সহিংসতার বিচারে আল্টিমেটাম, শাহবাগে অবরোধ প্রত্যাহার

সহিংসতার বিচারে আল্টিমেটাম, শাহবাগে অবরোধ প্রত্যাহার

রোববার বেলা সোয়া ২টার দিকে অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা। এর আগে সকাল ১০টা থেকে শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে শাহবাগ থেকে পল্টন, সায়েন্সল্যাব, বাংলামটর ও টিএসসি অভিমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

দেশের বিভিন্ন জেলার পূজামণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তি নিশ্চিতের দাবিসহ ৭ দফা মানতে সরকারকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে শাহবাগ মোড়ের অবরোধ প্রত্যাহার করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা বলছেন, জনদুর্ভোগ কমাতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

রোববার বেলা সোয়া ২টার দিকে অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন আন্দোলকারীরা।

অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়ে আন্দোলনের সমন্বয়ক জগন্নাথ হল ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জয়দেব দত্ত জানান, মঙ্গলবার বিকেল ৩টার মধ্যে দাবির পক্ষে কোনো আশ্বাস না আসলে আবার আন্দোলনে যাবেন তারা।

তিনি বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যদি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমাদের দাবি না মেনে নেন তাহলে আবার আন্দোলনে যাব। আর এর মধ্যে যদি আবার কোনো মন্দিরে হামলা চালানো হয় তাহলে আমরা তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেব।’

অবরোধ প্রত্যাহারে ওই এলাকায় যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

এর আগে সকাল ১০টা থেকে শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে শাহবাগ থেকে পল্টন, সায়েন্সল্যাব, বাংলামটর ও টিএসসি অভিমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলসহ বিভিন্ন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা টিএসসি এলাকায় জড়ো হন। সেখান থেকে তারা মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ে আসেন।

অবরোধে যোগ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল শাহ বলেন, ‘আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ। সকলের শরীরে একই রক্ত প্রবাহিত হয়। তাহলে এ ধর্মীয় উন্মাদনা কেন? সরকারের প্রতি আমাদের দাবি, এই সাম্প্রদায়িক হামলা বন্ধ করতে হবে। দ্রুত হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হোক। আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।

‘আমরা রোহিঙ্গা নই, আমরা বাংলাদেশি। আমরা আমাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের অধিকার রাখি। আমাদের এই অধিকারে যারা হাত দিয়েছে, তাদের হাত আমরা ভেঙে দেব। আমরা এভাবে রাস্তা অবরোধ করতে চাইনি, কিন্তু আমাদের বাধ্য করা হয়েছে। যারা আমাদের কারণে যানজটে পড়ে আছেন, তাদের কাছে আমরা ক্ষমা চাই।’

মোড়ে অবস্থান নেয়া শিক্ষার্থীরা ‘সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় করতে হবে’, ‘মন্দিরে হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’সহ নানা স্লোগান দেন।

৭ দফা

০১. হামলার শিকার মন্দিরগুলো প্রয়োজনীয় সংস্কার করা।

০২. বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাটের ক্ষতিপূরণ।

০৩. ধর্ষণ ও হত্যার শিকার পরিবারগুলোকে স্থায়ী ক্ষতিপূরণ।

০৪. দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা।

০৫. জাতীয় সংসদে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে মন্দির ও সংখ্যালঘুদের বসতবাড়িতে সাম্প্রদায়িক হামলার দায়ে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা।

০৬. সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় ও সংখ্যালঘু কমিশন গঠন, হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট্রের আধুনিকায়ন করে ফাউন্ডেশনে উন্নীত করা।

০৭. জাতীয় বাজেটে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য জিডিপির ১৫% বরাদ্দ রাখা।

আরও পড়ুন:
মণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে শাহবাগে অবরোধ
রংপুর, ফেনীর পুলিশ সুপারকে বদলি
লুটপাট, আগুনে নিঃস্ব পীরগঞ্জের হিন্দুপাড়া
সারা দেশে সাম্প্রদায়িক হামলা বিএনপির ইন্ধনে: কাদের
সহনশীল হওয়ার দিন শেষ: সুবর্ণা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া নিয়ে টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব

শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া নিয়ে টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব

শিক্ষার্থীদের হাফ পাস বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠকে বিআরটিএ ও বাস মালিক-শ্রমিক নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা

বিআরটিএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘বাসে হাফ ভাড়া বাস্তবায়নে পরিবহন নেতারা আন্তরিক। কিন্তু তাদের যে ক্ষতি হবে তা কীভাবে পূরণ করা হবে, কত ভর্তুকি দেবে সেসব বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য সরকার ও পরিবহনে সম্পৃক্তদের নিয়ে টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব এসেছে। সরকারকে টাস্কফোর্সের বিষয়ে জানাব।’

বাসে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না এলেও বৈঠকে পরিবহন নেতাদের পক্ষ থেকে টাস্কফোর্স গঠনসহ কয়েকটি প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। প্রস্তাবগুলো বিবেচনায় নিয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা বলা হয়েছে।

টাস্কফোর্স গঠনের পর যে সিদ্ধান্ত আসবে সে অনুযায়ী তা বাস্তবায়ন করার দাবি করা হয়।

শনিবার বৈঠক শেষে বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার ও ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি খন্দকার এনায়েত উল্যাহ এ তথ্য জানান।

বাসে হাফ ভাড়ার সিদ্ধান্ত আসার আগ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সড়ক ছেড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিআরটিএ চেয়ারম্যান এবং পরিবহন নেতারা।

বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার বলেন, ‘পরিবহন নেতাদের পক্ষ থেকে কনসেশন দেয়ার প্রস্তাব এসেছে। কত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কত ছাত্র, কতজন বাস ব্যবহার করে তার একটা পরিসংখ্যান চেয়েছেন নেতারা। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সেই তথ্য দেবে।’

টাস্কফোর্স গঠনের বিষয়ে বিআরটিএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘বাসে হাফ ভাড়া বাস্তবায়নে পরিবহন নেতারা আন্তরিক। কিন্তু তাদের যে ক্ষতি হবে তা কীভাবে পূরণ করা হবে, কত ভর্তুকি দেবে সেসব বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য সরকার ও পরিবহনে সম্পৃক্তদের নিয়ে টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব এসেছে। সরকারকে টাস্কফোর্সের বিষয়ে জানাব।’

ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়ে উল্লাহ বলেন, ‘সরকার ছাত্রদের দাবি যৌক্তিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করছে। ঢাকার ৮০ ভাগ মালিক গরিব। হাফ ভাড়া নিলে মালিকদের যে ক্ষতি হবে, তা সরকার কীভাবে পূরণ করবে, সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমরা কিছু প্রস্তাব দিয়েছি। সবার সমন্বয়ে টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছি।’

ছাত্রদের অনুরোধ জানিয়ে এই পরিবহন নেতা বলেন, ‘হাফ ভাড়ার দাবিতে বাস ভাঙচুর, শ্রমিকদের মারধর অব্যাহত রয়েছে। শিক্ষার্থীদের প্রতি অনুরোধ থাকবে, তারা যেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরে যান।’

টাস্কফোর্স কবে গঠন করা হবে এই প্রশ্নে বিআরটিএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘এটা নতুন প্রস্তাব। টাস্কফোর্স গঠনের বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত হবে।’

শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়ার বিষয়টি সুরাহা করতে শনিবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে বিআরটিএ কার্যালয়ে বাস মালিক সমিতি, শ্রমিক ফেডারেশনের নেতাদের সঙ্গে বিআরটিএসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আলোচনায় বসেন।

সেখান থেকে বিষয়টি নিয়ে একটি সিদ্ধান্ত আসার কথা ছিল।

বৈঠকে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল বাতেন বাবু, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ, বিআরটির চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহকারী কমিশনার মো. আশফাকসহ বিআরটিএর ঊর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশনের নেতারাও বৈঠকে অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
মণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে শাহবাগে অবরোধ
রংপুর, ফেনীর পুলিশ সুপারকে বদলি
লুটপাট, আগুনে নিঃস্ব পীরগঞ্জের হিন্দুপাড়া
সারা দেশে সাম্প্রদায়িক হামলা বিএনপির ইন্ধনে: কাদের
সহনশীল হওয়ার দিন শেষ: সুবর্ণা

শেয়ার করুন

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ছাত্রলীগ হামলা করেনি: কাদের

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ছাত্রলীগ হামলা করেনি: কাদের

সংসদে বক্তব্য দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংসদ টিভি

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আপনি পত্রপত্রিকা নিশ্চই পড়েন। ছাত্রলীগ কিন্তু একই দাবিতে সমাবেশ করেছে, স্টেটমেন্টও দিয়েছে। তারা হামলা করবে, এটা সত্য নয়। ছাত্রলীগ নামধারীরা করতে পারে। আপনি কি কারও নাম বলতে পারেন? এটাই যদি করতো তাহলে তারা কেন এ দাবিতে প্রকাশ্যে সমর্থন করছে?’

হাফ ভাড়ার দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ছাত্রলীগ হামলা করেনি বলে দাবি করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

অধিবেশনে মহাসড়ক বিল নিয়ে আলোচনা শুরু হলে ছাত্রলীগের হামলার বিষয়ে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তা সেতুমন্ত্রীর কাছে জানতে চান বিএনপির সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

এ সময় ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আপনি পত্রপত্রিকা নিশ্চই পড়েন। ছাত্রলীগ কিন্তু একই দাবিতে সমাবেশ করেছে, স্টেটমেন্টও দিয়েছে। তারা হামলা করবে, এটা সত্য নয়। ছাত্রলীগ নামধারীরা করতে পারে।

‘আপনি কি কারও নাম বলতে পারেন? এটাই যদি করতো তাহলে তারা কেন এ দাবিতে প্রকাশ্যে সমর্থন করছে?’

তিনি বলেন, ‘সরকারি মালিকানার বাস বিআরটিসির গাড়ি। শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে প্রথমে ভেবেছিলাম ৩০ পারসেন্ট দেবো, ঢাকা ও আশে পাশের এলাকায়। কিন্তু যখন প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি চাইলাম, তিনি বললেন, হাফ ভাড়া যখন তারা দাবি করেছে সেটিই দাও। তিনি বলেছেন সারা দেশেই দিতে হবে।

‘তার নির্দেশনায় সারা দেশে বিআরটিসির প্রজ্ঞাপন দিয়েছি। ১ তারিখ থেকে এটি কার্যকর হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বেসরকারি মালিকদের উপর আমরা জোর করতে পারি না। তবে জনস্বার্থ বিবেচনায় তাদেরকে অনুরোধ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীও অনুরোধ করেছেন। আজ বিআরটিএতে মালিক-শ্রমিকরা বসছেন।

‘আশা করি, ইতিবাচক ভাবেই তারা দাবি মেনে নেবেন। আমরা আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা থেকে এ দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে রেজুলেশন দিয়েছি।’

২৩ নভেম্বর দুপুরে হাফ পাসের দাবিতে ঢাকার কয়েকটি কলেজের শিক্ষার্থীরা রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করলে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের সদস্যরা হামলা করে বলে অভিযোগ ওঠে।

আরও পড়ুন:
মণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে শাহবাগে অবরোধ
রংপুর, ফেনীর পুলিশ সুপারকে বদলি
লুটপাট, আগুনে নিঃস্ব পীরগঞ্জের হিন্দুপাড়া
সারা দেশে সাম্প্রদায়িক হামলা বিএনপির ইন্ধনে: কাদের
সহনশীল হওয়ার দিন শেষ: সুবর্ণা

শেয়ার করুন

পঞ্চম ধাপে ৭০৭ ইউপিতে ভোট ৫ জানুয়ারি

পঞ্চম ধাপে ৭০৭ ইউপিতে ভোট ৫ জানুয়ারি

ইউপি নির্বাচনের একটি কেন্দ্রে ভোটারদের সারি। ফাইল ছবি

ইসি সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার বলেন, পঞ্চম ধাপের এ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ আগামী ৭ ডিসেম্বর।

চলমান ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের পঞ্চম ধাপে ভোট হবে আগামী ৫ জানুয়ারি। ওই দিন ভোট হবে ৭০৭ ইউপি।

নির্বাচন কমিশনের ৯০তম কমিশন সভা শেষে শনিবার তফসিল ঘোষণা করেন ইসি সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার।

তিনি বলেন, পঞ্চম ধাপের এ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ আগামী ৭ ডিসেম্বর

বিস্তারিত আসছে…

আরও পড়ুন:
মণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে শাহবাগে অবরোধ
রংপুর, ফেনীর পুলিশ সুপারকে বদলি
লুটপাট, আগুনে নিঃস্ব পীরগঞ্জের হিন্দুপাড়া
সারা দেশে সাম্প্রদায়িক হামলা বিএনপির ইন্ধনে: কাদের
সহনশীল হওয়ার দিন শেষ: সুবর্ণা

শেয়ার করুন

সাবেক ডিসির দণ্ড মওকুফ: হতাশ সাংবাদিক আরিফুল

সাবেক ডিসির দণ্ড মওকুফ: হতাশ সাংবাদিক আরিফুল

বাংলা ট্রিবিউন ও ঢাকা ট্রিবিউনের কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম রিগান। ছবি: সংগৃহীত

আরিফুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি হতাশ। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অভিভাবক। তিনি আমার বিষয়টিও দেখতে পারতেন। আইন সবার জন্য। সরকারি চাকরিজীবীর আইনটি বাতিল করা প্রয়োজন।’

নির্যাতনের ঘটনায় আলোচিত কুড়িগ্রামের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুলতানা পারভীনের দণ্ড মওকুফে হতাশা প্রকাশ করেছেন বাংলা ট্রিবিউন ও ঢাকা ট্রিবিউনের জেলা প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম রিগান।

মধ্যরাতে আরিফুলকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় সুলতানার ‘লঘুদণ্ড’ মওকুফ করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।

সাবেক ডিসির আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে দেয়া ‘দুই বছরের জন্য বেতন বৃদ্ধি স্থগিত রাখা’র দণ্ডাদেশ বাতিল করে অভিযোগের দায় থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে ২৩ নভেম্বরের প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর রয়েছে সিনিয়র সচিব কে এম আলী আজমের।

এ নিয়ে শনিবার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে আরিফুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি হতাশ। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অভিভাবক। তিনি আমার বিষয়টিও দেখতে পারতেন। আইন সবার জন্য।

‘সরকারি চাকরিজীবীর আইনটি বাতিল করা প্রয়োজন। জনগণ রাষ্ট্রের মালিক হলেও এই আইনের সাথে সাংঘর্ষিক। যেহেতু আমার মামলাটি হাইকোর্টে আছে, সেখানে আমি ন্যায়বিচার পাব বলে আশাবাদী।’

কী হয়েছিল আরিফুলের সঙ্গে

২০২০ সালের ১৩ মার্চ মধ্যরাতে সাংবাদিক আরিফুল ইসলামের বাসায় হানা দিয়ে তাকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে ক্রসফায়ারের হুমকিসহ ডিসি অফিসে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে।

এরপর অধূমপায়ী আরিফের বিরুদ্ধে আধা বোতল মদ ও দেড় শ গ্রাম গাঁজা পাওয়ার অভিযোগ এনে ওই রাতেই এক বছরের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। ১৫ মার্চ আরিফ জামিনে মুক্তি পান।

এ ঘটনায় দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠলে কুড়িগ্রামের তখনকার ডিসি সুলতানা পারভীন, আরডিসি নাজিম উদ্দীন, মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিন্টু বিকাশ চাকমা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম রাহাতুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। একই সঙ্গে এ ঘটনায় বিভাগীয় অভিযোগ করা হয়। ঘটনা তদন্তে কমিটি করে মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন:
মণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে শাহবাগে অবরোধ
রংপুর, ফেনীর পুলিশ সুপারকে বদলি
লুটপাট, আগুনে নিঃস্ব পীরগঞ্জের হিন্দুপাড়া
সারা দেশে সাম্প্রদায়িক হামলা বিএনপির ইন্ধনে: কাদের
সহনশীল হওয়ার দিন শেষ: সুবর্ণা

শেয়ার করুন

শিক্ষার্থীদের হাফ পাস বিষয়ে বৈঠক শুরু

শিক্ষার্থীদের হাফ পাস বিষয়ে বৈঠক শুরু

শিক্ষার্থীদের হাফ পাস বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠকে বিআরটিএ ও বাস মালিক-শ্রমিক নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা

আলোচনায় ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল বাতেন বাবু, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ, বিআরটির চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহকারী কমিশনার মো. আশফাকসহ বিআরটিএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত আছেন।

শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়ার বিষয়টি সুরাহা করতে বাস মালিক সমিতি, শ্রমিক ফেডারেশনের নেতাদের সঙ্গে বিআরটিএসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আলোচনায় বসেছেন।

শনিবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর বনানীতে বিআরটিএর প্রধান কার্যালয়ের সেমিনার কক্ষে এই বৈঠক শুরু হয়।

আলোচনায় ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল বাতেন বাবু, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ, বিআরটির চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহকারী কমিশনার মো. আশফাকসহ বিআরটিএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত আছেন।

এ ছাড়া বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশনের নেতারা উপস্থিত রয়েছেন।

বৈঠক শেষে সিদ্ধান্ত গণমাধ্যমে জানানো হবে।

আরও পড়ুন:
মণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে শাহবাগে অবরোধ
রংপুর, ফেনীর পুলিশ সুপারকে বদলি
লুটপাট, আগুনে নিঃস্ব পীরগঞ্জের হিন্দুপাড়া
সারা দেশে সাম্প্রদায়িক হামলা বিএনপির ইন্ধনে: কাদের
সহনশীল হওয়ার দিন শেষ: সুবর্ণা

শেয়ার করুন

কুড়িগ্রামের সাবেক সেই ডিসির দণ্ড মওকুফ

কুড়িগ্রামের সাবেক সেই ডিসির দণ্ড মওকুফ

সাংবাদিক আরিফুল ইসলামকে নির্যাতনের ঘটনায় ব্যাপক আলোচনায় এসেছিলেন কুড়িগ্রামের সাবেক ডিসি সুলতানা পারভীন। ফাইল ছবি

সুলতানার আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে দেয়া ‘দুই বছরের জন্য বেতন বৃদ্ধি স্থগিত রাখা’র দণ্ডাদেশ বাতিল করে অভিযোগের দায় থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

বাংলা ট্রিবিউন ও ঢাকা ট্রিবিউনের জেলা প্রতিনিধি আরিফুল ইসলাম রিগানকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় আলোচিত কুড়িগ্রামের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুলতানা পারভীনের ‘লঘুদণ্ড’ মওকুফ করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।

সুলতানার আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে দেয়া ‘দুই বছরের জন্য বেতন বৃদ্ধি স্থগিত রাখা’র দণ্ডাদেশ বাতিল করে অভিযোগের দায় থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে ২৩ নভেম্বরের প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর রয়েছে সিনিয়র সচিব কে এম আলী আজমের।

কী আছে প্রজ্ঞাপনে

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, “কুড়িগ্রামের সাবেক জেলা প্রশাসক ও বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুলতানা পারভীন কুড়িগ্রামে কর্মরত থাকার সময় বাংলা ট্রিবিউনের সাংবাদিক জনাব আরিফুল ইসলামকে মধ্যরাতে ধরে নিয়ে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা প্রদানের পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগে রুজুকৃত বিভাগীয় মামলায় গত বছরের ১৮ মার্চ ৯৭ নম্বর স্মারকের মাধ্যমে তাকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ প্রদান করা হয়।

'অভিযুক্ত কর্মকর্তা সুলতানা পারভীন গত বছরের ২৫ জুন লিখিত জবাব দাখিলপূর্বক ব্যক্তিগত শুনানির প্রার্থনা করলে গত বছরের ৯ আগস্ট ব্যক্তিগত শুনানি গ্রহণ করা হয়। তার লিখিত জবাব ও ব্যক্তিগত শুনানিতে প্রদত্ত মৌখিক বক্তব্য সন্তোষজনক বিবেচিত না হওয়ায় ন্যায়বিচারের স্বার্থে বিভাগীয় মামলাটি তদন্ত করার জন্য তদন্ত বোর্ড গঠন করা হয়।'

এতে বলা হয়, “তদন্ত বোর্ডের আহ্বায়ক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আলী কদরের গত ২ মে দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদনে সুলতানা পারভীনের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী আনীত ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে মর্মে উল্লেখ করেন।

“তদন্ত বোর্ডের প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা শেষে অভিযুক্ত কর্মকর্তা সুলতানা পারভীনকে গুরুদণ্ড প্রদানের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৭(৯) মোতাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গত ৮ জুন ৮৩ নম্বর স্মারকে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়।”

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ‘সুলতানা পারভীন গত ২২ জুন লিখিতভাবে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর জবাব দাখিল করলে দাখিলকৃত জবাব ও তদন্ত প্রতিবেদনসহ অভিযোগের গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিক প্রশাসনিক বিষয়াদি বিবেচনা করে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৪(২)(খ) বিধি অনুসারে তাকে দুই বছরের জন্য বেতন বৃদ্ধি স্থগিত রাখা নামীয় লঘুদণ্ড প্রদান করা হয়।

‘সুলতানা পারভীন তার উপর আরোপিত লঘুদণ্ডাদেশ মওকুফের জন্য গত ৬ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির কাছে আপিল আবেদন পেশ করলে রাষ্ট্রপতি সদয় হয়ে সুলতানা পারভীনের আপিল আবেদন বিবেচনা করে দুই বছরের জন্য বেতন বৃদ্ধি স্থগিত রাখার দণ্ডাদেশ বাতিল করে তাঁকে অভিযোগের দায় হতে অব্যাহতি প্রদান করেছেন।’

সুলতানা পারভীনের বিরুদ্ধে করা বিভাগীয় মামলায় দুই বছরের জন্য বেতন বৃদ্ধি স্থগিত রাখার লঘুদণ্ড দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ১০ আগস্ট প্রজ্ঞাপন জারি করে। সবশেষ প্রজ্ঞাপনে আগেরটি বাতিল করে সুলতানাকে অভিযোগের দায় থেকে অব্যাহতি দেয়ার কথা বলা হয়েছে।

দণ্ড মওকুফে হতাশ আরিফুল

কুড়িগ্রামের সাবেক ডিসির দণ্ডাদেশ মওকুফের বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম রিগান বলেন, ‘আমি হতাশ। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অভিভাবক। তিনি আমার বিষয়টিও দেখতে পারতেন। আইন সবার জন্য।

‘সরকারি চাকরিজীবীর আইনটি বাতিল করা প্রয়োজন। জনগণ রাষ্ট্রের মালিক হলেও এই আইনের সাথে সাংঘর্ষিক। যেহেতু আমার মামলাটি হাইকোর্টে আছে, সেখানে আমি ন্যায়বিচার পাব বলে আশাবাদী।’

কী হয়েছিল আরিফুলের সঙ্গে

২০২০ সালের ১৩ মার্চ মধ্যরাতে সাংবাদিক আরিফুল ইসলামের বাসায় হানা দিয়ে তাকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে ক্রসফায়ারের হুমকিসহ ডিসি অফিসে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে।

এরপর অধূমপায়ী আরিফের বিরুদ্ধে আধা বোতল মদ ও দেড় শ গ্রাম গাঁজা পাওয়ার অভিযোগ এনে ওই রাতেই এক বছরের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। ১৫ মার্চ আরিফ জামিনে মুক্তি পান।

এ ঘটনায় দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠলে কুড়িগ্রামের তখনকার জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন, আরডিসি নাজিম উদ্দীন, মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিন্টু বিকাশ চাকমা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম রাহাতুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। একই সঙ্গে এ ঘটনায় বিভাগীয় অভিযোগ হয়। ঘটনা তদন্তে কমিটি করে মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন:
মণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে শাহবাগে অবরোধ
রংপুর, ফেনীর পুলিশ সুপারকে বদলি
লুটপাট, আগুনে নিঃস্ব পীরগঞ্জের হিন্দুপাড়া
সারা দেশে সাম্প্রদায়িক হামলা বিএনপির ইন্ধনে: কাদের
সহনশীল হওয়ার দিন শেষ: সুবর্ণা

শেয়ার করুন

খালেদার অবস্থা অস্থিতিশীল: চিকিৎসক

খালেদার অবস্থা অস্থিতিশীল: চিকিৎসক

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ছবি: নিউজবাংলা

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের একজন চিকিৎসক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘খালেদা জিয়া ধীরে ধীরে কথা বলার চেষ্টা করছেন। মাঝেমধ্যেই ওনার শরীর দুর্বল হয়ে যাচ্ছিল। গতকাল থেকে এটা একটু কমে এসেছে। তবে শরীরের অবস্থা উন্নতির দিকে, এটা বলা যাবে না। গতকাল থেকে এ পর্যন্ত তার শরীরের অবস্থা অবনতি হয়নি। তবে অস্থিতিশীল।’

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য অস্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসায় গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের একজন সদস্য।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউজবাংলাকে শনিবার সকালে ওই চিকিৎসক জানান, সকাল ৯টার মধ্যে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে আসেন মেডিক্যাল বোর্ডের প্রধান ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার। তিনি প্রায় ১০ মিনিট খালেদার কেবিনে অবস্থান করেন।

তিনি বলেন, ‘এ সময় আমি স্যারের সঙ্গে গিয়েছিলাম। খালেদা জিয়া ধীরে ধীরে কথা বলার চেষ্টা করছেন। মাঝেমধ্যেই ওনার শরীর দুর্বল হয়ে যাচ্ছিল। গতকাল থেকে এটা একটু কমে এসেছে। তবে শরীরের অবস্থা উন্নতির দিকে, এটা বলা যাবে না। গতকাল থেকে এ পর্যন্ত তার শরীরের অবস্থার অবনতি হয়নি। তবে অস্থিতিশীল।’

ওই চিকিৎসক জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী একাধিক জটিল রোগে ভুগছেন। স্বাস্থ্যের অবস্থা পর্যালোচনার জন্য একাধিক পরীক্ষা করা হচ্ছে। শুক্রবারও নিউক্লিয়ার মেডিসিনে এনে তার স্বাস্থ্যের পরীক্ষা করোনা হয়। তবে এখন খালেদা জিয়ার লিভারের সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হিসেবে দেখা দিচ্ছে। এ ছাড়া মলে রক্ত আসাও বন্ধ হয়নি।

১৩ নভেম্বর বিকেলে খালেদা জিয়াকে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে এভারকেয়ারে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হওয়ায় পরের দিন ভোরে তাকে সিসিইউতে নেয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসা চলছে তার।

খালেদার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য তার পরিবার ও দল থেকে সরকারের প্রতি বারবার আহ্বান জানানো হলেও তাতে সাড়া মিলছে না।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তাদের নেত্রীর অবস্থা ‘ভ্যারি ক্রিটিক্যাল’। তাকে অবিলম্বে বিদেশ নেয়া দরকার।

খালেদা জিয়াকে বিদেশ নেয়ার অনুমতি আদায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি।

আরও পড়ুন:
মণ্ডপে হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে শাহবাগে অবরোধ
রংপুর, ফেনীর পুলিশ সুপারকে বদলি
লুটপাট, আগুনে নিঃস্ব পীরগঞ্জের হিন্দুপাড়া
সারা দেশে সাম্প্রদায়িক হামলা বিএনপির ইন্ধনে: কাদের
সহনশীল হওয়ার দিন শেষ: সুবর্ণা

শেয়ার করুন