দুই যানে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ৩

দুই যানে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ৩

অটোভ্যান ও মোটরসাইকেলটি পাবনা থেকে রূপপুরের দিকে যাচ্ছিল। পথে আওতাপাড়া পশ্চিমপাড়া এলাকায় উল্টো দিক থেকে যাওয়া ট্রাক প্রায় একই সময় ওই দুই যানবাহনকে ধাক্কা দেয়। 

পাবনার ঈশ্বরদীতে ট্রাকের ধাক্কায় অটোভ্যান ও মোটরসাইকেলের তিনজন নিহত হয়েছেন।

উপজেলার রূপপুর-পাবনা আঞ্চলিক সড়কের আওতাপাড়া পশ্চিমপাড়া এলাকায় শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন অটোভ্যান চালক ঈশ্বরদীর বাঁশেরবাদা গ্রামের মুনসুর আলী খাঁ, ভ্যানের যাত্রী একই উপজেলার আওতাপাড়া গ্রামের সাইফুল শাহ এবং মোটরসাইকেলচালক পাবনা পৌর সদরের ছাতিয়ানী মধ্যপাড়া মহল্লার আসিফ হোসেন।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, অটোভ্যান ও মোটরসাইকেলটি পাবনা থেকে রূপপুরের দিকে যাচ্ছিল। পথে আওতাপাড়া পশ্চিমপাড়া এলাকায় উল্টো দিক থেকে যাওয়া ট্রাক প্রায় একই সময় ওই দুই যানবাহনকে ধাক্কা দেয়।

এতে মোটরসাইকেলটি ট্রাকের নিচে চলে যায়। পাশে ছিটকে পরে অটোভ্যান। ঘটনাস্থলে দুইজনের ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পর আরেকজনের মৃত্যু হয়।

ওসি আরও জানান, ট্রাকচালক পালিয়ে গেছে।

আরও পড়ুন:
ফেনীতে লরিচাপায় ৩ শ্রমিক নিহত
পূজা দেখতে গিয়ে সড়কে প্রাণ গেল ২ বন্ধুর  
সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা আহত
বাসের ধাক্কায় দিনমজুর নিহত, আহত ৪
ট্রাকচাপায় এনজিও কর্মী নিহত

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সেতু আছে খাল নেই

সেতু আছে খাল নেই

শরীয়তপুর জেলা শহরে থাকা এ সেতুর নিচে পুরোটাই ভরাট করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

খাল ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ করা লিটন বেপারি বলেন, ‘আমাগো কাগজপত্র আছে। নিজেগো জায়গায়ই ঘর তুলছি। খালের জায়গা রাইখ্যা আমরা ঘর উডাইছি। দোকান ঘরের সামনে যে খাল ছিল অহন সবাই ভইরা হালাইছে, তাই আমরাও ভরছি।’

শরীয়তপুর জেলা শহরের উত্তর বাজার থেকে কোটাপাড়া পর্যন্ত সড়কের পাশে চোখ দিলে দেখা যাবে শুকনো ভূমির ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে একের পর এক সেতু। গুনলে পাওয়া যাবে সাতটি, অথচ কোনো সেতুর নিচে পানি দূরে থাক নিচু ভূমিরও অস্তিত্ব নেই।

স্থানীয়রা জানান, জেলা শহরের মধ্য দিয়ে এক সময় প্রবাহমান পালং-কোটাপাড়া খালের ওপর ছিল সেতুগুলো। এক যুগ ধরে খালটির প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকা ভরাট করে নির্মাণ করা হয়েছে পাকা, আধাপাকা স্থাপনা ও সংযোগ সড়ক।

খাল ভরাট হওয়ায় পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে বিরূপ প্রভাব পড়েছে চর পালং ও কোটাপাড়া এলাকার কৃষিতে। এ ছাড়া এক যুগের বেশি সময় ধরে বর্ষা মৌসুম এলেই শহরে দেখা দেয় জলাবদ্ধতা।

শরীয়তপুর পৌরসভা থেকে খালটি উদ্ধারে বিভিন্ন সময় পদক্ষেপ নিলেও নানা জটিলতায় তা সম্ভব হয়নি।

এতে ভেঙে পড়েছে পৌর শহরের পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা। সামান্য বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। আবার দীর্ঘ মেয়াদে পানি জমে থাকায় অনাবাদী থেকে যাচ্ছে এসব এলাকার শত শত একর জমি।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা-শরীয়তপুর সড়কের পাশ দিয়ে পালং উত্তর বাজার থেকে কোটাপাড়া পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকার বিভিন্ন স্থানে রয়েছে ছোট বড় এসব সেতু। তবে সেতুগুলোর কোনো প্রান্তেই খালের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি।

প্রেমতলা, কোটাপাড়া, বাসস্ট্যান্ড, চরপালং, ফায়ার সার্ভিস ও চেম্বার অব কমার্সের সামনে থাকা প্রত্যেকটি সেতুর নিচের পুরোটা ভরাট হয়ে গেছে। খাল ভরাট করে নির্মাণ করা হয়েছে বাণিজ্যিক পাকা ও আধাপাকা স্থাপনা। খালের পাশে থাকা বিপণিবিতানে যাতায়াতের জন্য ভরাট করে নির্মাণ করা হয়েছে সংযোগ সড়ক।

শরীয়তপুর পৌরসভা থেকে জানা যায়, জেলা শহরের পয়োনিষ্কাশন, নৌপথে যোগাযোগ ও কৃষিকে সমৃদ্ধ করতে কীর্তিনাশা নদীর সঙ্গে সংযোগ করে অন্তত ৪০ বছর আগে খনন করা হয় পালং-কোটাপাড়া খালটি। ২০ বছর আগেও প্রবাহমান খালটির ওপর নির্ভর করে জীবিকা চলত স্থানীয় অনেকের।

তবে গত ২০ বছরে ধারাবাহিকভাবে ভরাট হয়ে করা হয়েছে খালটির সম্পূর্ণ অংশ। এখন শুধু সেতুগুলো ছাড়া কোথাও খালের কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় না। ফলে ভেঙে পড়েছে পৌর শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে থাকা খালটির আশপাশের পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা। চরপালং, কোটাপড়াসহ ওই এলাকার ফসলি মাঠ পানির নিচে তলিয়ে থাকে সারা বছর।

চর পালং এলাকার মো. জয়নাল বলেন, ‘এই জমিতে আমরা সব জিরাত লাগাইতাম। ধান, শৈষ্যা, গম, মুহুরি, আবোর ইরি ব্লকও করতাম। অনেক বছর ধইরা জমির পানি নামে না। জিরাতও করতে পারি না।

‘হুদাহুদি জমি পইরা রইছে। আর বৃষ্টি বাদলের সময় পানি বাইড়া ঘরের তোন রাস্তাও যাইতে পারি না। সব পানিতে তলাইয়া যায়। খালডা থাকলে আর এমন অইতো না।’

খাল ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ করা লিটন বেপারি বলেন, ‘আমাগো কাগজপত্র আছে। নিজেগো জায়গায়ই ঘর তুলছি। রেকর্ড, পরচাসহ সব ধরনের কাগজপত্র আছে। সরকারি খালে দোকান উডাই নাই। খালের জায়গা রাইখ্যা আমরা ঘর উডাইছি। দোকান ঘরের সামনে যে খাল ছিল অহন সবাই ভইরা হালাইছে, তাই আমরাও ভরছি।’

শরীয়তপুর পৌরসভার মেয়র পারভেজ রহমান জানান, পৌর শহরে থাকা ভরাট ও দখল হয়ে যাওয়া ৭টি খালকে চিহ্নিত করে জেলা পানি সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা কমিটির কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। পৌর শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে খালগুলো উদ্ধারের জন্য চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্বকে আহ্বায়ক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলীকে সদস্যসচিব করে ৫ সদস্যের কমিটি করা হয়েছে।

এরপর করোনা মহামারি ও বিভিন্ন আইনি জটিলতায় উদ্ধার অভিযান শুরু করা যায়নি। দখল হয়ে যাওয়া খালগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে উদ্ধার করা না গেলে পৌর শহরের জলাবদ্ধতা স্থায়ী হয়ে যাবে।

শরীয়তপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আসমাউল হুসনা লিজা বলেন, ‘জেলা পানি সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জেলা শহরে দখল হয়ে যাওয়া খালের তালিকাসহ বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে চিঠি দেয়া হয়েছে।

‘এ ছাড়াও দখলদারদের নাম, পরিচয় এবং দখলীয় সম্পত্তির বিবরণ চেয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে তালিকা চাওয়া হয়েছে। আগামী সভায় এসব তথ্য উপাত্ত সরবরাহ করার কথা রয়েছে। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদের জন্য অভিযান চালানো হবে।’

আরও পড়ুন:
ফেনীতে লরিচাপায় ৩ শ্রমিক নিহত
পূজা দেখতে গিয়ে সড়কে প্রাণ গেল ২ বন্ধুর  
সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা আহত
বাসের ধাক্কায় দিনমজুর নিহত, আহত ৪
ট্রাকচাপায় এনজিও কর্মী নিহত

শেয়ার করুন

নারী পুলিশের সঙ্গে ‘অন্তরঙ্গ’, ইন্সপেক্টর ক্লোজড

নারী পুলিশের সঙ্গে ‘অন্তরঙ্গ’, ইন্সপেক্টর ক্লোজড

এ ঘটনায় অভিযুক্ত নারী পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) আশরাফউল্লাহ তাহের। এ ছাড়া প্রদীপের অভিযোগের তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সিলেট আদালতে নিজ কক্ষে নারী কনস্টেবলের সঙ্গে ‘অন্তরঙ্গ’ হওয়ায় শাস্তির মুখে পড়েছেন এক পুলিশ পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর)।

সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার নিশারুল আরিফ ওই পরিদর্শককে ক্লোজড করে বৃহস্পতিবার পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করেন।

অভিযুক্ত প্রদীপ কুমার দাস মহানগর পুলিশের আদালত পরিদর্শকের দায়িত্বে ছিলেন।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত নারী পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) আশরাফউল্লাহ তাহের। এ ছাড়া প্রদীপের অভিযোগের তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মহানগর পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে ছুটিতে থাকা এক নারী কনস্টেবলকে আদালত ভবনে নিজ কক্ষে ডেকে আনেন প্রদীপ কুমার দাস। রাত ৯টার দিকে আদালত পরিদর্শকের কক্ষের দরজা খোলা দেখে অন্য পুলিশ সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হন। তারা বাতি জ্বালালে দুই জনকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় পান। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেন তারা।

আরও পড়ুন:
ফেনীতে লরিচাপায় ৩ শ্রমিক নিহত
পূজা দেখতে গিয়ে সড়কে প্রাণ গেল ২ বন্ধুর  
সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা আহত
বাসের ধাক্কায় দিনমজুর নিহত, আহত ৪
ট্রাকচাপায় এনজিও কর্মী নিহত

শেয়ার করুন

শিপইয়ার্ডে শ্রমিকের মৃত্যু 

শিপইয়ার্ডে শ্রমিকের মৃত্যু 

পাঁচলাইশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাদেকুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জাফারাবাদে এমবি শিপইয়ার্ডে কাজ করার সময় জাহাজ থেকে পড়ে মনির আহত হন। তাকে উদ্ধার করে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় শিপইয়ার্ডে কাজ করার সময় জাহাজ থেকে পড়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ফৌজদারহাট জাফারাবাদে এমবি শিপইয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. মনির হোসেন উপজেলার মধ্যম ছলিমপুর গ্রামের বাসিন্দা।

তথ্য নিশ্চিত করে পাঁচলাইশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাদেকুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জাফারাবাদে এমবি শিপইয়ার্ডে কাজ করার সময় জাহাজ থেকে পড়ে মনির আহত হন। তাকে উদ্ধার করে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

তার মরদেহ চমেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
ফেনীতে লরিচাপায় ৩ শ্রমিক নিহত
পূজা দেখতে গিয়ে সড়কে প্রাণ গেল ২ বন্ধুর  
সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা আহত
বাসের ধাক্কায় দিনমজুর নিহত, আহত ৪
ট্রাকচাপায় এনজিও কর্মী নিহত

শেয়ার করুন

মেছো বিড়াল হত্যার প্রথম দণ্ড

মেছো বিড়াল হত্যার প্রথম দণ্ড

বন বিভাগের মামলা পরিচালক জুলহাস উদ্দিন জানান, এর আগে সাপ, বানর হত্যার ঘটনায় আদালতে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সাজা দেয়া হয়েছে। মেছো বিড়াল হত্যা নিয়ে কোনো মামলায় এই প্রথম জরিমানা করা হয়েছে।

মৌলভীবাজারে একটি মেছো বিড়াল হত্যার মামুন মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে শাস্তি দিয়েছে আদালত।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী।

বিড়াল হত্যার এক বছর পর মামুনকে সাজা হিসেবে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মৌলভীবাজার বন আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম সাইফুর রহমান সোমবার মামুন মিয়াকে সাজা দেন।

আদালত সূত্র জানিয়েছে, মেছো বিড়াল হত্যার ঘটনায় এই প্রথম বন আদালতে কাউকে সাজা দেয়া হলো।

২০২০ সালের নভেম্বরে বাড়ির পুকুরের মাছ খাওয়ার সময় সহযোগীদের নিয়ে মেছো বিড়ালটি হত্যার অভিযোগ ওঠে মামুনের বিরুদ্ধে। তিনি মৌলভীবাজারের রাজনগরের কাজীরহাট গ্রামের বাসিন্দা।

মেছো বিড়াল হত্যার প্রথম দণ্ড

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, মেছো বিড়াল হত্যা বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কাজীরহাটে মেছো বিড়ালটি হত্যার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। সেই সূত্র ধরে মামুনকে শনাক্ত করা হয়। পরে এ ঘটনায় মামলা করেন বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ফরেস্টার মো. আনিসুজ্জামান।

ঘটনার তদন্ত ও স্থানীয় লোকজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর বন আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয় রাজনগর থানা।

বন বিভাগের মামলা পরিচালক জুলহাস উদ্দিন জানান, এর আগে সাপ, বানর হত্যার ঘটনায় আদালতে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সাজা দেয়া হয়েছে। মেছো বিড়াল হত্যা নিয়ে কোনো মামলায় এই প্রথম জরিমানা করা হয়েছে।

রেজাউল করিম চৌধুরী নিউজবাংলাকে জানান, ‘দেশে এই প্রথম মেছো বিড়াল হত্যায় শাস্তি হলো। ইচ্ছা ও আন্তরিকতা থাকলে এসব অপরাধের সাজা নিশ্চিত করা সম্ভব। এই বিচার দেশের বন্যপ্রাণী রক্ষায় অবদান রাখবে।’

আরও পড়ুন:
ফেনীতে লরিচাপায় ৩ শ্রমিক নিহত
পূজা দেখতে গিয়ে সড়কে প্রাণ গেল ২ বন্ধুর  
সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা আহত
বাসের ধাক্কায় দিনমজুর নিহত, আহত ৪
ট্রাকচাপায় এনজিও কর্মী নিহত

শেয়ার করুন

সিলেবাস কমানোর দাবিতে মহাসড়কে বিক্ষোভ

সিলেবাস কমানোর দাবিতে মহাসড়কে বিক্ষোভ

ঢাকার সাভারে মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করলে সৃষ্টি হয় যানজট। ছবি: নিউজবাংলা

বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা জানায়, মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে এসএসসি-২০২২ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা তেমন পড়াশোনার সুযোগ পায়নি। ইতিমধ্যে তাদের সিলেবাসে ৩০ শতাংশ কমানো হয়েছে। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে এই সিলেবাস শেষ করা অসম্ভব। তাই সিলেবাসে ৭০ শতাংশ কমিয়ে ৩০ শতাংশ করার দাবিতে তারা মহাসড়কে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে।

সিলেবাস কমানোর দাবিতে ঢাকার সাভারে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশের আশ্বাসে প্রায় আধা ঘণ্টা পর তারা সড়ক ছেড়ে দেয়।

বৃহস্পতিবার বেলা ১টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের নবীনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিক্ষোভ করে তারা।

কর্মসূচিতে আমিন মডেল টাউন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, টাঙ্গাইল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, আমিন ক্যাডেট একাডেমি, এমএ সালাম ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও মাতাব্বর মুজিব স্কুলের প্রায় তিন শতাধিক ছাত্রছাত্রী বিক্ষোভে অংশ নেয়।

বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা জানায়, মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে এসএসসি-২০২২ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা তেমন পড়াশোনার সুযোগ পায়নি। ইতিমধ্যে তাদের সিলেবাসে ৩০ শতাংশ কমানো হয়েছে। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে এই সিলেবাস শেষ করা অসম্ভব। তাই সিলেবাসে ৭০ শতাংশ কমিয়ে ৩০ শতাংশ করার দাবিতে তারা মহাসড়কে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে।

বিক্ষোভ চলাকালে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের উভয় পাশ বন্ধ করে দেয় শিক্ষার্থীরা। এ সময় মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে থানা ও হাইওয়ে পুলিশ বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে তুলে দিলে প্রায় ৩০ মিনিট পর সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

সাভার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। এখন মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক আছে।

আরও পড়ুন:
ফেনীতে লরিচাপায় ৩ শ্রমিক নিহত
পূজা দেখতে গিয়ে সড়কে প্রাণ গেল ২ বন্ধুর  
সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা আহত
বাসের ধাক্কায় দিনমজুর নিহত, আহত ৪
ট্রাকচাপায় এনজিও কর্মী নিহত

শেয়ার করুন

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে রাবিতে ৭ দিনব্যাপী উৎসব

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে রাবিতে ৭ দিনব্যাপী উৎসব

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবাস বাংলাদেশ চত্বর।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে, 'জাতির পিতার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও কর্মময় জীবন’ শীর্ষক আলোচনায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মশিউর রহমান। উৎসবের প্রথম দিনের দ্বিতীয় পর্বে বেলা ৩টা থেকে ‘সাবাস বাংলাদেশ’ চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ৪ ডিসেম্বর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে আলোচনা সভা এবং পরে সাবাস বাংলাদেশ চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ৫ ডিসেম্বরও থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাত দিনব্যাপী বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

শুক্রবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবাস বাংলাদেশ চত্বরে উৎসবের শুরু হবে।

প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত থেকে উৎসবের উদ্বোধন করবেন মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ৩ থেকে ৫ ডিসেম্বর ও ১১ থেকে ১৪ ডিসেম্বর দুই ধাপে এ কর্মসূচি পালিত হবে।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক ড. আজিজুর রহমান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মাননীয় মেয়র ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, রাজশাহী-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ফজলে হোসেন বাদশা, রাজশাহী-৩ আসনের এমপি মো. আয়েন উদ্দিন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়া ও অধ্যাপক মো. সুলতান-উল-ইসলাম।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেবেন ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মলয় ভৌমিক।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ‘জাতির পিতার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও কর্মময় জীবন’ শীর্ষক আলোচনায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মশিউর রহমান।

উৎসবের প্রথম দিনে দ্বিতীয় পর্বে বেলা ৩টা থেকে ‘সাবাস বাংলাদেশ’ চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ৪ ডিসেম্বর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে আলোচনা সভা ও পরে সাবাস বাংলাদেশ চত্বরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ৫ ডিসেম্বরও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে।

এদিকে ১১ থেকে ১৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে সাবাস বাংলাদেশ চত্বরে শুরু হবে নাট্যোৎসব ও ১৪ ডিসেম্বর প্রামাণ্যচিত্র ‘বধ্যভূমিতে এক দিন’ প্রদর্শিত হবে।

আরও পড়ুন:
ফেনীতে লরিচাপায় ৩ শ্রমিক নিহত
পূজা দেখতে গিয়ে সড়কে প্রাণ গেল ২ বন্ধুর  
সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা আহত
বাসের ধাক্কায় দিনমজুর নিহত, আহত ৪
ট্রাকচাপায় এনজিও কর্মী নিহত

শেয়ার করুন

মেয়র আব্বাস কারাগারে, রিমান্ড শুনানি রোববার

মেয়র আব্বাস কারাগারে, রিমান্ড শুনানি রোববার

রাজশাহীর মহানগর পুলিশের আদালত পরিদর্শক হাসেম আলী জানান, বৃহস্পতিবার সকালে মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এ মেয়র আব্বাস আলীকে তোলা হয়। পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছে। বিচারক শংকর কুমার রোববার রিমান্ড শুনানির দিন ঠিক করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল বসানোয় আপত্তি তোলা রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলীকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেছে। আগামী রোববার রিমান্ডের শুনানি হবে।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার গোলাম রুহুল কুদ্দুস নিউজবাংলাকে জানান, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকায় র‌্যাবের কাছ থেকে আব্বাসকে গ্রহণ করে বোয়ালিয়া থানা পুলিশের একটি দল। রাতেই তারা রাজশাহী এসে পৌঁছান।

সকাল ৭টার দিকে পুলিশ তাকে আদালতে নিয়ে যায়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের কাছে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।

রাজশাহীর মহানগর পুলিশের আদালত পরিদর্শক হাসেম আলী জানান, বৃহস্পতিবার সকালে মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এ মেয়র আব্বাস আলীকে তোলা হয়। পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছে।

বিচারক শংকর কুমার আগামী রোববার রিমান্ড শুনানির দিন ঠিক করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

রাজধানীর হোটেল রাজমনি ইশা খাঁ থেকে বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তাকে আটক করে র‍্যাব।

ঘরোয়া একটি আলোচনায় মেয়র আব্বাস বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপনের বিরোধিতা করে কথা বলেন। ২২ নভেম্বর সেই আলোচনার অডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

২৪ নভেম্বর মেয়র আব্বাসের নামে বোয়ালিয়া থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়। মামলার বাদী নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি এবং ১৩ নম্বর কাউন্সিলর আব্দুল মোমিন।

এ ছাড়া চন্দ্রিমা থানায় নগর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও ১৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল হক সুমন এবং রাজপাড়া থানায় ১৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন একই ধরনের অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

আপত্তিকর মন্তব্যের সূত্র ধরে ২৫ নভেম্বর তাকে পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক পদ এবং ২৬ নভেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

২৫ নভেম্বর কাটাখালী পৌরসভার ১২ জন কাউন্সিলরের সবাই তার প্রতি অনাস্থা জানিয়ে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন। এই দাবির একটি আবেদন রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দিয়েছেন।

যা বলেছিলেন মেয়র আব্বাস

১ মিনিট ৫১ সেকেন্ডের বক্তব্য শোনা যাচ্ছে, তিনি একজনকে বলছেন, ‘সিটি গেট আমার অংশে। ... ফার্মকে দিয়েছে তারা বিদেশি স্টাইলে সাজিয়ে দিবে; ফুটপাত, সাইকেল লেন টোটাল আমার অংশটা। কিন্তু একটু থেমে গেছি, গেটটা নিয়ে। একটু চেঞ্জ করতে হচ্ছে যে ম্যুরালটা দিয়েছে বঙ্গবন্ধুর, সেটা ইসলামি শরিয়ত মতে সঠিক নয়। এ জন্য আমি ওটা থুব না (রাখব না), সব করব তবে শেষ মাথাতে যেটা ওটা (ম্যুরাল)।’

মেয়র আব্বাস আলী বলছেন, ‘আমি দেখতে পাচ্ছি, ম্যুরালটা ঠিক হবে না দিলে। আমার পাপ হবে; তো কেন দিব, দিব না। আমি তো কানা না, যেভাবে বুঝাইছে তাতে আমার মনে হয়েছে, ম্যুরালটা হলে আমার ভুল করা হবে।

‘এ খবরটা যদি যায় তাহলে আমার রাজনীতির বারোটা বাজবে যে এই ম্যুরাল দিছে না। তাহলে বঙ্গবন্ধুকে খুশি করতে গিয়ে আল্লাহকে নারাজ করব নাকি। এ জন্য কিছু করার নাই। মানুষকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করা যাবে না।’

এই বক্তব্যের বিষয়ে ক্ষমা চেয়ে গত শুক্রবার বিকেলে ফেসবুক লাইভে মেয়র আব্বাস বলেন, ‘আমি তো মানুষ। আমি তো ভুল করতেই পারি। তার জন্য ক্ষমা চাই। তারপরও না হলে বহিষ্কার করবেন, আমার নামে মামলা দিবেন, যতটুকু ভুল করেছি, তার জন্য, কিন্তু একের পর এক অত্যাচার-জুলুম। আমার অসুস্থ মা তিন-চার দিন না খেয়ে আছে...

‘... আমি কী এত বড় অন্যায় করেছি? অন্যায় করলে তো আইন আছে। এভাবে এত কিছু করা কী ঠিক?... আমাকে বলা হচ্ছে, আমি দলের অনুপ্রবেশকারী। আমি যদি আওয়ামী লীগ ব্যতীত অন্য কোনো দল জীবনে করে থাকি, তাহলে সব শাস্তি মাথা পেত নেব... কেউ প্রমাণ করতে পারলে সুইসাইড করব।’

আরও পড়ুন:
ফেনীতে লরিচাপায় ৩ শ্রমিক নিহত
পূজা দেখতে গিয়ে সড়কে প্রাণ গেল ২ বন্ধুর  
সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা আহত
বাসের ধাক্কায় দিনমজুর নিহত, আহত ৪
ট্রাকচাপায় এনজিও কর্মী নিহত

শেয়ার করুন