শুরুতে দাবি স্ট্রোক, পরে জানাল আত্মহত্যা

শুরুতে দাবি স্ট্রোক, পরে জানাল আত্মহত্যা

প্রতীকী ছবি।

বেলা একটার দিকে অচেতন অবস্থায় মেহেরুন্নেছাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। তারা জানান, স্ট্রোক করেছেন। পরীক্ষা করে চিকিৎসক তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। কিন্তু মরদেহের গলা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন থাকায় সন্দেহ হয় চিকিৎসকের। তিনি খবর দেন পুলিশে।

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার বেলা দেড়টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মৃতের নাম মেহেরুন্নেছা। ২১ বছরের মেহেরুন্নেছা পোপাদিয়া ইউনিয়নের সুযত আলীর বাড়ির প্রবাসী খায়রুল ইসলামের স্ত্রী।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল করিম জানান, বেলা একটার দিকে অচেতন অবস্থায় মেহেরুন্নেছাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। তারা জানান, স্ট্রোক করেছেন। পরীক্ষা করে চিকিৎসক তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

কিন্তু মরদেহের গলা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন থাকায় সন্দেহ হয় চিকিৎসকের। তিনি খবর দেন পুলিশে।

পুলিশের দেড়টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মৃতের স্বজনরা জানান, প্রবাসী স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন মেহেরুন্নেছা।

পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

ওসি আবদুল করিম জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ঝুলছিল নববধূর নিথর দেহ
মানসিক চাপে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা
টাওয়ারের লাশে ধোঁয়াশায় পুলিশ
নিজ বাসায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ
হত্যার পর বিদ্যুতের টাওয়ারে ঝুলিয়ে রাখল খুনি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সেতুর রেলিংয়ে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় চালক নিহত

সেতুর রেলিংয়ে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় চালক নিহত

তেঁতুলিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ জানান, ধারণা করা হচ্ছে কুয়াশার কারণে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়ায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারান আবু শাহ। এ কারণেই দুর্ঘটনা ঘটে। 

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সেতুর রেলিংয়ে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেলচালক নিহত হয়েছেন।

তেঁতুলিয়ার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের ভেরসা সেতুতে বুধবার গভীর রাতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম আবু শাহ মিনু। তার বাড়ি একই ইউনিয়নের উত্তর বালাবাড়ী এলাকায়।

তেঁতুলিয়া হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আশরাফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, মোটরসাইকেলে ভজনপুর ইউনিয়ন থেকে বুড়াবুড়ি ইউনিয়নে নিজ বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন আবু শাহ। পথে ভেরসা সেতুর কাছে তিনি নিয়ন্ত্রণ হারালে মোটরসাইকেল গিয়ে সেতুর রেলিংয়ে ধাক্কা লেগে উল্টে যায়। ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন আবু শাহ।

স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে কর্মীরা গিয়ে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তেঁতুলিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ জানান, ধারণা করা হচ্ছে কুয়াশার কারণে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়ায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারান আবু শাহ। এ কারণেই দুর্ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন:
ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ঝুলছিল নববধূর নিথর দেহ
মানসিক চাপে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা
টাওয়ারের লাশে ধোঁয়াশায় পুলিশ
নিজ বাসায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ
হত্যার পর বিদ্যুতের টাওয়ারে ঝুলিয়ে রাখল খুনি

শেয়ার করুন

ট্রেনে ট্রাকের ধাক্কা, সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর সচল রেললাইন

ট্রেনে ট্রাকের ধাক্কা, সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর সচল রেললাইন

পাবনা-রাজশাহী রেলরুটে সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) শাহীদুল ইসলাম বলেন, ‘দুর্ঘটনার পরই বিকল্প ইঞ্জিন লাগিয়ে ট্রেনটি চালানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক রয়েছে।’

পাবনায় ট্রেনে চলন্ত ট্রাকের ধাক্কায় পাবনা-রাজশাহী রেলরুটে সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

জেলার মহেন্দ্রপুর রেলক্রসিং মোড়ে বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢালারচর এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঘটনাস্থল থেকে ছেড়ে যায়।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা (ডিটিও) আনোয়ার হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে পাবনার ঈশ্বরদী রেলওয়ে স্টেশন থেকে ঢালারচরের উদ্দেশে ছেড়ে যায় আন্তনগর ঢালারচর এক্সপ্রেস। ট্রেনটি পাবনা স্টেশন পার হয়ে মহেন্দ্রপুর রেলক্রসিং মোড়ে পৌঁছালে একটি ট্রাক ট্রেনটিকে ধাক্কা দেয়।

খবর পেয়ে পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ট্রেন ও ট্রাকের সংঘর্ষ হওয়ায় রাস্তার দুই পাশে যানজট তৈরি হলেও ট্রেনটি ছেড়ে যাওয়ার পর এখন আর যানজট নেই। দুর্ঘটনায় দুমড়েমুচড়ে যাওয়া ট্রাকটি ঘটনাস্থলে রয়েছে।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) শাহীদুল ইসলাম বলেন, ‘দুর্ঘটনার পরই বিকল্প ইঞ্জিন লাগিয়ে ট্রেনটি চালানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ঝুলছিল নববধূর নিথর দেহ
মানসিক চাপে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা
টাওয়ারের লাশে ধোঁয়াশায় পুলিশ
নিজ বাসায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ
হত্যার পর বিদ্যুতের টাওয়ারে ঝুলিয়ে রাখল খুনি

শেয়ার করুন

মাকে পিটিয়ে হত্যা করায় মৃত্যুদণ্ড

মাকে পিটিয়ে হত্যা করায় মৃত্যুদণ্ড

মাকে হত্যা করায় আসামি জিয়াউল হককে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

২০১৮ সালের ১৩ জুন জিয়াউল হক তার ছোট ভাই জুবায়ের খন্দকারের কাছে কিছু টাকা চায়। টাকা না দেয়ায় জুবায়েরকে ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে মারতে তেড়ে আসেন জিয়াউল। এ সময় তাদের মা জহুরা বেগম ছোট ছেলেকে বাঁচাতে গেলে জিয়াউল তার মাথায় ব্যাট দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকেন।

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় বৃদ্ধা মাকে পিটিয়ে হত্যার দায়ে জিয়াউল হককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আসামির উপস্থিতিতে এ রায় দেন।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) ফারুক আহমেদ প্রিন্স বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জিয়াউল হক সদর উপজেলার শিবপুর গ্রামের ছেলে।

২০১৮ সালের ১৩ জুন জিয়াউল হক তার ছোট ভাই জুবায়ের খন্দকারের কাছে কিছু টাকা চায়। টাকা না দেয়ায় জুবায়েরকে ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে মারতে তেড়ে আসেন জিয়াউল।

এ সময় তাদের মা জহুরা বেগম ছোট ছেলেকে বাঁচাতে গেলে জিয়াউল তার মাথায় ব্যাট দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকেন। আশপাশের লোকজন আহত জহুরাকে সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনার পরদিন জহুরার স্বামী নুরুল ইসলাম জিয়াউল হককে একমাত্র আসামি করে থানায় মামলা করেন। পরে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুন:
ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ঝুলছিল নববধূর নিথর দেহ
মানসিক চাপে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা
টাওয়ারের লাশে ধোঁয়াশায় পুলিশ
নিজ বাসায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ
হত্যার পর বিদ্যুতের টাওয়ারে ঝুলিয়ে রাখল খুনি

শেয়ার করুন

‘অপশক্তিকে আর ছোবল মারার সুযোগ দেয়া হবে না’

‘অপশক্তিকে আর ছোবল মারার সুযোগ দেয়া হবে না’

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান কুমিল্লা নানুয়ার দিঘির পাড় এলাকা পরিদর্শন করেন। ছবি: নিউজবাংলা

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শান্তিশৃঙ্খলার সঙ্গে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখনই সুযোগ পেয়ে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি আবার দেশকে ছোবল মেরেছে। এটাই শেষ। তাদের আর ছাড় দেয়া হবে না।’

দেশকে ছোবল মারা স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তিকে ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান।

কুমিল্লার নানুয়ার দিঘির পাড় এলাকা পরিদর্শন শেষে বৃহস্পতিবার সকালে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

এই এলাকার অস্থায়ী পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ পাওয়ার পর কুমিল্লা শহরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শান্তিশৃঙ্খলার সঙ্গে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখনই সুযোগ পেয়ে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি আবার দেশকে ছোবল মেরেছে। এটাই শেষ। তাদের আর ছাড় দেয়া হবে না।’

এই এলাকা পরিদর্শনের পর প্রতিমন্ত্রী নগরীর চকবাজার এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনা ও সরকারি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা বাহাউদ্দীন বাহার, কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদসহ জেলা এবং পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ঝুলছিল নববধূর নিথর দেহ
মানসিক চাপে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা
টাওয়ারের লাশে ধোঁয়াশায় পুলিশ
নিজ বাসায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ
হত্যার পর বিদ্যুতের টাওয়ারে ঝুলিয়ে রাখল খুনি

শেয়ার করুন

স্কুলছাত্রীকে হত্যার পর আটক কিশোরের মৃত্যু

স্কুলছাত্রীকে হত্যার পর আটক কিশোরের মৃত্যু

টাঙ্গাইলের কালিহাতীর একটি নির্মাণাধীন ভবনের সিঁড়ি থেকে সুমাইয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। ছবি: নিউজবাংলা

র‍্যাব কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, স্কুলছাত্রীর মরদেহের পাশেই রক্তাক্ত অবস্থায় মনিরের পড়ে থাকাটা তদন্তের মোড় অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেয়। আহত মনিরকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে র‍্যাব হেফাজতে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। সুস্থ হলে তাকে আদালতে তোলা হতো।

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর ‘আত্মহত্যার’ চেষ্টা করা কিশোর মনির মারা গেছে।

র‌্যাব-১২ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট আব্দুল্লাহ আল মামুন বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মনিরকে আহত অবস্থায় উদ্ধারের পর প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ও পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানেই সকালে সে মারা যায়।

তিনি আরও জানান, এর আগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জিজ্ঞাসাবাদে মনির ওই স্কুলছাত্রীকে হত্যা করে আত্মহত্যার চেষ্টার কথা জানায়।

হত্যার শিকার কিশোরীর নাম সুমাইয়া আক্তার। তার বাড়ি উপজেলার পালিমা এলাকায়। সে এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে পড়ত।

মনির মিয়ার বাড়ি উপজেলার ভাবলা গ্রামে। তবে সে মশাজান গ্রামে থেকে কালিহাতীতে পরিবহন শ্রমিক হিসেবে কাজ করত।

কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘স্কুলছাত্রী সুমাইয়ার মরদেহের পাশেই রক্তাক্ত অবস্থায় মনিরের পড়ে থাকাটা তদন্তের মোড় অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেয়। আহত মনিরকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে র‌্যাব হেফাজতে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। সুস্থ হলে তাকে আদালতে তোলা হতো।

‘সুমাইয়ার সঙ্গে মনিরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। দুই মাস আগে সুমাইয়া অন্য আরেকজনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি মনির সহ্য করতে না পেরে সুমাইয়াকে মারধর করে।

‘বুধবার কোচিংয়ে যাওয়ার সময় একপর্যায়ে মনির সুমাইয়াকে একটি ভবনের নিচ তলার নিয়ে ছুরি দিয়ে হত্যার পর নিজেই আত্মহত্যার চেষ্টা করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে যে ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে সেটি মনিরের দুইটি টিকটক ভিডিওতে দেখা গেছে। মঙ্গলবার মনির তার বন্ধুদের সঙ্গে একটি বৈঠকে বসে অস্ত্রের কথাও বলেছে। পরে মনির ওই স্কুলছাত্রীকে হত্যা করে নিজেই আত্মহত্যার চেষ্টা করে।’

উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার শামসুল হক কলেজের সামনের একটি ভবনের সিঁড়ি থেকে বুধবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে সুমাইয়ার গলাকাটা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সেখানেই রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় মনিরকে।

তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে জরুরি বিভাগে চিকিৎসক রাজিব পাল চৌধুরী জানিয়েছিলেন, মনিরের গলায়, ঘাড়ে ও শরীরের বিভিন্নস্থানে গভীর ক্ষত ছিল।

আরও পড়ুন:
ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ঝুলছিল নববধূর নিথর দেহ
মানসিক চাপে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা
টাওয়ারের লাশে ধোঁয়াশায় পুলিশ
নিজ বাসায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ
হত্যার পর বিদ্যুতের টাওয়ারে ঝুলিয়ে রাখল খুনি

শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ছবি: নিউজবাংলা

নিহতের ছেলে ইমরান বলেন, ‘আমার অসুস্থ কাকার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাওয়ার কথা ছিল। তার চিকিৎসার আড়াই লাখ টাকা বাবার সঙ্গে ছিল। ওই টাকাও সন্ত্রাসীরা লুটে নেয়।’

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা আবু ছায়েদ ভূঞা রিপনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। লুট করা হয়েছে তার সঙ্গে থাকা আড়াই লাখ টাকা।

উপজেলার মিরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের বাদি গাছতলা এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে বাড়ি থেকে ১০০ গজ দূরে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি।

নিহত আবু ছায়েদ উপজেলার মিরওয়ারিশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

ওসি জানান, বুধবার রাত ২টা থেকে ৩টার মধ্যে কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ছায়েদকে কুপিয়ে হত্যা করে মরদেহ বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে আরেকটি বাড়ির সামনে ফেলে যায়।

নিহতের ছেলে ইমরান হোসেন জানান, লাল সবুজ বাস পরিবহনের বেগমগঞ্জ চৌরাস্তা বাস কাউন্টারের ম্যানেজার ছিলেন তার বাবা। বুধবার রাতে কাউন্টার থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন ছায়েদ। তার সঙ্গে আড়াই লাখ টাকা ছিল।

ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা হত্যা করে। মরদেহ বারিয়া হাট বাজার সংলগ্ন মোসলে উদ্দিন মাওলানার বাড়ির দরজায় ফেলে রাখা হয়।

ইমরান বলেন, ‘আমার অসুস্থ কাকার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাওয়ার কথা ছিল। তার চিকিৎসার আড়াই লাখ টাকা বাবার সঙ্গে ছিল। ওই টাকাও সন্ত্রাসীরা লুটে নেয়।’

ওসি মীর জাহেদুল জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ঝুলছিল নববধূর নিথর দেহ
মানসিক চাপে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা
টাওয়ারের লাশে ধোঁয়াশায় পুলিশ
নিজ বাসায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ
হত্যার পর বিদ্যুতের টাওয়ারে ঝুলিয়ে রাখল খুনি

শেয়ার করুন

নরসিংদীতে নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত ২

নরসিংদীতে নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত ২

নরসিংদীর রায়পুরায় ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে দুইজন নিহত হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি আজিজুর রহমান জানান, নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার পাড়াতলী ইউনিয়নের কাচারিকান্দি গ্রামে শাহ আলম মেম্বার ও একই গ্রামের ছোট শাহ আলমের সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছিল। সামনে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই দুই গ্রুপের মধ্যে বৃহস্পতিবার সকালে সংঘর্ষ হলে ছোট শাহ আলম গ্রুপের দুজন নিহত হন।

নরসিংদীর রায়পুরায় আধিপত্য বিস্তার ও ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে দুজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় ৩০ জন।

উপজেলার পাড়াতলী ইউনিয়নের কাচারিকান্দি গ্রামে বৃহস্পতিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন উপজেলার কাচারিকান্দি গ্রামের সাদির মিয়া ও একই গ্রামের মো. হিরণ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুর রহমান।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার পাড়াতলী ইউনিয়নের কাচারিকান্দি গ্রামে শাহ আলম মেম্বার ও একই গ্রামের ছোট শাহ আলমের সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলেছিল। সেই জেরে ৬ মাস আগে এই দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

ওই সংঘর্ষে ছোট শাহ আলম গ্রুপের ইয়াসিন ও শাহিন নামে দুজন নিহত হন। এ ঘটনায় বড় শাহ আলম গ্রুপের সদস্যরা গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়।

ওসি আরও জানান, ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলে নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য শাহ আলম মেম্বারের লোকজন আবার গ্রামে ঢোকার চেষ্টা চালায়। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ভোরে মেম্বার গ্রুপের সদস্যরা টেঁটা, বল্লম ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে গ্রামে ঢুকে ছোট শাহ আলমের বাড়িতে হামলা চালায়।

এ সময় ছোট আলমের সমর্থকরা বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে এবারও ছোট শাহ আলম গ্রুপের সাদির ও হিরণ নামের দুজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

গুলি ও টেঁটাবিদ্ধ হয়ে আহতদের উদ্ধার করে রায়পুরাসহ নরসিংদীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা সবাই ছোট শাহ আলমের সমর্থক। তাদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় জজ মিয়াকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ রায়পুরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে মামলার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলেও জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
ঘরের ধর্ণার সঙ্গে ঝুলছিল নববধূর নিথর দেহ
মানসিক চাপে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা
টাওয়ারের লাশে ধোঁয়াশায় পুলিশ
নিজ বাসায় কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ
হত্যার পর বিদ্যুতের টাওয়ারে ঝুলিয়ে রাখল খুনি

শেয়ার করুন