চুল কর্তন: ফারহানার শাস্তি চেয়ে ফের আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা

চুল কর্তন: ফারহানার শাস্তি চেয়ে ফের আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা

শিক্ষার্থীদের চুল কাটায় অভিযুক্ত শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন বাতেন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকার অফিসে শুক্রবার বিকেলে সিন্ডিকেট বৈঠক হয়। টানা তিন ঘণ্টা বৈঠকের পরও ফারহানার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি সিন্ডিকেট। বিষয়টি জানার পর অনশন কর্মসূচি ও লাগাতার আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের চুল কেটে দেয়া শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ছাড়াই রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট বৈঠক মুলতবি করা হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ফের আন্দোলনে নেমেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকার অফিসে শুক্রবার বিকেলে সিন্ডিকেট বৈঠক হয়। টানা তিন ঘণ্টা বৈঠকের পরও ফারহানার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি সিন্ডিকেট।

বিষয়টি জানার পর সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের কান্দাপাড়ায় বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনিক ভবনের সামনে অপেক্ষমাণ শিক্ষার্থীরা জরুরি বৈঠক করে ফের আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নেন। তারা অনশন কর্মসূচি ও লাগাতার আন্দোলনের ঘোষণা দেন।

শিক্ষার্থীরা দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে শাহজাদপুরের কান্দাপাড়ার প্রশাসনিক ভবনের সামনে অনশন এবং বিসিক বাসস্ট্যান্ড এলাকার শাহজাদপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের একাডেমিক ভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি শুরু করেন।

এতে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।

চুল কর্তন: ফারহানার শাস্তি চেয়ে ফের আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেয়ার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে রবীন্দ্র উপাচার্য ও ট্রেজারার আব্দুল লতিফের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। এরপর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে শুক্রবার বিকেলে ঢাকা অফিসে সিন্ডকেট বৈঠক ডাকেন ভিসি। বৈঠক হলেও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এ বিষয়ে আন্দোলনকারীদের পক্ষে শিক্ষার্থী শামীম হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শুক্রবারের সিন্ডিকেট বৈঠকে শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনকে স্থায়ীভাবে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত আশা করেছিলাম, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে আমাদের পরীক্ষার হলে ফিরে যেতে বলে। আমরা তাদের এ আদেশ গ্রহণ না করে শিক্ষিকা ফারহানার স্থায়ী বরখাস্ত না হওয়া পর্যন্ত আবারও আন্দোলন শুরু করেছি।’

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও ট্রেজারার আব্দুল লতিফ এবং রেজিস্ট্রার সোহরাব আলী জানান, শুক্রবার সিন্ডিকেট সভায় কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। কিছু মতভেদের কারণে পরবর্তী সময়ে আবার বৈঠক হবে। এখন আবার ছাত্ররা আন্দোলন শুরু করেছে।

চুল কর্তন: ফারহানার শাস্তি চেয়ে ফের আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা

২৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের প্রথম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষার হলে ঢোকার সময় বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী প্রক্টর ফারহানা ইয়াসমিন বাতেন দরজায় কাঁচি হাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন। শিক্ষার্থীরা হলে ঢোকার সময় যাদের মাথার চুল হাতের মুঠোর মধ্যে ধরা যায়, তাদের সামনের অংশের বেশ খানিকটা কেটে দেন তিনি। এভাবে ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেন ওই শিক্ষক।

ওই ঘটনা নিয়ে শিক্ষার্থীরা ফেসবুকে পোস্ট দিলে বিষয়টি ভাইরাল হয়। বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। শিক্ষক ফারহানার শাস্তির দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। এ নিয়ে দফায় দফায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বৈঠক হয়। মীমাংসা না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা বর্জনের সিদ্ধান্ত নেন।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ফারহানা ইয়াসমিন শিক্ষার্থীদের গালাগালি করে পরীক্ষার হলে যেতে বাধ্য করেন। এর প্রতিবাদ করলে নাজমুল হাসান তুহিন নামের প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে গালাগালি করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের হুমকি দেন।

ওই ঘটনার পর ‘অপমান সইতে না পেরে’ তুহিন রাতে দ্বারিয়াপুরের শাহ মখদুম ছাত্রাবাসের নিজ কক্ষে দরজা আটকে ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। সহপাঠীরা বিষয়টি টের পেয়ে তাকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ঘটনার পর থেকে শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনের শাস্তির দাবিতে দফায় দফায় আন্দোলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের চুল কর্তন: ফারহানার বক্তব্য ছাড়াই তদন্ত প্রতিবেদন
শিক্ষকের হাতে কাঁচি: সিসিটিভি ফুটেজে সময় কেন সন্ধ্যার?
‘শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে’ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধ শিথিল
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে তালা
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ নয়, পরীক্ষা স্থগিত

শেয়ার করুন

মন্তব্য

রাবনাবাদ নদী‌তে ভাস‌ছিল নবজাতকের মরদেহ

রাবনাবাদ নদী‌তে ভাস‌ছিল নবজাতকের মরদেহ

খেয়াঘাট এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি এমআর শওকত আ‌নোয়ার হো‌সেন জানান, রাবনাবাদ নদীতে খেয়া পারাপা‌রের সময় সকাল ১০টার দিকে লাল রঙের এক‌টি ওড়নায় পেঁচা‌নো মরদেহটি ভাসতে দেখে যাত্রীরা। প‌রে তারা পুলিশকে খবর দেয়।

পটুয়াখালীর গলাচিপায় রাবনাবাদ নদীর পাড় থেকে ওড়নায় পেঁচানো নবজাতেকর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পৌর শহরের খেয়াঘাট এলাকা থেকে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন গলা‌চিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমআর শওকত আ‌নোয়ার হো‌সেন।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, রাবনাবাদ নদীতে খেয়া পারাপা‌রের সময় সকাল ১০টার দিকে লাল রঙের এক‌টি ওড়নায় পেঁচা‌নো মরদেহটি ভাসতে দেখে যাত্রীরা। প‌রে তারা পুলিশকে খবর দেয়।

পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেয়। ধারণা করা হচ্ছে, রাতের কোনো এক সময় ওই নবজাতককে রাবনাবাদ নদীতে ফেলে দেয়া হয়েছে। পরে ভাসতে ভাসতে মরদেহটি খেয়াঘাট এলাকায় এসে পৌঁছায়।

ওসি জানান, মরদেহ উদ্ধার করে পটুয়াখালী মে‌ডি‌ক্যাল ক‌লেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়‌টি খ‌তি‌য়ে দেখা হ‌চ্ছে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের চুল কর্তন: ফারহানার বক্তব্য ছাড়াই তদন্ত প্রতিবেদন
শিক্ষকের হাতে কাঁচি: সিসিটিভি ফুটেজে সময় কেন সন্ধ্যার?
‘শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে’ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধ শিথিল
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে তালা
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ নয়, পরীক্ষা স্থগিত

শেয়ার করুন

খাটের নিচে ইয়াবা, কারাগারে গৃহকর্তা

খাটের নিচে ইয়াবা, কারাগারে গৃহকর্তা

র‍্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) নিয়াজ মোহাম্মদ চপল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আনোয়ারার রায়পুরে মাদক কেনাবেচার খবরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় আব্দুল মান্নান দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে তার তথ্যে নিজ ঘরের খাটের নিচ থেকে দুটি কালো পলিথিনে রাখা ১ লাখ ২৮ হাজার ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা।’

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় এক ব্যক্তির বাসার খাটের নিচ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে র‍্যাব। এ ঘটনায় করা মামলায় পুলিশ তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা জজ আদালতের মাধ্যমে আব্দুল মান্নানকে শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কারাগারে পাঠানো হয়।

উপজেলার রায়পুর এলাকা থেকে শুক্রবার সকাল সোয়া ১১ টার দিকে তাকে আটক করা হয়। ওইদিন র‍্যাব বাদী হয়ে তার নামে মামলা করলে তাকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

গ্রেপ্তার আব্দুল মান্নান একই উপজেলার খোদ্দগহিরা এলাকার বাসিন্দা।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম দিদারুল ইসলাম শিকদার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তার নামে র‍্যাব মামলা করেছে। তাকে চট্টগ্রাম জেলা জজ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

র‍্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) নিয়াজ মোহাম্মদ চপল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আনোয়ারার রায়পুরে মাদক কেনাবেচার খবরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় আব্দুল মান্নান দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে তার তথ্যে নিজ ঘরের খাটের নিচ থেকে দুটি কালো পলিথিনে রাখা ১ লাখ ২৮ হাজার ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা।’

তিনি জানান, প্রথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, মান্নান বেশ কিছুদিন ধরে মিয়ানমার থেকে সাগরপথে ইয়াবা এনে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সরবারহ করছিল।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের চুল কর্তন: ফারহানার বক্তব্য ছাড়াই তদন্ত প্রতিবেদন
শিক্ষকের হাতে কাঁচি: সিসিটিভি ফুটেজে সময় কেন সন্ধ্যার?
‘শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে’ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধ শিথিল
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে তালা
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ নয়, পরীক্ষা স্থগিত

শেয়ার করুন

মাছের ঘেরে পড়ে ছিল কৃষকের নিথর দেহ

মাছের ঘেরে পড়ে ছিল কৃষকের নিথর দেহ

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যুর কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করছে পুলিশ।

বাগেরহাটের কচুয়া থেকে নিখোঁজের এক দিন পর কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বারুইখালী গ্রামের একটি মাছের ঘের থেকে শনিবার দুপুরে মিঠু শেখের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত মিঠুর বাড়ি ওই গ্রামে। ২৫ নভেম্বর রাত ১১টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন তিনি। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

যার মাছের ঘের থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে তার নাম মো. মিঠু।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যুর কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করছে পুলিশ।

নিহতের বড় ছেলে তানভীর শেখ বলেন, ‘আমার বাবা স্থানীয় একটি মাছের ঘেরের কাছে সবজি চাষ করতেন। যে ব্যক্তি মাছ চাষ করতেন তার সঙ্গে কিছুদিন আগে ঝগড়া হয়েছিল। এ ছাড়া চাচাদের সঙ্গেও জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এর জের ধরে হত্যার ঘটনা ঘটতে পারে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের চুল কর্তন: ফারহানার বক্তব্য ছাড়াই তদন্ত প্রতিবেদন
শিক্ষকের হাতে কাঁচি: সিসিটিভি ফুটেজে সময় কেন সন্ধ্যার?
‘শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে’ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধ শিথিল
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে তালা
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ নয়, পরীক্ষা স্থগিত

শেয়ার করুন

দুই ভাইয়ের কাকে দেবেন ভোট, দ্বিধায় ভোটাররা

দুই ভাইয়ের কাকে দেবেন ভোট, দ্বিধায় ভোটাররা

মমিনপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীকে লড়ছেন ফজলার রহমান। ছবি: নিউজবাংলা

ফজলার রহমান বলেন, ‘ভোটে ভাই ভাই বলতে কিছু নাই। সে তার ভোট করছে, আমি আমার ভোট করছি। তবে এই এলাকা লাঙ্গলের। গতবার লাঙ্গলের কাছে নৌকা হেরেছে। এবার প্রশাসন কোনো ডিস্টার্ব না করলে লাঙ্গলের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।’

মমিনপুর ইউনিয়ন পরিষদে টানা ১৪ বছর ধরে চেয়ারম্যান ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জমির উদ্দিন। তার মৃত্যুর পর জাতীয় পার্টি থেকে ভোটের লড়াইয়ে জয়ী হন পুত্রবধূ সুলতানা আক্তার কল্পনা।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে রংপুর সদর উপজেলার ১ নম্বর মমিনপুর ইউনিয়নে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জমিরের দুই ছেলে।

কল্পনার স্বামী ফজলার রহমান পেয়েছেন জাতীয় পার্টির দলীয় প্রতীক লাঙ্গল ও তার ছোট ভাই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী কামরুল ইসলাম প্রামাণিক লড়ছেন ঢোল প্রতীকে।

দুই ভাইয়ের চেয়ারম্যান পদে লড়াই নিয়ে এলাকায় চলছে বেশ আলোচনা। রোববারের ভোটে দুই ভাইয়ের কে জয়ী হবেন বা আদৌ কেউ জয় পাবেন কি না তা নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা।

মমিনপুর বাজারের মোস্তাকিম হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ভাই-ভাই ভোট করছে। শুক্রবার পর্যন্ত সকালে আইছে এক ভাইয়ের লোক, বিকালে আইছে আরেক ভাইয়ের লোক। কাকে ভোট দেমো সেটা সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। আবার আওয়ামী লীগের প্রার্থীও আছে। আমরা পড়ছি বিপদে, কাকে ছাড়ি কাকে ভোট দেই!’

দুই ভাইয়ের কাকে দেবেন ভোট, দ্বিধায় ভোটাররা

দক্ষিণ মমিনপুর মিলের বাজার এলাকার আব্দুল লতিফ বলেন, ‘কয়েক বছর থাকি তো ওরা চেয়ারম্যানি করোচে (করছে)। এবার দুই ভাই দাঁড়াইচে। আরও পাঁচজন আছে। মানুষ সিদ্ধান্ত নিতে পারোচে (পারছে) না। শোনোচি (শুনছি) খালি টাকার খেলা হওচে (হচ্ছে)।’

সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ফজলার ও কামরুল বাদে বাকি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত রেজাউল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুল হক, আওয়ামী লীগ থেকে সদ্য বহিষ্কৃত আনারস প্রতীকের মিনহাজুল ইসলাম, মোটরসাইকেল প্রতীকের জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী রেজাউল করিম ও ঘোড়া প্রতীকের ফরহাদ হোসেন চৌধুরী।

নির্বাচনের বিষয়ে ফজলার রহমান বলেন, ‘ভোটে ভাই ভাই বলতে কিছু নাই। সে তার ভোট করছে, আমি আমার ভোট করছি। তবে এই এলাকা লাঙ্গলের। গতবার লাঙ্গলের কাছে নৌকা হেরেছে। এবার প্রশাসন কোনো ডিস্টার্ব না করলে লাঙ্গলের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।’

কামরুল বলেন, ‘বাবা চেয়ারম্যান ছিলেন। এলাকায় তিনি অনেক সম্মানি ছিলেন। আমি ভোট করতে চাইনি, সাধারণ মানুষের কারণে দাঁড়াতে হয়েছে। যেহেতু ভোটাররাই আমাকে দিয়ে ভোট করাচ্ছে তাই তারা আমার সম্মান রাখবে। মানুষের কাছ থেকে বেশ সাড়া পাচ্ছি।’

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, নির্বাচন নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। ভোটের সুন্দর পরিবেশ আছে। কোনো প্রার্থীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। সব প্রার্থী সহযোগিতা করলে সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট সম্ভব।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের চুল কর্তন: ফারহানার বক্তব্য ছাড়াই তদন্ত প্রতিবেদন
শিক্ষকের হাতে কাঁচি: সিসিটিভি ফুটেজে সময় কেন সন্ধ্যার?
‘শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে’ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধ শিথিল
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে তালা
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ নয়, পরীক্ষা স্থগিত

শেয়ার করুন

পিলারে বাইকের ধাক্কা: সেনা সদস্য নিহত

পিলারে বাইকের ধাক্কা: সেনা সদস্য নিহত

ওসি জিয়াউল হক বলেন, শুক্রবার সিলেট থেকে সেনা সদস্য দেলোয়ার হোসেন নোয়াখালীতে আসেন। সদরে বোনের বাড়ি থেকে শনিবার সকালে ভগ্নিপতি শরীফকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে স্বর্ণদ্বীপের উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি। তাদের বাইকটি আবদুল্যাহ মিয়ার হাট এলাকায় পৌঁছলে পিলারের সঙ্গে ধাক্কা খায়। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় দেলোয়ারের।

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পিলারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেল আরোহী সেনা সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে তার সঙ্গী।

উপজেলার আবদুল্যাহ মিয়ার হাট বাজার এলাকায় শনিবার বেলা ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দেলোয়ার হোসেন চাটখিল উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামের হুমায়ুন কবিরের ছেলে এবং সিলেট সেনা ক্যাম্পে সৈনিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আহত মো. শরীফ সদর উপজেলার পূর্ব এওজবালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই সেনা সদস্যের ভগ্নিপতি।

চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পরিবারের বরাতে তিনি বলেন, শুক্রবার সিলেট থেকে তিনি নোয়াখালীতে আসেন। সদরে বোনের বাড়ি থেকে শনিবার সকালে ভগ্নিপতি শরীফকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে স্বর্ণদ্বীপের উদ্দেশে যাত্রা করেন দেলোয়ার। তাদের মোটরসাইকেলটি আবদুল্যাহ মিয়ার হাট এলাকায় পৌঁছলে একটি ট্রাককে সাইড দিতে গিয়ে সড়কের পাশের একটি পিলারের সঙ্গে ধাক্কা খায়।

মাথায় আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দেলোয়ারের। গুরুতর আহত হন শরীফ। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক সৈয়দ মহি উদ্দিন আবদুল আজিম বলেন, দেলোয়ারকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। আহত শরীফকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

ওসি জিয়াউল হক বলেন, ময়নাতদন্তের পর নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের চুল কর্তন: ফারহানার বক্তব্য ছাড়াই তদন্ত প্রতিবেদন
শিক্ষকের হাতে কাঁচি: সিসিটিভি ফুটেজে সময় কেন সন্ধ্যার?
‘শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে’ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধ শিথিল
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে তালা
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ নয়, পরীক্ষা স্থগিত

শেয়ার করুন

পোড়া ঘরে পড়ে আছে ‘সুইটির বই’

পোড়া ঘরে পড়ে আছে ‘সুইটির বই’

টঙ্গীর মাজার বস্তিতে ধ্বংসস্তুপে নিজের বই দেখে সুইটি নামে এক শিক্ষার্থী কান্নায় ভেঙে পড়েন বলে জানিয়েছে তার স্বজনরা। ছবি:

শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্ডেন স্কুলে পড়ে আমার মেয়ে সোনালি। আগুন নিভে যাওয়ার পর ধ্বংসস্তুপে নিজের বই-খাতা দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছে মেয়েটি।’

তিন রুমের ঘরে অঙ্গার খাট, ড্রেসিং, টেবিল। পুড়ে যাওয়া আসবাবের পাশে পড়ে আছে কিছু বই। বইয়ের পাতায় লেখা সোনালি আফরোজা সুইটি। নামটি দেখে একজনকে জিজ্ঞেস করতেই কেঁদে ফেললেন তিনি।

শহিদুল ইসলাম নামে ওই ব্যক্তি জানান, স্বজন নিয়ে দৌড়ে পেছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে এলেও তার শেষ সম্বলটুকু পুড়ে গেছে।

তিনি বলেন, ‘স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্ডেন স্কুলে পড়ে আমার মেয়ে সোনালি। আগুন নিভে যাওয়ার পর ধ্বংসস্তুপে নিজের বই-খাতা দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছে মেয়েটি।’

শনিবার রাতে সবাই যখন ঘুমিয়ে তখন আগুন ছড়িয়ে পড়ে টঙ্গী মাজার বস্তিতে। পুড়ে যায় পাঁচ শতাধিক ঘর। দুইঘণ্টা ধরে জ্বলতে থাকা আগুনে কেউ নিহত না হলেও বেশ কয়েকজন আহত হন। সব হারিয়ে নিম্ন আয়ের মানুষজন এখন খোলা আকাশের নিচে। সহায়তার হাত বাড়িয়ে পাশে দাঁড়ানোর আকুতি বস্তিবাসীর।

ফায়ার সার্ভিস কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাতের কথা জানালেও বস্তিবাসী মনে করছে বৈদ্যুতিক লাইন থেকে অগ্নিকাণ্ড হয়েছে।

স্থানীয় ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিন সরকার জানান, পানির সংকট থাকায় আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সাত দিনের খাদ্য কর্মসূচি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজীপুর সিটির ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরণ। তিনি বলেন, তাদের তিন বেলা খাবার দেয়া হবে। পরে স্থানীয় প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এবং সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে তাদের পুনর্বাসন করা হবে।

একই বস্তিতে ২০০৫ সালেও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের চুল কর্তন: ফারহানার বক্তব্য ছাড়াই তদন্ত প্রতিবেদন
শিক্ষকের হাতে কাঁচি: সিসিটিভি ফুটেজে সময় কেন সন্ধ্যার?
‘শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে’ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধ শিথিল
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে তালা
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ নয়, পরীক্ষা স্থগিত

শেয়ার করুন

সাবেক ডিসির দণ্ড মওকুফ: হতাশ সাংবাদিক আরিফুল

সাবেক ডিসির দণ্ড মওকুফ: হতাশ সাংবাদিক আরিফুল

বাংলা ট্রিবিউন ও ঢাকা ট্রিবিউনের কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম রিগান। ছবি: সংগৃহীত

আরিফুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি হতাশ। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অভিভাবক। তিনি আমার বিষয়টিও দেখতে পারতেন। আইন সবার জন্য। সরকারি চাকরিজীবীর আইনটি বাতিল করা প্রয়োজন।’

নির্যাতনের ঘটনায় আলোচিত কুড়িগ্রামের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুলতানা পারভীনের দণ্ড মওকুফে হতাশা প্রকাশ করেছেন বাংলা ট্রিবিউন ও ঢাকা ট্রিবিউনের জেলা প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম রিগান।

মধ্যরাতে আরিফুলকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় সুলতানার ‘লঘুদণ্ড’ মওকুফ করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।

সাবেক ডিসির আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে দেয়া ‘দুই বছরের জন্য বেতন বৃদ্ধি স্থগিত রাখা’র দণ্ডাদেশ বাতিল করে অভিযোগের দায় থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে ২৩ নভেম্বরের প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর রয়েছে সিনিয়র সচিব কে এম আলী আজমের।

এ নিয়ে শনিবার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে আরিফুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি হতাশ। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অভিভাবক। তিনি আমার বিষয়টিও দেখতে পারতেন। আইন সবার জন্য।

‘সরকারি চাকরিজীবীর আইনটি বাতিল করা প্রয়োজন। জনগণ রাষ্ট্রের মালিক হলেও এই আইনের সাথে সাংঘর্ষিক। যেহেতু আমার মামলাটি হাইকোর্টে আছে, সেখানে আমি ন্যায়বিচার পাব বলে আশাবাদী।’

কী হয়েছিল আরিফুলের সঙ্গে

২০২০ সালের ১৩ মার্চ মধ্যরাতে সাংবাদিক আরিফুল ইসলামের বাসায় হানা দিয়ে তাকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে ক্রসফায়ারের হুমকিসহ ডিসি অফিসে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে।

এরপর অধূমপায়ী আরিফের বিরুদ্ধে আধা বোতল মদ ও দেড় শ গ্রাম গাঁজা পাওয়ার অভিযোগ এনে ওই রাতেই এক বছরের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। ১৫ মার্চ আরিফ জামিনে মুক্তি পান।

এ ঘটনায় দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠলে কুড়িগ্রামের তখনকার ডিসি সুলতানা পারভীন, আরডিসি নাজিম উদ্দীন, মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিন্টু বিকাশ চাকমা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম রাহাতুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। একই সঙ্গে এ ঘটনায় বিভাগীয় অভিযোগ করা হয়। ঘটনা তদন্তে কমিটি করে মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের চুল কর্তন: ফারহানার বক্তব্য ছাড়াই তদন্ত প্রতিবেদন
শিক্ষকের হাতে কাঁচি: সিসিটিভি ফুটেজে সময় কেন সন্ধ্যার?
‘শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে’ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অবরোধ শিথিল
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে তালা
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ নয়, পরীক্ষা স্থগিত

শেয়ার করুন