এফআর টাওয়ার: চারজনের বিচার শুরু

এফআর টাওয়ার: চারজনের বিচার শুরু

অগ্নিকাণ্ডের শিকার এফআর টাওয়ার।ফাইল ছবি

২০১৯ সালের ২৮ মার্চ এফআর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৭ নিহত হওয়ার পর এই ভবন নির্মাণে নানা অনিয়মের বিষয়গুলো বেরিয়ে আসতে থাকে।

অগ্নিকাণ্ডের শিকার রাজধানীর বনানীর এফআর টাওয়ারের নকশা জালিয়াতি মামলায় রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন খাদেমসহ চারজনের বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ সৈয়দ কামাল হোসেন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১৫ নভেম্বর দিন ঠিক করেন।

এ আদালতের পেশকার রফিকুল ইসলাম নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

মামলার অপর তিন আসামি হলেন- রাজউকের ইজারা গ্রহীতা সৈয়দ মো. হোসাইন ইমাম ফারুক, রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (বর্তমান চেয়ারম্যান) লিয়াকত আলী খান মুকুল ও রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক প্রধান প্রকৌশলি সাইদুর রহমান।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের উপ-পরিচালক আবু বকর সিদ্দিক পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ইমারত বিধিমালা লঙ্ঘন এবং নকশা জালিয়াতির মাধ্যমে ১৮ তলাবিশিষ্ট এফআর টাওয়ার নির্মাণ করেছেন। ১৯৯০ সালে ১৫ তলা ভবন নির্মাণের জন্য রাজউকের অনুমোদন পান এসএমএইচআই ফারুক। পরে ১৯৯৬ সালে ১৮ তলা ভবন নির্মাণের অনুমোদন চেয়ে সংশোধিত নকশা অনুমোদনের জন্য আবেদন করেন তিনি।

সংশোধিত নকশাটি ইমারত বিধিমালা অনুযায়ী না হওয়ায় এবং প্রস্তাবিত ভবনের উচ্চতা বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের বিধিনিষেধ অনুযায়ী অনুমোদনযোগ্য নয় বলে জানিয়ে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তার এক মাসের মধ্যেই সংশোধন করে সেই নকশা অনুমোদন করা হয়। এ কাজে অবৈধ লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ আছে।

পরে ১৮ তলা ভবন নির্মাণের জন্য জমির মালিক চুক্তিবদ্ধ হন আবাসন প্রতিষ্ঠান রূপায়ন গ্রুপের সঙ্গে। রূপায়ন ওই জায়গায় অবৈধ নকশার ভিত্তিতেই ১৮ তলা ভবন নির্মাণ করে। ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুসারে ভবনের দুই পাশে যে পরিমাণ জায়গা রাখার কথা ছিল, তা-ও রাখা হয়নি।

পার্কিংয়ের ক্ষেত্রেও উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণের স্থানে রাখা হয় এক-তৃতীয়াংশ জায়গা। আবাসিক ভবন হিসেবে অনুমোদন নেয়া হলেও পুরো ভবনটি ব্যবহার হয় বাণিজ্যিক হিসেবে।

পাঁচ আসামির মধ্যে সাবেক অথরাইজড অফিসার সৈয়দ মকবুল আহমেদ মারা যাওয়ায় তাকে এই মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন বিচারক।

২০১৯ সালের ২৮ মার্চ এফআর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৭ নিহত হওয়ার পর এই ভবন নির্মাণে নানা অনিয়মের বিষয়গুলো বেরিয়ে আসতে থাকে।

আরও পড়ুন:
স্ট্রেচারে শুয়ে আদালতে সাবেক রাজউক চেয়ারম্যান

শেয়ার করুন

কালো ব্যাজ নিয়ে সোমবার রামপুরায় থাকবে শিক্ষার্থীরা

কালো ব্যাজ নিয়ে সোমবার রামপুরায় থাকবে শিক্ষার্থীরা

সড়কে অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে রাজধানীর রামপুরা এলাকায় রোববার ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

সোমবারের কর্মসূচি নিয়ে সোহাগী সামিয়া বলেন, ‘আমরা আগামীকাল ঠিক দুপুর ১২টায় সড়কে নাইম আর মাইন উদ্দিনসহ যারা মারা গিয়েছে, তাদের জন্য শোক প্রকাশ, কালো ব্যাজ ধারণ এবং মুখে কালো কাপড় বাঁধব।’

সড়কে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে রোববার রাজধানীর রামপুরা ব্রিজ এলাকায় ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করেছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

এ কর্মসূচি শেষে সোমবার একই জায়গায় দুপুর ১২টায় নাইম আর মাইন উদ্দিনের মতো সড়কে প্রাণ হারানো লোকজনের জন্য শোক প্রকাশ ও কালো ব্যাজ ধারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

রামপুরা ব্রিজের ওপর রোববার দুপুর ১২টা ১৪ মিনিটে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। ১টা ৫ মিনিটে তারা অবস্থানস্থল থেকে চলে যায়। ওই সময় তাদের হাতে ছিল নানা ধরনের ব্যঙ্গচিত্র।

ব্যঙ্গচিত্রে নানা স্লোগানের মধ্যে আছে, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘গণপরিবহনে হাফ পাস চাই’, ‘জাতির ভবিষ্যৎ মরলে কে গড়বে সোনার বাংলা’।

আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া খিলগাঁও সরকারি মডেল কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী সামিয়া জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘আমরা আমাদের যে ১১ দফা দাবি আছে, তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের আন্দোলন কারও বিপক্ষে না। আমরা সবার হয়ে এই আন্দোলন করছি। অথচ আমাদের আন্দোলনকে ভিন্ন দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য কিছু লোক অপপ্রচার চালাচ্ছে।

‘এসব অপপ্রচার করে আমাদের থামিয়ে দেয়া যাবে না। আমরা আমাদের চলমান আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি আর যাব।’

সোমবারের কর্মসূচি নিয়ে সোহাগী বলেন, ‘আমরা আগামীকাল ঠিক দুপুর ১২টায় সড়কে নাইম আর মাইন উদ্দিনসহ যারা মারা গিয়েছে, তাদের জন্য শোক প্রকাশ, কালো ব্যাজ ধারণ এবং মুখে কালো কাপড় বাঁধব।’

এর আগে শনিবার সড়কে অব্যবস্থাপনার প্রতি লাল কার্ড দেখায় ১১ দফা দাবিতে রামপুরায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

রামপুরা ব্রিজের ওপর ওই দিন দুপুর ১২টার পরপরই অবস্থান নেয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। ওই সময় তারা লাল কার্ড উঁচিয়ে সড়ক ও পরিবহন খাতের লুটপাট আর দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষে সোহাগী সামিয়া বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় পুরো সিস্টেম জড়িত। এই সিস্টেমে ঘুষ আছে, লুটপাট আছে। এর সঙ্গে জড়িত সরকারি-বেসরকারি লোক। এই লুটপাট ও দুর্নীতিকে আজ আমরা লাল কার্ড দেখাচ্ছি।’

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা নিজেদের ‘রেফারি’ দাবি করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর কথা জানায়।

সোহাগী বলেন, ‘যখন ফুটবল খেলা হয়, খেলোয়াড়রা ভুল করলে লাল কার্ড দেখায়। আমরা সেই রেফারিদের ভূমিকা পালন করতে যাচ্ছি।

‘আমরা দেখাতে চাই বাংলার মাটিতে দুর্নীতি হচ্ছে, যে মাটিতে ছাত্রসমাজ বড় বড় আন্দোলন করেছে। আজ আবার ২০২১ সালে আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাস্তায় দাঁড়িয়েছি।’

আরও পড়ুন:
স্ট্রেচারে শুয়ে আদালতে সাবেক রাজউক চেয়ারম্যান

শেয়ার করুন

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শাহবাগে কফিন মিছিল

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শাহবাগে কফিন মিছিল

পুলিশের বাধার কারণে শিক্ষার্থীদের প্রতীকী কফিন মিছিলটিকে শাহবাগ এলাকা থেকে সরে যেতে হয়। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

শিক্ষার্থীরা ‘ভাই কবরে খুনি কেন বাহিরে’, ‘৯ দফার সংগ্রাম চলবে চলবে’, ‘আইন করে হাফ পাস দিতে হবে’ ইত্যাদি স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা।

সড়ক দুর্ঘটনায় বিচার, সারা দেশে বাস ভাড়া অর্ধেক করা এবং নিরাপদ সড়কসহ নানা দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় প্রতীকী মরদেহের কফিন নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা।

প্রতীকী কফিন নিয়ে রোববার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা । সেখানে তাদের অবস্থান না নিতে পুলিশ অনুরোধ করলে কফিন নিয়ে তারা মিছিল শুরু করেন। পরে শাহবাগ মোড় থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির এলাকায় রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান নেন।

শিক্ষার্থীরা ‘ভাই কবরে খুনি কেন বাহিরে’, ‘৯ দফার সংগ্রাম চলবে চলবে’, ‘আইন করে হাফ পাস দিতে হবে’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

ছাত্রদের মিছিলটি ঘিরে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। শাহবাগ থানার ওসি শেখ মো কামরুজ্জামান বলেন, ‘যান চলাচল ব্যাহত হয় এরকম কোনো কাজ আমরা তাদের করতে দেব না। প্রয়োজনে যান চলাচল ব্যাহত না হয় এমন কোনো স্থানে দাঁড়িয়ে তারা তাদের প্রোগ্রাম সম্পন্ন করবে। মিছিল নিয়ে তারা রাস্তায় হাঁটলেও যান চলাচল ব্যাহত হবে। তাই আমরা তাদের এটিও করতে দেব না।’

সড়কে অনিয়মের প্রতিবাদে ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে শনিবার রাজধানীর রামপুরা ব্রিজ এলাকায় ‘লাল কার্ড’ দেখিয়েছে আন্দোলনকারীরা। সেখান থেকে আজকের এই প্রতীকী লাশের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন:
স্ট্রেচারে শুয়ে আদালতে সাবেক রাজউক চেয়ারম্যান

শেয়ার করুন

লাল কার্ডের পর এবার শিক্ষার্থীদের ব্যঙ্গচিত্র

লাল কার্ডের পর এবার শিক্ষার্থীদের ব্যঙ্গচিত্র

সড়কে অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে রোববার রাজধানীর রামপুরা ব্রিজ এলাকায় ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীরা। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

রামপুরা ব্রিজের ওপর রোববার দুপুর ১২টা ১৪ মিনিটে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। ১টা ৫ মিনিটে তারা অবস্থানস্থল থেকে চলে যায়। ওই সময় তাদের হাতে ছিল নানা ধরনের ব্যঙ্গচিত্র।

রাজধানীর রামপুরা ব্রিজে অবস্থান নিয়ে সড়কে অব্যবস্থাপনায় জড়িতদের শনিবার লাল কার্ড দেখিয়েছিল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। এর এক দিন পর একই জায়গায় অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করেছে তারা।

নিরাপদ সড়ক সংশ্লিষ্ট ১১ দফা দাবিতে গত কয়েক দিন ধরে রামপুরায় এলাকায় অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে শিক্ষার্থীরা।

রামপুরা ব্রিজের ওপর রোববার দুপুর ১২টা ১৪ মিনিটে অবস্থান নেয় তারা। ১টা ৫ মিনিটে তারা অবস্থানস্থল থেকে চলে যায়। ওই সময় তাদের হাতে ছিল নানা ধরনের ব্যঙ্গচিত্র।

ব্যঙ্গচিত্রে নানা স্লোগান লেখা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘গণপরিবহনে হাফ পাস চাই’, ‘জাতির ভবিষ্যৎ মরলে কে গড়বে সোনার বাংলা’।

ওই সময় আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া খিলগাঁও সরকারি মডেল কলেজের সোহাগী সামিয়া বলেন, ‘আমরা আমাদের যে ১১ দফা দাবি আছে, তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের আন্দোলন কারও বিপক্ষে না। আমরা সবার হয়ে এই আন্দোলন করছি। অথচ আমাদের আন্দোলনকে ভিন্ন দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য কিছু লোক অপপ্রচার চালাচ্ছে।

‘এসব অপপ্রচার করে আমাদের থামিয়ে দেয়া যাবে না। আমরা আমাদের চলমান আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি আর যাব।’

সোমবারের কর্মসূচি নিয়ে সোহাগী বলেন, ‘আমরা আগামীকাল ঠিক দুপুর ১২টায় সড়কে নাইম আর মাঈনউদ্দিনসহ যারা মারা গিয়েছে, তাদের জন্য শোক প্রকাশ, কালো ব্যাচ ধারণ এবং মুখে কালো কাপড় বাধা হবে।’

এর আগে শনিবার সড়কে অব্যবস্থাপনার প্রতি লাল কার্ড দেখায় গণপরিবহনে হাফ পাস চালু, নিরাপদ সড়কসহ নানা দাবিতে রাজধানীর রামপুরায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

রামপুরা ব্রিজের ওপর ওই দিন দুপুর ১২টার পরপরই অবস্থান নেয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। ওই সময় তারা লাল কার্ড উঁচিয়ে সড়ক ও পরিবহন খাতের লুটপাট আর দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষে সোহাগী সামিয়া জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘সড়কে দুর্ঘটনায় পুরো সিস্টেম জড়িত। এই সিস্টেমে ঘুষ আছে, লুটপাট আছে। এর সঙ্গে জড়িত সরকারি-বেসরকারি লোক। এই লুটপাট ও দুর্নীতিকে আজ আমরা লাল কার্ড দেখাচ্ছি।’

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা নিজেদের ‘রেফারি’ দাবি করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর কথা জানায়।

সোহাগী বলেন, ‘যখন ফুটবল খেলা হয়, খেলোয়াড়রা ভুল করলে লাল কার্ড দেখায়। আমরা সেই রেফারিদের ভূমিকা পালন করতে যাচ্ছি। আমরা দেখাতে চাই, বাংলার মাটিতে দুর্নীতি হচ্ছে, যে মাটিতে ছাত্রসমাজ বড় বড় আন্দোলন করেছে। আজ আবার ২০২১ সালে আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাস্তায় দাঁড়িয়েছি।’

আরও পড়ুন:
স্ট্রেচারে শুয়ে আদালতে সাবেক রাজউক চেয়ারম্যান

শেয়ার করুন

ডিআরইউ’র মিঠু-হাসিব-নাদিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিনন্দন

ডিআরইউ’র মিঠু-হাসিব-নাদিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিনন্দন

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এক পোস্টে ডিআরইউর এই নেতাকে অভিনন্দন জানানো হয়। এতে বলা হয়, ‘এই দলের সবাইকে একটি সফল মেয়াদের জন্য শুভকামনা। আপনাদের সঙ্গে কাজ করার আশা রইল।’

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নব নির্বাচিত সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু, সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম হাসিব ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাদিয়া শারমিনকে অভিনন্দন জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সেইসঙ্গে তাদের সঙ্গে কাজ করারও ইচ্ছে পোষণ করেছে ঢাকায় দেশটির দূতাবাস।

দূতাবাসের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এক পোস্টে ডিআরইউর এই নেতাকে অভিনন্দন জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হওয়ায় নজরুল ইসলাম মিঠু, নুরুল ইসলাম হাসিব (ইউএস ইন্টারন্যাশনাল ভিজিটিং লিডারশিপ প্রোগ্রামের অংশগ্রহণকারী) এবং নাদিয়া শারমিনকে (২০১৫ ইউএস ইন্টারন্যাশনাল ওমেন অফ কারেজ) অভিনন্দন।

যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, ‘নবনির্বাচিত এই দলের সবাইকে একটি সফল মেয়াদের জন্য শুভকামনা। আপনাদের সঙ্গে কাজ করার আশা রইল।’

৩০ নভেম্বর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতি পদে ৪৪৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মিঠু। সাধারণ সম্পাদক পদে ৫০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন হাসিব। আর সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে নাদিয়া পান ৯৭৩ ভোট।

আরও পড়ুন:
স্ট্রেচারে শুয়ে আদালতে সাবেক রাজউক চেয়ারম্যান

শেয়ার করুন

পুনম সিনেমা হলের পাশে আগুন নিয়ন্ত্রণে

পুনম সিনেমা হলের পাশে আগুন নিয়ন্ত্রণে

পুনম সিনেমা হলে পাশে এভাবেই আগুন জ্বলতে দেখা গেছে। ছবি: নিউজবাংলা

ফায়ার সা‌র্ভিসের কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয়, আগুনে এখনও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষ‌তি তদন্ত সা‌পে‌ক্ষে জানা যাবে।

রাজধানীর রায়েরবাগ কদমতলীতে পুনম সিনেমা হলের পাশে একটি কয়েল ফ্যাক্টরিতে আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিটের প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয়, শনিবার দিবাগত রাত ১টা ৩০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় তারা। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট।

প্রায় দেড় ঘণ্টা পর রাত ৩টার দিকে ওই কয়েল ফ্যাক্টরির আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে নিউজবাংলাকে জানান ফায়ার সা‌র্ভিসের কন্ট্রোল রুম থেকে সংস্থাটির মিডিয়া কর্মকর্তা মো. রায়হান।

তিনি বলেন, ‘আগুনে এখনও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষ‌তি তদন্ত সা‌পে‌ক্ষে জানা যাবে।’

আরও পড়ুন:
স্ট্রেচারে শুয়ে আদালতে সাবেক রাজউক চেয়ারম্যান

শেয়ার করুন

ভাড়া চাওয়ায় বাড়ির মালিককে গলা কেটে হত্যা

ভাড়া চাওয়ায় বাড়ির মালিককে গলা কেটে হত্যা

প্রতীকী ছবি

নিহতের চাচাতো ভাই আল-আমিন বলেন, ‘মাত্র ২৭ দিন আগে বিয়ে করেছিল জহির। নতুন বউটা বিধবা হলো। পূর্ব বাসাবোর কদমতলায় তার বাসা।’

রাজধানীর সবুজবাগ এলাকায় দুই বছর আগের বকেয়া বাড়ি ভাড়া চাওয়ায় জহির মুন্সি নামে এক যুবককে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মোহাম্মদ নাজমুল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করছে সবুজবাগ থানা পুলিশ।

শুক্রবার রাত ১টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে। পরে ভোরে ময়নাতদন্তের জন্য জহিরের লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

জহিরের চাচাতো ভাই আল-আমিন জানান, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে জহিরকে ফোন করে পূর্ব বাসাবো হক সোসাইটির শেষ মাথায় খালপাড়ে নিয়ে যান নাজমুল। পরে সেখানে জহিরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। খবর পেয়ে রাত দেড়টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে জহিরের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনরা।

তিনি আরও বলেন, দুই বছর আগে জহিরের বাসায় ভাড়া থাকতেন নাজমুল। পরে অন্যত্র চাকরি হলে তিনি বাসা ভাড়ার ৭ হাজার টাকা না দিয়ে চলে যান। তিন দিন আগে নাজমুলের সঙ্গে আবারও দেখা হয়ে গেলে পাওনা টাকা চান জহির। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটিও হয়। এর জের ধরেই জহিরকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় কয়েকজন নামজমুলকে আটক করে পুলিশে দেয়। এ সময় নাজমুলের সঙ্গে থাকা তার বোন জামাই আলমগীর পালিয়ে যান।

আল-আমিন বলেন, ‘মাত্র ২৭ দিন আগে বিয়ে করেছিল জহির। নতুন বউটা বিধবা হলো। পূর্ব বাসাবোর কদমতলায় তার বাসা।’

সবুজবাগ থানার (উপপরিদর্শক) এসআই মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমরা রাতে খবর পেয়ে সবুজবাগ হক সোসাইটির শেষ মাথায় খালপাড়ে রক্তাক্ত অবস্থায় জহিরের মরদেহ দেখতে পাই। পরে সেখান থেকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ভোরের দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘নাজমুলকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তার ভগ্নিপতি আলমগীরকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় জহিরের বাবা মকলেস মুন্সি বাদী হয়ে সবুজবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।’

আরও পড়ুন:
স্ট্রেচারে শুয়ে আদালতে সাবেক রাজউক চেয়ারম্যান

শেয়ার করুন

২০২৭ সালের মধ্যে শতভাগ সুয়ারেজ নেটওয়ার্কে ঢাকা

২০২৭ সালের মধ্যে শতভাগ সুয়ারেজ নেটওয়ার্কে ঢাকা

ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান বলেন, ‘ঢাকায় বর্তমানে পানির চাহিদা মৌসুমভেদে দৈনিক ২১০ থেকে ২৬৫ কোটি লিটার। ওয়াসার উৎপাদন সক্ষমতা ২৭০ কোটি লিটার। গত কয়েক বছরে স্থানীয়ভাবে কিছু সমস্যা ও কারিগরি সমস্যা ছাড়া পানির ঘাটতি হয়নি।’

ঢাকার ৮০ শতাংশ এলাকায় এখনও পয়ঃবর্জ্যের নেটওয়ার্ক নেই উল্লেখ করে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাকসিম এ খান বলেন, এ সংস্থাটি ২০১৬ সাল থেকে সুয়ারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছে। পাঁচটি পয়ঃবর্জ্য শোধনাগার করার কার্যক্রম চলছে। ২০২৭ সালের মধ্যে ঢাকা শহরের শতভাগ এলাকা সুয়ারেজ নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে।

ঢাকা ওয়াসার চলমান কার্মকাণ্ড নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে অংশ নিয়ে শনিবার দুপুরে ঢাকা ওয়াসা কনফারেন্স সেন্টারে এসব কথা বলেন তাকসিম এ খান।

মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ওয়াসার পরিচালক (উন্নয়ন) আবুল কাশেম, ব্যবস্থাপক (কমার্শিয়াল) উত্তম কুমার, ওয়াসার সচিব প্রকৌশলী শারমিন হক এবং ওয়াসা কর্মকর্তা এভারেস্টজয়ী নিশাত মজুমদার।

এ সময় দক্ষিণ এশিয়ার বড় শহরগুলোয় পানি সরবরাহকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে ঢাকা ওয়াসাকে ‘রোল মডেল’ হিসেবে দাবি করেন তাকসিম এ খান।

তিনি বলেন, ঢাকায় গত কয়েক বছরে মোটাদাগে পানির সমস্যা হয়নি। এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকসহ (এডিবি) আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ঢাকা ওয়াসাকে দক্ষিণ এশিয়ায় পানি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে নিয়েছে।

সভায় নিজের দীর্ঘ বক্তব্যে তাকসিম এ খান তার সময়কালে ঢাকা ওয়াসার উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘ঢাকা ওয়াসা তার ঘুরে দাঁড়াও রোডম্যাপ থেকে বিচ্যুত হয়নি, তবে বাস্তবায়নে দেরি হচ্ছে।’

২০২৭ সালের মধ্যে শতভাগ সুয়ারেজ নেটওয়ার্কে ঢাকা
ঢাকা ওয়াসা কনফারেন্স সেন্টারে বক্তব্য রাখছেন সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাকসিম এ খান। ছবি: নিউজবাংলা

তাকসিম এ খান বলেন, ঢাকায় বর্তমানে পানির চাহিদা মৌসুমভেদে দৈনিক ২১০ থেকে ২৬৫ কোটি লিটার। ওয়াসার উৎপাদন সক্ষমতা ২৭০ কোটি লিটার। গত কয়েক বছরে স্থানীয়ভাবে কিছু সমস্যা ও কারিগরি সমস্যা ছাড়া পানির ঘাটতি হয়নি। বর্তমানে ৩৪ শতাংশ পানি ভূগর্ভস্থ। ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়াতে নানা কার্যক্রম চলমান।

সম্প্রতি সমবায় অধিদপ্তরের অডিটে ঢাকা ওয়াসার কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী সমবায় সমিতির ১৩২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে – এমন প্রশ্নের উত্তরে ওয়াসার এমডি বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম চলছে। ওয়াসার প্রধান শৃঙ্খলা কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
স্ট্রেচারে শুয়ে আদালতে সাবেক রাজউক চেয়ারম্যান

শেয়ার করুন