ওয়ারীর ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্কের পাশে নারীর মরদেহ

ওয়ারীর ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্কের পাশে নারীর মরদেহ

ওয়ারী থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) জিয়াউর রহমান বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।’

রাজধানীর ওয়ারী স্বামীবাগ রেল গেইট সংলগ্ন ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্কের পাশ থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই নারীর বয়স আনুমানিক ৪৫ বছর।

শনিবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মৃত ঘোষণা করেন।

ওয়ারী থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) জিয়াউর রহমান বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।’

তিনি আরও জানান, আশেপাশের লোকজনের কাছ থেকে জানা গেছে ওই এলাকায় ভবঘুরে হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। সেখানে বিভিন্ন জায়গায় থাকতেন। তার পরনে শর্ট কামিজ ও সালোয়ার ছিল।

ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
হোটেল কক্ষে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ
যমুনায় ডুবে মেডিক্যাল ছাত্রের মৃত্যু
চৌমুহনীতে যুবকের মরদেহ, হিন্দু সম্প্রদায়ের বিক্ষোভ
বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা
যুবকের গলা কাটা দেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

শিক্ষার্থী বিক্ষোভে অচল রামপুরা

শিক্ষার্থী বিক্ষোভে অচল রামপুরা

বাসচাপায় ছাত্র নিহতের ঘটনায় রামপুরা ব্রিজে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

রামপুরা থানা ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আন্দোলন করতে ছাত্ররা রামপুরা ব্রিজে অবস্থান নিয়েছে। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে আছে।’

রাজধানীর রামপুরায় বাসচাপায় শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনার বিচার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার সকালে রামপুরা ব্রিজে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে বনশ্রী আইডিয়াল স্কুলের ছাত্ররা।

তাদের সঙ্গে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিতে অন্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জড়ো হচ্ছে। এতে রামপুরা সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের তথ্য নিশ্চিত করেছেন রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম।

শিক্ষার্থী বিক্ষোভে অচল রামপুরা
রামপুরায় বাসচাপায় ছাত্র নিহতের বিচার চেয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

তিনি বলেন, ‘আন্দোলন করতে ছাত্ররা রামপুরা ব্রিজে অবস্থান নিয়েছে। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে আছে।’

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ইয়াছিন বলেন, ‘আমাদের দাবি নির্দিষ্ট, যেসব গাড়ি চলে সেগুলোর ফিটনেস থাকতে হবে। তারা যেন সর্বনিম্ন এসএসসি পাস হন। তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে নিয়োগ দিতে হবে। এমনকি মাদকাসক্ত কিনা সেটা পরীক্ষা করতে হবে।’

এসব দাবি মানা না হলে সারা দিন এমনকি আগামীকালও আন্দোলন চলবে বলে জানান তিনি।

সোমবার রাতে রামপুরায় বাসের ধাক্কায় এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর অন্তত ৮টি বাস পুড়িয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় ভাঙচুর করা হয়েছে আরও চারটি বাস।

রাজধানীতে বেশ কিছুদিন থেকেই হাফ ভাড়ার দাবিতে বিক্ষোভ করছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

এরই মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ময়লাবাহী গাড়ির ধাক্কায় নিহত হয় নটর ডেম কলেজের ছাত্র নাঈম। তার নিহতের ঘটনার বিচার দাবিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করে আসছিলেন।

আরও পড়ুন:
হোটেল কক্ষে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ
যমুনায় ডুবে মেডিক্যাল ছাত্রের মৃত্যু
চৌমুহনীতে যুবকের মরদেহ, হিন্দু সম্প্রদায়ের বিক্ষোভ
বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা
যুবকের গলা কাটা দেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

রামপুরায় শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় হবে একাধিক মামলা

রামপুরায় শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় হবে একাধিক মামলা

রামপুরায় বাসচাপায় স্কুলছাত্র নিহতের ঘটনায় বিক্ষোভ করছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। ছবি: সাইফুল ইসলাম

ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘চালককে গতরাতে গুরুতর আহত অবস্থায় আমরা উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাই। আমার তার সাথে কথা বলার সুযোগ পাইনি, সে অল্প সময়ের মধ্যেই জ্ঞান হারান। তবে ওই সময় তার নাম জানতে চাওয়ায় সে অস্পষ্ট স্বরে জানায় তার নাম সোহেল। এরপর আর কথা বলেনি। প্রাথমিকভাবে তার বয়স জানা গেছে ৩৫ বছর।’

রামপুরায় অনাবিল বাস চাপায় শিক্ষার্থী মঈনুদ্দিন নিহতের ঘটনা ও পরে নাশকতার ঘটনায় একাধিক মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ।

এর মধ্যে সড়ক পরিবহন আইনের ধারায় একটি ও নাশকতার একটি মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে নিশ্চিত করেছেন রামপুরা থানার ভরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘সোমবার রাতে বাসচাপায় ছাত্র নিহতের ঘটনাটি সেখানেই থেমে থাকেনি। এই ঘটনার জেরে পরে বেশ কয়েকটি বাসে আগুন দেয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এখানে নাশকতার বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন।’

কয়টি মামলা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বাসচাপায় ছাত্র মারা যাওয়ায় সড়ক পরিবহন আইনে একটি মামলা হবে। সেটা ওই ছাত্রের পরিবারের পক্ষ থেকে হতে পারে। এই মামলায় চালক-হেলপার ও তদন্ত সাপেক্ষে মালিককেও আসামি করা হতে পারে।’

নাশকতার ঘটনায় একটি মামলা পুলিশ বাদী হয়ে করবে বলে জানান তিনি।

এই ঘটনায় বাসচালক সোহেল রানা ও হেলপার চাঁন মিয়াকে আটক করা হয়েছে।

বাসচালক গণপিটুনির শিকার হয়ে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বাসের সহকারী চাঁন মিয়াকে সকালে সায়েদাবাদ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৩।

তাদের দুইজন সম্পর্কে জানতে চাইলে রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘চালককে গতরাতে গুরুতর আহত অবস্থায় আমরা উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাই। আমার তার সাথে কথা বলার সুযোগ পাইনি, সে অল্প সময়ের মধ্যেই জ্ঞান হারান। তবে ওই সময় তার নাম জানতে চাওয়ায় সে অস্পষ্ট স্বরে জানায় তার নাম সোহেল। এরপর আর কথা বলেনি। প্রাথমিকভাবে তার বয়স জানা গেছে ৩৫ বছর।’

তিনি আরও বলেন, ‘হেলপার চান মিয়াকে র‍্যাব আটক করেছে বলে আমরা শুনেছি, যাচাই বাছাই করে সত্যতা পাওয়া গেলে তাকে আমরা গ্রেপ্তার দেখাব।’

আরও পড়ুন:
হোটেল কক্ষে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ
যমুনায় ডুবে মেডিক্যাল ছাত্রের মৃত্যু
চৌমুহনীতে যুবকের মরদেহ, হিন্দু সম্প্রদায়ের বিক্ষোভ
বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা
যুবকের গলা কাটা দেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

‘আব্বা আমারে ভালো কলেজে ভর্তি করে দিবা’

‘আব্বা আমারে ভালো কলেজে ভর্তি করে দিবা’

নিহত মাইনুদ্দীনের বাবা ও মা। ছবি: নিউজবাংলা

রাজধানীর রামপুরায় বাসের ধাক্কায় নিহত মাইনুদ্দীন এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। স্বপ্ন ছিল, উচ্চ শিক্ষিত হয়ে বড় চাকরি করার। কিন্তু সোমবার রাতে ঘাতক বাস প্রাণ কেড়ে নিয়েছে তার।

‘মাইনুদ্দীন কই, আমার মাইনুদ্দীন। ওরে ফোন দে কেউ। আমার মাইনুদ্দী কইছে- আমারে ভালো কলেজে ভর্তি করে দিবা আব্বা। বুট খাওয়ার কথা বইলা ১০ টাকার নিয়া বাইর হইছিল আমার পোলায়।’

পূর্ব রামপুরা তিতাস রোডের বাসায় মাইনুদ্দীনের বাসার সামনে এভাবেই কান্নায় ভেঙে পড়ে কথাগুলো বলছিলেন মাইনুদ্দীনের বাবা আব্দুর রহমান ভান্ডারি। পাশেই কাঁদছিলেন মাইনুদ্দীনের মা।

কেঁদে কেঁদে মাইনুদ্দীনের বাবা বলেই যাচ্ছিলেন, ‘আমারে কইছে- আব্বা ১০টা টাকা দাও, বুট খাইতে যাবো। এই বইলা বের হইছে। এর ১০-১৫ মিনিট পরে লোকজন আমারে কইতাছে, তাড়াতাড়ি বাইর হন। মাইনুলের অবস্থা ভালো না। আমার পুতে আমার চায়ের দোকানে সাহায্য করে। সুপারি কাইটা দেয়, অন্য কামও করে। দুই ছেলে এক মেয়ে আমার। মাইনুদ্দীন সবার ছোট। মেয়েটা বোবা।’

বিলাপ করে তিনি আরও বলেন, ‘সব ছাত্রের কাছে আমার বিচার। আমি গরীব মানুষ। আমি তো কিছু করতে পারমু না।’

‘আমার পোলা তো দেরি করে না। কেউ ফোন দে আমার পুতেরে। আমার পুতেরে ফোন দিলেই চইলা আইবো’- এমন আহাজারিতে আশপাশের মানুষেরও চোখ ভিজে যাচ্ছিল। সান্ত্বনা দেয়ার ভাষা খুঁজে পাচ্ছিলেন না তারা।

‘আব্বা আমারে ভালো কলেজে ভর্তি করে দিবা’
নিহত মাইনুদ্দীন

রাজধানীর রামপুরায় বাসের ধাক্কায় নিহত মাইনুদ্দীন একরামুন্নেসা স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। পরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়ায় বাবার ব্যবসায় সহযোগিতা করছিলেন। স্বপ্ন ছিল, উচ্চ শিক্ষিত হয়ে বড় চাকরি করার। কিন্তু সোমবার রাতে ঘাতক বাস প্রাণ কেড়ে নিয়েছে তার।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে রামপুরা বাজারে সোনালী ব্যাংকের সামনের রাস্তায় ওই দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় মানুষের মাঝে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে তারা বেশ কয়েকটি বাসে আগুন দেয় এবং ভাঙচুর করে।

‘আব্বা আমারে ভালো কলেজে ভর্তি করে দিবা’
বাবার এই চায়ের দোকান থেকেই বেরিয়ে গিয়েছিলেন মানুদ্দীন

আরও পড়ুন:
হোটেল কক্ষে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ
যমুনায় ডুবে মেডিক্যাল ছাত্রের মৃত্যু
চৌমুহনীতে যুবকের মরদেহ, হিন্দু সম্প্রদায়ের বিক্ষোভ
বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা
যুবকের গলা কাটা দেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

রামপুরায় শিক্ষার্থীকে চাপা দেয়া বাসের হেলপার আটক

রামপুরায় শিক্ষার্থীকে চাপা দেয়া বাসের হেলপার আটক

অনাবিল পরিবহনের এক বাসের চাপায় প্রাণ গেছে এসএসসি পরীক্ষা দেয়া এক শিক্ষার্থীর। ছবি: সংগৃহীত

সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রামপুরা বাজারে সোনালী ব্যাংকের সামনের রাস্তায় অনাবিল পরিবহনের একটি বাসের চাপায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ যায় মাইনুদ্দিন নামের এক শিক্ষার্থীর। ঘটনার সময় চালককে আটকরা করা গেলেও পালিয়ে গিয়েছিলেন হেলপার।

রাজধানীর রামপুরায় বাসের ধাক্কায় এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় বাসটির হেলপার চান মিয়াকে আটক করেছে র‌্যাব।

সায়েদাবাদ এলাকা থেকে মঙ্গলবার সকালে তাকে আটক করা হয় বলে র‌্যাবের মিডিয়া উইং থেকে ক্ষুদে বার্তায় নিশ্চিত করা হয়েছে।

সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রামপুরা বাজারে সোনালী ব্যাংকের সামনের রাস্তায় অনাবিল পরিবহনের একটি বাসের চাপায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ যায় মাইনুদ্দিন নামের এক শিক্ষার্থীর।

মাইনুদ্দীন একরামুন্নেসা স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। পরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়ায় বাবার ব্যবসায় সহযোগিতা করছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রামপুরা বাজারে সোনালী ব্যাংকের সামনের রাস্তায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা অনাবিল পরিবহনের একাধিক বাসসহ অন্তত আটটি বাসে আগুন ও চারটি বাস ভাঙচুর করে। বিপুল সংখ্যক পুলিশ এসে রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

দুর্ঘটনার সময় চালক মো. সোহেলকে আটক করে প্রত্যক্ষদর্শীরা। তাকে পিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে দেয়া হয়। বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন চালক।

ঘটনার পর পালিয়ে যান হেলপার চান মিয়া।

আরও পড়ুন:
হোটেল কক্ষে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ
যমুনায় ডুবে মেডিক্যাল ছাত্রের মৃত্যু
চৌমুহনীতে যুবকের মরদেহ, হিন্দু সম্প্রদায়ের বিক্ষোভ
বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা
যুবকের গলা কাটা দেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

খালেদার মুক্তি চেয়ে ছাত্রদলের মশাল মিছিল

খালেদার মুক্তি চেয়ে ছাত্রদলের মশাল মিছিল

রাজধানীতে ছাত্রদলের মশাল মিছিল। ছবি: সংগৃহীত

খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার সুযোগের দাবিতে ছাত্রদলের মিছিলটি সোমবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডির মিরপুর সড়ক ধরে এগিয়ে আনোয়ার খান মর্ডান হাসপাতালের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার সুযোগের দাবিতে রাজধানীতে মশাল মিছিল করেছে ছাত্রদল।

সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতারা ধানমন্ডির এ আর প্লাজার সামনে এ মিছিল করেন।

ছাত্রদলের মিছিলটি সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শুরু হয়। মিরপুর সড়ক ধরে আনোয়ার খান মর্ডান হাসপাতালের সামনে গিয়ে মিছিল শেষ হয়।

ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান সজীব, হায়াত মাহমুদ জুয়েল, সোহানুর রহমান সোহান রবিউল ইসলাম, মাহিবুর রহমান টিপু, মিল্লাদ হোসেন, গোলাম রাব্বানীসহ নেতাকমীরা মিছিলে অংশ নেন।

দলীয় সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবি নিয়ে রাজধানীসহ বিভাগীয় শহরগুলোতে মঙ্গলবার সমাবেশ করবে বিএনপি।

আরও পড়ুন:
হোটেল কক্ষে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ
যমুনায় ডুবে মেডিক্যাল ছাত্রের মৃত্যু
চৌমুহনীতে যুবকের মরদেহ, হিন্দু সম্প্রদায়ের বিক্ষোভ
বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা
যুবকের গলা কাটা দেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

শিক্ষার্থী নিহত, রামপুরায় ১২ বাসে আগুন-ভাঙচুর

শিক্ষার্থী নিহত, রামপুরায় ১২ বাসে আগুন-ভাঙচুর

বাসের আগুন নেভাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা

বিক্ষুব্ধ জনতা অনাবিল পরিবহনের একাধিক বাসসহ অন্তত ৮টি বাসে আগুন ও চারটি বাস ভাঙচুর করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে যায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ। মধ্যরাতেও রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

রাজধানীর রামপুরায় বাসের ধাক্কায় এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর অন্তত ৮টি বাস পুড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। এ সময় ভাঙচুর করা হয়েছে আরও চারটি বাস।

সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রামপুরা বাজারে সোনালী ব্যাংকের সামনের রাস্তায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় মানুষের মাঝে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। তারা বিভিন্ন বাসে আগুন দিতে শুরু করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রামপুরা বাজারে সোনালী ব্যাংকের সামনের রাস্তায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা অনাবিল পরিবহনের একাধিক বাসসহ অন্তত আটটি বাসে আগুন ও চারটি বাস ভাঙচুর করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে রয়েছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ। মধ্যরাতেও রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

রাসেল নামে একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, দুর্ঘটনার পর আশপাশের মানুষ অনাবিল পরিবহনের কয়েকটি বাস আটকে দেয়। শুরু হয় ভাঙচুর। একের পর এক বাসে আগুন দেয় তারা।’

রাসেল জানান, ফায়ার সার্ভিস যখন আগুন নেভাচ্ছিল, তখনও অন্যান্য বাসে আগুন দিচ্ছিলেন উত্তেজিতরা। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত করে।

সরেজমিনে ঘটনাস্থলে অসংখ্য মানুষ জড়ো হতে দেখা গেছে। নিহতের নাম মাইনুদ্দিন বলে নিশ্চিত করেছেন একাধিক জন। তিনি রাজধানীর একরামুন্নেসা স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন সাদ্দাম। তিনি হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে আছে পুলিশের একাধিক টিম।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার এরশাদ হোসেন বলেছেন, ‘আমরা গাড়িতে আগুনের খবর পেয়েছি। আগুন নেভাতে কাজ করছে আমাদের একাধিক ইউনিট।’

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীকে চাপা দেয়া বাস ও এর চালককে আটক করেছে পুলিশ।

শিক্ষার্থী নিহত, রামপুরায় ১২ বাসে আগুন-ভাঙচুর
দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত মানুষের পুড়িয়ে দেয়া একটি বাস। ছবি: নিউজবাংলা
আরও পড়ুন:
হোটেল কক্ষে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ
যমুনায় ডুবে মেডিক্যাল ছাত্রের মৃত্যু
চৌমুহনীতে যুবকের মরদেহ, হিন্দু সম্প্রদায়ের বিক্ষোভ
বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা
যুবকের গলা কাটা দেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

শিক্ষার্থীকে চাপা দেয়া অনাবিল বাসের চালক আটক

শিক্ষার্থীকে চাপা দেয়া অনাবিল বাসের চালক আটক

শিক্ষার্থীকে চাপা দেয়া বাসটি।

শিক্ষার্থীকে চাপা দেয়ার পর বাসটি দ্রুত ওই স্থান ত্যাগ করে পালাতে উদ্যত হয়। তবে পালানোর সময় বেশ কিছু মানুষ বাসটিকে ধাওয়া করেন এবং ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকেন।

রাজধানীর রামপুরায় বাসের ধাক্কায় শিক্ষার্থী মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত চালককে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চাপা দেয়া বাসটিকেও জব্দ করা হয়েছে।

দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাবার সময় বাসটিকে মালিবাগ রেলগেইট এলাকা থেকে আটক করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিক্ষার্থীকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যাবার সময় অনাবিল পরিবহনের বাসটিকে ধাওয়া করে বিক্ষুব্ধ মানুষ। তারা বাসটিকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে। মালিবাগ রেল গেইট এলাকায় যানবাহনের চাপে বাসটির গতি কমাতে বাধ্য হন চালক। তখন পিছু নেয়া মানুষেরা চালকসহ বাসটিকে আটক করেন।

এ সময় বিক্ষুব্ধরা বাসের চালককে মারধরও করে। এতে জ্ঞান হারান তিনি। তাৎক্ষণিকভাবে মালিবাগ রেলগেইটে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা গিয়ে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় তাকে উদ্ধার এবং বাসটি জব্দ করেন।

পরে চালককে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে নিয়ে যান রামপুরা থানার উপপরিদর্শক আমিন মীর। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাসের চালককে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তিনি এখনও অজ্ঞান।’

চালকের নাম জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তার নাম পরিচয় কিছুই জানা যায়নি।’

এর আগে সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রামপুরা বাজারে সোনালী ব্যাংকের সামনের রাস্তায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় মানুষের মাঝে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। তারা বিভিন্ন বাসে আগুন দিতে শুরু করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রামপুরা বাজারে সোনালী ব্যাংকের সামনের রাস্তায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা অনাবিল পরিবহনের বাসসহ অন্তত ১২টি বাসে আগুন ও ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে রয়েছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ। মধ্যরাত পর্যন্ত রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ ছিল।

রাসেল নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, দুর্ঘটনার পর আশপাশের মানুষ অনাবিল পরিবহনের কয়েকটি বাস আটকে দেয়। শুরু হয় ভাঙচুর। একের পর এক বাসে আগুন দেয় তারা।’

রাসেল জানান, ফায়ার সার্ভিস যখন আগুন নেভাচ্ছিল, তখনও অন্যান্য বাসে আগুন দিচ্ছিলেন উত্তেজিতরা। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত করে।

সরেজমিনে ঘটনাস্থলে অসংখ্য মানুষ জড়ো হতে দেখা গেছে। নিহতের নাম মাইনুদ্দিন বলে নিশ্চিত করেছেন একাধিক জন। তিনি রাজধানীর একরামুন্নেসা স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন সাদ্দাম। তিনি হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে আছে পুলিশের একাধিক টিম।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার এরশাদ হোসেন বলেছেন, ‘আগুন নেভাতে কাজ করেছে আমাদের একাধিক ইউনিট।’

আরও পড়ুন:
হোটেল কক্ষে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ
যমুনায় ডুবে মেডিক্যাল ছাত্রের মৃত্যু
চৌমুহনীতে যুবকের মরদেহ, হিন্দু সম্প্রদায়ের বিক্ষোভ
বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা
যুবকের গলা কাটা দেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন