চীনে কোরআনের অ্যাপ সরাল অ্যাপল

চীনে কোরআনের অ্যাপ সরাল অ্যাপল

অ্যাপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পিডিএম বলেছে, ‘অ্যাপল জানিয়েছে, কোরআন মাজীদে অবৈধ কনটেন্ট থাকায় চীনে অ্যাপ স্টোর থেকে এটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।’

চীন সরকারের চাপে অ্যাপ স্টোর থেকে মুসলমানদের ধর্মগ্রন্থ পবিত্র কোরআনের একটি অ্যাপ সরিয়ে নিয়েছে টেক জায়ান্ট অ্যাপল। এর ফলে চীনে অ্যাপলের ডিভাইস ব্যবহারকারীরা অ্যাপে কোরআন পড়তে পারবেন না।

শুক্রবার সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে কোরআন মাজীদ নামের ওই অ্যাপটির লাখ লাখ মুসলমান ব্যবহারকারী রয়েছেন। এছাড়া অ্যাপটির রিভিউ করেছেন আরও প্রায় দেড় লাখ ব্যবহারকারী।

চীনের প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষ অ্যাপটির মাধ্যমে কোরআন পড়েন।

এক বিবৃতিতে অ্যাপটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পিডিএম বলেছে, ‘অ্যাপল জানিয়েছে, কোরআন মাজীদে অবৈধ কনটেন্ট থাকায় চীনে অ্যাপ স্টোর থেকে এটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।’

পিডিএম আরও বলেছে, ‘বিষয়টি সমাধানের জন্য আমরা চীনের সাইবার স্পেস বিভাগের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করছি।’

তবে কোরআন সরিয়ে নেয়ার বিষয়ে বিবিসির কাছে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি চীন সরকারের কর্মকর্তারা।

কোরআনের অ্যাপ সরানোর বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি অ্যাপলও।

ইসলাম ধর্মকে স্বীকৃতি দিলেও চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির বিরুদ্ধে দেশটির মুসলমানদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।

চীন সরকারের চাপে আরও কিছু অ্যাপ সরিয়ে নিয়েছে অ্যাপল। দেশটির ক্ষমতাসীনদের জন্য অস্বস্তিকর বিষয় যেমন তিয়েনমান স্কয়ার, ফালুন গং, দালাই লামা এবং তাইওয়ান ও তিব্বতের স্বাধীনতার প্রসঙ্গ থাকায় ওই অ্যাপগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে দাবি করেছিল নিউ ইয়র্ক টাইমস

এর আগে বৃহস্পতিবার চীন সরকারের আরোপিত বিধিনিষেধের কারণে দেশটিতে নিজেদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম লিংকড ইন বন্ধ করেছে টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফট।

আরও পড়ুন:
চীনের কাছে মাথা নত নয়: তাইওয়ান
জাহাজ থেকে পড়ে চীনা নাগরিকের মৃত্যু
সীমান্তে ভারতীয় ও চীনা সেনাদের আবারও ধাক্কাধাক্কি
১৬৫ দেশের কাছে চীনের পাওনা ৩৮,৫০০ কোটি ডলার
হুয়াওয়ে কর্মকর্তার মুক্তির পর দুই কানাডীয়কে ছাড়ল চীন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

টুইটার ছাড়ছেন ডরসি, দায়িত্বে ভারতীয় বংশোদ্ভূত পরাগ

টুইটার ছাড়ছেন ডরসি, দায়িত্বে ভারতীয় বংশোদ্ভূত পরাগ

টুইটারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডরসি। ছবি: এএফপি

বিশ্লেষকরা জ্যাক ডরসির টুইটার ছাড়ার কারণ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির ওপর বিনিয়োগকারীদের সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অত্যধিক চাপের কথা উল্লেখ করছেন।

মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মর্কতা বা সিইও পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন প্ল্যাটফর্মটির সহপ্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডরসি।

টুইটার জানায়, তার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কারিগরি কর্মকর্তা পরাগ আগারওয়াল।

টুইটারের সিইও হিসেবে যোগ দিয়ে বিশ্বের বড় কয়েকটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব উঠে এলো ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা। মাইক্রোসফটের সত্য নাদেলা, গুগলের সুন্দর পিচাইয়ের পর টুইটারের সিইও হিসেবে যোগ দিলেন পরাগ আগারওয়াল।

বিবিসির খবরে বলা হয়, জ্যাক ডরসি ২০০৬ সালে বিজ স্টোন, ইভান উইলিয়ামস এবং নোয়া গ্লাসের সঙ্গে মিলে টুইটার প্রতিষ্ঠা করেন। সে সময় থেকেই তিনি টুইটারের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্বে ছিলেন।

পরে নিয়ে আসেন পেমেন্ট গেটওয়ে ফার্ম স্কয়ার। সেটিরও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন ডরসি।

দায়িত্ব নিয়ে টুইটারকে ব্যাপক জনপ্রিয় করে তুলতে কাজ করেন ডরসি। নিয়ে আসেন নানা ধরনের নতুন সব প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন।

এক বিবৃতিতে ডরসি বলেন, ‘অবশেষে আমার চলে যাওয়ার সময় হলো।’

বলেন, ‘কোম্পানি এখন সামনের দিকে এগোতে প্রস্তুত।’

ডরসি জানান, গভীর বিশ্বাস থেকেই তিনি দায়িত্ব হস্তান্তর করছেন।

টুইটার ছাড়ছেন ডরসি, দায়িত্বে ভারতীয় বংশোদ্ভূত পরাগ
টুইটারের নতুন সিইও ভারতীয় বংশোদ্ভূত পরাগ আগারওয়াল (বাঁয়ে) ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডরসি। ছবি: এএফপি

‘আমি তার দক্ষতা, মন ও আত্মার প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। এটাই তার নেতৃত্ব দেয়ার উপযুক্ত সময়’, বলেন ডরসি।

পরাগ আগারওয়াল ২০১১ সালে টুইটারে যোগ দেন। ২০১৭ সালে তিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কারিগরি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব বুঝে নেন।

বিশ্লেষকরা জ্যাক ডরসির টুইটার ছাড়ার কারণ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির ওপর বিনিয়োগকারীদের সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অত্যধিক চাপের কথা উল্লেখ করছেন।

ধারণা করা হচ্ছে, সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পেমেন্ট গেটওয়ে স্কয়ার চালুর পর টুইটার তার নিজের কাজে কিছুটা অমনোযোগী হয়ে পড়েছে।

সে জন্য বিনিয়োগকারীরা মাধ্যমটির উপর কিছুটা নাখোশ।

ডরসি জানান, তিনি টুইটারের সিইও পদ ছাড়লেও প্রতিষ্ঠানটির বোর্ডে থাকবেন। ২০২২ সাল পর্যন্ত তাকে ওই বোর্ডে থাকতে হচ্ছে।

আগারওয়াল বিবৃতিতে বলেন, তিনি নতুন দায়িত্ব নিয়ে টুইটারকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে ও সমৃদ্ধ করতে কাজ করবেন।

আরও পড়ুন:
চীনের কাছে মাথা নত নয়: তাইওয়ান
জাহাজ থেকে পড়ে চীনা নাগরিকের মৃত্যু
সীমান্তে ভারতীয় ও চীনা সেনাদের আবারও ধাক্কাধাক্কি
১৬৫ দেশের কাছে চীনের পাওনা ৩৮,৫০০ কোটি ডলার
হুয়াওয়ে কর্মকর্তার মুক্তির পর দুই কানাডীয়কে ছাড়ল চীন

শেয়ার করুন

স্যোশাল মিডিয়ায় ট্রল বন্ধে কঠোর আইনের পথে অস্ট্রেলিয়া

স্যোশাল মিডিয়ায় ট্রল বন্ধে কঠোর আইনের পথে অস্ট্রেলিয়া

প্রতীকী ছবি

নতুন আইনে মানহানিকর কোনো পোস্ট সরিয়ে নেয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে অনুরোধ করা যাবে। তারা তা না সরালে পোস্টকারী ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করতে হবে এবং সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মানহানির মামলাও করা যাবে।

অনলাইনে বেনামে ট্রল ও মানহানিকর পোস্ট দেয়া ব্যক্তিদের পরিচয় প্রকাশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে বাধ্য করতে নতুন আইন করছে অস্ট্রেলিয়া।

এক বিবৃতিতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন জানিয়েছেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো প্রায়ই কাপুরুষদের প্রাসাদে রূপ নেয়, যেখানে নাম প্রকাশ না করে, কোনো পরিণাম ভোগ না করে অন্যকে হুমকি, হয়রানি এমনকি ধ্বংসও করে দেয়া যায়।’

নতুন আইনে মানহানিকর কোনো পোস্ট সরিয়ে নেয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে অনুরোধ করা যাবে। তারা তা না সরালে পোস্টকারী ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করতে হবে এবং সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মানহানির মামলাও করা যাবে।

মরিসন বলেছেন, ‘নতুন আইনে সোশ্যাল মিডিয়াকে প্রকাশক ধরে নিয়ে সেই প্রকাশনার দায়িত্ব তাদের নেয়ার কথা বলা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলছেন, ‘এই জায়গাটি তারা (সোশ্যাল মিডিয়া) তৈরি করেছে। এটিকে নিরাপদ রাখার দায়িত্ব তাদেরই নিতে হবে। তারা তা না নিলে আমরাই সে দায়িত্ব নেব।’

আইনটি এখনও পাস হয়নি। এখনও প্রস্তাব আকারে রয়েছে। পাশ করার আগে এটি জনগণের মতের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
চীনের কাছে মাথা নত নয়: তাইওয়ান
জাহাজ থেকে পড়ে চীনা নাগরিকের মৃত্যু
সীমান্তে ভারতীয় ও চীনা সেনাদের আবারও ধাক্কাধাক্কি
১৬৫ দেশের কাছে চীনের পাওনা ৩৮,৫০০ কোটি ডলার
হুয়াওয়ে কর্মকর্তার মুক্তির পর দুই কানাডীয়কে ছাড়ল চীন

শেয়ার করুন

ভাইরাল ছবিটি কি আসলেই তথ্যমন্ত্রীর?

ভাইরাল ছবিটি কি আসলেই তথ্যমন্ত্রীর?

গত কয়েক দিন ধরে ফেসবুকে এই ছবিটি ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে। এর সত্যতা নিয়ে বিতর্কও হচ্ছে।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা কায়ছারুল আলম বলেন, ‘এটি একটি বানানো ছবি। লন্ডন থেকে এটি বানানো হয়েছে।’ এ বিষয়ে মন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া আছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে মন্ত্রী মহোদয় কোনো মন্তব্য করেননি। এত সিলি (তুচ্ছ) বিষয় নিয়ে তিনি কথা বলবেন না। এসব বিষয়ে নিয়ে মন্তব্য করা মানে এগুলোকে আরও বাড়তে দেয়া।’

একজন মানুষ খেতে বসেছেন। তার সামনে থরে থরে সাজানো নানা সুস্বাদু খাবার। টেবিলজুড়ে সাজিয়ে রাখা খাবারগুলোর মধ্যে মাছ, মাংস, সবজি, ভর্তা কোনো কিছুর কমতি নেই।

সাদা চোখে দেখা যায়, যিনি খাচ্ছেন তিনি তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ। ছবিটি এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল। সেটি নিয়ে অনেকে করছেন ট্রল।

ছবিটি নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার দিয়েছেন লেখক তসলিমা নাসরিন। তিনি লিখেছেন, ‘কাউকে বাড়িতে নেমন্তন্ন করলে বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্ত লোকেরা প্রায় কুড়ি-পঁচিশ পদ খাবার রান্না করে। তারা তো ভাতের থালায় ভাত খায় না, স্যুপের থালায় ভাত খায়। ওতে খাবার বেশি ধরে।’

তিনি আরও লেখেন, “রান্নাটা আর্ট, খাওয়ানোটাও আর্ট। নেমন্তন্ন অবশ্য ‘বাড়িতে একটু ডাল-ভাত খাবেন’ বলে করা হয়।”

শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৩ হাজার ৬০০ মানুষ সেই পোস্টটিতে রিঅ্যাক্ট করেছেন। যার মধ্যে লাইক দিয়েছেন ১৪ হাজার ১০০ জন। আর হা হা রিঅ্যাক্ট করেছেন সাড়ে ৬ হাজার মানুষ।

কমেন্ট জমা হয়েছে ১২৪টি। আর পোস্টটি শেয়ার করেছেন ৫৮২ জন।

ছবিটি নিয়ে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ কোনো মন্তব্য না করলেও তার দপ্তর থেকে ছবিটিকে বানানো বলে দাবি করা হয়েছে।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা কায়ছারুল আলম বলেন, ‘এটি একটি বানানো ছবি। লন্ডন থেকে এটি বানানো হয়েছে।’

এ বিষয়ে মন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া আছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে মন্ত্রী মহোদয় কোনো মন্তব্য করেননি। এত সিলি (তুচ্ছ) বিষয় নিয়ে তিনি কথা বলবেন না। এসব বিষয়ে নিয়ে মন্তব্য করা মানে এগুলোকে আরও বাড়তে দেয়া।’

কোনো প্রতিবাদ বা ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়ে কায়ছারুল বলেন, ‘প্রতিবাদ তো হচ্ছেই।’

ভাইরাল ছবিটি কি আসলেই তথ্যমন্ত্রীর?
হাছান মাহমুদের নামে সেই ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর মন্ত্রীর অনুসারীরাও ফেসবুকে এই ছবিটি ছড়াচ্ছেন

এরই মধ্যে ছবিটি বানানো দাবি করেও পোস্ট দিতে শুরু করেছেন হাছান মাহমুদের অনুসারীরা। তাদের দাবি, তথ্যমন্ত্রীকে হেয়প্রতিপন্ন করতেই সরকারবিরোধীরা এসব অপপ্রচার করছেন।

এর মধ্যে প্রথম ছবিটির পাশাপাশি আরও একটি ছবি ছড়িয়েছে ফেসবুকে। এরপর তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। কোন ছবিটি আসল, কোনটি নকল, তা নিয়ে নানাজন নানা বক্তব্য দিচ্ছেন। কেউ বলছেন নতুন ছবিটি নকল, কেউ বলছেন পুরোনো ছবিটি নকল।

আরও পড়ুন:
চীনের কাছে মাথা নত নয়: তাইওয়ান
জাহাজ থেকে পড়ে চীনা নাগরিকের মৃত্যু
সীমান্তে ভারতীয় ও চীনা সেনাদের আবারও ধাক্কাধাক্কি
১৬৫ দেশের কাছে চীনের পাওনা ৩৮,৫০০ কোটি ডলার
হুয়াওয়ে কর্মকর্তার মুক্তির পর দুই কানাডীয়কে ছাড়ল চীন

শেয়ার করুন

‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘নারী নির্যাতন বন্ধ করি কমলা রঙের বিশ্ব গড়ি’

‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘নারী নির্যাতন বন্ধ করি কমলা রঙের বিশ্ব গড়ি’

‘আমার আইন, আমার অধিকার’ সম্পর্কে নিউজবাংলার এক মুখপাত্র বলেন, আইন জানা নাগরিকের জন্য একান্ত প্রয়োজন। আইন ও আইনজীবী- এই শব্দগুলো নিয়ে একধরনের ভীতি কাজ করে। তবে আইনের আশ্রয় লাভ করা একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।

সব ধরনের আইনি পরামর্শ ও সহায়তা দিতে নিউজবাংলার নিয়মিত আয়োজন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবারের বিষয়: নারী নির্যাতন বন্ধ করি কমলা রঙের বিশ্ব করি’। প্রচারিত হবে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

শবনম ফারিয়ার সঞ্চালনায় শনিবার এ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার হবে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

আলোচনায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্যারিস্টার মিতি সানজানা ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের আইন বিভাগের প্রভাষক মেহেরবা সাবরীন। অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার করা হবে শাহ্‌ সিমেন্টের সৌজন্যে।

‘আমার আইন, আমার অধিকার’ সম্পর্কে নিউজবাংলার এক মুখপাত্র বলেন, আইন জানা নাগরিকের জন্য একান্ত প্রয়োজন। আইন ও আইনজীবী- এই শব্দগুলো নিয়ে একধরনের ভীতি কাজ করে। তবে আইনের আশ্রয় লাভ করা একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।

নিজের আইনগত অধিকার সম্পর্কে না জানলে যে কেউ কোনো বিষয়ে ভুল পরামর্শ দিয়ে আপনাকে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে। কোনো নাগরিক রাষ্ট্রের কাছে কী কী সুযোগ-সুবিধার অধিকারী, সেটি যদি তিনি না জানেন, তাহলে তিনি ন্যায্য দাবি আদায় করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, নাগরিকের আইনি অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি সহজভাবে জানাতে কাজ করবে ‘আমার আইন, আমার অধিকার’। দেয়া হবে পরামর্শ। প্রয়োজনে তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরাসরি আইনি সহায়তাও দেয়া হবে।

আইনি সুবিধাবঞ্চিত আর্থিকভাবে অসহায় ভুক্তভোগীরা এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আইনি সহায়তা চাইলে তাদের পাশে দাঁড়াবে নিউজবাংলার ‘আমার আইন, আমার অধিকার’।

বিনা মূল্যে আইনি পরামর্শ এবং সহায়তা পেতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চোখ রাখুন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

অনুষ্ঠান চলাকালে ফোন করুন ০২৫৫০৫৫২৮৯ নম্বরে। এ ছাড়া সমস্যা জানাতে ০১৯৫৮০৫৬৬৬৮ নম্বরে ফোন করুন যেকোনো সময়। হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন ভিডিও করেও পাঠাতে পারেন একই নম্বরে।

নিউজবাংলার ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/nwsbn24 এবং ই-মেইল [email protected]এ মেসেজ পাঠানোরও সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন:
চীনের কাছে মাথা নত নয়: তাইওয়ান
জাহাজ থেকে পড়ে চীনা নাগরিকের মৃত্যু
সীমান্তে ভারতীয় ও চীনা সেনাদের আবারও ধাক্কাধাক্কি
১৬৫ দেশের কাছে চীনের পাওনা ৩৮,৫০০ কোটি ডলার
হুয়াওয়ে কর্মকর্তার মুক্তির পর দুই কানাডীয়কে ছাড়ল চীন

শেয়ার করুন

ফেসবুক বা মেটায় ছবি ব্যবহার নিয়ে সতর্কবার্তা কতটা সত্যি?

ফেসবুক বা মেটায় ছবি ব্যবহার নিয়ে সতর্কবার্তা কতটা সত্যি?

বিভিন্ন ফ্যাক্টচেক সাইট ঘুরে জানা গেছে, এই বার্তার কোনো ভিত্তি নেই। ফেসবুক বা মেটা এমন কোনো নীতি গ্রহণ করেনি, যেখানে ব্যবহারকারীদের ছবি নিতে অনুমতি দরকার নেই বলে উল্লেখ রয়েছে। ফেসবুকের প্রাতিষ্ঠানিক নাম বদলে ‘মেটা’ হওয়ার পর থেকেই গুজবটি ছড়াতে শুরু করে। 

জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যবহারকারীদের পোস্ট করা ছবি তাদের অনুমতি ছাড়াই নিজেদের কাজে ব্যবহার করতে যাচ্ছে ফেসবুক ও মেটা- এমন একটি বার্তা ঘুরে বেড়াচ্ছে অনেকের প্রোফাইলে।

বার্তাটিতে বলা হয়েছে, ব্যক্তির ছবি নিতে যেন অনুমতির প্রয়োজন না হয়, সেজন্য নতুন একটি নীতিমালা গ্রহণ করেছে ফেসবুক ও মেটা। তবে ব্যবহারকারীরা নিজেদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে আগেই আপত্তি জানিয়ে রাখলে ফেসবুক-মেটা এ কাজ করতে পারবে না।

মেসেঞ্জারে ছড়ানো মূল বার্তাটি ইংরেজি। অঞ্চলভিত্তিক বিভিন্ন ভাষায় এর অনুবাদও বার্তায় যোগ করা হয়েছে। অগোছালো ইংরেজি আর বাংলায় বার্তাটির শুরুটা করা হয়েছে এভাবে:

“The new Facebook/Meta rule starts tomorrow where they can use your photos. Don't forget the deadline is today! This could be used in lawsuits against you. Everything you've ever posted is posted today - even messages that have been deleted. It doesn't cost anything, just copy and post, better than regretting later.

আগামীকাল ফেসবুক/মেটা নতুন নিয়ম চালু করবে, যার মাধ্যমে তারা আপনার ছবি অনুমতি ছাড়াই ব্যবহার করতে পারবে। ভুলে যা‌বেন না, আজ শেষ দিন! তাই একটা কাজ করুন। আপনার বিরুদ্ধে মামলায় এ নিয়ম কাজে লাগানো হতে পারে। আপনি যা কিছু পোস্ট করেছেন - এমনকি মুছে ফেলা বার্তাও। এতে কোনো খরচ নেই, শুধু কপি করে পোস্ট করুন, পরে আফসোস করার চেয়ে ভালো হ‌বে।

তবে বিভিন্ন ফ্যাক্টচেক সাইট ঘুরে জানা গেছে, এই বার্তার কোনো ভিত্তি নেই। পলিফ্যাক্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বার্তাটি ভুয়া। ফেসবুক বা মেটা এমন কোনো নীতি গ্রহণ করেনি, যেখানে ব্যবহারকারীদের ছবি নিতে অনুমতি দরকার নেই বলে উল্লেখ রয়েছে।

ফেসবুকের প্রাতিষ্ঠানিক নাম বদলে ‘মেটা’ হওয়ার পর থেকেই গুজবটি ছড়াতে শুরু করে।

কথিত ওই সতর্কবার্তার পরের অংশে বলা হয়েছে, কীভাবে প্রোফাইলে একটি আইনি নোটিশ পোস্ট করলে ফেসবুক চাইলেও ব্যবহারকারীদের তথ্য নিতে পারবে না:

“Under UCC Law Sections 1-207, 1-308... I am imposing my Reservation of Rights...I DO NOT ALLOW Facebook/Meta or any other Facebook/Meta related person to use my photos, information, messages or messages, both in the past and in the future. This statement I inform Facebook/Meta that it is strictly prohibited to disclose, copy, distribute or take any other action against me based on this account and / or its contents. This account content is private and confidential information. Violation of my personal life may be punished by law.

ইউসিসি আইনের অধীনে ১-২০৭, ১-৩০৮... আমি আমার অধিকার সংরক্ষণ আরোপ করছি... আমি ফেসবুক/মেটা বা ফেসবুক/মেটা সম্পর্কিত কোনো ব্যক্তিকে আমার ছবি, তথ্য, বার্তা ব্যবহার করার অনুমতি দিচ্ছি না, অতীতে এবং ভবিষ্যতে কোনো সময়েই।

এই পোস্টটি কপি করে আপনার নি‌জের পে‌জে পোস্ট করে রাখুন এবং ঘোষণা দিন যে, আমি ফেসবুক/মেটাকে তাদের ওয়েবসাইটে পোস্ট করা আমার তথ্য অন্য কোথাও শেয়ার করার অনুমতি দিচ্ছি না। ছবি, বর্তমান বা অতীত, বন্ধু-বান্ধব, ফোন নম্বর, ই-‌মেইল অ্যা‌ড্রেস, ব‌্যক্তিগত কোনো তথ‌্য বা পোস্ট- এসবের কিছুই আমার লিখিত অনুমতি ছাড়া ভিন্নরূপে ব্যবহার করা যাবে না।

এ বিষয়ে একমত পোষণ করছি এবং আমার ব্যক্তিগত সমস্ত তথ্য আমার অনুমতি ছাড়া অন্যকে ব্যবহার না করার পরামর্শ দিচ্ছি। কেউ আমার ছবি, তথ্য বা ফেইসবুকে প্রদত্ত পোস্ট অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগেও অসংখ্যবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নীতিমালা নিয়ে বিভিন্ন ভুয়া তথ্য ছড়ানো হয়েছিল। সেগুলোর মতোই সবশেষ এই বার্তারও কোনো ভিত্তি নেই।

ফেসবুকে ভুয়া খবর ও অপপ্রচার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি এ ধরনের পোস্টগুলো লাল চিহ্ন দিয়ে চিহ্নিত করে থাকে।

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেসবুক কোনো নীতিমালা গ্রহণ বা পরিবর্তন করলে তা আটকাতে ব্যক্তিগত কোনো পোস্ট কোনো কাজে আসে না।

অনলাইনে এ ধরনের গুজব প্রথম ছড়ায় ২০১২ সালের নভেম্বরে। সে সময় সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য মাত্র উন্মুক্ত হয় সামাজিক যোগাযোগের এ মাধ্যমটি। এবারের ভুয়া বার্তাটির ভাষা একটু বদলে গেলেও এটি অনেকটি ২০১২ সালের বার্তার মতোই। তখন লেখা হয়েছিল, কিছু একটা পোস্ট করুন, না হলে আপনার অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেবে ফেসবুক।

বাস্তবে ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খোলার সময় ব্যবহারকারীরা গোপনীয়তা বা কপিরাইট সংক্রান্ত শর্তে সম্মতি দেন। এ কারণে পরে তারা চাইলেও পূর্বাবস্থায় ফিরতে পারেন না। একইভাবে কেবল একটি নোটিশ পোস্ট করে ফেসবুকের নীতি পরিবর্তনের সিদ্ধান্তেও কোনো প্রভাব ফেলা যায় না।

আরও পড়ুন:
চীনের কাছে মাথা নত নয়: তাইওয়ান
জাহাজ থেকে পড়ে চীনা নাগরিকের মৃত্যু
সীমান্তে ভারতীয় ও চীনা সেনাদের আবারও ধাক্কাধাক্কি
১৬৫ দেশের কাছে চীনের পাওনা ৩৮,৫০০ কোটি ডলার
হুয়াওয়ে কর্মকর্তার মুক্তির পর দুই কানাডীয়কে ছাড়ল চীন

শেয়ার করুন

শিশুদের ঝগড়ায় বাবার জেল

শিশুদের ঝগড়ায় বাবার জেল

ভাইরাল হওয়া সেই ছবিটি।

হাতকড়া পরা বাবার গলা জড়িয়ে ধরেছে ছোট্ট শিশু। এই ছবিটি এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে। তবে কী কারণে বাবার হাতে হাতকড়া পরানো হলো তার কারণ অনুসন্ধান করে পাওয়া গেছে ছোট্ট এক ঘটনা।

হাতকড়া পরা অবস্থায় শিশুসন্তানকে জড়িয়ে ধরেছেন বাবা। বরগুনার এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আলোচনার খোরাক হয়েছে। সোমবার আদালতের নির্দেশে বরগুনা জেলা কারাগারে নেয়ার সময় হাতকড়া পরা বাবার গলা জড়িয়ে ধরার ওই ছবিটি তোলেন শিশুটির চাচা জুয়েল।

পরদিন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জুয়েল নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ছবিটি পোস্ট করেন। এক দিনের ব্যবধানেই দেশজুড়ে সাড়া ফেলেছে এই ছবি।

বুধবার ঘটনাটির বিবরণ দিতে গিয়ে শিশুটির চাচা এইচ এম জুয়েল জানান, আমতলী পৌরসভার সবুজবাগ এলাকায় তার ভাই বাহাদুর খানের বাসা। একই বাসার পাশের কক্ষে মামাতো ভাই আবু হানিফ পরিবার নিয়ে থাকেন। বাহাদুরের শিশুসন্তান আলিফ ও হানিফের শিশু হামিম উভয়েরই বয়স তিন বছর। তারা একসঙ্গেই খেলাধুলা করে। গত ১০ অক্টোবর বাড়ির উঠোনে বসে খেলছিল হামিম ও আলিফ। পরে তাদের মধ্যে ঝগড়া ও ধস্তাধস্তি হয়। এতে চোখে আঘাত পায় হামিম।

এ ঘটনার পর হামিমের চিকিৎসা করায় আলিফের পরিবার। কিন্তু হামিমের মা মাইসুরা বেগম এতে সন্তষ্ট না হয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সালিশ করে হামিমের চিকিৎসা বাবদ ৮০ হাজার টাকা দাবি করেন।

পরে আলিফের পরিবার এই টাকা দিতে সম্মত হলেও গত ১ নভেম্বর হামিমের মা মাইসুরা বাদী হয়ে আলিফের বাবা বাহাদুর খানসহ চারজনকে আসামি করে আমতলী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন।

বাহাদুর খানের পক্ষে আইনজীবী মো. জসীম জানান, সোমবার ১৫ নভেম্বর আলিফের বাবা বাহাদুর খানসহ অন্য পাঁচ আসামি আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। বিচারক মোহাম্মদ সাকিব চারজনের জামিন মঞ্জুর করলেও আলিফের বাবা বাহাদুর খানের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

শিশু আলিফের চাচা এইচ এম জুয়েল খান বলেন, ‘সামান্য বিষয়টা তারা আদালত পর্যন্ত নিয়ে গেছেন। স্থানীয় গণ্যমান্যরা মীমাংসার প্রস্তাব দিয়েছিল। আমরাও ক্ষতিপূরণ দিতে চেয়েছিলাম। তবুও তারা মামলা উঠিয়ে নেয়নি। এটা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’

তিনি বলেন, ‘নিজের জন্য বাবার হাতে হাতকড়া- এই দায়ভার নিয়ে বড় হবে আলিফ? এটা সত্যি দুঃখজনক।’

স্থানীয় সামাজিক উন্নয়ন সংগঠন এনএসএস পরিচালক, সাহাবুদ্দিন পান্না বলেন, ‘বিষয়টি ফেসবুকে দেখেছি। আমি যতদূর জানি, উভয় শিশু পরস্পর নিকটাত্মীয়। অবুঝ শিশু খেলাধুলা করবে, ঝগড়া করবে আবার কিছুক্ষণ পরই মিশবে। এ ঘটনা যতদূর গড়িয়েছে, সত্যি বাজে উদাহরণ।’

এ বিষয়ে আমতলী পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড (সবুজবাগ) কাউন্সিলর মোয়াজ্জেম হোসেন ফরহাদ বলেন, ‘বিষয়টি শুরু থেকেই আমি জানি। ওরা দুজনেই শিশু, খেলারছলে এ রকম ঘটনা ঘটতেই পারে। তবে ঘটনাটি মামলা পর্যন্ত যাওয়া ঠিক হয়নি। আমরা মীমাংসার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। কিন্তু তা কোনো কাজে আসেনি।’

এ বিষয়ে কথা বলতে হামিমের পরিবারের সঙ্গে মুঠেফোন ও সরাসরি যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তাদের কারো সঙ্গেই কথা বলা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন:
চীনের কাছে মাথা নত নয়: তাইওয়ান
জাহাজ থেকে পড়ে চীনা নাগরিকের মৃত্যু
সীমান্তে ভারতীয় ও চীনা সেনাদের আবারও ধাক্কাধাক্কি
১৬৫ দেশের কাছে চীনের পাওনা ৩৮,৫০০ কোটি ডলার
হুয়াওয়ে কর্মকর্তার মুক্তির পর দুই কানাডীয়কে ছাড়ল চীন

শেয়ার করুন

‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘প্রেম, প্রতারণা ও আইন’

‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘প্রেম, প্রতারণা ও আইন’

বিনা মূল্যে আইনি পরামর্শ এবং সহায়তা পেতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চোখ রাখুন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে। আইনি সুবিধাবঞ্চিত আর্থিকভাবে অসহায় ভুক্তভোগীরা এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আইনি সহায়তা চাইলে তাদের পাশে দাঁড়াবে নিউজবাংলার ‘আমার আইন, আমার অধিকার’।

সব ধরনের আইনি পরামর্শ ও সহায়তা দিতে নিউজবাংলার নিয়মিত আয়োজন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবারের বিষয়: প্রেম, প্রতারণা ও আইন’। প্রচারিত হবে আগামী শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

ইশতিয়াক আব্দুল্লাহর সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার হবে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

আলোচনায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্যারিস্টার মিতি সানজানা ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের আইন বিভাগের প্রভাষক মেহেরবা সাবরীন। অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার করা হবে শাহ্‌ সিমেন্টের সৌজন্যে।

‘আমার আইন, আমার অধিকার’ সম্পর্কে নিউজবাংলার এক মুখপাত্র বলেন, আইন জানা নাগরিকের জন্য একান্ত প্রয়োজন। আইন ও আইনজীবী- এই শব্দগুলো নিয়ে একধরনের ভীতি কাজ করে। তবে আইনের আশ্রয় লাভ করা একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।

নিজের আইনগত অধিকার সম্পর্কে না জানলে যে কেউ কোনো বিষয়ে ভুল পরামর্শ দিয়ে আপনাকে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে। কোনো নাগরিক রাষ্ট্রের কাছে কী কী সুযোগ-সুবিধার অধিকারী, সেটি যদি তিনি না জানেন, তাহলে তিনি ন্যায্য দাবি আদায় করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, নাগরিকের আইনি অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি সহজভাবে জানাতে কাজ করবে ‘আমার আইন, আমার অধিকার’। দেয়া হবে পরামর্শ। প্রয়োজনে তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরাসরি আইনি সহায়তাও দেয়া হবে।

আইনি সুবিধাবঞ্চিত আর্থিকভাবে অসহায় ভুক্তভোগীরা এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আইনি সহায়তা চাইলে তাদের পাশে দাঁড়াবে নিউজবাংলার ‘আমার আইন, আমার অধিকার’।

বিনা মূল্যে আইনি পরামর্শ এবং সহায়তা পেতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চোখ রাখুন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

অনুষ্ঠান চলাকালে ফোন করুন ০২৫৫০৫৫২৮৯ নম্বরে। এ ছাড়া সমস্যা জানাতে ০১৯৫৮০৫৬৬৬৮ নম্বরে ফোন করুন যেকোনো সময়। হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন ভিডিও করেও পাঠাতে পারেন একই নম্বরে।

নিউজবাংলার ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/NewsBangla24.Official এবং ই-মেইল [email protected] -এ মেসেজ পাঠানোরও সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন:
চীনের কাছে মাথা নত নয়: তাইওয়ান
জাহাজ থেকে পড়ে চীনা নাগরিকের মৃত্যু
সীমান্তে ভারতীয় ও চীনা সেনাদের আবারও ধাক্কাধাক্কি
১৬৫ দেশের কাছে চীনের পাওনা ৩৮,৫০০ কোটি ডলার
হুয়াওয়ে কর্মকর্তার মুক্তির পর দুই কানাডীয়কে ছাড়ল চীন

শেয়ার করুন