দৌলতদিয়ায় ফের ৪ কিমি যানজট

দৌলতদিয়ায় ফের ৪ কিমি যানজট

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাট পারের অপেক্ষায় থাকা যানবাহনের জট। ছবি: নিউজবাংলা

গোয়ালন্দ মোড়ে আটকে থাকা কুষ্টিয়া থেকে আসা ট্রাকচালক মো. জামাল বলেন, ‘আমরা গতকাল রাতে এসে এখানে আটকে আছি। গরমে খুব কষ্ট হচ্ছে। কখন ফেরিতে উঠতে পারব কিছুই বুঝছি না।’

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও দেখা দিয়েছে যানজট। ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পদ্মার মোড় পর্যন্ত ৪ কিলোমিটারজুড়ে যানবাহনের জট লেগে আছে বুধবার ভোর থেকেই। দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেখা গেছে এই পরিস্থিতি।

দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে গোয়ালন্দ মোড় থেকে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া মহাসড়কে আরও ২ কিলোমিটারজুড়ে পণ্যবাহী ট্রাকের সিরিয়াল আছে। ঘাটের চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে এখানে ট্রাকগুলোকে অপেক্ষায় রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এর আগে মঙ্গলবার ভোর থেকে ঘাটের এই অংশে ছিল প্রায় ৩ কিলোমিটারের যানজট। পরিস্থিতি বিকেলের পর থেকে স্বাভাবিক হতে থাকে।

ঘাট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথে আবারও ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় দৌলতদিয়া ঘাটে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। ফেরি পার হতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করতে হচ্ছে যানবাহনগুলোকে। এ কারণে জট দেখা দিয়েছে।

ঘাট এলাকায় দেখা গেছে পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও বাসের লম্বা সিরিয়াল। তবে অগ্রাধিকার দিয়ে বাস ও কাঁচামালবাহী ট্রাকগুলো পার করা হচ্ছে।

দীর্ঘ সময় যানজটে বসে গরমে নাকাল যানচালক ও যাত্রীরা। অনেকেই রাত থেকে এসে সিরিয়াল না পেয়ে আটকে আছেন।

গোয়ালন্দ মোড়ে আটকে থাকা কুষ্টিয়া থেকে আসা ট্রাকচালক মো. জামাল বলেন, ‘আমরা গতকাল রাতে এসে এখানে আটকে আছি। গরমে খুব কষ্ট হচ্ছে। কখন ফেরিতে উঠতে পারব কিছুই বুঝছি না।’

খুলনা থেকে ঢাকাগামী বাসের যাত্রী আকাশ মীর বলেন, ‘সকাল থেকে ঘাটে আটকে আছি। প্রায় ২ ঘণ্টা হয়ে গেল আটকে আছি। এখনও ঘাটের দেখা পাইনি।’

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক শিহাব উদ্দিন (বাণিজ্য) জানান, ঘাটে এখন ১৮টি ফেরি চলছে।

তিনি বলেন, ‘পাটুরিয়া ঘাটে ড্রেজিংয়ের কাজ চলায় ফেরি পার হতে একটু সময় লাগছে। তাছাড়া শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে ফেরি বন্ধ থাকায় এখানে চাপ পড়ছে।

‘আমরা অগ্রাধিকার দিয়ে পচনশীল ট্রাক এবং বাস পার করছি। মূলত অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ থাকায় দৌলতদিয়ায় সিরিয়াল হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
পাটুরিয়ায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি
৩ কিমি দীর্ঘ ট্রাকের সারি দৌলতদিয়ায়
পদ্মার দুই ঘাটেই যানবাহনের সারি
দৌলতদিয়া ঘাটে ৫ কিলোমিটার যানজট
দৌলতদিয়া ঘাটে ৩ কিলোমিটার যানজট

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ক্ষুধা মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ দক্ষিণ এশিয়া চান প্রধানমন্ত্রী

ক্ষুধা মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ দক্ষিণ এশিয়া চান প্রধানমন্ত্রী

গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন ঢাকায় নবনিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী। ছবি: নিউজবাংলা

পাকিস্তান বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহী বলে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জানিয়েছেন ঢাকায় নবনিযুক্ত দেশটির হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী। ১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে পাকিস্তান সফরের ছবির পেইন্টিং এবং ভিডিও ফুটেজ উপহার দেন প্রধানমন্ত্রীকে।

ক্ষুধা ও নিরক্ষরতার অভিশাপ মুক্ত হতে এবং এ অঞ্চলের জনগণের কল্যাণে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে একযোগে কাজ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ঢাকায় নবনিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সোমবার সরকারপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় পাকিস্তাতি দূত।

বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

পাকিস্তান বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহী বলে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী।

পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পাঠানো একটি বার্তার কপি শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করেন হাইকমিশনার।

১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে পাকিস্তান সফরের ছবির পেইন্টিং এবং ভিডিও ফুটেজও উপহার দেন প্রধানমন্ত্রীকে।

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্মৃতির স্মারক হস্তান্তর করার জন্য দেশটির হাইকমিশনারকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে পাকিস্তান বাংলায় একটি ক্যালিগ্রাফি বই প্রকাশ করায় প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এসময় অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
পাটুরিয়ায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি
৩ কিমি দীর্ঘ ট্রাকের সারি দৌলতদিয়ায়
পদ্মার দুই ঘাটেই যানবাহনের সারি
দৌলতদিয়া ঘাটে ৫ কিলোমিটার যানজট
দৌলতদিয়া ঘাটে ৩ কিলোমিটার যানজট

শেয়ার করুন

আবাসিকে গ্যাস সংযোগ দিতে নির্দেশ কেন নয়: হাইকোর্ট

আবাসিকে গ্যাস সংযোগ দিতে নির্দেশ কেন নয়: হাইকোর্ট

একইসঙ্গে আবাসিকে গ্যাস সংযোগ দিতে সরকারের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না সেটিও জানতে চাওয়া হয়েছে।

আবাসিকে গ্যাস সংযোগ না দিয়ে টাকা ফেরত দেয়ার সিদ্ধান্ত কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে আবাসিকে গ্যাস সংযোগ দিতে সরকারের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না সেটিও জানতে চাওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি আবেদনকারীদের গ্যাস সংযোগ দিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না সে বিষয়টিও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

চার সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব (জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ), পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান, গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান তিতাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, কর্ণফুলীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাখরাবাদের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ওয়াজি উল্লাহ, সঙ্গে ছিলেন আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী ও আফরোজা সুলতানা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

গত ২৭ এপ্রিল বিদ্যুৎ, জালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মাসিক সমন্বয় সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ‘আবাসিকে গ্যাস সংযোগ আর চালুর সুযোগ না থাকায় ডিমান্ড নোটের প্রেক্ষিতে যারা টাকা জমা দিয়েছিল তাদেরকে ক্রস চেকের মাধ্যমে টাকা ফেরত দেয়ার কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।’

সরকারের এ সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে চট্টগ্রাম গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি গ্রাহক ঐক্যজোটের সভাপতি আলমগীর নূর ও মহাসচিব একেএম অলিউল্লাহ হক ও সাধারণ গ্রাহক মো. নুরুল আলম গত ৪ অক্টোবর হাইকোর্টে রিট করেন।

রিটকারীদের আইনজীবী ওয়াজি উল্লাহ বলেন, ‘আইনে বলা আছে, ডিমান্ড নোটের (চাহিদাপত্র) প্রেক্ষিতে গ্যাস সংযোগের জন্য টাকা জমা নেয়া হলে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের গ্যাস সংযোগ দিতে সরকার বাধ্য। কিন্তু টাকা জমা নেয়ার পর নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও তাদের গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়নি, বরং তাদের টাকা ফেরত দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, যা আইন সম্মত নয়। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে আমরা আদালতে এসেছি। আদালত শুনানি শেষে রুল জারি করেছেন।’

আরও পড়ুন:
পাটুরিয়ায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি
৩ কিমি দীর্ঘ ট্রাকের সারি দৌলতদিয়ায়
পদ্মার দুই ঘাটেই যানবাহনের সারি
দৌলতদিয়া ঘাটে ৫ কিলোমিটার যানজট
দৌলতদিয়া ঘাটে ৩ কিলোমিটার যানজট

শেয়ার করুন

বাউল রিতা দেওয়ানসহ ৩ জনের বিচার শুরু

বাউল রিতা দেওয়ানসহ ৩ জনের বিচার শুরু

রিতা দেওয়ানসহ তিনজনের বিচার শুরু হয়েছে সাইবার ট্রাইব্যুনালে। ফাইল ছবি

ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন সোমবার আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী বছরের ২৭ জানুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ঠিক করেন।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় বাউল রিতা দেওয়ানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দিয়েছে সাইবার ট্রাইব্যুনাল।

এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো আসামিদের বিচার।

ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন সোমবার আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী বছরের ২৭ জানুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ঠিক করেন।

বিচার শুরু হওয়া অপর দুই আসামি হলেন শাজাহান ও ইকবাল হোসেন।

সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর নজরুল ইসলাম শামীম অভিযোগ গঠনের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

আজ তিন আসামিই আদালতে হাজির হন। তাদের পক্ষে আইনজীবীরা অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন করা হয়।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের কাছে জানতে চান, তারা দোষী নাকি নির্দোষ। আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান। এরপর আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেয়।

গত বছরের ৩১ জানুয়ারি আইনজীবী ইমরুল হাসান রিতা দেওয়ানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেন ।

অভিযোগে বলা হয়, ইমরুল ফেসবুক ও ইউটউিবে দেখতে পান, রিতা দেওয়ান একটি পালা গানের আসরে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করতে গিয়ে ধর্মীয় বিষয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন।

অভিযোগটি তদন্তে পুলিশের বিশেষায়িত সংস্থা পিবিআইয়ের কাছে প্রতিবেদন চান বিচারক।

গত বছরের ২০ অক্টোবর পিবিআইয়ের পরিদর্শক শেখ মো. মিজানুর রহমান তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। সেই প্রতিবেদন আমলে নিয়ে গত বছরের ২ ডিসেম্বর আদালত রিতা দেওয়ানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। পরে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন রিতা।

১ ফেব্রুয়ারি ইউটিউবে ভাইরাল গানটির বিষয়ে ক্ষমা চেয়েছেন রিতা দেওয়ান।

‘গান রুপালি এইচডি’ নামক একটি ইউটিউব চ্যানেলে দুই মেয়েসহ করা একটি ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘এ কথাটা আমার ভুল হয়ে গেছে। মুসলিম ভাই-বোনদের কাছে আমি বলব, আমার ভুল হয়ে গেছে। আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। আমি যেন আর কোনো দিনও ভুল না করি।’

আরও পড়ুন:
পাটুরিয়ায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি
৩ কিমি দীর্ঘ ট্রাকের সারি দৌলতদিয়ায়
পদ্মার দুই ঘাটেই যানবাহনের সারি
দৌলতদিয়া ঘাটে ৫ কিলোমিটার যানজট
দৌলতদিয়া ঘাটে ৩ কিলোমিটার যানজট

শেয়ার করুন

পাঁচ বছরের কন্যাকে মায়ের জিম্মায় দিতে রুল

পাঁচ বছরের কন্যাকে মায়ের জিম্মায় দিতে রুল

শিশুটির মায়ের পক্ষের আইনজীবী আব্দুল কাইয়ুম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আদালত আমাদের আবেদনের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছে। সেই সঙ্গে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শিশুটিকে বিদেশে নেয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।’

পাঁচ বছরের কন্যাকে দেশের বাইরে না নিতে বাবা মুসফেক আলমের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে ওই সন্তানকে মায়ের জিম্মায় দিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত।

এ সংক্রান্ত এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার বিচারপতি মাহমুদুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে মায়ের পক্ষে শুনানি করেন খুরশীদ আলম খান, জেড আই খান পান্না ও এম. আব্দুল কাইয়ুম।

পরে আব্দুল কাইয়ুম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আদালত আমাদের আবেদনের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছেন। সেই সঙ্গে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শিশুটিকে বিদেশে নেয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।’

তিনি বলেন, গত ১৭ মাস ধরে শিশু কন্যাকে মা দেখতে পাচ্ছেন না। সন্তানকে নিজের জিম্মায় চেয়ে মা নিম্ন আদালতে আবেদন করেছিলেন। নিম্ন আদালত শিশুটিকে ভার্চুয়ালি দেখার সুযোগ দিয়ে আবেদনটি খারিজ করে দেয়। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। আদালত শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেয়।

৫ বছরের কন্যা সন্তানকে নিজের জিম্মায় নিতে গত ২০ অক্টোবর হাইকোর্টে আবেদন করেন শিশুটির মা তাসনোভা ইকবাল। আবেদনে সন্তানকে দেড় বছর ধরে দেখতে না দেয়ার অভিযোগ আনা হয়। এ ছাড়া, শিশুকে বিদেশ না নিতে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়।

এতে বিবাদী করা হয় শিশুটির বাবা মুসফেক আলম সৈকত, দাদা পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম ও দাদী মোমতাজ আলমকে।

রাজধানী গুলশানের বাসিন্দা তাসনোভা ইকবালের বাবা ইকবাল কামাল ও মা নাজমা সুলতানা।

আরও পড়ুন:
পাটুরিয়ায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি
৩ কিমি দীর্ঘ ট্রাকের সারি দৌলতদিয়ায়
পদ্মার দুই ঘাটেই যানবাহনের সারি
দৌলতদিয়া ঘাটে ৫ কিলোমিটার যানজট
দৌলতদিয়া ঘাটে ৩ কিলোমিটার যানজট

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধু হত্যার ‘কুশীলব’ খুঁজতে তদন্ত কমিশন চেয়ে রিট

বঙ্গবন্ধু হত্যার ‘কুশীলব’ খুঁজতে তদন্ত কমিশন চেয়ে রিট

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডিতে নিজ বাসভবনে কিছু বিপদগামী সেনার হাতে সপরিবারে হত্যার শিকার হন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

আইনজীবী সুবীর নন্দী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র এবং তার পরের পদক্ষেপ সম্পূর্ণ পর্যালোচনা ও নিরীক্ষার জন্য একটি স্বাধীন জাতীয় কমিশন চেয়ে রিট করেছি।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরীবারে হত্যার পেছনের ‘কুশীলবদের’ খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সুবীর নন্দী দাস হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট করেন।

রিটে মন্ত্রী পরিষদ সচিব, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং অর্থ সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

আইনজীবী সুবীর নন্দী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র এবং তার পরের পদক্ষেপ সম্পূর্ণ পর্যালোচনা ও নিরীক্ষার জন্য একটি স্বাধীন জাতীয় কমিশন চেয়ে রিট করেছি।’

রিটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কদের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত কমিশন গঠনের নজির এবং সংশ্লিষ্ট আইনের আলোকে বিভিন্ন দেশের আদালতের রায়ের আলোকে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে।

বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির জন্য আগামী সপ্তাহে উপস্থাপন করা হবে বলেও জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী।

আরও পড়ুন:
পাটুরিয়ায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি
৩ কিমি দীর্ঘ ট্রাকের সারি দৌলতদিয়ায়
পদ্মার দুই ঘাটেই যানবাহনের সারি
দৌলতদিয়া ঘাটে ৫ কিলোমিটার যানজট
দৌলতদিয়া ঘাটে ৩ কিলোমিটার যানজট

শেয়ার করুন

সাতক্ষীরার চারজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শেষ

সাতক্ষীরার চারজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শেষ

ধানমন্ডির তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির প্রধান সানাউল হক। ছবি: নিউজবাংলা

সংস্থাটি জানায়, সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ ও দেবহাটা থানা এলাকার বাসিন্দা আকবর আলী শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করা হয়েছে। চার আসামির মধ্যে আকবর আলী ছাড়া অন্যরা পলাতক রয়েছে।

একাত্তরে সংঘটিত হত্যা, গণহত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠণসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

সোমবার ধানমন্ডির তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির প্রধান সানাউল হক এ তথ্য জানান। এটি তদন্ত সংস্থার ৭৯তম প্রতিবেদন।

সংস্থাটি জানায়, সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ ও দেবহাটা থানা এলাকার বাসিন্দা আকবর আলী শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করা হয়েছে। চার আসামির মধ্যে আকবর আলী ছাড়া অন্যরা পলাতক রয়েছে।

চার আসামির বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ এনে তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে।

অভিযোগ-১ এ বলা হয়েছে- ১৯৭১ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর আনুমানিক সময় ৪টার সময় রহমতুল্লা মোড়ল, তার ছেলে গোলাম মোস্তফা মোড়লকে সঙ্গে করে সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানাধীন নলতা হাটে বাজার করতে যান।

এ সময় মুক্তিযোদ্ধা আনছারুল মাহমুদ নলতা হাটে সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ সড়কের একটি বাসে পাকিস্তানি সেনা থাকার সন্দেহে গ্রেনেড ছুড়ে। কিন্তু তাতে কেউ হতাহত হয়নি। গ্রেনেড ছুড়ার প্রতিশোধ নিতে বিকেল ৫টার দিকে আসামিরা পাকিস্তানি আর্মির সঙ্গে ইন্দ্রনগর মাদ্রাসায় একত্র হয়ে নলতা হাটে আক্রমণ করে। এ সময় রাজাকাররা স্বরাব্দীপুর গ্রামের মাদার আলী গাজীকে গুলি করে হত্যা করে।

এ ঘটনায় রাজাকারদের গুলিতে ইন্দ্রনগর গ্রামের আব্দুল রহমান ওরফে মেদু মোড়ল ও রহমতুল্লাহ মোড়ল গুরুতর আহত হন। ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায় নিজ বাড়িতে রহমতুল্লাহ মোড়লের মৃত্যু হয়।

অভিযোগ- ২ এ বলা হয়, ১৯৭১ সালে ৬ মে আনুমানিক ১২টার সময় সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানার ইন্দ্রনগর মাদ্রাসার রাজাকার ক্যাম্প হতে আসামিরাসহ পাকিস্তানি সেনারা দেবহাটার হাদিপুর গ্রামের ঘোষবাড়িতে হামলা করে।

সেখান থেকে নরেন্দ্রনাথ ঘোষকে আটক করে বাড়ির পেছনে নিয়ে গুলি হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলে দেয়। এরপর তারা শরৎচন্দ্র ঘোষ, গোপিনাথ ঘোষ, হেমনাথ ঘোষ এবং ওয়াজেদ আলী বিশ্বাসকে আটক করে বাড়ির দক্ষিণ দিকে ডোবায় নিয়ে সারিবদ্ধভাবে হত্যা করে লাশ পানিতে ফেলে রাখে। সেখানে নরেন্দ্রনাথ ঘোষের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বাধা দিতে গেলে আসামিরা তাকে আটক করে নির্যাতন করে। ঘোষ বাড়ির মালামাল লুট করে এবং অগ্নিসংযোগ করে।

মামলার তদন্ত করেন শাহজাহান কবীর। এ মামলায় ১৯ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
পাটুরিয়ায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি
৩ কিমি দীর্ঘ ট্রাকের সারি দৌলতদিয়ায়
পদ্মার দুই ঘাটেই যানবাহনের সারি
দৌলতদিয়া ঘাটে ৫ কিলোমিটার যানজট
দৌলতদিয়া ঘাটে ৩ কিলোমিটার যানজট

শেয়ার করুন

প্রযোজক রাজের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ

প্রযোজক রাজের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ

প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ। ছবি: সংগৃহীত

মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন বিচারক। সোমবার শুনানির সময় আসামিদের আদালতে আনা হয়। শুনানি শেষে আবার তাদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

রাজধানীর বনানী থানায় করা মাদক মামলায় প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ ও তার সহযোগী সবুজ আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছে আদালত।

সোমবার ঢাকার মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদারের আদালত এ অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।

মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন বিচারক। শুনানির সময় আসামিদের আদালতে আনা হয়। শুনানি শেষে আবার তাদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে চার্জশিট দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক গিয়াস উদ্দিন।

৪ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর বনানীতে নজরুল ইসলাম রাজের বাসা ও অফিসে অভিযান চালায় র‍্যাব। রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজকে তার বাসা থেকে বের করা হয়। পরে তার বাসা থেকে মাদক জব্দ করা হয়।

পরদিন আদালত মাদক মামলায় রাজ ও তার সহযোগীকে চার দিনের রিমান্ড দেন।

১০ আগস্ট রাজ ও সবুজ আলীর মাদক মামলায় আরও দুই দিন এবং পর্নোগ্রাফি মামলায় চার দিনের রিমান্ড অনুমোদন করে আদালত।

১৮ আগস্ট রিমান্ড শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।

২৯ আগস্ট রাজের আবার রিমান্ড আবেদন করে সিআইডি। আদালত রিমান্ড আবেদন নাকচ করে আদেশ দেয়।

আরও পড়ুন:
পাটুরিয়ায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি
৩ কিমি দীর্ঘ ট্রাকের সারি দৌলতদিয়ায়
পদ্মার দুই ঘাটেই যানবাহনের সারি
দৌলতদিয়া ঘাটে ৫ কিলোমিটার যানজট
দৌলতদিয়া ঘাটে ৩ কিলোমিটার যানজট

শেয়ার করুন