ওষুধ শিল্পে কর অবকাশ আরও ১০ বছর

ওষুধ শিল্পে কর অবকাশ আরও ১০ বছর

বাংলাদেশ যদি ওষুধের কাঁচামালও উৎপাদন করতে পারে, তবে প্রায় ৭ বিলিয়ন বা ৭০০ কোটি ডলার (প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা) রপ্তানি আয় করা সম্ভব। যা বর্তমানে আছে ৩০০ কোটি টাকা।  

দেশীয় ওষুধ শিল্পের প্রসারে সুখবর দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর।

স্থানীয়ভাবে কাঁচামাল উৎপাদন করে ওষুধ রপ্তানি করলে এমন প্রতিষ্ঠানকে আরও ১০ বছর কর অবকাশ সুবিধা বা ট্যাক্স হলিডে দেয়া হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড মঙ্গলবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

এ খাতে ২০২২ সাল পর্যন্ত কর অবকাশ সুবিধা দেয়া আছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বিদ্যমান সুবিধা ২০৩২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

বাংলাদেশে ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনে উৎসাহিত করতে বিনিয়োগকারীদের বাড়তি সুবিধা দেয়া হয়েছে বলে এনবিআর বলেছে।

বর্তমানে অন্য দেশে থেকে পেটেন্ট (ফর্মুলা) নিয়ে এসে বাংলাদেশ যে ওষুধ উৎপাদিত হচ্ছে, তার কাঁচামালও আসছে বিদেশ থেকে।

বাংলাদেশে ওষুধের কাঁচামালের ৮৫ শতাংশ আমদানিনির্ভর।

বাংলাদেশ যদি ওষুধের কাঁচামালও উৎপাদন করতে পারে, তবে প্রায় ৭ বিলিয়ন বা ৭০০ কোটি ডলার (প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা) রপ্তানি আয় করা সম্ভব। যা বর্তমানে আছে ৩০০ কোটি টাকা।

এনবিআরের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এপিআই খাতে টেকসই শিল্পায়নের মাধ্যমে রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ উৎসাহিত করার লক্ষ্যে কর অবকাশ সুবিধা অব্যাহত রাখা হয়েছে।

দেশীয় ওষুধশিল্পের প্রসার, প্রতিযোগিতামূলক বাজার সৃষ্টি করতে পণ্যের বৈচিত্র্যকরণ, ওষুধের মান উন্নয়নে গবেষণা করা এবং প্রয়োজনীয় কাঁচামাল যেন বাংলাদেশেই উৎপাদন করা যায়, সেই লক্ষ্যে ২০০৮ সালে দেশে একটি ওষুধশিল্প পার্ক গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত হয় এবং একই বছরের ডিসেম্বরে একটি প্রকল্প একনেকে অনুমোদন দেয়া হয়।

পোশাকি ভাষায় এই পার্কের নাম ‘অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রিডিয়েন্ট’ বা এপিআই নামে পরিচিতি। যেখানে ৪২টি ওষুধ কোম্পানিকে প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এত বছর পরও এ পার্কের কাজের তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি।

যোগাযোগ করা হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান আ ব ম ফারুক নিউজবাংলাকে বলেন, বেসরকারি কোম্পানিগুলো এপিআই-এর অবকাঠামো ঠিকমতো তৈরি করছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।

এর বাস্তবায়ন দ্রুত করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘এপিআই হলে ওষুধশিল্পের কাঁচামালের আমদানি নির্ভরতা কমবে। শুধু তা-ই নয়, কাঁচামাল রপ্তানি করা সম্ভব হবে।’

তিনি মনে করেন, সময়মতো এপিআই পার্ক না হওয়াটাই ওষুধশিল্পের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

গবেষণা সংস্থা সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘কাঁচামালের সিংহভাগ যাতে দেশেই উৎপাদন হয় সে পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। ওষুধ শিল্পে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ বা এফডিআই খুবই কম। প্রচুর এফডিআই আনতে হবে।‘

এনবিআর বলেছে, কর সুবিধা পেতে হলে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে প্রতি বছর বিধি অনুসারে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে।

মানহীন ওষুধ উপকরণ উৎপাদন করলে জরিমানা হবে এবং ওই বছরের কর সুবিধা বাতিল করা হবে।

আরও পড়ুন:
সম্ভাবনার ওষুধশিল্প: স্বস্তির মধ্যেও শঙ্কা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ডলারের দাম বেড়ে ৯০, বাড়ছে আমদানি খরচ

ডলারের দাম বেড়ে ৯০, বাড়ছে আমদানি খরচ

ডলারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণ কয়েকটি। করোনা শেষে মূলধনি যন্ত্র ও কাঁচামাল আমদানি যেমন বেড়েছে, তেমনি দেড় বছর পর খুলে দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন দেশের সীমান্ত। পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ছে। করোনার কারণে থেমে যাওয়া বহুজাতিক বিমান সংস্থাগুলো এখন অনেক রুট তথা গন্তব্যে তাদের বিমান চলাচল শুরু করেছে। ফলে মানুষের পেশাগত কাজ, শিক্ষা, চিকিৎসা ও কেনাকাটার জন্য বিভিন্ন দেশে যাতায়াত শুরু হয়েছে।

পণ্যমূল্য বেড়ে চলার মধ্যে আরও একটি দুঃসংবাদ হলো, ডলারের দরের ঊর্ধ্বগতি ঠেকানো যাচ্ছে না। ফলে আমদানি পণ্যের দাম আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মুদ্রাবাজারে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে ডলারের। খোলাবাজারে ডলারের দর ৯০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। ব্যাংকগুলো ডলার বিক্রি করছে ৮৮ টাকার উপরে। তবে সেখানে চাইলেই তা কেনা যায় না।

তবে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে গত এক সপ্তাহে ডলারের দর বাড়েনি; ৮৫ টাকা ৬৫ পয়সা দরেই বিক্রি হয়েছে।

আমদানির জোয়ারে আর রেমিট্যান্সের নিম্নগতিতে দেখা দিয়েছে এই সংকট। বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভেও টান পড়েছে। বাজার স্বাভাবিক রাখতে ডলার বিক্রি করে চলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, আমদানি বাড়ায় ডলারের চাহিদা বেড়েছে ঠিক। কিন্তু ডলারের কোনো সংকট নেই। পর্যাপ্ত ডলার আছে। চাহিদা পূরণে বাজারে ছাড়া হচ্ছে।

ডলারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণ কয়েকটি। করোনা শেষে মূলধনি যন্ত্র ও কাঁচামাল আমদানি যেমন বেড়েছে, তেমনি দেড় বছর পর খুলে দেয়া হচ্ছে বিভিন্ন দেশের সীমান্ত। পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ছে। করোনার কারণে থেমে যাওয়া বহুজাতিক বিমান সংস্থাগুলো এখন অনেক রুট তথা গন্তব্যে তাদের বিমান চলাচল শুরু করেছে। ফলে মানুষের পেশাগত কাজ, শিক্ষা, চিকিৎসা ও কেনাকাটার জন্য বিভিন্ন দেশে যাতায়াত শুরু হয়েছে।

ডলার ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাইরে যাওয়ার জন্য হঠাৎ ডলারের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। সে তুলনায় হাতে হাতে দেশে ডলার আসছে না। ফলে দাম বেড়ে গেছে। হাতে হাতে ডলার দেশে না এলে এই ঊর্ধ্বগতি শিগগির থামবে না।

মতিঝিলের ডলার ব্যবসায়ী রিপন মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ডলারের প্রচুর চাহিদা। কেউ বিক্রি করতে আসে না; সবাই কিনতে আসে। সে কারণেই প্রতিদিনই দাম বাড়ছে।’

গ্রাহকরা চাইলে পাসপোর্ট এনডোর্স করে ব্যাংক থেকেও ডলার কিনতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোও ৮৮ টাকা দরে ডলার বিক্রি করছে। তবে ঋণপত্রের (এলসি) দেনা পরিশোধে ব্যবসায়ীদের প্রতি ডলারের জন্য দিতে হচ্ছে ৮৫ টাকা ৬৫ পয়সা।

ফলে খোলাবাজারের সঙ্গে ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের দামের পার্থক্য সাড়ে ৪ টাকা ছাড়িয়ে গেছে; স্বাভাবিক সময়ে যা দুই-আড়াই টাকার মধ্যে থাকে।

রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক রোববার ৮৮ টাকায় ডলার বিক্রি করেছে; কিনেছে ৮৬ টাকা ২৫ পয়সায়। অগ্রণী ব্যাংক কিনেছে ৮৫ টাকা ৮০ পয়সায়। বিক্রি করেছে ৮৭ টাকা ৭০ পয়সায়।

মতিঝিল ও গুলশানের এক্সচেঞ্জ হাউস ও খোলাবাজারের ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন ডলার বিক্রি করতে কেউ আসছেন না। শুধু কেনার জন্য আসছেন। এই কারণে দাম বাড়ছে।

ডলারের দাম বাড়ায় পণ্য আমদানিতে ব্যবসায়ীদের বেশি টাকা খরচ করতে হচ্ছে। আর আমদানি খরচের তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে করোনার টিকা।

রোববার ৯০ টাকা ২৯ পয়সা দরে ডলার বিক্রি করেছেন বলে জানান তিনি।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ও ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান আহসান এইচ মনসুর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমদানি বাড়ায় ডলারের চাহিদা বাড়ছে; আর এতে দাম বাড়াটা স্বাভাবিক। গত অর্থবছরে প্রচুর রেমিট্যান্স আসায় ডলারের সরবরাহ বেড়ে গিয়েছিল। চলতি অর্থবছরে তেমনটি আর নেই। প্রতি মাসেই কমছে।’

‘রেমিট্যান্স কমতে থাকলে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে আরও ডলার বিক্রি করতে হবে’ পরামর্শ দিয়ে আহসান মনসুর বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংককে এখান চাহিদা মোতাবেক বাজারে ডলার ছাড়তে হবে।’

আগস্ট থেকে উত্তাল ডলারের বাজার

গত আগস্ট মাসের শুরু থেকেই আমদানির বাড়ার কারণে ডলারের চাহিদা বোড়তে থাকে। প্রায় প্রতিদিনই ৫-১০ পয়সা করে বেড়েছে। বাজার স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে বাজারে ডলারের জোগান বাড়িয়েছে।

আগস্টে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে ছেড়েছে ৩০ কোটি ৫০ লাখ ডলার। সেপ্টেম্বরে এর পরিমাণ দ্বিগুণ করে ছাড়া হয়েছে ৬৪ কোটি ১০ লাখ ডলার। চলতি অক্টোবর মাসের রোববার পর্যন্ত ছাড়া হয়েছে ৪০ কোটি ডলারের মতো।

আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত রিজার্ভ থেকে বাজারে ছাড়া হয়েছে ১৪০ কোটি ডলারের বেশি। শুধু চলতি অক্টোবরেই ৭০ কোটি ডলারের চাহিদার কথা ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শিল্পের কাঁচামাল, মূলধনি যন্ত্রপাতি–সব ধরনের পণ্যের আমদানি বাড়ছে। ইউরোপ-আমেরিকাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসছে। বাংলাদেশে করোনা মহামারির মধ্যেই পুরোদমে উৎপাদন কর্মকাণ্ড চলছে।

‘সব মিলিয়ে আমদানি বাড়াটাই স্বাভাবিক। আর এটা অর্থনীতির জন্য মঙ্গল।’

তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী ডলার বিক্রি করছে। এতদিন বাজার স্থিতিশীল রাখতে ডলার কেনা হয়েছিল। এখন সেই একই কারণে বিক্রি করা হচ্ছে।

‘এই কাজটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক সব সময়ই করে থাকে। যখন যেটা প্রয়োজন, সেটাই করা হয়।’

আমদানি-রপ্তানি দুটোই বাড়ছে

করোনার ধাক্কা সামলে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করায় অর্থনীতির অন্যতম প্রধান দুই সূচক আমদানি-রপ্তানি দুটোই বাড়ছে সমানতালে।

গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৩৮ শতাংশ। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) গত বছরের একই সময়ের চেয়ে পণ্য রপ্তানি থেকে ১১ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেশি আয় করেছে বাংলাদেশ।

আগামীতে রপ্তানি আয় আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। কেননা বিশ্বে রপ্তানির পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। এজন্য উদ্যোক্তারা প্রস্তুতিও নিচ্ছেন। রপ্তানি বৃদ্ধির কারণে ব্যাক টু ব্যাক এলসির আওতায় কাঁচামাল আমদানির পরিমাণও বাড়ছে।

পণ্য আমদানির দুই মাসের তথ্য প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তাতে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসের (জুলাই-আগস্ট) পণ্য আমদানি বেড়েছে ৬৬ শতাংশ। আর এলসি খোলার পরিমাণ বেড়েছে আরও বেশি; ৪৮ দশমিক ৬০ শতাংশ।

রেমিট্যান্স কমেছেই

গত ২০২০-২১ অর্থবছরে অর্থনীতির সূচকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থায় ছিল প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। আগের বছরের চেয়ে বেড়েছিল ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ। কিন্তু এবার নিম্নমুখি এই সূচকে। প্রতি মাসেই কমছে রেমিট্যান্স।

চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) গত বছরের একই সময়ের চেয়ে রেমিট্যান্স কমেছে ১৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বরে বেড়েছিল ৪৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ। পুরো অর্থবছরে রেমিট্যান্স বেড়েছিল ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ।

চলতি অক্টোবর মাসেও সেই নেতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। ২১ অক্টোবর পর্যন্ত ১২০ কোটি ৭০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। গত বছরের অক্টোবর মাসে এসেছিল ২১০ কোটি ২১ লাখ ডলার।

রিজার্ভে টান

রেমিট্যান্স কমায় আর আমদানি বাড়ায় বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভে টান পড়েছে। রোববার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৪৬ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার।

গত ২৪ আগস্ট আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ১৪৪ কোটি ৮০ লাখ (প্রায় ১.৪৫ বিলিয়ন) ডলার এসডিআর (স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস) ঋণ রিজার্ভে যোগ হওয়ায় এক লাফে রিজার্ভ বেড়ে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে।

সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) জুলাই-আগস্ট মেয়াদের আমদানি বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৪৭ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে আসে।

এর পর থেকে তা কমতে কমতে গত সপ্তাহে প্রায় ৪৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল। গত কয়েক দিনে খানিকটা বেড়ে রোববার ৪৬ দশমিক ৪০ বিলিয়র ডলারে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন:
সম্ভাবনার ওষুধশিল্প: স্বস্তির মধ্যেও শঙ্কা

শেয়ার করুন

আলমগীর কবির আবারও বিসিএমএর সভাপতি

আলমগীর কবির আবারও বিসিএমএর সভাপতি

আলমগীর কবির। ছবি: সংগৃহীত

অ্যাসোসিয়েশনের ২০তম বার্ষিক সাধারণ সভায় তিনি ২০২১-২২ ও ২০২২-২৩ মেয়াদের জন্য সভাপতি পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

আলমগীর কবির আবারও বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএমএ) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শনিবার অ্যাসোসিয়েশনের ২০তম বার্ষিক সাধারণ সভায় তিনি ২০২১-২২ ও ২০২২-২৩ মেয়াদের জন্য সভাপতি পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

আলমগীর কবির এম আই সিমেন্ট ফ্যাক্টরি লিমিটেডের (ক্রাউন সিমেন্ট) ভাইস-চেয়ারম্যান।

এছাড়া মেট্রোসেম সিমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মেট্রোসেম গ্রুপের চেয়ারম্যান শহিদুল্লাহ প্রথম সহসভাপতি এবং কনফিডেন্স সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির উদ্দিন আহমেদ বিসিএমএর দ্বিতীয় সহসভাপতি পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন।

কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন নোয়াপাড়া সিমেন্টের ফয়জুর রহমান বকুল।

অ্যাসোসিয়েশন কার্যনির্বাহী কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন আব্দুল খালেক পারভেজ (ডায়মন্ড সিমেন্ট), মনোয়ার হোসেন (আনোয়ার সিমেন্ট), খোরশেদ আলম (ইউনিক সিমেন্ট), আশরাফুল আমিন বাদল (হেইডেলবার্গ সিমেন্ট), খন্দকার কিংশুক হোসেন (বসুন্ধরা সিমেন্ট), সাইফ রহমান (সেভেন রিংস সিমেন্ট), আমিরুল হক (প্রিমিয়ার সিমেন্ট), আসাদুল হক সুফিয়ানি (বেঙ্গল সিমেন্ট), মাহমুদ হাসান (সিয়াম সিটি সিমেন্ট) এবং খায়রুল আলম (শাহ সিমেন্ট)।

আলমগীর কবির বলেন, ‘করোনার পর অন্য খাতের মতো সিমেন্ট শিল্পও এক কঠিন সময় পার করছে। সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে সিমেন্ট শিল্পের উন্নয়ন ও বিকাশের পাশাপাশি ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য সরকারের নীতি-নির্ধারকদের সঙ্গে কাজ করাই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য।’

আরও পড়ুন:
সম্ভাবনার ওষুধশিল্প: স্বস্তির মধ্যেও শঙ্কা

শেয়ার করুন

অতিরিক্ত জাহাজ ভাড়া, সংকটে আমদানি

অতিরিক্ত জাহাজ ভাড়া, সংকটে আমদানি

বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরে জাহাজ-জট এবং খালি কন্টেইনারের ঘাটতির কারণে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহন ভাড়া (ফ্রেইট চার্জ) বাড়িয়েছে শিপিং লাইনগুলো। এতে আমদানি-রপ্তানি খরচ বেড়ে যাওয়ায় দেশের পাইকারি ও খুচরা বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ছে।

বিদেশ থেকে পণ্য আনতে জাহাজ মিলছে না। ফলে বিভিন্ন দেশে আটকা পড়ে আছে আমদানি পণ্য। এতে ব্যাংক লোনের সুদসহ আমদানি খরচ বাড়ছে।

অন্যদিকে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় গত এক মাসে জাহাজ ভাড়া বেড়েছে পাঁচ গুণের বেশি। এতে হুমকিতে পড়েছে পণ্য আমদানি। এর প্রভাব পড়ছে উৎপাদনসহ নানা খাতে।

জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কয়লা তোলা বন্ধ আছে অ্যামোনিয়ার অভাবে। জাহাজের অভাবে মধ্যপ্রাচ্য থেকে কেনা এই গ্যাস আনতে পারছে না খনি কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে কাতারসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা লিকুইড ন্যাচারাল গ্যাস বা এলএনজি আমদানিতে বড় ধরনের ঝামেলায় পড়তে হচ্ছে সরকারকে। যে এলএনজি কেনা হয়েছে, তা পরিবহনের জাহাজ মিলছে এক থেকে দেড় মাসের মাথায়।

কয়লা পরিবহনেও একই ধরনের ঝক্কি পোহাতে হচ্ছে জ্বালানি বিভাগকে। কয়লাবাহী জাহাজগুলোর বহর গত কয়েক মাস ধরে দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া বা ইন্দোনেশিয়া থেকে চীনের দিকে যাতায়াত করছে।

মন্ত্রণালয় বলছে, তেল, গ্যাস, কয়লার মতো জ্বালানি পরিবহনকারী সমুদ্রগামী জাহাজগুলো বিশেষভাবে তৈরি। করোনার ঢেউ নিয়ন্ত্রণের পর জ্বালানী মজুত ও ব্যবহারে চীনের আগ্রাসী ভূমিকার ফলে অন্য দেশগুলো বিপদে পড়েছে। জ্বালানিবাহী জাহাজগুলো এখন চীনের পণ্য পরিবহনেই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে।

একই অবস্থা দেখা যাচ্ছে অন্যান্য খাতেও। খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার নিউজবাংলাকে বলেন, গত এক মাসে জাহাজ ভাড়া বেড়েছে পাঁচ গুণ।

তিনি বলেন, ‘সেপ্টেম্বর মাসে আমরা রাশিয়া থেকে ২ লাখ টন গম সরকারিভাবে ক্রয় করি। তখন টন প্রতি দর ছিল ২৫০ ডলার। এক সপ্তাহের মধ্যে আমরা আরও ২ লাখ টন গম আনার সিদ্ধান্ত জানাই। কিন্তু তখন জাহাজ মিলছিল না। দুই সপ্তাহ পর যখন জাহাজ মিলল, তখন দর বেড়ে দাঁড়িয়েছে টন প্রতি ৩৬৬ ডলার।

‘আমরা তখন ইউক্রেনে যোগাযোগ করি। তারা কিছুটা কম দরে আমাদের গম দিতে রাজি হলেও শর্ত হিসেবে নিজেদের জাহাজে করে তা পরিবহনের কথা বলে। কিন্তু আমরা সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করি।’

তিনি বলেন, বেসরকারি খাতের চিত্রও একই। কেবল ট্যাংকার, বাল্ক জাহাজই নয়, কন্টেইনার জাহাজের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে।

বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ভাড়া নির্ধারণ করে ভেসেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। বিভিন্ন খাতে তাদের খরচ বেড়েছে। জ্বালানি তেলসহ নানা খরচ বাড়ায় গত কয়েক মাসে ভাড়া বেড়েছে চার থেকে ছয় গুণ।’

তিনি বলেন, ‘বাল্ক ও ট্যাংকারের ক্ষেত্রে যে সংকট, তার পেছনে রয়েছে চীন। তারা খাদ্যপণ্য, কেমিক্যাল ও জ্বালানি ভেসেলগুলোকে ব্যস্ত রেখেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে তেল, গ্যাস ও কয়লা আমদানি করে মজুদ গড়ে তোলার কথা শোনা যাচ্ছে দেশটির বিরুদ্ধে। অন্যদিকে বিভিন্ন দেশে কেমিক্যাল ও পণ্য রপ্তানি বাড়াতেও তারা আগ্রাসী।

‘প্যানডেমিক নিয়ন্ত্রণে আসার পর অনেক দেশে রপ্তানি বেড়ে গেছে। বিশেষ করে কন্টেইনারের ক্ষেত্রে। এখন সব কন্টেইনার ইউরোপ-আমেরিকামুখী। ফলে কলম্বো ও সিঙ্গাপুর থেকে কন্টেইনার ভাড়া বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। কেউ তো খালি কন্টেইনার আনবে না।’

এদিকে সংগঠনের বর্তমান সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাল্ক জাহাজের ভাড়া বেড়েছে সার্বিকভাবে চার গুণ। ফলে দেশে চাল, সার, গম, পাথর, কেমিক্যাল, অ্যাশ আসা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এর প্রভাব পড়ছে নানা ক্ষেত্রে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরে জাহাজ-জট এবং খালি কন্টেইনারের ঘাটতির কারণে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহন ভাড়া (ফ্রেইট চার্জ) বাড়িয়েছে শিপিং লাইনগুলো। এতে আমদানি-রপ্তানি খরচ বেড়ে যাওয়ায় দেশের পাইকারি ও খুচরা বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, শ্রীলঙ্কার কলম্বোসহ কয়েকটি বন্দরে জাহাজ ও কন্টেইনারের তীব্র জট তৈরি হয়েছে। ফলে বিশ্বব্যাপী আমদানি-রপ্তানির কন্টেইনার সংকট দেখা দিয়েছে। যার কারণে ফ্রেইট চার্জ বাড়িয়ে দিয়েছে শিপিং লাইনগুলো।

ফিডার জাহাজ অপারেটররা চট্টগ্রাম থেকে কলম্বো, সিঙ্গাপুরসহ আশপাশের বন্দরে পণ্য বোঝাই প্রতিটি কন্টেইনার পরিবহনে ফ্রেইট চার্জ ৭০ ডলার পর্যন্ত বাড়িয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি খালি কন্টেইনার পরিবহনে চার্জ বাড়ানো হয়েছে ৪০ ডলার পর্যন্ত।

আরও পড়ুন:
সম্ভাবনার ওষুধশিল্প: স্বস্তির মধ্যেও শঙ্কা

শেয়ার করুন

তরুণদের জন্য ক্রেডিট কার্ড আনল ব্র্যাক-মাস্টারকার্ড

তরুণদের জন্য ক্রেডিট কার্ড আনল ব্র্যাক-মাস্টারকার্ড

তরুণদের জন্য ক্রেডিটকার্ড এনেছে ব্র্যাক-মাস্টারকার্ড। ছবি: নিউজবাংলা

‘মাস্টারকার্ড মিলেনিয়াল টাইটেনিয়াম ক্রেডিট কার্ড’ ব্যবহার করে গ্লোরিয়া জিন্স, নর্থ-এন্ড কফি, ক্রিমসন কাপ, কুপার্স ও ডোমিনোজ পিৎজায় মাসে ন্যূনতম ৫ হাজার টাকা খরচে ১ হাজার রিওয়ার্ড পয়েন্ট জেতা যাবে।

ব্র্যাক ব্যাংক ও মাস্টারকার্ড দেশের তরুণদের জন্য ‘মাস্টারকার্ড মিলেনিয়াল টাইটেনিয়াম ক্রেডিট কার্ড’ চালু করেছে।

দেশের মিলেনিয়াল (২০০০ সাল ও তার পরে জন্মগ্রহণ করা) প্রজন্ম ও কর্মজীবী তরুণদের চাহিদায় এ কার্ড চালু করা হয়েছে বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত বছরগুলোতে দেশের ‘ডিজিটাল-ফার্স্ট’ প্রজন্মের মধ্যে ব্যয়ের প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাস্টারকার্ড ও ব্র্যাক ব্যাংকের নতুন এই কার্ড ব্যক্তি বিশেষের চাহিদামাফিক আর্থিক সমাধান দেবে।

এই কার্ড ব্যবহারকারীদের জন্য ‘ওয়েলকাম প্যাক’ হিসেবে থাকছে ই-কমার্স পোর্টাল, পোশাকের দোকান, বিউটি সেলুন ও কফি শপগুলোতে কেনাকাটার বিপরীতে ক্যাশব্যাক, ভাউচার, মূল্যছাড়সহ নানা পুরস্কার ও সুবিধা।

পাশাপাশি আছে দেশের সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি অংশীদার আউটলেটে মুদি পণ্য ও অনলাইনভিত্তিক কেনাকাটায় বোনাস পয়েন্ট রিওয়ার্ড, হোটেলে অবস্থানকালে (বোগো বা বাই-ওয়ান-গেট-ওয়ান) সুবিধা, ডাইনিং ও বিভিন্ন লাইফস্টাইল অফার।

এ ছাড়া আরও থাকবে বিমানবন্দর লাউঞ্জে বছরে দুটি কমপ্লিমেন্টারি ভিজিট ও ভ্রমণের ক্ষেত্রে ৫ হাজার মার্কিন ডলার এনডোর্স করার বিপরীতে ৫০০ বোনাস পয়েন্ট।

এই কার্ড ব্যবহার করে মিলেনিয়ালরা সুদ ছাড়া খুচরা পণ্য কেনার সুযোগ পাবেন।

‘মাস্টারকার্ড মিলেনিয়াল টাইটেনিয়াম ক্রেডিট কার্ড’ ব্যবহার করে গ্লোরিয়া জিন্স, নর্থ-এন্ড কফি, ক্রিমসন কাপ, কুপার্স ও ডোমিনোজ পিৎজায় মাসে ন্যূনতম ৫ হাজার টাকা খরচে ১ হাজার রিওয়ার্ড পয়েন্ট জেতা যাবে।

সপ্তাহ শেষে নির্ধারিত মুদি পণ্যের দোকানে কেনাকাটায় মাসিক ভিত্তিতে দ্বিগুণ বোনাস রিওয়ার্ড পয়েন্ট এবং নির্দিষ্ট অনলাইন ফুড ডেলিভারি অ্যাপে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশব্যাকসহ বছরজুড়ে আরও সুবিধা থাকবে বলে জানানো হয়।

ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম রেজা ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘মাস্টারকার্ডের সঙ্গে যৌথভাবে এই প্রথম বাংলাদেশের মিলেনিয়াল প্রজন্মের জন্য ক্রেডিট কার্ড চালুর ঘোষণা দিতে পেরেছি। আমরা বিশ্বাস করি, তরুণ প্রজন্মকে দেশের অর্থনীতিতে সম্পৃক্ত করা ও তাদের ক্ষমতায়নের জন্য এটাই সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। এতে তারা নিজেদের পূর্ণ সম্ভাবনা ও গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারবেন।’

মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের প্রধান সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, ‘দেশের মোট জনসংখ্যার বড় এক অংশ মিলেনিয়াল প্রজন্মের। তাই ধারাবাহিক পরিবর্তনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের মতো প্রযুক্তিনির্ভর এই প্রজন্মকে ডিজিটাল লেনদেনে অভ্যস্ত করে তোলার সম্ভাবনা আছে। প্রযুক্তিভিত্তিক অত্যাধুনিক লেনদেন সেবাদাতা কোম্পানি হিসেবে মাস্টারকার্ড মিলেনিয়াল প্রজন্মের গ্রাহকদের জন্য নিরাপদ ও বিরামহীন লেনদেন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।’

নেমেসিস ব্যান্ড দলের ভোকালিস্ট জোহাদ রেজা চৌধুরী ও অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিন মাস্টারকার্ড মিলেনিয়াল ক্রেডিট কার্ডের প্রচারণা করবেন।

আরও পড়ুন:
সম্ভাবনার ওষুধশিল্প: স্বস্তির মধ্যেও শঙ্কা

শেয়ার করুন

স্থায়ী ভবন পাচ্ছে এনজিও ফাউন্ডেশন

স্থায়ী ভবন পাচ্ছে এনজিও ফাউন্ডেশন

অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ছবি: সংগৃহীত

অর্থমন্ত্রী জানান, এনজিও ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার পর আয়বিধায়ক তহবিল হিসেবে ১৬২ কোটি টাকা সরকারি অনুদান পেয়েছে। সেখান থেকে মুনাফা নিয়ে সহযোগী সংস্থাকে ১৫৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে ফাউন্ডেশন। তারপরও আয়বিধায়ক তহবিলের স্থিতি ২৭০ কোটি টাকা।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে স্থায়ী ভবন পাচ্ছে এনজিও ফাউন্ডেশন। নিজস্ব ভবনে ফাউন্ডেশনের দারিদ্র্য বিমোচন কাজে গতিশীলতা বাড়বে বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা।

এনজিও ফাউন্ডেশনের নির্মিতব্য ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়েছে রোববার। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ শামীম আখতার, ফাউন্ডেশনের পর্ষদ সদস্য, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও সাবেক সিনিয়র অর্থসচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন।

আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘জাতির পিতা দারিদ্র্যমুক্ত ও শোষণমুক্ত একটি সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। তার অর্থনৈতিক দর্শন অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এক দশক দেশে গড়ে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হয়েছে।

‘করোনার আঘাতে গত বছর বৈশ্বিক অর্থনীতি ৩ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে। এমন সময়ে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশ শীর্ষ পাঁচটি সহনশীল অর্থনীতির মধ্যে রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এনজিও ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার পর আয়বিধায়ক তহবিল হিসেবে ১৬২ কোটি টাকা সরকারি অনুদান পেয়েছে। সেখান থেকে মুনাফা নিয়ে সহযোগী সংস্থাকে ১৫৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে ফাউন্ডেশন। তারপরও আয়বিধায়ক তহবিলে স্থিতি ২৭০ কোটি টাকা।

‘এনজিও ফাউন্ডেশন দেশের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এনজিওর মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত, পিছিয়ে পড়া, অসহায়, অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। দারিদ্র্য বিমোচনে তারা কাজ করছে প্রায় সাড়ে সাত হাজার গ্রামে। ১ হাজার ১২০টি এনজিও হতদরিদ্র মানুষের সেবা করে যাচ্ছে ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে। নিজস্ব ভবন পেলে তাদের কাজে আরও গতিশীলতা আসবে বলে মনে করি।’

মাটির নীচে দোতলা বেজমেন্টসহ ১২ তলা ভবন নির্মানে ৩৮ দশমিক ৬৩ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে জানান কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
সম্ভাবনার ওষুধশিল্প: স্বস্তির মধ্যেও শঙ্কা

শেয়ার করুন

চাঙা অর্থনীতি, রাজস্ব আদায়ে জোয়ার 

চাঙা অর্থনীতি, রাজস্ব আদায়ে জোয়ার 

চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বা রাজস্ব আহরণে সামগ্রিকভাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৭ শতাংশ। এ সময়ে মোট রাজস্ব আহরণ হয় ৫৮ হাজার ৩৫১ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে আদায় হয়েছিল ৪৯ হাজার ৯৯১ কোটি টাকা।

করোনার প্রভাবে সৃষ্ট গভীর খাদ থেকে উঠে দাঁড়িয়েছে দেশের রাজস্ব খাত। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রাজস্ব আদায় বেড়েছে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় পাঁচ গুণ।

অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, করোনার প্রভাব কাটিয়ে দেশের অর্থনীতি যে চাঙা হচ্ছে, এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে রাজস্ব আদায়ে। এটি দেশের জন্য সুসংবাদ বলে মনে করেন তারা।

রোববার প্রকাশিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সবশেষ প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বা রাজস্ব আহরণে সামগ্রিকভাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৭ শতাংশ।

এ সময়ে মোট রাজস্ব আহরণ হয় ৫৮ হাজার ৩৫১ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে আদায় হয়েছিল ৪৯ হাজার ৯৯১ কোটি টাকা।

অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের আদায়ের এই চিত্র সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে রেকর্ড তৈরি করেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল ৩ দশমিক ২১ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের প্রথম থেকে রাজস্ব আয়ে গতিশীলতা লক্ষ করা যাচ্ছে। আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বরে গতি আরও বেড়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, আমদানি-রপ্তানিতে গতি এসেছে। চাঙা হচ্ছে অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে রাজস্ব আহরণে।

দেশে করোনা সংক্রমণ হওয়ার পর সবকিছু বন্ধ থাকায় গত বছরের এপ্রিল-মে রাজস্ব আদায় হয়নি বললেই চলে। জুন মাসেও তেমন রাজস্ব আদায় হয়নি।

গত বছরের জুলাই মাস থেকে রাজস্ব আদায় স্বাভাবিক হতে শুরু করে। আর চলতি অর্থবছরের শুরুতে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে করোনার আগের সময়ের ধারায় ফিরে আসে এনবিআর।

করোনার প্রথম ধাপে ২০১৯-২০ অর্থবছর রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক বা নেতিবাচক ছিল। স্বাধীনতা-পরবর্তী আর কখনোই এমনটি দেখা যায়নি। সেই অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে রাজস্ব খাত ক্রমাগত উচ্চ প্রবৃদ্ধির দিকে যাচ্ছে।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এখন পর্যন্ত রাজস্ব আদায়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে আমদানি খাত। অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে এ খাতে সর্বোচ্চ ২১ শতাংশ হারে আদায় বেড়েছে, যেখানে গত অর্থবছরের একই সময়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৭ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, করোনা পরিস্থিতি উন্নতির ফলে অভ্যন্তরীণ চাহিদা চাঙা হওয়ায় আমদানির চাহিদা বেড়েছে। এ কারণে আমদানি শুল্ক বাড়ছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বাজোরে পণ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে আদায়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

সাধারণত আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বাড়লেও আমদানি শুল্ক বাড়ে। কারণ, তখন বেশি দামের ওপর ভিত্তি করে পণ্যের শুল্কায়ন করা হয়।

এনবিআরের হালনাগাদ পরিসংখ্যান বলছে, চলতি অর্থবছরে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আমদানি পর্যায়ে রাজস্ব আহরণ হয় ১৯ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা, যেখানে গত অর্থবছরের একই সময়ে আয় ছিল ১৫ হাজার ৯৫৮ কোটি টাকা।

রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ভ্যাটে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় সাড়ে ১৬ শতাংশ। গত অর্থবছর একই সময়ে এটি ছিল মাত্র ১ দশমিক ২৫ শতাংশ।

এ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ভ্যাট আদায় হয়েছে ২১ হাজার ৯২ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে একই সময় আদায় হয় ১৮ হাজার ১১২ কোটি টাকা।

এনবিআরের কর্মকর্তারা বলেন, করোনার দ্বিতীয় ধাক্কার পর গত আগস্ট মাসে বিধিনিষেধ তুলে দেয়া হয়। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙা হয়। যে কারণে ভ্যাট আহরণ বেড়েছে।

অভ্যন্তরীণ আয়ের অন্যতম উৎস আয়কর বা প্রত্যক্ষ কর খাত অন্য দুটি অপেক্ষা কিছুটা পিছিয়ে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে আয়কর আদায় বেড়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ হারে, যেখানে গত অর্থবছরে একই সময়ে প্রবৃদ্ধি হয় ২ শতাংশের কিছু বেশি।

এ সময়ে আয়কর আদায় হয়েছে ১৭ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা। গত অর্থবছর এ সময়ে আদায় ছিল ১৫ হাজার ৯২০ কোটি টাকা। এনবিআর বলছে, অর্থবছরে শুরুতে উন্নয়ন কাজের গতি মন্থর থাকায় আয়কর আদায় কম হয়। শুষ্ক মৌসুমে এডিপির কাজের গতি বাড়ে। ফলে আয়কর আদায়ও বাড়বে।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এনবিআরের তিনটি উৎস– আমদানি, ভ্যাট ও আয়কর আদায়ে অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ডাবল ডিজিট প্রবৃদ্ধি হয়েছে, যেখানে গত অর্থবছরের একই সময়ে তা ছিল সিঙ্গেল ডিজিট।

তবে আদায় পরিস্থিতি ভালো হলেও তিন মাসে রাজস্ব আদায় পিছিয়ে আছে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায়। ঘাটতি ৬ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

বাজেটের মোট অর্থের ৮৬ শতাংশ জোগান দেয় এনবিআর।

চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে এনবিআরের মাধ্যমে সংগৃহীত রাজস্বের পরিমাণ ধরা হয় মোট ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। তবে এই লক্ষ্যমাত্রাকে অতি উচ্চাভিলাষী বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।

গত অর্থবছরে ২ লাখ ৫৯ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়।

যোগাযোগ করা হলে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাবেক ঊর্ধ্বতন পরিচালক বর্তমানে অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের ধারায় ফিরছে। রেমিট্যান্স কিছুটা কমলেও রপ্তানি বাড়ছে। সবকিছু মিলিয়ে অর্থনীতি প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরছে। এসব কারণে রাজস্ব আদায় বাড়ছে।’

আরও পড়ুন:
সম্ভাবনার ওষুধশিল্প: স্বস্তির মধ্যেও শঙ্কা

শেয়ার করুন

সোনালী জুট মিলস ফের চালু

সোনালী জুট মিলস ফের চালু

খুলনা নগরীর মিরেরডাঙ্গার সোনালী জুট মিলস আবার চালু করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

মিল সূত্র জানায়, আর্থিক সংকট, পাটের দাম বৃদ্ধিসহ নানা জটিলতায় মালিকপক্ষ মিলটি বন্ধ করে দেয়। পরে বেসরকারি পাট, সুতা, বস্ত্রকল শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশন, মিলের অ্যাডহক কমিটি এবং খুলনা বিভাগীয় শ্রম পরিচালক মিজানুর রহমান এটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেন।

খুলনা নগরীর সোনালী জুট মিলস আবার চালু করা হয়েছে। ১১ মাস বন্ধ থাকার পর শনিবার মিলটি আংশিক চালু করা হয়।

নগরীর মিরেরডাঙ্গা শিল্প এলাকায় ব্যক্তিমালিকানার মিলটি গেল বছরের ২৮ নভেম্বর বন্ধ করা হয়েছিল।

মিল সূত্র জানায়, আর্থিক সংকট, পাটের দাম বৃদ্ধিসহ নানা জটিলতায় মালিকপক্ষ মিলটি বন্ধ করে দেয়। পরে বেসরকারি পাট, সুতা , বস্ত্রকল শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশন, মিলের অ্যাডহক কমিটি এবং খুলনা বিভাগীয় শ্রম পরিচালক মিজানুর রহমান এটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেন।

মেসার্স জামান ট্রেডিং লিজ হিসেবে মিলটি চালানোর আগ্রহ প্রকাশ করলে শনিবার থেকে এটা পুনরায় চালু হয়।

রোববার সকাল ১০টার দিকে বেসরকারি পাট, সুতা, বস্ত্রকল শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশন জরুরি মতবিনিময় সভা হয়। সোনালী জুট মিলস ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন ফেডারেশনের সভাপতি শেখ আমজাদ হোসেন এতে সভাপতিত্ব করেন। সংগঠনের প্রচার সম্পাদক সাইফুল্লাহ তারেকের পরিচালনায় সভা হয়।

বক্তব্য দেন বেসরকারি পাট, সুতা, বস্ত্রকল শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও মহসেন জুট মিলস ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল খান, সংগঠনের সহসভাপতি ও আফিল জুট মিলস মজদুর ইউনিয়নের নেতা কাবিল হোসেন ও নিজামউদ্দিন, মহসেন জুট মিলসের শ্রমিকনেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আসহাফ উদ্দীন, মাহাতাব উদ্দীনসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
সম্ভাবনার ওষুধশিল্প: স্বস্তির মধ্যেও শঙ্কা

শেয়ার করুন