আরজে নিরবের পর এবার কিউকমের সিইও রিমান্ডে

আরজে নিরবের পর এবার কিউকমের সিইও রিমান্ডে

কিউকমের সিইও রিপন মিয়া

পণ্য সরবরাহ না করে ৫৬ লাখ ৫৭ হাজার ৬৮৯ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে আব্দুল্লাহ খান শৈশব নামে এক শিক্ষার্থী গত ৭ অক্টোবর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় মামলাটি করেছিলেন।

আরজে নিরবের পর এবার কিউকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে এক দিনের হেফাজতে পেয়েছে পুলিশ।

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে করা একটি প্রতারণা মামলায় বুধবার ঢাকার মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলাম রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ৩ অক্টোবর রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরদিন পল্টন থানায় দায়ের করা ডিজিটার নিরাপত্তা আইনের মামলায় এ আসামির দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ওই মামলায় রিমান্ড শেষে রিপনকে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার মামলায় ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের উপপরিদর্শক রুহুল আমিন।

মামলার শুনানিকালে রিপনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। তার পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হায়ধার তানভীরুজ্জামান রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধীতা করা হয়।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিপন মিয়ার একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পণ্য সরবরাহ না করে ৫৬ লাখ ৫৭ হাজার ৬৮৯ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে আব্দুল্লাহ খান শৈশব নামে এক শিক্ষার্থী গত ৭ অক্টোবর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় মামলাটি করেছিলেন। মামলায় কিউকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন মিয়া, তার স্ত্রী সৈয়দা তাসমিনা তারিন, আরজে নিরবসহ ৬ জনকে আসামি করা হয়।

এ মামলায় গত ৮ অক্টোবর কিউকমের বিপণন বিভাগের প্রধান হূমায়ুন কবির নিরব ওরফে আরজে নিরবকে রাজধানীর আদাবর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওইদিনই নিরবের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে ১০ অক্টোবর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন:
তিনজনের অর্ডার ২৩ বাইক
কিউকমের গুদামে গোয়েন্দা পরিচয়ে হানা, নিয়ে গেল বাইক
কিউকমের সিইও রিপন মিয়া ২ দিনের রিমান্ডে
কিউকমে ভিভো ভি ২০, ভিভো ভি ২০ এসই ফোনে ছাড়
স্পোর্টস মোটরবাইক পাওয়া যাবে কিউকমে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

লাইসেন্সধারী ইউনানী কারখানায় ফের নকল ওষুধ

লাইসেন্সধারী ইউনানী কারখানায় ফের নকল ওষুধ

নকল ওষুধসহ গ্রেপ্তারকৃত জহির।

ওই কারখানা থেকে ২ হাজার ৫৫০ পিস ক্যাপসুল, ২৫০টি খালি কৌটা, ৫০ হাজার পিস খালি ক্যাপসুলের সেল ও এক হাজার কাগজের লেভেল জব্দ করা হয়েছে।

ইউনানী ওষুধ উৎপাদনের লাইসেন্স নিয়ে কারখানায় বানানো হয় নকল ওষুধ। এবার এমন আরও একটি কারখানার সন্ধান পেয়েছে গোয়েন্দারা।

শনিবার রাতে খিলগাঁও পূর্বনন্দী পাড়ার নেওয়াজবাগ এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল ওষুধসহ কারখানার মালিককে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের লালবাগ বিভাগ।

রোববার গ্রেপ্তারকৃত ড্রাগ ফেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের মালিক মোহাম্মদ জহিরকে আদালতে পাঠানো হলে তাকে এক দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নকল ওষুধ বানানোর কথা স্বীকার করেছেন জহির। কীভাবে, কাদের মাধ্যমে এসব ওষুদ বাজারজাত করা হয়, এ ব্যাপারে তথ্য পেয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

ডিবি লালবাগের কোতয়ালী জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সাইফুর রহমান আজাদ জানান, গ্রেপ্তারের আগে জহির ওষুধ তৈরি ও বিক্রির জন্য ঔষধ প্রশাসনের কোনো কাগজ দেখাতে পারেননি।

বিপুল পরিমাণ নকল আয়ুর্বেদিক ওষুধ উদ্ধার সম্পর্কে ডিবি কর্মকর্তা বলেন, ‘তার কারখানা থেকে ২ হাজার ৫৫০ পিস ক্যাপসুল, ২৫০টি খালি কৌটা, ৫০ হাজার পিস খালি ক্যাপসুলের সেল ও এক হাজার কাগজের লেভেল জব্দ করা হয়েছে।’

এসব নকল ওষুধ ড্রাগ ফেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস (ইউনানী)-এর মোড়কে কার্ডোভিট মাল্টিভিটামিন অ্যান্ড মাল্টিমিনারেল নামে বাজারে সরবরাহ করা হয়। এগুলো তৈরির জন্য ঔষধ প্রশাসনের কোন অনুমোদন নেই।

ডিবি পুলিশের অভিযোগ, ইউনানি লাইসেন্সের আড়ালে নকল ওষুধ বানাচ্ছে একটি চক্র। জহিরও এই চক্রের সদস্য। এই বিপজ্জনক প্রতারণার সঙ্গে আরও যারা জড়িত তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
তিনজনের অর্ডার ২৩ বাইক
কিউকমের গুদামে গোয়েন্দা পরিচয়ে হানা, নিয়ে গেল বাইক
কিউকমের সিইও রিপন মিয়া ২ দিনের রিমান্ডে
কিউকমে ভিভো ভি ২০, ভিভো ভি ২০ এসই ফোনে ছাড়
স্পোর্টস মোটরবাইক পাওয়া যাবে কিউকমে

শেয়ার করুন

চোর চিনে ফেলায় প্রাণ হারান স্বামী-স্ত্রী

চোর চিনে ফেলায় প্রাণ হারান স্বামী-স্ত্রী

নুরুল আমিন ও তার স্ত্রী কামরুন নাহার। ছবি: সংগৃহীত

পিবিআই পরিদর্শক কবির আহমেদ জানান, চাঁদপুরের শাহরাস্তি নাওড়া এলাকায় গত ১ জুলাই সকাল ১০টায় বাড়ির ছাদে পাওয়া যায় গৃহকর্তা নুরুল আমিনের মরদেহ। তার স্ত্রী কামরুন নাহারের রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায় ঘরের ফ্লোরে।

বাড়ির গেট খোলা পেয়ে ভেতরে ঢুকেছিল পরিচিত চোর মালেক। তাকে চিনে ফেলার কারণে হত্যা করা হয় গৃহকর্তা নুরুল আমিনে ও তার স্ত্রী কামরুন নাহারকে।

চাঁদপুরের শাহরাস্তি নাওড়া এলাকার এ জোড়া খুনের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গ্রেপ্তার করা হয়েছে খুনে সরাসরি জড়িত আবদুল মালেক ও তার দুই সহযোগীকে।

পিবিআই জানায়, চাঁদপুরের নুরুল আমিন ও কামরুন নাহার দম্পতিকে হত্যার ঘটনায় আবদুল মালেক নামের এক আসামিকে শুক্রবার রাত ৮টায় লাকসাম রেলওয়ে জংশন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে মালেক জোড়া খুনের বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন।

মামলাটি তদন্ত করছেন চাঁদপুর জেলার পিবিআই পরিদর্শক কবির আহমেদ। তিনি জানান, গত ১ জুলাই সকাল ১০টায় নিজ বাড়ির ছাদে পাওয়া যায় গৃহকর্তা নুরুল আমিনের মরদেহ। তার স্ত্রী কামরুন নাহারের রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায় ঘরের ফ্লোরে। এ দম্পতির ছেলে জাকারিয়া আহমেদ বাদী হয়ে শাহরাস্তি থানায় মামলা করেন। আসামি করা হয় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের।

শাহরাস্তি থানার পুলিশ প্রায় এক মাস তদন্ত করে হত্যার মোটিভ ও খুনিদের ব্যাপারে ধারণা মেলাতে পারেনি। পরে বাদীর আবেদনে আদালত তদন্তের দায়িত্ব দেয় পিবিআইকে।

চোর চিনে ফেলায় প্রাণ হারান স্বামী-স্ত্রী
চাঁদপুরে দম্পতি খুনের ঘটনায় পিবিআই গ্রেপ্তার করেছে আবদুল মালেক নামের আসামিকে। ছবি: সংগৃহীত

আসামি মালেককে জিজ্ঞাসাবাদের পর পিবিআই জানায়, ঘটনার রাতে নুরুল আমিনের বাড়ির গেট খোলা পেয়ে মালেক চুরি করতে ভেতরে ঢোকেন। সিঁড়ি দিয়ে উঠে ছাদে অবস্থান নেন।

রাত সাড়ে ৯টার দিকে নুরুল ছাদে উঠলে তাকে পেছন থেকে রড দিয়ে আঘাত করেন। মাথায় আঘাত পেয়ে তিনি পড়ে যান। তখন তার গলায় মোজা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে মৃত্যু নিশ্চিত করেন।

এরপর মালেক ছাদ থেকে নেমে ঘরের মালামাল লুটের চেষ্টা করেন। তখন একটি ফাইল কেবিনেটের ড্রয়ার টানাটানি করলে জেগে যান কামরুন নাহার। তিনি ঘরের লাইট জ্বালাতেই সামনে দেখতে পান মালেককে। মূলত চিনে ফেলার কারণে লোহার রড দিয়ে তার মাথায় আঘাত করা হয়। কামরুন নাহার রক্তাক্ত অবস্থায় ফ্লোরে পড়ে গেলে মালেক তার কানের দুল ও নুরুল আমিনের মোবাইল ফোন নিয়ে আবার ছাদে যান। হত্যায় ব্যবহার করা লোহার রড ছাদ থেকে উত্তর দিকে ছুঁড়ে ফেলে দেন তিনি। এরপর কাঁঠাল গাছ বেয়ে নিচে নেমে পালিয়ে যান।

পিবিআই জানায়, চুরি করা সেই মোবাইল ফোনটি মালেক বিক্রি করেছিলেন ইলিয়াছ হোসেন নামের একজনের কাছে। তাকে সহযোগিতা করেছিলেন বশির নামের আরেকজন। মালেকের সঙ্গে এ দুজনকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জোড়া খুনের ঘটনায় তার সঙ্গে আর কারা ছিল তা জানতে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

আরও পড়ুন:
তিনজনের অর্ডার ২৩ বাইক
কিউকমের গুদামে গোয়েন্দা পরিচয়ে হানা, নিয়ে গেল বাইক
কিউকমের সিইও রিপন মিয়া ২ দিনের রিমান্ডে
কিউকমে ভিভো ভি ২০, ভিভো ভি ২০ এসই ফোনে ছাড়
স্পোর্টস মোটরবাইক পাওয়া যাবে কিউকমে

শেয়ার করুন

চালককে খুন করে ইয়াবাসেবীদের অটোরিকশা ছিনতাই

চালককে খুন করে ইয়াবাসেবীদের অটোরিকশা ছিনতাই

গ্রেপ্তারকৃত ছিনতাই চক্রের সদস্যরা। ছবি: নিউজবাংলা

গাজীপুর, টঙ্গি, পূবাইল ও পূর্বাচল এলাকায় এ ধরনের ৮-১০টি ছিনতাই চক্র সক্রিয় আছে বলে জানান র‌্যাব অধিনায়ক লে. কর্ণেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

ছিনতাই চক্রের সবাই ইয়াবা আসক্ত। ইয়াবার টাকা জোগাড় করতেই নিয়মিত ছিনতাই করে তারা।

গত ১৫ অক্টোবর রাতে গাজীপুরের কালীগঞ্জ পূর্বাচলের ফাঁকা রাস্তায় চালক সাইফুল ইসলামকে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে তার অটোরিকশা ও মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যায় এই চক্রের সদস্যরা। পরে স্থানীয়রা নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মারা যান সাইফুল।

এ ঘটনায় শনিবার রাতে ছিনতাই চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১। এ সময় তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও ছিনতাইকৃত অটোরিকশা সহ অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আজিজুল ইসলাম, মো. ইমন খান, মেহেদী হাসান হৃদয় প্রকাশ মাসুম, বিজয় আহম্মেদ, আলাউদ্দিন ও মো. আরজু মিয়া।

রোববার বিকেল পাঁচটায় কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-১-এর অধিনায়ক (সিও) লে. কর্ণেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন।

তিনি বলেন, ‘গত ১৫ অক্টোবর রাতে গাজীপুর কালীগঞ্জ পূর্বাচলের ২৬ নং সেক্টরের ২০২ নং সড়কের ৫৮ নং ব্রিজ এলাকায় সাইফুল ইসলাম খুন হন। পরে নিহতের বড় ভাই শাহ আলম গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। মামলার ছায়া তদন্ত শুরু করে র‌্যাব-১। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে রাজধানীর উত্তরখান ও গাজীপুরের পূবাইল থেকে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানান, গত ১৫ অক্টোবর বিকেলে আজিজুল ইসলাম, ইমন ও পলাতক আসামী জুয়েল অটোরিকশা চালকের হাত-পা বেঁধে ও মুখে কচটেপ লাগিয়ে ইজিবাইক ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা সহযোগী বিজয় ও হৃদয় প্রকাশ মাসুমকে ফোন করে উত্তরখান ময়নারটেক এলাকায় আসতে বলেন। পরে একত্রিত হয়ে ময়নারটেক থেকে হরদি যাওয়ার জন্য সাইফুল ইসলামের অটোরিকশাটি দুইশ টাকায় ভাড়া করেন।

অটোরিকশাটি ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্রই জুয়েল ছুরি দিয়ে চালক সাইফুল ইসলামের গলায় পোচ দেন। পরে আজিজুল তার কাছে থাকা ছুরি দিয়ে এবং ইমন জুয়েলের ছুরি নিয়ে সাইফুলের শরীরের অন্যান্য স্থানেও আঘাত করেন। এসময় জুয়েল ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নিয়ে নেন এবং তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় রাস্তায় ফেলে দেন। ইমন অটোরিকশা চালিয়ে গাজীপুরের পুবাইল মিরের বাজারে দিকে পালিয়ে যান।

জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতরা একটি সংঘবদ্ধ অটোরিকশা ছিনতাই চক্রের সদস্য। এই চক্রের নেতা আলাউদ্দিন। অটোরিকশা চালক পরিচয়ের আড়ালে সংঘবদ্ধভাবে অটোরিকশা ছিনতাই করাই তার আসল কাজ। ১০-১২ জনের সংঘবদ্ধ দলটি রাজধানীর উত্তরখান, টঙ্গি ও গাজীপুর এলাকায় অটোরিকশা ছিনতাই করে আসছিল নিয়মিত।

চক্রের অন্যতম সদস্য আজিজুল ও আরজু ছিনতাইকৃত অটোরিকশা এবং অন্যান্য মালামাল বিক্রি করেন।

র‌্যাব-১ অধিনায়ক লে. কর্ণেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন বলেন, ‘অল্প টাকায় চক্রের সদস্যরা ছিনতাইয়ে ভাড়ায় অংশ নেয়। এই ঘটনার আগেও তারা ৪-৫টি ছিনতাই করেছে। চক্রের সবাই মাদকসেবী। তারা ইয়াবার টাকা ও হাত খরচ জোগাতেই নিয়মিত ছিনতাই করে।’

মোমেন জানান, খুব অল্প দামে কয়েক হাত বদলে ছিনতাই করা অটোরিকশা বিক্রি করে চক্রটি। সর্বশেষ অটোরিকশাটি তারা ৬০ হাজার টাকার চুক্তিতে ছিনতাই করলেও এটি বিক্রি করেছিল মাত্র ২০ হাজার টাকায়।

তিনি বলেন, ‘যেহেতু অটোরিকশার কোনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর নেই। তাই ছিনতাই হলেও এই বাহন খুঁজে বের করা খুব কঠিন। অটোরিকশার ব্যাটারির দাম বেশি। চক্রের নেতা আলাউদ্দিন এসব ব্যাটারি বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে দেয়।’

গাজীপুর, টঙ্গি, পূবাইল ও পূর্বাচল এলাকায় এ ধরনের ৮-১০টি ছিনতাই চক্র সক্রিয় আছে বলেও জানান র‌্যাব অধিনায়ক। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

আরও পড়ুন:
তিনজনের অর্ডার ২৩ বাইক
কিউকমের গুদামে গোয়েন্দা পরিচয়ে হানা, নিয়ে গেল বাইক
কিউকমের সিইও রিপন মিয়া ২ দিনের রিমান্ডে
কিউকমে ভিভো ভি ২০, ভিভো ভি ২০ এসই ফোনে ছাড়
স্পোর্টস মোটরবাইক পাওয়া যাবে কিউকমে

শেয়ার করুন

বংশালে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

বংশালে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

আবেদ বলেন, ‘আমার ভাই নেশাপানি করত। কখনও গাজা কখনও ইয়াবা সেবন করত। তবে কারও ক্ষতি করত না। নেশাপানি করে বাসায় চলে আসত। আমাদের প্রশ্ন, আমার ভাই এই বাসায় কেন আসল? এই অবস্থা কেন মারা গেল? আমরা চাই, সুষ্ঠুভাবে তদন্তের মাধ্যমে ময়নাতদন্ত করা হোক।’

রাজধানীর বংশালে মোহাম্মদ জাবেদ নামে এক ব্যক্তির রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।

রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মাহুতটুলির চান মসজিদের গলির একটি বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

৩৮ বছর বয়সী জাবেদ মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানিয়েছে পরিবার।

নিহতের ভাই মো. আবেদ বলেন, ‘আমার ভাই নিকেলের কাজ করে। কাজ শেষে যত রাতই হোক বাসায় চলে আসে। শনিবার রাত ৯টার দিকে খাওয়া-দাওয়া সেরে বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি।’

তিনি বলেন, ‘সকালে লোকজনের মাধ্যমে খবর পাই, আমার ভাই ওয়াসি উদ্দিন মিয়ার চারতলা বাড়ির নিচতলায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে এসে দেখি তার কান এবং চোখ দিয়ে রক্ত ঝরছে। পায়ের হাঁটুতে জখম। পরে বংশাল থানায় খবর দিই।’

আবেদ বলেন, ‘আমার ভাই নেশাপানি করত। কখনও গাজা কখনও ইয়াবা সেবন করত। তবে কারও ক্ষতি করত না। নেশাপানি করে বাসায় চলে আসত। আমাদের প্রশ্ন, আমার ভাই এই বাসায় কেন আসল? এই অবস্থা কেন মারা গেল? আমরা চাই, সুষ্ঠুভাবে তদন্তের মাধ্যমে ময়নাতদন্ত করা হোক।’

তিনি বলেন, ‘রিপোর্ট খারাপ আসলে আমরা মামলা করব। আমাদের পাঁচ ভাই দুই বোনের জাবেদ চতুর্থ। সে অবিবাহিত ছিল।’

বংশাল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দুলাল আহম্মেদ বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে দুপুর ১টার দিকে ঘটনাস্থলে যাই। এলাকার লোকজনদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি, তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন। ওই বাড়িতে কীভাবে গেলেন, এ বিষয়ে এই মুহূর্তে বলা যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে জাবেদ স্ট্রোক করে মারা গেছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে আসল রহস্য বের হয়ে আসবে।’

আরও পড়ুন:
তিনজনের অর্ডার ২৩ বাইক
কিউকমের গুদামে গোয়েন্দা পরিচয়ে হানা, নিয়ে গেল বাইক
কিউকমের সিইও রিপন মিয়া ২ দিনের রিমান্ডে
কিউকমে ভিভো ভি ২০, ভিভো ভি ২০ এসই ফোনে ছাড়
স্পোর্টস মোটরবাইক পাওয়া যাবে কিউকমে

শেয়ার করুন

প্রতারক শাহীরুল দুই দিনের রিমান্ডে

প্রতারক শাহীরুল দুই দিনের রিমান্ডে

শাহীরুলের কাছ থেকে উদ্ধার করা অস্ত্র।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক কামরুল হক জিহান শাহীরুলকে আদালতে হাজির করে রামপুরা থানায় করা অস্ত্র আইনের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। পরে আদালত দুই দিনের রিমান্ড আদেশ দেয়।

অস্ত্র আইনের মামলায় কথিত মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান এবং সিকিউরিটি অ্যান্ড গার্ড সার্ভিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পরিচয়ে গ্রেপ্তার প্রতারক শাহীরুল ইসলাম সিকদারকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দুই দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

রোববার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্যমহানগর হাকিম আবু বকর ছিদ্দিক এ আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক কামরুল হক জিহান শাহীরুলকে আদালতে হাজির করে রামপুরা থানায় করা অস্ত্র আইনের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

আসামির পক্ষে অ্যাডভোকেট তুহিন হাওলাদার রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়।

শুনানি শেষে আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড আদেশ দেয়।

শুক্রবার রাতে রাজধানীর রামপুরা থানার বনশ্রী এলাকার বাসা ও প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে শাহীরুলকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

সোলায়মান হোসেনসহ অনেকে ভুক্তভোগী প্রতারক শাহীরুলের বিরুদ্ধে র‌্যাবের কাছে চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণার বিষয়ে অভিযোগ করেন।

এরপর র‌্যাব-৪ এর একটি গোয়েন্দা দল ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তে জানা যায়, শাহীরুল নিজেকে মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি অ্যান্ড গার্ড সার্ভিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলে দাবি করতেন। এসব পরিচয়ে চাকরি দেয়ার নামে মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেন।

বাহিনীটি বলছে, রাজধানীতে শাহীরুলের বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাট ও জমিসহ দৃশ্যমান প্রায় ৫০ কোটি টাকার সম্পদের খোঁজ পাওয়া গেছে।

এ ছাড়া তার কথিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি অ্যান্ড গার্ড সার্ভিসেস লিমিটেড, হোমল্যান্ড ফাউন্ডেশন অফ বাংলাদেশ, মানবাধিকার সংস্থা, শাহীরুল অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, হোমল্যান্ড হাউজিং, হোমল্যান্ড বেভারেজ অ্যান্ড অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, মাদারল্যান্ড সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিমিটেড, বাংলাদেশ আউট সোর্সিং অ্যান্ড পাওয়ার সাপ্লাইয়ার্স অ্যাসোশিয়েশন।

আটকের পর এ ঘটনায় র‌্যাব-৪ এর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার আনোয়ার হোসেন মামলাটি করেন।

আরও পড়ুন:
তিনজনের অর্ডার ২৩ বাইক
কিউকমের গুদামে গোয়েন্দা পরিচয়ে হানা, নিয়ে গেল বাইক
কিউকমের সিইও রিপন মিয়া ২ দিনের রিমান্ডে
কিউকমে ভিভো ভি ২০, ভিভো ভি ২০ এসই ফোনে ছাড়
স্পোর্টস মোটরবাইক পাওয়া যাবে কিউকমে

শেয়ার করুন

পলাশীতে সুপারিগাছ থেকে পড়ে রিকশাচালকের মৃত্যু

পলাশীতে সুপারিগাছ থেকে পড়ে রিকশাচালকের মৃত্যু

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া জানান, সুপারি পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে মৃত্যু হওয়া রিকশাচালকের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। ফাইল ছবি

ওয়াহিদুলের স্ত্রী মাকসুদা বেগম জানান, বেলা তিনটার দিকে রিকশা নিয়ে পলাশী কোয়ার্টারে যান তিনি। সেখানে রিকশা রেখে গাছে ওঠেন। হঠাৎ অসাবধানতাবশত তিনি নিচে পড়ে যান। এ সময় মাথায় আঘাত পান তিনি।

রাজধানীর লালবাগ থানাধীন পলাশী মোড় স্টাফ কোয়ার্টারে সুপারি পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে এক রিকশাচালকের মৃত্যু হয়েছে। তার নাম ওয়াহিদুল ইসলাম।

রোববার ওয়াহিদুলের স্ত্রী মাকসুদা বেগম জানান, বেলা তিনটার দিকে রিকশা নিয়ে পলাশী কোয়ার্টারে যান তিনি। সেখানে রিকশা রেখে গাছে ওঠেন। হঠাৎ অসাবধানতাবশত তিনি নিচে পড়ে যান। এ সময় মাথায় আঘাত পান তিনি।

কোয়ার্টারের বাসিন্দা মোহাম্মদ হানিফ মিয়াসহ কয়েকজন তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি মারা যান।

ওয়াহিদুল ইসলামের স্ত্রী মাকসুদা বেগম বলেন, ‘আজ দুপুরে কাজের উদ্দেশ্যে গ্যারেজ থেকে রিকশা নিয়ে বের হন তিনি। পরে লোক মারফত জানতে পারি আমার স্বামী সুপারিগাছ থেকে পড়ে গেছে। ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসার ঘণ্টাখানিক পর আমার স্বামী মারা যান।’

তিনি আরও বলেন, ‘কামরাঙ্গীরচর মনির চেয়ারম্যানের গলিতে নিজামের বাড়িতে সপরিবারে ভাড়া থাকি। আমাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।’

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘পলাশী কোয়ার্টারে সুপারি পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে এক রিকশাচালক ঢামেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
তিনজনের অর্ডার ২৩ বাইক
কিউকমের গুদামে গোয়েন্দা পরিচয়ে হানা, নিয়ে গেল বাইক
কিউকমের সিইও রিপন মিয়া ২ দিনের রিমান্ডে
কিউকমে ভিভো ভি ২০, ভিভো ভি ২০ এসই ফোনে ছাড়
স্পোর্টস মোটরবাইক পাওয়া যাবে কিউকমে

শেয়ার করুন

রেনু হত্যা মামলায় সাক্ষ্য শুরু

রেনু হত্যা মামলায় সাক্ষ্য শুরু

গৃহবধূ তাসলিমা বেগম রেনু। ফাইল ছবি

উত্তর বাড্ডায় ২০১৯ সালের ২০ জুলাই ছেলেধরা সন্দেহে তাসলিমা বেগম রেনুকে পিটিয়ে আহত করে বিক্ষুব্ধ জনতা। গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। উত্তর বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিজের সন্তানের ভর্তির ব্যাপারে খোঁজ নিতে গিয়ে মর্মান্তিক এ ঘটনার শিকার হন রেনু।

রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় ছেলেধরা সন্দেহে গৃহবধূ তাসলিমা বেগম রেনুকে পিটিয়ে হত্যার মামলায় সাক্ষ্য নেয়া শুরু হয়েছে।

ঢাকার ৬ষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফাতিমা ইমরোজ ক্ষনিকার আদালতে মামলার বিচার কাজ চলছে।

সেখানে রোববার সাক্ষ্য দেন নিহতের দুই ভাগ্নে সৈয়দ নাসির উদ্দিন টিটু ও অনিকুর রহমান। সুরতহাল প্রস্তুতকারী বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক গোলাম মোস্তফাও এদিন সাক্ষ্য দেন।

তাদের সাক্ষ্য নেয়া শেষে আদালত আগামি বছরের ১১ জানুয়ারী মামলার পরবর্তী তারিখ ঠিক করেন।

মামলার বাদী নাসির উদ্দিন টিটু বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

সাক্ষ্য নেয়ার সময় রোববার ১৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে গত ১ এপ্রিল চার্জগঠন করেন একই আদালত।

আসামিরা হলেন- ইব্রাহিম ওরফে হৃদয় মোল্লা, রিয়া বেগম ময়না, আবুল কালাম আজাদ, কামাল হোসেন, মো. শাহিন, বাচ্চু মিয়া, মো. বাপ্পি ওরফে শহিদুল ইসলাম, মুরাদ মিয়া, সোহেল রানা, আসাদুল ইসলাম, বেল্লাল মোল্লা, মো. রাজু ওরফে রুম্মান হোসেন ও মহিউদ্দিন।

জাফর হোসেন পাটোয়ারী ও ওয়াসিম আহমেদ নামে দুজন আসামি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের বিচার শিশু আদালতে হচ্ছে।

২০১৯ সালের ২০ জুলাই রাজধানীর বাড্ডার একটি স্কুলে সন্তানের ভর্তির বিষয়ে খোঁজ নিতে গিয়ে ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত হন তাসলিমা বেগম রেনু। এ ঘটনায় অজ্ঞাত ৫০০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন রেনুর ভাগ্নে সৈয়দ নাসির উদ্দিন টিটু।

গত বছর ১০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ইন্সপেক্টর আব্দুল হক ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক দুইজনের বিরুদ্ধে দোষীপত্র দাখিল করেন।

আরও পড়ুন:
তিনজনের অর্ডার ২৩ বাইক
কিউকমের গুদামে গোয়েন্দা পরিচয়ে হানা, নিয়ে গেল বাইক
কিউকমের সিইও রিপন মিয়া ২ দিনের রিমান্ডে
কিউকমে ভিভো ভি ২০, ভিভো ভি ২০ এসই ফোনে ছাড়
স্পোর্টস মোটরবাইক পাওয়া যাবে কিউকমে

শেয়ার করুন