মেঘনায় জেলেদের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ৫ পুলিশ

মেঘনায় জেলেদের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ৫ পুলিশ

মুন্সিগঞ্জের মেঘনা নদীতে অভিযানে গিয়ে জেলেদের সঙ্গে সংঘর্ষে চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

নারায়ণগঞ্জ জোনের নৌপুলিশের এসপি মিনা মাহমুদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কতজন জেলে আহত হয়েছেন তা আমরা তাৎক্ষণিক জানতে পারিনি। তবে আমাদের চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’

মুন্সিগঞ্জ সদরের মেঘনায় মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে গিয়ে জেলে ও এলাকাবাসীর হামলায় নৌপুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন।

নদীর চরঝাপটা এলাকায় বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জোনের নৌপুলিশের এসপি মিনা মাহমুদ।

এদিকে হামলার সময় পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে স্থানীয় দুই নারীসহ বেশ কয়েকজন আহত হন বলে জানান স্থানীয় আধারা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. মন্টু।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন গজারিয়া নৌপুলিশের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুস সালাম, এসআই শাহ আলম, এএসআই ফয়সাল, কনস্টেবল ফয়সাল কবির, কনস্টেবল নজরুল। আহতদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কনস্টেবল ফয়সাল কবিরকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অপর ৪ জনকে মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে।

আহত নারীরা কোথায় আছেন তা কেউ বলতে পারেনি।

নৌপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে মেঘনা নদীতে মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে অংশ নেয় গজারিয়া ও চর আব্দুল্লাহ নৌপুলিশ ফাঁড়ি। মাছ নিধনকারী জেলেদের ধরতে ধাওয়া করে নদীতীরে যান পুলিশ সদস্যরা।

তীরে পৌঁছালে পুলিশ সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান জেলে ও এলাকাবাসী। এ সময় প্রতিরক্ষায় পুলিশ পাল্টা ৪০ রাউন্ড গুলি করে। এতে দুই নারীসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।

পুলিশের গুলি শেষ হয়ে এলে আবারও হামলা করে গ্রামবাসী। এতে আহত হয় গজারিয়া নৌপুলিশের ইনচার্জসহ পাঁচ সদস্য। পরে নৌপুলিশের অন্যান্য ফোর্স গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে।

নৌপুলিশের নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের পুলিশ সুপার মিনা মাহমুদা বলেন, ‘আমাদের অভিযান প্রতিদিনই চলছে। এর আগেও জেলেরা পুলিশের ওপর কয়েকবার হামলা চালিয়েছিলেন। আজকের হামলায় পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। হামলাকারীদের ধরতে এলাকায় অভিযান চলছে।’

মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক সোহাগ জানান, আহত অবস্থায় পাঁচ পুলিশকে হাসপাতালে আনা হলে চারজনকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হয়। অপর একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিক্যালে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন:
মেঘনায় জেলেদের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ৫ পুলিশ
হোম ডেলিভারি হচ্ছে মা ইলিশ
ইলিশ ধরে কারাগারে ৯ জেলে
১০ লাখ মিটার কারেন্ট জালসহ ৫ ট্রলার জব্দ
জেল-জরিমানা করেও ঠেকানো যাচ্ছে না ইলিশ শিকার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পোড়া ঘরে পড়ে আছে ‘সুইটির বই’

পোড়া ঘরে পড়ে আছে ‘সুইটির বই’

টঙ্গীর মাজার বস্তিতে ধ্বংসস্তুপে নিজের বই দেখে সুইটি নামে এক শিক্ষার্থী কান্নায় ভেঙে পড়েন বলে জানিয়েছে তার স্বজনরা। ছবি:

শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্ডেন স্কুলে পড়ে আমার মেয়ে সোনালি। আগুন নিভে যাওয়ার পর ধ্বংসস্তুপে নিজের বই-খাতা দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছে মেয়েটি।’

তিন রুমের ঘরে অঙ্গার খাট, ড্রেসিং, টেবিল। পুড়ে যাওয়া আসবাবের পাশে পড়ে আছে কিছু বই। বইয়ের পাতায় লেখা সোনালি আফরোজা সুইটি। নামটি দেখে একজনকে জিজ্ঞেস করতেই কেঁদে ফেললেন তিনি।

শহিদুল ইসলাম নামে ওই ব্যক্তি জানান, স্বজন নিয়ে দৌড়ে পেছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে এলেও তার শেষ সম্বলটুকু পুড়ে গেছে।

তিনি বলেন, ‘স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্ডেন স্কুলে পড়ে আমার মেয়ে সোনালি। আগুন নিভে যাওয়ার পর ধ্বংসস্তুপে নিজের বই-খাতা দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছে মেয়েটি।’

শনিবার রাতে সবাই যখন ঘুমিয়ে তখন আগুন ছড়িয়ে পড়ে টঙ্গী মাজার বস্তিতে। পুড়ে যায় পাঁচ শতাধিক ঘর। দুইঘণ্টা ধরে জ্বলতে থাকা আগুনে কেউ নিহত না হলেও বেশ কয়েকজন আহত হন। সব হারিয়ে নিম্ন আয়ের মানুষজন এখন খোলা আকাশের নিচে। সহায়তার হাত বাড়িয়ে পাশে দাঁড়ানোর আকুতি বস্তিবাসীর।

ফায়ার সার্ভিস কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাতের কথা জানালেও বস্তিবাসী মনে করছে বৈদ্যুতিক লাইন থেকে অগ্নিকাণ্ড হয়েছে।

স্থানীয় ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিন সরকার জানান, পানির সংকট থাকায় আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সাত দিনের খাদ্য কর্মসূচি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজীপুর সিটির ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরণ। তিনি বলেন, তাদের তিন বেলা খাবার দেয়া হবে। পরে স্থানীয় প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এবং সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে তাদের পুনর্বাসন করা হবে।

একই বস্তিতে ২০০৫ সালেও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন:
মেঘনায় জেলেদের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ৫ পুলিশ
হোম ডেলিভারি হচ্ছে মা ইলিশ
ইলিশ ধরে কারাগারে ৯ জেলে
১০ লাখ মিটার কারেন্ট জালসহ ৫ ট্রলার জব্দ
জেল-জরিমানা করেও ঠেকানো যাচ্ছে না ইলিশ শিকার

শেয়ার করুন

সাবেক ডিসির দণ্ড মওকুফ: হতাশ সাংবাদিক আরিফুল

সাবেক ডিসির দণ্ড মওকুফ: হতাশ সাংবাদিক আরিফুল

বাংলা ট্রিবিউন ও ঢাকা ট্রিবিউনের কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম রিগান। ছবি: সংগৃহীত

আরিফুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি হতাশ। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অভিভাবক। তিনি আমার বিষয়টিও দেখতে পারতেন। আইন সবার জন্য। সরকারি চাকরিজীবীর আইনটি বাতিল করা প্রয়োজন।’

নির্যাতনের ঘটনায় আলোচিত কুড়িগ্রামের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুলতানা পারভীনের দণ্ড মওকুফে হতাশা প্রকাশ করেছেন বাংলা ট্রিবিউন ও ঢাকা ট্রিবিউনের জেলা প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম রিগান।

মধ্যরাতে আরিফুলকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় সুলতানার ‘লঘুদণ্ড’ মওকুফ করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।

সাবেক ডিসির আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে দেয়া ‘দুই বছরের জন্য বেতন বৃদ্ধি স্থগিত রাখা’র দণ্ডাদেশ বাতিল করে অভিযোগের দায় থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে ২৩ নভেম্বরের প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর রয়েছে সিনিয়র সচিব কে এম আলী আজমের।

এ নিয়ে শনিবার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে আরিফুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি হতাশ। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অভিভাবক। তিনি আমার বিষয়টিও দেখতে পারতেন। আইন সবার জন্য।

‘সরকারি চাকরিজীবীর আইনটি বাতিল করা প্রয়োজন। জনগণ রাষ্ট্রের মালিক হলেও এই আইনের সাথে সাংঘর্ষিক। যেহেতু আমার মামলাটি হাইকোর্টে আছে, সেখানে আমি ন্যায়বিচার পাব বলে আশাবাদী।’

কী হয়েছিল আরিফুলের সঙ্গে

২০২০ সালের ১৩ মার্চ মধ্যরাতে সাংবাদিক আরিফুল ইসলামের বাসায় হানা দিয়ে তাকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে ক্রসফায়ারের হুমকিসহ ডিসি অফিসে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে।

এরপর অধূমপায়ী আরিফের বিরুদ্ধে আধা বোতল মদ ও দেড় শ গ্রাম গাঁজা পাওয়ার অভিযোগ এনে ওই রাতেই এক বছরের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। ১৫ মার্চ আরিফ জামিনে মুক্তি পান।

এ ঘটনায় দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠলে কুড়িগ্রামের তখনকার ডিসি সুলতানা পারভীন, আরডিসি নাজিম উদ্দীন, মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিন্টু বিকাশ চাকমা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম রাহাতুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। একই সঙ্গে এ ঘটনায় বিভাগীয় অভিযোগ করা হয়। ঘটনা তদন্তে কমিটি করে মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন:
মেঘনায় জেলেদের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ৫ পুলিশ
হোম ডেলিভারি হচ্ছে মা ইলিশ
ইলিশ ধরে কারাগারে ৯ জেলে
১০ লাখ মিটার কারেন্ট জালসহ ৫ ট্রলার জব্দ
জেল-জরিমানা করেও ঠেকানো যাচ্ছে না ইলিশ শিকার

শেয়ার করুন

মারধরে চালক নিহতের অভিযোগে বাস বন্ধ

মারধরে চালক নিহতের অভিযোগে বাস বন্ধ

মিনিবাস চালক আব্দুর রহিম নিহতের অভিযোগে দুই রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে পরিবহন শ্রমিকরা। ছবি: নিউজবাংলা

চট্টগ্রাম সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ‘সন্ধ্যায় রাস্তায় সাইড দেয়া নিয়ে একটি নোহা গাড়ির যাত্রীরা রহিমকে প্রচণ্ড মারধর করে। হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে। এর প্রতিবাদে শ্রমিকরা এখন চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে।’

চট্টগ্রামে মারধরের জেরে মিনিবাসচালক নিহতের অভিযোগে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়কে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন পরিবহন শ্রমিকরা।

মিনিবাসচালক আব্দুর রহিম নিহতের অভিযোগে শনিবার সকালে পরিবহন শ্রমিকরা হাটহাজারীতে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়ক অবরোধ করেন।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাত ১০টার দিকে মৃত্যু হয় ৩ নম্বর সিটি সার্ভিসের চালক আব্দুর রহিমের। রহিমের বাড়ি রাউজানের গহিরা এলাকায়।

রহিমের ভাতিজা মো. শাকিল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শুক্রবার সন্ধ্যায় ফতেয়াবাদ থেকে বাস নিয়ে চট্টগ্রাম নিউ মার্কেটে যাওয়ার সময় বায়েজিদ থানা এলাকায় আতুরার ডিপোতে আমার চাচাকে কারা নাকি মারধর করছে। পরে রাত ১০টার দিকে চাচা চট্টগ্রাম মেডিক্যালে মারা গেছেন।

‘যারা মারছে তারা নাকি একটি নোহা গাড়ির যাত্রী ছিল বলে শুনছি। আমি আর কিছু জানি না।’

চট্টগ্রাম সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ‘সন্ধ্যায় রাস্তায় সাইড দেয়া নিয়ে একটি নোহা গাড়ির যাত্রীরা রহিমকে প্রচণ্ড মারধর করে। হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে। এর প্রতিবাদে সকাল ৬টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে।

‘পরে সার্কেল এসপি, ওসি ও আমরা গিয়ে শ্রমিকদের বুঝিয়ে অবরোধ উঠিয়ে দিই। তবে শ্রমিকরা এখন চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে।’

বাসচালক মৃত্যুর বিষয়ে বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘মারধরে বাসচালক মৃত্যুর বিষয়ে আমরা জানতে পারিনি। সাধারণত হাসপাতালে কেউ অস্বাভাবিক কারণে মারা গেলে আমাদের ইনফর্ম করা হয়। তবে এখন যেহেতু জেনেছি, দ্রুত খোঁজ নিচ্ছি।’

অবরোধের বিষয়ে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজিব শর্মা জানান, সকালে শ্রমিকরা হাটহাজারী স্টেশনে জড়ো হয়েছিল। কিছুক্ষণ পর তাদের বুঝিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

রাজিব বলেন, ‘শ্রমিকরা কেন সড়ক অবরোধ করেছে, সেই বিষয়টি আসলে ক্লিয়ার না। শ্রমিক নেতারা ভালো বলতে পারবেন।’

আরও পড়ুন:
মেঘনায় জেলেদের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ৫ পুলিশ
হোম ডেলিভারি হচ্ছে মা ইলিশ
ইলিশ ধরে কারাগারে ৯ জেলে
১০ লাখ মিটার কারেন্ট জালসহ ৫ ট্রলার জব্দ
জেল-জরিমানা করেও ঠেকানো যাচ্ছে না ইলিশ শিকার

শেয়ার করুন

ঝোপঝাড়ে নান্দনিক বাগান কুমিল্লার ডিসির

ঝোপঝাড়ে নান্দনিক বাগান কুমিল্লার ডিসির

ডিসি বলেন, ‘আমি ছোট বেলা থেকেই সবজি বাগান করতাম। যখন সহকারী কমিশনার ভূমি হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করি তখন সবজি বাগান করা আমার নেশা হয়ে দাঁড়ায়। ওই সময় আমি ছাদ বাগান গড়ি।’

কুমিল্লা বোটানিক্যাল গার্ডেনের প্রবেশপথের দুপাশে কয়েক মাস আগেও ছিল ঝোপঝাড় ও খানাখন্দ। জঙ্গল পরিষ্কারের পর ভূমি সমতল করে সেখানে লাগানো হয়েছে সবজি ও ফলের গাছ।

কুমিল্লার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান প্রায় একশ শতক পতিত জমিতে এই বাগান গড়ে তুলেছেন।

তার বাগানে আছে ফুলকপি, বাঁধাকপি, ধনেপাতা, মরিচ, শিমসহ হরেক রকম শীতকালীন সবজি। আছে আম, জাম, কাঁঠাল, পেয়ারা, জামরুল, আনারস ও সফেদার গাছ। এ ছাড়া ভেষজ উদ্ভিদের মধ্যে রয়েছে হরিতকি, বাসক, বহেরা ও অর্জুন।

বেশ কয়েকজন শ্রমিকের সঙ্গে জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান নিজেও সবজি ও ফলবাগান পরিচর্যা করেন নিয়মিত।

ঝোপঝাড়ে নান্দনিক বাগান কুমিল্লার ডিসির
পতিত জমিতে কাজ করছেন জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান

ডিসি বলেন, ‘আমি ছোট বেলা থেকেই সবজি বাগান করতাম। যখন সহকারী কমিশনার ভূমি হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করি তখন সবজি বাগান করা আমার নেশা হয়ে দাঁড়ায়। ওই সময় আমি ছাদ বাগান গড়ি।’

‘বিশেষ করে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আমি প্রচুর সবজি বাগান করি। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে আমি আমার বাগানে উৎপাদিত সবজি বিতরণ করে থাকি।’

তিনি আরও বলেন, আমার বাগানে সূর্যমুখী, গাঁদা, গোলাপসহ নানা প্রজাতির ফুলের গাছ রয়েছে। কিছুদিন পর বাগান থেকে সবজি ও বিভিন্ন ফল পাওয়া যাবে। পরিকল্পনা আছে বাগানে শিক্ষার্থীদের নিয়ে আসব। তাদের মাঝে সবজি ও ফল বিতরণ করব। যেন শিক্ষার্থীরা বাগান করতে উদ্বুদ্ধ হয়।

বাগান করার ক্ষেত্রে স্ত্রীর অনুপ্রেরণা রয়েছে উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেন, ‘আমার স্ত্রী উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। বাগান করার ক্ষেত্রে তার অনুপ্রেরণা আমাকে উৎসাহিত করে।’

বাগানের বড় গাছগুলোতে পাখিদের জন্য গাছে টানিয়েছেন মাটির কলস। যেখানে পাখি এসে আবাস গড়েছে।

আরও পড়ুন:
মেঘনায় জেলেদের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ৫ পুলিশ
হোম ডেলিভারি হচ্ছে মা ইলিশ
ইলিশ ধরে কারাগারে ৯ জেলে
১০ লাখ মিটার কারেন্ট জালসহ ৫ ট্রলার জব্দ
জেল-জরিমানা করেও ঠেকানো যাচ্ছে না ইলিশ শিকার

শেয়ার করুন

ভারতে গরুসহ বাংলাদেশি যুবক আটক, থানায় হস্তান্তর

ভারতে গরুসহ বাংলাদেশি যুবক আটক, থানায় হস্তান্তর

বিজিবি-১৬ (নওগাঁ) ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক রেজাউল কবির নিউজবাংলাকে জানান, ভোরে পোরশা সীমান্ত দিয়ে ৭ থেকে ৮ জন অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে। গরু-মহিষ নিয়ে দেশে ফেরার পথে ভারতের মালদা জেলার ভূতপাড়া এলাকায় কেদারি ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা ৩টি গরুসহ মনিরুলকে আটক করেন।

ভারতে গরুসহ বাংলাদেশি যুবককে আটকের পর বিএসএফ তাকে পুলিশে দিয়েছে বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বিজিবি বলছে, শনিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তাকে মালদা জেলার হবিপুর থানা পুলিশের কাছে দেয়া হয়।

আটক মনিরুল ইসলাম পোরশা উপজেলার নিতপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামের বাসিন্দা।

বিজিবি-১৬ (নওগাঁ) ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেজাউল কবির নিউজবাংলাকে জানান, ভোরে পোরশা সীমান্ত দিয়ে ৭ থেকে ৮ জন অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন।

গরু-মহিষ নিয়ে দেশে ফেরার পথে ভারতের মালদা জেলার ভূতপাড়া এলাকায় কেদারি ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদের ধাওয়া করেন। এ সময় অন্যরা পালিয়ে এলেও মনিরুলকে ৩টি গরুসহ আটক করে তারা।

কর্নেল রেজাউল আরও বলেন, বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
মেঘনায় জেলেদের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ৫ পুলিশ
হোম ডেলিভারি হচ্ছে মা ইলিশ
ইলিশ ধরে কারাগারে ৯ জেলে
১০ লাখ মিটার কারেন্ট জালসহ ৫ ট্রলার জব্দ
জেল-জরিমানা করেও ঠেকানো যাচ্ছে না ইলিশ শিকার

শেয়ার করুন

নৌকার সমর্থকদের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থীর হামলার অভিযোগ

নৌকার সমর্থকদের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থীর হামলার অভিযোগ

চেয়ারম্যান নুরুল বলেন, ‘নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রতিদ্বন্দ্বীরা শুরু থেকেই নানা রকম টালবাহানা করছে। নিজেরা অফিস ভেঙে আমার কর্মীদের ওপর দোষারোপ করেছে। গতকাল রাতে ওল্টু নির্বাচনি বিধি লঙ্ঘন করে মোটরসাইকেল শোডাউন করেছে। নিজেরা গণ্ডগোল করে এখন আমাদের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।’

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করেছেন এক স্বতন্ত্র প্রার্থী।

আলমডাঙ্গা থানায় শনিবার সকাল ৯টার দিকে হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের লিখিত অভিযোগ করেন হারদী ইউপি নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশিকুজ্জামান ওল্টু। যদিও পুলিশ বলছে, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

ওল্টু নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শুক্রবার ছিল ভোটের প্রচারের শেষ দিন। হারদী কৃষি ক্লাবে পথসভা শেষে তারা রাতে বাড়ি ফিরছিলেন। বর্তমান চেয়ারম্যান ও এবারের নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী নুরুল ইসলামের বাড়ির সামনে কুদ্দুস বটতলার মোড়ে পৌঁছালে নুরুলের কর্মী-সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়।

‘হামলায় আমার ১৪ জন কর্মী আহত হয়েছে। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আমার পথসভার ৩০টি আলমসাধু, ইজিবাইক ও পাখি ভ্যান ভাঙচুর করেছে। আমি এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছি।’

এই অভিযোগ অস্বীকার করে চেয়ারম্যান নুরুল বলেন, ‘নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তারা শুরু থেকেই নানা রকম টালবাহানা করছে। নিজেরা অফিস ভেঙে আমার কর্মীদের ওপর দোষারোপ করেছে। গতকাল রাতে ওল্টু নির্বাচনি বিধি লঙ্ঘন করে মোটরসাইকেল শোডাউন করেছে। নিজেরা গণ্ডগোল করে এখন আমাদের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।’

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, রাতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পথসভাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। তবে কোনো গাড়ি ভাঙচুর বা মারধরের ঘটনা ঘটেনি।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে রোববার আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদীসহ ১৩টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হবে। ১৩ ইউপিতে আওয়ামী লীগের ১৩ জন, বিদ্রোহী ৩০ জন, বিএনপির ছয়জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ছয়জন ও স্বতন্ত্র পরিচয়ে জামায়াতে ইসলামের পাঁচজন চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ইউপিতে সহিংসতার অভিযোগ উঠেছে।

আরও পড়ুন:
মেঘনায় জেলেদের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ৫ পুলিশ
হোম ডেলিভারি হচ্ছে মা ইলিশ
ইলিশ ধরে কারাগারে ৯ জেলে
১০ লাখ মিটার কারেন্ট জালসহ ৫ ট্রলার জব্দ
জেল-জরিমানা করেও ঠেকানো যাচ্ছে না ইলিশ শিকার

শেয়ার করুন

ভাসানচর থেকে পালানোর সময় ২৩ রোহিঙ্গা আটক

ভাসানচর থেকে পালানোর সময় ২৩ রোহিঙ্গা আটক

নোয়াখালীর হাতিয়ার ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য নির্মিত ঘর। ছবি: নিউজবাংলা

পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভাসানচর আশ্রয়ণ ক্যাম্পের বিভিন্ন স্থানে এপিবিএন সিভিল দল ও কোস্ট গার্ডের অভিযানে ২৩ রোহিঙ্গা আটক হয়।

নোয়াখালীর হাতিয়ার ভাসানচরে শুক্রবার পালানোর সময় ৫ দালালসহ ২৩ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে।

ভাসানচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

আটক ২৩ জনের মধ্যে পাঁচ দালাল, চার পুরুষ, ছয় নারী ও আট শিশু রয়েছে।

পাঁচ দালাল হলেন ভাসানচর ৬৩ নম্বর ক্লাস্টারের আবদুস শুক্কুর, মোহাম্মদ রজুমল্ল্যাহ, শামসুল আলম, ৫১ নম্বর ক্লাস্টারের কেফায়েত উল্লাহ ও ২৬ নম্বর ক্লাস্টারের এনায়েত উল্লাহ।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভাসানচর আশ্রয়ণ ক্যাম্পের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে রোহিঙ্গাদের আটক করে এপিবিএন সিভিল দল ও কোস্ট গার্ড।

কোস্ট গার্ডের ভাসানচর ক্যাম্পের কমান্ডার খলিলুর রহমান জানান, আটক ৫ রোহিঙ্গা দালালকে ভাসানচর থানা এবং বাকি ১৮ জনকে ক্যাম্পের প্রশাসন ইনচার্জের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ভাসানচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আটক দালালদের বিরুদ্ধে বিদেশি নাগরিক আইনে মামলা করা হয়েছে। আটক অন্য রোহিঙ্গাদের পুনরায় আশ্রয়ণ কেন্দ্রে ফেরত পাঠানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
মেঘনায় জেলেদের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত ৫ পুলিশ
হোম ডেলিভারি হচ্ছে মা ইলিশ
ইলিশ ধরে কারাগারে ৯ জেলে
১০ লাখ মিটার কারেন্ট জালসহ ৫ ট্রলার জব্দ
জেল-জরিমানা করেও ঠেকানো যাচ্ছে না ইলিশ শিকার

শেয়ার করুন