হামলার প্রতিবাদ পথনাটকে

হামলার প্রতিবাদ পথনাটকে

পথনাটকে দেশের বিভিন্ন স্থানে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উপর হামলার প্রতিবাদ জানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার বিভাগ। ছবি: নিউজবাংলা

মণ্ডপগুলোতে পূজা চলাকালীন কীভাবে আক্রমণ চালানো হয়েছে আর কীভাবে মণ্ডপ ভাঙচুর করে সেখানে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছে, সেটির কাল্পনিক একটি চিত্র শৈল্পিক এ প্রতিবাদে মঞ্চস্থ করা হয়েছে।

কুমিল্লা, নোয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূজামণ্ডপে ভাঙচুর, তাদের বাড়িঘরে আগুন দেয়ার বিরুদ্ধে শৈল্পিক প্রতিবাদ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা এবং সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ‘দেখতে কি পাও, পুড়ছে বাংলা...’ শীর্ষক এক প্রতিবাদী নাট্য পরিবেশনার মাধ্যমে প্রতিবাদ জানান বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

‘গোল হয়ে আসুন সকলে, ঘন হয়ে আসুন সকলে’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত শৈল্পিক প্রতিবাদে বিভাগের শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

মণ্ডপগুলোতে পূজা চলাকালীন কীভাবে আক্রমণ চালানো হয়েছে আর কীভাবে মণ্ডপ ভাঙচুর করে সেখানে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছে, সেটির কাল্পনিক একটি চিত্র শৈল্পিক এ প্রতিবাদে মঞ্চস্থ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারীসহ প্রায় শতাধিক মানুষ এ পরিবেশনা উপভোগ করেছেন।

পরিবেশনার সময়ে বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. ইসরাফিল সাহিন, ড. সাইদুর রহমান লিপন, মোহাম্মদ আহসান খান এবং নাভেদ রহমানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

পরিবেশানাটির মুখ্য তত্ত্বাবধায়ক তানভির নাহিদ খান বলেন, ‘শারদীয় দুর্গোৎসবে সারা দেশে ঘটে যাওয়া ঘটনা এই বাংলার হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনকে হুমকির মুখে ফেলে, অসাম্প্রদায়িক এই রাষ্ট্রকে সংকটাপন্ন করেছে। সমাজের একজন সচেতন মানুষ হিসেবে এই সাম্প্রদায়িক আচরণের প্রতিবাদ করা নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে হয়েছে। দেশকে বাঁচাতে হলে এই হামলা, সহিংসতা, উগ্র এবং ধর্মান্ধ আচরণ প্রশ্রয় না দিয়ে যার যার অবস্থান থেকে প্রতিহত করতে হবে।’

হামলার প্রতিবাদ পথনাটকে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পথনাটকে হামলার প্রতিবাদ।

বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাহমান মৈশান বলেন, ‘ধর্মীয় জাতীয়তাবাদ, এথনিক জাতীয়তাবাদ ও বুর্জোয়া শ্রেণিবাদ-এই সবই মুক্তিযুদ্ধের ভাবাদর্শের পরিপন্থি। এদেশে একজন মুসলমান ঠিক যতটুকু বাঁচার অধিকার রাখে, একজন হিন্দুও ততটুকুই অধিকার রাখে। বহু জাতির ও বহু ধর্মের বাংলাদেশকে বীভৎস সাম্প্রদায়িকতা ও বর্ণবাদ থেকে রক্ষার জন্য সবাই আওয়াজ তুলুন।’

বিভাগের চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান লিয়ন বলেন, ‘‘আমাদের দেশ অসাম্প্রদায়িক দেশ। ‘সকল ধর্ম, সকল জাতি সম অধিকার’ মুক্তিযুদ্ধের এই মূল প্রতিপাদ্য নিয়ে আমরা বাস করি। যখন এর ব্যত্যয় ঘটে তখন রচিত হয় অন্যায়। এটা নিজ মাতৃভূমি তথা আপন জনের সঙ্গে অন্যায়।

‘আমাদের বিভাগ সব সময় নাট্য এবং শিল্পের ভাষায় প্রতিবাদ করে। মানুষ হিসেবে, সচেতন নাগরিক হিসেবে এবং সর্বপরি শিল্পী হিসেবে দেশ ও মানবতার স্বার্থে আমাদের বিভাগের শিক্ষক- শিক্ষার্থীরা সব সময়ে সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে সক্রিয়।’

প্রসঙ্গত থিয়েটার পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ২০১৬ সালে নাসিরনগরে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উপরে সাম্প্রদায়িক আক্রমণ, লুট ও তাণ্ডবের বিরুদ্ধে ‘আমি মালাউন বলছি’ শীর্ষক প্রতিবাদী পরিবেশনা উপস্থাপন করেন।

এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন সময়ের আন্দোলন সংগ্রামে বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা শৈল্পিক প্রতিবাদী নাট্য পরিবেশনা উপস্থাপন করে থাকেন।

আরও পড়ুন:
ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি ১৪ দলের
সরকারকে নড়বড়ে দেখানোই উদ্দেশ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি নয়: প্রধানমন্ত্রী
পীরগঞ্জে ‘উসকানিমূলক স্ট্যাটাস’: ‘কিশোরের’ জবানবন্দি
গোবিন্দগঞ্জে ব্যবসায়ীর দোকানে আগুন, সন্দেহ ‘নাশকতা’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এইচএসসি পরীক্ষা দিতে আসেনি সাড়ে ৪ হাজার

এইচএসসি পরীক্ষা দিতে আসেনি সাড়ে ৪ হাজার

রাজধানীর একটি কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে ঢুকছেন এইচএসসির পরীক্ষার্থীরা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস

সারাদেশে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধিনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সকাল এবং বিকেলে শিফটের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬৬৬ জন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ২ লাখ ৫০ হাজার ৭৩ জন। এই হিসাবে অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ হাজার ৫৯৩ জন।

এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে ৯টি শিক্ষা বোর্ডে সাড়ে চার হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। নকল করার অভিযোগে দিনাজপুর বোর্ডের দুই এবং যশোর বোর্ডের এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রথম দিন নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সকালে পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) বিষয় ও বিকালে সাধারণ বিজ্ঞান, খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) রসায়ন প্রথম পত্র, জীব বিজ্ঞনি, লঘু সংগীত প্রথম পত্র (তত্ত্বীয়) ও মাদ্রাসা বোর্ডের কুরআন মজীদ বিষয়ের পরীক্ষা হয়।

সারাদেশে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধিনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সকাল এবং বিকেলে শিফটের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬৬৬ জন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ২ লাখ ৫০ হাজার ৭৩ জন। এই হিসাবে অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ হাজার ৫৯৩ জন।

অন্যদিকে পরীক্ষার প্রথম দিনে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে অনুপস্থিতির সংখ্যা ৬ হাজার ৭৫২ জন আর অসাধুপস্থা অবলম্বন করায় ১৮ জনকে বহিস্কার করা হয়েছে। তবে রাত ৮টা পর্যন্ত কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সাধারণত প্রতিবছর এপ্রিল মাসে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হলেও এ বছর করোনা মহামারির কারণে এই পাবলিক পরীক্ষা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নেয়ার ঘোষণা দেয় সরকার।

এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিতে নিবন্ধন করেছে ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬৯০ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ২৯ হাজার ৭৩৮ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৬৯ হাজার ৯৫২ জন।

এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ১৭ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৫ লাখ ৬৩ হাজার ১১৩ জন এবং ছাত্রী ৫ লাখ ৭৪ হাজার ৯০৪ জন।

মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিমের জন্য নিবন্ধন করেছে ১ লাখ ১৩ হাজার ১৪৪ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬১ হাজার ৭৩৮ জন এবং ছাত্রী ৫১ হাজার ৪০৬ জন।

এইচএসসি (বিএম/ভোকেশনাল) পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করেছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫২৯ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৪ হাজার ৮২৭ জন এবং ছাত্রী ৪৩ হাজার ৬৪২ জন।

৯ হাজার ১৮৩টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ২ হাজার ৬২১টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। দেড় বছর পর ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয় প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

আরও পড়ুন:
ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি ১৪ দলের
সরকারকে নড়বড়ে দেখানোই উদ্দেশ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি নয়: প্রধানমন্ত্রী
পীরগঞ্জে ‘উসকানিমূলক স্ট্যাটাস’: ‘কিশোরের’ জবানবন্দি
গোবিন্দগঞ্জে ব্যবসায়ীর দোকানে আগুন, সন্দেহ ‘নাশকতা’

শেয়ার করুন

৪১তম বিসিএস: বিষয়ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা শুরু ২৯ ডিসেম্বর

৪১তম বিসিএস: বিষয়ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা শুরু ২৯ ডিসেম্বর

সরকারি চাকরিতে বিভিন্ন ক্যাডারে ২ হাজার ১৩৫টি শূন্য পদে প্রার্থী নিয়োগ দিতে গত বছরের ২৭ নভেম্বর ৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। ফাইল ছবি

বৃহস্পতিবার পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নূর আহম্মদের সই করা অফিস আদেশে বলা হয়, ৪১তম বিসিএসের বিষয়ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে, চলবে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত। পরীক্ষার হল, আসন বিন্যাস ও বিস্তারিত বিষয়াদি পরে জানিয়ে দেয়া হবে। এর আগে গত ১৯ মার্চ দেশের আট বিভাগের কেন্দ্রে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৪১তম বিসিএসে আবেদন করেছিলেন ৪ লাখ ৪ হাজার ৫১৩ প্রার্থী। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৩ লাখ ৪ হাজার ৯০৭ জন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি ৯৯ হাজার ৬০৬ জন।

৪১তম বিসিএসের বিষয়ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে। চলবে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত। এর আগে গত ২৯ নভেম্বর থেকে ৪১তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়গুলোর লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়, যা চলবে আগামী ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার সরকারি কর্ম-কমিশনের (পিএসসসি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নূর আহম্মদের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়, ৪১তম বিসিএসের বিষয়ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে, চলবে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত। পরীক্ষার হল, আসন বিন্যাস ও বিস্তারিত বিষয়াদি পরে জানিয়ে দেয়া হবে।

এর আগে গত ১৯ মার্চ দেশের আট বিভাগের কেন্দ্রে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৪১তম বিসিএসে আবেদন করেছিলেন ৪ লাখ ৪ হাজার ৫১৩ প্রার্থী। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৩ লাখ ৪ হাজার ৯০৭ জন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি ৯৯ হাজার ৬০৬ জন।

গত ১ আগস্ট প্রকাশিত প্রিলিমিনারির ফলাফলে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২১ হাজার ৫৬ জন। উত্তীর্ণরাই লিখিত পরীক্ষায় বসছেন।

সরকারি চাকরিতে বিভিন্ন ক্যাডারে ২ হাজার ১৩৫টি শূন্য পদে প্রার্থী নিয়োগ দিতে গত বছরের ২৭ নভেম্বর ৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রশাসন ক্যাডারে ৩২৩ জন, পুলিশে ১০০ জন, পররাষ্ট্রে ২৫ জন, আনসারে ২৩ জন, অর্থ মন্ত্রণালয়ে সহকারী মহাহিসাবরক্ষক (নিরীক্ষা ও হিসাব) ২৫ জন, সহকারী কর কমিশনার (কর) ৬০ জন, সহকারী কমিশনার (শুল্ক ও আবগারি) ২৩ জন ও সহকারী নিবন্ধক হিসেবে ৮ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে।

শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ দেয়া হবে ৯১৫ জনকে। বিসিএস স্বাস্থ্যে সহকারী সার্জন হিসেবে ১১০ জন ও সহকারী ডেন্টাল সার্জন হিসেবে ৩০ জন নিয়োগ পাবেন।

পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে পরিসংখ্যান কর্মকর্তা হিসেবে ১২ জন, রেলপথ মন্ত্রণালয়ে সহকারী যন্ত্র প্রকৌশলী হিসেবে ৪ জন, সহকারী ট্রাফিক সুপারিনটেনডেন্ট হিসেবে ১ জন, সহকারী সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক হিসেবে ১ জন, সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) হিসেবে ২০ জন ও সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) হিসেবে ৩ জন নিয়োগ পাবেন।

তথ্য মন্ত্রণালয়ে সহকারী পরিচালক বা তথ্য কর্মকর্তা বা গবেষণা কর্মকর্তা হিসেবে ২২ জন, সহকারী পরিচালক (অনুষ্ঠান) হিসেবে ১১ জন, সহকারী বার্তা নিয়ন্ত্রক হিসেবে ৫ জন, সহকারী বেতার প্রকৌশলী হিসেবে ৯ জন, স্থানীয় সরকার বিভাগে বিসিএস জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে ৩৬ জন, সহকারী বন সংরক্ষক হিসেবে ২০ জন নিয়োগ পাবেন।

সহকারী পোস্টমাস্টার জেনারেলে ২ জন, মৎস্যে ১৫ জন, পশুসম্পদে ৭৬ জন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হিসেবে ১৮৩ জন ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে ৬ জন, বাণিজ্যে সহকারী নিয়ন্ত্রক হিসেবে ৪ জন নিয়োগ পাবেন।

এ ছাড়া পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা পদে ৪ জন, সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক পদে ৬ জন ও সহকারী রক্ষণ প্রকৌশলী পদে ২ জন, বিসিএস গণপূর্তে সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) পদে ৩৬ জন এবং সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম) পদে ১৫ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি ১৪ দলের
সরকারকে নড়বড়ে দেখানোই উদ্দেশ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি নয়: প্রধানমন্ত্রী
পীরগঞ্জে ‘উসকানিমূলক স্ট্যাটাস’: ‘কিশোরের’ জবানবন্দি
গোবিন্দগঞ্জে ব্যবসায়ীর দোকানে আগুন, সন্দেহ ‘নাশকতা’

শেয়ার করুন

স্কুলে ভর্তি শেষ করতে হবে ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে

স্কুলে ভর্তি শেষ করতে হবে ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে

ফাইল ছবি

মাউশি মহাপরিচালক ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক বলেন, সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ভর্তি প্রক্রিয়া যেন ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হয় এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভর্তির ক্ষেত্রে যেন পরীক্ষা নেয়া না হয় এ বিষয়েও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবগত করা হয়েছে।

সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি প্রক্রিয়া ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে। আর শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি ছাড়া ভর্তি পরীক্ষা নেয়া যাবে না।

বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ গোলাম ফারুকের সই করা অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মাউশি মহাপরিচালক বলেন, সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ভর্তি প্রক্রিয়া যেন ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হয় এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভর্তির ক্ষেত্রে যেন পরীক্ষা নেয়া না হয় এ বিষয়েও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবগত করা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়, সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন ও ভর্তি প্রক্রিয়া অবশ্যই আগামী ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে। লটারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ভর্তি পরিচালনা কমিটি, ঢাকা মহানগরের ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাউশি অভিভাবক, ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষক প্রতিনিধির উপস্থিতি থাকতে হবে।

আরও বলা হয়, শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে ভর্তি নীতিমালা (সংশোধিত-২০২১) অনুসরণ করে লটারির কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। কোনোভাবেই ১১০ টাকার বেশি ফি নেয়া যাবে না।

আগামী বছরের জন্য সরকারি ও বেসরকারি স্কুলগুলোয় প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তির আবেদন শুরু হয়েছে ২৫ নভেম্বর। এই আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ৮ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

২০২২ শিক্ষাবর্ষে সরকারি স্কুলে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তিতে শিক্ষার্থীর বয়স ছয় বছরের বেশি হতে হবে। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এর আলোকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এই বয়স নির্ধারণ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

ভর্তি কার্যক্রমের শর্তাবলি

সরকারি বিদ্যালয়: ঢাকা মহানগরে ৪৪টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় তিনটি ভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত থাকবে। আবেদনের সময় একজন শিক্ষার্থী একটি গ্রুপের পাঁচটি বিদ্যালয় নির্বাচন করতে পারবে। এখান থেকে লটারির মাধ্যমে একটি বিদ্যালয় নির্বাচন করা হবে।

সারা দেশে আবেদনকারীরা আবেদনের সময় প্রতিষ্ঠান নির্বাচনকালে থানাভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা পাবে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীরা প্রাপ্যতার ভিত্তিতে প্রতিটি আবেদনে সর্বোচ্চ পাঁচটি স্কুল পছন্দের ক্রমানুসারে নির্বাচন করতে পারবে।

ডাবল শিফটের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উভয় শিফট পছন্দ করলে দুটি পছন্দক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। একই পছন্দক্রমের বিদ্যালয় কিংবা শিফট দ্বিতীয়বার পছন্দ করা যাবে না।

এ ছাড়া ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির মোট শূন্য আসনের ১০ শতাংশ কোটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

বেসরকারি বিদ্যালয়: ঢাকা মহানগরীর বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানসংলগ্ন কমপক্ষে একটি এবং সর্বোচ্চ তিনটি প্রশাসনিক থানা ক্যাচমেন্ট এরিয়া হিসেবে নির্ধারণ করা যাবে।

আবেদনকারীরা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনকালে মহানগর পর্যায়ের জন্য বিভাগীয় সদরের মেট্রোপলিটন এলাকা এবং জেলা সদরের সদর উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা পাবে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীরা প্রাপ্যতার ভিত্তিতে প্রতিটি আবেদনে সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় পছন্দের ক্রমানুসারে নির্বাচন করতে পারবে।

ডাবল শিফটের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উভয় শিফট পছন্দ করলে দুটি পছন্দক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। একই পছন্দক্রমের বিদ্যালয় কিংবা শিফট দ্বিতীয়বার পছন্দ করা যাবে না।

করোনা মহামারির কারণে গত বছর প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এর আগে শুধু প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হতো। আর দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তিতে পরীক্ষা নেয়া হতো। নবম শ্রেণিতে ভর্তি করা হতো জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে।

আরও পড়ুন:
ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি ১৪ দলের
সরকারকে নড়বড়ে দেখানোই উদ্দেশ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি নয়: প্রধানমন্ত্রী
পীরগঞ্জে ‘উসকানিমূলক স্ট্যাটাস’: ‘কিশোরের’ জবানবন্দি
গোবিন্দগঞ্জে ব্যবসায়ীর দোকানে আগুন, সন্দেহ ‘নাশকতা’

শেয়ার করুন

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে রাবিতে ৭ দিনব্যাপী উৎসব

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে রাবিতে ৭ দিনব্যাপী উৎসব

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবাস বাংলাদেশ চত্বর।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে, 'জাতির পিতার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও কর্মময় জীবন’ শীর্ষক আলোচনায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মশিউর রহমান। উৎসবের প্রথম দিনের দ্বিতীয় পর্বে বেলা ৩টা থেকে ‘সাবাস বাংলাদেশ’ চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ৪ ডিসেম্বর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে আলোচনা সভা এবং পরে সাবাস বাংলাদেশ চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ৫ ডিসেম্বরও থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাত দিনব্যাপী বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

শুক্রবার বেলা ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবাস বাংলাদেশ চত্বরে উৎসবের শুরু হবে।

প্রধান অতিথি হিসেবে উৎসবের উদ্বোধন করবেন মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ৩ থেকে ৫ ডিসেম্বর ও ১১ থেকে ১৪ ডিসেম্বর দুই ধাপে এ কর্মসূচি পালিত হবে।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক ড. আজিজুর রহমান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মাননীয় মেয়র ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, রাজশাহী-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ফজলে হোসেন বাদশা, রাজশাহী-৩ আসনের এমপি মো. আয়েন উদ্দিন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়া ও অধ্যাপক মো. সুলতান-উল-ইসলাম।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেবেন ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মলয় ভৌমিক।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ‘জাতির পিতার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও কর্মময় জীবন’ শীর্ষক আলোচনায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মশিউর রহমান।

উৎসবের প্রথম দিনে দ্বিতীয় পর্বে বেলা ৩টা থেকে ‘সাবাস বাংলাদেশ’ চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ৪ ডিসেম্বর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে আলোচনা সভা ও পরে সাবাস বাংলাদেশ চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ৫ ডিসেম্বরও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে।

এদিকে ১১ থেকে ১৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে সাবাস বাংলাদেশ চত্বরে শুরু হবে নাট্যোৎসব ও ১৪ ডিসেম্বর প্রামাণ্যচিত্র ‘বধ্যভূমিতে এক দিন’ প্রদর্শিত হবে।

আরও পড়ুন:
ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি ১৪ দলের
সরকারকে নড়বড়ে দেখানোই উদ্দেশ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি নয়: প্রধানমন্ত্রী
পীরগঞ্জে ‘উসকানিমূলক স্ট্যাটাস’: ‘কিশোরের’ জবানবন্দি
গোবিন্দগঞ্জে ব্যবসায়ীর দোকানে আগুন, সন্দেহ ‘নাশকতা’

শেয়ার করুন

শীতের ছুটিতেও জগন্নাথে চলবে পরীক্ষা

শীতের ছুটিতেও জগন্নাথে চলবে পরীক্ষা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৬ থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ দিন শীতকালীন ছুটি। এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সেমিস্টার পরীক্ষা চালু থাকবে। স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারের ভর্তির কাজও চালু থাকবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বিভিন্ন বিভাগের চলমান সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা শীতকালীন ছুটিতেও চালু থাকবে। এ ছাড়া স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারের ভর্তি কার্যক্রমও চালু থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জমানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৬ থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ দিন শীতকালীন ছুটি। এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সেমিস্টার পরীক্ষা চালু থাকবে।

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারের ভর্তির কাজও চালু থাকবে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অনুষদ, বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও প্রশাসনিক দপ্তর খোলা থাকবে।

করোনার কারণে বিভিন্ন বর্ষের আটকে থাকা সেমিস্টার পরীক্ষাগুলো গত ৭ অক্টোবর শুরু হয়। ইতিমধ্যে এক সেমিস্টারের পরীক্ষা শেষ হয়েছে, আটকে থাকা আরেক সেমিস্টারের পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি ১৪ দলের
সরকারকে নড়বড়ে দেখানোই উদ্দেশ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি নয়: প্রধানমন্ত্রী
পীরগঞ্জে ‘উসকানিমূলক স্ট্যাটাস’: ‘কিশোরের’ জবানবন্দি
গোবিন্দগঞ্জে ব্যবসায়ীর দোকানে আগুন, সন্দেহ ‘নাশকতা’

শেয়ার করুন

আগামী বছরে ক্লাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়নি

আগামী বছরে ক্লাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়নি

ওমিক্রনের প্রভাবে টেকনিক্যাল কমিটি ক্লাস সংখ্যা না বাড়াতে পরামর্শ দিয়েছে। ফাইল ছবি

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম আগামী বছরের শুরু থেকেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস সংখ্যা বাড়াতে, তবে ওমিক্রনের প্রভাবে টেকনিক্যাল কমিটি ক্লাস সংখ্যা না বাড়াতে পরামর্শ দিয়েছেন। সেটার ভিত্তিতে এখনই ক্লাস সংখ্যা বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগামী বছরের ক্লাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর দিন বৃহস্পতিবার সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম আগামী বছরের শুরু থেকেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস সংখ্যা বাড়াতে, তবে ওমিক্রনের প্রভাবে টেকনিক্যাল কমিটি ক্লাস সংখ্যা না বাড়াতে পরামর্শ দিয়েছেন। সেটার ভিত্তিতে এখনই ক্লাস সংখ্যা বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। পরিস্থিতি খারাপ হলে টেকনিক্যাল কমিটির পরামর্শক্রমে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।

‘এ ছাড়া প্রাক-প্রাথমিক ক্লাস চালুর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, তবে আমি যতটুকু জানি এখন পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।’

ওই সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম ফারুক, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি ১৪ দলের
সরকারকে নড়বড়ে দেখানোই উদ্দেশ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি নয়: প্রধানমন্ত্রী
পীরগঞ্জে ‘উসকানিমূলক স্ট্যাটাস’: ‘কিশোরের’ জবানবন্দি
গোবিন্দগঞ্জে ব্যবসায়ীর দোকানে আগুন, সন্দেহ ‘নাশকতা’

শেয়ার করুন

ওমিক্রনে বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ওমিক্রনে বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে নির্ধারিত সময়ের আট মাস পর শুরু হলো এইচএসসি পরীক্ষা। শিক্ষামন্ত্রী বলছেন, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনে পরিস্থিতি খারাপ হলে আবার বন্ধ হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ওমিক্রনের কারণে পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হতে পারে। তবে আমাদের এ জাতীয় কোনো পরিকল্পনা এখনও নেই। আমরা চাই ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু থাকুক।’

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের কারণে পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলে আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

বৃহস্পতিবার সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজে এইচএসসি পরীক্ষা পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ওমিক্রনের কারণে পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হতে পারে। তবে আমাদের এ জাতীয় কোনো পরিকল্পনা এখনও নেই। আমরা চাই ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু থাকুক।

‘আমরা আশা করছি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা লাগবে না। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের টেকনিক্যাল কমিটির সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চলছে। আমরা বিজ্ঞানের বাইরে গিয়ে তো কিছু করতে পারব না। সবকিছুর ঊর্ধ্বে আমাদের সন্তানদের সুরক্ষা। তাদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে আমরা সবকিছু করতে প্রস্তুত আছি।’

ওমিক্রনে বন্ধ হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

‘প্রশ্ন ফাঁসের সুযোগ নেই’

চলমান এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

তিনি বলেন, ‘এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। আমাদের যে পদ্ধতি তাতে প্রশ্ন ফাঁস হতে পারে না। তবুও এর গুজব ছড়ানো এবং ফাঁসের কাজের সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব।’

সামনে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন থাকলেও পরীক্ষায় কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না বলে জানিয়েছেন দীপু মনি। তিনি বলেন, ‘২৩ তারিখেও আমাদের এইচএসসি পরীক্ষা হবে। ওই দিন ইউপি নির্বাচনেরও তারিখ ছিল। আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় করেছি। তারা নির্বাচন পিছিয়েছে। যার কারণে ২৩ তারিখে পরীক্ষা যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে।’

আগামী বছরের পাবলিক পরীক্ষাগুলো নিয়েও কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। বলেন, ‘আমরা আগামী বছরের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে পরীক্ষা বছরের মাঝামাঝি নিয়ে আসার চেষ্টা করব।’

শিক্ষার্থীদের টিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে যাদের টিকা দেয়া হয়নি কিংবা টিকা প্রথম ডোজ দিয়েছে, তাদের পরীক্ষার পরপরই খুব দ্রুত টিকা দেয়া হবে।’

এইচএসসির পরীক্ষার ফল পরীক্ষা শেষ হওয়ার এক মাসের মধ্যে দেয়ার চেষ্টা করা হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম ফারুক, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদসহ আরও অনেকে।

আরও পড়ুন:
ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি ১৪ দলের
সরকারকে নড়বড়ে দেখানোই উদ্দেশ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি নয়: প্রধানমন্ত্রী
পীরগঞ্জে ‘উসকানিমূলক স্ট্যাটাস’: ‘কিশোরের’ জবানবন্দি
গোবিন্দগঞ্জে ব্যবসায়ীর দোকানে আগুন, সন্দেহ ‘নাশকতা’

শেয়ার করুন