রিহ্যাব-এর নেতৃত্বে তরুণদের আহ্বান

রিহ্যাব-এর নেতৃত্বে তরুণদের আহ্বান

রিহ্যাবের নবনির্বাচিত পরিচলক ও রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মাহির আলী খান রাতুল রূপায়ণ গ্রুপের পক্ষ থেকে রিহ্যাবের নবনির্বাচিত সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন কাজলকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

গত মঙ্গলবার রিহ্যাব পরিচালনা পর্ষদ ২০২১-২৩ নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হন শামসুল আলামিন রিয়েল এস্টেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলমগীর শামসুল আলামিন কাজল। এ ছাড়াও ঢাকা থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে নির্বাচিত ২৬ জন এবং চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে নির্বাচিত ৩ জনসহ মোট ২৯ জন পরিচালক নির্বাচিত হন।

নতুন প্রজন্ম আবাসন ব্যবসায় চলে এসেছে বলে জানিয়েছেন রিয়েল এস্টেট এ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ‘রিহ্যাব’-এর নবনির্বাচিত সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন কাজল। তাই তিনি তরুণদেরকেই রিহ্যাব দেখাশোনা করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘তরুণদেরকেই রিহ্যাব লিড দিতে হবে।’

গত বুধবার রাজধানীর সোনারগাঁও রোডে ন্যাশনাল প্লাজায় রিহ্যাব পরিচালনা পর্ষদের সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

এ সময় তরুণ নেতৃত্বকে নিয়ে আসার দূরদর্শী ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান রিহ্যাবের নবনির্বাচিত পরিচালক ও রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মাহির আলী খান রাতুল। তিনি বলেন, ‘রিহ্যাব সভাপতির নেতৃত্বে নবনির্বাচিত কমিটি দেশের রিয়েল এস্টেট সেক্টরে গুনগত পরিবর্তন নিয়ে আসবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মানের আবাসন সৃষ্টিতে সহযোগিতা করে এই কমিটির তরুণরা ভবিষ্যতে রিহ্যাবের নেতৃত্ব দেবে।’

গত মঙ্গলবার রিহ্যাব-এর পরিচালনা পর্ষদ ২০২১-২৩ নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হন শামসুল আলামিন রিয়েল এস্টেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলমগীর শামসুল আলামিন কাজল। এ ছাড়াও ঢাকা থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে নির্বাচিত ২৬ জন এবং চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে নির্বাচিত ৩ জনসহ মোট ২৯ জন পরিচালক নির্বাচিত হন।

আরও পড়ুন:
ফের রিহ্যাবের সভাপতি কাজল

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এবার বেসরকারি পর্যায়ে আয়কর সেবা

এবার বেসরকারি পর্যায়ে আয়কর সেবা

বেসরকারি পর্যায়ে আয়কর রিটার্নের সেবা দিতে ‘ডিজিট্যাক্স’ নামে একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চালু করা হয়েছে। এটি চালু করেছে ইউনিভার্সাল নামে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান। এর মাধ্যমে আয়কর রিটার্ন ফরম এবং সম্পদের হিসাব-নিকাশ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে পূরণ করা যাবে।

সরকারের পাশাপাশি বেসরকারিভাবে অনলাইনে আয়কর সংক্রান্ত সেবা দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ জন্য ‘ডিজিট্যাক্স’ নামে একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চালু করা হয়েছে। এটি চালু করেছে ইউনিভার্সাল নামে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান।

শনিবার রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ)-এর কার্যালয়ে ডিজিট্যাক্সের অনলাইন ট্যাক্স অ্যাপ্লিকেশন উদ্বোধন করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কর নীতি) মো. আলমগীর হোসেন।

প্রচলিত প্রথার পাশাপাশি বর্তমানে এনবিআরের অন-লাইনে আয়কর রিটার্ন ফরম পূরণসহ যাবতীয় সেবা দেয়া হয়। এর বাইরে এই প্রথমবারের মতো বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান এই সেবা নিয়ে এলো।

বর্তমানে করদাতা শণাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএন ৬২ লাখ। এর মধ্যে রিটার্ন জমা দেয় ২৫ লাখ।

আয়োজকরা বলেছেন, এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আয়কর রিটার্ন ফরম এবং সম্পদের হিসাব-নিকাশ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে পূরণ করা যাবে। ঘরে বসেই করা যাবে আয়কর পরিশোধ এবং রিটার্ন ফাইল দাখিল।

করদাতার ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে তারা বলেন, প্রত্যেক করদাতার ব্যক্তিগত আইডি ও পাসওয়ার্ড থাকবে। তিনি ছাড়া আর কেউ এ তথ্য দেখতে পাবেন না। করদাতা তার তথ্য সংরক্ষণ করে রেখে যে কোনো সময় তা আবার লকইন করে এডিট করতে পারবেন।

এ সময় পেশাদার হিসাববিদদের সংগঠন দি ইনিস্টিটিউট অফ চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) প্রেসিডেন্ট মাহমুদুল হাসান খসরু, ঢাকা ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন, ডিজিট্যাক্সের পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার রঞ্জু ও ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এনবিআর সদস্য আলমগীর হোসেন বলেন, মানুষের মধ্যে কর দেয়ার আগ্রহ তৈরি হয়েছে। করদাতার সংখ্যাও বাড়ছে। এতো বিপুল সংখ্যক করদাতাকে প্রচলিত পদ্ধতিতে কর সেবা দেয়া সম্ভব নয়। করদাতাকে সেবা দিতে সব কিছু অনলাইন করা ও রিটার্ন দাখিল স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি করার বিকল্প নেই।

এনবিআর অনেক আগেই এ উদ্যোগটি নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অনলাইনের মাধ্যমে রিটার্ন ফরম পূরণ, দাখিল ও পেমেন্ট সিস্টেম চালু হয়েছে। বেসরকারিভাবে ডিজিট্যাক্স এগিয়ে আসায় কর সেবাকে ডিজিটাল করার উদ্যোগ আরও সহজতর হবে বলে আশা করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘রিটার্ন দাখিল অনলাইন করার পাশাপাশি ১ নভেম্বর থেকে আমরা আয়কর মাস পালন করছি। করাঞ্চলগুলোতে মেলার পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। করদাতারা স্বাচ্ছন্দে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।’

ডিজিট্যাক্স গঠনের প্রেক্ষিত তুলে ধরে ডিজিট্যাক্সের টিম মেম্বার সৈয়দা নুসরাত হায়দার বলেন, ‘আমাদের দেশে বিভিন্ন পর্যায়ের করদাতা রয়েছে, এর মধ্যে অধিকাংশই আয়কর ক্যালকুলেশনের নিয়মাবলী ও আইন-কানুন যথাযথভাবে জানেন না।

‘ফলে সুচারুভাবে রিটার্ন প্রস্তুত করতে পারেন না। এই সমস্যা সমাধানে আমরা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে সহজেই রিটার্ন প্রস্তুত করার ব্যবস্থা নিয়ে এসেছি।

‘আমাদের সিস্টেমে রয়েছ স্বয়ংক্রিয় আয়কর গণনা পদ্ধতি, যাতে করে ব্যবহারকারীরা সহজেই আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত করতে পারেন। ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে বাংলা ভাষায়ও সফটওয়্যারটি ব্যবহারের পদ্ধতি রাখা হয়েছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, করদাতা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে রিটার্ন পূরণ করে নিজে আয়কর অফিসে জমা দিতে পারেন অথবা গ্রাহক যদি চান, তবে ডিজিট্যাক্সের পেশাদার আইনজীবীর মাধ্যমে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন।

আইসিএবির প্রেসিডেন্ট মাহমুদুল হাসান খসরু বলেন, আয়কর আইন হলো পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিনতম একটি আইন। এটি প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয়। এ আইন নিয়ে এতো বড় ‍উদ্যোগ নেয়ায় ডিজিট্যাক্স প্রশংসার দাবি রাখে।

তিনি বলেন, ডিজিট্যাক্সের এ উদ্যোগটি করদাতাদের সহায়তা করবে। এর ফলে বিপুল মানুষকে রিটার্ন দাখিলে আগ্রহী করা যাবে। সরকারও রাজস্ব পাবে।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে রাখেন ডিজিট্যাক্সের উপদেষ্টা ও দেশ ইউনিভা্র্সালর নির্বাহী পরিচালক মোসারাত নাইমা।

আরও পড়ুন:
ফের রিহ্যাবের সভাপতি কাজল

শেয়ার করুন

সিটি গ্রুপের কর্মীদের জন্য প্রাইম ব্যাংকের বিশেষ সেবা

সিটি গ্রুপের কর্মীদের জন্য প্রাইম ব্যাংকের বিশেষ সেবা

সিটি গ্রুপের সঙ্গে প্রাইম ব্যাংকের চুক্তি।

প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়সাল রাহমান বলেন, ‘প্রাইম ব্যাংক দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে করপোরেটদের মধ্যে বিশ্বস্ত হিসেবে সেবা দিচ্ছে। সিটি গ্রুপের সঙ্গে এই চুক্তি গ্রাহকদের কাছে দেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রাইম ব্যাংকের পরিচিতি প্রমাণ করছে।’

সিটি গ্রুপের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কনজ্যুমার লোন, ক্রেডিট কার্ড ও অন্য কনজ্যুমার প্রোডাক্টে বিশেষ সেবা ও সুবিধা দিতে প্রাইম ব্যাংক ‘প্রাইম পেরোল’ চুক্তি করেছে।

প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়সাল রাহমান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কনজ্যুমার ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান এএনএম মাহফুজের উপস্থিতিতে ব্যাংকের হেড অফ কনজ্যুমার সেলস মামুর আহমেদ এবং সিটি গ্রুপের পরিচালক মো. হাসান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়সাল রাহমান বলেন, ‘প্রাইম ব্যাংক দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে করপোরেটদের মধ্যে বিশ্বস্ত হিসেবে সেবা দিচ্ছে। সিটি গ্রুপের সঙ্গে এই চুক্তি গ্রাহকদের কাছে দেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রাইম ব্যাংকের পরিচিতি প্রমাণ করছে।’

আরও পড়ুন:
ফের রিহ্যাবের সভাপতি কাজল

শেয়ার করুন

বসুন্ধরায় রূপায়ণ লেক ক্যাসেলে কন্ডোমিনিয়াম লাইফস্টাইলের যাত্রা শুরু

বসুন্ধরায় রূপায়ণ লেক ক্যাসেলে কন্ডোমিনিয়াম লাইফস্টাইলের যাত্রা শুরু

রূপায়ণ লেক ক্যাসেলে কন্ডোমিনিয়াম লাইফস্টাইলের অগ্রযাত্রা অনুষ্ঠানে অতিথিরা

কন্ডোমিনিয়াম পাঁচটি আবাসিক ভবনে ২৮৩টি ইউনিট রয়েছে। এখানে রয়েছে জিমনেসিয়াম, কমিউনিটি ম্যানেজমেন্ট রুম, সুইমিং পুল, সুপার শপ, প্লে গ্রাউন্ডসহ আধুনিক আবাসনের সকল সুবিধা।

বসুন্ধরায় রূপায়ণ লেক ক্যাসেলে কন্ডোমিনিয়াম লাইফস্টাইলের যাত্রা শুরু হয়েছে।

রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেড বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ১০৭ কাঠা জমির ওপর নির্মিত সম্পূর্ণ কন্ডোমিনিয়াম রূপায়ণ লেক ক্যাসেলে বৃহস্পতিবার কন্ডোমিনিয়াম লাইফস্টাইলের যাত্রা শুরু হয়।

কর্তৃপক্ষের আশা, দ্রুত সময়ের মধ্যে এই লেক ক্যাসেল স্বপ্নের ঠিকানা হয়ে উঠবে স্বপ্নবাজ আবাসন গ্রাহকদের পদচারণায়। ওয়েলকাম টু দ্য ল্যান্ড অফ পিচ, সত্যিকার অর্থেই এক শান্তির ঠিকানা হয়ে উঠবে রূপায়ণ লেক ক্যাসেল।

রাজধানীর বুকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় শতাধিক কাঠার ওপর নতুন এক স্বপ্ন বুনেছে রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেড।

এই কন্ডোমিনিয়াম পাঁচটি আবাসিক ভবনে ২৮৩টি ইউনিট রয়েছে। এখানে রয়েছে জিমনেসিয়াম, কমিউনিটি ম্যানেজমেন্ট রুম, সুইমিং পুল, সুপার শপ, প্লে গ্রাউন্ডসহ আধুনিক আবাসনের সকল সুবিধা।

কন্ডোমিনিয়াম লাইফস্টাইলের অগ্রযাত্রা অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল ও ভাইস চেয়ারম্যান জনাব মাহীর আলী খাঁন রাতুল।

এ ছাড়া, উপস্থিত ছিলেন রূপায়ণ গ্রুপের ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার আসিফ খাঁন আযান, রূপায়ণ ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ব্রিগেডিয়ার আবুল কালাম আজাদ, রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মিজানুর রহমান দেওয়ান, রূপায়ণ সিটি উত্তরার ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব মাহবুবুর রহমান, রাতুল প্রপার্টিজ লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব আলী নুর, রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (সেলস) এহসানুর রহমান, কনস্ট্রাকশন ডিপার্টমেন্টের হেড আনোয়ার হোসেন, কাস্টমার সার্ভিস ডিপার্টমেন্ট হেড প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম, সেলস কো-অর্ডিনেশন ডিপার্টমেন্ট হেড আবদুর রহিম এবং মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টের ইনচার্জ তানভীর তন্ময়।

আরও পড়ুন:
ফের রিহ্যাবের সভাপতি কাজল

শেয়ার করুন

‘মুজিবপিডিয়া’ প্রকাশে অর্থায়ন করছে সিটি ব্যাংক

‘মুজিবপিডিয়া’ প্রকাশে অর্থায়ন করছে সিটি ব্যাংক

সমঝোতা স্মারক সই করেন সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন এবং এইচসিসিবিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ‘মুজিবপিডিয়া’র সম্পাদক ফরিদ কবির।

এই গ্রন্থ প্রকাশের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বঙ্গবন্ধুর জীবনকথা শুধু তার নিজের জীবনকথা নয়, বাঙালির দীর্ঘকালের শোষণ ও তার স্বাধিকার অর্জনের বহুবর্ণিল কাহিনিও। স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হলেও, বাঙালির মুক্তির মহানায়ককে নিয়ে হাজার গ্রন্থ লেখা হলেও তাকে নিয়ে সম্পূর্ণ একটি আকরগ্রন্থের অভাব রয়েই গেছে। সেই অভাবের জায়গাটি পূরণ করতেই সিটি ব্যাংকের সহায়তায় এইচসিসিবিএল-এর এ উদ্যোগ।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে জ্ঞানকোষ ‘মুজিবপিডিয়া’ প্রকাশে যুক্ত হলো সিটি ব্যাংক। গ্রন্থটি প্রকাশের ক্ষেত্রে অর্থায়নসহ সব ধরনের সহায়তা দেবে বেসরকারি খাতের এই ব্যাংকটি।

সিটি ব্যাংক শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ‘মুজিবপিডিয়া’ প্রকাশ করতে হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার সার্কেল বাংলাদেশ লিমিটেডের (এইচসিসিবিএল) সঙ্গে এই সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক সই করেছে তারা।

সিটি ব্যাংক সেন্টারে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন এবং এইচসিসিবিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ‘মুজিবপিডিয়া’র সম্পাদক ফরিদ কবির স্বাক্ষর করেন।

১০০০ পৃষ্ঠার এ মহাগ্রন্থটি প্রকাশিত হতে যাচ্ছে এ বছর ডিসেম্বরে, বিজয় দিবসের আগে। তা প্রকাশে অর্থায়নসহ নানা সহায়তা দেবে সিটি ব্যাংক।

গ্রন্থটির প্রধান সম্পাদক কবি ও গবেষক কামাল চৌধুরী, সম্পাদক কবি ও সাংবাদিক ফরিদ কবির এবং নির্বাহী সম্পাদক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন।

এই গ্রন্থ প্রকাশের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বঙ্গবন্ধুর জীবনকথা শুধু তার নিজের জীবনকথা নয়, বাঙালির দীর্ঘকালের শোষণ ও তার স্বাধিকার অর্জনের বহুবর্ণিল কাহিনিও। স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হলেও, বাঙালির মুক্তির মহানায়ককে নিয়ে হাজার গ্রন্থ লেখা হলেও তাকে নিয়ে সম্পূর্ণ একটি আকরগ্রন্থের অভাব রয়েই গেছে। সেই অভাবের জায়গাটি পূরণ করতেই সিটি ব্যাংকের সহায়তায় এইচসিসিবিএল-এর এ উদ্যোগ।’

‘মুজিবপিডিয়া’য় এক মলাটে মিলবে বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবন, তার কর্ম ও আদর্শ, তার সুদীর্ঘ সংগ্রামের বিবরণ।

একইসঙ্গে মিলবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বাঙালির মুক্তির ইতিহাস। সঙ্গে থাকছে ঐতিহাসিক আলোকচিত্র ও তথ্য। পাশাপাশি ‘কিউআর কোড’ দিয়ে এতে যুক্ত করা হচ্ছে নতুনভাবে নির্মিত প্রায় ১০০ ভিডিওচিত্র।

আরও পড়ুন:
ফের রিহ্যাবের সভাপতি কাজল

শেয়ার করুন

মোবাইল আর্থিক সেবায় সুস্থ প্রতিযোগিতা আনার আহ্বান

মোবাইল আর্থিক সেবায় সুস্থ প্রতিযোগিতা আনার আহ্বান

বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন বলছে, একটি কোম্পানিই তাদের মতো করে এমএফএস বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নীতিমালা না থাকায় অন্য কোনো সেবা দাঁড়াতে পারছে না। এমএফএস সেবায়ও সুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হচ্ছে না।

এক দশক আগে দেশে মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) চালু করলেও একটি মাত্র প্রতিষ্ঠান মোট বাজারের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ দখল করে রেখেছে। আর্থিক সেবা খাতে গ্রাহকরা একটি কোম্পানির হাতেই জিম্মি বলে অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

তারা বলছে, একটি কোম্পানিই তাদের মতো করে এমএফএস বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নীতিমালা না থাকায় অন্য কোনো সেবা দাঁড়াতে পারছে না। এমএফএস সেবায়ও সুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হচ্ছে না।

গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সার্ভিস চার্জ আরও কমিয়ে কীভাবে বাজারে প্রতিযোগিতা আনা যায় এবং ছোট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখা যায় সে ব্যাপারে প্রতিযোগিতা কমিশনকে ব্যবস্থা নিতে কমিশনের চেয়ারপারসনকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ‘এ পর্যন্ত অনেকগুলো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের অনুমতি নিলেও কার্যক্রম করে মাত্র ১৭-১৮টি। এমএফএস খাতে বাজার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকার কারণে দু-একটি ছাড়া বাকিরা টিকতে পারেনি। আর এর সুফল ভোগ করছে মাত্র দুই-একটি আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান।’

চিঠিতে আরও বলা হয়, “ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’ মাত্র আড়াই বছরেই স্বল্প মুনাফায় গ্রাহকদের সেবা দিচ্ছে। নগদে ক্যাশ আউট চার্জ সর্বনিম্ন ১১ টাকা ৪৯ পয়সা। তা ছাড়া, বিনা খরচে সেন্ড মানি, সম্পূর্ণ ফ্রিতে বিল পে, সেভিংস-এ সর্বোচ্চ মুনাফাসহ আরও অনেক সুবিধা দিচ্ছে এই সেবাটি।”

মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন বলছে, মোবাইল আর্থিক সেবা টিকিয়ে রাখতে একক আধিপাত্য বন্ধ করা জরুরি। যথাযথ নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা নিশ্চিতসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় যত দ্রুত সম্ভব মোবাইল আর্থিক সেবার নীতিমালা প্রণয়ন করা দরকার।

তারা বলছে, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ একক আধিপত্য মুক্ত করতে সিগনিফিক্যান্ট মার্কেট পাওয়ার (এসএমপি) নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। ফলে প্রতিযোগিতায় ছোট বা মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলো না হারিয়ে সমান তালে টিকে থাকতে পারছে। এসএমপি নীতিমালার উদ্দেশ্য বাজারে একক আধিপত্য বিস্তার করা কোম্পানিকে নিয়ম-নীতির মাধ্যমে কিছুটা নিয়ন্ত্ৰণ করা। যাতে করে, সম ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে বলা হয়, গত কয়েক বছর আগে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) টেলি সেক্টরে একক আধিপত্য নিযন্ত্রণে সিগনিফিকান্ট মার্কেট পাওয়ার নীতিমালা প্রণয়ন করে। ফলে টেলিকম সেক্টরে গ্রামীণ ফোনের একক আধিপাত্য কমেছে। মার্কেটে টিকে থাকার সুযোগ তৈরি হয়েছে দেশীয় টেলিকম কোম্পানি টেলিটকসহ অন্যান্য টেলিকম অপারেটরের। এজন্য মোবাইল আর্থিক সেবা নিয়ন্ত্রণে বাজার নিয়ন্ত্রণ পলিসি প্রয়োজন।

চিঠিতে তারা বলেন, মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানে বিকাশ প্রতি হাজারে ক্যাশ আউট চার্জ ১৮ টাকা ৫০ পয়সা। আর সেন্ড মানি বা এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে টাকা পাঠাতে গেলে প্রতি লেনদেনে নেয়া হয় ৫ থেকে ১০ টাকা।

ইউটিলিটি বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে বিকাশের চার্জ সবচেয়ে বেশি। এসব বিল দেয়ার ক্ষেত্রে বিকাশ চার্জ ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত। জমা টাকায় মুনাফা দেয় সাড়ে ৪ শতাংশ।

মোবাইল ব্যাংকিং সেবা রকেটেও প্রতি হাজারে ক্যাশ আউটে খরচ গুণতে হয় ১৮ টাকা। সেন্ড মানি এবং ইউটিলিটি বিল দেবার ক্ষেত্রে কোনো খরচ করতে হয় না।

নতুন এসে সবচেয়ে কম খরচে সেবা দিচ্ছে ডাক বিভাগের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা নগদ। প্রতি হাজার টাকা ক্যাশ আউটে প্রতিষ্ঠানটি চার্জ নিচ্ছে ১১ টাকা ৪৯ পয়সা। নগদ-এ সেন্ড মানির ক্ষেত্রে কোনো টাকা গুণতে হয় না গ্রাহকদের। ইউটিলিটি বিলও নেয়া হচ্ছে না কোনো অর্থ। আর জমা টাকায় মুনাফা দেয়া হয় সাড়ে ৬ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
ফের রিহ্যাবের সভাপতি কাজল

শেয়ার করুন

কুমিল্লার মুন্সিরহাটে এসআইবিএলের ১৬৯তম শাখা

কুমিল্লার মুন্সিরহাটে এসআইবিএলের ১৬৯তম শাখা

কুমিল্লার মুন্সিরহাটে এসআইবিএলের ১৬৯তম শাখার উদ্বোধন হয় সম্প্রতি। ছবি: নিউজবাংলা

প্রধান কার্যালয় থেকে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কাজী ওসমান আলী প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে শাখাটির উদ্বোধন করেন।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড (এসআইবিএল) সম্প্রতি কুমিল্লার মুন্সিরহাটে ব্যাংকের ১৬৯তম শাখার উদ্বোধন করেছে।

প্রধান কার্যালয় থেকে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কাজী ওসমান আলী প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে শাখাটির উদ্বোধন করেন।

ওই সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাজুল ইসলাম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু নাসের চৌধুরী, সিরাজুল হক ও সামছুল হক, কোম্পানি সচিব আবদুল হান্নান খান, মার্কেটিং অ্যান্ড ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ডিভিশনের প্রধান মো. মনিরুজ্জামান এবং ব্রাঞ্চেস কন্ট্রোল অ্যান্ড জেনারেল ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান সাইফ আল-আমীন।

অনুষ্ঠানে অংশ নেন মুন্সিরহাট শাখার ব্যবস্থাপক, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা।

আরও পড়ুন:
ফের রিহ্যাবের সভাপতি কাজল

শেয়ার করুন

টাকা ব্যয় করতে পারে না স্বাস্থ্য খাত

টাকা ব্যয় করতে পারে না স্বাস্থ্য খাত

স্বাস্থ্য খাতে এবার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১৩ হাজার কোটি টাকা। অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে খরচ হয়েছে মাত্র ৩০৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ শতকরা হারে মোট বরাদ্দের ২.৩৩ শতাংশ খরচ হয়েছে।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে সরকার। সে অনুযায়ী অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের চেয়ে বরাদ্দও বাড়িয়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্য খাত সে অনুযায়ী ব্যয় করতে পারছে না।

করোনার মধ্যে পর পর দুই বছর স্বাস্থ্য খাতের প্রকল্প বাস্তবায়নের এ চিত্র দেখা গেছে। ব্যয়ের দিক থেকে স্বাস্থ্য খাত দৈন্যদশা থেকে কিছুতেই বের হতে পারছে না।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন (আইএমইডি) বিভাগের সবশেষ পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার স্বাস্থ্যসেবা খাতে মাত্র ২.৩৩ শতাংশ এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগে ৬.১৮ শতাংশ।

সব মিলিয়ে আলোচ্য অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে গড়ে বাস্তবায়নের হার দাঁড়িয়েছে ৪ শতাংশের সামান্য বেশি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউজবাংলাকে বলেছেন, বর্ষা, দরপত্রে বিলম্বসহ নানা কারণে অর্থবছরের শুরুতে কাজের ধীরগতি থাকে। শীত মৌসুমে বাস্তবায়নে গতি আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যের বেশির ভাগ প্রকল্প বৈদেশিক সহায়তাপুষ্ট। বিদেশি প্রকল্পে অর্থ ছাড়ে বিলম্ব হয়। ফলে অর্থ যথাসময়ে খরচ করা যায় না।’

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে স্বাস্থ্য খাতে এডিপিতে মোট ৬০টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। এর মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে ৪৬টি। বাকি ১৪টি স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের।

আইএমইডির পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এডিপিতে স্বাস্থ্যসেবা খাতে বরাদ্দ ১৩ হাজার কোটি টাকা। প্রথম তিন মাসে খরচ হয়েছে মাত্র ৩০৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ শতকরা হারে মোট বরাদ্দের ২.৩৩ শতাংশ খরচ হয়েছে।

অন্যদিকে বর্তমান অর্থবছরে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগে বরাদ্দ দেয়া হয় ২ হাজার ৫৫৮ কোটি টাকা। তিন মাসে তারা ব্যয় করেছে ৬.১৮ শতাংশ বা ১৫৮ কোটি টাকা।

ফলে সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪৬১ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে, যা শতকরা হারে ৪.২৫ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে স্বাস্থ্য খাতে বাস্তবায়নের হার ছিল গড়ে সাড়ে ৪ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরে অনুন্নয়ন ও উন্নয়ন মিলিয়ে স্বাস্থ্য খাতে মোট বরাদ্দ ৩২ হাজার কোটি টাকা। এর বাইরে করোনার টিকা কেনায় বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, শুধু বরাদ্দ বাড়িয়ে স্বাস্থ্য খাতের নাজুক অবস্থার পরিবর্তন হবে না। ব্যয়ের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থহীন ব্যয়ের অভিযোগগুলোরও সমাধান করতে হবে। এ খাতকে ঢেলে সাজাতে দীর্ঘ মেয়াদে একটি রোডম্যাপ বা পথ নকশা করার তাগিদ দিয়েছেন তারা।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘বাজেটে যে পরিমাণ বরাদ্দ দেয়া হয়, সেটাও পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয় না। আবার বরাদ্দের বেশির ভাগ টাকা চলে যায় ভৌত অবকাঠামো, বেতন-ভাতা ও প্রশাসনিক ব্যয়ে।

‘প্রকৃতপক্ষে রোগীর সেবার জন্য বরাদ্দ খুবই কম। তবে এটাও ঠিক শুধু বরাদ্দ বাড়ালে হবে না। সেই সঙ্গে এ খাতে দুর্নীতি-অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দূর করতে হবে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় আমূল সংস্কার করতে হবে।’

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, এডিপিতে মোট বরাদ্দের ৮৪ শতাংশ অর্থ খরচ হয় সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১৫টি মন্ত্রণালয়ে। যার মধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অন্যতম।

বাস্তবায়নের চিত্র

চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে মোট এডিপির আকার ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রথম তিন মাসে খরচ হয়েছে ১৯ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা, যা শতকরা হারে ৮.২৬ শতাংশ।

গত অর্থবছরের একই সময়ে বাস্তবায়নের হার ছিল ৮.০৬ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের শুধু সেপ্টেম্বরে টাকা খরচ হয়েছে ১০ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা, যা শতকরা হারে ৪.৪ শতাংশ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিআইডিএসের সাবেক ঊর্ধ্বতন গবেষণা পরিচালক, বর্তমানে অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত বলেন, ‘বাংলাদেশে এডিপি বাস্তবায়নের দুর্বল দিক হচ্ছে অর্থবছরে প্রথম দিকে খুব কমই টাকা ব্যয় হয়। শেষ দিকে ব্যয়ের চাপ বেশি থাকায় কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন থাকে। এই সংস্কৃতি থেকে বের হতে হবে।’

আরও পড়ুন:
ফের রিহ্যাবের সভাপতি কাজল

শেয়ার করুন