জলবায়ু সম্মেলনে সমর্থন পেতে বৈঠক

player
জলবায়ু সম্মেলনে সমর্থন পেতে বৈঠক

বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দূতদের সঙ্গে রোববার বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত

স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে ৩১ অক্টোবর শুরু হতে যাচ্ছে ১৩ দিনব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন। এতে ক্ষতিপূরণ আদায়সহ নিজেদের লক্ষ্য অর্জনের প্রস্তাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সমর্থন চেয়েছে বাংলাদেশ। রোববার এ নিয়ে বাংলাদেশে ইইউর দূতদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

আসন্ন জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে (কপ-২৬) নিজেদের লক্ষ্য অর্জনের পরিকল্পনা তুলে ধরবে বাংলাদেশ। পরিকল্পনা ও প্রস্তাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সমর্থন চায় বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন রোববার এ তথ্য জানান।

স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে ৩১ অক্টোবর শুরু হতে যাচ্ছে ১৩ দিনব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন। এতে নিজেদের লক্ষ্য অর্জনের প্রস্তাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সমর্থন চেয়েছে বাংলাদেশ। রোববার এ নিয়ে বাংলাদেশে ইইউর দূতদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।

বৈঠক প্রসঙ্গে মোমেন বলেন, ‘কপ-২৬-এ আমাদের লক্ষ্যগুলো যেন অর্জন করতে পারি, সেজন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা চেয়েছি। বৈঠকের মূল কারণ, আমরা চাই তাদের সহযোগিতা ও পার্টনারশিপ।

‘আমাদের যে ইস্যুগুলো কপ-২৬ এ তুলে ধরা হবে, তারা যেন আমাদের পক্ষে কথা বলে, সেটাই চাওয়া। সম্মেলনে যদি আমরা ইফেক্টিভ পদক্ষেপ নিতে পারি, তাহলে আমাদের সব সমস্যা দূর হবে।’

পরিবেশ ও বনমন্ত্রী বলেন, ‘কপ-২৬ শুরু হচ্ছে চলতি মাসের ৩১ তারিখে। আমরা সেখানে যোগ দিচ্ছি। তারই প্রস্তুতি ও উদ্দেশ্য, বিশেষ করে আমরা কী কী বিষয়ে আলোচনা করবো, তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ দাবিতে সড়ক অবরোধ
জলবায়ু পরিবর্তন: সহায়তা অব্যাহত রাখবে জার্মানি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সিনেমা হল নির্মাণে স্বল্প সুদে ঋণ দেবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

সিনেমা হল নির্মাণে স্বল্প সুদে ঋণ দেবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

রোববার জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রীসহ অতিথি ও আয়োজকরা। ছবি: নিউজবাংলা

২০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ভারতের ‘কুজহানগাল’ সেরা চলচ্চিত্র, ফিনল্যান্ডের ‘দ্য আদার সাইড অব দি রিভার’ সেরা প্রামাণ্যচিত্র, ফ্রান্সের ‘আ সামার প্লেস’ সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য ও নারীনির্মাতা বিভাগে ইরানের ‘সাহারবানু’ সেরা ফিচার ফিল্মের পুরস্কার পায়। দর্শক পছন্দে সেরা চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেছে বাংলাদেশের ‘চন্দ্রাবতী কথা’ ও ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’। আর বাংলাদেশ প্যানোরামা বিভাগে সেরা চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছে ‘আজব কারখানা’।

সারাদেশে বন্ধ হয়ে যাওয়া সিনেমা হলগুলো পুনরায় চালু, পুরনো হলগুলো সংস্কার ও আধুনিকায়ন এবং নতুন হল নির্মাণে স্বল্প সুদে ঋণ দেবে সরকার৷ এ জন্য সরকার এক হাজার কোটি টাকার তবহিল গঠন করেছে।

রোববার রাজধানীতে জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে ২০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত ১৫ জানুয়ারি প্রায় ৭০টি দেশের ২২৫টি সিনেমা নিয়ে শুরু হওয়া এই উৎসবে জাতীয় জাদুঘর, গণগ্রন্থাগার, অলিয়ঁস ফ্রসেজসহ কয়েকটি স্থানে চলচ্চিত্র দেখানো হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার বিতরণ করেন মন্ত্রী ড. হাছান।

ভারতের ‘কুজহানগাল’ সেরা চলচ্চিত্র, ফিনল্যান্ডের ‘দ্য আদার সাইড অব দি রিভার’ সেরা প্রামাণ্যচিত্র, ফ্রান্সের ‘আ সামার প্লেস’ সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য ও নারীনির্মাতা বিভাগে ইরানের ‘সাহারবানু’ সেরা ফিচার ফিল্মের পুরস্কার পায়। দর্শক পছন্দে সেরা চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেছে বাংলাদেশের ‘চন্দ্রাবতী কথা’ ও ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’। আর বাংলাদেশ প্যানোরামা বিভাগে সেরা চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছে ‘আজব কারখানা’।

তথ্যমন্ত্রী জানান, ‘সিনেমা হল নির্মাণ, পুরনো হল চালু কিংবা আধুনিকায়নে এমনকি মার্কেটের সঙ্গে সিনেপ্লেক্স নির্মাণেও মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ ও মেট্রোপলিটন এলাকায় ৫ শতাংশ হারে ব্যাংককে লভ্যাংশ দিয়ে একজন উদ্যোক্তা দশ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন।

‘এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এক হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন হয়েছে। বঙ্গবন্ধু-কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলচ্চিত্র শিল্প যাতে ঘুরে দাঁড়ায় এবং বাংলা চলচ্চিত্র যেন বিশ্বময় জায়গা করে নিতে পারে সে লক্ষ্যে আমরা কাজ শুরু করেছি।

‘তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে চলচ্চিত্র নির্মাণে বার্ষিক অনুদানের সংখ্যা ও পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। আশা করি এসব উদ্যোগ আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য সুদিন বয়ে আনবে।’

অনুষ্ঠানে সুন্দর দেশ, সমাজ ও পৃথিবী গড়তে চলচ্চিত্র অনন্য ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘এদেশের কালজয়ী চলচ্চিত্রগুলো আমাদের স্বাধিকার আন্দোলনে, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও স্বাধীনতা-উত্তরকালে দেশ গঠনে ভূমিকা রেখেছে। একইসঙ্গে অনেক বিষয় যা সমাজ ও সমাজপতিরা ভাবে না, সেগুলোও চলচ্চিত্রের মাধ্যমে উঠে আসে, সমাজকে পথ দেখায়।’

উৎসবের মূল আয়োজক রেইনবো ফিল্ম সোসাইটির বোর্ড সদস্য মফিদুল হকের সভাপতিত্বে ও উৎসব পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামালের পরিচালনায় সমাপনী অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী ও ঢাকা ক্লাবের প্রেসিডেন্ট খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল।

আরও পড়ুন:
জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ দাবিতে সড়ক অবরোধ
জলবায়ু পরিবর্তন: সহায়তা অব্যাহত রাখবে জার্মানি

শেয়ার করুন

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পেলেন ১৫ জন

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পেলেন ১৫ জন

বাংলা একাডেমি আয়োজিত অমর একুশে বইমেলা ২০২২-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার তুলে দেবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ১৫ জনকে এ বছর বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেয়া হচ্ছে।

রোববার সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলা একাডেমি ২০২১ সালের জন্য পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে।

পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন কবিতায় আসাদ মান্নান, বিমল গুহ, কথাসাহিত্যে ঝর্না রহমান, বিশ্বজিৎ চৌধুরী, প্রবন্ধ/গবেষণা হোসেনউদ্দীন হোসেন, অনুবাদে আমিনুর রহমান, রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী, নাটকে সাধনা আহমেদ, শিশুসাহিত্যে রফিকুর রশীদ, মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক গবেষণায় পান্না কায়সার, বঙ্গবন্ধু বিষয়ক গবেষণায় হারুন-অর-রশিদ, বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞান/পরিবেশ বিজ্ঞানে শুভাগত চৌধুরী, আত্মজীবনী/স্মৃতিকথা/ভ্রমণকাহিনিতে সুফিয়া খাতুন, হায়দার আকবর খান রনো ও ফোকলোরে আমিনুর রহমান সুলতান।

বাংলা একাডেমি আয়োজিত অমর একুশে বইমেলা ২০২২-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার তুলে দেবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

প্রতিষ্ঠার ৫ বছর পর ১৯৬০ সাল থেকে নিয়মিতভাবে সাহিত্য পুরস্কার দিয়ে আসছে বাংলা একাডেমি।

আরও পড়ুন:
জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ দাবিতে সড়ক অবরোধ
জলবায়ু পরিবর্তন: সহায়তা অব্যাহত রাখবে জার্মানি

শেয়ার করুন

পুলিশের কাছে প্রত্যাশা আকাশচুম্বী: আইজিপি

পুলিশের কাছে প্রত্যাশা আকাশচুম্বী: আইজিপি

পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের সঙ্গে পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ। ছবি: নিউজবাংলা

আইজিপি বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘যারা পুলিশে পদোন্নতি পেয়ে শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছেছেন, তাদের বাহিনী থেকে তেমন কিছু পাওয়ার নেই। এখন শুধু দেয়ার পালা। আপনারা এখন দেশ, জনগণ এবং পুলিশ বাহিনীর জন্য কাজ করবেন।’

পুলিশের কাছে মানুষের প্রত্যাশা আকাশচুম্বী বলে মনে করেন বাহিনীপ্রধান ড. বেনজীর আহমেদ। নানা সীমাবদ্ধতায় সে আশার সবকিছু পূরণ সম্ভব না হলেও পুলিশ বাহিনী আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

সদ্য পদোন্নতি পাওয়া সাতজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান অনুষ্ঠানে রোববার তিনি এ কথা বলেন।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হল অফ প্রাইডে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মহাপরিদশর্ক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘মানুষের প্রত্যাশা পূরণে নিজেদের অতিক্রম করে সেবা দিতে হবে। পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

‘যারা পুলিশে পদোন্নতি পেয়ে শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছেছেন, তাদের বাহিনী থেকে তেমন কিছু পাওয়ার নেই। এখন শুধু দেয়ার পালা। আপনারা এখন দেশ, জনগণ এবং পুলিশ বাহিনীর জন্য কাজ করবেন।’

পুলিশের কাছে প্রত্যাশা আকাশচুম্বী: আইজিপি
আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ মতবিনিময় করেন পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের সঙ্গে। ছবি: নিউজবাংলা

আইজিপি পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের আন্তরিক অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ এবং অতিরিক্ত আইজি (এঅ্যান্ডআই) ড. মো. মইনুর রহমান চৌধুরী।

অতিরিক্ত আইজি হিসেবে সদ্য পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তারা হলেন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের আবু হাসান মুহম্মদ তারিক, পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার, কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের পরিচালক ড. হাসান উল হায়দার, স্পেশাল ব্রাঞ্চের প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান, শিল্পাঞ্চল পুলিশের মো. মাহাবুবর রহমান ও ময়মনসিংহ রেঞ্জের ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ।

অনুষ্ঠানে পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তারা দেশ ও জনগণের কল্যাণে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার করেন।

আরও পড়ুন:
জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ দাবিতে সড়ক অবরোধ
জলবায়ু পরিবর্তন: সহায়তা অব্যাহত রাখবে জার্মানি

শেয়ার করুন

শাবি ভিসির পদত্যাগ দাবি চক্রান্ত: বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ

শাবি ভিসির পদত্যাগ দাবি চক্রান্ত: বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নিয়ে গঠিত হয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নীতিবহির্ভূতভাবে ভিসির পদত্যাগের দাবিতে ক্রমশ যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হচ্ছে তা সমগ্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করে তোলার মাধ্যমে দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে ফেলার একটি চক্রান্তের অংশ বলেই প্রতিভাত হচ্ছে।’

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দীন আহমেদের পদত্যাগ দাবিকে ‘দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে ফেলার একটি চক্রান্তের অংশ’ বলে মনে করছে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সংগঠন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ।

সেই সঙ্গে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিকে নীতিবহির্ভূত বলেও দাবি করেছে সংগঠনটি।

সংবাদ মাধ্যমে রোববার পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ এ অবস্থান জানায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘শাবিতে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে ২০ জানুয়ারি পরিষদের এক জরুরি সভা ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের সভাপতি ড. হাবিবুর রহমান। সভায় ৩৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য উপস্থিত ছিলেন।

‘শাবির বেগম সিরাজুন্নেছা চৌধুরী হলের একজন প্রাধ্যক্ষকে অপসারণের দাবিতে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে প্রশাসনের অনভিপ্রেত ঘটনার প্রেক্ষাপটে ছাত্র-ছাত্রী, পুলিশ ও শিক্ষকদের যারা আহত হয়েছেন তাদের সবার প্রতি আমরা সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।

‘এরই মধ্যে ওই হলে একজন নতুন প্রাধ্যক্ষ নিয়োগ দেয়া হলেও উপাচার্যসহ তার পরিবারের সদস্যদের অবরুদ্ধ করে রাখার মাধ্যমে বর্তমানে যে জটিল পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে তা আমাদের কোনোভাবেই কাম্য নয়।’

আরও পড়ুন: একযোগে পদত্যাগ করছেন ৩৪ উপাচার্য?

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নীতিবহির্ভূতভাবে ভিসির পদত্যাগের দাবিতে ক্রমশ যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হচ্ছে তা সমগ্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করে তোলার মাধ্যমে দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে ফেলার একটি চক্রান্তের অংশ বলেই প্রতিভাত হচ্ছে।

‘শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যকার সম্পর্কটি শ্রদ্ধা, স্নেহের ও পারস্পরিক সম্মানবোধের। সেটি যেন অক্ষুণ্ন থাকে তা আমাদের অবশ্যই বিবেচনায় নিতে হবে এবং যে কোনো সমস্যা, তা যত বড়ই হোক না কেন, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে অবশ্যই সমাধান করা সম্ভব বলে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ মনে করে।’

বিবৃতিতে সই করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) উপাচার্য ড. মো. হাবিবুর রহমান এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের কোষাধ্যক্ষ শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহীদুর রহমান ভুইয়া।

আরও পড়ুন:
জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ দাবিতে সড়ক অবরোধ
জলবায়ু পরিবর্তন: সহায়তা অব্যাহত রাখবে জার্মানি

শেয়ার করুন

অন্তঃসত্ত্বাকে ‘হত্যা’, স্বামী-শাশুড়ি কারাগারে

অন্তঃসত্ত্বাকে ‘হত্যা’, স্বামী-শাশুড়ি কারাগারে

এজাহারে বলা হয়েছে, মাদক কেনার টাকা জোগাড়ে চুলা বিক্রি করতে চান সজিব। এতে বাধা দেয়ায় তিনি স্ত্রী প্রিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।

বগুড়ার ধুনটে ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে তার স্বামী ও শাশুড়িকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ধুনট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহিদুল হক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন উপজেলার শিমুলবাড়ি গ্রামের সজিব হোসেন ও তার মা সাজেদা বেগম।

এজাহারের বরাতে থানা পুলিশ জানায়, প্রায় ৫ বছর আগে জোড়খালি গ্রামের পিয়ারা খাতুন প্রিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় সজিবের। প্রিয়া বিয়ের পর জানতে পারেন সজিব মাদকাসক্ত। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কলহ হয়।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, গত শনিবার সকালে মাদক কেনার জন্য গ্যাসের চুলা বিক্রি করতে চান সজিব হোসেন। এতে বাধা দেয়ায় প্রিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যার পর আত্মহত্যা বলে চালানোর জন্য মরদেহ ঘরে ঝুলিয়ে রাখেন সজিব। পরে পরিবারসমেত পালিয়া যান তিনি।

প্রতিবেশীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে মরদেহ শনিবার বিকালে উদ্ধার করে পুলিশ। সে রাতেই প্রিয়ার বাবা হোসেন আলী মামলা করেন।

ধুনট থানার পরিদর্শক জাহিদুল হক জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রীকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে সজিব হোসেন।

আরও পড়ুন:
জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ দাবিতে সড়ক অবরোধ
জলবায়ু পরিবর্তন: সহায়তা অব্যাহত রাখবে জার্মানি

শেয়ার করুন

১০০ গ্রাম হেরোইনের মামলায় ১০ বছর পর যাবজ্জীবন

১০০ গ্রাম হেরোইনের মামলায় ১০ বছর পর যাবজ্জীবন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত। ফাইল ছবি

যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ছাড়াও শরিফুলকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারক।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় শরিফুল ইসলাম (৪৩) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

১০ বছর আগে ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ আটক ও মামলার পর রোববার এর রায় হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত শরিফুল চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর পশ্চিম পাঠানপাড়া এলাকার মোস্তাবের হোসেনের ছেলে।

রোববার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রবিউল ইসলাম আসামির উপস্থিতিতে ওই রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ছাড়াও শরীফুলকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারক।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) আঞ্জুমান আরা রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ২০১১ সালের ১৬ মার্চ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর অক্ট্রয় মোড়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ আটক করা হয় শরিফুলকে। পরে ওই দিনই তার নামে সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিদর্শক সাইফুল ইসলাম মামলা করেন।

সাইফুল ইসলাম মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে ২০১১ সালের ১৬ এপ্রিল শরিফুলকে একমাত্র অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেন।

সাক্ষ্যগ্রহণ, প্রমাণ ও শুনানি শেষে শরিফুলকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছর পর দণ্ড দেয় আদালত।

আরও পড়ুন:
জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ দাবিতে সড়ক অবরোধ
জলবায়ু পরিবর্তন: সহায়তা অব্যাহত রাখবে জার্মানি

শেয়ার করুন

‘তারা পাসপোর্ট তৈরির নামে অতিরিক্ত ফি হাতিয়ে নিতেন’

‘তারা পাসপোর্ট তৈরির নামে অতিরিক্ত ফি হাতিয়ে নিতেন’

কুমিল্লায় বিপুল পরিমাণ পাসপোর্ট ও টাকাসহ দালাল চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। ছবি: নিউজবাংলা

র‍্যাব কমান্ডার সাকিব জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানে গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই পাসপোর্ট দালাল চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে পাসপোর্ট তৈরি করে দেয়ার নামে লোকজনের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ফি থেকে বেশি টাকা হাতিয়ে নিতেন বলে স্বীকার করেন।

কুমিল্লায় বিপুল পরিমাণ পাসপোর্ট ও টাকাসহ দালাল চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

সদর উপজেলার নোয়াপাড়ায় আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস প্রাঙ্গণে রোববার দুপুরে অভিযানে যায় র‍্যাব।

সন্ধ্যায় অভিযান শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেন র‌্যাব-১১ এর কোম্পানি কমান্ডার মোহাম্মদ সাকিব হোসেন।

তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ৪৪টি পাসপোর্ট, ১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা, ৭২৮টি পাসপোর্টের ব্যক্তিগত ডেলিভারি স্লিপ এবং মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন নথিপত্র জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন দাউদকান্দির মিজানুর রহমান, বুড়িচংয়ের আবিদপুর গ্রামের মো. আলাউদ্দিন, আদর্শ সদর উপজেলার ছোটরা গ্রামের জহিরুল হক, শাসনগাছার মোশারফ হোসেন শফিক, ছোটরা এলাকার জামাল মিয়া, গুনানন্দি গ্রামের মো. নাছির, সদর দক্ষিণ উপজেলার দয়াপুর গ্রামের মো. আলাউদ্দিন, রাজাপুর গ্রামের জাহিদুল ইসলাম ও দেবিদ্বারের ছোটরা গ্রামের মো. রনি।

র‌্যাব কমান্ডার সাকিব জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানে গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই পাসপোর্ট দালাল চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে পাসপোর্ট তৈরি করে দেয়ার নামে লোকজনের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ফি থেকে বেশি টাকা হাতিয়ে নিতেন বলে স্বীকার করেন।

রোববার সন্ধ্যায় মামলা করে আসামিদের কোতোয়ালি ও সদর দক্ষিণ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি সহিদুর রহমান ও সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি দেবাশীষ চৌধুরী জানান, সোমবার সকালে আসামিদের আদালতে নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ দাবিতে সড়ক অবরোধ
জলবায়ু পরিবর্তন: সহায়তা অব্যাহত রাখবে জার্মানি

শেয়ার করুন