ছুটির দিনে পাটুরিয়ায় গাড়ির চাপ

ছুটির দিনে পাটুরিয়ায় গাড়ির চাপ

সরকারি ছুটির দিনে গাড়ির চাপ বেড়েছে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায়। ছবি: নিউজবাংলা

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম জিল্লুর রহমান বলেন, ‘এমনিতেই পাটুরিয়া ঘাটে যানবাহনের চাপ থাকে। তার মধ্যে সরকারি ছুটির দিনে একটু চাপ বেশি হয়। যানবাহনের চাপ বেশি হলেও সমস্যা নাই, কারণ ১৮টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। আশা করছি, বিকেলের আগে ঘাটের চাপ কমে যাবে।’

সরকারি ছুটির দিনে গাড়ির চাপ বেড়েছে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায়। নদী পারাপারের জন্য দীর্ঘ সময় ঘাটে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এ পথে চলাচলকারীরা।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) সূত্রে জানা যায়, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ২০টি ফেরির মধ্যে ১৮টি ফেরি সচল রয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দুটি ফেরি আছে মেরামতে।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয় সূত্র জানায়, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় বুধবার ভোর থেকে পাটুরিয়া ফেরিঘাটে গাড়ির চাপ বাড়তে থাকে। পাটুরিয়া ঘাটে ১০০ বাস, দুই শতাধিক ব্যক্তিগত গাড়ি ও তিন শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম জিল্লুর রহমান বলেন, ‘এমনিতেই পাটুরিয়া ঘাটে যানবাহনের চাপ থাকে। তার মধ্যে সরকারি ছুটির দিনে একটু চাপ বেশি হয়। যানবাহনের চাপ বেশি হলেও সমস্যা নাই, কারণ ১৮টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। আশা করছি, বিকেলের আগে ঘাটের চাপ কমে যাবে।’

পরিবহনের চাপ কমলে সিরিয়াল অনুযায়ী ট্রাকগুলো পার করা হবে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কাউন্সিলর সোহেল হত্যা: ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামি নিহত 

কাউন্সিলর সোহেল হত্যা: ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামি নিহত 

কাউন্সিলর সোহেল হত্যা মামলার প্রধান আসামি শাহ আলম। ছবি:নিউজবাংলা

কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) পরিমল দাস বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মধ্যরাতে চাঁনপুরস্থ গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের ধরতে জেলা ডিবি ও কোতোয়ালি থানা পুলিশের একাধিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। পুলিশও আত্মরক্ষায় পাল্টা গুলি করে। উভয়পক্ষের গোলাগুলির একপর্যায়ে কয়েকজন সন্ত্রাসী পালিয়ে যায়। গোলাগুলি শেষে ঘটনাস্থলে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পিস্তল হাতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে শাহ আলম বলে সনাক্ত করে।’

কুমিল্লায় কাউন্সিলর সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি শাহ আলম পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন।

সদর উপজেলার চাঁনপুরস্থ গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ এলাকায় বুধবার রাত দেড়টার দিকে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) ও থানা পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে।

শাহ আলম নগরীর ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সুজানগর পূর্বপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এ সময় তার হাতে থাকা ৭.৬৫ মডেলের একটি পিস্তল উদ্ধার করেছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।

বুধবার রাত ৩টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) পরিমল দাস।

তিনি বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মধ্যরাতে চাঁনপুরস্থ গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের ধরতে জেলা ডিবি ও কোতোয়ালি থানা পুলিশের একাধিক দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

‘পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। পুলিশও আত্মরক্ষায় পাল্টা গুলি করে। উভয়পক্ষের গোলাগুলির একপর্যায়ে কয়েকজন সন্ত্রাসী পালিয়ে যায়।’


তিনি আরও বলেন, ‘গোলাগুলি শেষে ঘটনাস্থলে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পিস্তল হাতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে শাহ আলম বলে সনাক্ত করে।

‘আহত শাহ আলমকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গোলাগুলিতে পুলিশের দুইজন সদস্যও আহত হয়েছেন। আহত পুলিশ সদস্যদের পুলিশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শাহ আলমের মরদেহ কুমেক হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।’

এর আগে গত সোমবার মধ্যরাতে মামলার ৩ নম্বর আসামি নগরীর সুজানগর এলাকার মো. সাব্বির রহমান ও মামলার ৫ নম্বর আসামি নগরীর সংরাইশ এলাকার সাজন পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছিলেন।

গত ২২ নভেম্বর বিকেল ৪ টার দিকে নগরীর পাথরিয়াপাড়া থ্রি স্টার এন্টারপ্রাইজে কাউন্সিলর কার্যালয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন কাউন্সিলর সোহেলসহ দুইজন।

কাউন্সিলর সোহেল কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য ও ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। নিহত হরিপদ সাহা নগরীর ১৭নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য এবং সাহাপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

জোড়া খুনের ঘটনায় গত ২৩ নভেম্বর রাতে কাউন্সিলর সোহেলের ছোট ভাই সৈয়দ মো. রুমন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

শেয়ার করুন

নীরবে চলে গেল বীরপ্রতীক তারামন বিবির মৃত্যুবার্ষিকী

নীরবে চলে গেল বীরপ্রতীক তারামন বিবির মৃত্যুবার্ষিকী

বীরপ্রতীক তারামন বিবি। ফাইল ছবি

বীরপ্রতীক তারামন বিবির ছেলে আবু তাহের বলেন, ‘আজ আমার মায়ের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। অথচ ঘরোয়াভাবে পালন করতে হচ্ছে আমাদের। সরকারি-বেসরকারি এমনকি কোনো সামাজিক সংগঠনও মায়ের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কোনো কর্মসূচি নেয়নি।’

বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মাত্র দুই নারীর একজন তারামন বিবির মৃত্যুবার্ষিকী ছিল বুধবার। ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর বার্ধক্যজনিত কারণে কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার নিজ বাড়িতে মৃত্যু হয় তার।

রণাঙ্গনের এই বীর মুক্তিযোদ্ধার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে সরকারি অথবা বেসরকারিভাবে কোনো আয়োজনই করা হয়নি। পারিবারিকভাবে মিলাদ মাহফিলেই শেষ হয়েছে তার মৃত্যুবার্ষিকী।

বীরপ্রতীক তারামন বিবির ছেলে আবু তাহের বলেন, ‘আজ আমার মায়ের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। অথচ ঘরোয়াভাবে পালন করতে হচ্ছে আমাদের। সরকারি-বেসরকারি এমনকি কোনো সামাজিক সংগঠনও মায়ের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কোনো কর্মসূচি নেয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০১৮ সালে রাজীবপুর উপজেলায় কাচারীপাড়া গ্রামের নিজ বাড়িতে মা মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ পারিবারিকভাবে সন্ধ্যায় দোয়া অনুষ্ঠানের পাশাপাশি এতিমদের খাওয়ানো হয়েছে। এ ছাড়া কুড়িগ্রামের আরাজী পলাশবাড়ী এলাকার গুচ্ছপাড়া গ্রামের বাড়িতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।’

বীরপ্রতীক তারামন বিবির ভাই হাসান মিয়া আক্ষেপ করে বলেন, ‘যখন বুবু বেঁচে ছিল, তখন সরকারের লোক, দলীয় লোক এবং মুক্তিযোদ্ধারা অনেক খোঁজ খবর নিয়েছিল, কিন্তু আজ বুবুর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী হতে চললেও কেউ ফোন দিয়ে খবর নেয় না।

‘আমার নিজেরও অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো না। তাই তেমন কিছু করতে পারি না। সামর্থ যা হয় তাই দিয়ে মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করি।’

তারামন বিবি ছিলেন রাজিবপুর উপজেলার কোদালকাটি ইউনিয়নের শংকর মাধবপুর গ্রামের প্রয়াত আব্দুস সোবহানের সাত ছেলে-মেয়ের মধ্যে তৃতীয় কন্যা সন্তান। তিনি লেখাপড়ার সুযোগ পাননি। অন্যের বাড়িতে কাজ করতেন।

১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে রান্না করতেন ১৪ বছরের তারামন বিবি। রান্না করতে করতে অস্ত্র চালাতে শেখেন তিনি। তারপর রান্নার খুন্তি ফেলে রাইফেল হাতে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে অংশ নেন সম্মুখ সমরে।

মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে বীরপ্রতীক খেতাব দেয়া হলেও সে কথা তিনি দীর্ঘ ২৫ বছর জানতে পারেননি।

ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক বিমল কান্তি দে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান আলী এবং রাজিবপুর কলেজের সহকারী অধ্যাপক আব্দুস সবুর ফারুকীর সহায়তায় তাকে খুঁজে বের করেন। এরপর ১৯৯৫ সালের শেষ দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে বীরপ্রতীক খেতাবের পদক তুলে দেয়া হয়।

রাজীবপুরের সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হাই সরকার জানান, বীরপ্রতীক তারামন বিবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়নি।

রাজীবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত চক্রবর্তী জানান, বীরপ্রতীক তারামন বিবির তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সরকারি কোনো নির্দেশনা পাননি। তিনিসহ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আকবর হোসেন হিরো, ওসি মজাহারুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেলাল হোসেন, সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুস সবুর ফারুকীসহ কয়েকজন তার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

শেয়ার করুন

‘আপনার সঙ্গে কথা বলব, এটা আসলে ভাবি নাই তখন’ 

‘আপনার সঙ্গে কথা বলব, এটা আসলে ভাবি নাই তখন’ 

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বুধবার রাতে জরুরি অবতরণ করা বিমান। ছবি: নিউজবাংলা

চট্টগ্রামে জরুরি অবতরণ করা বিমানের যাত্রী ডা. নোমান খালেদ চৌধুরী জানান, শুরুতে তাদের কিছু বলা না হলেও পরে জানানো হয় বিমানে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তারা দেখেন বিমানটি একবার ওপরে উঠছে আবার নামছে। তীব্র ঝাঁকুনিও দিচ্ছিল। প্রায় ৪০ মিনিট অবিশ্বাস্য একটা পরিস্থিতির মধ্যে ছিলেন তারা। তবে পাইলট দক্ষতায় সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন।

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বুধবার রাতে জরুরি অবতরণ করা বিমানের যাত্রী ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক নোমান খালেদ চৌধুরী।

ঢাকার বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিউরো সার্জারীর পরীক্ষা নিয়ে চট্টগ্রাম ফিরছিলেন তিনি। তাকে বহনকারী বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিমানটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়ায় রাত ৯টা ৪০ মিনিটে শাহ আমানতে জরুরি অবতরণ করে।

এর আগে প্রায় ৪০ মিনিট বিমানটি অবতরণের জন্য একাধিকবার চেষ্টা করে। শেষ পর্যন্ত নিরাপদে অবতরণ করলেও সেই সময়টি ছিল বিমানের ৪২ যাত্রীর জন্য ভয়াবহ অভিজ্ঞতা। নিউজবাংলাকে সেই সময়ের কথা বলেছেন খালেদ।

তিনি বলেন, ‘শুরুতে কিছু বলেনি ওরা। কিছুক্ষণ পর বললেন যে একটু সমস্যা হচ্ছে। সমস্যার কারণ ওনারা বলেননি। এই ফাঁকে আমরা দেখতেছি যে বিমান ওঠা-নামা করতেছে। একবার ওপরে উঠতেছে, একবার নিচে নামতেছে।

‘ওপর থেকে নিচের দিকে নেমে হেভি ঝাঁকি দিতেছে। মনে হচ্ছিল পড়েই যাবে। আবার মনে হচ্ছে ওপরেই উঠতেছে। মানে টেকনিক্যালি ঘুরতেছে। তিনবার কী পাঁচবার ল্যান্ড করার চেষ্টা করছে। আবার উঠে গেছে, আবার নামছে। মোট ৪০ মিনিট অবিশ্বাস্য একটা পরিস্থিতি ছিল। বাট ক্যাপ্টেন অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ম্যানেজ করেছেন।’

খালেদ আরও বলেন, ‘বুঝতেই পারছেন, সবার একই অবস্থা। সবাই আল্লাহর নাম নিচ্ছিলেন। সম্ভবত আমরা সবাই আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করছিলাম। আপনার সঙ্গে কথা বলব, এটা আসলে ভাবি নাই তখন।’

নিরাপদ অবতরণের জন্য পাইলটের পরিস্থিতি মোকাবিলার ক্ষমতার প্রশংসা করেন এ চিকিৎসক। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আমি এটুকুই বলব, পাইলট অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন। অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। এই ধরনের পরিস্থিতিতে যে কেউ পাগল হয়ে যেতে পারে। আমরাও জটিল কোনো অপারেশনের সময় পাগল হয়ে যাই।

‘আমি যা বলছি, একদম মন থেকেই বলছি। যেহেতু আমি এ-টু-এর যাত্রী ছিলাম, সামনে ছিলাম। ওনাদের অনেক কথোপকথনও আমি শুনেছি। সেসব বলা যাবে না। এটুকু বলি, ক্যাপ্টেন অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে, ধৈর্য্যের সঙ্গে, দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন। এই ক্রেডিট অবশ্যই আমি দেব। এটা না হলে আমরা হয়তো ল্যান্ড করতে পারতাম না।’

পাইলটের কথোপকথন শুনে কিছু আঁচ করতে পেরেছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা আঁচ করতে পেরেছিলাম বলতে, ওনারা ভয় পাচ্ছিলেন যে, কোনো বিপদ ঘটে যাবে কি না।

‘বিমান যখন ল্যান্ড করল, বেশ কিছু অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে ছিল। মানে ওনারা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য রেডি ছিলেন। হয়তো ওনারা আশঙ্কা করছিলেন, বাট সবকিছুর ওপরই তো আল্লাহ। আল্লাহর রহমত ছিল।’

ওই ফ্লাইটে একজন সংসদ সদস্যসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিমানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা ছিলেন। একজন সাংসদ ছিলেন। সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও ছিলেন।

‘বাট এসব ক্ষেত্রে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আর ভুরুঙ্গামারির প্রেসিডেন্ট সেইম। কারণ আমরা সবাই একই সমস্যায় পড়েছিলাম যার পরিণতি কেউ জানে না।’

যাত্রীদেরও প্রশংসা করেন তিনি। বলেন, ‘শুরুতে সবাই উদ্বিগ্ন ছিলেন, কিন্তু পরে সবাই পরিস্থিতি মেনে নিয়ে শান্ত হয়ে গেছেন। বাট ক্যাপ্টেনের কথা বলতেই হয়, তিনি অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।’

বুধবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে ল্যান্ডিং গিয়ারে সমস্যা দেখা দেয়ায় চট্টগ্রামে জরুরি অবতরণ করে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বিমানটি। নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সেখানে বিমান বাংলাদেশের সহকারী ম্যানেজার ওমর ফারুক।

শেয়ার করুন

ভোট নিয়ে বিবাদে বাড়িঘরে আগুন গুলি, ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার

ভোট নিয়ে বিবাদে বাড়িঘরে আগুন গুলি, ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার

রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়নে নির্বাচনি সংঘর্ষের সময় দেয়া আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত একটি বাড়ি। ছবি: নিউজবাংলা

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবির হোসেন জানান, মামলার ২ নম্বর আসামি ও কায়েতপাড়া ইউনিয়নে সদ্য নির্বাচিত ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরও দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে জয়-পরাজয়কে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষ ও বাড়িঘরে আগুন দেয়ার ঘটনায় হওয়া মামলায় নবনির্বাচিত ইউপি সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মোশারফ হোসেনের বোন সালেহা ভূঁইয়া বুধবার রাত ৮টার দিকে মামলাটি করেন। এতে ২৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে ২০০-৩০০ জনকে।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবির হোসেন নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মামলার ২ নম্বর আসামি ও কায়েতপাড়া ইউনিয়নে সদ্য নির্বাচিত ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরও দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কায়েতপাড়া ইউনিয়নের নাউরা এলাকায় মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সংঘর্ষে জড়ায় জয়ী ও পরাজিত ইউপি সদস্য প্রার্থীর সমর্থকরা। এতে নারীসহ ২ জন গুলিবিদ্ধ ছাড়াও আহত হন অন্তত ১০ জন।

ওই সময় আওয়ামী লীগ নেতা মোশারফ হোসেনের বাড়িসহ পাঁচটি ঘরে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ঘটনার পর বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত নাওড়া এলাকায় পুলিশের শক্ত অবস্থান দেখা গেছে। তারা ওই গ্রামের প্রবেশপথসহ বিভিন্ন স্থানে টহল দিয়েছেন। পুলিশ ছাড়াও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা সারা দিন সেখানে ছিলেন।

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো জানায়, বাড়িগুলোতে অনেক আসবাবপত্র ছিল। পাশাপাশি অনেকের ঘরে টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালঙ্কার রাখা ছিল। আগুনে সব পুড়ে গেছে। এ ছাড়া হামলাকারীরা গোয়াল ঘর থেকে গরু ও ছাগলও নিয়ে গেছে।

এদিকে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ ও আহতদের আর্থিক সহযোগিতা দিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক। দুপুরে তিনি ২০টি পরিবারকে ৫০ হাজার করে টাকা অনুদান দেন।

এ সময় গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, ‘নির্বাচনে এ গ্রামের মানুষ যারা নৌকায় ভোট দিয়েছেন, তাদের ঘরে এ হামলা চালানো হয়েছে। প্রশাসন যদি শক্ত অবস্থান নিত, তাহলে এ ঘটনা ঘটার কথা ছিল না।

‘যারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। নয়তো তাদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ হবে না।’

শেয়ার করুন

ঠাট্টার ছলে যৌনাঙ্গে লাথিতেই বন্ধুর মৃত্যু

ঠাট্টার ছলে যৌনাঙ্গে লাথিতেই বন্ধুর মৃত্যু

বগুড়ার পুলিশ সুপার আকরামুল হোসেন জানান, গত ২৮ জুন শমসের ও মোস্তফা কাজ শেষে স-মিলে ফিরছিলেন। পথে মম ইন পার্কের পেছনে করতোয়া নদীর ধারে তাদের দেখা হয়। গল্পের এক পর্যায়ে ঠাট্টার ছলে শমসেরের যৌনাঙ্গে লাথি মারেন মোস্তফা। ঘটনাস্থলেই মারা যান শমসের। আতঙ্কে শমসেরের মরদেহ বেঁধে নদীর তীরে ফেলে পালিয়ে যান মোস্তফা।

বগুড়ায় প্রায় পাঁচ মাস আগের একটি হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই।

বাহিনীটি বলছে, যৌনাঙ্গে গুরুতর আঘাতের কারণে মৃত্যু হয়েছিল শমসের আলী নামে ওই ব্যক্তির। পরে তার মরদেহ বেঁধে করতোয়া নদীর তীরে ফেলে যায় শমসেরের বন্ধু মো. মোস্তফা।

বগুড়ার পুলিশ সুপার আকরামুল হোসেন বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের এসব জানান।

তিনি বলেন, ‘সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলা থেকে মোস্তফাকে আটক করা হয়।’

মোস্তফার বরাতে এসপি জানান, শমসের ও মোস্তফা বগুড়াসহ বিভিন্ন জেলা ঘুরে ধানের জমিতে কাজ করতেন। তাদের দুজনের বাড়ি নীলফামারী জেলায়। গত জুনে মাটিডালীর একটি স-মিলে আরও সাত-আটজনের সঙ্গে থাকা শুরু করেন। দিনের বেলায় কৃষিজমিতে কাজ করতেন, রাতে স-মিলে ঘুমাতেন।

গত ২৮ জুন শমসের ও মোস্তফা কাজ শেষে স-মিলে ফিরছিলেন। পথে মম ইন পার্কের পেছনে করতোয়া নদীর ধারে তাদের দেখা হয়। গল্পের এক পর্যায়ে ঠাট্টার ছলে শমসেরের যৌনাঙ্গে লাথি মারেন মোস্তফা। ঘটনাস্থলেই মারা যান শমসের। আতঙ্কে শমসেরের মরদেহ বেঁধে নদীর তীরে ফেলে পালিয়ে যান মোস্তফা।

পরদিন স্থানীয়রা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। এ ঘটনায় সদর থানায় মামলা হলেও পিবিআই মামলাটির তদন্ত শুরু করে।

শেয়ার করুন

এইচএসসির প্রবেশপত্র না পেয়ে সড়ক অবরোধ

এইচএসসির প্রবেশপত্র না পেয়ে সড়ক অবরোধ

রংপুরে সড়ক অবরোধ করেছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

পরীক্ষার্থী মো. মুকুল বলেন, ‘আমাদের ফরম পূরণ বাবদ ২৬৬ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে তিন হাজার একশ টাকা নেয়া হয়েছে। আগামীকাল পরীক্ষা। আমরা কলেজে গেছিলাম, প্রিন্সিপল স্যার ছিলেন না। কলেজের দপ্তরি খোকন ছিলেন। আমরা প্রবেশপত্রের কথা বললে কেউ কিছু বলতে পারেনি।’

এইচএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র না পাওয়ায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে রংপুরের সাহেবগঞ্জ বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, বুধবার পরীক্ষা, অথচ প্রবেশপত্র না দিয়ে উধাও হয়ে গেছেন অধ্যক্ষ।

সাহেবগঞ্জ তিন মাথার মোড়ে অবস্থান নিয়ে বুধবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে বিক্ষোভ করেছে তারা। এতে রংপুর হারাগাছ ও হারাগাছ সাত মাথা সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পরীক্ষার্থী মো. মুকুল বলেন, ‘আমাদের ফরম পূরণ বাবদ ২৬৬ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে তিন হাজার একশ টাকা নেয়া হয়েছে। আগামীকাল পরীক্ষা। আমরা কলেজে গেছিলাম, প্রিন্সিপল স্যার ছিলেন না। কলেজের দপ্তরি খোকন ছিলেন। আমরা প্রবেশপত্রের কথা বললে কেউ কিছু বলতে পারেনি।’

আরেক ছাত্র শাকিল ইসলাম বলেন, ‘অ্যাডমিট কার্ড না পেলে এবং পরীক্ষা দিতে না পারলে সড়ক ছাড়ব না।’

বিক্ষুব্ধ ছাত্রদের সঙ্গে রাস্তায় দেখা গেছে অভিভাবকদেরও।

এক পরীক্ষার্থীর মা নাজনীন বেগম বলেন, ‘কত কষ্ট করি আমার মেয়ের ফরম পুরণের টাকা দিচি। মেয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে না এটা কেমন কথা। ওই প্রিন্সিপল টাকা মারি খাইচে। হামরা ওই প্রিন্সিপলের বিচার চাই।’

আরেক অভিভাবক রানু বালা বলেন, ‘আমার মেয়ের জীবনটা নষ্ট না হয়। আরও এক বছর গেলে জীবন তো শ্যাষ। আমার দুইটা মেয়ে পড়ে। অ্যাডমিট দেউক, মেয়েরা পরীক্ষা দিবে।’

এ বিষয়ে জানতে কলেজের অধ্যক্ষ মো. আইনুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার সাজ্জাদ হোসেন জানান, পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ শুনেছেন। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন।

শেয়ার করুন

৪২ যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রামে বিমানের ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ

৪২ যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রামে বিমানের ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে বাংলাদেশ বিমানের এই ফ্লাইটটি। ছবি: নিউজবাংলা

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটির ল্যান্ডিং গিয়ারে সমস্যা দেখা দেয়। এ কারণে সেটি জরুরি অবতরণ করে। তবে প্রথমবার অবতরণের চেষ্টা সফল হয়নি।

ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া যাত্রীবাহী একটি উড়োজাহাজে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়ার পর সেটি চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে।

রাত ৯টা ৪০ মিনিটে বিমানটি অবতরণ করে বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশের সহকারী ম্যানেজার ওমর ফারুক।

তিনি জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটির ল্যান্ডিং গিয়ারে সমস্যা দেখা দেয়। এ কারণে সেটি জরুরি অবতরণ করে। তবে প্রথমবার অবতরণের চেষ্টা সফল হয়নি।

তিনি আরও জানান, ফ্লাইটিতে ৪২ জন যাত্রী ছিলেন । ঢাকা থেকে রাত পৌনে ৯টায় এটি চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করে।

ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপপরিচালক আনিসুর রহমান বলেন, ‘একটা বিমান ল্যান্ড করতে পারছে না এমন খবর পেয়ে কয়েকটি ইউনিট শাহ আমানতে পাঠানো হয়। রাত ৯টা ৪০ মিনিটে বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়িগুলো ফিরিয়ে আনা হয়।’

ফ্লাইটটিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ফিরছিলেন সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী। মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

সংসদ সদস্যের স্ত্রী মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী রিজিয়া রেজা নদভী বলেন, ‘ফ্লাইটে সমস্যা হয়েছিল। পরে এমপি সাহেবসহ সব যাত্রী নিরাপদে নামতে পেরেছেন।’

শেয়ার করুন