‘বিয়েতে গড়িমসি’, প্রেমিকের জিহ্বা কর্তন

‘বিয়েতে গড়িমসি’, প্রেমিকের জিহ্বা কর্তন

গ্রামবাসীর বরাতে পুলিশ জানায়, সাইফুলের সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রেম ওই তরুণীর। নানা অজুহাতে বিয়ে পেছাচ্ছিলেন তিনি। এতে ক্ষুব্ধ ছিলেন তরুণী। শনিবার সকালে সাইফুলকে নিজের বাড়িতে ডাকেন। একপর্যায়ে ব্লেড দিয়ে দ্বিখণ্ডিত করেন জিহ্বা।

ঢাকার ধামরাইয়ে বিয়েতে কালক্ষেপণ করায় প্রেমিকের জিহ্বা দ্বিখণ্ডিত করার অভিযোগ উঠেছে এক তরুণীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় হওয়া মামলায় ওই তরুণীকে তার পরিবারের তিন সদস্যসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আহত যুবক হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

উপজেলার রোয়াইল ইউনিয়নের ফড়িঙ্গা গ্রামে অভিযুক্ত তরুণীর বাড়িতে শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহত যুবকের নাম সাইফুল ইসলাম। ওই তরুণী ও সাইফুল একই গ্রামের বাসিন্দা।

সাইফুলের পরিবারের করা মামলায় শনিবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার হয়েছেন তরুণী, তার বাবা, মা ও ভাই। তাদের রোববার আদালতে তোলা হবে।

নিউজবাংলাকে এসব নিশ্চিত করেছেন ধামরাই থানার পরিদর্শক (অপারেশন) নির্মল কুমার দাশ।

গ্রামবাসীর বরাতে তিনি জানান, সাইফুলের সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রেম ওই তরুণীর। নানা অজুহাতে বিয়ে পেছাচ্ছিলেন তিনি। এতে ক্ষুব্ধ ছিলেন তরুণী।

শনিবার সকালে সাইফুলকে নিজের বাড়িতে ডাকেন তরুণী। একপর্যায়ে ব্লেড দিয়ে দ্বিখণ্ডিত করেন জিহ্বা।

এরপর তরুণীর পরিবার যুবককে বেধড়ক পেটান। সাইফুল নিস্তেজ হয়ে পড়লে তাকে মৃত ভেবে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান সবাই।

নির্মল কুমার দাশ বলেন, ‘ স্থানীয়রা টের পেয়ে সাইফুলকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করে। খবর পেয়ে পুলিশ তরুণীর বাড়ি থেকে খণ্ডিত জিহ্বা উদ্ধার করে। এদিন সন্ধ্যার দিকে ফড়িঙ্গা গ্রামে অভিযান চালিয়ে তরুণী ও তার পরিবারের তিন সদস্যকে আটক করা হয়। এর কিছু সময় পর মামলা করে সাইফুলের পরিবার।’

আরও পড়ুন:
বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পায়ের রগ কেটে নির্যাতন
রাতের আঁধারে ১৬ বিঘা জমির ফসল কর্তন
যুবকের পায়ের রগ কাটা মরদেহ উদ্ধার
পুরুষাঙ্গ কেটে নিল স্ত্রী
হত্যাচেষ্টা মামলায় নারী ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কৃষক হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন

কৃষক হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এমদাদুল হক জানান, ২০১৬ সালে সদর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের মফি শেখ তার ছেলেকে নিয়ে উপবৃত্তির টাকা তুলতে যান। ফেরার পথে তার ওপর হামলা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মফির মৃত্যু হয়।

নড়াইলে কৃষক হত্যা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুন্সী মো. মসিয়ার রহমান মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এমদাদুল হক নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ২০১৬ সালে সদর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের মফি শেখ তার ছেলেকে নিয়ে উপবৃত্তির টাকা তুলতে যান। ফেরার পথে তার ওপর হামলা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মফির মৃত্যু হয়।

বিস্তারিত আসছে...

আরও পড়ুন:
বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পায়ের রগ কেটে নির্যাতন
রাতের আঁধারে ১৬ বিঘা জমির ফসল কর্তন
যুবকের পায়ের রগ কাটা মরদেহ উদ্ধার
পুরুষাঙ্গ কেটে নিল স্ত্রী
হত্যাচেষ্টা মামলায় নারী ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

রাঙ্গামাটিতে গুলিতে নিহত জেএসএস কমান্ডার

রাঙ্গামাটিতে গুলিতে নিহত জেএসএস কমান্ডার

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তাপস রঞ্জন ঘোষ জানান, নিহত আবিষ্কার চাকমার বাড়ি বাঘাইছড়ি উপজেলার সারোয়াতলী ইউনিয়নের শিজক এলাকায়। কীভাবে এ ঘটনা ঘটেছে তার বিস্তারিত তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।

রাঙ্গামাটি সদর উপজেলায় সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) এক কমান্ডারকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

উপজেলার বন্দুকভাঙা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কিচিং আদাম এলাকায় মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আবিষ্কার চাকমার বাড়ি বাঘাইছড়ি উপজেলার সারোয়াতলী ইউনিয়নের শিজক এলাকায়।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তাপস রঞ্জন ঘোষ নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘কীভাবে এ ঘটনা ঘটেছে তার বিস্তারিত তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে রওনা দিয়েছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।’

আরও পড়ুন:
বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পায়ের রগ কেটে নির্যাতন
রাতের আঁধারে ১৬ বিঘা জমির ফসল কর্তন
যুবকের পায়ের রগ কাটা মরদেহ উদ্ধার
পুরুষাঙ্গ কেটে নিল স্ত্রী
হত্যাচেষ্টা মামলায় নারী ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

‘যারা আমাকে বিধবা করল আল্লাহ তাদের শাস্তি দেবেন’

‘যারা আমাকে বিধবা করল আল্লাহ তাদের শাস্তি দেবেন’

নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত বিজিবি সদস্য রুবেল হোসেন মণ্ডল। ছবি: নিউজবাংলা

রুবেলের ভায়রা ভাই আবদুর রশিদ বলেন, ‘পিটিয়ে মারছে কি না তা বলতে পারব না। তবে বিজিবি যে ভাষ্য এখানে দিছে তা হলো, গলায় গুলি লাগছে। পোস্টমর্টেম বা কাটাকাটি যে করছে আমরা তার প্রমাণ পাইছি। লাশের গলায় কাফনের কাপড় প্যাঁচায়ে রাখা ছিল।’

বাবা, মা, স্ত্রী আর দুই সন্তান নিয়ে ছিল রুবেল হোসেন মণ্ডলের সংসার। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শেষে সহিংসতায় রুবেলের মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না কেউই। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষটিকে হারিয়ে বাকি সদস্যরা এখন দিশেহারা।

২০০৩ সালের ডিসেম্বরে বিজিবিতে যোগ দেন রুবেল। নীলফামারী-৫৬ বিজিবির ল্যান্স নায়েক রুবেলের বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের বেইগুনি গ্রামে।

গ্রামের বাড়িতেই থাকেন কৃষক বাবা নজরুল ইসলাম, মা রুলি বেগম, স্ত্রী জেসমিন বেগম এবং দুই সন্তান রাফিহুর রহমান ও রাফিয়া আকতার রিয়া।

২৮ নভেম্বর নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের গাড়াগ্রাম ইউপি নির্বাচনের ফল ঘোষণা শেষে পশ্চিম দলিরাম মাঝাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাতীয় পার্টির পরাজিত প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মারুফ হোসেন অন্তিকের সমর্থকরা হামলা চালায়। হামলায় রুবেল নিহত হন বলে অভিযোগ ওঠে।

মোবাইলে কথা হয় রুবেলের স্ত্রী জেসমিন বেগমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘কীভাবে সে মারা গেল এখনও জানতে পারি নাই। কেউ বলে গুলিতে মরছে। কেউ বলে ডাংগে (পিটিয়ে) মারছে।

‘বিজিবির সদস্যরা বাড়িত লাশ আনছে। সন্ধ্যায় পারিবারিক কবরস্থানে মাটি হইছে। এখন আমার ছেলেমেয়েকে দেখবে কে? আমরা চলব কীভাবে?’

এতটুকু বলার পর কিছুক্ষণ থেমে জেসমিন আবার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি আমার স্বামীর হত্যাকারীদের বিচার চাই। যারা আমাকে বিধবা করল আল্লাহ তাদের শাস্তি দেবেন।’

রুবেলের ১২ বছরের ছেলে রাফিহুর স্থানীয় একটি স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে আর ১০ বছরের মেয়ে রিয়া পড়ে পঞ্চম শ্রেণিতে।

বাবার মৃত্যুর খবর শোনার পর থেকে দুই সন্তানই কেঁদে যাচ্ছে।

রুবেলের বাবা নজরুল ইসলামের প্রশ্ন, ‘ছেলেটাক ওমরা (তারা) কীসক (কেন) মারল? ওর কী দোষ?’

মায়ের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলে রুলি বেগম কিছুই বলতে পারেননি। শুধু কাঁদছিলেন।

রুবেলের হত্যার ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা হবে না বলে জানানো হয়েছে। সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় মৃত্যু হওয়ায় বিজিবির পক্ষ থেকে মামলা হবে বলে জানানোয় তাদের এই সিদ্ধান্ত।

মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে রুবেলের ভায়রা ভাই আবদুর রশিদ বলেন, ‘পিটিয়ে মারছে কি না তা বলতে পারব না। তবে বিজিবি যে ভাষ্য এখানে দিছে তা হলো, গলায় গুলি লাগছে। পোস্টমর্টেম বা কাটাকাটি যে করছে আমরা তার প্রমাণ পাইছি। লাশের গলায় কাফনের কাপড় প্যাঁচায়ে রাখা ছিল।’

তবে কার গুলিতে মৃত্যু হয়েছে তা নিশ্চিত নন রশিদ। তিনি বলেন, ‘পুলিশের গুলিতেও হতে পারে, বিজিবির গুলিতেও হতে পারে। আবার আর কেউও গুলি করতে পারে। তবে গুলিতেই যে মারা গেছেন এটা সত্যি।

‘ডিফেন্সের যে পলিসি আছে সে মোতাবেক কিছু টাকা, দাফনের অর্থ আর চাল-ডাল পেয়েছি। বিজিবিই মামলা করবে বলেছে। তাই পরিবার কোনো মামলা করবে না।’

শালমারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমির হোসেন শামীম জানান, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রুবেলের দাফন হয়েছে। জানাজায় পরিবার, প্রতিবেশী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেয়।

চেয়ারম্যান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রুবেলের পরিবার একেবারে অসহায় হয়ে গেল। তার অর্থেই পুরো পরিবার চলত। পরিবারটাকে এখন কে দেখবে?’

নির্বাচনি সহিংসতায় বিজিবি সদস্য নিহতের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আটজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নীলফামারী পুলিশ।

আরও পড়ুন:
বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পায়ের রগ কেটে নির্যাতন
রাতের আঁধারে ১৬ বিঘা জমির ফসল কর্তন
যুবকের পায়ের রগ কাটা মরদেহ উদ্ধার
পুরুষাঙ্গ কেটে নিল স্ত্রী
হত্যাচেষ্টা মামলায় নারী ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

স্কুল শিক্ষককে বাস থেকে ফেলে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩

স্কুল শিক্ষককে বাস থেকে ফেলে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩

স্কুল শিক্ষককে বাস থেকে ফেলে হত্যাচেষ্টা। ছবি: নিউজবাংলা

র‍্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট নিয়াজ মোহাম্মদ চপল বলেন, ‘২৭ তারিখ দুপুরে অক্সিজেন থেকে ৮ নম্বর বাসে করে পিটিআই যাওয়ার পথে পুরাতন স্টেশন এলাকায় তাকে বাস থেকে ফেলে হত্যাচেষ্টা করা হয়। এই ঘটনায় মূল আসামিসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার পুরাতন রেলস্টেশন এলাকায় বাস থেকে ফেলে স্কুলশিক্ষককে হত্যাচেষ্টা মামলায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন- র‍্যাব।

চট্টগ্রামে বাস ভাড়া নিয়ে তর্কের জেরে রহমত উল্লাহ নামের ওই স্কুলশিক্ষককে বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে পায়ের ওপর দিয়ে বাস চালিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠে।

গত শনিবার বেলা ২টার দিকে নগরীর বড়তল রেলস্টেশন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

আহত রহমত উল্লাহ নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন হাবিবুল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিউজবাংলাকে মঙ্গলবার সকালে নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট নিয়াজ মোহাম্মদ চপল।

তিনি বলেন, ‘২৭ তারিখ দুপুরে অক্সিজেন থেকে ৮ নম্বর বাসে করে পিটিআই যাওয়ার পথে পুরাতন স্টেশন এলাকায় তাকে বাস থেকে ফেলে হত্যাচেষ্টা করা হয়। এই ঘটনায় মূল আসামিসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।’

আহত রহমত উল্লাহর সহকর্মী মো. মিজাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তিনি নগরীর অক্সিজেন থেকে ৮ নম্বর বাসে করে সদরঘাট পিটিআইয়ে (প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট) যাচ্ছিলেন। তবে নামার সময় ভাড়া নিয়ে চালকের সহকারীর সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। তিনি বটতল এলাকায় নেমে যেতে চাইলেও তাকে পুরাতন রেলস্টেশন এলাকায় নিয়ে যান চালক। পরে তাকে ধাক্কা মেরে চলন্ত বাস থেকে ফেলে দেন চালকের সহকারী। এরপর পায়ের ওপর দিয়েই বাস চালিয়ে দেন চালক। এতে তার হাত, পা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে মারাত্মক জখম হয়।’

আরও পড়ুন:
বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পায়ের রগ কেটে নির্যাতন
রাতের আঁধারে ১৬ বিঘা জমির ফসল কর্তন
যুবকের পায়ের রগ কাটা মরদেহ উদ্ধার
পুরুষাঙ্গ কেটে নিল স্ত্রী
হত্যাচেষ্টা মামলায় নারী ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা: তিনজন গুলিবিদ্ধসহ আহত ২০

নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা: তিনজন গুলিবিদ্ধসহ আহত ২০

পুলিশ জানায়, ২৮ নভেম্বর কেন্দুয়া ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মো. রায়হান জয়ী হন। পরাজয়ের পর সোমবার সন্ধ্যায় প্রতিন্দ্বন্দ্বী প্রার্থী সাগর মিয়ার সমর্থকরা রায়হানের সমর্থকদের বাড়িতে হামলা, লুটপাট চালান ও আগুন দেন। এরপর দুই পক্ষের লোকজনের সংঘর্ষ শুরু হলে তিনজন গুলিবিদ্ধসহ ২০ জন আহত হন।

মাদারীপুর সদরে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় তিনজন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের তালতলা গ্রামে সোমবার সন্ধ্যা থে‌কে রাত ৯টা পর্যন্ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধরা হলেন দত্ত কেন্দুয়া গ্রা‌মের বাবুল মজুমদার, মো. কুদ্দুস ও মো. কায়সার।

পুলিশ জানায়, ২৮ নভেম্বর কেন্দুয়া ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মো. রায়হান জয়ী হন। পরাজয়ের পর সোমবার সন্ধ্যায় প্রতিন্দ্বন্দ্বী প্রার্থী সাগর মিয়ার সমর্থকরা রায়হানের সমর্থকদের বাড়িতে হামলা, লুটপাট চালান ও আগুন দেন।

এরপর দুই পক্ষের লোকজনের সংঘর্ষ শুরু হলে তিনজন গুলিবিদ্ধসহ ২০ জন আহত হন।

আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। সেখান থেকে গুলিবিদ্ধদের ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মু‌জিবুর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সংঘর্ষের ঘটনায় এখনও কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।’

এর আগে সোমবার বিকেলে মস্তফাপুর ইউনিয়নের চাপাতলী গ্রামের করিম বাজার এলাকায় সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে জয়ী হাসিয়া বেগমের এক সমর্থকের বাড়িতে পরাজিত সুফিয়া বেগমের লোকজনের হামলার অভিযোগ ওঠে।

হাসিয়ার সমর্থক আনোয়ার মাতুব্বরের অভিযোগ, সুফিয়ার সমর্থকরা তার বাড়িঘর ভাঙচুর করে টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছেন। হামলায় আহত হয়েছেন তার স্ত্রীসহ পরিবারের পাঁচ সদস্য।

মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) গোলাম মোস্তফা রাসেল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থান নিয়েছি। কোথাও সংঘর্ষের খবর পেলে দ্রুত সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। কোনোভাবেই কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।’

আরও পড়ুন:
বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পায়ের রগ কেটে নির্যাতন
রাতের আঁধারে ১৬ বিঘা জমির ফসল কর্তন
যুবকের পায়ের রগ কাটা মরদেহ উদ্ধার
পুরুষাঙ্গ কেটে নিল স্ত্রী
হত্যাচেষ্টা মামলায় নারী ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

১২টি স্বর্ণের বারসহ আটক ১

১২টি স্বর্ণের বারসহ আটক ১

১২টি স্বর্ণের বারসহ একজনকে আটক করেছে বিজিবি। ছবি: নিউজবাংলা

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোনা চোরাচালানের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে জীবননগর উপজেলার মেদিনীপুর গ্রামের খালপাড়া ব্রিজে অভিযান চালানো হয়। এ সময় দুইজন পালিয়ে গেলেও শাহাবুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি কৌশলে মোটরসাইকেলে করে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে চোরাচালানের সময় অভিযান চালিয়ে ১২টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ- বিজিবি। এ সময় আটক করা হয় এক চোরাকারবারিকে।

ঝিনাইদহ মহেশপুর-৫৮ ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম খান সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বর্ণ চোরাচালানের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে জীবননগর উপজেলার মেদিনীপুর গ্রামের খালপাড়া ব্রিজে অভিযান চালানো হয়। এ সময় দুইজন পালিয়ে গেলেও শাহাবুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি কৌশলে মোটরসাইকেলে করে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়।

পরে তাকে তল্লাশি করে শার্টের পকেট ও প্যান্টের দুই পকেটে অভিনব কায়দায় স্কচস্টেপ দিয়ে আটকানো ৩টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়।

প্যাকেটের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় ১২টি স্বর্ণের বার। উদ্ধার হওয়া বারের ওজন ১ কেজি ৩৯৭ গ্রাম। যার আনুমানিক মূল্য ৮৬ লাখ টাকা।

নজরুল ইসলাম খান জানান, আটক শাহাবুল ইসলাম জীবননগর উপজেলার মেদিনীপুর গ্রামের বাসিন্দা। জব্দকৃত স্বর্ণসহ আটক শাহাবুল ইসলামসহ পলাতক ওয়াসিম মিয়া ও রাশেদ আলীর বিরুদ্ধে জীবননগর থানায় মামলা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পায়ের রগ কেটে নির্যাতন
রাতের আঁধারে ১৬ বিঘা জমির ফসল কর্তন
যুবকের পায়ের রগ কাটা মরদেহ উদ্ধার
পুরুষাঙ্গ কেটে নিল স্ত্রী
হত্যাচেষ্টা মামলায় নারী ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

দাম বাড়ায় গ্যাস ছেড়ে কাঠে রান্না

দাম বাড়ায় গ্যাস ছেড়ে কাঠে রান্না

এলপিজির দাম বেড়ে যাওয়ায় মাগুরায় রান্না-বান্নায় বেড়েছে লাকড়ির চাহিদা। ছবি: নিউজবাংলা

একজন গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রেতা বলেন, ‘১০০ জনের মধ্যে এখন গ্যাস নিচ্ছেন ৪০ থেকে ৫০ জন। চার মাস আগেও আমরা ১২ কেজির একটি গ্যাস সিলিন্ডার ৮৩০ টাকায় বিক্রি করেছি। তখন ভ্যানওয়ালা থেকে শুরু করে নিম্ন আয়ের মানুষ রান্না করতেন গ্যাসে। এখন তারা তো নেয়ই না, মধ্যবিত্তরাও গ্যাস নিচ্ছে না।’

মাহফুজা শান্তা আক্ষেপ করে বললেন, ‘গত চার মাসে এলপিজি গ্যাস ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের দাম ৮৫০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৩৫০ টাকা। মাসে দুটি সিলিন্ডারে বাড়তি খরচ যোগ হয়েছে ১ হাজার টাকা। সঙ্গে খাবারের দাম তো বেড়েই চলেছে। হাজার বিশেক টাকার বেতনে পোষায় না। তাই জ্বালানি গ্যাস বাদ দিয়ে সিমেন্টের রেডিমেড চুলা বসিয়ে খড়ি দিয়ে রান্না শুরু করেছি।’

মাগুরায় একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন শান্তা। ছয়জনের পরিবার তার আয়ের ওপরই মূলত নির্ভরশীল। স্বামীর স্বল্প আয়ে পরিবারের খরচ মেটে না।

মাগুরায় একটি বেসরকারি সংস্থায় (এনজিও) চাকরি করেন বিল্লাল মুন্সি। তিনি বলেন, ‘আমার যে বেতন, তা দিয়ে সাতজনের পরিবারে হেসেখেলে চলে যেত। ছয় মাস আগেও আজকের মতো পরিস্থিতি হয়নি। মাস শেষ না হতেই বাকি আর ধার করে সংসার চলছে। বাজারে আগুন লেগেছে চাল, ডাল, তেলসহ প্রতিটি জিনিসের। রান্না করব সেই গ্যাসের দামও অনেক বেশি। তাই খরচ সীমিত করে বাড়িতে চুলায় রান্না শুরু হয়েছে। খড়ি কিনেছি ৫ মণ। হয়তো অনেকটা পোষাতে পারব।’

কলেজশিক্ষক আফজাল হোসেনও গ্যাসের চুলা সরিয়ে রেখেছেন। তিন মাস ধরে মাটির চুলাতেই রান্নাবান্না চলছে তার বাসায়। ধোঁয়ার যন্ত্রণা হলেও খরচ কিছুটা কমেছে।

গত চার মাস ধরে দফায় দফায় বেড়েছে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম। বাড়িতে ব্যবহৃত ১২ কেজি একটি সিলিন্ডারের দাম সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ৩১৩ টাকা থাকলেও বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২৯০ থেকে ১ হাজার ৩৪০ টাকায়। গ্যাস বিক্রেতারা বলছেন, কমে গেছে সিলিন্ডারের চাহিদা।

মাগুরা গ্যাস হাউস নামে এক গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির দোকানের মালিক মাহমুদুল হক স্বাক্ষর বলেন, ‘১০০ জনের মধ্যে এখন গ্যাস নিচ্ছেন ৪০ থেকে ৫০ জন। চার মাস আগেও আমরা ১২ কেজির একটি গ্যাস সিলিন্ডার ৮৩০ টাকায় বিক্রি করেছি। তখন ভ্যানওয়ালা থেকে শুরু করে নিম্ন আয়ের মানুষ রান্না করতেন গ্যাসে। এখন তারা তো নেয়ই না, মধ্যবিত্তরাও গ্যাস নিচ্ছে না।’

নতুন বাজার এলাকার জ্বালানি কাঠ ব্যবসায়ী নির্মল কুমার জানান, গত কয়েক মাসে কাঠের চাহিদা কয়েক গুণ বেড়েছে। প্রতি মণ জ্বালানি কাঠ বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১৬০ টাকায়। এখন দিনরাত কাঠ জোগাড় করতে হচ্ছে তাকে।

তিনি বলেন, ‘মাস চারেক আগেও বিক্রি হতো না কাঠ। বেকার বসে থাকতাম দোকানে। এখন অবস্থাপন্ন মানুষও দেখছি খড়ি কিনতে আসছেন।’

নতুন বাজারের এলপিজি গ্যাসের পরিবেশক উত্তম কুমার বলেন, ‘গ্যাস কয়েক মাস আগেও নিম্ন আয়ের মানুষের বাড়িতে ব্যবহার হয়েছে। এখন দাম বাড়ায় তারা নিতে চাইছেন না। দাম কমলে লোকে আবার নিয়মিত গ্যাস নেবেন বলে আমাকে জানিয়েছেন।’

আরও পড়ুন:
বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পায়ের রগ কেটে নির্যাতন
রাতের আঁধারে ১৬ বিঘা জমির ফসল কর্তন
যুবকের পায়ের রগ কাটা মরদেহ উদ্ধার
পুরুষাঙ্গ কেটে নিল স্ত্রী
হত্যাচেষ্টা মামলায় নারী ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন