গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা: ‘এ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা: ‘এ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষার একটি কেন্দ্র। ফাইল ছবি

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষাবিষয়ক টেকনিক্যাল সাবকমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর নিউজবাংলাকে বলেন, “আজ ভর্তি কমিটির সভায় গত ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সে মোতাবেক গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হয়েছে।”

দেশের ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষার ‘এ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষাবিষয়ক কমিটির বুধবারের সভা শেষে ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত হয়।

জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ও সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষাবিষয়ক টেকনিক্যাল সাবকমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর নিউজবাংলাকে বলেন, “আজ ভর্তি কমিটির সভায় গত ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সে মোতাবেক গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থী উপস্থিতির হার ছিল ৯৩ শতাংশ। আর ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ স্কোর ৯৫।

গত ১৭ অক্টোবর দেশজুড়ে ২৬টি কেন্দ্রে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হয়। ওই ইউনিটে আবেদন করেছিলেন ১ লাখ ৩১ হাজার ৯০১ শিক্ষার্থী। এক ঘণ্টার ভর্তি পরীক্ষা দুপুর ১২টায় শুরু হয়ে শেষ হয় ১টায়।

গুচ্ছভুক্ত ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৪ অক্টোবর আর ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে ১ নভেম্বর।

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।

এ ছাড়া রয়েছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের আয়োজনে ‘আক্ষেপ’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের আয়োজনে ‘আক্ষেপ’

বুধবার দুপুরে রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. আবদুল হামিদ প্রধান অতিথি হিসেবে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। ভুটানের প্রধানমন্ত্রী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই লোটে শেরিং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। ছবি: নিউজবাংলা

বিগত একশ বছরের অগ্রযাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে অনেক ঘাত প্রতিঘাতের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য সে অগ্রযাত্রার গতি নানা কারণে ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হারানো সেই গৌরব ফিরিয়ে আনার কথা আমাদের ভাবতে হবে। তাই শতবর্ষের এই উৎসবের ক্ষণে আমাদের শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে জোর দিতে হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত চার দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনের প্রথম দিন শেষ হয়েছে। আয়োজনে বক্তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা অর্জনের পাশাপাশি কী করা যায়নি, তা নিয়ে আক্ষেপের কথা বলেন।

আগামীর বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ লোকবল তৈরিতে মানসম্মত শিক্ষার ওপর জোর দেন বক্তারা। বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়টিকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে গর্ব করতে চান তারা।

বুধবার দুপুরে রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. আবদুল হামিদ প্রধান অতিথি হিসেবে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

১৯২১ সালের ১ জুলাই যাত্রা শুরু করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১০০ বছর পূর্ণ করে গত ১ জুলাই। কিন্তু করোনার কারণে শতবর্ষের এই অনুষ্ঠান করা যায়নি সে সময়। মহামারি পরিস্থিতির উন্নতির কারণে পাঁচ মাস পর হচ্ছে এই আয়োজন।

ভুটানের প্রধানমন্ত্রী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই লোটে শেরিং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের আয়োজনে ‘আক্ষেপ’

শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবকে কেন্দ্র করে সাজানো হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। ক্যাম্পাসের কলাভবন, মলচত্বর, টিএসসি, কার্জন হল, বিভিন্ন স্থাপনা বর্ণিলরূপে সাজানো হয়েছে। করা হয়েছে আলোকসজ্জার ব্যবস্থাও।

এছাড়া ‘শতবর্ষের আলোয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে আলোক বাক্স ও প্ল্যাকার্ডের রঙিন আবহে উৎসবের আমেজ বইছে ক্যাম্পাসজুড়ে।

চার দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠান পুরোটাই হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে। এজন্য সেখানেই সাজানো হয়েছে অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চ।

মঞ্চের সামনে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ১০ হাজার জনের বসার একটা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কাউটস টিম, বিএনসসি (নেভি,এয়ার,আর্মি) এবং রেঞ্জারের প্রায় তিন শতাধিক কর্মী অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্বে ছিলেন।

বুধবার বেলা সাড়ে এগারোটা থেকে প্রথম দিনের অনুষ্ঠান শুরু হয়। অতিথিদের মঞ্চে আসন গ্রহণ শেষে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হোন। এরপর গাওয়া হয় জাতীয় সংগীত।

সোয়া বারোটায় প্রদর্শন করা হয় শতবর্ষের তথ্যচিত্র প্রদর্শনী। বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগ উদ্যোগে এই তথ্যচিত্রটি নির্মিত হয়। সাত মিনিটের এ তথ্যচিত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্ম, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভূমিকাসহ সার্বিক দিক ফুটিয়ে তোলা হয়।

তথ্যচিত্র প্রদর্শন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ, নৃত্যকলা বিভাগ এবং দেশের প্রথিতযশা শিল্পীদের সমন্বয়ে তৈরি শতবর্ষের থিম সং পরিবেশন করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের আয়োজনে ‘আক্ষেপ’

সাড়ে বারোটায় রাষ্ট্রপতির পক্ষে বিশেষ স্যুভেনির গ্রহণ করেন উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান। কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দীন তার হাতে এটি তুলে দেন।

সন্ধ্যা ছয়টা থেকে শুরু হয় প্রথম দিনের সমাপনী পর্ব অর্থাৎ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। রূপা চক্রবর্তী এই পর্বের উপস্থাপনা করেন।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ, একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন আসাদুজ্জামান নূর।

ভারতের শ্রীকান্ত আচার্য ছাড়াও বাংলাদেশের ফরিদা পারভীন, ফাতেমা তুজ জোহরা, সামিনা নবী, সৈয়দ আব্দুল হাদী সংগীত পরিবেশন করেন।

সর্বশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের নৃত্য পরিবেশনের মধ্য দিয়ে প্রথম দিনের অনুষ্ঠান শেষ হয়।

কে কী বললেন

শতবর্ষপূর্তি ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলেক্ষ্যে প্রকাশিত ৬ টি বই, ফটোগ্রাফি অ্যালবাম ও ওয়েবসাইট উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ. এস. মাকসুদ কামাল অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই লোটে শেরিং।

প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মান অর্জনের পরামর্শ দেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ। এজন্য তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে পাঠ্যক্রম নির্ধারণ ও পাঠদানের ক্ষেত্রে বিশ্বমানের কথা বিবেচনায় রাখার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘মাতা-পিতা ও অভিভাবকবা অনেক আশা আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ছেলে-মেয়েদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠান। তাদের পিছনে দেশ ও জনগণের বিনিয়োগও যথেষ্ট। তাই শিক্ষার্থীদেরকে পরিবার,দেশ ও জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণে সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।’

দুইজন নারী শিক্ষার্থী নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে ছাত্রীর সংখ্যা ৪০ শতাংশের বেশি। দেশে নারীর ক্ষমতায়নের এটি একটি বিশাল সাফল্য বলেও মনে করেন রাষ্ট্রপতি।

তিনি বলেন, ‘চতুর্থ শিল্প বিপ্লব এগিয়ে চলছে। কয়েক বছর পরই পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের ঢেউ বইতে শুরু করবে। সে জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এ লক্ষ্যে পথিকৃতের ভূমিকা পালন করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, বিগত একশ বছরের অগ্রযাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে অনেক ঘাত প্রতিঘাতের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য সে অগ্রযাত্রার গতি নানা কারণে ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হারানো সেই গৌরব ফিরিয়ে আনার কথা আমাদের ভাবতে হবে। তাই শতবর্ষের এই উৎসবের ক্ষণে আমাদের শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে জোর দিতে হচ্ছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘বাজেট দিলে বড় বড় বিল্ডিং হলে যে আপনার গবেষণা, অধ্যাবসায় বাড়বে এমনটা না। এরিস্টটল, সক্রেটিস কিংবা মার্শাল ম্যাকলুহানের বড় বড় অট্টালিকা ছিল না, ঘর-বাড়ি ছিল না। কিন্তু তাদের অধ্যাবসায় ছিল, জ্ঞানের প্রচেষ্টা ছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা আছেন তারাও সেই দিকে আরও একটু মনোযোগী হবেন, যাতে আমরা গর্ব করে বলতে পারি, আমার বিশ্ববিদ্যালয় পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ।’

বিকেল চারটা থেকে শুরু হয় প্রথম দিনের অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব। এই পর্বের সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক এ এফ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায় সম্মাননীয় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, ‘জন্মলগ্ন থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। জ্ঞান-বিজ্ঞান ও মেধা চর্চায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলছে।’

আলোচনায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতি রাষ্ট্র গঠনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অনন্য। শিক্ষার আলো ছড়িয়ে বাঙালি জাতির উন্নয়নে এ বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় পথ দেখিয়েছে। …ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ভাষা আন্দোলন, বাঙালির মুক্তি সংগ্রাম, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, জনগণের অধিকার আদায়, নারী জাগরণ, নারী শিক্ষা বিস্তারসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন।’

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি অবজারভারের সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ‘দেশের সকল গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের সূতিকাগার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু জ্ঞান ও শিক্ষা বিস্তারেই ভূমিকা রাখেনি বরং দেশের সার্বিক উন্নয়নে রয়েছে এর অনন্য অবদান।’

সভাপতির ভাষণে ইমেরিটাস অধ্যাপক এ এফ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘পশ্চাদপদ সমাজ পরিবর্তনের এক ঐতিহাসিক প্রয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। সামাজিকতা, গণতান্ত্রিকতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার শিক্ষা এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই আমরা শিখেছি।’

শেয়ার করুন

জগন্নাথে প্রতি আসনের জন্য লড়াই ১৪ জনের

জগন্নাথে প্রতি আসনের জন্য লড়াই ১৪ জনের

গত ১৫ নভেম্বর দুপুর ১২ টা থেকে অনলাইনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন শুরু হয়। প্রথমে আবেদনের সময়সীমা ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত থাকলেও পরে তা পাঁচ দিন বাড়িয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত করা হয়।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদনের সময়সীমা শেষ হয়েছে।

মঙ্গলবার রাত ১১ টা ৫৯ মিনিটে আবেদনের সময় শেষ হয়। তিনটি ইউনিটে ২৭০০ সিটের বিপরীতে প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থীর আবেদন পড়েছে। এতে আসনপ্রতি লড়াই করবে ১৪ জনের কিছু বেশি।

আবেদনের সময় শেষ হলেও যারা বিভিন্ন জটিলতায় ফাইনাল সাবমিশন করেননি তারা আবার সাবজেক্ট চয়েজ দিতে এবং যারা আবেদন করলেও টাকা পে করতে পারেন নি তারা পেমেন্ট ও সমস্যা সংশোধনের জন্য ২-১ দিন সুযোগ পাবেন

বুধবার বিকেলে নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক উজ্জ্বল কুমার আচার্য্য।

তিনি বলেন, 'অনেকেই আবেদন করেছেন দোকান থেকে৷ দোকানদার না বুঝেই নিজের ইচ্ছামতো সাবজেক্ট চয়েজ দিয়ে দেয়। ফলে সাবজেক্ট চয়েজে অনেকেরই ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে৷ যারা ফাইনাল সাবমিশন করেননি, আমরা তাদের আগামীকাল অবদি সাবজেক্ট রিভিউ করার সুযোগ দিচ্ছি।

‘অনেকেই আবেদন করেছেন কিন্তু টাকা পে করতে পারেননি। তাদের আবেদন ফি পে করার জন্য একদিন সময় দেয়া হচ্ছে।'

তিনি আরও বলেন, 'জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সবসময়ই শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে। আবেদন করতে গিয়ে যেসব অভিযোগ এসেছে সেসব আমরা সমাধান করে তারপর মেধাতালিকা প্রকাশ করব।'

বৃহস্পতিবার ডিনস কমিটির সভা শেষে প্রাথমিক মেধাতালিকা প্রকাশের তারিখ জানানো হবে বলেও জানান তিনি। ভর্তির তারিখসহ বিস্তারিত তথ্যও এদিন সভা শেষে জানানো হবে।

গত ১৫ নভেম্বর দুপুর ১২ টা থেকে অনলাইনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন শুরু হয়। প্রথমে আবেদনের সময়সীমা ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত থাকলেও পরে তা পাঁচ দিন বাড়িয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত করা হয়।

শেয়ার করুন

এইচএসসির প্রবেশপত্র না পেয়ে সড়ক অবরোধ

এইচএসসির প্রবেশপত্র না পেয়ে সড়ক অবরোধ

রংপুরে সড়ক অবরোধ করেছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

পরীক্ষার্থী মো. মুকুল বলেন, ‘আমাদের ফরম পূরণ বাবদ ২৬৬ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে তিন হাজার একশ টাকা নেয়া হয়েছে। আগামীকাল পরীক্ষা। আমরা কলেজে গেছিলাম, প্রিন্সিপল স্যার ছিলেন না। কলেজের দপ্তরি খোকন ছিলেন। আমরা প্রবেশপত্রের কথা বললে কেউ কিছু বলতে পারেনি।’

এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র না পাওয়ায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে রংপুরের সাহেবগঞ্জ বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, বুধবার পরীক্ষা, অথচ প্রবেশপত্র না দিয়ে উধাও হয়ে গেছেন অধ্যক্ষ।

সাহেবগঞ্জ তিন মাথার মোড়ে অবস্থান নিয়ে বুধবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে বিক্ষোভ করেছে তারা। এতে রংপুর হারাগাছ ও হারাগাছ সাত মাথা সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পরীক্ষার্থী মো. মুকুল বলেন, ‘আমাদের ফরম পূরণ বাবদ ২৬৬ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে তিন হাজার একশ টাকা নেয়া হয়েছে। আগামীকাল পরীক্ষা। আমরা কলেজে গেছিলাম, প্রিন্সিপল স্যার ছিলেন না। কলেজের দপ্তরি খোকন ছিলেন। আমরা প্রবেশপত্রের কথা বললে কেউ কিছু বলতে পারেনি।’

আরেক ছাত্র শাকিল ইসলাম বলেন, ‘অ্যাডমিট কার্ড না পেলে এবং পরীক্ষা দিতে না পারলে সড়ক ছাড়ব না।’

বিক্ষুব্ধ ছাত্রদের সঙ্গে রাস্তায় দেখা গেছে অভিভাবকদেরও।

এক পরীক্ষার্থীর মা নাজনীন বেগম বলেন, ‘কত কষ্ট করি আমার মেয়ের ফরম পুরণের টাকা দিচি। মেয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে না এটা কেমন কথা। ওই প্রিন্সিপল টাকা মারি খাইচে। হামরা ওই প্রিন্সিপলের বিচার চাই।’

আরেক অভিভাবক রানু বালা বলেন, ‘আমার মেয়ের জীবনটা নষ্ট না হয়। আরও এক বছর গেলে জীবন তো শ্যাষ। আমার দুইটা মেয়ে পড়ে। অ্যাডমিট দেউক, মেয়েরা পরীক্ষা দিবে।’

এ বিষয়ে জানতে কলেজের অধ্যক্ষ মো. আইনুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার সাজ্জাদ হোসেন জানান, পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ শুনেছেন। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন।

শেয়ার করুন

৭ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

৭ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

কৃষিবিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রি প্রদানকারী সাতটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৭ নভেম্বর গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা হয়। সেই ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে।

দেশের সাতটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথম বর্ষের (২০২০-২১) গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. গিয়াসউদ্দিন মিয়া এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘গত ২৭ নভেম্বর সাত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ভর্তি কমিটির সভায় বুধবার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত হয়। দ্বিতীয়বারের মতো কৃষিবিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রি প্রদানকারী সাতটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা হয়।’

এর আগে গত শনিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সাতটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে ভর্তি পরীক্ষা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হচ্ছে: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

শেয়ার করুন

দুই বছর পর পরীক্ষায় বসছে এইচএসসির শিক্ষার্থীরা

দুই বছর পর পরীক্ষায় বসছে এইচএসসির শিক্ষার্থীরা

ফাইল ছবি

করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে এবারের এইচএসসি পরীক্ষা অন্যান্য বছরের মতো হবে না। পরীক্ষা হবে শুধু নৈর্বাচনিক বিষয়ে। আর আবশ্যিক বিষয়ে আগের পাবলিক পরীক্ষার সাবজেক্ট ম্যাপিং করে মূল্যায়নের মাধ্যমে নম্বর দেয়া হবে। চতুর্থ বিষয়েরও পরীক্ষা নেয়া হবে না।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে শিক্ষাবর্ষ শেষের পর আট মাস দেরিতে আজ শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এবার পরীক্ষায় বসছে প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থী। পরীক্ষা শেষ হবে ৩০ ডিসেম্বর। এবারের এইচএসসির মাধ্যমে মূলত দুই বছর পর শিক্ষার্থীরা যাচ্ছে পরীক্ষা কেন্দ্রে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, করোনা পরিস্থিতিতে গত বছর এইচএসসি পরীক্ষা হয়নি। বিশেষভাবে মূল্যায়ন করে পরীক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ দেখানো হয়। এবারের এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে হলেও তা অন্যান্য বছরের মতো হবে না। পরীক্ষা হবে শুধু নৈর্বাচনিক বিষয়ে। আর আবশ্যিক বিষয়ে আগের পাবলিক পরীক্ষার সাবজেক্ট ম্যাপিং করে মূল্যায়নের মাধ্যমে নম্বর দেয়া হবে। চতুর্থ বিষয়েরও পরীক্ষা নেয়া হবে না।

পরীক্ষা হবে দুই শিফটে। সকালের শিফটের পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ১০টায়, শেষ হবে বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে। বৃহস্পতিবার সকালের শিফটে বিজ্ঞান শাখার পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) বিষয়ের পরীক্ষা দিয়ে শুরু হবে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। আর বিকেলের শিফটে পরীক্ষা হবে বেলা ২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত।

পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাইলে আন্তশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা আয়োজনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানার এবং কোনো ধরনের গুজবে কান না দেয়ার অনুরোধ জানাই।’

সাধারণত প্রতিবছর এপ্রিল মাসে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হলেও করোনা মহামারির কারণে এ বছর পাবলিক পরীক্ষা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নেয়ার ঘোষণা দেয় সরকার।

এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬৯০ শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ২৯ হাজার ৭৩৮ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৬৯ হাজার ৯৫২ জন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, এবার সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষা দেবে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ১৭ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৫ লাখ ৬৩ হাজার ১১৩ জন এবং ছাত্রী ৫ লাখ ৭৪ হাজার ৯০৪ জন।

মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষা দেবে ১ লাখ ১৩ হাজার ১৪৪ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬১ হাজার ৭৩৮ জন এবং ছাত্রী ৫১ হাজার ৪০৬ জন।

এইচএসসি (বিএম/ভোকেশনাল) পরীক্ষা দেবে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫২৯ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৪ হাজার ৮২৭ জন এবং ছাত্রী ৪৩ হাজার ৬৪২ জন।

আন্তশিক্ষা বোর্ড থেকে জানা যায়, এবার এইচএসসি-সমমান পরীক্ষার জন্য ১৫ লাখ ৫৮ হাজার শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করেছিল। সে হিসাবে এ বছর এইচএসসিতে ঝরে পড়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৩১০ জন। এবার ৯ হাজার ১৮৩টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ২ হাজার ৬২১টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে।

কবে কোন পরীক্ষা

২ ডিসেম্বর: পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ১ম পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত), সাধারণ বিজ্ঞান এবং খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ১ম পত্র (রসায়ন), সাধারণ বিজ্ঞান এবং খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ১ম পত্র (জীববিজ্ঞান), খাদ্য ও পুষ্টি ১ম পত্র, লঘু সংগীত (তত্ত্বীয়) ১ম পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

৫ ডিসেম্বর: যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং হিসাববিজ্ঞান ১ম পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

৬ ডিসেম্বর: পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ২য় পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং সাধারণ বিজ্ঞান এবং খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ২য় পত্র (খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান), খাদ্য ও পুষ্টি ২য় পত্র, লঘু সংগীত (তত্ত্বীয়) ২য় পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

৭ ডিসেম্বর: যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং হিসাববিজ্ঞান ২য় পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

৮ ডিসেম্বর: রসায়ন (তত্বীয়) ১ম পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং শিশু বিকাশ ১ম পত্র, উচ্চাঙ্গ সংগীত (তত্ত্বীয়) ১ম পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

৯ ডিসেম্বর: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, ইতিহাস ১ম পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র, ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

১২ ডিসেম্বর: রসায়ন (তত্ত্বীয়) ২য় পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং শিশু বিকাশ ২য় পত্র, উচ্চাঙ্গ সংগীত (তত্ত্বীয়) ২য় পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

১৩ ডিসেম্বর: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, ইতিহাস ২য় পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ২য় পত্র, ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ২য় পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

১৫ ডিসেম্বর: জীববিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ১ম পত্র, উচ্চতর গণিত ১ম পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং গৃহ ব্যবস্থাপনা ও শিশুবর্ধন এবং পারিবারিক সম্পর্ক (তত্ত্বীয়) ১ম পত্র, গৃহ ব্যবস্থাপনা ও পারিবারিক জীবন ১ম পত্র, ইসলাম শিক্ষা ১ম পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

১৯ ডিসেম্বর: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

২০ ডিসেম্বর: জীববিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ২য় পত্র, উচ্চতর গণিত ২য় পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং গৃহ ব্যবস্থাপনা ও শিশুবর্ধন এবং পারিবারিক সর্ম্পক (তত্ত্বীয়) ২য় পত্র, গৃহ ব্যবস্থাপনা ও পারিবারিক জীবন ২য় পত্র, ইসলাম শিক্ষা ২য় পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

২১ ডিসেম্বর: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

২২ ডিসেম্বর: ভূগোল (তত্ত্বীয়) ১ম পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং আরবি ১ম পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

২৩ ডিসেম্বর: ভূগোল (তত্ত্বীয়) ২য় পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং আরবি ২য় পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

২৭ ডিসেম্বর: অর্থনীতি ১ম পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং ব্যবহারিক শিল্পকলা এবং বস্ত্র ও পোশাক শিল্প (তত্ত্বীয়) ১ম পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

২৮ ডিসেম্বর: সমাজবিজ্ঞান ১ম পত্র, সমাজকর্ম ১ম পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং ক্রীড়া (তত্ত্বীয়) ১ম পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

২৯ ডিসেম্বর: অর্থনীতি ২য় পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং ব্যবহারিক শিল্পকলা এবং বস্ত্র ও পোশাক শিল্প (তত্ত্বীয়) ২য় পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

৩০ ডিসেম্বর: সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, সমাজকর্ম ২য় পত্র (সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত) এবং ক্রীড়া (তত্ত্বীয়) ২য় পত্র (২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত)।

পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনা

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, করোনা মহামারির কারণে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা হবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের কক্ষে আসন নিতে হবে।

পরীক্ষার সময় হবে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না। পরীক্ষার দিন সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র এবং ওএমআর শিট বিতরণ করা হবে। সকাল ১০টায় বহুনির্বাচনি প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হবে। এরপর ১০টা ১৫ মিনিটে বহুনির্বাচনি উত্তরপত্র সংগ্রহের পাশাপাশি সৃজনশীল প্রশ্নপত্র দেয়া হবে।

বেলা ১টা ৩০ মিনিটে অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনি শিট বিতরণ করা হবে। বেলা ২টায় বহুনির্বাচনি প্রশ্নপত্র বিতরণ ও তার ১৫ মিনিট পর বহুনির্বাচনি উত্তরপত্র সংগ্রহের পাশাপাশি সৃজনশীল প্রশ্নপত্র দেয়া হবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। দেড় বছর পর ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয়েছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। এরপর বিশেষ ব্যবস্থা ও সূচিতে নেয়া হচ্ছে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা।

শেয়ার করুন

জাবিতে ভর্তি হতে ৪ লাখ টাকায় ‘চুক্তি’, সাক্ষাৎকারের সময় ধরা

জাবিতে ভর্তি হতে ৪ লাখ টাকায় ‘চুক্তি’, সাক্ষাৎকারের সময় ধরা

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহীন জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়ে কামালকে আটক করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার জালিয়াতি করে ভর্তি হতে আসা এক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদে সাক্ষাৎকার দিতে আসা ওই শিক্ষার্থীকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

আটক শিক্ষার্থীর নাম মোস্তফা কামাল উৎস। তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার উত্তর তারুটিয়া গ্রামে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহীন জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়ে কামালকে আটক করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

জিজ্ঞাসাবাদে কামাল জানিয়েছেন, তার দুই বন্ধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ডি’ ইউনিটে জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মাধ্যমে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ ব্যাচের শিক্ষার্থী শামীম নামে দুজনের খোঁজ পান।

তিনি আরও জানান, দুই বন্ধুর মাধ্যমে পরে মেহেদী ও শামীমের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। তাদের সঙ্গে ৪ লাখ টাকার বিনিময়ে জাবিতে চান্স পাইয়ে দেয়ার চুক্তি হয় তার। পরে তার প্রবেশপত্র নিয়ে আরেকজন জাবির গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন। পরীক্ষায় তার মেধাক্রম আসে ৩০০। পরে চুক্তি অনুযায়ী পুরো টাকা শোধ করেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আশুলিয়া থানায় মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পরে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। এ ছাড়া জালিয়াতি চক্রের বাকি সদস্যদের আটক করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

শেয়ার করুন

এইচএসসি: কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

এইচএসসি: কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়া জনসাধারণের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফাইল ছবি

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) থেকে এইচএসসি/ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিজ, এইচএসসি (ভোকেশনাল), এইচএসসি (বিএম), ডিপ্লোমা ইন কমার্স ও আলিম পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রগুলোয় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ডিএমপি।

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রগুলোর ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়া জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার রাজধানীর সব পরীক্ষা কেন্দ্রে এই কড়াকড়ি আরোপ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) থেকে এইচএসসি/ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিজ, এইচএসসি (ভোকেশনাল), এইচএসসি (বিএম), ডিপ্লোমা ইন কমার্স ও আলিম পরীক্ষা হতে যাচ্ছে।

পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রগুলোয় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

নিষেধাজ্ঞায় পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়া জনসাধারণের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এ আদেশ বৃহস্পতিবার থেকে পরীক্ষার দিনগুলোয় বহাল থাকবে।

শেয়ার করুন