ক্লিনিক থেকে গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার

ক্লিনিক থেকে গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর কলাবাগান থানা এলাকার একটি ক্লিনিক থেকে উদ্ধার হওয়া গৃহকর্মীর মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়। ছবি: বুলবুল চৌধুরী/নিউজবাংলা

কলাবাগান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিপ্লব হোসেন জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা, তা জানা যাবে।

রাজধানীর কলাবাগান থানা এলাকার একটি ক্লিনিক থেকে মোসাম্মৎ সাদিয়া (১৭) নামের এক গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। গভীর রাতে দেহটি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেয়া হয়।

সাদিয়ার বাড়ি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায়। সে তিন বছর ধরে গ্রিন রোডের ওই বাসায় থাকত বলে জানিয়েছেন গৃহকর্তা মির্জা আহমার।

তিনি বলেন, ‘সাদিয়া আমার বাসায় তিন বছর ধরে কাজ করে আসছে। ঝুলন্ত অবস্থায় গলায় ফাঁস দেয়া দেখে ওই সময়ই তাকে নামিয়ে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে যাই; পুলিশকে খবর দিই। পাশাপাশি তার পরিবারকে জানাই।’

কলাবাগান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিপ্লব হোসেন জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা, তা জানা যাবে।

তিনি আরও জানান, সাদিয়ার গায়ে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তার পরিবারকে খবর দেয়া হয়েছে। অভিযোগ পেলে তা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
শুরুতে দাবি স্ট্রোক, পরে জানাল আত্মহত্যা
ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ঝুলছিল নববধূর নিথর দেহ
মানসিক চাপে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা
টাওয়ারের লাশে ধোঁয়াশায় পুলিশ
নিজ বাসায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

বংশালে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

বংশালে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

আবেদ বলেন, ‘আমার ভাই নেশাপানি করত। কখনও গাজা কখনও ইয়াবা সেবন করত। তবে কারও ক্ষতি করত না। নেশাপানি করে বাসায় চলে আসত। আমাদের প্রশ্ন, আমার ভাই এই বাসায় কেন আসল? এই অবস্থা কেন মারা গেল? আমরা চাই, সুষ্ঠুভাবে তদন্তের মাধ্যমে ময়নাতদন্ত করা হোক।’

রাজধানীর বংশালে মোহাম্মদ জাবেদ নামে এক ব্যক্তির রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।

রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মাহুতটুলির চান মসজিদের গলির একটি বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

৩৮ বছর বয়সী জাবেদ মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানিয়েছে পরিবার।

নিহতের ভাই মো. আবেদ বলেন, ‘আমার ভাই নিকেলের কাজ করে। কাজ শেষে যত রাতই হোক বাসায় চলে আসে। শনিবার রাত ৯টার দিকে খাওয়া-দাওয়া সেরে বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি।’

তিনি বলেন, ‘সকালে লোকজনের মাধ্যমে খবর পাই, আমার ভাই ওয়াসি উদ্দিন মিয়ার চারতলা বাড়ির নিচতলায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে এসে দেখি তার কান এবং চোখ দিয়ে রক্ত ঝরছে। পায়ের হাঁটুতে জখম। পরে বংশাল থানায় খবর দিই।’

আবেদ বলেন, ‘আমার ভাই নেশাপানি করত। কখনও গাজা কখনও ইয়াবা সেবন করত। তবে কারও ক্ষতি করত না। নেশাপানি করে বাসায় চলে আসত। আমাদের প্রশ্ন, আমার ভাই এই বাসায় কেন আসল? এই অবস্থা কেন মারা গেল? আমরা চাই, সুষ্ঠুভাবে তদন্তের মাধ্যমে ময়নাতদন্ত করা হোক।’

তিনি বলেন, ‘রিপোর্ট খারাপ আসলে আমরা মামলা করব। আমাদের পাঁচ ভাই দুই বোনের জাবেদ চতুর্থ। সে অবিবাহিত ছিল।’

বংশাল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দুলাল আহম্মেদ বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে দুপুর ১টার দিকে ঘটনাস্থলে যাই। এলাকার লোকজনদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি, তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন। ওই বাড়িতে কীভাবে গেলেন, এ বিষয়ে এই মুহূর্তে বলা যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে জাবেদ স্ট্রোক করে মারা গেছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে আসল রহস্য বের হয়ে আসবে।’

আরও পড়ুন:
শুরুতে দাবি স্ট্রোক, পরে জানাল আত্মহত্যা
ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ঝুলছিল নববধূর নিথর দেহ
মানসিক চাপে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা
টাওয়ারের লাশে ধোঁয়াশায় পুলিশ
নিজ বাসায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

প্রতারক শাহীরুল দুই দিনের রিমান্ডে

প্রতারক শাহীরুল দুই দিনের রিমান্ডে

শাহীরুলের কাছ থেকে উদ্ধার করা অস্ত্র।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক কামরুল হক জিহান শাহীরুলকে আদালতে হাজির করে রামপুরা থানায় করা অস্ত্র আইনের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। পরে আদালত দুই দিনের রিমান্ড আদেশ দেয়।

অস্ত্র আইনের মামলায় কথিত মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান এবং সিকিউরিটি অ্যান্ড গার্ড সার্ভিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পরিচয়ে গ্রেপ্তার প্রতারক শাহীরুল ইসলাম সিকদারকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দুই দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

রোববার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্যমহানগর হাকিম আবু বকর ছিদ্দিক এ আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক কামরুল হক জিহান শাহীরুলকে আদালতে হাজির করে রামপুরা থানায় করা অস্ত্র আইনের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

আসামির পক্ষে অ্যাডভোকেট তুহিন হাওলাদার রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়।

শুনানি শেষে আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড আদেশ দেয়।

শুক্রবার রাতে রাজধানীর রামপুরা থানার বনশ্রী এলাকার বাসা ও প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে শাহীরুলকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

সোলায়মান হোসেনসহ অনেকে ভুক্তভোগী প্রতারক শাহীরুলের বিরুদ্ধে র‌্যাবের কাছে চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণার বিষয়ে অভিযোগ করেন।

এরপর র‌্যাব-৪ এর একটি গোয়েন্দা দল ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তে জানা যায়, শাহীরুল নিজেকে মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি অ্যান্ড গার্ড সার্ভিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলে দাবি করতেন। এসব পরিচয়ে চাকরি দেয়ার নামে মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেন।

বাহিনীটি বলছে, রাজধানীতে শাহীরুলের বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাট ও জমিসহ দৃশ্যমান প্রায় ৫০ কোটি টাকার সম্পদের খোঁজ পাওয়া গেছে।

এ ছাড়া তার কথিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি অ্যান্ড গার্ড সার্ভিসেস লিমিটেড, হোমল্যান্ড ফাউন্ডেশন অফ বাংলাদেশ, মানবাধিকার সংস্থা, শাহীরুল অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, হোমল্যান্ড হাউজিং, হোমল্যান্ড বেভারেজ অ্যান্ড অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, মাদারল্যান্ড সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিমিটেড, বাংলাদেশ আউট সোর্সিং অ্যান্ড পাওয়ার সাপ্লাইয়ার্স অ্যাসোশিয়েশন।

আটকের পর এ ঘটনায় র‌্যাব-৪ এর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার আনোয়ার হোসেন মামলাটি করেন।

আরও পড়ুন:
শুরুতে দাবি স্ট্রোক, পরে জানাল আত্মহত্যা
ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ঝুলছিল নববধূর নিথর দেহ
মানসিক চাপে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা
টাওয়ারের লাশে ধোঁয়াশায় পুলিশ
নিজ বাসায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

রেনু হত্যা মামলায় সাক্ষ্য শুরু

রেনু হত্যা মামলায় সাক্ষ্য শুরু

গৃহবধূ তাসলিমা বেগম রেনু। ফাইল ছবি

উত্তর বাড্ডায় ২০১৯ সালের ২০ জুলাই ছেলেধরা সন্দেহে তাসলিমা বেগম রেনুকে পিটিয়ে আহত করে বিক্ষুব্ধ জনতা। গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। উত্তর বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিজের সন্তানের ভর্তির ব্যাপারে খোঁজ নিতে গিয়ে মর্মান্তিক এ ঘটনার শিকার হন রেনু।

রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় ছেলেধরা সন্দেহে গৃহবধূ তাসলিমা বেগম রেনুকে পিটিয়ে হত্যার মামলায় সাক্ষ্য নেয়া শুরু হয়েছে।

ঢাকার ৬ষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফাতিমা ইমরোজ ক্ষনিকার আদালতে মামলার বিচার কাজ চলছে।

সেখানে রোববার সাক্ষ্য দেন নিহতের দুই ভাগ্নে সৈয়দ নাসির উদ্দিন টিটু ও অনিকুর রহমান। সুরতহাল প্রস্তুতকারী বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক গোলাম মোস্তফাও এদিন সাক্ষ্য দেন।

তাদের সাক্ষ্য নেয়া শেষে আদালত আগামি বছরের ১১ জানুয়ারী মামলার পরবর্তী তারিখ ঠিক করেন।

মামলার বাদী নাসির উদ্দিন টিটু বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

সাক্ষ্য নেয়ার সময় রোববার ১৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে গত ১ এপ্রিল চার্জগঠন করেন একই আদালত।

আসামিরা হলেন- ইব্রাহিম ওরফে হৃদয় মোল্লা, রিয়া বেগম ময়না, আবুল কালাম আজাদ, কামাল হোসেন, মো. শাহিন, বাচ্চু মিয়া, মো. বাপ্পি ওরফে শহিদুল ইসলাম, মুরাদ মিয়া, সোহেল রানা, আসাদুল ইসলাম, বেল্লাল মোল্লা, মো. রাজু ওরফে রুম্মান হোসেন ও মহিউদ্দিন।

জাফর হোসেন পাটোয়ারী ও ওয়াসিম আহমেদ নামে দুজন আসামি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের বিচার শিশু আদালতে হচ্ছে।

২০১৯ সালের ২০ জুলাই রাজধানীর বাড্ডার একটি স্কুলে সন্তানের ভর্তির বিষয়ে খোঁজ নিতে গিয়ে ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত হন তাসলিমা বেগম রেনু। এ ঘটনায় অজ্ঞাত ৫০০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন রেনুর ভাগ্নে সৈয়দ নাসির উদ্দিন টিটু।

গত বছর ১০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ইন্সপেক্টর আব্দুল হক ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক দুইজনের বিরুদ্ধে দোষীপত্র দাখিল করেন।

আরও পড়ুন:
শুরুতে দাবি স্ট্রোক, পরে জানাল আত্মহত্যা
ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ঝুলছিল নববধূর নিথর দেহ
মানসিক চাপে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা
টাওয়ারের লাশে ধোঁয়াশায় পুলিশ
নিজ বাসায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

সামাজিক মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানোর পক্ষে ডিএমপি কমিশনার

সামাজিক মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানোর পক্ষে ডিএমপি কমিশনার

ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। ফাইল ছবি

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘ঢাকা মহানগর যেহেতু দেশের রাজধানী, তাই এখানে যেন এ ধরনের কোনো ঘটনা না ঘটে, সেজন্য আমাদের আরও বেশি তৎপর থাকতে হবে। চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে।’

দেশের বিভিন্ন জায়গায় সাম্প্রদায়িক হামলার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের ওপর নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেছেন, ‘ঢাকা মহানগর যেহেতু দেশের রাজধানী, তাই এখানে যেন এ ধরনের কোনো ঘটনা না ঘটে, সেজন্য আমাদের আরও বেশি তৎপর থাকতে হবে। চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে।’

রোববার ডিএমপি সদর দপ্তরে আয়োজিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ডিএমপি কমিশনার এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের প্রতিবাদে শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বী নয়, সকল সম্প্রদায়ের লোকজন অংশগ্রহণ করছে। জোনাল ডিসিরাও সেই প্রতিবাদ সমাবেশে যোগদান করে একাত্মতা ঘোষণা করে বলবে ‘আমরাও আপনাদের পাশে আছি’।”

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘ইতোমধ্যে ঢাকার বড় বড় পূজামণ্ডপ ও উপাসনালয়ে পুলিশের উপস্থিতি ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। যেকোন প্রয়োজনে আমরা সর্বাত্মক সহায়তা দিতে প্রস্তুত আছি।’

তিনি বলেন, ‘থানায় কেউ জিডি বা পুলিশি সহায়তা নিতে আসলে টাকা দাবি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। ডিএমপির কোনো সদস্য দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে।

‘আমরা সকলে একটি টিম, একটি পরিবার। কেউ ভালো কাজ করলে সবাই প্রশংসিত হবে আর খারাপ কাজ করলে সকলে আমাদের ভৎর্সনা করবে। আমাদের জানমাল বাজি রেখে এ শহরের সম্মানিত নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’

এর আগে সেপ্টেম্বরে অস্ত্র, মাদক, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিলসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় স্বীকৃতি হিসেবে ডিএমপির বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার।

যারা পুরস্কার পেলেন

সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ডিএমপির আটটি ক্রাইম বিভাগের মধ্যে প্রথম হয়েছে মিরপুর বিভাগ ও শ্রেষ্ঠ থানা হয়েছে পল্লবী থানা।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ক্রাইম বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনারদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন লালবাগ বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার ইলিয়াছ হোসেন (চকবাজার জোন)।

পুলিশ পরিদর্শকদের প্রথম হয়েছেন বংশাল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মীর রেজাউল ইসলাম এবং মুগদা থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশনস) আশীষ কুমার দেব।

যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ এসআই যৌথভাবে নির্বাচিত হয়েছেন খিলক্ষেত থানার এসআই আবুল কালাম আজাদ ও মিরপুর মডেল থানার এসআই সারোয়ার জাহান।

যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ এএসআই নির্বাচিত হয়েছেন মতিঝিল থানার এএসআই হেলাল উদ্দিন ও চকবাজার মডেল থানার এএসআই রুহুল আমিন।

শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার হয়েছেন খিলক্ষেত থানার এসআই আবুল কালাম আজাদ।

অস্ত্র উদ্ধার করে শ্রেষ্ঠ হয়েছেন ক্যান্টনমেন্ট থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) শিহাব উদ্দিন। বিস্ফোরক উদ্ধার করে প্রথম হয়েছেন লালবাগ বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার ইলিয়াছ হোসেন (চকবাজার জোন)।

মাদক উদ্ধার করে শ্রেষ্ঠ হয়েছেন মুগদা থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশনস) আশীষ কুমার দেব।

নয়টি গোয়েন্দা বিভাগের মধ্যে প্রথম হয়েছে গোয়েন্দা গুলশান বিভাগ। শ্রেষ্ঠ টিম লিডার হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন গুলশান জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মাহবুবুল হক সজীব।

চোরাই গাড়ি উদ্ধারে শ্রেষ্ঠ টিম লিডার হয়েছেন মিরপুর জোনাল টিমের এডিসি সাইফুল ইসলাম। অস্ত্র উদ্ধারে শ্রেষ্ঠ টিম লিডার গুলশান জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মাহবুবুল হক সজীব। মাদকদ্র্রব্য উদ্ধারে শ্রেষ্ঠ টিম লিডার মিরপুর জোনাল টিমের এডিসি সাইফুল ইসলাম।

জঙ্গি গ্রেপ্তারে শ্রেষ্ঠ টিমের সম্মান অর্জন করেছেন অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও মাদক নিয়ন্ত্রণ টিমের এডিসি আব্দুল্লাহ আল মামুন। অজ্ঞান ও মলম পার্টি গ্রেপ্তারে শ্রেষ্ঠ টিম লিডার ধানমন্ডি জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফজলে এলাহী।

আটটি ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে প্রথম হয়েছে ট্রাফিক লালবাগ বিভাগ। শ্রেষ্ঠ সহকারী পুলিশ কমিশনার হয়েছেন কোতোয়ালী ট্রাফিক জোনের বিমান কুমার দাস। শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক ইন্সপেক্টর হয়েছেন ওয়ারী ট্রাফিক জোনের টিআই গোলাম মাওলা কবির।

যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ সার্জেন্ট হয়েছেন রামপুরা ট্রাফিক জোনের মুহিবুল্লাহ এবং মোহাম্মদপুর ট্রাফিক জোনের সার্জেন্ট আব্দুল কাদের।

আরও পড়ুন:
শুরুতে দাবি স্ট্রোক, পরে জানাল আত্মহত্যা
ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ঝুলছিল নববধূর নিথর দেহ
মানসিক চাপে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা
টাওয়ারের লাশে ধোঁয়াশায় পুলিশ
নিজ বাসায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

ডিসেম্বরের মধ্যে ড্যাপ গেজেট: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

ডিসেম্বরের মধ্যে ড্যাপ গেজেট: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, ‘ডিসেম্বরের মধ্যে ড্যাপ চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা আশাবাদী, কারণ এর মধ্যে আমরা অনেক কাজ করে ফেলেছি। দাপ্তরিক অনেক কাজও শেষ হয়েছে। খসড়াও করা হয়েছে। জেনেশুনেই এই সময় দেয়া হয়েছে।’

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে রাজধানী ঢাকার ডিটেইল এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেছেন, ‘ডিসেম্বরের মধ্যে ড্যাপ চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা আশাবাদী, কারণ এর মধ্যে আমরা অনেক কাজ করে ফেলেছি। দাপ্তরিক অনেক কাজও শেষ হয়েছে। খসড়াও করা হয়েছে। জেনেশুনেই এই সময় দেয়া হয়েছে।’

রোববার সচিবালয়ে ড্যাপ প্রণয়ন বিষয়ক এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আগামী ১৩ নভেম্বর একটি জাতীয় কর্মশালা হবে। এরপর দাপ্তরিক কাজ শেষ করে ড্যাপের গেজেট প্রকাশ করব। ইন্ডাস্ট্রি করার জন্য অনেকে সমস্যা মোকাবিলা করছে। কোনটা ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকা আর কোনটা আবাসিক এলাকা সেটি সার্টিফাইড না হওয়ায় কিছু কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছি। গেজেট হওয়ার পর এসব চ্যালেঞ্জ আর থাকবে না।’

ড্যাপ প্রণয়নের জন্য ঢাকার সীমানা বাড়ানোরও কোনো প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

রাজধানীকে বাসযোগ্য করতে ডিটেইল এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) প্রণয়ন করছে সরকার। এরই মধ্যে এর একটি খসড়াও করা হয়েছে। খসড়ায় রাজধানীর প্রায় ৯৪ হাজার ৫৮ দশমিক ৪২ হেক্টর জমি নগর এলাকা প্রস্তাব করা হয়েছে।

এর মধ্যে আবাসিক এলাকা হিসেবে ১৯ হাজার ৪৫৭ দশমিক ৬৭ একর, আবাসিক প্রধান মিশ্র ব্যবহার এলাকা এক লাখ ২৩ হাজার ৯৩১ দশমিক নয় একর আর আবাসিক-বাণিজ্যিক মিশ্র ব্যবহার এলাকা হিসেবে এক হাজার ৭৭৮ দশমিক ৯৩ একরকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ডিসেম্বরের মধ্যে ড্যাপ গেজেট: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
রোববার সচিবালয়ে ড্যাপ প্রণয়ন বিষয়ক এক সভায় বক্তব্য রাখছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

খসড়া ড্যাপে ভূমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আটটি নিয়ামককে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।

এগুলো হলো, বন্যা ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, মুখ্য জনস্রোত এলাকা, সাধারণ জনস্রোত এলাকা, সাধারণ বন্যা অববাহিকা, দুর্যোগ, ভূ-তাত্ত্বিক ও ভূ-কম্পন সংক্রান্ত, বিশেষ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা কেপিআই।

ড্যাপ প্রণয়নের পর কোনো জটিলতা দেখা দিলে কী হবে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘একটি নীতিমালা প্রণয়ন করে এরিয়া নির্ধারণ করা হবে। যদি কোথাও পরিবর্তন বা সামঞ্জস্য করার প্রয়োজন হয় নীতিমালার ভিত্তিতে ধারাবাহিকভাবে সেটি করা হবে।’

এসময় রাজধানীর সব জায়গায় হোল্ডিং ট্যাক্স ও অন্যান্য বিল সমান হওয়া উচিত নয় বলেও মত দেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘হোল্ডিং ট্যাক্স সব জায়গায় সমান হবে কেন? গুলশানে পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাসের দাম বেশি হবে। কারণ সেখানে নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বেশি। যেসব এলাকায় নাগরিক সুবিধা বেশি সেখানে বাড়তি কর নিয়ে অন্য জায়গার উন্নয়ন করা যাবে।’

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তর করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম এবং নারায়ণঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী।

আরও পড়ুন:
শুরুতে দাবি স্ট্রোক, পরে জানাল আত্মহত্যা
ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ঝুলছিল নববধূর নিথর দেহ
মানসিক চাপে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা
টাওয়ারের লাশে ধোঁয়াশায় পুলিশ
নিজ বাসায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

জামিন নাকচ, রুমা সরকার কারাগারে

জামিন নাকচ, রুমা সরকার কারাগারে

বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের ফটক। ছবি: সংগৃহীত

রুমা সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নোয়াখালীর যতন সাহার হত্যা শিরোনামে একটি অন্য ঘটনার ভিডিও আপলোড করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপপ্রয়াস চালান; যা বিভ্রান্তিমূলক। প্রকৃতপক্ষে ভিডিওটি গত ১৬ মে ঢাকার পল্লবী থানার ডি-ব্লকের শাহিন উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ভুয়া’ ভিডিও ছড়িয়ে সাম্প্রদায়িক উসকানি ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক রুমা সরকারের জামিন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন বিচারক।

রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরী এ আদেশ দেন।

রুমা সরকারের পক্ষে আইনজীবী লিটন কুমার সাহা ও সুব্রত বিশ্বাস এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পক্ষে আইনজীবী আব্দুর রশীদ জামিন আবেদন করেন।

শুনানিতে তারা বলেন, ‘আসামি রুমা ছাত্রলীগের রাজনৈতিক নেত্রী ছিলেন। তার বাবা ও দাদা বীর মুক্তিযোদ্ধা। তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন। তিনি কোনো মন্দির, মসজিদ বা কোথাও হামলা করেন নাই, তাই তাকে জামিন দেয়া হোক, তিনি একজন সরকারি চাকরিজীবী তাকে জামিন দিলে তিনি পলাতক হবেন না।’

গত ২১ অক্টোবর রুমা সরকারকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত।

এর আগে ১৯ অক্টোবর রাজধানীর বেইলি রোডের বাসা থেকে রুমা সরকারকে আটক করে র‌্যাব-৩।

জামিন নাকচ, রুমা সরকার কারাগারে

দেবীগঞ্জে হিন্দুবাড়িতে আগুন (বাঁয়ে) ও বেগমগঞ্জে যতন সাহার ওপর হামলার ভিডিও দাবি করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয় ফেসবুকে। ছবি: সংগৃহীত

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে র‌্যাব তার বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা করে।

রুমা সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নোয়াখালীর যতন সাহার হত্যা শিরোনামে একটি অন্য ঘটনার ভিডিও আপলোড করে কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের হয়ে গুজব সৃষ্টির মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপপ্রয়াস চালান; যা বিভ্রান্তিমূলক। প্রকৃতপক্ষে ভিডিওটি গত ১৬ মে ঢাকার পল্লবী থানার ডি-ব্লকের শাহিন উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার।

এ সময়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২১-কেন্দ্রিক সহিংসতাকে কেন্দ্র করে সারা দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ঘটনা ঘটানো হচ্ছিল। দেশের এই সময়ে এ ধরনের স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে রুমা সরকার গত ১৯ অক্টোবর বেলা ২টা ৩৫ মিনিট থেকে ২টা ৪২ মিনিট পর্যন্ত ফেসবুক লাইভে আসেন।

সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি ভুল করে যতন সাহার মৃত্যুর দৃশ্য দেখে ফেলেছিলাম। গরুর মাংস যেভাবে কুপিয়ে বানায়, আহা হিন্দুদের প্রতি তোর এত ক্ষোভ। তোরা অমানুষ, হত্যার পর এই ভাবে কুপালী ক্যান?’

দেশের সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটে নাজুক পরিস্থিতিতে তার লাইভ ভিডিওটি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও ভয়ভীতি ছড়াতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন:
শুরুতে দাবি স্ট্রোক, পরে জানাল আত্মহত্যা
ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ঝুলছিল নববধূর নিথর দেহ
মানসিক চাপে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা
টাওয়ারের লাশে ধোঁয়াশায় পুলিশ
নিজ বাসায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

বিজয় সরণিতে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল পথচারীর

বিজয় সরণিতে বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল পথচারীর

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ। ফাইল ছবি

নিহতের চাচা মোহাম্মদ আবু জাফর বলেন, ‘বশির একটি কাজে তেজগাঁও এলাকায় যায়। বিজয় সরণি এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় ওই বাস তাকে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন প্রথমে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যান, পরে সেখান থেকে ঢাকা মেডিক্যালে নিলে মৃত ঘোষণা করা হয়।’

রাজধানীর তেজগাঁওয়ের বিজয় সরণি এলাকায় বিকাশ পরিবহন নামের বাসের ধাক্কায় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম বশির আহম্মেদ। বাসের ধাক্কায় আহত হলে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক বেলা পৌনে ২টায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের চাচা মোহাম্মদ আবু জাফর বলেন, ‘বশির একটি কাজে তেজগাঁও এলাকায় যায়। বিজয় সরণি এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় ওই বাস তাকে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন প্রথমে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যান, পরে সেখান থেকে ঢাকা মেডিক্যালে নিলে মৃত ঘোষণা করা হয়।’

বশির আহম্মেদ হাসেম পারটেক্স গ্রুপে চাকরি করতেন। তার বাড়ি মাগুরা সদর পাথরা গ্রামে। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে রাজধানীর মিরপুর ১৪ নম্বরের একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন।

দুর্ঘটনার পর বাসটি জব্দ করেছে পুলিশ।

ঢাকা মেডিক্যাল পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘বশির আহম্মেদের মরদেহ ঢাকা মেডিক্যালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি তেজগাঁও থানাকে জানানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
শুরুতে দাবি স্ট্রোক, পরে জানাল আত্মহত্যা
ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ঝুলছিল নববধূর নিথর দেহ
মানসিক চাপে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা
টাওয়ারের লাশে ধোঁয়াশায় পুলিশ
নিজ বাসায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন