সাম্প্রদায়িক সহিংসতার দায় বিএনপির: কাদের

সাম্প্রদায়িক সহিংসতার দায় বিএনপির: কাদের

বিএনপিকে ‘রাজনৈতিকভাবে সাম্প্রদায়িক’ উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ‘তারা সংখ্যালঘুদের শত্রু মনে করে। তারা ভেবেছে, পূজামণ্ডপে হামলা করলে সরকারের ওপর হিন্দু সম্প্রদায়ের অনাস্থা বাড়বে। আর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিরাজমান বন্ধুত্ব নষ্ট হবে।’

শারদীয়া দুর্গাপূজায় দেশের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ও পূজার পর বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক হামলার জন্য বিএনপি ও তার মিত্রদের দায়ী করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ঢাকার নিজ বাসভবনে বুধবার নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘ধর্মকে যারা রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য ব্যবহার করে, তারাই পরিকল্পিতভাবে বিভাজন তৈরি করতে চায়।’

বিএনপি নেতারা ‘মিথ্যাচারকে শিল্পে রূপ দিয়েছেন’ বলে মন্তব্য করেন ক্ষমতাসীন দলটির সাধারণ সম্পাদক।

কাদের বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক হামলায় নাকি সরকার জড়িত! আসলে ভিডিও ফুটেজে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসছে দেখে, তারা একচোখা দৈত্যের আচরণ শুরু করেছে।

বিএনপিকে ‘রাজনৈতিকভাবে সাম্প্রদায়িক’ উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ‘তারা সংখ্যালঘুদের শত্রু মনে করে। তারা ভেবেছে, পূজামণ্ডপে হামলা করলে সরকারের ওপর হিন্দু সম্প্রদায়ের অনাস্থা বাড়বে। আর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিরাজমান বন্ধুত্ব নষ্ট হবে।

‘যারা নিজেরা এদেশের স্বাধীনতা মেনে নিতে পারেনি, মেনে নিতে পারেনা উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি, তারাই জাতিকে বিভাজন করে দুর্বল করতে চায় এবং দেশের ইমেজ নষ্ট করতে চায়। আর এ বিভাজন রেখা তৈরি করতে চায় বিএনপি ও তার দোসররা।’

বিএনপির রাজনীতির সমালোচনা করে কাদের বলেন, ‘বিএনপির চরিত্র হচ্ছে, মুখে শেখ ফরিদ, বগলে ইট। তাদের কথায় পুষ্পবৃষ্টি হলেও অন্তর কদর্যে ভরা।

‘মসজিদগুলো মন্দির হয়ে যাবে, মসজিদে উলুধ্বনি হবে, এসব অপপ্রচার বিএনপি অতীতেও চালিয়েছে’ বলে জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। বলেন, ‘এসব অপকর্ম ও নির্জলা মিথ্যার পেটেন্ট একমাত্র বিএনপির।’

২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পর সংখ্যালঘুদের ওপর বিএনপির নির্মমতা একাত্তরকেও হার মানিয়েছিল বলে মনে করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘এখনও তারা সাম্প্রদায়িক রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি।’

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী নিয়েও কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। দিনটি মুসলিম উম্মার জন্য পবিত্র এবং মহিমান্বিত জানিয়ে সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার মহানবীর যে অমর বাণী সেটা অক্ষরে অক্ষরে পালনের জন্য দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।’

সেই সঙ্গে শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সবাইকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান ওবায়দুল কাদের।

আরও পড়ুন:
পীরগঞ্জে সহিংসতা: গ্রেপ্তার আরও ১১
পীরগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দুপাড়ায় এখনও আতঙ্ক, বিনিদ্র রাত
হামলাকারীদের দ্রুত বিচার দাবি ইসকনের
কুমিল্লায় মণ্ডপে কোরআন রাখল কারা
২৬ জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আন্দোলনে তরুণদের পাশে চায় বিএনপি

আন্দোলনে তরুণদের পাশে চায় বিএনপি

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘তরুণদেরকে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ভূ-রাজনীতি উপলব্ধি করতে হবে। সীমান্তে-হত্যা বন্ধে, ন্যায্য পানির হিস্যা, রোহিঙ্গাসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে তরুণ সমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তরুণদের সোচ্চার হতে হবে।’

জাতীয় স্বার্থে আন্দোলন-সংগ্রামে তরুণদের নেতৃত্ব দিতে আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।

মঙ্গলবার ওয়েবভিত্তিক এক সেমিনারে (ওয়েবিনার) তিনি এ আহ্বান জানান।

সাউথ এশিয়া ইয়ুথ ফর পিস এন্ড প্রসপারিটি সোসাইটি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আয়োজন করেছিল ‘জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় তরুণ সমাজের ভূমিকা’ শীর্ষক ওয়েবিনার। এটি সঞ্চালনা করেন ড. সাজ্জাদুল হক।

ওয়েবিনারে অংশ নিয়ে বিএনপি নেতা মঈন খান বলেন, ‘তরুণরাই জাতির ভবিষ্যৎ। বাংলাদেশকে বিশ্বের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে হলে তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। জাতীয় স্বার্থরক্ষা, বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার ও মর্যাদা ফিরিয়ে আনতে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকারের গঠনে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে আন্দোলন করতে হবে। আর এ আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে।

‘গণতন্ত্রহীন বাংলাদেশে মানবাধিকার, সুশাসন এবং প্রকৃত অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে মনন এবং মেধাশীলতায় তরুণ সমাজকে গড়ে তুলতে হবে। প্রবীণদের দায়িত্বশীল ভূমিকা তরুণদের সুগঠিত করতে সহায়তা করবে।’

আন্দোলনে তরুণদের পাশে চায় বিএনপি

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘তরুণদেরকে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ভূ-রাজনীতি উপলব্ধি করতে হবে। সীমান্তে-হত্যা বন্ধে, ন্যায্য পানির হিস্যা, রোহিঙ্গাসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে তরুণ সমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তরুণদের সোচ্চার হতে হবে।’

বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রায় ৬৬ ভাগের বেশি জনসংখ্যাই হল তরুণ। তাদেরকে জ্ঞানার্জন এবং আলাপ আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় স্বার্থ উপলব্ধি করার জন্য যোগ্য হয়ে গড়ে উঠতে হবে।'

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘নব্বই এর গণআন্দোলনে তরুণ সমাজের নেতৃত্ব ছিল, কিন্তু আজ তরুণ সমাজ গণতন্ত্রহীন, মানবিক মূল্যবোধহীন বাংলাদেশে সরকার দলীয় এবং পুলিশি নির্যাতনের কারণে যথাযথভাবে রাজনীতিতে ভূমিকা পালন করতে পারছে না।'

আলোচনায় অংশ নেন কর্ণেল (অব) আশরাফ আল দ্বীন, এলডিপি নেতা শাহাদাত হোসেন সেলিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শাহরিয়ার শিমুল, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাবিলা চৌধুরী সহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
পীরগঞ্জে সহিংসতা: গ্রেপ্তার আরও ১১
পীরগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দুপাড়ায় এখনও আতঙ্ক, বিনিদ্র রাত
হামলাকারীদের দ্রুত বিচার দাবি ইসকনের
কুমিল্লায় মণ্ডপে কোরআন রাখল কারা
২৬ জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি

শেয়ার করুন

ঢাকা অচলের হুমকি বিএনপির সমাবেশে

ঢাকা অচলের হুমকি বিএনপির সমাবেশে

রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ। ছবি: নিউজবাংলা

সিলেটে সমাবেশে জাতীয় কমিটির সদস্য এম নাসের রহমান বলেন, ‘লিভার সিরোসিস সাধারণত পুরুষ মানুষের হয়। বেশি মদ খেলে লিভার সিরোসিস হয়, কিন্তু খালেদা জিয়া তো দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। তবে কি সরকার তার খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে দিয়েছে? বিদেশে চিকিৎসায় গেলে এসব ধরা পড়ে যেতে পারে, তাই সরকার তাকে বিদেশ যেতে দিচ্ছে না।’

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবিতে রাজধানীর নয়াপল্টনের পাশাপাশি বিভাগীয় শহরগুলোতে হয়েছে সমাবেশ। বিভিন্ন জেলার নেতা-কর্মীরা নিজ নিজ বিভাগীয় শহরে সমাবেশে যোগ দিয়েছেন। পুলিশের কড়া নজরদারি ছিল সমাবেশ ঘিরে।

সিলেট নগরীর রেজিস্টারি মাঠে মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে সমাবেশ শুরু হয়। তাতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সমাবেশ শুরুর পর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামরুল হুদা জায়গীরদার কেন্দ্রীয় নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা বিভাগে বিভাগে সমাবেশ না ডেকে ঢাকায় মহাসমাবেশ ডাকেন। আমরা ঢাকা অচল করে দেব। ৯ মাস লড়াই করে দেশ স্বাধীন করেছি। মাসখানেক লড়াই করতে পারলেই এই সরকারের পতন ঘটাতে পারব।’

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘আইনি বাধা নয়, খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসায় সবচেয়ে বড় বাধা শেখ হাসিনা। তাকে সরাতে হবে। না হলে দেশ ও খালেদা জিয়াকে বাঁচানো যাবে না।’

ঢাকা অচলের হুমকি বিএনপির সমাবেশে

সমাবেশে জাতীয় কমিটির সদস্য এম নাসের রহমান বলেন, ‘লিভার সিরোসিস সাধারণত পুরুষ মানুষের হয়। বেশি মদ খেলে লিভার সিরোসিস হয়, কিন্তু খালেদা জিয়া তো দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। তবে কি সরকার তার খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে দিয়েছে? বিদেশে চিকিৎসায় গেলে এসব ধরা পড়ে যেতে পারে, তাই সরকার তাকে বিদেশ যেতে দিচ্ছে না।’

ঢাকা অচলের হুমকি বিএনপির সমাবেশে

সমাবেশে দেখা উপস্থিত আছেন ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন জীবন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরসহ দলের কেন্দ্রীয় ও সিলেট জেলাসহ বিভাগের অন্য জেলার নেতারা। এর সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী।

প্রায় একই সময় রাজশাহী মহানগরে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে শুরু হয় সমাবেশ। তাতে যোগ দিতে আশপাশের জেলার নেতা-কর্মীরা দুপুর থেকে সেখানে জড়ো হন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘আজকে যদি খালেদা জিয়ার কোনো অঘটন ঘটে, তবে দেশে যে পরিস্থিত ঘটবে, সেই পরিস্থিতি আমরা দমাতে পারব না। দেশ একটা অরাজক পরিস্থিতির দিকে চলে যাবে। সে জন্য দেশের শান্তির জন্য জনগণের শান্তির জন্য অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি দেন, সেই ব্যবস্থা করবেন।

‘আজকে এই সরকারকে বলতে চাই, এই সরকারে পতনের আন্দোলন এখনও আমরা ঘোষণা করি নাই। এই পতনের আন্দোলনের ঘোষণা আমার করতে চাই... এরশাদবিরোধী আন্দোলনে যেভাবে মাথা উঁচু করে এগিয়েছি, সেই ধরনের একটি আন্দোলনে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমরা করব যদি আল্লাহ চায়।’

ঢাকা অচলের হুমকি বিএনপির সমাবেশে

সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু।

চট্টগ্রাম নগরীর কালামিয়া বাজার এলাকার কেবি কনভেনশন হলে দুপুরে সমাবেশ শুরুর পরপরই ভেঙে পড়ে মঞ্চ। সে সময় মঞ্চে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম) মাহবুবের রহমান শামীম, মহানগরের আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন, সদস্যসচিব আবুল হাশেম বক্করসহ অন্য নেতারা।

ঢাকা অচলের হুমকি বিএনপির সমাবেশে

তবে সঙ্গে সঙ্গে নেমে যাওয়ায় কেউ আহত হননি। মঞ্চ ঠিকঠাক করে মিনিট দশেক পর আবার সমাবেশ শুরু হয়।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন সমাবেশে বলেছেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া কোনো দোষ করেননি, তিনি দোষী নন। তাকে গায়ের জোরে সরকারের নির্দেশে একটি ভুয়া মামলায় সাজা দেয়া হয়েছে।’

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১-এর উপধারা-১ পাঠ করে তিনি বলেন, ‘এই সরকারের মন্ত্রীরা এই আইনের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে দেশের জনগণকে বিভ্রান্ত করছেন। এই আইনে নির্বাহী আদেশে শর্ত দিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে সাময়িকভাবে সাজা মওকুফ করেছেন। এই আইনের প্রথমেই আছে বিনা শর্তে সাজা মওকুফ করা যাবে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য যেখানে উইদআউট কন্ডিশন আছে, সেখানে কন্ডিশন দিয়ে দিয়েছেন।

‘আজকে বলছেন আর কিছু করার নাই, আমরা বলতে চাই এই ৪০১-এর যেটা বিনা শর্তের কথা আছে, সেটা আপনি প্রয়োগ করেন। এই আদেশকে যদি সংশোধন করে বিনা শর্ত সংশোধন করা হয়, তাহলে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশ যেতে কোনো বাধা নেই। তাই আমরা পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, আইনের কোনো বাধা নেই, বাধা হচ্ছে সরকারের।’

ঢাকা অচলের হুমকি বিএনপির সমাবেশে

সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব আবুল হাশেম বক্করের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মো. নাছির উদ্দীন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খন্দকার, এস. এম ফজলুল হক, কেন্দ্রীয় বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীমসহ অনেকে।

খুলনা নগরীর কেডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘সমাবেশ সফল হলেও এখনও দা‌বি আদায় হয়‌নি। দা‌বি আদায়ের জন্য আন্দোলনে নামতে হবে। ঢাকার আনাচকানাচের মানুষ আজ সমাবেশে যোগ দিয়েছেন। খা‌লেদা জিয়া একা কোনো ব্যক্তি নয়, তি‌নি এক‌টি রাজনৈ‌তিক প্রতিষ্ঠান।’

সরকারের উদ্দেশে তি‌নি বলেন, ‘আমরা এমন এক আজব দেশে বসবাস ক‌রি, যেখানে মানুষের চি‌কিৎসার জন্য রাস্তায় নেমে আন্দোলন করতে হয়... ক্ষমতা থেকে নেমে গেলে কেউ থাকবে না, সবাই পা‌লি‌য়ে যাবে। খা‌লেদা জিয়ার বিষয়ে দুঃসংবাদ এলে কেউ আপনাকে রক্ষা করতে পা‌রবে না। তাই তার চি‌কিৎসার ব্যবস্থা করেন। না হলে জনগণ আপনার চি‌কিৎসার ব্যবস্থা করবে।’

খুলনার এই সমাবেশে ছিলেন মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জুর, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মশিউর রহমানসহ বিভিন্ন জেলার নেতা-কর্মীরা।

ঢাকা অচলের হুমকি বিএনপির সমাবেশে

এর আগে কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা ও ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসভাপতি রকিবুল ইসলাম বকুলের নেতৃত্বে বিশাল মিছিল নিয়ে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা সমাবেশে আসেন।

রংপুরে নগরীর দলীয় কার্যালয়ের সামনে সেখানকার সমাবেশ শুরু হয় বিকেলে। দুপুর থেকে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ছোট ছোট মিছিল নিয়ে গ্র্যান্ড হোটেল মোড়ের দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। বিভিন্ন স্লোগান ও কাফনের কাপড় পরে সমাবেশে যোগ দেন অনেকে।

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সেখানে সরকারে উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা নেমেছি। রাজপথে নেমেছি। যতক্ষণ পর্যন্ত আমার মা, গণতন্ত্রের মা, বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ের মানুষ বেগম জিয়ার সুচিকিৎসা করা হবে না, ততক্ষণ আমরা আর ঘরে ফিরে যেতে চাই না।’

তিনি আরও বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে, দেশ স্বাধীন হয়েছে। আজকে বাংলাদেশে জিয়ার সৈনিকরা, খালেদা জিয়ার সৈনিকরা রাজপথে নেমেছে। আমাদের প্রোগ্রাম ৫ তারিখ পর্যন্ত আছে, আমরা আর ঘরে ফিরে যাব না।’

ঢাকা অচলের হুমকি বিএনপির সমাবেশে

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি যুবক ভাইদের বলছি, পাকিস্তান গুলি করে যা করতে পারে নাই, এবার কাফনের কাপড় পরে বাংলাদেশের পুলিশের গুলি খাওয়ার জন্য পিঠ পেতে থাকতে হবে। তোমরা প্রস্তুত হও...।’

নেত্রীর মুক্তির দাবি নিয়ে ময়মনসিংহ নগরীর নতুন বাজারস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে সমাবেশ করে বিএনপি।

বেলা আড়াইটার দিকে গঙ্গাদাস গুহ রোডে কোরআন তিলাওয়াতের মধ‍্য দিয়ে এ সমাবেশ শুরু হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে উপস্থিত হন স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল নেতা-কর্মী।

ঢাকা অচলের হুমকি বিএনপির সমাবেশে

দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান প্রধান অতিথি হিসেবে সমাবেশে ছিলেন। এর সভাপতিত্ব করছেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এ কে এম শফিকুল ইসলাম।

সমাবেশে যোগ দেন বিশেষ অতিথি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সহসাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল আলম ও ওয়ারেস আলী মামুন।

প্রতিবেদন তৈরিতে সহায়তা করেছেন রাজশাহীর আহসান হাবীব অপু, সিলেটের দেবাশীষ দেবু, চট্টগ্রামের আরাফাত বিন হাসান, রংপুরের রফিকুল ইসলাম, ময়মনসিংহের কামরুজ্জামান মিন্টু।

আরও পড়ুন:
পীরগঞ্জে সহিংসতা: গ্রেপ্তার আরও ১১
পীরগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দুপাড়ায় এখনও আতঙ্ক, বিনিদ্র রাত
হামলাকারীদের দ্রুত বিচার দাবি ইসকনের
কুমিল্লায় মণ্ডপে কোরআন রাখল কারা
২৬ জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি

শেয়ার করুন

জানুয়ারির মধ্যে গণ-অভ্যুত্থান: আমান

জানুয়ারির মধ্যে গণ-অভ্যুত্থান: আমান

নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশে সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানুল্লাহ আমান। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানুল্লাহ আমান বলেন, ‘৫২ সময়ে যেমন রক্ত দিয়েছিলাম, ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে রক্ত দিয়েছিলাম, ৭১-এ মহান স্বাধীনতা, আর ৯০-এ রক্তের বিনিময়ে আবার গণতন্ত্র পেয়েছিলাম। এই ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারির মধ্যে আরেকটি গণ-অভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে আবার গণতন্ত্র আদায় করতে হবে।’

ডিসেম্বর-জানুয়ারির মধ্যে আরও একটি গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানুল্লাহ আমান।

রাজধানীর নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মঙ্গলবার সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এই বিভাগীয় সমাবেশ হয়।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আমান বলেন, ‘১৮-এর নির্বাচনের মতো শেখ হাসিনাকে আবার ক্ষমতায় আসতে দেবেন? না দিলে, সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করার জন্য প্রস্তুত আছেন? কি করতে হবে তার জন্য জানেন? ওই যে ছাত্ররা বলেছেন আমরা রাষ্ট্রের মেরামত চাই। এই রাষ্ট্র মেরামত করতে হলে আগে হাসিনাকে সরাইতে হবে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হলে হাসিনাকে সরাইতে হবে। বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হলে হাসিনাকে সরাইতে হবে। আপনারা প্রস্তুত আছেন?

‘৫২-এর সময় যেমন রক্ত দিয়েছিলাম, ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে রক্ত দিয়েছিলাম, ৭১-এ মহান স্বাধীনতা, আর ৯০-এ রক্তের বিনিময়ে আবার গণতন্ত্র পেয়েছিলাম। এই ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারির মধ্যে আরেকটি গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আবার গণতন্ত্র আদায় করতে হবে।’

জানুয়ারির মধ্যে গণ-অভ্যুত্থান: আমান

সমাবেশে হাজার হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতি দেখে আমানুল্লাহ আমান বলেন, ‘গণতন্তের মা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার জন্য আল্লাহর রহমতে এই ঢাকায় মানুষের ঢল নেমেছে। হাসিনা তুমি এসে দেখে যাও। সমাবেশ আজ মহাসমাবেশে রূপ নিয়েছে। হাসিনার শুভবুদ্ধির উদয় হোক। অবিলম্বে আমাদের নেত্রীকে মুক্তি দিন। অবিলম্বে তাকে বিদেশে যাওয়ার ব্যবস্থা করুন। আর না হয় আপনাকে টেনে-হিঁচড়ে গদি থেকে নামানো হবে।’

ডাকসুর এই সাবেক ভিপি বলেন, ‘আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আপনাদের উদ্দেশে একটি বাণী দিয়েছেন। যদি তুমি ভয় পাও তবে তুমি শেষ, যদি তুমি রুখে দাঁড়াও তবে তুমি বাংলাদেশ।’

‘সেই শহীদ জিয়ার বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য, তারেক রহমানের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার জন্য, দেশনেত্রীর গণতান্ত্রিক দেশ ফিরিয়ে পাওয়ার জন্য রাজপথে আরও একটি যুদ্ধ, আরও একটি মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত আছেন? দুই হাত তোলেন। দুই হাত তোলেন। দুই হাত তুলে আমরা এই শপথ গ্রহণ করি।’

এ সময় সব নেতাকর্মী এবং মঞ্চে থাকা নেতারা দুই হাত তুলে স্লোগান ধরেন, ‘মুক্তি মুক্তি মুক্তি চাই, খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই। তারেক রহমান বীরের বেশে, আসবে ফিরে বাংলাদেশে।’

আমান বলেন, ‘আসুন আমরা এক দফা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই সরকার পতনের শপথ নিই। আগামী কর্মসূচিকে সফল করি।’

সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান, বেগম সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শাজাহান ওমর, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তৈমুর আলম খন্দকার, আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবীর খোকনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
পীরগঞ্জে সহিংসতা: গ্রেপ্তার আরও ১১
পীরগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দুপাড়ায় এখনও আতঙ্ক, বিনিদ্র রাত
হামলাকারীদের দ্রুত বিচার দাবি ইসকনের
কুমিল্লায় মণ্ডপে কোরআন রাখল কারা
২৬ জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি

শেয়ার করুন

‘আওয়ামী লীগের পতন শুরু হয়ে গেছে’

‘আওয়ামী লীগের পতন শুরু হয়ে গেছে’

খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশ নিয়ে চিকিৎসার দাবিতে রাজধানীর নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি সমাবেশ। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

ইউনিয়ন পরিষদের তৃতীয় ধাপের নির্বাচনের বিষয়টি তুলে ধরে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘এক হাজার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হয়েছে। অর্ধেকের বেশি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ হেরে গেছে। পতন শুরু হয়ে গেছে।’

চলমান ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের ফলাফল দেখিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগের পতন শুরু হয়ে গেছে।

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মঙ্গলবার বিকেলে এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে বিএনপির পক্ষ থেকে এই বিভাগীয় সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এক হাজার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হয়েছে। অর্ধেকের বেশি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ হেরে গেছে। পতন শুরু হয়ে গেছে।’

নিউজবাংলার প্রতিবেদনে দেখা গেছে, তৃতীয় ধাপে এক হাজার ইউনিয়নের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ জয় পেয়েছে ৪৩৯টি ইউনিয়নে। বাকিরা দলটির বিদ্রোহী প্রার্থী বা অন্যান্য দলের।

এই সরকারকে সরাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান বিএনপির মহাসচিব। আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকারকে বিদায় করার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ফখরুল বলেন, ‘মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য, ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য, গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধারের জন্য, দেশনেত্রীকে মুক্তির জন্য তরুণ-যুবকদের জেগে উঠতে হবে। তরুণ ও যুবকদের ছাড়া এ দেশে কোনো আন্দোলন হয়নি।

‘অবশ্যই এই সরকারকে সরাতে হবে। একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দেশনেত্রীর মুক্তি দিতে এই সরকাকে বাধ্য করা হবে।’

১৩ নভেম্বর বিকেলে খালেদা জিয়াকে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে এভারকেয়ারে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হওয়ায় পরের দিন ভোরে তাকে সিসিইউতে নেয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসা চলছে তার। খালেদার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য তার পরিবার ও দল থেকে সরকারের প্রতি বারবার আহ্বান জানানো হলেও তাতে সাড়া মিলছে না।

সরকারের এই অবস্থানে সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারকে বিভিন্ন দেশ থেকে চাপ দিয়েছে। সরকার মিথ্যা কথা বলছে। আপনারা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেন। আপনারা বলছেন আইনের কারণে খালেদা জিয়াকে বিদেশে যেতে দেয়া হচ্ছে না। আপনারা মিথ্যা কথা বলছেন। আইন অনুযায়ী খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠানো যায়। বেগম খালেদা জিয়ার কিছু হলে আপনাদের (সরকার) কোনো দিনও মাফ করবে না দেশের জনগণ।’

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান, বেগম সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শাজাহান ওমর, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তৈমুর আলম খন্দকার, আবদুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবীর খোকনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
পীরগঞ্জে সহিংসতা: গ্রেপ্তার আরও ১১
পীরগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দুপাড়ায় এখনও আতঙ্ক, বিনিদ্র রাত
হামলাকারীদের দ্রুত বিচার দাবি ইসকনের
কুমিল্লায় মণ্ডপে কোরআন রাখল কারা
২৬ জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি

শেয়ার করুন

আন্দোলন করার সময় এসেছে: ছাত্রদল

আন্দোলন করার সময় এসেছে: ছাত্রদল

ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল বলেন, ‘এখন সময় এসেছে আন্দোলন করার, দেশ নেত্রী‌কে মুক্ত করার এবং দে‌শে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার।’

দলের হাইকমান্ডকে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করার আহ্বান জানিয়েছে ছাত্রদল। বিএনপির এই ছাত্র সংগঠনটি বলছে, আন্দোলন করে দলীয় প্রধান বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার এখনই সময়।

রাজধানীর নয়া পল্টনে মঙ্গলবার দুপুরে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে এসব কথা বলেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল। তিনি বলেন, ‘এখন সময় এসেছে আন্দোলন করার, দেশ নেত্রী‌কে মুক্ত করার এবং দে‌শে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার।’

ছাত্রদলের এই নেতা বলেন, ‘দেশ নেত্রী বেগম খা‌লেদা জিয়া ভীষণ অসুস্থ‌ অথচ এই স্বৈরশাসক আইনের দোহাই দি‌য়ে তা‌কে বি‌দে‌শে সু‌চি‌কিৎসার জন‌্য যে‌তে দি‌চ্ছে না। তারা নি‌জেরা আইন মা‌নে না, অথচ আইনের দোহাই দেয়।

আগামী দিনের আন্দোলনে ছাত্রদল সামনের কাতারে থাকবে জানিয়ে শ্যামল বলেন, ‘সাম‌নে আন্দোল‌নের ঘোষণা আস‌বে, সেই আন্দোলনে বাংলা‌দেশ জাতীয়তাবা‌দী ছাত্রদল অগ্রণী ভূ‌মিকা রাখ‌বে।’

ঢাকসুর সাবেক ভিপি ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুস সালাম, শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, রফিকুল আলম মজনু, আমিনুল ইসলাম, সাইফুল আলম নীরব, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, শহিদুল ইসলাম বাবুল, ফজলুর রহমান খোকন, মোস্তাফিজুর রহমান, আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, আফরোজা আব্বাস, সুলতানা আহমেদ, হেলাল খান, জাকির হোসেন রোকন, আব্দুর রহিমসহ আরও অনেকে।

বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন ও এর আশপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়ন করা হয়।

আরও পড়ুন:
পীরগঞ্জে সহিংসতা: গ্রেপ্তার আরও ১১
পীরগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দুপাড়ায় এখনও আতঙ্ক, বিনিদ্র রাত
হামলাকারীদের দ্রুত বিচার দাবি ইসকনের
কুমিল্লায় মণ্ডপে কোরআন রাখল কারা
২৬ জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি

শেয়ার করুন

দুর্ঘটনায় বেপরোয়া গাড়ি ও পথচারী সমান দায়ী

দুর্ঘটনায় বেপরোয়া গাড়ি ও পথচারী সমান দায়ী

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সড়ক দুর্ঘটনায় ছা্ত্র নিহতের ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, ‘বেপরোয়া গাড়ি যেমন দুর্ঘটনার কারণ, বেপরোয়া পথচারীও এর জন্য দায়ী। মোটরসাইকেলচলকরাও দিগ্বিজয়ী আলেকজান্ডারের মতো ছুটছে তো ছুটছে। তারাও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।’

দুর্ঘটনার জন্য বেপরোয়া গাড়ি ও পথচারী সমানভাবে দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে ঢাকা মহানগর শাখা ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের যৌথ সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘বেপরোয়া গাড়ি যেমন দুর্ঘটনার কারণ, বেপরোয়া পথচারীও এর জন্য দায়ী। মোটরসাইকেলচলকরাও দিগ্বিজয়ী আলেকজান্ডারের মতো ছুটছে তো ছুটছে। তারাও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের জন্য আগে থেকেই হাফ ভাড়া কার্যকর ছিল। করোনার কারণে মাঝে শিথিলতা আসলেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে বেসরকারি বাসমালিকরা ১ ডিসেম্বর থেকে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’

সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পরপরই বাড়ে বাস ভাড়াও। বাসের মালিকরা তুলে দেন শিক্ষার্থীদের হাফ পাস। এরপর থেকেই বাসে হাফ ভাড়ার দাবিতে আন্দোলন করে আসছিল শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে ঢাকা সিটি করপোরেশনের একটি ময়লার গাড়ির ধাক্কায় নটর ডেম কলেজের এক শিক্ষার্থীর নিহতের পর এ দাবি আরও জোরালো হয়।

এর মধ্যে সোমবার রাতে রাজধানীর রামপুরায় অনাবিল পরিবহনের চাপায় নিহত হন এসএসসি পরীক্ষা দেয়া এক শিক্ষার্থী। এই ঘটনায় রাতেই আটটি বাসে আগুন এবং চারটি বাস ভাঙচুর করা হয়।

এদিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এ বছর ভোটারদের সর্বোচ্চ উপস্থিতি ছিল দাবি করে সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নির্বাচনে অংশগ্রহণই মূল কথা। এবারের নির্বাচনে রেকর্ড পরিমাণ উপস্থিতি ছিল।’

দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কখনও শান্তিপূর্ণ হয়নি দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ভুল থেকে শিক্ষা নেয়ার সৎসাহস আওয়ামী লীগের আছে। আমরা ভুলগুলো খুঁজে বের করে সতর্ক আরও হচ্ছি।’

অনুষ্ঠানে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নেই। তারা সাত বছর ধরে মামলা পিছিয়েছে, পরে দণ্ডিত হয়েছে। বিচার বিভাগ স্বাধীন। রায় মানতে হবে, আইন মানতে হবে। জিয়াউর রহমানের সম্মতিতে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়।

‘জিয়া ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ করে হত্যার বিচারে বাধা দেয়। ২০০৪ সালে তারাই গ্রেনেড হামলা করে বঙ্গবন্ধুকন্যাকে হত্যার চেষ্টা করে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনায় খালেদা জিয়ার সাজার আদেশ স্থগিত করে বাসায় থাকতে দিয়েছে, হাসপাতালে চিকিৎসা করতে দিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের পতন হবে জনগণের ইচ্ছায়, বিএনপির ইচ্ছায় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় বসেনি। জনগণ চাইলে চতুর্থবারও আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুকন্যা ক্ষমতায় থাকবেন।’

অনুষ্ঠানে বিজয়ের মাসের কর্মসূচি প্রসঙ্গে দলের সাধারণ সম্পাদক জানান, ১৬ ডিসেম্বর জাতীয় কর্মসূচি রয়েছে। এদিন বিজয় র‌্যালি হবে, ভারতের রাষ্ট্রপতি ১৭ ডিসেম্বর জাতীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এ ছাড়া বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন, আলোকসজ্জাসহ মাসব্যাপী কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। দলের সহযোগী সংগঠন আওয়ামী লীগের কর্মসূচির সঙ্গে মিল রেখে নিজস্ব কর্মসূচি নেবে।

দলীয় নেতা-কর্মীদের সতর্ক করে দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ব্যানার, ফেস্টুন যাতে শুধু আত্মপ্রচারের জন্য না হয়, দলের নামে পোস্টার, ব্যানার, বিলবোর্ড করতে হবে।

যৌথ সভায় অংশ নেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, ড. হাছান মাহমুদ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল, মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন, আফজাল হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফি ও যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ।

আরও পড়ুন:
পীরগঞ্জে সহিংসতা: গ্রেপ্তার আরও ১১
পীরগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দুপাড়ায় এখনও আতঙ্ক, বিনিদ্র রাত
হামলাকারীদের দ্রুত বিচার দাবি ইসকনের
কুমিল্লায় মণ্ডপে কোরআন রাখল কারা
২৬ জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি

শেয়ার করুন

তৃতীয় ধাপে আ.লীগের ৫২৫, স্বতন্ত্র ৪৪৬ চেয়ারম্যান

তৃতীয় ধাপে আ.লীগের ৫২৫, স্বতন্ত্র ৪৪৬ চেয়ারম্যান

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট দিতে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন। ফাইল ছবি

ইসি সচিবালয় জানায়, নির্বাচনে ১ কোটি ৭৫ লাখ ৫৫ হাজার ২৬৬ ভোটারের মধ্যে ১ কোটি ৩০ লাখ ২৮ হাজার ৩১৮টি ভোট পড়েছে। এবার ভোটার উপস্থিতির হার ৭৪ দশমিক ২১ শতাংশ।

সারা দেশে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ৫২৫ প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন। যার মধ্যে ৯৯ ইউপিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেয়েছেন ৯৯ জন।

তৃতীয় ধাপে ১ হাজার ৮টি ইউপিতে নির্বাচনের কথা থাকলেও নির্বাচন হয়েছে হাজারটিতে। যার মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান হয়েছেন ৪৪৬ জন।

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে একজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন বলে সোমবার রাতে জানিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়।

বেসরকারি ফলের ভিত্তিতে এ তথ্য জানায় নির্বাচন কমিশন।

রোববার নির্বাচনের পর নির্বাচন কমিশন দাবি করে, সহিংসতা ছাড়াই তৃতীয় ধাপের নির্বাচন সুষ্ঠ ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে নির্বাচনের আগে, নির্বাচনের দিন ও পরের দিনের সহিংসতায় দেশে ১০ প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।

ইসি সচিবালয় জানায়, নির্বাচনে ১ কোটি ৭৫ লাখ ৫৫ হাজার ২৬৬ ভোটারের মধ্যে ১ কোটি ৩০ লাখ ২৮ হাজার ৩১৮টি ভোট পড়েছে। এবার ভোটার উপস্থিতির হার ৭৪ দশমিক ২১ শতাংশ।

আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ছাড়া জাতীয় পার্টি থেকে ১৭ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে ১ জন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ থেকে ১ জন, ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে ১ জন, সমাজতান্ত্রিক দল- জাসদের একজন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্মসচিব ও গণসংযোগ বিভাগের পরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান নিউজবাংলাকে জানান, নির্বাচনে প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের এ ফল পাওয়া গেছে।

এবারের নির্বাচনি অঞ্চলভিত্তিক বিভিন্ন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, শাখা কর্মকর্তা, জেলা নির্বাচন অফিসার এবং উপজেলা নির্বাচন অফিসারদের কাছ থেকে ফোনে এসব তথ্য পেয়েছে নির্বাচন কমিশন।

তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে ১ হাজার ৮টি ইউনিয়নে ভোটের কথা থাকলেও ভোট হয়েছে ১ হাজার ইউনিয়নে। ৮টিতে ভোট হয়নি। যার মধ্যে কয়েকটি ইউনিয়নে সহিংসতার কারণে ভোট স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।

এবার এবার মোট পাঁচ ধাপে দেশে প্রায় সাড়ে চার হাজার ইউনিয়নের ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এরই মধ্যে তিন ধাপের ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে এবং জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে আরও দুই ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি। মেয়াদ শেষের আগেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনগুলো শেষ করার পরিকল্পনা করেছে ইসি। গত জুন থেকে ধাপে ধাপে এসব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

নির্বাচনগুলোতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকার প্রার্থীরা বেশি জয় পেলেও দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে দলটির বিদ্রোহী প্রার্থীরা।

আরও পড়ুন:
পীরগঞ্জে সহিংসতা: গ্রেপ্তার আরও ১১
পীরগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দুপাড়ায় এখনও আতঙ্ক, বিনিদ্র রাত
হামলাকারীদের দ্রুত বিচার দাবি ইসকনের
কুমিল্লায় মণ্ডপে কোরআন রাখল কারা
২৬ জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি

শেয়ার করুন