হিন্দুদের ওপর হামলায় ভারতীয় গোয়েন্দারা, সন্দেহ নুরের

player
হিন্দুদের ওপর হামলায় ভারতীয় গোয়েন্দারা, সন্দেহ নুরের

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে ডাকসুর সাবেক সহসভাপতি নুরুল হক নুর। ছবি: নিউজবাংলা

‘আমাদের দেশের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে যখন ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক দল বিজিপি বাংলাদেশকে আক্রমণ করে বক্তব্য দেয়, তখন এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি। বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার জন্য ভারতের গোয়েন্দারা এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে কি না তা আমাদের ভাবিয়ে তোলে।’

দেশের বিভিন্ন এলাকায় হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনায় সরকারকে দায়ী করলেও এর পেছনে ভারতীয় গোয়েন্দাদের সম্পৃক্ততা আছে কি না, সে প্রশ্ন তুলেছেন ডাকসুর সাবেক সহসভাপতি নুরুল হক নুর। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়াতে তার সংগঠনের নেতা-কর্মী ও দেশবাসীর প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন নুর।

গত বুধবার থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় হিন্দুদের ওপর হামলার ‘বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেয়া ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে’ নুরের সাবেক সংগঠন ছাত্র অধিকার পরিষদ এই সমাবেশের আয়োজন করে।

ভারতকে কেন সন্দেহ করছেন, সে কারণ তুলে ধরে যুব অধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ‘আমাদের দেশের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে যখন ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক দল বিজিপি বাংলাদেশকে আক্রমণ করে বক্তব্য দেয়, তখন এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি। বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার জন্য ভারতের গোয়েন্দারা এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে কি না তা আমাদের ভাবিয়ে তোলে।’

সরকারকেও দায়

এর আগে নুর এই ঘটনায় সরকারকেই দায়ী করেন। বলেন, রাজনৈতিক ফায়দা নেয়ার জন্য সরকার দেশে সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা ঘটাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘রামু, নাসিরনগর, অভয়নগরসহ বিভিন্ন জায়গায় দাঙ্গা-হাঙ্গামা এই সরকারের শাসনামলেই ঘটেছে। একটি ঘটনারও নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য তদন্ত হয়নি। এর মধ্য দিয়ে আমরা ধারণা করতে পারি, সরকার রাজনৈতিক ফায়দা নেয়ার জন্য এসব ঘটনা ঘটায়।’

কুমিল্লায় কোরআন অবমাননার ঘটনাটি সাজানো ঘটনা দাবি করে নুরুল বলেন, ‘এই ঘটনায় কোনো হিন্দু-মুসলিম জড়িত নয়। এটির সঙ্গে দুর্বৃত্তরা জড়িত। সেই দুর্বৃত্তরা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

‘সারা দেশ যখন দাঙ্গা–হাঙ্গামায় জ্বলছে, তখন বৃহৎ রাজনৈতিক দলগুলো একে অন্যের ওপর দায় চাপিয়ে গতানুগতিক বক্তব্য দিচ্ছে। একদল অন্যদলের ওপর দায় চাপানোর এ বক্তব্য বাদ দিয়ে অতিদ্রুত বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।’

‘থলের বিড়াল’ বেরিয়ে আসবে তাই সরকার এসব সাম্প্রদায়িক হামলার সুষ্ঠু তদন্ত করছে না বলেও অভিযোগ নুরের। বলেন, ‘নাসিরনগরের ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগে জড়িত তিনজনকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নৌকা প্রতীক দেয়া হয়েছিল। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, সরকার এই অপশক্তিকে প্রশ্রয় দেয়।’

এ ঘটনার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রতিবাদ অব্যাহত রাখার ওপরও জোর দেন নুর। বলেন, ‘কোনো অপশক্তি এ ঘটনাকে ব্যবহার করে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি যেন ক্ষুণ্ন না করতে পারে সে জন্য প্রতিটি নাগরিককে সচেতন থাকতে হবে।’

হিন্দু শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি

পূজামণ্ডপ ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলাকারীদের শাস্তি দাবিতে শাহবাগসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের কর্মসূচির প্রতি সংহতিও জানান নুর।

বলেন, ‘সহিংসতার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিচার দাবি করছি। যেসব মন্দির ভাঙচুর করা হয়েছে, সরকারি খরচে সেই মন্দিরগুলো পুনর্নির্মাণ করতে হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে তাদের ক্ষতির দ্বিগুণ পরিমাণ সহযোগিতা করতে হবে। শুধু লোক দেখানো তদন্ত কমিটি কিংবা ঘটনাস্থল পরিদর্শনেই যেন এ ঘটনা সীমাবদ্ধ না থাকে।’

নুর বলেন, ‘বাংলাদেশ একটা অসাম্প্রদায়িক দেশ। সব ধর্মের মানুষই এ দেশে সমান অধিকার ভোগ করবে। কাজেই আজকে যারা অধিকার বঞ্চিত তাদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে সংখ্যাগুরুদের তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে।’

অন্যরা যা বললেন

ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান বলেন, ‘হিন্দু-মুসলিমের সম্পর্কের অবনতি ঘটানোর জন্য কুমিল্লায় ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। প্রকৃত হিন্দু-মুসলিম এই ষড়যন্ত্র করতে পারে না। যারা এটি ঘটিয়েছে, তারা সম্পূর্ণ অমানুষ ও কুলাঙ্গার। বাংলাদেশে হিন্দু-মুসলিমে কোনো বিভেদ নেই। রাজনৈতিক ফায়দা নেয়ার জন্য তাদের মুখোমুখি দাঁড় করানো হচ্ছে।’

ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, ‘যখনই দেশের জনগণ কোনো একটা বিষয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে, তখনই সরকার দেশের মানুষের মনোযোগ ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করতে হয়তো কোথাও আগুন লাগিয়ে দেয়, নয়তো লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটায়।

‘একইভাবে যখন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি লাগাম ছাড়িয়ে গিয়েছে, দেশের মানুষের পেটে আগুন জ্বলছে, নিম্নবিত্ত মানুষ হাহাকার করছে, তখন তাদের সেই মনোযোগকে ঘুরিয়ে দেয়ার জন্য মানুষের রোষানলকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য সরকার সুপরিকল্পিতভাবে এই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করেছে।’

ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসাইন, নাট্য ও বিতর্ক সম্পাদক নুসরাত তাবাসসুমও সমাবেশে বক্তব্য দেন।

সমাবেশ শেষে ‘অন্ধকার রাজনীতিকে দিশা দেখাতে’ টিএসসি থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পর্যন্ত প্রতীকী আলোর মিছিল করে ছাত্র অধিকার পরিষদ।

আরও পড়ুন:
নুরসহ ৫ জনকে অব্যাহতি, মামুনকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা
‘দুশ্চরিত্রাহীন’ বলায় মামলা: নুরের অপরাধের প্রমাণ পায়নি পিবিআই
আওয়ামী লীগ নিয়ে নুরের ‘ফতোয়া’: প্রতিবেদন ৬ জুন
আবার পেছাল নুরদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার প্রতিবেদন
ক্ষমা না চাইলে গণমাধ্যম থেকে নুরকে বয়কটের আহ্বান

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সেনা-পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা করত তারা

সেনা-পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা করত তারা

গ্রেপ্তার হলেন চক্রের হোতা ফুয়াদ আমিন ইশতিয়াক ওরফে সানি, অন্যতম সহযোগী সাইমা শিকদার নিরা ওরফে আরজে নিরা ও আব্দুল্লাহ আফিফ সাদমান ওরফে রিশু। ছবি: নিউজবাংলা

র‍্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘একজন ট্রান্সজেন্ডার নারী বিউটি ব্লগারকে যৌন নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার ঘটনার রাজধানীর ভাটারা থানায় মামলা করেন ওই নারী। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা, র‍্যাব-১ ও র‍্যাব-২ এর যৌথ অভিযানে গত রাত থেকে শুরু করে আজ দুপুর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।’ এরা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র নিয়ন্ত্রণ করতেন।

সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার নারী-পুরুষদের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে হেনস্থা ও ব্ল্যাকমেইল করতো চক্রটি। এছাড়া অনলাইনেও ভিকটিমদের ফাঁদে ফেলতেন তারা।

সম্প্রতি ট্রান্সজেন্ডার নারী বিউটি ব্লগারকে যৌন নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার ঘটনা তদন্ত করতে নেমে এই প্রতারণা চক্রের হোতাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

শনিবার রাত থেকে রোববার দুপুর ১টা পর্যন্ত রাজধানীর ফার্মগেট ও মহাখালী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হলেন- হোতা ফুয়াদ আমিন ইশতিয়াক ওরফে সানি, অন্যতম সহযোগী সাইমা শিকদার নিরা ওরফে আরজে নিরা ও আব্দুল্লাহ আফিফ সাদমান ওরফে রিশু।

অভিযানে ভিকটিমের ছিনিয়ে নেয়া মোবাইল উদ্ধারসহ জব্দ করা হয় প্রতারণার কজে ব্যবহৃত অবৈধ ওয়াকিটকি সেট, খেলনা পিস্তল, মোবাইল ও একাধিক ব্যাংকের কার্ড।

রোববার বিকেলে কারওয়ান বাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন র‍্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, ‘একজন ট্রান্সজেন্ডার নারী বিউটি ব্লগারকে যৌন নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার ঘটনার রাজধানীর ভাটারা থানায় মামলা করেন ওই নারী। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা, র‌্যাব-১ ও র‌্যাব-২ এর যৌথ অভিযানে গত রাত থেকে শুরু করে আজ দুপুর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

এরা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র নিয়ন্ত্রণ করতেন। গ্রেপ্তার ইশতিয়াক এই চক্রের হোতা, গ্রেপ্তার আরজে নিরা ও গ্রেপ্তার সাদমান আফিফ ওরফে রিশু তার অন্যতম সহযোগি।

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা গত দুই বছর ধরে বিভিন্ন কৌশলে জিম্মি, ব্ল্যাকমেইল ও প্রতারণা করে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার নারী-পুরুষদের অর্থ হাতিয়ে নিত। তারা সাধারণত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে বিভিন্নজনের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন। এরপর কৌশলে বিভিন্ন সময়ের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ভিকটিমদের হেনস্থা ও ব্ল্যাকমেইল করত। তাদের ভাড়া বাসা ব্যবহার করে জোরপূর্বক আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করতো। এছাড়া অনলাইনেও ভিকটিমদের ফাঁদে ফেলত তারা। গ্রেপ্তারকৃতরা নিজেদেরকে সেনা কর্মকর্তা ও পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিত।

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিকটিম ট্রান্সজেন্ডার নারীর সঙ্গে গ্রেপ্তার সাদমান আফিফ রিশুর পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্রে গত ১০ জানুয়ারি রাজধানীর বসুন্ধরার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে একটি রেস্টুরেন্টের সামনে রিশুর সঙ্গে ভিকটিমের সাক্ষাত হয়। এরপর সারপ্রাইজ দেয়ার কথা বলে কৌশলে ভিকটিমকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ইশতিয়াকের ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। বাসায় নেয়ার পরে ইশতিয়াক, নিরা ও রিশু জোর করে ভিকটিমকে মারধর, শ্লীলতাহানী ও যৌন নিপীড়ন করার পাশাপাশি ভিডিও ধারণ করে। এসময় তারা ট্রান্সজেন্ডার ওই নারীর সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন, স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং এক লাখ টাকা দাবি করে।

র‍্যাব জানায়, ওই নারীকে ব্লাকমেইলের এক পর্যায়ে তারা আইন-শৃঙ্খলা ও সামরিক বাহিনীর পরিচয় দিয়ে ভয়-ভীতি দেখায়। ওই ট্রান্সজেন্ডার নারীকে থানায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরিয়ে রামপুরায় নামিয়ে দেন।

এক প্রশ্নের জবাবে র‍্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, গ্রেপ্তার ইশতিয়াক এর আগের দুটি মামলা রয়েছে। ইতোপূর্বে বিভিন্ন মামলায় সে কারাভোগ করেছে। তারা এর আগেও এমন প্রতারণা করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে মামলাও রয়েছে।

আরও পড়ুন:
নুরসহ ৫ জনকে অব্যাহতি, মামুনকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা
‘দুশ্চরিত্রাহীন’ বলায় মামলা: নুরের অপরাধের প্রমাণ পায়নি পিবিআই
আওয়ামী লীগ নিয়ে নুরের ‘ফতোয়া’: প্রতিবেদন ৬ জুন
আবার পেছাল নুরদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার প্রতিবেদন
ক্ষমা না চাইলে গণমাধ্যম থেকে নুরকে বয়কটের আহ্বান

শেয়ার করুন

সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় আবার মৃত্যু

সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় আবার মৃত্যু

প্রতীকী ছবি

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে পুলিশ জানায়, শিখা রানী মহাখালী ফ্লাইওভারের ওপরে রাস্তা ঝাড়ু দিচ্ছিলেন। এ সময় একটা ময়লার গাড়ি বেপরোয়া গতিতে এসে তাকে চাপা দেয়। তার মাথা ফেটে যায়। সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাজধানীর মহাখালীতে সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় ফের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এবার প্রাণ গেছে শিখা রানী নামে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীর।

মহাখালীর ফ্লাইওভারের মুখে শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ঝাড়ু দেয়ার সময় একটি ময়লার গাড়িতে চাপা পড়েন শিখা রানী। তিনি ডিএনসিসির পরিচ্ছন্নতাকর্মী বলে জানা গেলেও ময়লার গাড়িটি কোন সিটি করপোরেশনের ছিল তা জানা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে পুলিশ জানায়, শিখা রানী মহাখালী ফ্লাইওভারের ওপরে রাস্তা ঝাড়ু দিচ্ছিলেন। এ সময় একটা ময়লার গাড়ি বেপরোয়া গতিতে এসে তাকে চাপা দেয়। তার মাথা ফেটে যায়। সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তেজগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ আলম নিউজবাংলাকে বলেন, এ ঘটনায় অজ্ঞাত চালককে আসামি করে মামলা হয়েছে। চালককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য শিখা রানীর মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

গত কয়েক মাসে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ির চাপায় কয়েকজনের প্রাণ গেছে।

গত ২৩ ডিসেম্বর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ময়লার গাড়ির ধাক্কায় স্বপন কুমার সরকার নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। ৬২ বছর বয়সী স্বপন কুমার থাকতেন গেণ্ডারিয়ায়। তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে।

এর আগে ২৪ নভেম্বর রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় ডিএসসিসির এক ময়লার গাড়ির ধাক্কায় নাঈম হাসান নামের নটর ডেমের এক শিক্ষার্থী নিহত হন।

পরের দিনই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের এক ময়লার গাড়ির ধাক্কায় বসুন্ধরা সিটি কমপ্লেক্সের উল্টো পাশে প্রাণ যায় আহসান কবির খানের। তিনি একটি জাতীয় দৈনিকের সাবেক কর্মী ছিলেন।

২ ডিসেম্বর উত্তর সিটি করপোরেশনেরই এক ময়লার গাড়ি যাত্রীবাহী একটি বাসকে ধাক্কা দিলে আরজু বেগম নামের ৬৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা আহত হন।

আরও পড়ুন:
নুরসহ ৫ জনকে অব্যাহতি, মামুনকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা
‘দুশ্চরিত্রাহীন’ বলায় মামলা: নুরের অপরাধের প্রমাণ পায়নি পিবিআই
আওয়ামী লীগ নিয়ে নুরের ‘ফতোয়া’: প্রতিবেদন ৬ জুন
আবার পেছাল নুরদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার প্রতিবেদন
ক্ষমা না চাইলে গণমাধ্যম থেকে নুরকে বয়কটের আহ্বান

শেয়ার করুন

সেন্টমার্টিন বাসের চালক রিমান্ডে, সহকারী কারাগারে

সেন্টমার্টিন বাসের চালক রিমান্ডে, সহকারী কারাগারে

শনিবার দেলোয়ার হোসেনকে এবং কোরবান আলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

শনিবার মানিকগঞ্জ সদর থানার চিকারঘোনা থেকে দেলোয়ার হোসেনকে এবং যাত্রাবাড়ী থানার মীরহাজিরবাগ থেকে কোরবান আলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

রাজধানীর মাতুয়াইলে সেন্টমার্টিন পরিবহনের বাসের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহতের মামলায় বাসের চালক দেলোয়ার হোসেন দিনারকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে এক দিনের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

ঢাকার মহানগর হাকিম তরিকুল ইসলাম রোববার শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আদালত একই সঙ্গে বাসটির চালকের সহকারী কোরবান আলীর রিমান্ড আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে।

এদিন যাত্রাবাড়ী থানায় করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক বিশ্বজিৎ সরকার দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে প্রত্যেককে তদন্তের স্বার্থে পাঁচ দিন করে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেন।

দেলোয়ারের পক্ষে আইনজীবী মারুফ বিল্লাহ রহিম এবং কোরবান আলীর পক্ষে মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন মুন্সী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত দেলোয়ারের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। আর কোরবান আলীর রিমান্ড ও জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

যাত্রাবাড়ী থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের পরিদর্শক শাহ আলম এসব তথ্য নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

এর আগে শনিবার মানিকগঞ্জ সদর থানার চিকারঘোনা থেকে দেলোয়ার হোসেনকে এবং যাত্রাবাড়ী থানার মীরহাজিরবাগ থেকে কোরবান আলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২১ জানুয়ারি সকাল সোয়া ৭টার দিকে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হন আব্দুর রহমান বেপারী, তার মেয়ে ৩৮ বছর বয়সী শারমিন আক্তার এবং জামাতা ৪০ বছর বয়সী রিয়াজুল ইসলাম।

আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) জরুরি বিভাগে নেয় পুলিশ। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। শারমিনের মেয়ে বৃষ্টি এবং সিএনজিচালক রফিকুল ইসলাম গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনায় আব্দুর রহমান বেপারীর ছেলে নজরুল ইসলাম ওই দিনই যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
নুরসহ ৫ জনকে অব্যাহতি, মামুনকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা
‘দুশ্চরিত্রাহীন’ বলায় মামলা: নুরের অপরাধের প্রমাণ পায়নি পিবিআই
আওয়ামী লীগ নিয়ে নুরের ‘ফতোয়া’: প্রতিবেদন ৬ জুন
আবার পেছাল নুরদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার প্রতিবেদন
ক্ষমা না চাইলে গণমাধ্যম থেকে নুরকে বয়কটের আহ্বান

শেয়ার করুন

বারিধারায় ভবনে অগ্নিকাণ্ড

বারিধারায় ভবনে অগ্নিকাণ্ড

বারিধারায় বহুতল ভবনে রোববার বিকেলে আগুন লেগেছে। ছবি: নিউজবাংলা

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

রাজধানীর বারিধারায় একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

রোববার বিকেল ৪টা ২৪ মিনিটে বারিধারার জে ব্লকের পাঁচ নম্বর রোডের ওই ভবনে পাঁচ ও ছয়তলায় ভিট্রা ফার্নিচারের শোরুমে আগুন লাগে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাড়ে ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান শিকদার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘ওই ভবনে ফার্নিচারের শোরুমে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ছয়টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।’

কী কারণে অগ্নিকাণ্ড তা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি তিনি।

আরও পড়ুন:
নুরসহ ৫ জনকে অব্যাহতি, মামুনকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা
‘দুশ্চরিত্রাহীন’ বলায় মামলা: নুরের অপরাধের প্রমাণ পায়নি পিবিআই
আওয়ামী লীগ নিয়ে নুরের ‘ফতোয়া’: প্রতিবেদন ৬ জুন
আবার পেছাল নুরদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার প্রতিবেদন
ক্ষমা না চাইলে গণমাধ্যম থেকে নুরকে বয়কটের আহ্বান

শেয়ার করুন

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির সিন্ডিকেট সভা

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির সিন্ডিকেট সভা

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের ১৭ তম সিন্ডিকেট সভায় উপস্থিত ছিলেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। ছবি: নিউজবাংলা

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের ১৭ তম সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন, মানব সম্পদ উন্নয়ন এবং অচিরেই প্রথম সমাবর্তনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের ১৭ তম সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার বিকেল ৫টায় ইউনিভার্সিটির কনফারেন্স রুমে এ সভা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউর রহমান, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সিন্ডিকেট সদস্য শাহনুল হাসান খান, সিনিয়র অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ড. এইচ এম জাহিরুল হক, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার এবং উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক এস এম সিরাজুল হক ও সিন্ডিকেট সদস্য স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ডিন ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর সৈয়দ আক্তার হোসেন।

ব্যবসায় প্রশাসন (বিবিএ) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক এস এম আরিফুজ্জামান এবং ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. শাহরুখ আদনান খানও সভায় উপস্থিত ছিলেন।

উক্ত সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন, মানব সম্পদ উন্নয়ন এবং অচিরেই প্রথম সমাবর্তনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
নুরসহ ৫ জনকে অব্যাহতি, মামুনকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা
‘দুশ্চরিত্রাহীন’ বলায় মামলা: নুরের অপরাধের প্রমাণ পায়নি পিবিআই
আওয়ামী লীগ নিয়ে নুরের ‘ফতোয়া’: প্রতিবেদন ৬ জুন
আবার পেছাল নুরদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার প্রতিবেদন
ক্ষমা না চাইলে গণমাধ্যম থেকে নুরকে বয়কটের আহ্বান

শেয়ার করুন

পল্লবীর ওসির বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

পল্লবীর ওসির বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

রাজধানীর পল্লবী থানা। ছবি: সংগৃহীত

অভিযোগে বলা হয়, ওসি পারভেজ ইসলামের নেতৃত্বে আসামিরা বাদীর ঘরের মালামাল তছনছ এবং শাড়ি, টাকা, স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। এতে বাদীর ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। বাদীকে না পেয়ে পুলিশ তার ভাই দুলারাকে গ্রেপ্তার করে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দেয়।

রাজধানীর পল্লবী থানার ওসির বিরুদ্ধে আসামির বাসা থেকে মালামাল লুটের অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেন রোববার এ আদেশ দেন।

মামলার বাদী পারভেজ আহম্মদ বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

ব্যবসায়ী পারভেজ আহম্মদ গত বৃহস্পতিবার পল্লবী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পারভেজ ইসলামসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার জন্য আদালতে আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে রোববার আদেশের জন্য রাখেন।

আবেদন খারিজের আদেশে বিচারক বলেন, ‘আসামিদের সঙ্গে বাদীর পূর্বশত্রুতার তথ্য নালিশি দরখাস্তে উল্লেখ নেই। আসামিরা সরকারি দায়িত্ব পালন করছিলেন বলেই দেখা যায়। তাদের বিরুদ্ধে মামলায় সরকারি অনুমোদন নেই।

‘মাদক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা ও বাদীর ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলার কারণে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের সৃষ্টি। সার্বিক বিবেচনায় এ মামলা অগ্রসর হওয়ার কোনো কারণ নেই। ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৩ ধারা মতে মামলাটি খারিজ করা হলো।’

পারভেজ আহম্মদ আবেদনে অভিযোগ করেন, গত বছর ৩১ অক্টোবর সন্ধ্যায় পরিবারসহ তিনি বিয়ের দাওয়াতে যান। রাত সাড়ে ১০টার পর তার পল্লবীর বাসা ও দোকানের চারদিকে পুলিশ অবস্থান নেয়।

রাত একটায় বাসায় ফিরে তিনি দেখতে পান বাসার সব মালামাল এলোমেলো। ঘরের বিভিন্ন গোপন স্থানে থাকা কাপড়, টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট হয়েছে। পুলিশ সদস্যরা বাসার সিসিক্যামেরা ভাঙচুর করেছেন। এতে তার ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়।

পুলিশ তার ভাইকে ধরে নিয়ে যায় এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পল্লবী থানায় মামলা দেয় বলে পারভেজ অভিযোগে উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন:
নুরসহ ৫ জনকে অব্যাহতি, মামুনকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা
‘দুশ্চরিত্রাহীন’ বলায় মামলা: নুরের অপরাধের প্রমাণ পায়নি পিবিআই
আওয়ামী লীগ নিয়ে নুরের ‘ফতোয়া’: প্রতিবেদন ৬ জুন
আবার পেছাল নুরদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার প্রতিবেদন
ক্ষমা না চাইলে গণমাধ্যম থেকে নুরকে বয়কটের আহ্বান

শেয়ার করুন

মাথায় পাইপ পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

মাথায় পাইপ পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

প্রতীকী ছবি

সহকর্মী সাইদুল ইসলাম জানান, একটি নির্মাণাধীন ভবনের পাইলিংয়ের কাজ করার সময় শফিকুলের মাথায় পাইপ পড়ে। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ভবনের পাইলিং কাজ করার সময় দুর্ঘটনায় শফিকুল ইসলাম নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার সকাল ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সহকর্মী সাইদুল ইসলাম জানান, একটি নির্মাণাধীন ভবনের পাইলিংয়ের কাজ করার সময় শফিকুলের মাথায় পাইপ পড়লে গুরুতর জখম হন। উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

৩৫ বছর বয়সী শফিকুল দুই সন্তানের জনক। তার বাড়ি নেত্রকোণা সদর উপজেলার উত্তর কিশোর গ্রামে। নির্মাণশ্রমিক হিসেবে বেশ কিছুদিন ধরেই শফিকুল বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় কাজ করছিলেন।

হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া জানান, শফিকুলের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
নুরসহ ৫ জনকে অব্যাহতি, মামুনকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা
‘দুশ্চরিত্রাহীন’ বলায় মামলা: নুরের অপরাধের প্রমাণ পায়নি পিবিআই
আওয়ামী লীগ নিয়ে নুরের ‘ফতোয়া’: প্রতিবেদন ৬ জুন
আবার পেছাল নুরদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার প্রতিবেদন
ক্ষমা না চাইলে গণমাধ্যম থেকে নুরকে বয়কটের আহ্বান

শেয়ার করুন