পীরগঞ্জে হামলায় পুড়ল ২০ বাড়িঘর

পীরগঞ্জে হামলায় পুড়ল ২০ বাড়িঘর

রংপুরের পীরগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুনের ঘটনায় এক নারীর আহাজারি। ছবি: সংগৃহীত

রংপুর জেলার সহকারী পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান জানান, হিন্দু সম্প্রদায়ের এক যুবক ফেসবুকে ধর্মীয় অবমাননাকর পোস্ট দিয়েছেন- এমন অভিযোগের পর রোববার এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ওই যুবকের বাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারলেও দূরে ১৫-২০টি বাড়িঘরে আগুন দেয় উত্তেজিতরা।

ফেসবুকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে রংপুরের পীরগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের বেশ কয়েকটি বাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

পীরগঞ্জের রামনাথপুর ইউনিয়নের বাটের হাট নামক এলাকায় রোববার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

হামলাকারীরা ১৫ থেকে ২০টি বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

রংপুর জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (ডি) সার্কেল কামরুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এক হিন্দু যুবক ফেসবুকে ধর্মীয় অবমাননাকর কমেন্ট দিয়েছেন- এমন অভিযোগের পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আমরা ওই যুবকের বাড়িটি প্রটেক্ট করতে পারলেও বেশ কিছু দূরে ১৫-২০টি বাড়িঘরে আগুন দেয় উত্তেজিতরা।’

পীরগঞ্জে হামলায় পুড়ল ২০ বাড়িঘর

তিনি রাত পৌনে ১২টার দিকে নিউজবাংলাকে জানান, এখন পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

স্থানীয় রানা নামের একজন বলেন, ‘পুলিশ অনেক চেষ্টা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। এই অগ্নিসংযোগের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের আমি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

আরও পড়ুন:
উসকানিমূলক কন্টেন্ট ছড়িয়ে আটক ৩
কুমিল্লায় মন্দিরে হামলা-মামলার আসামি জামায়াতের কাউন্সিলর
গোবিন্দ প্রামাণিকের অভিযোগের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন
সবাই স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করছে: মন্ত্রী তাজুল
ছাত্রলীগ থেকে ‘সাম্প্রদায়িক’ ১০ নেতা বহিষ্কার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এমপির সামনে ‘অপদস্ত’ ইউএনও, ‘লাঞ্ছিত’ ব্যাংক কর্মকর্তা

এমপির সামনে ‘অপদস্ত’ ইউএনও, ‘লাঞ্ছিত’ ব্যাংক কর্মকর্তা

পলাশবাড়ি উপজেলা পরিষদ টাউন হলরুমে এমপির সামনে ইউএনওকে অপদস্ত ও ব্যাংক কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। ছবি: নিউজবাংলা

অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় এক সংবাদকর্মী জানান, মহান বিজয় দিবসের আলোচনা শেষ পর্যায়ে হঠাৎ এমপির উপস্থিতেই ব্যাংক ম্যানেজার রওশন জামিলকে গালিগালাজ করতে থাকেন চেয়ারম্যান মোকসেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ। এ সময় এমপিসহ উপস্থিত সবাই বিদ্যুৎকে থামানোর চেষ্টা করেন। তবে বিদ্যুৎ এমপিকে উপেক্ষা করে গালিগালজ করতে থাকেন। তাৎক্ষণিক ইউএনও নয়ন এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন বিদ্যুৎ। পরে তিনি ইউএনওর সঙ্গে তর্কে জড়ান।

গাইবান্ধার সংসদ সদস্য (এমপি) ও কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতির উপস্থিতিতেই এক ব্যাংক কর্মকর্তাকে গালিগালাজ ও লাঞ্ছিতের অভিযোগ উঠেছে পলাশবাড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিবাদ করে ইউএনও বাগবিতণ্ডা ও জেরার মুখে পড়েন।

তবে ব্যাংক ম্যানেজারকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ অস্বীকার করেছে উপজেলা চেয়ারম্যান। আর সংসদ সদস্য বলছেন, ঘটনাটি দুঃখজনক।

গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলা পরিষদ টাউন হলরুমে ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার সকালে। এদিন উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা চলছিল।

সভায় পলাশবাড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুজ্জামান নয়নের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ি) আসনের এমপি উম্মে কুলসুম স্মৃতি, পলাশবাড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোকসেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ, পৌর মেয়র গোলাম সরোয়ার প্রধান বিপ্লব, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু বকর প্রধান ও সোনালী ব্যাংক পলাশবাড়ি শাখার ম্যানেজার রওশন জামিলসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় এক সংবাদকর্মী জানান, মহান বিজয় দিবসের আলোচনা শেষ পর্যায়ে হঠাৎ এমপির উপস্থিতেই ব্যাংক ম্যানেজার রওশন জামিলকে গালিগালাজ করতে থাকেন চেয়ারম্যান মোকসেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ।

এ সময় এমপিসহ উপস্থিত সবাই বিদ্যুৎকে থামানোর চেষ্টা করেন। তবে বিদ্যুৎ এমপিকে উপেক্ষা করে গালিগালজ করতে থাকেন। তাৎক্ষণিক ইউএনও নয়ন এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন বিদ্যুৎ। পরে তিনি ইউএনওর সঙ্গে তর্কে জড়ান।

এমপির সামনে ‘অপদস্ত’ ইউএনও, ‘লাঞ্ছিত’ ব্যাংক কর্মকর্তা


সেদিনের অনুষ্ঠানের প্রায় দেড় মিনিটের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়েছে। ভিডিওর শুরুতেই এমপি স্মৃতির সামনেই আঙুল তুলে ইউএনওকে শাসাতে দেখা যায় চেয়ারম্যান বিদ্যুতকে। এ সময় তাকে বলতে শোনা যায়, ‘‘সে (রওশন জামিল) ‘শয়তানের বাচ্চা’ আবারও বললাম- আপনি (ইউএনও) লেখেন আমার বিরুদ্ধে।’’

জবাবে ইউএনও বলেন, ‘আমি লিখব না তো; আমার ওতো হক নাই। সে তো একজন অফিসার। সে তো এমনি এমনি আসে নাই। তার বাবা বেঁচে আছে কী না- তাকে তুলে এভাবে; (গালিগালাজ) এটা কী হয়।’

এভাবে চলা বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে চেয়ারম্যান বিদ্যুৎ বলেন, ‘আপনার মতো বহু ইউএনওর সঙ্গে চাকরি করে আসছি। আমি পলাশবাড়িতেই থাকব।’

এ সময় নিজেকে সামান্য ইউএনও দাবি করে নয়ন বলেন, ‘আমি পলাশবাড়িতে হয়তো থাকবো না। এটাই তো।’

তর্কের এক পর্যায়ে উপজেলা চেয়ারম্যান বলে ওঠেন, ‘এই নির্বাচনটাও (তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন) তো আপনার জন্য হারছে পলাশবাড়িতে।’

‘সেটা যদি; নৌকা মার্কায় ভোট দিতে পারেন দেন। এখানে আমার অনিয়মটা কোথায়।’ বলেন ইউএনও।

দীর্ঘ সময় ইউএনও এবং উপজেলা চেয়ারম্যানের চলা বাগবিতণ্ডা বার বার থামানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন এমপি স্মৃতি। এ সময় তাদের তর্ক দাঁড়িয়ে শুনছিলেন অন্যরা।

মহান বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় লাঞ্চিত হওয়া ব্যাংক ম্যানেজার রওশন জামিল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উনার নিজের নামে (উপজেলা চেয়ারম্যান) একটা লোন প্রস্তাব ছিল ১৫ লাখ টাকার। উনি ব্যবসার ওপর এসএমই লোন চান। কিন্তু আদৌ উনার কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নাই।

‘এই লোনের বিপরীতে আমার ক্ষমতা রয়েছে মাত্র ৪ লাখ। তবে প্রিন্সিপাল অফিস চাইলে দিতে পারে। কিন্তু তারাও প্রস্তাবটা ফেরত দিয়েছেন।’

ম্যানেজার বলেন, ‘আমিও তাকে সম্মানের সঙ্গে বলেছি-এটা তো এভাবে প্রসেস করা সম্ভব হচ্ছে না। তো এটাই উনার ক্ষোভ আর কী? এই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ সেদিনের ঘটনা।’

বিজয় দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠানের দিন কখন কীভাবে এ ঘটনার সূত্রপাত। এ প্রশ্নে রওশন জামিল বলেন, ‘‘অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে আমিসহ জনতা ব্যাংকের এক কর্মকর্তা এমপি স্যারকে সালাম জানাতে তার কাছে যাই। সালাম দিয়ে আপার সঙ্গে কথা বলছিলাম- ঠিক এমন সময় হঠাৎ উনি (উপজেলা চেয়ারম্যান) গালিগালাজ শুরু করেন। বলেন, ‘সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার একটা শয়তানের বাচ্চা।’ কথাটা বার বার বলল। আমি তখনও আপার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম।’’

এমপির সামনে ‘অপদস্ত’ ইউএনও, ‘লাঞ্ছিত’ ব্যাংক কর্মকর্তা


সবার সামনে আপনাকে গালিগালাজ দেয়ার পর কেউ প্রতিবাদ করেনি। এমন প্রশ্নে জামিল বলেন, ‘প্রথমে ম্যাডামই (এমপি) কথা ধরেছেন, বলেন-এই বিদ্যুৎ; তুমি কী বলছো এসব! থাম; কী হয়েছে, বিষয়টা শুনি। এর পর পরই ইউএনও স্যার কথা ধরেছেন।’

তবে ব্যাংক লোনের জন্য প্রস্তাব ও ব্যাংক ম্যানেজারকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা চেয়ারম্যান বিদ্যুৎ বলেন, ‘আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নেই। আমি তো তার কাছে লোন চাই নাই। তার কাছে কোনো পেপার্স (ডকুমেন্ট) আছে; আমার লোন চাওয়ার।’

এক প্রশ্নের উত্তরে বিদ্যুৎ বলেন, ‘আমার তো তার সঙ্গে কিছুই হয়নি। উনি যদি একজন উপজেলা চেয়ারম্যানের প্রতি শ্রদ্ধাবোধটুকু না রেখেন; পলিটিক্স করতে চান! করুক। উনি তো চাকরি-বাকরি করবে না এলাকায়। পলিটিক্স করবেন- সমস্যা কী, করুক। আমি তো ওনাকে অপমান-অপদস্ত করিনি। ওনার গায়ে হাত দেইনি।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ বিষয়ে বলেন, ‘আমাকে যা করা হয়েছে-সে বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নাই। তবে আমার মনে হয়েছে, একজন অফিসারকে এভাবে বলাটা ঠিক সমীচীন-তাই আমি বলেছি (প্রতিবাদ)। আমার ধারণা, হঠাৎ করে রাগের মাথায় ঘটে থাকতে পারে ঘটনাটি।’

ইউএনও বলেন, ‘এটা অনাকাঙ্খিত ঘটনা। তাই এটা নিয়ে আমরা সবাই বিব্রত।’

ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক উল্লেখ করে এমপি উম্মে কুলসুম স্মৃতি বলেন, ‘এমন ঘটনা কখনই কাম্য নয়।’

আরও পড়ুন:
উসকানিমূলক কন্টেন্ট ছড়িয়ে আটক ৩
কুমিল্লায় মন্দিরে হামলা-মামলার আসামি জামায়াতের কাউন্সিলর
গোবিন্দ প্রামাণিকের অভিযোগের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন
সবাই স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করছে: মন্ত্রী তাজুল
ছাত্রলীগ থেকে ‘সাম্প্রদায়িক’ ১০ নেতা বহিষ্কার

শেয়ার করুন

গরু চুরির ঘটনায় ৬ পুলিশ প্রত্যাহার

গরু চুরির ঘটনায় ৬ পুলিশ প্রত্যাহার

আশরাফুল ইসলামের এ খামার থেকে গরুগুলো চুরি হয়। ছবি:নিউজবাংলা

গোমস্তাপুর থানার ওসি দিলিপ কুমার বলেন, ‘চুরি হওয়া গরু উদ্ধারে পুলিশের অভিযান চলছে। এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় দায়িত্বে থাকা ৬ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে এক ব্যক্তির খামার থেকে ১৫টি গরু চুরির ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ৬ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

গোমস্তাপুর থানা থেকে শনিবার সন্ধ্যায় তাদের জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

তাদের মধ্যে একজন এসআই, দুজন এএসআই ও তিনজন কনস্টেবল রয়েছেন।

এর আগে শুক্রবার রাতে উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের জিনারপুরে আশরাফুল ইসলামের খামার থেকে গরুগুলো চুরি হয়।

এ ঘটনায় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসতে অনেক দেরি করেছে বলে অভিযোগ করেছেন খামার মালিক আশরাফুল।

আশরাফুল বলেন, ‘শুক্রবার রাত ১টা ৩০ মিনিটে আমি ও আমার স্ত্রী খামারের মধ্যে ঘুমিয়ে ছিলাম। ৫ জন ডাকাত বাঁশের বাতা কেটে খামারে ঢুকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে বলে, খামারে মাদক আছে, তাই তল্লাশি করবে।

‘তাদের বাধা দিলে আমাদের দুজনকে বেঁধে বেধড়ক মারধর করে আড্ডা-সাপাহার সড়কের জিনারপুর গড়বাড়ি কালভার্টের পাশে ধানক্ষেতে ফেলে রাখে। এরপর তারা গরুগুলো নিয়ে ধানক্ষেত দিয়ে চলে যায়।’

গরু চুরির ঘটনায় ৬ পুলিশ প্রত্যাহার
বাঁশের বাতা কেটে খামারে ঢোকেন তারা।

তিনি আরও বলেন, ‘পরে কোনো রকম হাত-পায়ের বাঁধন খুলে চিৎকার শুরু করলে আমার ভাই মিজানুর রহমান বাড়ি থেকে বের হন। তাৎক্ষণিক তার ছেলে শাহীনকে পুলিশে খবর দিতে বলেন। শাহীন তার মোবাইল নম্বর থেকে রাত ৪টা ২৫ মিনিটে ৯৯৯-এ পুলিশি সহযোগিতা চেয়ে কল দেয়।

‘পুলিশ আসতে দেরি করায় ৪টা ৩৭ মিনিট এবং ৫৭ মিনিটে আবার কল দেয়া হয়। কিন্তু এর ৩ ঘণ্টা পর সকাল ৭টায় পুলিশের উপপরিদর্শক বদিউজ্জামান ঘটনাস্থলে আসেন।’

পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুব আলম খান, সহকারী পুলিশ সুপার গোমস্তাপুর সার্কেল শামছুল আজম শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

গোমস্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিলিপ কুমার বলেন, ‘গরু উদ্ধারে পুলিশের অভিযান চলছে। এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।’

এ ঘটনায় গোমস্তাপুর থানায় দায়িত্বে থাকা ৬ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহারের বিষয়টিও নিশ্চিত করেছেন ওসি দিলিপ কুমার।

আরও পড়ুন:
উসকানিমূলক কন্টেন্ট ছড়িয়ে আটক ৩
কুমিল্লায় মন্দিরে হামলা-মামলার আসামি জামায়াতের কাউন্সিলর
গোবিন্দ প্রামাণিকের অভিযোগের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন
সবাই স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করছে: মন্ত্রী তাজুল
ছাত্রলীগ থেকে ‘সাম্প্রদায়িক’ ১০ নেতা বহিষ্কার

শেয়ার করুন

র‍্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে ২ জলদস্যু’ নিহত

র‍্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে ২ জলদস্যু’ নিহত

দক্ষিণ আইচা থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন জানান, রোববার ভোরে কুকরীমূকরী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের জালিয়া খালের পাশে বাবুগঞ্জ গ্রামে র‍্যাব অভিযান চালায়। এ সময় জলদস্যুরা র‍্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে র‍্যাবও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি করে। এতে দুজন জলদস্যু নিহত হয়।

ভোলায় র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুই জলদস্যু নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার চর কুকরীমূকরী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে রোববার ভোরের দিকে এ ঘটনা ঘটে।

জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম দুজন নিহতের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

তবে নিহতদের নাম, ঠিকানা পুলিশ এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি।

দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন জানান, রোববার ভোরে ১ নম্বর ওয়ার্ডের জালিয়া খালের পাশে বাবুগঞ্জ গ্রামে র‍্যাব অভিযান চালায়। এ সময় জলদস্যুরা র‍্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে র‍্যাবও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি করে। এতে দুজন জলদস্যু নিহত হয়। বাকিরা পালিয়ে যায়।

পুলিশ সেখান থেকে তিনটি দেশি পিস্তল ও একটি রামদা উদ্ধার করেছে।

ওসি আরও জানান, মরদেহ দক্ষিণ আইচা থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন:
উসকানিমূলক কন্টেন্ট ছড়িয়ে আটক ৩
কুমিল্লায় মন্দিরে হামলা-মামলার আসামি জামায়াতের কাউন্সিলর
গোবিন্দ প্রামাণিকের অভিযোগের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন
সবাই স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করছে: মন্ত্রী তাজুল
ছাত্রলীগ থেকে ‘সাম্প্রদায়িক’ ১০ নেতা বহিষ্কার

শেয়ার করুন

বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে আহত ৩

বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে আহত ৩

গৌরনদী মডেল থানার ওসি আফজাল হোসেন বলেন, ‘বোমা বি‌স্ফোরণের ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৪ থেকে ৫ জনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়েছে। আহতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

ব‌রিশালের গৌরনদী উপজেলা ভাইস চেয়ারম‌্যানের পার্কে বোমা বানানোর সময় বিস্ফোরণে তিনজন আহতের অভিযোগ উঠেছে।

তাদের মধ্যে একজনের দুটি হাতই বিচ্ছিন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় বি‌স্ফোরক আইনে মামলা করেছে পু‌লিশ। আহতরা পলাতক রয়েছেন।

উপজেলার কটকস্থলে উপজেলা প‌রিষদের ভাইস চেয়ারম‌্যান ও উপজেলা আওয়ামী লী‌গের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান ফরহাদের মা‌লিকানাধীন ‘ফা‌রিয়া গার্ডেন’ পার্কে শুক্রবার মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের আটকে পুলিশি অভিযান চলছে।

এ ঘটনায় পার্কের নিরাপত্তাকর্মী আব্দুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

গৌরনদী মডেল থানার এসআই আবুল কালাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘কী কারণে বোমা তৈরি করা হচ্ছিল তার অনুসন্ধান চলছে। আহতরা কোথায় চিকিৎসা নিচ্ছেন তা শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আশা করি, শিগগিরই মূল রহস্য উদঘাটন করা যাবে।’

স্থানীয়রা জা‌নায়, দক্ষিণ মাদ্রার ফারিয়া গার্ডেন পার্কের একটি টিনের ঘরে শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে কয়েকজন বোমা তৈরি করছিলেন। এ সময় অসাবধানতায় বিকট শব্দে বোমা বিস্ফোরিত হয়।

এতে কারিগর হারুনের দুই হাত বি‌চ্ছিন্ন হয় এবং মুখ ঝলসে যায়। ঘটনার পরপরই তারা পার্ক থেকে বের হয়ে যান। তবে বিষয়‌টি ধামাচাপা দিতে তারা বোমা তৈরির সরঞ্জাম স‌রিয়ে ফেলেন।

আহত হারুনের বোন নাছিমা বেগম বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেলে হারুন ঢাকা যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। তবে শুক্রবার রাতে তাকে আহত অবস্থায় দেখে‌ছি। তার দুই হাত উড়ে গেছে। তবে কোথায় চি‌কিৎসা নিচ্ছে তা জা‌নি না।’

গোপন সংবাদে আহতরা ব‌রিশাল শের-ই-বাংলা মে‌ডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চি‌কিৎসাধীন জেনে হাসপাতালে গেলেও সেখানে আহত কারও ভ‌র্তি বা চি‌কিৎসার বিষয়ে সত্যতা পাওয়া যায়নি।

গৌরনদী মডেল থানার ওসি আফজাল হোসেন বলেন, ‘বোমা বি‌স্ফোরণের ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৪ থেকে ৫ জনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়েছে। আহতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান ফরহাদ মুন্সী বলেন, ‘ছেলের জন্মদিন পালন করতে ঢাকায় অবস্থান করছি। ঘটনা শুনেছি, তবে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারব না।

তবে তার পার্কে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পার্কের বাইরে পরিত্যক্ত একটি ঘরে এ ঘটনা ঘটেছে। সেখানে দেয়াল তুলতে পারিনি। আমি জেনেছি, কিছুলোক নিরাপত্তাকর্মীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মধ্যরাতে পার্কে ঢুকেছিল।’

আরও পড়ুন:
উসকানিমূলক কন্টেন্ট ছড়িয়ে আটক ৩
কুমিল্লায় মন্দিরে হামলা-মামলার আসামি জামায়াতের কাউন্সিলর
গোবিন্দ প্রামাণিকের অভিযোগের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন
সবাই স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করছে: মন্ত্রী তাজুল
ছাত্রলীগ থেকে ‘সাম্প্রদায়িক’ ১০ নেতা বহিষ্কার

শেয়ার করুন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ‘কনেপক্ষের হামলায়’ বরের চাচা নিহত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ‘কনেপক্ষের হামলায়’ বরের চাচা নিহত

উখিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে নিহত বেলালের মরদেহ। ছবি: নিউজবাংলা

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন-৮-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কামরান হোসেন জানান, শনিবার রাত ৮টার দিকে বরের পরিবার বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন করলে কনেপক্ষ এসে হামলা চালায়। এতে বরের চাচা মো. বেলালের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিয়ে বাড়িতে ‘কনেপক্ষের হামলায়’ বরের চাচা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় কনের দুই চাচাতো ভাইকে আটক করেছে পুলিশ।

উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শনিবার রাত ৮টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

আটক দুজন হলেন আনোয়ার সাদেক ও হারেসুর রহমান।

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন-৮-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কামরান হোসেন নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ক্যাম্পের মো. ইদ্রিসের সঙ্গে একই ব্লকের ১৬ বছরের এক মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। চার দিন আগে মেয়েটি ইদ্রিসের বাসায় চলে যায়। সেখানে বরের পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ে হয়। তবে মেয়ের বাড়ির লোকজন এ বিয়ে মেনে নেয়নি।

শনিবার রাত ৮টার দিকে বরের পরিবার বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন করলে কনেপক্ষ এসে হামলা চালায়। এতে বরের চাচা মো. বেলালের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। আহত হয় দুইপক্ষের আটজন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, বেলালের মরদেহ উখিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ময়নাতদন্তের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
উসকানিমূলক কন্টেন্ট ছড়িয়ে আটক ৩
কুমিল্লায় মন্দিরে হামলা-মামলার আসামি জামায়াতের কাউন্সিলর
গোবিন্দ প্রামাণিকের অভিযোগের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন
সবাই স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করছে: মন্ত্রী তাজুল
ছাত্রলীগ থেকে ‘সাম্প্রদায়িক’ ১০ নেতা বহিষ্কার

শেয়ার করুন

হোস্টেল ছাড়লেন আনন্দ মোহন কলেজের ছাত্রীরা

হোস্টেল ছাড়লেন আনন্দ মোহন কলেজের ছাত্রীরা

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের একটি সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে কলেজ ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শনিবার রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ছাত্ররা হল ছেড়েছেন। রোববার সকাল ৮টায় হোস্টেলে থাকা ছাত্রীরাও হল ছেড়েছে। বর্তমানে ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’

কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মানতে হোস্টেল ছাড়লেন ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন কলেজের ছাত্রীরাও।

পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী রোববার সকাল ৮টার মধ্যে ছাত্রীরা হোস্টেল ছাড়তে বাধ্য হন। এর আগে শনিবার রাত ৮টার মধ্যে হোস্টেল ছেড়ে যান কলেজের ছাত্ররা।

ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে শনিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কলেজের সব হোস্টেল বন্ধের নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আনন্দ মোহন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ আমান উল্লাহ নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব হল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই হলগুলো খুলে দেয়া হবে।

জানা যায়, শুক্রবার রাতে আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রলীগের ইউনিটকে জেলা শাখা ছাত্রলীগের অন্তর্ভুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি মহানগর ছাত্রলীগের একাংশ।

প্রশ্ন তুলে তারা বলছেন, কলেজের অবস্থান মহানগরের ভেতরে হওয়া সত্ত্বেও কীভাবে তা জেলা ছাত্রলীগের অন্তর্ভুক্ত হয়।

তাই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের দাবিতে শনিবার সকাল থেকেই কলেজ ছাত্রলীগের একটি অংশ ক্যাম্পাসে অবস্থান নেন। কলেজ শাখাটি মহানগর শাখায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে তারা স্লোগান দিতে থাকেন।

পরে দুপুর ১২টার দিকে ছাত্রলীগের আরেকটি অংশ সেখানে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

এদিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এমন সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম।

তিনি লেখেন, ‘কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এহেন সিদ্ধান্তের ফলে ময়মনসিংহ মহানগরে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে তার দায়ভার সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে নিতে হবে।’

এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের একটি সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে কলেজ ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তিনি বলেন, ‘শনিবার রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ছাত্ররা হল ছেড়েছে। রোববার সকাল ৮টায় হোস্টেলে থাকা ছাত্রীরাও হল ছেড়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
উসকানিমূলক কন্টেন্ট ছড়িয়ে আটক ৩
কুমিল্লায় মন্দিরে হামলা-মামলার আসামি জামায়াতের কাউন্সিলর
গোবিন্দ প্রামাণিকের অভিযোগের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন
সবাই স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করছে: মন্ত্রী তাজুল
ছাত্রলীগ থেকে ‘সাম্প্রদায়িক’ ১০ নেতা বহিষ্কার

শেয়ার করুন

ইউপিতে রাষ্ট্রপতির ছেলের এলাকায় থাকবে না নৌকা প্রতীক

ইউপিতে রাষ্ট্রপতির ছেলের এলাকায় থাকবে না নৌকা প্রতীক

আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকা। ছবি: সংগৃহীত

তৌফিক বলেন, ‘ইউপি নির্বাচনে দেশের কিছু কিছু জায়গায় সহিংসতা দেখা দিয়েছে। তাই সার্বিক দিক বিবেচনা করে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমার সংসদীয় আসন ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রামের ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীক না দেয়ার অনুরোধ জানাই। শনিবার স্থানীয় সরকার পার্লামেন্টারি বোর্ডের মিটিং শেষে প্রধানমন্ত্রী আমার এ প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন।’

কিশোরগঞ্জের তিন উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে কাউকে আওয়ামী লীগের প্রতীক দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক।

ইউপি নির্বাচনে সহিংসতা এড়াতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন রাষ্ট্রপতির ছেলে তৌফিক।

আগামী ৫ জানুয়ারি ইউপি নির্বাচনের পঞ্চম ধাপে মিঠামইন উপজেলার সাতটি ও অষ্টগ্রাম উপজেলার আটটি ইউনিয়নে ভোট হবে। পরে ইটনা উপজেলার নয় ইউনিয়নেও ভোট হবে। তবে এই এলাকার নির্বাচনি তফসিল এখনও ঘোষণা হয়নি।

এসব ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা স্বতন্ত্রভাবে লড়বেন।

তৌফিক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ইউপি নির্বাচনে দেশের কিছু কিছু জায়গায় সহিংসতা দেখা দিয়েছে। তাই সার্বিক দিক বিবেচনা করে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমার সংসদীয় আসন ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রামের ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীক না দেয়ার অনুরোধ জানাই।

‘শনিবার স্থানীয় সরকার পার্লামেন্টারি বোর্ডের মিটিং শেষে প্রধানমন্ত্রী আমার এ প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন। সভা শেষে কেন্দ্র থেকে আমাকে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে।’

সাংসদ আরও বলেন, ‘কিশোরগঞ্জের হাওর এলাকা সবসময়ই আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এ অঞ্চলের বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে যারা চেয়ারম্যান প্রার্থী হন তারা অধিকাংশই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী।

‘জনগণ যেন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে তাই দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচন দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে নির্বাচনে যেন কোনো ধরনের কারচুপি বা অনিয়ম না হয় সে ব্যবস্থাও নেয়া হবে। যে কোনো বিশৃঙ্খলার বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এর আগে ইউপি নির্বাচনে নিজ সংসদীয় এলাকা আখাউড়া-কসবায় সহিংসতা এড়াতে ২০ নভেম্বর নৌকা প্রতীক না দেয়ার কথা জানান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। সে অনুযায়ী নৌকা প্রতীক ছাড়াই এই দুই উপজেলার ইউনিয়নে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন চেয়ারম্যান প্রার্থীরা।

আরও পড়ুন:
উসকানিমূলক কন্টেন্ট ছড়িয়ে আটক ৩
কুমিল্লায় মন্দিরে হামলা-মামলার আসামি জামায়াতের কাউন্সিলর
গোবিন্দ প্রামাণিকের অভিযোগের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন
সবাই স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করছে: মন্ত্রী তাজুল
ছাত্রলীগ থেকে ‘সাম্প্রদায়িক’ ১০ নেতা বহিষ্কার

শেয়ার করুন