিয়া উপজেলার ধানকোড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হককে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রোববার দুপুরে সাটুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুল রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আফাজ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

শনিবার রাতে সাটুরিয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগ আব্দুল হককে বহিষ্কার করে।

বহিষ্কারপত্রে বলা হয়, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সাটুরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ ফটোর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করায় ধানকোড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হককে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সাটুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফাজ উদ্দিন জানান, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সদর উপজেলার পড়পাড়ায় দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে মতবিনিময় করেন। সেখানে আব্দুল মজিদ ফটোর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন আব্দুল হক।

তিনি জানান, রাতে সাটুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ আব্দুল হককে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।

এ বিষয়ে আব্দুল হক বলেন, ‘বহিষ্কারের আগে জেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা ঘটনার মীমাংসা করেছিলেন। তবু আব্দুল মজিদ ফটোর ব্যক্তিগত কারণে আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রাজনৈতিক কারণে নয়।’

আরও পড়ুন:
চুল কর্তন: দ্বিতীয় দিনের মতো অনশনে শিক্ষার্থীরা
চুল কর্তন: ফারহানার শাস্তি চেয়ে ফের আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা
শিক্ষার্থীদের চুল কর্তন: ফারহানার বক্তব্য ছাড়াই তদন্ত প্রতিবেদন
শিক্ষকের হাতে কাঁচি: সিসিটিভি ফুটেজে সময় কেন সন্ধ্যার?
‘শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে’ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধ শিথিল

শেয়ার করুন

৮ দফা দাবিতে দলিত সম্প্রদায়ের মানববন্ধন

৮ দফা দাবিতে দলিত সম্প্রদায়ের মানববন্ধন

রোববার দুপুরে মাগুরা প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী অধিকার আন্দোলন এবং দলিত সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন আয়োজিত মানববন্ধন। ছবি: নিউজবাংলা

ডা. তাসুকুজ্জামান বলেন, “জাত-পাত ও পেশাভিত্তিক বৈষম্য প্রতিরোধে প্রস্তাবিত ‘বৈষম্য বিলোপ আইন’ দ্রুত প্রণয়ন করতে হবে। সরকারি চাকরিতে দলিত জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা ব্যবস্থা চালু ও জাতীয় বাজেটে দলিত জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বরাদ্দসহ আট দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি।”

মাগুরায় বিশ্ব মর্যাদা দিবসে আট দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছেন দলিত সম্প্রদায়ের সদস্যরা।

রোববার দুপুরে মাগুরা প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী অধিকার আন্দোলন এবং দলিত সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন এ মানববন্ধনের আয়োজন করে ।

সমাবেশে জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা ডা. তাসুকুজ্জামান বলেন, “জাত-পাত ও পেশাভিত্তিক বৈষম্য প্রতিরোধে প্রস্তাবিত ‘বৈষম্য বিলোপ আইন’ দ্রুত প্রণয়ন করতে হবে। সরকারি চাকরিতে দলিত জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা ব্যবস্থা চালু ও জাতীয় বাজেটে দলিত জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বরাদ্দসহ আট দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি।”

মানববন্ধনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিডিআরএম জেলা শাখার আহ্বায়ক ও দলিত সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক উত্তম কুমার দাস মন্টুর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন অ্যাড. সঞ্জয় রায় চৌধুরী, শামীম শরীফ, যুগ্ম-আহবায়ক অসীত কুমার দাস, সুবোধ বাগচি, এস এম তামিম হাসান, দেবেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, মিন্টু কুমার দাস, কমলেশ চন্দ্র ঘোষ, প্রভাত কুমার বিশ্বাস ও অধ্যাপক তপন বিশ্বাস ।

মানববন্ধন ও সমাবেশে বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী অধিকার আন্দোলন এবং দলিত সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৪০ জন সদস্য অংশ নেয়।

আরও পড়ুন:
চুল কর্তন: দ্বিতীয় দিনের মতো অনশনে শিক্ষার্থীরা
চুল কর্তন: ফারহানার শাস্তি চেয়ে ফের আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা
শিক্ষার্থীদের চুল কর্তন: ফারহানার বক্তব্য ছাড়াই তদন্ত প্রতিবেদন
শিক্ষকের হাতে কাঁচি: সিসিটিভি ফুটেজে সময় কেন সন্ধ্যার?
‘শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে’ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধ শিথিল

শেয়ার করুন

এসপির ‘আপত্তিকর’ মন্তব্য: প্রত্যাহার চেয়ে স্মারকলিপি

এসপির ‘আপত্তিকর’ মন্তব্য: প্রত্যাহার চেয়ে স্মারকলিপি

জামালপুর জেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শোয়েব হোসেন জানান, শুক্রবার রাতে পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির (পুনাক) মেলা সম্পর্কে জানানোর জন্য সাংবাদিকদের ডাকেন এসপি নাছির। এ সময় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত না হওয়ায় এসপি ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের ধরে এনে পিটিয়ে চামড়া তুলে নেয়ার হুমকি দেন।

সাংবাদিকদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে হুমকির অভিযোগে জামালপুরের পুলিশ সুপারের প্রত্যাহার চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন জেলার সাংবাদিকরা।

জামালপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাফিজ রায়হান সাদার নেতৃত্বে সাংবাদিকরা প্রথমে রোববার দুপুর ১২টার দিকে সার্কিট হাউসে তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।

এরপর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে সমাবেশ করে পুলিশ সুপার নাছির উদ্দীন আহমেদের প্রত্যাহার চেয়ে বেলা ১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি জমা দেন সাংবাদিকরা।

এর আগে তারা নাছির উদ্দীন আহমেদের প্রত্যাহার চেয়ে শনিবার বেলা ১১টার দিকে শহরের দয়াময়ী চত্বরে মানববন্ধন করেন।

এতে যোগ দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম ও ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি।

মানববন্ধনে জামালপুর জেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শোয়েব হোসেন জানান, শুক্রবার রাতে পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির (পুনাক) মেলা সম্পর্কে জানানোর জন্য সাংবাদিকদের ডাকেন এসপি নাছির। এ সময় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত না হওয়ায় এসপি ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের ধরে এনে পিটিয়ে চামড়া তুলে নেয়ার হুমকি দেন।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য এসপিকে একাধিকবার কল দেয়া হলেও তিনি ধরেননি।

আরও পড়ুন:
চুল কর্তন: দ্বিতীয় দিনের মতো অনশনে শিক্ষার্থীরা
চুল কর্তন: ফারহানার শাস্তি চেয়ে ফের আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা
শিক্ষার্থীদের চুল কর্তন: ফারহানার বক্তব্য ছাড়াই তদন্ত প্রতিবেদন
শিক্ষকের হাতে কাঁচি: সিসিটিভি ফুটেজে সময় কেন সন্ধ্যার?
‘শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে’ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধ শিথিল

শেয়ার করুন

৬ ‘জঙ্গির’ নামে মামলা, প্রধান আসামি পলাতক

৬ ‘জঙ্গির’ নামে মামলা, প্রধান আসামি পলাতক

মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে সোনারায় ইউনিয়নের মাঝাপাড়া গ্রামের পুটিহারী এলাকার শরিফুল ইসলাম শরিফকে। তিনি পলাতক আছেন।

নীলফামারীতে ছয় ‘জঙ্গির’ নামে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে র‌্যাব।

রোববার সকাল ১০টার দিকে মামলাটি হয়। মামলার বাদী হয়েছেন র‌্যাব-১৩ রংপুরের উপসহকারী পরিচালক (ডিএডি) আব্দুল কাদের।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নীলফামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউপ।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে সোনারায় ইউনিয়নের মাঝাপাড়া গ্রামের পুটিহারী এলাকার শরিফুল ইসলাম শরিফকে।

মামলায় অন্য আসামিরা হলেন জঙ্গিবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার সোনারায় ইউনিয়নের তেলিপাড়া উত্তর মুশরত কুখাপাড়া এলাকার জাহিদুল ইসলাম ও তার ভাই অহিদুল ইসলাম, সংগলশী ইউনিয়নের বালাপাড়া এলাকার আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে সুজা, চড়াইখোলা ইউনিয়নের বন্দর চড়াইখোলা গ্রামের ওয়াহেদ আলী ও সোনারায় ভবানীমোড় এলাকার রজব আলীর ছেলে ও তেলিপাড়া জামে মসজিদের ইমাম নূর আমিন।

র‌্যাব-১৩ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মাহমুদ বশির আহমেদ জানান, জঙ্গিবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়ার পাঁচ জেএমবি সদস্যকে নীলফামারী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জেএমবির সামরিক শাখার সক্রিয় সদস্য। তারা বোমা তৈরি করেছিলেন।

তিনি জানান, প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং আর কারা জড়িত আছেন তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

ওসি আব্দুর রউপ বলেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ছয় জনের নামে মামলাটি করে র‌্যাব। এতে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ছয়জনকে আসামি হিসেবে রাখা হয়েছে।

গ্রেপ্তার আসামিদের আদালতে তোলা হবে এবং আদালতের নির্দেশে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সোনারায় ইউনিয়নের মাঝাপাড়া পুটিহারী এলাকায় শনিবার সকালে শরিফুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বোমা তৈরির সরঞ্জাম, পিস্তল, দেশীয় অস্ত্র এবং গুলি উদ্ধার করে র‌্যাবের বম্ব ডিজপোজাল ইউনিটের সদস্যরা।

আরও পড়ুন:
চুল কর্তন: দ্বিতীয় দিনের মতো অনশনে শিক্ষার্থীরা
চুল কর্তন: ফারহানার শাস্তি চেয়ে ফের আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা
শিক্ষার্থীদের চুল কর্তন: ফারহানার বক্তব্য ছাড়াই তদন্ত প্রতিবেদন
শিক্ষকের হাতে কাঁচি: সিসিটিভি ফুটেজে সময় কেন সন্ধ্যার?
‘শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে’ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধ শিথিল

শেয়ার করুন