‘ডিজিটাল স্কলার’ এর দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন

‘ডিজিটাল স্কলার’ এর দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন

প্রতিষ্ঠানটির চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার এন আলম মুন্না বলেন, ‘একটি আইটি প্রশিক্ষণ সেন্টারের সবচেয়ে বড় সফলতা হলো এখানে আসা শিক্ষার্থীদের স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করা। এই লক্ষ্য সামনে রেখে আমরা আমাদের দক্ষ মেন্টর দ্বারা শিক্ষার্থীদের পরিপূর্ণ সাপোর্ট দিয়ে তাদের স্কিল ডেভেলপ করে যাচ্ছি।’

আইটি পেশা এবং ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ‘ডিজিটাল স্কলার’ সম্প্রতি ২ বছর পূর্তি উদযাপন করেছে। কোভিড-১৯ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ‘ডিজিটাল স্কলার’ এর শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিশিষ্ট আইটি ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।

ডিজিটাল স্কলার থেকে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রায় ৬২ হাজার মার্কিন ডলারেরও বেশি অর্থ উপার্জন করেছেন। ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে অনেক তরুণ ও তাদের পরিবারের।

ডিজিটাল স্কলারে এ পর্যন্ত ২৮টি ব্যাচে প্রায় ১২ শতাধিক শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এদের মধ্যে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে সফলভাবে ক্যারিয়ার গড়েছেন প্রায় ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী।

দেশের তরুণ সমাজের বেকারত্ব দূরীকরণের লক্ষ্যে আইটি সেক্টরে বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজ করছে ‘ডিজিটাল স্কলার’।

ফ্রিল্যান্সিং খাতে কর্মসংস্থানের নতুন উদ্যোগ হিসেবে ডিজিটাল স্কলার ‘স্মার্ট ক্যাম্পাস’ শুরু করেছে মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বরের শাহ আলী প্লাজার লেভেল ১১ তে। ক্যাম্পাসটিতে রয়েছে ডিজিটাল ক্লাসরুম, স্টুডেন্ট সাপোর্ট সেন্টার, অনলাইন লাইভ ক্লাস রুম, মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম ইত্যাদি।

প্রতিষ্ঠানটির চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার এন আলম মুন্না বলেন, ‘একটি আইটি প্রশিক্ষণ সেন্টারের সবচেয়ে বড় সফলতা হল এখানে আসা শিক্ষার্থীদের স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করা। এই লক্ষ্যই সামনে রেখে আমরা আমাদের দক্ষ মেন্টর দ্বারা শিক্ষার্থীদের পরিপূর্ণ সাপোর্ট দিয়ে তাদের স্কিল ডেভেলপ করে যাচ্ছি। ক্রমবর্ধমান এই ধারাবাহিকতার মাধ্যমেই ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ডিজিটাল স্কলার তার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

স্মার্টফোনের যেসব অ্যাপ-ফিচারে সহজ হবে জীবন

স্মার্টফোনের যেসব অ্যাপ-ফিচারে সহজ হবে জীবন

যারা অনেক ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেন তাদের ভিন্ন ভিন্ন পাসওয়ার্ড মনে রাখা কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। তাদের জন্য এই অ্যাপটি খুবই কাজের হবে। একটি অ্যাপে অনেক ধরনের সেবা পাবেন নিশ্চিত।  

কথা বলার পাশাপাশি অনেকেই স্মার্টফোনকে খুব বেশি কাজে লাগায় না। আপনি কতটা কাজে লাগাতে পারেন? যদি না পারেন তবে চলুন জেনে নিই স্মার্টফোনকে কাজে লাগানোর কিছু অ্যাপ ও ফিচার সম্পর্কে।

আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যবহার বদলে দিয়ে জীবনকে আরও সহজ করে দিতে পারে এসব অ্যাপ ও ফিচার।

ক্লোনিং অ্যাপ

আপনার ফোনে যদি অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে অ্যান্ড্রয়েড ওরিও থাকে, তাহলেই নামিয়ে নিতে পারেন ‘অ্যাপ ক্লোনার’। অ্যাপটির ফিচার আপনার যেকোনো অ্যাপকে নকল করতে পারে।

যারা অনেক ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেন, তাদের ভিন্ন ভিন্ন পাসওয়ার্ড মনে রাখা কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। তাদের জন্য এই অ্যাপটি খুবই কাজের হবে। একটি অ্যাপে অনেক ধরনের সেবা পাবেন নিশ্চিত।

টিউব এম

ইউটিউবে ভিডিও দেখছেন, মনে হলো এটি সংরক্ষণ করা দরকার। কিন্তু ডাউনলোড করতে গিয়ে পড়লেন সমস্যায়। সরাসরি ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করতে গেলে কিছুটা সমস্যায় পড়তেও হয়। সেটার সমাধান দেবে থার্ডপার্টি অ্যাপ ‘টিউব এম’। অ্যাপটি ইনস্টল করে ইউটিউব অ্যাপ ওপেন করুন। এবার ওপরের ডান দিকে সবুজ একটি তীর চিহ্ন দেখতে পাবেন, যা ডাউনলোড বাটন ক্লিক করুন। ব্যস, আপনার পছন্দের ভিডিওটি ডিভাইসে জমা হয়ে যাবে।

স্মার্টফোন হয়ে যাবে ডিজিটাল স্কেল

জানেন কি আপনার স্মার্টফোন দিয়েই ছোট ছোট জিনিসের ওজন পরিমাপ করা যায়? কি অবাক হচ্ছেন? অবাক না হয়ে হাতে স্মার্টফোন নিন। গুগল প্লে স্টোরে যান আর ডিজিটাল স্কেল অ্যাপ ইনস্টল করে ফেলুন। আর প্রয়োজন হবে না ছোটোখাটো জিনিস ওজনের জন্য পাল্লা। কারণ আপনার হাতেই তো ডিজিটাল স্কেল।

দুই উইন্ডো মোড

ই-বুক পড়ছি। কিন্তু একটা শব্দের অর্থ জানি না। এখন সেটি জানতে ই-বুক বন্ধ করে নতুন উইন্ডো খুলে তাতে সার্চ করে অর্থ জানতে হবে। এমন ঝামেলা থেকে আপনাকে মুক্তি দেবে ফোনে থাকা মাল্টি উইন্ডো মোড। তখন ফোনের উইন্ডো দুটি ভাগে ভাগ হয়ে যাবে। এর জন্য আপনি যে ফিচারটি ব্যবহার করতে চান সেটি ওপেন করুন। এরপর মোবাইলে টাস্ক বাটনে ট্যাপ করে একটু ধরে থাকুন, দেখবেন স্ক্রিন দুটি উইন্ডোতে ভাগ হয়েছে। তবে দুঃখজনক হলো, এটি সব ফোনে কাজ নাও করতে পারে।

সুইচিং টু সেফ মোড

অনেক সময় ফোনে এত সব অ্যাপ ডাউনলোড করা হয় যে, কোনটি অপ্রয়োজনীয় এবং ক্ষতিকারক তা খুঁজে পাওয়া দায় হয়ে ওঠে। ফোন হয় অনিরাপদ। ফোনকে নিরাপদ রাখতে ও থার্ডপার্টি অ্যাপের লুকিয়ে রাখা সব ম্যালওয়ার ও তথ্য নেবার ফিচার মুছে দিতে সেফ মোড খুব কার্যকর হতে পারে আপনার জন্য। এটি চালু করতে স্মার্টফোনের পাওয়ার বাটন চেপে রাখুন। পাওয়ার অফ অপশন এলে সেটিতে ক্লিক করুন। এরপর ‘রিবুট টু সেফ মোড’ এলে ওকে করে দেবেন।

অফলাইন ম্যাপ ব্যবহার

ভ্রমণে বের হলে ম্যাপ দেখার দরকার পড়ে। কিন্তু অনেক দেশে বা দেশের ভেতরেও সিমের রোমিং খরচ বেশি হওয়ায় অনেকেই তা করতে চান না। এ ক্ষেত্রে ম্যাপ ওপেন করে বাম দিকের মেনু থেকে অফলাইন এরিয়া সিলেক্ট করে দিন। এরপর জিপিএস অন করে দিন। ব্যস, আপনি ম্যাপ অফলাইনে না অনলাইনে ব্যবহার করছেন, সেটি বোঝা দায়।

স্ক্যানার

পরিস্থিতিভেদে আপনার স্ক্যানার হতে পারে হাতে থাকা স্মার্টফোন। এ জন্য আপনাকে একটু কষ্ট করে প্লে স্টোর থেকে ক্যাম স্ক্যানার বা সিএস অ্যাপটি নামিয়ে নিতে হবে। এরপর চাইলে যেকোনো ডকুমেন্টস স্ক্যান করতে পারবেন সেটি দিয়ে। আর জমা করা যাবে ক্লাউডে।

শেয়ার করুন

গোপন নজরদারি ঠেকাতে হাইকোর্টের রুল

গোপন নজরদারি ঠেকাতে হাইকোর্টের রুল

প্রতীকী ছবি

রিটের পক্ষের আইনজীবী মাহমুদ আল মামুন হিমু বলেন, ‘ইসরায়েলের তৈরি স্পাইওয়্যার কিনে তা দিয়ে বিভিন্ন দেশে সাংবাদিক, রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, অধিকারকর্মী এবং আরও অনেকের ওপর গোপন নজরদারি চালানো হচ্ছে। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের চার আইনজীবী রিট করেন।’

পেগাসাস স্পাইওয়্যার দিয়ে সাংবাদিক, রাজনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ওপর গোপন নজরদারি ঠেকাতে ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সিকে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

এ-সংক্রান্ত এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার বিচারক মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও মো. কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

চার সপ্তাহের মধ্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার সচিব, ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সির পরিচালক ও ন্যাশনাল কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিমের পরিচালককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে গোপন নজরদারি ঠেকাতে সুপ্রিম কোর্টের চার আইনজীবী জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিটটি করেন। তারা হলেন মুজাহিদুল ইসলাম, আব্দুল আলীম, সৈয়দ মোহাম্মদ রায়হান উদ্দিন ও মো. মনিরুজ্জামান।

রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিকী, সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার সাবিত আহমেদ খান ও মাহমুদ আল মামুন হিমু। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ রাসেল চৌধুরী।

মাহমুদ আল মামুন হিমু নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ইসরায়েলের তৈরি স্পাইওয়্যার কিনে তা দিয়ে বিভিন্ন দেশে সাংবাদিক, রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, অধিকারকর্মী এবং আরও অনেকের ওপর গোপন নজরদারি চালানো হচ্ছে। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের চার আইনজীবী রিট করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে আদালত রুল জারি করেছেন।’

রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়, পেগাসাস হলো ইসরায়েলি সাইবার আর্মস সংস্থার (এনএসও) তৈরি একটি স্পাইওয়্যার। এটিকে মোবাইল ফোনের আইওএস এবং অ্যান্ড্রয়েডের নতুন সংস্করণে গোপনে ইনস্টল করানো হয়েছে গুপ্তচরবৃত্তির জন্য। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিদেশে চলে যাচ্ছে। ব্যক্তির মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে।

শেয়ার করুন

দেশের কারখানায় তৈরি প্রথম স্মার্টফোন আনল শাওমি

দেশের কারখানায় তৈরি প্রথম স্মার্টফোন আনল শাওমি

দেশে তৈরি স্মার্টফোন রেডমি ৯এ হাতে শাওমির কান্ট্রি ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী। ছবি: সৌজন্যে

বাংলাদেশে গত অক্টোবরে শাওমি তাদের ম্যানুফ্যাকচারিং কারখানা স্থাপনের ঘোষণা দেয়। গাজীপুরে অবস্থিত কারখানায় প্রতি বছর অন্তত ৩০ লাখ স্মার্টফোন উৎপাদন করবে প্রতিষ্ঠানটি। বাংলাদেশে স্মার্টফোন ম্যানুফ্যাকচারিং করে দেশের বাজারে স্মার্টফোন আনার দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করছে শাওমি।

শাওমি বাংলাদেশে তাদের প্রথম স্থানীয়ভাবে তৈরি স্মার্টফোন রেডমি ৯এ উন্মোচন করেছে। রেডমি ৯এ ফোনটির উন্মোচনের মাধ্যমে ‘মেক ইন বাংলাদেশ’ সূচনা করল প্রতিষ্ঠানটি।

রেডমি ৯এ গ্রাহকদের চাহিদাকে সম্পূর্ণরূপে ফোকাস করে আনা হয়েছে, যা তাদের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ডিজিটাল সক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। কম বাজেটের মধ্যে যারা স্মার্টফোন খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি আদর্শ ফোন হতে পারে।

বাংলাদেশে গত অক্টোবরে শাওমি তাদের ম্যানুফ্যাকচারিং কারখানা স্থাপনের ঘোষণা দেয়। গাজীপুরে অবস্থিত কারখানায় প্রতি বছর অন্তত ৩০ লাখ স্মার্টফোন উৎপাদন করবে প্রতিষ্ঠানটি। বাংলাদেশে স্মার্টফোন ম্যানুফ্যাকচারিং করে দেশের বাজারে স্মার্টফোন আনার দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করছে শাওমি।

শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘আমরা যখন থেকে বাংলাদেশে কাজ শুরু করেছি, আমাদের লক্ষ্য ছিল প্রিমিয়াম স্টাইল, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং উন্নত মানের ডিভাইস সরবরাহ করা। বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির প্রতিশ্রুবদ্ধ শাওমি এখন এসব ডিভাইস স্থানীয়ভাবেই উৎপাদন শুরু করেছে।

‘এটা আমাদের জন্য এবং অবশ্যই ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য একটা মাইলফলক। যে কারণে আমরা দেশে তৈরি প্রথম স্মার্টফোন রেডমি ৯এ উন্মোচন করছি। রেডমি ৯এ এই সেগমেন্টে শীর্ষ ফোন যাতে দেয়া হয়েছে ১২ ন্যানোমিটার গেইমিং প্রসেসর এবং পি২আই ন্যানো-কোর্টিং, যা ফোনটিকে যে কোনো স্প্ল্যাশ থেকে সুরক্ষা দেবে। আমি মনে করি এটি বাজারে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকবে।’

শাওমি রেডমি ৯এ

দেখার দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা দিতে রেডমি ৯এ আসছে বড় ধরনের ৬ দশমিক ৫৩ ইঞ্চির ডট ড্রপ ডিসপ্লে নিয়ে। ফোনটিতে দেয়া হয়েছে ৫০০০ এমএএইচ উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারি, যার ফলে দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার এবং দীর্ঘ সময় ধরে ফোনটি দিয়ে বিনোদন উপভোগ করা যাবে।

রেডমি ৯এ ডিভাইসটিতে আরও আছে ১২ ন্যানোমিটারের মিডিয়াটেক হেলিও জি২৫, অক্টা-কোরের গেইমিং চিপসেট। এটি সারাদিনের ফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে অসাধারণ অভিজ্ঞতা দেবে। এ ছাড়া এতে রয়েছে স্পোর্টস এআইসম্পন্ন ১৩ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা সঙ্গে ৫ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরায় খুব দ্রুত, সহজ, অত্যাকর্ষণীয় ও স্পষ্ট ছবি তোলা যাবে।

দাম ও কবে যাওয়া যাবে

রেডমি ৯এ দেশে পাওয়া যাবে গ্রানাইট গ্রে, পিকক গ্রিন ও ব্লু স্কাই এই তিনটি কালার ভ্যারিয়েন্টে। ফোনটির ২জিবি+৩২জিবি ভ্যারিয়েন্টের নতুন দাম ৮ হাজার ৭৯৯ টাকা, যার আগের দাম ছিল ১০ হাজার ৪৯৯ টাকা। ৬ ডিসেম্বর ২০২১ থেকে দেশের সব অথরাইজড শাওমি স্টোর এবং রিটেইল পার্টনার স্টোরে ফোনটি পাওয়া যাবে।

শেয়ার করুন

ওয়ালটন ল্যাপটপ-অ্যাক্সেসরিজে ৫০% পর্যন্ত ছাড়

ওয়ালটন ল্যাপটপ-অ্যাক্সেসরিজে ৫০% পর্যন্ত ছাড়

ওয়ালটন ল্যাপটপ কেনায় অফার ক্যাম্পইন উদ্বোধনে অতিথিরা। ছবি: সৌজন্যে

নগদ মূল্যে কেনার ক্ষেত্রে পণ্য ও মডেলভেদে সর্বনিম্ন ৫ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাবেন ক্রেতারা।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী বা ৫০ বছর উদযাপন করছে বাংলাদেশ। এ উপলক্ষ্যে ‘ওয়ালটন ল্যাপটপ বিজয় উল্লাস’ ক্যাম্পেইন চালু করেছে। এর আওতায় ওয়ালটনের যে কোনো শোরুম কিংবা অনলাইনের ই-প্লাজা থেকে ল্যাপটপ, ডেস্কটপ ও কম্পিউটার এক্সেসরিজ কেনায় সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ ছাড় পাচ্ছেন গ্রাহকরা।

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর জুড়ে এ সুবিধা উপভোগ করা যাবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ওয়ালটন।

ঢাকায় ওয়ালটনের করপোরেট অফিসে সম্প্রতি এক প্রোগ্রামে এ ঘোষণা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে অনলাইনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ইন্টেলের কান্ট্রি বিজনেস ম্যানেজার হুসেইন ফকরুদ্দিন এবং মাইক্রোসফটের প্রতিনিধি কেনেডি গোহ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম রেজাউল আলম।

বিশেষ অতিথিদের মধ্যে আরও ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও গোলাম মুর্শেদ। ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও এস এম মঞ্জুরুল আলম অভি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এন এম জিয়াউল আলম বলেন, ‘‘ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ায় ওয়ালটন বেশ বড় ভূমিকা রাখছে। ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ক্যাম্পেইনের বড় অংশীদার ওয়ালটন। আমরা বাংলাদশে তৈরি প্রযুক্তিপণ্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। দেশে তৈরি পণ্যের জন্য আলাদা পলিসি প্রণয়ন করছি। দেশীয় আইটি পণ্যের বাজারে ওয়ালটনের বড় ভূমিকা রয়েছে এবং তাদের মার্কেট শেয়ার প্রতিনিয়ত বাড়ছে।’’

ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম রেজাউল আলম বলেন, ‘বর্তমানে দেশের গ্রাহকদের চাহিদা অনুসায়ী বছরে ১৫ লাখ ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের সক্ষমতা ওয়ালটনের আছে। ওয়ালটন পণ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব প্রকল্পে সরকার ওয়ালটন পণ্য অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং আমরা এই চ্যালেঞ্জটি সফলভাবেই অতিক্রম করেছি।’

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও গোলাম মুর্শেদ বলেন, ‘এখন একটি ল্যাপটপ কিংবা একটি মোবাইল ফোন একজন মানুষকে স্বশিক্ষিত এবং স্বাবলম্বী করে তোলার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এক্ষেত্রে ওয়ালটন নীরবে দেশের মানুষকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে।’

ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তব্যে ইন্টেল এবং মাইক্রোসফটের প্রতিনিধিগণ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষে সবাইকে অভিনন্দন জানান। তারা ওয়ালটন ল্যাপটপ বিজয় উল্লাস শীর্ষক ক্যাম্পেইনের সাফল্য কামনা করেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের লক্ষ্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী লিয়াকত আলী।

ক্যাম্পেইন সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন ওয়ালটন কম্পিউটার ও আইটি এক্সেসরিজের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান রাদ।

তিনি জানান, নগদ মূল্যে কেনার ক্ষেত্রে পণ্য ও মডেলভেদে সর্বনিম্ন ৫ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাবেন ক্রেতারা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ডিমএডি নজরুল ইসলাম সরকার ও এমদাদুল হক সরকার, ওয়ালটন প্লাজা ট্রেডের সিইও মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন গ্রুপের মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান এস এম জাহিদ হাসান, নির্বাহী পরিচালক আজিজুল হাকিম ও জিনাত হাকিম প্রমুখ।

শেয়ার করুন

দেশজুড়ে রবির ভোল্টি চালু

দেশজুড়ে রবির ভোল্টি চালু

রবি চালু করেছে ভোল্টি সেবা। ছবি: সংগৃহীত

আইফোন, স্যামসাং, হুয়াওয়ে, রিয়েলমি, সিম্ফনি, ওপ্পো, ওয়ালটন, নকিয়ার মতো জনপ্রিয় ১৫৬টি স্মার্টফোন মডেলের মাধমে সেবাটি উপভোগ করা যাবে।

রবি ও এয়ারটেল গ্রাহকদের জন্য দেশজুড়ে ভয়েস ওভার এলটিই বা ভোল্টি সেবা চালু করেছে মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড।

মোবাইল অপারেটর দুটির গ্রাহকরা যেন সহজে সেবাটি পেতে পারেন এ জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যক স্মার্টফোন মডেলে এটি চালু করেছে বলে জানায় অপারেটরটি। ২০২০ সালে দেশের প্রথম টেলিকম অপারেটর হিসেবে ভোল্টি সেবা চালু করে রবি।

আইফোন, স্যামসাং, হুয়াওয়ে, রিয়েলমি, সিম্ফনি, ওপ্পো, ওয়ালটন, নকিয়ার মতো জনপ্রিয় ১৫৬টি স্মার্টফোন মডেলের মাধ্যমে সেবাটি উপভোগ করা যাবে।

রবি ও এয়ারটেল গ্রাহকদের ভোল্টি সেবা ব্যবহার করার জন্য বাড়তি কোনো খরচ করতে হবে না।

সেবাটি উপভোগ করতে কল প্রেরক ও গ্রহীতা উভয়ের ভোল্টি সেবা ব্যবহার উপযোগী ফোরজি হ্যান্ডসেট এবং ভোল্টি অ্যাক্টিভেটেড ফোরজি সিম কার্ড লাগবে।

এ ছাড়া উভয়কে ভোল্টি কাভারেজ এলাকার মধ্যে থাকতে হবে।

ভোল্টি হচ্ছে আইপিভিত্তিক ভয়েস কল প্রযুক্তি; এই প্রযুক্তিটির মূল লক্ষ্য ফোরজি এলটিই নেটওয়ার্কে এইচডি (হাইডেফিনেশন) মানের ভয়েস সেবা নিশ্চিত করা। এলটিই ডেটা নেটওয়ার্কে ভয়েসকে আলাদা অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে বিবেচনা করে ভোল্টি।

অত্যাধুনিক এই প্রযুক্তি ব্যবহারকারী গ্রাহকরা ২ থেকে ৩ সেকেন্ডের মধ্যে কল সংযোগ করতে পারবেন, যা প্রথাগত টুজি বা থ্রিজি নেটওয়ার্কের চেয়ে ৪০-৫০ শতাংশ দ্রুততর এবং একই সঙ্গে গ্রাহকরা উপভোগ করতে পারবেন ক্রিস্টাল ক্লিয়ার এইচডি মানের শব্দ।

শেয়ার করুন

ফেসবুক-গুগলের অ্যালগরিদম খতিয়ে দেখবে অস্ট্রেলিয়া

ফেসবুক-গুগলের অ্যালগরিদম খতিয়ে দেখবে অস্ট্রেলিয়া

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর অ্যালগরিদমের ধরন, কীভাবে কোম্পানিগুলো একজন ব্যবহারকারীর পরিচয় ও বয়স নিশ্চিত হয়, কোন ধরনের বিধিনিষেধ তাদের উপর আরোপ করা যেতে পারে তাও খতিয়ে দেখবেন আইন প্রণেতারা।

বিশ্বের বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব হলো তাদের নিজেদের প্ল্যাটফর্ম নিরাপদ রাখা। এমনটাই মনে করেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন।

আল জাজিরা জানাচ্ছে, স্কট মরিসন বলেছেন, ‘বিশ্বের বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যাবলী পর্যবেক্ষণ ও সে সংক্রান্ত নতুন আইন প্রণয়নের জন্য শিগগির অস্ট্রেলিয়া বিস্তৃত পরিসরে সংসদীয় তদন্ত চালাবে।‘

তিনি জানান, তদন্ত এটি হবে বৃহৎ পরিসরে। গুগল, ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর অ্যালগরিদমের ধরন, কীভাবে কোম্পানিগুলো একজন ব্যবহারকারীর পরিচয় ও বয়স নিশ্চিত হয়, কোন ধরনের বিধিনিষেধ তাদের উপর আরোপ করা যেতে পারে, তাও খতিয়ে দেখবেন আইন প্রণেতারা।

মরিসন বলেন, ‘বৃহৎ কোম্পানিকে বৃহৎ প্রশ্নের উত্তরই দিতে হবে। বড় কোম্পানিগুলোই এই প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে, তাদেরকেই এই প্ল্যাটফর্মগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’

নতুন তদন্তের এই ঘোষণা অস্ট্রেলিয়া ও ফেসবুকের মাঝে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। ফেসবুক ভবিষ্যতের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে নাম পরিবর্তন করে ‘মেটা’ করেছে।

এ বছরের শুরুতেই অস্ট্রেলিয়া নতুন আইন বাস্তবায়ন করে, যেখানে ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমগুলোকে স্থানীয় কনটেন্ট ব্যাবহারের জন্য টাকা দিতে হয়। নতুন আইনে সামাজিক মাধ্যমগুলোকে যেসব একাউন্টের বিরুদ্ধে মানহানির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আছে। সেসব বেনামী একাউন্টের পরিচয় প্রকাশে বাধ্য করা হয়।

যদিও শুরুর দিকে এইসব আইন মানতে চায়নি বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো। আলফাবেটের সহপ্রতিষ্ঠান গুগল এমনকি হুমকিও দিয়েছিল যে, তারা অস্ট্রেলিয়ান সার্চ ইঞ্জিন বন্ধ করে দেবে। ফেসবুকও সে সময় অনেক কনটেন্ট বন্ধ করে দেয়।

ফেসবুকের বিরুদ্ধে অনুমতি না নিয়ে গ্রাহকের তথ্য ব্যবহারের বেশকিছু অভিযোগ আছে। যার জেরে ক্যামব্রিজ এনালিটিকার মতো পরামর্শক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। ফেসবুককে গুনতে হয় ৫ বিলিওন ডলার জরিমানা।

একই ধরনের অভিযোগে এর আগে আমেরিকান কংগ্রেসের মুখোমুখি হতে হয় ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গকে।

শেয়ার করুন

প্রযুক্তি-বিপ্লব ভবিষ্যতের হুমকি: এমআই সিক্স

প্রযুক্তি-বিপ্লব ভবিষ্যতের হুমকি: এমআই সিক্স

এমআই সিক্স প্রধান রিচার্ড মোর। ছবি: এএফপি

কোয়ান্টাম ইঞ্জিনিয়ারিং ও জৈব প্রকৌশল শিল্প ব্যবস্থাকে পাল্টে দেবে জানিয়ে রিচার্ড আরও বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে তথ্যের এখন ছড়াছড়ি, যা কম্পিউটার ও তথ্য-বিজ্ঞানের ক্ষমতার নির্দেশক। এটা আসলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মিশ্রণ। যার প্রভাব পড়ছে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে।’

আগামী দশ বছরে বিশ্ব ব্যবস্থায় (ওয়ার্ল্ড অর্ডার) প্রযুক্তি-বিপ্লব বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে বলে সতর্ক করেছেন যুক্তরাজ্য সরকারের গুপ্তচর বিভাগের নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান এমআই সিক্স প্রধান রিচার্ড মোর।

এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসকে ঢেলে সাজানো প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন এমআই সিক্স প্রধান।

এক ভাষণে সোমবার মোর বলেন, ‘কম্পিউটার ও যোগাযোগ ব্যবস্থার অগ্রগতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যাপক ব্যবহার জীবনযাত্রাকে পুরোপুরি বদলে দেবে; যা কল্পনাতীত।’

এমআই৬ এর প্রধান হিসেবে ২০২০ সালের অক্টোবরে দায়িত্ব নেন ৫৮ বছরের রিচার্ড। এর আগে তিনি তুরস্কে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বে ছিলেন। প্রযুক্তিগত এই পরিবর্তনকে তিনি ১৮ ও ১৯ শতাব্দীর শিল্প-বিপ্লবের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

বলেন, ‘এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের সংস্কৃতি ও নীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে হবে।’

যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দারা গোপনীয়তা রক্ষায় ব্যর্থ হচ্ছেন উল্লেখ করে রিচার্ড বলেন, ‘তারা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বেশি যুক্ত হয়ে পড়ছেন।’

কোয়ান্টাম ইঞ্জিনিয়ারিং ও জৈব প্রকৌশল পুরো শিল্প ব্যবস্থাকে পাল্টে দেবে জানিয়ে রিচার্ড আরও বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে তথ্যের এখন ছড়াছড়ি, যা কম্পিউটার ও তথ্য-বিজ্ঞানের ক্ষমতার নির্দেশক। এটা আসলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মিশ্রণ। যার প্রভাব পড়ছে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে।’

‘অন্যরা হয়তো এসবের ইতিবাচক দিকগুলোই আপনাদের কাছে তুলে ধরবে, কিন্তু আমার কাজই হচ্ছে এসবের নেতিবাচক দিকগুলো নিয়ে চিন্তা করা। পৃথিবী যেমন এমআই সিক্স ঠিক সেরকম আরচণ করে, নিজ থেকে কিছু করে না।’

শেয়ার করুন