খাগড়াছড়িতে মন্দিরের পাশে আগুন, পুড়েছে ৬ দোকান

খাগড়াছড়িতে মন্দিরের পাশে আগুন, পুড়েছে ৬ দোকান

খাগড়াছড়ি সদরের শিব মন্দির এলাকায় আগুনে ছয়টি দোকান পুড়ে গেছে

ক্ষতিগ্রস্ত এক দোকানমালিক জ্যোতির্ময় চাকমা বলেন, ‘আমার দোকানে ৫০ কেজি ওজনের ৯ বস্তা চাল ও বিভিন্ন মালপত্র ছিল। সব মিলিয়ে এর আনুমানিক মূল্য ছয় লাখ টাকার বেশি। আমি রাতে দোকান বন্ধ করে বাসায় চলে যাই। ভোরে আমাকে একজন কল করে আগুন লাগার ঘটনা বলে। আমি আসার আগেই সবকিছু পুড়ে শেষ হয়ে গেছে।’

খাগড়াছড়ি সদরের শিব মন্দির এলাকায় আগুনে ছয়টি দোকান পুড়ে গেছে।

ফায়াস সার্ভিস বুধবার ভোর ৪টার দিকে সদর উপজেলার ভাইবোনছড়া ইউনিয়নের ওই এলাকায় আসে। ২০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন খাগড়াছড়ি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইন্সপেক্টর রাজেশ বড়ুয়া।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে আগুন লাগে।

ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা জানান, দিপায়ন ত্রিপুরা নামের এক ব্যক্তি মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দিলে তারা ভোরে ওই এলাকায় আসেন। ঘটনাস্থল থেকে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দূরত্ব ১২ কিলোমিটার হওয়ায় পৌঁছাতে তাদের সময় লাগে।

আগুনের সূত্রপাতের বিষয়ে নির্দিষ্ট কিছু জানায়নি ফায়ার সার্ভিস। তবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানানো যাবে। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ এখনও নির্ধারণ করা যায়নি বলেও জানান ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন অগ্নিকাণ্ডে তাদের প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ঘটনার শুরুতে খাগড়াছড়ি ওয়াপদা কার্যালয়ের এক কর্মকর্তাকে কল দেয়া হয়। তিনি ফায়ার সার্ভিসের নম্বর পাঠান। কয়েকবার সেই নম্বরে কল দিলে কেউ রিসিভ করে না। এর কিছুক্ষণ পরেই ভোরে ঘটনাস্থলে আসে ফায়ার সার্ভিস।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তরুণ কুমার ভট্টাচার্য নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে আগুন লাগতে পারে। তবে আগুনের হাত থেকে শিব মন্দিরটি রক্ষা পেয়েছে।’

ক্ষতিগ্রস্ত দোকানমালিকরা হলেন জ্যোতির্ময় চাকমা, রাঙ্গামনি চাকমা, অমর ধন চাকমা, রামচন্দ্র চাকমা, কৃষ্ণরাম চাকমা, পদ্ম কুমার চাকমা।

দোকানগুলোর মধ্যে ছিল চালের দোকান, মুদি দোকান, কসমেটিকের দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান।

জ্যোতির্ময় চাকমা বলেন, ‘আমার দোকানে ৫০ কেজি ওজনের ৯ বস্তা চাল ও বিভিন্ন মালপত্র ছিল। সব মিলিয়ে এর আনুমানিক মূল্য ছয় লাখ টাকার বেশি। আমি রাতে দোকান বন্ধ করে বাসায় চলে যাই। ভোরে আমাকে একজন কল করে আগুন লাগার ঘটনা বলে। আমি আসার আগেই সবকিছু পুড়ে শেষ হয়ে গেছে।’

আরেক দোকানমালিক অমর ধন চাকমা বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসতে দেরি করেছে। তারা আসার আগেই আমাদের দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আমার পরিবারের একমাত্র বেঁচে থাকার উৎস ছিল দোকানটি।’

এ বিষয়ে ৫ নম্বর ভাইবোন ইউপি চেয়ারম্যান পরিমল ত্রিপুরা বলেন, ‘ঘটনার ব্যাপারে শুনেছি। এই বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করেছি। ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতার ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
শোবার ঘরে আগুন: ভাইয়ের পর বোনের মৃত্যু
ঢাবির সুফিয়া কামাল হলের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শয়নকক্ষে আগুনে মা-মেয়ে দগ্ধ, ছেলের মৃত্যু
মুকসুদপুরে বাজারে পুড়েছে ৭ দোকান
চট্টগ্রামে বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

হাসন রাজারে বাউলা কে বানাইলো রে...

হাসন রাজারে বাউলা কে বানাইলো রে...

বাউল সাধক হাসন রাজা। ছবি: সংগৃহীত

সুনামগঞ্জের পরিচিতিও হয়ে উঠেছে ‘হাসন রাজার শহর’ হিসেবে। তবে নিজ শহরেই হাসন রাজার মৃত্যুবার্ষিকীতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে নেই কোনো আয়োজন। এতে ক্ষুব্ধ সংস্কৃতিকর্মীরা।

নামের সঙ্গে যুক্ত ‘রাজা’। উত্তরাধিকার সূত্রে ছিলেন জমিদার। কিন্তু কর্মে ও চিন্তায় ছিলেন আপাদমস্তক এক বাউল।

তিনি হাসন রাজা। নিজের কাছেই যার জিজ্ঞাসা ছিল- বাউলা কে বানাইলোরে/ হাসন রাজারে বাউলা কে বানাইলো রে।

বাংলা গানের এই খেয়ালি রাজার ৯৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯২২ সালের ৬ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন তিনি। আর জন্মেছিলেন ১৮৫৪ সালের ২১ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জের লক্ষণশ্রীতে।

সুনামগঞ্জের তাই পরিচিতিও হয়ে উঠেছে ‘হাসন রাজার শহর’ হিসেবে। তবে নিজ শহরেই হাসন রাজার মৃত্যুবার্ষিকীতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে নেই কোনো আয়োজন। এতে ক্ষুব্ধ সংস্কৃতিকর্মীরা।

গানে গানে প্রেম, বিরহ, জীবনদর্শন, আধ্যাতিকতার কথা বলে গেছেন হাসন রাজা। গানকে তিনি নিয়েছিলেন সাধনা হিসেবে। বাংলা গানের যে মরমী ধারা, যুগের পর যুগ ধরে সংগীতপিপাসুদের তৃষ্ণা মিটিয়ে চলছে আর জিজ্ঞাসু করে তুলছে, সেই ধারার অন্যতম সাধক পুরুষ হাসন রাজা। যদিও গানে গানে তিনি নিজের সম্পর্কে বলে গেছেন- ‘আমি কিছু নয় রে, আমি কিছু নয়’।

নিজেকে ‘কিছু নয়’ বলে যাওয়া হাসন রাজা মৃত্যুর ৯৯ বছর পরও প্রবলভাবে প্রভাব বিস্তার করে বাংলার মাটিগন্ধা গান আর শেকড়ের সংস্কৃতিতে। জীবদ্দশায় প্রায় ২০০ গান লিখে গেছেন তিনি, যা আজও ঘুরে বেড়ায় লোকের মুখে মুখে। গীত হয় নানা শিল্পীর কণ্ঠে।

হাসন রাজারে বাউলা কে বানাইলো রে...

তবে হাসন রাজার সৃষ্টিকে সংরক্ষণ আর তার সংগীতের শুদ্ধ প্রচারের জন্যও এখন পর্যন্ত নেই তেমন কোনো উদ্যোগ। দীর্ঘদিন ধরে হাসন রাজার নামে একটি একাডেমি গঠনের দাবি জানানো হলেও তা থেকে গেছে উপেক্ষিতই।

সুনামগঞ্জ জেলা উদীচীর সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হাসন রাজাকে নিয়ে আমাদের চর্চা দিন দিন কমে যাচ্ছে আর সরকারিভাবে কোনো উদ্যোগ না নেয়া হলে আগামীতে এটি হারিয়ে যাবে। এ ছাড়া একটি হাসন রাজা একাডেমি যদি তৈরি করা হয় এবং সেখানে হাসন রাজার গানগুলো যদি শুদ্ধরূপে গাওয়ানো হয় তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মও তার গানের সুর ও কথাগুলোর সঠিক ধারণা পাবে।

হাসন রাজার নামে একটি একাডেমি গড়ার উদ্যোগ স্বাধীনতার পরপরই নেয়া হয়েছিল জানিয়ে সাংস্কৃতিক কর্মী মলয় চক্রবর্তী রাজু বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই সময়েই হাসন রাজা একাডেমি তৈরির জন্য ২০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে অনেক দৌড়াদৌড়ি করার পর হাসন রাজা একাডেমি তৈরির জন্য মন্ত্রণালয় থেকে টাকা এলেও সেটিকে একটি মহল শিল্পকলা একাডেমি নামকরণ করে নেয়।

তিনি বলেন, ইউনিসকো হাসন রাজা চর্চার ওপর কিছু টাকা দিয়েছিল, সেই টাকা দিয়েই আমরা হাসন রাজার শতাধিক গান আবারও নতুন করে গাওয়া হয় এবং হাসন রাজার প্রপৌত্র সামারীন দেওয়ান হাসন জীবনী ও গানের দুটি বই লেখেন। তবে সরকারি উদ্যোগে হাসন রাজার সৃষ্টিকর্ম সংরক্ষণ ও প্রচারে তেমন উদ্যোগ নেই।

মলয় চক্রবর্তী আরও বলেন, সুনামগঞ্জে হাসন রাজার মৃত্যুবার্ষিকী পালন হয় না এটি দুঃখের বিষয়। তবে আমরা তার জন্মশতবার্ষিকী বড় করে আয়োজন করব।

হাসন রাজা জন্ম ও মৃত্যবার্ষিকী উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক দেওয়ান গিয়াস চৌধুরী বলেন, হাসন রাজার নামে সুনামগঞ্জ জেলার পরিচিতি গড়ে উঠলেও এখানে তার সৃষ্টিকর্ম সংরক্ষণ ও চর্চার কোনো উদ্যোগ নেই। তার জীবনী, ইতিহাস ও গানগুলো ধরে রাখতে হলেও হাসন রাজাকে নিয়ে চর্চা করার জন্য একটি একাডেমির দরকার।

সরকারিভাবে মৃত্যুবার্ষিকীতে কোনো আয়োজন নেই জানিয়ে সুনামগঞ্জ জেলা সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা আহমেদ মঞ্জুরুল চৌধুরী বলেন, ৬ ডিসেম্বর কোনো আয়োজন নেই, তবে সামনে একটি উৎসব আছে ১১-১২ জানুয়ারি। সেখানে আমরা তাকে স্মরণ করব।

রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ না থাকলে পারিবারিক উদ্যোগে সুনামগঞ্জে গড়ে তোলা হয়েছে হাসন রাজা স্মৃতি জাদুঘর। সেখানে সংরক্ষিত তার স্মৃতিগুলো দেখতে অনেকেই আসেন দূর-দূরান্ত থেকে।

আর তার গান তো ছড়িয়ে আছে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে। যার কথা ও সুর সংসারি মানুষের মধ্যেও আচমকা জাগিয়ে তুলে বাউলা মন। আপন মনেই গেয়ে ওঠে- ‘পরের জায়গা পরের জমি/ ঘর বানাইয়া আমি রই/ আমি তো সেই ঘরের মালিক নই।’

আরও পড়ুন:
শোবার ঘরে আগুন: ভাইয়ের পর বোনের মৃত্যু
ঢাবির সুফিয়া কামাল হলের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শয়নকক্ষে আগুনে মা-মেয়ে দগ্ধ, ছেলের মৃত্যু
মুকসুদপুরে বাজারে পুড়েছে ৭ দোকান
চট্টগ্রামে বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে

শেয়ার করুন

শ্বশুরের বিরুদ্ধে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ, ছেলের আত্মহত্যার চেষ্টা

শ্বশুরের বিরুদ্ধে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ, ছেলের আত্মহত্যার চেষ্টা

পুলিশ জানিয়েছে, তিন মাস আগে প্রতিবেশী এক নারীর সঙ্গে প্রেম করে বিয়ে করেন ওই যুবক। জীবিকার প্রয়োজনে দিনেরবেলায় বাড়ির বাইরে থাকেন তিনি। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে ওই গৃহবধূকে কয়েক দফা ধর্ষণ করেন তার শ্বশুর।

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন ওই ব্যক্তির ছেলে।

পুলিশ জানিয়েছে, তিন মাস আগে প্রতিবেশী এক নারীর সঙ্গে প্রেম করে বিয়ে করেন ওই যুবক। জীবিকার প্রয়োজনে দিনেরবেলায় বাড়ির বাইরে থাকেন তিনি। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে ওই গৃহবধূকে কয়েক দফা ধর্ষণ করেন তার শ্বশুর।একপর্যায়ে বিষয়টি তার স্বামী ও শাশুড়িকে জানান ওই গৃহবধূ।

পুলিশ জানিয়েছে, রোববার বিষয়টি নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান ওই যুবক। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করান স্বজনরা।

ওই নববধূ বলেন, ‘গত সাত দিন ধরে ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর বিষয়টি আমি স্বামী ও শাশুড়িকে জানাই। তারা প্রথমে বিশ্বাস করেনি আমার কথা। শেষ দিন আমার স্বামী নিজেই বিষয়টা দেখে ফেলেন। এই ক্ষোভে সে বিষপানে আত্মত্যার চেষ্টা করেছে।’

আদিতমারী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত লিখিত কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
শোবার ঘরে আগুন: ভাইয়ের পর বোনের মৃত্যু
ঢাবির সুফিয়া কামাল হলের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শয়নকক্ষে আগুনে মা-মেয়ে দগ্ধ, ছেলের মৃত্যু
মুকসুদপুরে বাজারে পুড়েছে ৭ দোকান
চট্টগ্রামে বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে

শেয়ার করুন

কক্সবাজারে র‍্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

কক্সবাজারে র‍্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

‘বন্দুকযুদ্ধ’ শেষে র‍্যাবের উদ্ধার করা অস্ত্র। ছবি: নিউজবাংলা

মেজর শেখ ইউসুফ আহমেদ বলেন, ‘একটি দল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে- এমন খবর পেয়ে র‍্যাব সোমবার ভোররাতে পূর্ব বড় ভেওলায় অভিযান চালায়। আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা গুলি চালাতে থাকে। আত্মরক্ষার্থে র‍্যাবও গুলি চালায়।’

কক্সবাজারের চকরিয়ায় বন্দুকযুদ্ধে দুই ডাকাত নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে র‍্যাব। উদ্ধার করা হয়েছে অস্ত্র ও গুলি।

চকরিয়া উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা এলাকায় সোমবার ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে।

কক্সবাজার র‌্যাব-১৫-এর সিপিসি কমান্ডার মেজর শেখ ইউসুফ আহমেদ নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-ঠিকানা জানা যায়নি।

মেজর শেখ ইউসুফ আহমেদ বলেন, ‘একটি দল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে- এমন খবর পেয়ে র‍্যাব সোমবার ভোররাতে পূর্ব বড় ভেওলায় অভিযান চালায়। আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা গুলি চালাতে থাকে। আত্মরক্ষার্থে র‌্যাবও গুলি চালায়।

‘গোলাগুলি শেষে আমরা সেখান থেকে দুজনকে আটক করেছি এবং দুজনকে পড়ে থাকতে দেখেছি। তাদের চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

র‍্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, ঘটনাস্থল থেকে তিনটি দেশীয় অস্ত্র, ছয়টি গুলি ও চারটি কার্তুজসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন:
শোবার ঘরে আগুন: ভাইয়ের পর বোনের মৃত্যু
ঢাবির সুফিয়া কামাল হলের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শয়নকক্ষে আগুনে মা-মেয়ে দগ্ধ, ছেলের মৃত্যু
মুকসুদপুরে বাজারে পুড়েছে ৭ দোকান
চট্টগ্রামে বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে

শেয়ার করুন

পুলিশ পরিচয়ে শিক্ষকের টাকা ছিনতাই, গ্রেপ্তার ২

পুলিশ পরিচয়ে শিক্ষকের টাকা ছিনতাই, গ্রেপ্তার ২

পুলিশ পরিচয়ে ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার আলিফ ও আরাফাত। ছবি: নিউজবাংলা

পুলিশ জানিয়েছে, ডুবারচর এলাকায় আটক ব্যক্তিরা পুলিশ পরিচয় দিয়ে মাদক উদ্ধারের নামে তার শরীরে তল্লাশি চালান। এ সময় তারা মোবাইল ফোন ও টাকা নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। শিক্ষক রফিকের চিৎকারে স্থানীয়রা এবং টহল পুলিশ দল এসে তাদের আটক করে।

শেরপুর সদর উপজেলার ডুবারচরে পুলিশ পরিচয়ে এক স্কুলশিক্ষকের টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের অভিযোগে দুজনকে আটকের পর গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।

রা হলেন শেরপুর জেলা শহরের মীরগঞ্জ মহল্লার বাসিন্দা আলিফ ও আরাফাত।

পুলিশ জানিয়েছে, রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে স্কুল থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন শ্রীবরদী উপজেলার ঝগড়ারচর হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামপথে ডুবারচর এলাকায় আটক ব্যক্তিরা পুলিশ পরিচয় দিয়ে মাদক উদ্ধারের নামে তার শরীরে তল্লাশি চালান। এসময় তারা মোবাইল ফোন ও টাকা নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। শিক্ষক রফিকের চিৎকারে স্থানীয়রা এবং টহল পুলিশ দল এসে তাদের আটক করে।

শেরপুর সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আলিফ ও আরাফাতের নামে রফিকুল ইসলাম একটি মামলা করেছে। আলিফ ও আরাফাতের নামে বিভিন্ন জায়গায় একাধিক মামলা রয়েছে। আলিফ একটি মামলায় এক সপ্তাহ আগে জামিনে বেরিয়েছে।’

আরও পড়ুন:
শোবার ঘরে আগুন: ভাইয়ের পর বোনের মৃত্যু
ঢাবির সুফিয়া কামাল হলের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শয়নকক্ষে আগুনে মা-মেয়ে দগ্ধ, ছেলের মৃত্যু
মুকসুদপুরে বাজারে পুড়েছে ৭ দোকান
চট্টগ্রামে বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে

শেয়ার করুন

মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

ধর্ষণের অভিযোগে দুই জনকে আটক করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

পুলিশ কর্মকর্তা মো. বন্দে আলী মিয়া বলেন, ‘এ ঘটনার ভিকটিম অজ্ঞাতপরিচয় মানসিক ভারসাম্যহীন নারী। তিনি কোনো কথাই বলতে পারছেন না। ঘটনাটি কতদূর ঘটেছে সেটি বোঝা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে আলাপ আলোচনা করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

শেরপুর সদর উপজেলার মোকসেদপুরে এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দুইজনকে আটক করেছে স্থানীয়রা। পরে তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত আরও দুইজন পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন তারা।

রোববার রাত ১১টার দিকে মোকসেদপুর খোলার মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক দিন ধরে অজ্ঞাতপরিচয় এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারী শেরপুর সদরের মোকসেদপুর নন্দীর বাজারে ঘোরাফেরা করছিলেন।

অভিযোগ উঠেছে, রাতে ওই নারীকে জোর করে ধরে নিয়ে মোকসেদপুর খোলা মাঠে নিয়ে ধর্ষণ করেন চরমুচারিয়া ইউনিয়নের মাছপাড়ার হকার ফকির, পুরান পাড়ার আলম, নন্দীর পাড়ার জুয়েল ফকির ও পাকুড়িয়া ইউনিয়নের বরাটিয়ার হামেদ।

এসময় ওই নারীর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে ফকির ও হামেদকে আটক করে। অন্য দুইজন পালিয়ে যান।

শেরপুর সদর থানাা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. বন্দে আলী মিয়া বলেন, ‘এ ঘটনার ভিকটিম অজ্ঞাতপরিচয় মানসিক ভারসাম্যহীন নারী। তিনি কোনো কথাই বলতে পারছেন না। ঘটনাটি কতদূর ঘটেছে সেটি বোঝা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে আলাপ আলোচনা করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
শোবার ঘরে আগুন: ভাইয়ের পর বোনের মৃত্যু
ঢাবির সুফিয়া কামাল হলের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শয়নকক্ষে আগুনে মা-মেয়ে দগ্ধ, ছেলের মৃত্যু
মুকসুদপুরে বাজারে পুড়েছে ৭ দোকান
চট্টগ্রামে বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে

শেয়ার করুন

নওগাঁয় কমেছে মোটা চালের দর, বেড়েছে সরু জাতের

নওগাঁয় কমেছে মোটা চালের দর, বেড়েছে সরু জাতের

নওগাঁ পৌর বাজারের খুচরা চালবাজারের বিক্রেতা নিখিল চন্দ্র বলেন, ‘শম্পা কাটারি জাতের চাল এক সপ্তাহ আগে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছিল, তা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪ টাকায়। কেজিতে ৩ টাকা পর্যন্ত বেড়ে মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। নন-শর্টার জিরা ও কাটারি চাল এবং বিআর-২৮ ও বিআর-২৯ জাতের চালের দাম কেজিতে ৩ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। অন্যদিকে মোটা জাতের স্বর্ণা চালের দাম কেজিতে ৩ টাকা পর্যন্ত কমে এখন ৪৪ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।’

ধান-চালের ভাণ্ডার খ্যাত উত্তরের জেলা নওগাঁয় বোরো মৌসুমের জিরা, কাটারি, বিআর-২৮ ও বিআর-২৯ চালের সরবরাহ কমে যাওয়ায় সরু ও মাঝারি চালের দাম বেড়েছে।

নতুন আমন মৌসুমের চালের সরবরাহ বাড়ায় দেশের অন্যতম বৃহৎ চালের মোকাম নওগাঁয় মোটা চালের দাম কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে কেজিতে তিন থেকে চার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে সরু ও মাঝারি জাতের চালের দাম।

শম্পা কাটারি জাতের চাল এক সপ্তাহ আগে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছিল, তা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪ টাকায়। মোটা জাতের স্বর্ণা চালের দাম কেজিতে ৩ টাকা পর্যন্ত কমে এখন ৪৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রোববার নওগাঁ শহরের আলুপট্টি এলাকায় চালের মোকামে বিভিন্ন আড়তে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এক সপ্তাহ আগে যে স্বর্ণা-৫ ও গুটি স্বর্ণা জাতের চালের বস্তা (৫০ কেজি) বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ১৫০ টাকায়, তা এখন ২ হাজার ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর সরু চালের (মিনিকেট ও শম্পা কাটারি) দাম বস্তাপ্রতি ২০০ টাকা বেড়ে ৩ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিআর-২৮ ও বিআর-২৯ জাতের চাল বস্তাপ্রতি ১০০ টাকা বেড়ে ২ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নওগাঁয় কমেছে মোটা চালের দর, বেড়েছে সরু জাতের

বাজারে আমন মৌসুমের ধান স্বর্ণা-৫ ও গুটি স্বর্ণা ধানের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় এসব ধানের দাম পড়ে গেছে। ফলে মোটা চালের দাম কমেছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মোটা চালের দাম আরও কমতে পারে।

মিল মালিক ও খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, বোরো মৌসুমের জিরা, কাটারি, বিআর-২৮ ও বিআর-২৯ চালের সরবরাহ কমে যাওয়ায় সরু ও মাঝারি চালের দাম বেড়েছে। সরু ও মাঝারি জাতের চালের দাম আর কমার সম্ভাবনা নেই।

নওগাঁ সদর উপজেলার পিরোজপুরের মেসার্স জাহেরা রাইস মিলের মালিক এনামুল হক জানান, পাঁচ-সাত দিন ধরে নতুন ধানের (স্বর্ণা-৫ ও গুটি স্বর্ণা) দাম কমতে শুরু করেছে। যেসব জেলায় বড় বড় আড়ত আছে, সেখানেও ধানের দাম কমতির দিকে। প্রতি মণ ধানের দাম আগের চেয়ে ৩০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। বর্তমানে নওগাঁর বাজারে প্রতি মণ স্বর্ণা-৫ ও গুটি স্বর্ণা ধান এক হাজার ১০ থেকে এক হাজার ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ধানের দাম কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচেও হেরফের হচ্ছে।

মিল মালিকরা এ কারণে মোটা চালের দাম কমিয়েছেন বলে তার দাবি।

নওগাঁয় কমেছে মোটা চালের দর, বেড়েছে সরু জাতের

সরু ও মাঝারি চালের দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে নওগাঁ সদরের চৌমসিয়া এলাকার টুম্পা রাইস মিলের মালিক শাহদত হোসেন বলেন, ‘বোরো মৌসুমে জিরা ও কাটারি ধানের সরবরাহ এখন বাজারে নেই বললেই চলে। বাজারে সরু ও মাঝারি চাল হিসেবে পরিচিত জিরা ও কাটারি জাতের চালের চাহিদা রয়েছে প্রচুর। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় মিল মালিক ও খুচরা ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।’

নওগাঁ পৌর বাজারের খুচরা চালবাজারের বিক্রেতা নিখিল চন্দ্র বলেন, ‘শম্পা কাটারি জাতের চাল এক সপ্তাহ আগে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছিল, তা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪ টাকায়। এ ছাড়া কেজিতে ৩ টাকা পর্যন্ত বেড়ে মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। নন-শর্টার জিরা ও কাটারি চাল এবং বিআর-২৮ ও বিআর-২৯ জাতের চাল দাম কেজিতে ৩ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। অন্যদিকে মোটা জাতের স্বর্ণা চালের দাম কেজিতে ৩ টাকা পর্যন্ত কমে এখন ৪৪ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।’

নওগাঁ শহরের পৌর বাজার খুচরা চাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি উত্তম কুমার সরকার বলেন, ‘মোকাম থেকেই সরু ও মাঝারি চাল বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তাই সরু ও মাঝারি জাতের চাল বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বিক্রেতাদের চালের দাম বাড়ানো বা কমানোর কোনো সুযোগ নেই। আমরা যারা খুচরা চাল বিক্রেতা আছি। তারা পাইকারি চাল কিনে কেজিপ্রতি সামান্য কিছু লাভ করে বিক্রি করে থাকি। চালের বাজার মাঝেমধ্যেই ওঠানামা করে।’

আরও পড়ুন:
শোবার ঘরে আগুন: ভাইয়ের পর বোনের মৃত্যু
ঢাবির সুফিয়া কামাল হলের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শয়নকক্ষে আগুনে মা-মেয়ে দগ্ধ, ছেলের মৃত্যু
মুকসুদপুরে বাজারে পুড়েছে ৭ দোকান
চট্টগ্রামে বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে

শেয়ার করুন

ডেমু-বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষ: গেটম্যান আটক

ডেমু-বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষ: গেটম্যান আটক

খুলশীতে শনিবার ডেমু,বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সন্তোষ কুমার চাকমা জানান, পাহাড়তলী এলাকা থেকে রোববার সন্ধ্যায় আশরাফুলকে আটক করা হয়। তাকে থানায় নেয়া হলেও ঘটনা চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার অধীনে বলে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

চট্টগ্রামের খুলশীর ঝাউতলা রেলগেটে ডেমু ট্রেনের সঙ্গে অটোরিকশা-বাসের সংঘর্ষের ঘটনার সময় রেলগেটের দায়িত্বে থাকা গেটম্যানকে আটক করেছে পুলিশ।

মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোখলেছুর রহমান রোববার রাত ১১টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি নিউজবাংলাকে জানান, আশরাফুল আলমগীর নামে ওই গেটম্যানকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সন্তোষ কুমার চাকমা জানান, পাহাড়তলী এলাকা থেকে রোববার সন্ধ্যায় আশরাফুলকে আটক করা হয়। তাকে থানায় নেয়া হলেও ঘটনা চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার অধীনে বলে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের ঝাউতলা এলাকায় ডেমু ট্রেন, বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবলসহ তিনজন নিহত হন।

নিহতরা হলেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের ট্রাফিক উত্তর বিভাগের কনস্টেবল মনির হোসেন। তার বাড়ি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে। বাকি দুজন নগরীর হামজারবাগ এলাকার সৈয়দ বাহাউদ্দিন আহমেদ ও পাহাড়তলী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্র সাতরাজ উদ্দিন।

দুর্ঘটনার পরই স্থানীয়দের বরাত দিয়ে রেলওয়ে থানার ওসি নাজিম উদ্দিন জানান, একটি ডেমু ট্রেন ষোলশহর থেকে চট্টগ্রাম স্টেশনে যাচ্ছিল। এ সময় জাকির হোসেন রোডের ওই লেভেল ক্রসিংয়ের দুই দিকের গেট আটকানো ছিল।

তবে এর মধ্যেও একটি অটোরিকশা উল্টোপথে লাইন অতিক্রম করার চেষ্টা করে। এর পেছনে একটি বাসও লাইনের ওপর উঠে যায়। এ সময় ট্রেনটি বাস ও অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়।

শনিবার দুপুরে রেলওয়ে পুলিশের চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল গফুরকে প্রধান করে এ সংঘর্ষের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

এ বিষয়ে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘এ ঘটনায় গেটম্যানের কোনো অবহেলা থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এরপর শনিবার রাতে চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানায় বাসচালকের বিরুদ্ধে মামলা করেন উপপরিদর্শক জাহাঙ্গীর আলম।

আরও পড়ুন:
শোবার ঘরে আগুন: ভাইয়ের পর বোনের মৃত্যু
ঢাবির সুফিয়া কামাল হলের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শয়নকক্ষে আগুনে মা-মেয়ে দগ্ধ, ছেলের মৃত্যু
মুকসুদপুরে বাজারে পুড়েছে ৭ দোকান
চট্টগ্রামে বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে

শেয়ার করুন