সরকারি জমি আ.লীগ নেতাদের দখলে

সরকারি জমি  আ.লীগ নেতাদের দখলে

সরকারি জমিতে প্রকাশ্যে আ. লীগ নেতাদের দখলের কাজ চলছে। ছবি: নিউজবাংলা

সরকারি জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ প্রসঙ্গে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, ‘বাজারটা হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি। অনেকেই দখল করে বড় বড় বিল্ডিং করেছেন। আমি জমি দখল করছি না। আমি প্রাচীরের কাজ করছি।’

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে পৌর শহরের চৌরাস্তা হাটের সরকারি জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের তদারকি না থাকায় কোনো বাধা ছাড়াই জমি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও ভবন নির্মাণ করছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জমিটি দখলমুক্ত করতে অবৈধ স্থাপনার কাজ বন্ধ করা হয়েছে। তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, কাজ চলছে অবাধে ও প্রকাশ্যেই।

সরকারি জমি  আ.লীগ নেতাদের দখলে

পৌরসভা দপ্তর সূত্রে জানা যায়, বাজারটি ১৯৯০ সাল পর্যন্ত পৌরসভা থেকে বার্ষিক ইজারায় দেয়া হয়। এরপর থেকে আর ইজারা দেয়া হয়নি। ভূমি অফিসের লোকজনের সহায়তায় সেখানে রাতারাতি অবৈধভাবে আধাপাকা বাড়ি, পাকা ভবন ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেন এলাকার প্রভাবশালীরা।

হাটের জায়গায় ব্যক্তিমালিকানায় অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠায় পরে কর্তৃপক্ষ তা বাজার হিসেবে ইজারা দিতে চাইলেও প্রভাবশালী দখলদারদের ভয়ে কেউ লিজ নিতে রাজি হয়নি।

ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৪-৮৫ এবং ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে দুটি মিস কেসের মাধ্যমে চৌরাস্তা হাটের সম্পত্তি পেরিফেরিভুক্ত করে ভূমি অফিস।

সরকারি জমি  আ.লীগ নেতাদের দখলে

বাজারের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদের জন্য ২০০৯ সালে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় ওই বছরই ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসককে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন।

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ বাস্তবায়নে পীরগঞ্জ পৌর কর্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করলেও সে সময় কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

সেই সুযোগে শহরের প্রাণকেন্দ্র রঘুনাথপুর মৌজায় (ঢাকাইয়াপট্টি) পেরিফেরিভুক্ত চৌরাস্তা হাটের উত্তর পূর্বাংশে অবৈধভাবে পাকা স্থাপনার কাজ শুরু করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি ইমদাদুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ানুল হক বিপ্লব।

শতকোটি টাকা মূল্যের সরকারি হাটের জমি দখল করতে ইমদাদুল হক সীমানা প্রাচীর তুলছেন। আর বিপ্লব ওই জমিতে বানাচ্ছেন বহুতল ভবন।

বিষয়টি নজরে এলে দখল ঠেকাতে চলতি বছরের ১৩ অক্টোবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজাউল করিমকে নির্দেশনা দেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাহাবুবুর রহমান।

সরকারি জমি  আ.লীগ নেতাদের দখলে

ডিসি নিউজবাংলাকে জানান, নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলে পীরগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাকে জানিয়েছেন।

অথচ গত ১৪ অক্টোবর দেখা যায় নির্মাণকাজ চলছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, ডিসির নির্দেশনার পর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ না করে দখলদারদের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে চলে যান। সরকারি জমি দখলদারদের পাইয়ে দেয়ার পেছনে খোদ ইউএনও রেজাউল করিম কাজ করেছেন।

এ প্রসঙ্গে ইউএনও রেজাউল বলেন, অভিযোগ ঠিক নয়। কাজ বন্ধ করা হয়েছিল। আবার কাজ চালু হওয়ার বিষয়টি তিনি জানেন না।

তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে আবারও নির্মাণকাজ বন্ধের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সরকারি জমি  আ.লীগ নেতাদের দখলে

সরকারি জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ প্রসঙ্গে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, ‘বাজারটা হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি। অনেকেই দখল করে বড় বড় বিল্ডিং করেছেন। আমি জমি দখল করছি না। আমি প্রাচীরের কাজ করছি।’

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ানুল হক বিপ্লব বলেন, ‘আমি এখানে ২০ বছর ধরে আধাপাকা বাড়ি করে আছি। এখন ভেঙে পাকা বাড়ি নির্মাণ করছি। হাটের পেরিফেরি থেকে জায়গাটা অবমুক্তির জন্য আবেদন করা হয়েছে।’

পীরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা ইকরামুল হক বলেন, ‘পেরিফেরিভুক্ত জমিতে ঘর নির্মাণের অনুমতি পৌরসভা দিতে পারে না। কাজ বন্ধ করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
পাকুন্দিয়ায় আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ৫
বিতর্কিত প্রার্থীদের বাদ দিচ্ছে আ.লীগ
স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটিতে আওয়ামী সংশ্লিষ্টরা
ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৫ ইউপিতে নৌকার প্রার্থী বাছাই
ঢাকা গোছাতে এবার আ.লীগের ইউনিট সম্মেলন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

খাটের নিচে ইয়াবা, কারাগারে গৃহকর্তা

খাটের নিচে ইয়াবা, কারাগারে গৃহকর্তা

র‍্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) নিয়াজ মোহাম্মদ চপল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আনোয়ারার রায়পুরে মাদক কেনাবেচার খবরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় আব্দুল মান্নান দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে তার তথ্যে নিজ ঘরের খাটের নিচ থেকে দুটি কালো পলিথিনে রাখা ১ লাখ ২৮ হাজার ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা।’

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় এক ব্যক্তির বাসার খাটের নিচ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে র‍্যাব। এ ঘটনায় করা মামলায় পুলিশ তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা জজ আদালতের মাধ্যমে আব্দুল মান্নানকে শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কারাগারে পাঠানো হয়।

উপজেলার রায়পুর এলাকা থেকে শুক্রবার সকাল সোয়া ১১ টার দিকে তাকে আটক করা হয়। ওইদিন র‍্যাব বাদী হয়ে তার নামে মামলা করলে তাকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

গ্রেপ্তার আব্দুল মান্নান একই উপজেলার খোদ্দগহিরা এলাকার বাসিন্দা।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম দিদারুল ইসলাম শিকদার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তার নামে র‍্যাব মামলা করেছে। তাকে চট্টগ্রাম জেলা জজ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

র‍্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) নিয়াজ মোহাম্মদ চপল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আনোয়ারার রায়পুরে মাদক কেনাবেচার খবরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় আব্দুল মান্নান দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে তার তথ্যে নিজ ঘরের খাটের নিচ থেকে দুটি কালো পলিথিনে রাখা ১ লাখ ২৮ হাজার ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা।’

তিনি জানান, প্রথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, মান্নান বেশ কিছুদিন ধরে মিয়ানমার থেকে সাগরপথে ইয়াবা এনে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সরবারহ করছিল।’

আরও পড়ুন:
পাকুন্দিয়ায় আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ৫
বিতর্কিত প্রার্থীদের বাদ দিচ্ছে আ.লীগ
স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটিতে আওয়ামী সংশ্লিষ্টরা
ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৫ ইউপিতে নৌকার প্রার্থী বাছাই
ঢাকা গোছাতে এবার আ.লীগের ইউনিট সম্মেলন

শেয়ার করুন

মাছের ঘেরে পড়েছিল কৃষকের নিথর দেহ

মাছের ঘেরে পড়েছিল কৃষকের নিথর দেহ

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যুর কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করছে পুলিশ।

বাগেরহাটের কচুয়া থেকে নিখোঁজের একদিন পর কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বারুইখালী গ্রামের একটি মাছের ঘের থেকে শনিবার দুপুরে মিঠু শেখের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত মিঠুর বাড়ি এই গ্রামে। ২৫ নভেম্বর রাত ১১ টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন তিনি। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

যার মাছের ঘের থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে তার নাম মো. মিঠু।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যুর কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করছে পুলিশ।

নিহতের বড় ছেলে তানভীর শেখ বলেন, ‘আমার বাবা স্থানীয় একটি মাছের ঘেরের কাছে সবজি চাষ করতেন। যে ব্যক্তি মাছ চাষ করতেন তার সঙ্গে কিছুদিন আগে ঝগড়া হয়েছিল। এ ছাড়া চাচাদের সঙ্গেও জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এর জের ধরে হত্যার ঘটনা ঘটতে পারে।

আরও পড়ুন:
পাকুন্দিয়ায় আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ৫
বিতর্কিত প্রার্থীদের বাদ দিচ্ছে আ.লীগ
স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটিতে আওয়ামী সংশ্লিষ্টরা
ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৫ ইউপিতে নৌকার প্রার্থী বাছাই
ঢাকা গোছাতে এবার আ.লীগের ইউনিট সম্মেলন

শেয়ার করুন

দুই ভাইয়ের কাকে দেবেন ভোট, দ্বিধায় ভোটাররা

দুই ভাইয়ের কাকে দেবেন ভোট, দ্বিধায় ভোটাররা

মমিনপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীকে লড়ছেন ফজলার রহমান। ছবি: নিউজবাংলা

ফজলার রহমান বলেন, ‘ভোটে ভাই ভাই বলতে কিছু নাই। সে তার ভোট করছে, আমি আমার ভোট করছি। তবে এই এলাকা লাঙ্গলের। গতবার লাঙ্গলের কাছে নৌকা হেরেছে। এবার প্রশাসন কোনো ডিস্টার্ব না করলে লাঙ্গলের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।’

মমিনপুর ইউনিয়ন পরিষদে টানা ১৪ বছর ধরে চেয়ারম্যান ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জমির উদ্দিন। তার মৃত্যুর পর জাতীয় পার্টি থেকে ভোটের লড়াইয়ে জয়ী হন পুত্রবধূ সুলতানা আক্তার কল্পনা।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে রংপুর সদর উপজেলার ১ নম্বর মমিনপুর ইউনিয়নে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জমিরের দুই ছেলে।

কল্পনার স্বামী ফজলার রহমান পেয়েছেন জাতীয় পার্টির দলীয় প্রতীক লাঙ্গল ও তার ছোট ভাই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী কামরুল ইসলাম প্রামাণিক লড়ছেন ঢোল প্রতীকে।

দুই ভাইয়ের চেয়ারম্যান পদে লড়াই নিয়ে এলাকায় চলছে বেশ আলোচনা। রোববারের ভোটে দুই ভাইয়ের কে জয়ী হবেন বা আদৌ কেউ জয় পাবেন কি না তা নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা।

মমিনপুর বাজারের মোস্তাকিম হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ভাই-ভাই ভোট করছে। শুক্রবার পর্যন্ত সকালে আইছে এক ভাইয়ের লোক, বিকালে আইছে আরেক ভাইয়ের লোক। কাকে ভোট দেমো সেটা সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। আবার আওয়ামী লীগের প্রার্থীও আছে। আমরা পড়ছি বিপদে, কাকে ছাড়ি কাকে ভোট দেই!’

দুই ভাইয়ের কাকে দেবেন ভোট, দ্বিধায় ভোটাররা

দক্ষিণ মমিনপুর মিলের বাজার এলাকার আব্দুল লতিফ বলেন, ‘কয়েক বছর থাকি তো ওরা চেয়ারম্যানি করোচে (করছে)। এবার দুই ভাই দাঁড়াইচে। আরও পাঁচজন আছে। মানুষ সিদ্ধান্ত নিতে পারোচে (পারছে) না। শোনোচি (শুনছি) খালি টাকার খেলা হওচে (হচ্ছে)।’

সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ফজলার ও কামরুল বাদে বাকি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত রেজাউল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুল হক, আওয়ামী লীগ থেকে সদ্য বহিষ্কৃত আনারস প্রতীকের মিনহাজুল ইসলাম, মোটরসাইকেল প্রতীকের জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী রেজাউল করিম ও ঘোড়া প্রতীকের ফরহাদ হোসেন চৌধুরী।

নির্বাচনের বিষয়ে ফজলার রহমান বলেন, ‘ভোটে ভাই ভাই বলতে কিছু নাই। সে তার ভোট করছে, আমি আমার ভোট করছি। তবে এই এলাকা লাঙ্গলের। গতবার লাঙ্গলের কাছে নৌকা হেরেছে। এবার প্রশাসন কোনো ডিস্টার্ব না করলে লাঙ্গলের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।’

কামরুল বলেন, ‘বাবা চেয়ারম্যান ছিলেন। এলাকায় তিনি অনেক সম্মানি ছিলেন। আমি ভোট করতে চাইনি, সাধারণ মানুষের কারণে দাঁড়াতে হয়েছে। যেহেতু ভোটাররাই আমাকে দিয়ে ভোট করাচ্ছে তাই তারা আমার সম্মান রাখবে। মানুষের কাছ থেকে বেশ সাড়া পাচ্ছি।’

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, নির্বাচন নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। ভোটের সুন্দর পরিবেশ আছে। কোনো প্রার্থীর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। সব প্রার্থী সহযোগিতা করলে সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট সম্ভব।

আরও পড়ুন:
পাকুন্দিয়ায় আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ৫
বিতর্কিত প্রার্থীদের বাদ দিচ্ছে আ.লীগ
স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটিতে আওয়ামী সংশ্লিষ্টরা
ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৫ ইউপিতে নৌকার প্রার্থী বাছাই
ঢাকা গোছাতে এবার আ.লীগের ইউনিট সম্মেলন

শেয়ার করুন

পিলারে বাইকের ধাক্কা: সেনা সদস্য নিহত

পিলারে বাইকের ধাক্কা: সেনা সদস্য নিহত

ওসি জিয়াউল হক বলেন, শুক্রবার সিলেট থেকে সেনা সদস্য দেলোয়ার হোসেন নোয়াখালীতে আসেন। সদরে বোনের বাড়ি থেকে শনিবার সকালে ভগ্নিপতি শরীফকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে স্বর্ণদ্বীপের উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি। তাদের বাইকটি আবদুল্যাহ মিয়ার হাট এলাকায় পৌঁছলে পিলারের সঙ্গে ধাক্কা খায়। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় দেলোয়ারের।

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পিলারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেল আরোহী সেনা সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে তার সঙ্গী।

উপজেলার আবদুল্যাহ মিয়ার হাট বাজার এলাকায় শনিবার বেলা ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দেলোয়ার হোসেন চাটখিল উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামের হুমায়ুন কবিরের ছেলে এবং সিলেট সেনা ক্যাম্পে সৈনিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আহত মো. শরীফ সদর উপজেলার পূর্ব এওজবালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই সেনা সদস্যের ভগ্নিপতি।

চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পরিবারের বরাতে তিনি বলেন, শুক্রবার সিলেট থেকে তিনি নোয়াখালীতে আসেন। সদরে বোনের বাড়ি থেকে শনিবার সকালে ভগ্নিপতি শরীফকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে স্বর্ণদ্বীপের উদ্দেশে যাত্রা করেন দেলোয়ার। তাদের মোটরসাইকেলটি আবদুল্যাহ মিয়ার হাট এলাকায় পৌঁছলে একটি ট্রাককে সাইড দিতে গিয়ে সড়কের পাশের একটি পিলারের সঙ্গে ধাক্কা খায়।

মাথায় আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দেলোয়ারের। গুরুতর আহত হন শরীফ। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক সৈয়দ মহি উদ্দিন আবদুল আজিম বলেন, দেলোয়ারকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। আহত শরীফকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

ওসি জিয়াউল হক বলেন, ময়নাতদন্তের পর নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আরও পড়ুন:
পাকুন্দিয়ায় আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ৫
বিতর্কিত প্রার্থীদের বাদ দিচ্ছে আ.লীগ
স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটিতে আওয়ামী সংশ্লিষ্টরা
ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৫ ইউপিতে নৌকার প্রার্থী বাছাই
ঢাকা গোছাতে এবার আ.লীগের ইউনিট সম্মেলন

শেয়ার করুন

পোড়া ঘরে পড়ে আছে ‘সুইটির বই’

পোড়া ঘরে পড়ে আছে ‘সুইটির বই’

টঙ্গীর মাজার বস্তিতে ধ্বংসস্তুপে নিজের বই দেখে সুইটি নামে এক শিক্ষার্থী কান্নায় ভেঙে পড়েন বলে জানিয়েছে তার স্বজনরা। ছবি:

শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্ডেন স্কুলে পড়ে আমার মেয়ে সোনালি। আগুন নিভে যাওয়ার পর ধ্বংসস্তুপে নিজের বই-খাতা দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছে মেয়েটি।’

তিন রুমের ঘরে অঙ্গার খাট, ড্রেসিং, টেবিল। পুড়ে যাওয়া আসবাবের পাশে পড়ে আছে কিছু বই। বইয়ের পাতায় লেখা সোনালি আফরোজা সুইটি। নামটি দেখে একজনকে জিজ্ঞেস করতেই কেঁদে ফেললেন তিনি।

শহিদুল ইসলাম নামে ওই ব্যক্তি জানান, স্বজন নিয়ে দৌড়ে পেছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে এলেও তার শেষ সম্বলটুকু পুড়ে গেছে।

তিনি বলেন, ‘স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্ডেন স্কুলে পড়ে আমার মেয়ে সোনালি। আগুন নিভে যাওয়ার পর ধ্বংসস্তুপে নিজের বই-খাতা দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছে মেয়েটি।’

শনিবার রাতে সবাই যখন ঘুমিয়ে তখন আগুন ছড়িয়ে পড়ে টঙ্গী মাজার বস্তিতে। পুড়ে যায় পাঁচ শতাধিক ঘর। দুইঘণ্টা ধরে জ্বলতে থাকা আগুনে কেউ নিহত না হলেও বেশ কয়েকজন আহত হন। সব হারিয়ে নিম্ন আয়ের মানুষজন এখন খোলা আকাশের নিচে। সহায়তার হাত বাড়িয়ে পাশে দাঁড়ানোর আকুতি বস্তিবাসীর।

ফায়ার সার্ভিস কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাতের কথা জানালেও বস্তিবাসী মনে করছে বৈদ্যুতিক লাইন থেকে অগ্নিকাণ্ড হয়েছে।

স্থানীয় ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিন সরকার জানান, পানির সংকট থাকায় আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সাত দিনের খাদ্য কর্মসূচি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজীপুর সিটির ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরণ। তিনি বলেন, তাদের তিন বেলা খাবার দেয়া হবে। পরে স্থানীয় প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এবং সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে তাদের পুনর্বাসন করা হবে।

একই বস্তিতে ২০০৫ সালেও ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন:
পাকুন্দিয়ায় আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ৫
বিতর্কিত প্রার্থীদের বাদ দিচ্ছে আ.লীগ
স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটিতে আওয়ামী সংশ্লিষ্টরা
ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৫ ইউপিতে নৌকার প্রার্থী বাছাই
ঢাকা গোছাতে এবার আ.লীগের ইউনিট সম্মেলন

শেয়ার করুন

সাবেক ডিসির দণ্ড মওকুফ: হতাশ সাংবাদিক আরিফুল

সাবেক ডিসির দণ্ড মওকুফ: হতাশ সাংবাদিক আরিফুল

বাংলা ট্রিবিউন ও ঢাকা ট্রিবিউনের কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম রিগান। ছবি: সংগৃহীত

আরিফুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি হতাশ। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অভিভাবক। তিনি আমার বিষয়টিও দেখতে পারতেন। আইন সবার জন্য। সরকারি চাকরিজীবীর আইনটি বাতিল করা প্রয়োজন।’

নির্যাতনের ঘটনায় আলোচিত কুড়িগ্রামের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুলতানা পারভীনের দণ্ড মওকুফে হতাশা প্রকাশ করেছেন বাংলা ট্রিবিউন ও ঢাকা ট্রিবিউনের জেলা প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম রিগান।

মধ্যরাতে আরিফুলকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় সুলতানার ‘লঘুদণ্ড’ মওকুফ করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।

সাবেক ডিসির আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে দেয়া ‘দুই বছরের জন্য বেতন বৃদ্ধি স্থগিত রাখা’র দণ্ডাদেশ বাতিল করে অভিযোগের দায় থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে ২৩ নভেম্বরের প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর রয়েছে সিনিয়র সচিব কে এম আলী আজমের।

এ নিয়ে শনিবার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে আরিফুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি হতাশ। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অভিভাবক। তিনি আমার বিষয়টিও দেখতে পারতেন। আইন সবার জন্য।

‘সরকারি চাকরিজীবীর আইনটি বাতিল করা প্রয়োজন। জনগণ রাষ্ট্রের মালিক হলেও এই আইনের সাথে সাংঘর্ষিক। যেহেতু আমার মামলাটি হাইকোর্টে আছে, সেখানে আমি ন্যায়বিচার পাব বলে আশাবাদী।’

কী হয়েছিল আরিফুলের সঙ্গে

২০২০ সালের ১৩ মার্চ মধ্যরাতে সাংবাদিক আরিফুল ইসলামের বাসায় হানা দিয়ে তাকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে ক্রসফায়ারের হুমকিসহ ডিসি অফিসে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে।

এরপর অধূমপায়ী আরিফের বিরুদ্ধে আধা বোতল মদ ও দেড় শ গ্রাম গাঁজা পাওয়ার অভিযোগ এনে ওই রাতেই এক বছরের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। ১৫ মার্চ আরিফ জামিনে মুক্তি পান।

এ ঘটনায় দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠলে কুড়িগ্রামের তখনকার ডিসি সুলতানা পারভীন, আরডিসি নাজিম উদ্দীন, মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিন্টু বিকাশ চাকমা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম রাহাতুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। একই সঙ্গে এ ঘটনায় বিভাগীয় অভিযোগ করা হয়। ঘটনা তদন্তে কমিটি করে মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন:
পাকুন্দিয়ায় আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ৫
বিতর্কিত প্রার্থীদের বাদ দিচ্ছে আ.লীগ
স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটিতে আওয়ামী সংশ্লিষ্টরা
ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৫ ইউপিতে নৌকার প্রার্থী বাছাই
ঢাকা গোছাতে এবার আ.লীগের ইউনিট সম্মেলন

শেয়ার করুন

মারধরে চালক নিহতের অভিযোগে বাস বন্ধ

মারধরে চালক নিহতের অভিযোগে বাস বন্ধ

মিনিবাস চালক আব্দুর রহিম নিহতের অভিযোগে দুই রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে পরিবহন শ্রমিকরা। ছবি: নিউজবাংলা

চট্টগ্রাম সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ‘সন্ধ্যায় রাস্তায় সাইড দেয়া নিয়ে একটি নোহা গাড়ির যাত্রীরা রহিমকে প্রচণ্ড মারধর করে। হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে। এর প্রতিবাদে শ্রমিকরা এখন চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে।’

চট্টগ্রামে মারধরের জেরে মিনিবাসচালক নিহতের অভিযোগে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়কে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন পরিবহন শ্রমিকরা।

মিনিবাসচালক আব্দুর রহিম নিহতের অভিযোগে শনিবার সকালে পরিবহন শ্রমিকরা হাটহাজারীতে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়ক অবরোধ করেন।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাত ১০টার দিকে মৃত্যু হয় ৩ নম্বর সিটি সার্ভিসের চালক আব্দুর রহিমের। রহিমের বাড়ি রাউজানের গহিরা এলাকায়।

রহিমের ভাতিজা মো. শাকিল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শুক্রবার সন্ধ্যায় ফতেয়াবাদ থেকে বাস নিয়ে চট্টগ্রাম নিউ মার্কেটে যাওয়ার সময় বায়েজিদ থানা এলাকায় আতুরার ডিপোতে আমার চাচাকে কারা নাকি মারধর করছে। পরে রাত ১০টার দিকে চাচা চট্টগ্রাম মেডিক্যালে মারা গেছেন।

‘যারা মারছে তারা নাকি একটি নোহা গাড়ির যাত্রী ছিল বলে শুনছি। আমি আর কিছু জানি না।’

চট্টগ্রাম সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ‘সন্ধ্যায় রাস্তায় সাইড দেয়া নিয়ে একটি নোহা গাড়ির যাত্রীরা রহিমকে প্রচণ্ড মারধর করে। হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে। এর প্রতিবাদে সকাল ৬টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে।

‘পরে সার্কেল এসপি, ওসি ও আমরা গিয়ে শ্রমিকদের বুঝিয়ে অবরোধ উঠিয়ে দিই। তবে শ্রমিকরা এখন চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে।’

বাসচালক মৃত্যুর বিষয়ে বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘মারধরে বাসচালক মৃত্যুর বিষয়ে আমরা জানতে পারিনি। সাধারণত হাসপাতালে কেউ অস্বাভাবিক কারণে মারা গেলে আমাদের ইনফর্ম করা হয়। তবে এখন যেহেতু জেনেছি, দ্রুত খোঁজ নিচ্ছি।’

অবরোধের বিষয়ে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজিব শর্মা জানান, সকালে শ্রমিকরা হাটহাজারী স্টেশনে জড়ো হয়েছিল। কিছুক্ষণ পর তাদের বুঝিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

রাজিব বলেন, ‘শ্রমিকরা কেন সড়ক অবরোধ করেছে, সেই বিষয়টি আসলে ক্লিয়ার না। শ্রমিক নেতারা ভালো বলতে পারবেন।’

আরও পড়ুন:
পাকুন্দিয়ায় আ.লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ৫
বিতর্কিত প্রার্থীদের বাদ দিচ্ছে আ.লীগ
স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটিতে আওয়ামী সংশ্লিষ্টরা
ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৫ ইউপিতে নৌকার প্রার্থী বাছাই
ঢাকা গোছাতে এবার আ.লীগের ইউনিট সম্মেলন

শেয়ার করুন