ইউরোপের ৩ দেশে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ইউরোপের ৩ দেশে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গ্লাসগো, লন্ডন ও প্যারিস সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘ আয়োজিত জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলনে (কপ-২৬) যোগ দিতে ১ থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত গ্লাসগোতে অবস্থান করবেন প্রধানমন্ত্রী। সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে বক্তব্য দেবেন তিনি।

যুক্তরাজ্য, স্কটল্যান্ড ও ফ্রান্স সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আগামী ৩১ অক্টোবর এ সফর শুরু হচ্ছে।

রোমানিয়া ও সার্বিয়া সফর থেকে ফিরে পররাষ্ট্র ভবনে বৃহস্পতিবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন।

তিনি জানান, গ্লাসগো, লন্ডন ও প্যারিস সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘ আয়োজিত জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলনে (কপ-২৬) যোগ দিতে ১ থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত গ্লাসগোতে অবস্থান করবেন প্রধানমন্ত্রী। সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে বক্তব্য দেবেন তিনি।

পরে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের জন্য লন্ডনে যাবেন শেখ হাসিনা। সেখান থেকে তিনি সরাসরি প্যারিসে যাবেন ইউনেসকো প্রবর্তিত ‘বঙ্গবন্ধু ক্রিয়েটিভ পুরস্কার’ দিতে।

ইউরোপের ৩ দেশে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

মোমেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কপ-২৬ শীর্ষ বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্য ৩১ অক্টোবর গ্লাসগোর উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন। তিনি সেখানে ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) প্রেসিডেন্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন। এ ছাড়া সাইডলাইনে কপ ২৬-সিভিএফের একটি বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

‘সেখান থেকে তিনি লন্ডনে যাবেন। আমরা চেষ্টা করছি সেখানে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় একটি বৈঠকের জন্য। এ নিয়ে কাজ হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘যুক্তরাজ্য দ্বিপক্ষীয় ওই বৈঠকটি গ্লাসগোতে করতে চাইছে, কিন্তু আমরা চাই, এটি লন্ডনে হোক। আমরা বলেছি, এটি লন্ডনে হলে ভালো হয়।

‘এরপর ফেরার পথে ইউনেসকো কর্তৃক প্রদেয় বঙ্গবন্ধু পুরস্কার দেয়ার জন্য লন্ডন থেকে সরাসরি প্যারিসে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। আমরা চাই এবার এই পুরস্কার প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতেই দিক।’

তিনি জানান, ১১ নভেম্বর ওই পুরস্কারটি দেয়া হবে।

৪০ হাজার শ্রমিক নেবে রোমানিয়া

দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের দেশ রোমানিয়া তাদের দেশের উন্নয়নে ৪০ হাজার শ্রমিক নেবে।

আব্দুল মোমেন বলেন, ‘রোমানিয়া বাংলাদেশ থেকে ৪০ হাজার শ্রমিক নেয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে, তবে তারা সরকারিভাবে সবকিছু করতে চায় এবং অবৈধভাবে সেখানে যারা যাবে, তাদের ফেরত পাঠাবে। সেখানে অবৈধ থাকার কোনো সুযোগ নেই।

‘আমি তাদের বলেছি, আমাদের তো প্রাইভেট সেক্টর লোক পাঠায়। তখন তারা বলেছে, দুই দেশের সরকারের মাধ্যমে একটা বডি তৈরির মাধ্যমেই তারা তাদের প্রয়োজনীয় লোক নেবে।’

তিনি বলেন, ‘রোমানিয়ার শ্রমিকরা এখন পশ্চিম ইউরোপের উন্নত দেশগুলোতে চলে যাওয়ায় তারা শ্রমিক সংকটে পড়েছে। যতদূর জেনেছি তারা প্লাম্বার, কনস্ট্রাকশন ওয়ার্কার, মেনটেইন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার, নার্স, ডাক্তার, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার নেবে।

‘আমাদের প্রবাসী কল্যাণের এদের পাঠাতে হবে, ওরা কী কী খাতে শ্রমিক নিতে চায়, আর আমরা কী কী দিতে পারি, সে বিষয়ে আলোচনা করার জন্য।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে রোমানিয়ার কোনো মিশন না থাকায় সমস্যা হচ্ছে। কেন না শ্রমিক নেয়ার জন্য বাংলাদেশে মিশন থাকলে সুবিধা হবে। আমরা এখানে মিশন খোলার জন্য অনুরোধ করেছি। আমরা এখন পর্যন্ত এক হাজার জনকে পাঠিয়েছি।

‘রোমানিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছি আমাদের দেশের লোককে এখন ভিসা নিতে দিল্লি যেতে হয়, কিন্তু করোনার কারণে দিল্লি যাওয়াও কঠিন। এখনও ৩০০ জনের ভিসা দিল্লিতে আটকে আছে। তখন তিনি বলেছেন, যতদিন ঢাকায় মিশন না হচ্ছে, ততদিন এক সপ্তাহের জন্য ঢাকায় লোক পাঠানো হবে ভিসা দিতে। তারা এক সপ্তাহ থেকে ভিসা দিয়ে চলে আসবে। প্রতি মাসে এটা হতে পারে।’

৮৬০ জনকে ফেরত পাঠাচ্ছে জার্মানি

সার্বিয়া ও রোমানিয়া থেকে জার্মানিতে আশ্রয় নেয়া ৮৬০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে দেশটি। এরা উন্নত জীবনের লক্ষ্যে জার্মানিতে পালিয়ে গিয়েছিল।

মোমেন বলেন, ‘আগে এটা হতো সহজেই, কিন্তু এখন সবকিছু কঠিন। আমরা অবৈধদের ফেরত আনার জন্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) ও জার্মানির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। আমরা আইনের জালে বন্দি। তাদের ফেরত আনা হচ্ছে। ২৪ অক্টোবর থেকে এরা ফিরতে শুরু করবে।’

আরও পড়ুন:
বন্যার সঙ্গে বসবাস শিখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
শান্তির জন্য ব্যবহার করব পারমাণবিক শক্তি: প্রধানমন্ত্রী
আরও একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দক্ষিণাঞ্চলে
জাতিসংঘ সফর রাষ্ট্রপতিকে জানালেন প্রধানমন্ত্রী
২১০০ সালের সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পরিকল্পনা প্রস্তুত

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আবাসিকে গ্যাস সংযোগ দিতে নির্দেশ কেন নয়: হাইকোর্ট

আবাসিকে গ্যাস সংযোগ দিতে নির্দেশ কেন নয়: হাইকোর্ট

একইসঙ্গে আবাসিকে গ্যাস সংযোগ দিতে সরকারের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না সেটিও জানতে চাওয়া হয়েছে।

আবাসিকে গ্যাস সংযোগ না দিয়ে টাকা ফেরত দেয়ার সিদ্ধান্ত কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে আবাসিকে গ্যাস সংযোগ দিতে সরকারের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না সেটিও জানতে চাওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি আবেদনকারীদের গ্যাস সংযোগ দিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না সে বিষয়টিও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

চার সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব (জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ), পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান, গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান তিতাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, কর্ণফুলীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাখরাবাদের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ওয়াজি উল্লাহ, সঙ্গে ছিলেন আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী ও আফরোজা সুলতানা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

গত ২৭ এপ্রিল বিদ্যুৎ, জালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মাসিক সমন্বয় সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ‘আবাসিকে গ্যাস সংযোগ আর চালুর সুযোগ না থাকায় ডিমান্ড নোটের প্রেক্ষিতে যারা টাকা জমা দিয়েছিল তাদেরকে ক্রস চেকের মাধ্যমে টাকা ফেরত দেয়ার কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।’

সরকারের এ সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে চট্টগ্রাম গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি গ্রাহক ঐক্যজোটের সভাপতি আলমগীর নূর ও মহাসচিব একেএম অলিউল্লাহ হক ও সাধারণ গ্রাহক মো. নুরুল আলম গত ৪ অক্টোবর হাইকোর্টে রিট করেন।

রিটকারীদের আইনজীবী ওয়াজি উল্লাহ বলেন, ‘আইনে বলা আছে, ডিমান্ড নোটের (চাহিদাপত্র) প্রেক্ষিতে গ্যাস সংযোগের জন্য টাকা জমা নেয়া হলে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের গ্যাস সংযোগ দিতে সরকার বাধ্য। কিন্তু টাকা জমা নেয়ার পর নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও তাদের গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়নি, বরং তাদের টাকা ফেরত দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, যা আইন সম্মত নয়। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে আমরা আদালতে এসেছি। আদালত শুনানি শেষে রুল জারি করেছেন।’

আরও পড়ুন:
বন্যার সঙ্গে বসবাস শিখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
শান্তির জন্য ব্যবহার করব পারমাণবিক শক্তি: প্রধানমন্ত্রী
আরও একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দক্ষিণাঞ্চলে
জাতিসংঘ সফর রাষ্ট্রপতিকে জানালেন প্রধানমন্ত্রী
২১০০ সালের সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পরিকল্পনা প্রস্তুত

শেয়ার করুন

বাউল রিতা দেওয়ানসহ ৩ জনের বিচার শুরু

বাউল রিতা দেওয়ানসহ ৩ জনের বিচার শুরু

রিতা দেওয়ানসহ তিনজনের বিচার শুরু হয়েছে সাইবার ট্রাইব্যুনালে। ফাইল ছবি

ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন সোমবার আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী বছরের ২৭ জানুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ঠিক করেন।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় বাউল রিতা দেওয়ানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দিয়েছে সাইবার ট্রাইব্যুনাল।

এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো আসামিদের বিচার।

ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন সোমবার আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী বছরের ২৭ জানুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ঠিক করেন।

বিচার শুরু হওয়া অপর দুই আসামি হলেন শাজাহান ও ইকবাল হোসেন।

সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর নজরুল ইসলাম শামীম অভিযোগ গঠনের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

আজ তিন আসামিই আদালতে হাজির হন। তাদের পক্ষে আইনজীবীরা অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন করা হয়।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের কাছে জানতে চান, তারা দোষী নাকি নির্দোষ। আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান। এরপর আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেয়।

গত বছরের ৩১ জানুয়ারি আইনজীবী ইমরুল হাসান রিতা দেওয়ানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেন ।

অভিযোগে বলা হয়, ইমরুল ফেসবুক ও ইউটউিবে দেখতে পান, রিতা দেওয়ান একটি পালা গানের আসরে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করতে গিয়ে ধর্মীয় বিষয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন।

অভিযোগটি তদন্তে পুলিশের বিশেষায়িত সংস্থা পিবিআইয়ের কাছে প্রতিবেদন চান বিচারক।

গত বছরের ২০ অক্টোবর পিবিআইয়ের পরিদর্শক শেখ মো. মিজানুর রহমান তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। সেই প্রতিবেদন আমলে নিয়ে গত বছরের ২ ডিসেম্বর আদালত রিতা দেওয়ানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। পরে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন রিতা।

১ ফেব্রুয়ারি ইউটিউবে ভাইরাল গানটির বিষয়ে ক্ষমা চেয়েছেন রিতা দেওয়ান।

‘গান রুপালি এইচডি’ নামক একটি ইউটিউব চ্যানেলে দুই মেয়েসহ করা একটি ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘এ কথাটা আমার ভুল হয়ে গেছে। মুসলিম ভাই-বোনদের কাছে আমি বলব, আমার ভুল হয়ে গেছে। আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। আমি যেন আর কোনো দিনও ভুল না করি।’

আরও পড়ুন:
বন্যার সঙ্গে বসবাস শিখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
শান্তির জন্য ব্যবহার করব পারমাণবিক শক্তি: প্রধানমন্ত্রী
আরও একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দক্ষিণাঞ্চলে
জাতিসংঘ সফর রাষ্ট্রপতিকে জানালেন প্রধানমন্ত্রী
২১০০ সালের সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পরিকল্পনা প্রস্তুত

শেয়ার করুন

পাঁচ বছরের কন্যাকে মায়ের জিম্মায় দিতে রুল

পাঁচ বছরের কন্যাকে মায়ের জিম্মায় দিতে রুল

শিশুটির মায়ের পক্ষের আইনজীবী আব্দুল কাইয়ুম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আদালত আমাদের আবেদনের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছে। সেই সঙ্গে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শিশুটিকে বিদেশে নেয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।’

পাঁচ বছরের কন্যাকে দেশের বাইরে না নিতে বাবা মুসফেক আলমের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে ওই সন্তানকে মায়ের জিম্মায় দিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত।

এ সংক্রান্ত এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার বিচারপতি মাহমুদুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে মায়ের পক্ষে শুনানি করেন খুরশীদ আলম খান, জেড আই খান পান্না ও এম. আব্দুল কাইয়ুম।

পরে আব্দুল কাইয়ুম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আদালত আমাদের আবেদনের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছেন। সেই সঙ্গে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শিশুটিকে বিদেশে নেয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।’

তিনি বলেন, গত ১৭ মাস ধরে শিশু কন্যাকে মা দেখতে পাচ্ছেন না। সন্তানকে নিজের জিম্মায় চেয়ে মা নিম্ন আদালতে আবেদন করেছিলেন। নিম্ন আদালত শিশুটিকে ভার্চুয়ালি দেখার সুযোগ দিয়ে আবেদনটি খারিজ করে দেয়। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। আদালত শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেয়।

৫ বছরের কন্যা সন্তানকে নিজের জিম্মায় নিতে গত ২০ অক্টোবর হাইকোর্টে আবেদন করেন শিশুটির মা তাসনোভা ইকবাল। আবেদনে সন্তানকে দেড় বছর ধরে দেখতে না দেয়ার অভিযোগ আনা হয়। এ ছাড়া, শিশুকে বিদেশ না নিতে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়।

এতে বিবাদী করা হয় শিশুটির বাবা মুসফেক আলম সৈকত, দাদা পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম ও দাদী মোমতাজ আলমকে।

রাজধানী গুলশানের বাসিন্দা তাসনোভা ইকবালের বাবা ইকবাল কামাল ও মা নাজমা সুলতানা।

আরও পড়ুন:
বন্যার সঙ্গে বসবাস শিখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
শান্তির জন্য ব্যবহার করব পারমাণবিক শক্তি: প্রধানমন্ত্রী
আরও একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দক্ষিণাঞ্চলে
জাতিসংঘ সফর রাষ্ট্রপতিকে জানালেন প্রধানমন্ত্রী
২১০০ সালের সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পরিকল্পনা প্রস্তুত

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধু হত্যার ‘কুশীলব’ খুঁজতে তদন্ত কমিশন চেয়ে রিট

বঙ্গবন্ধু হত্যার ‘কুশীলব’ খুঁজতে তদন্ত কমিশন চেয়ে রিট

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডিতে নিজ বাসভবনে কিছু বিপদগামী সেনার হাতে সপরিবারে হত্যার শিকার হন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

আইনজীবী সুবীর নন্দী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র এবং তার পরের পদক্ষেপ সম্পূর্ণ পর্যালোচনা ও নিরীক্ষার জন্য একটি স্বাধীন জাতীয় কমিশন চেয়ে রিট করেছি।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরীবারে হত্যার পেছনের ‘কুশীলবদের’ খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সুবীর নন্দী দাস হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট করেন।

রিটে মন্ত্রী পরিষদ সচিব, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং অর্থ সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

আইনজীবী সুবীর নন্দী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র এবং তার পরের পদক্ষেপ সম্পূর্ণ পর্যালোচনা ও নিরীক্ষার জন্য একটি স্বাধীন জাতীয় কমিশন চেয়ে রিট করেছি।’

রিটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কদের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত কমিশন গঠনের নজির এবং সংশ্লিষ্ট আইনের আলোকে বিভিন্ন দেশের আদালতের রায়ের আলোকে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে।

বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির জন্য আগামী সপ্তাহে উপস্থাপন করা হবে বলেও জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী।

আরও পড়ুন:
বন্যার সঙ্গে বসবাস শিখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
শান্তির জন্য ব্যবহার করব পারমাণবিক শক্তি: প্রধানমন্ত্রী
আরও একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দক্ষিণাঞ্চলে
জাতিসংঘ সফর রাষ্ট্রপতিকে জানালেন প্রধানমন্ত্রী
২১০০ সালের সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পরিকল্পনা প্রস্তুত

শেয়ার করুন

সাতক্ষীরার চারজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শেষ

সাতক্ষীরার চারজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শেষ

ধানমন্ডির তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির প্রধান সানাউল হক। ছবি: নিউজবাংলা

সংস্থাটি জানায়, সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ ও দেবহাটা থানা এলাকার বাসিন্দা আকবর আলী শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করা হয়েছে। চার আসামির মধ্যে আকবর আলী ছাড়া অন্যরা পলাতক রয়েছে।

একাত্তরে সংঘটিত হত্যা, গণহত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠণসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

সোমবার ধানমন্ডির তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির প্রধান সানাউল হক এ তথ্য জানান। এটি তদন্ত সংস্থার ৭৯তম প্রতিবেদন।

সংস্থাটি জানায়, সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ ও দেবহাটা থানা এলাকার বাসিন্দা আকবর আলী শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করা হয়েছে। চার আসামির মধ্যে আকবর আলী ছাড়া অন্যরা পলাতক রয়েছে।

চার আসামির বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ এনে তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে।

অভিযোগ-১ এ বলা হয়েছে- ১৯৭১ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর আনুমানিক সময় ৪টার সময় রহমতুল্লা মোড়ল, তার ছেলে গোলাম মোস্তফা মোড়লকে সঙ্গে করে সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানাধীন নলতা হাটে বাজার করতে যান।

এ সময় মুক্তিযোদ্ধা আনছারুল মাহমুদ নলতা হাটে সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ সড়কের একটি বাসে পাকিস্তানি সেনা থাকার সন্দেহে গ্রেনেড ছুড়ে। কিন্তু তাতে কেউ হতাহত হয়নি। গ্রেনেড ছুড়ার প্রতিশোধ নিতে বিকেল ৫টার দিকে আসামিরা পাকিস্তানি আর্মির সঙ্গে ইন্দ্রনগর মাদ্রাসায় একত্র হয়ে নলতা হাটে আক্রমণ করে। এ সময় রাজাকাররা স্বরাব্দীপুর গ্রামের মাদার আলী গাজীকে গুলি করে হত্যা করে।

এ ঘটনায় রাজাকারদের গুলিতে ইন্দ্রনগর গ্রামের আব্দুল রহমান ওরফে মেদু মোড়ল ও রহমতুল্লাহ মোড়ল গুরুতর আহত হন। ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায় নিজ বাড়িতে রহমতুল্লাহ মোড়লের মৃত্যু হয়।

অভিযোগ- ২ এ বলা হয়, ১৯৭১ সালে ৬ মে আনুমানিক ১২টার সময় সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানার ইন্দ্রনগর মাদ্রাসার রাজাকার ক্যাম্প হতে আসামিরাসহ পাকিস্তানি সেনারা দেবহাটার হাদিপুর গ্রামের ঘোষবাড়িতে হামলা করে।

সেখান থেকে নরেন্দ্রনাথ ঘোষকে আটক করে বাড়ির পেছনে নিয়ে গুলি হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলে দেয়। এরপর তারা শরৎচন্দ্র ঘোষ, গোপিনাথ ঘোষ, হেমনাথ ঘোষ এবং ওয়াজেদ আলী বিশ্বাসকে আটক করে বাড়ির দক্ষিণ দিকে ডোবায় নিয়ে সারিবদ্ধভাবে হত্যা করে লাশ পানিতে ফেলে রাখে। সেখানে নরেন্দ্রনাথ ঘোষের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বাধা দিতে গেলে আসামিরা তাকে আটক করে নির্যাতন করে। ঘোষ বাড়ির মালামাল লুট করে এবং অগ্নিসংযোগ করে।

মামলার তদন্ত করেন শাহজাহান কবীর। এ মামলায় ১৯ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বন্যার সঙ্গে বসবাস শিখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
শান্তির জন্য ব্যবহার করব পারমাণবিক শক্তি: প্রধানমন্ত্রী
আরও একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দক্ষিণাঞ্চলে
জাতিসংঘ সফর রাষ্ট্রপতিকে জানালেন প্রধানমন্ত্রী
২১০০ সালের সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পরিকল্পনা প্রস্তুত

শেয়ার করুন

প্রযোজক রাজের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ

প্রযোজক রাজের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ

প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ। ছবি: সংগৃহীত

মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন বিচারক। সোমবার শুনানির সময় আসামিদের আদালতে আনা হয়। শুনানি শেষে আবার তাদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

রাজধানীর বনানী থানায় করা মাদক মামলায় প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ ও তার সহযোগী সবুজ আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছে আদালত।

সোমবার ঢাকার মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদারের আদালত এ অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।

মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন বিচারক। শুনানির সময় আসামিদের আদালতে আনা হয়। শুনানি শেষে আবার তাদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে চার্জশিট দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক গিয়াস উদ্দিন।

৪ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর বনানীতে নজরুল ইসলাম রাজের বাসা ও অফিসে অভিযান চালায় র‍্যাব। রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজকে তার বাসা থেকে বের করা হয়। পরে তার বাসা থেকে মাদক জব্দ করা হয়।

পরদিন আদালত মাদক মামলায় রাজ ও তার সহযোগীকে চার দিনের রিমান্ড দেন।

১০ আগস্ট রাজ ও সবুজ আলীর মাদক মামলায় আরও দুই দিন এবং পর্নোগ্রাফি মামলায় চার দিনের রিমান্ড অনুমোদন করে আদালত।

১৮ আগস্ট রিমান্ড শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।

২৯ আগস্ট রাজের আবার রিমান্ড আবেদন করে সিআইডি। আদালত রিমান্ড আবেদন নাকচ করে আদেশ দেয়।

আরও পড়ুন:
বন্যার সঙ্গে বসবাস শিখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
শান্তির জন্য ব্যবহার করব পারমাণবিক শক্তি: প্রধানমন্ত্রী
আরও একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দক্ষিণাঞ্চলে
জাতিসংঘ সফর রাষ্ট্রপতিকে জানালেন প্রধানমন্ত্রী
২১০০ সালের সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পরিকল্পনা প্রস্তুত

শেয়ার করুন

৮৩ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

৮৩ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি। ফাইল ছবি

ঢাকার মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলামের আদালতে সোমবার এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য তারিখ ঠিক করা ছিল। কিন্তু বরাবরের মতো এদিনও মামলাটির তদন্তের দায়িত্বে থাকা র‍্যাব প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হয়।

আরও একবার পেছাল সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন। আলোচিত মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন এই নিয়ে ৮৩ বার পেছাল।

ঢাকার মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলামের আদালতে সোমবার এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য তারিখ ঠিক করা ছিল। কিন্তু বরাবরের মতো এদিনও মামলাটির তদন্তের দায়িত্বে থাকা র‌্যাব প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হয়।

পরে আদালত প্রতিবেদন জমার নতুন তারিখ রাখে ২৪ নভেম্বর।

মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আসামি আটজন। অন্য আসামিরা হলেন বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল, তানভীর ও আবু সাঈদ।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রুনি নিজ ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন:
বন্যার সঙ্গে বসবাস শিখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
শান্তির জন্য ব্যবহার করব পারমাণবিক শক্তি: প্রধানমন্ত্রী
আরও একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দক্ষিণাঞ্চলে
জাতিসংঘ সফর রাষ্ট্রপতিকে জানালেন প্রধানমন্ত্রী
২১০০ সালের সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পরিকল্পনা প্রস্তুত

শেয়ার করুন