এআইইউবি’র ২০তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত

এআইইউবি’র ২০তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত

এআইইউবির ২০তম সমাবর্তন অনুষ্ঠান । ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতি ও এআইইউবি’র চ্যান্সেলর মো. আবদুল হামিদের সম্মতিতে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সমাবর্তন অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ও গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে সনদ বিতরণ করেন। সমাবর্তন বক্তা হিসাবে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার এইচ.ই. রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন।

আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি)- এর ২০তম সমাবর্তন অনুষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম থেকে ভার্চুয়ালি আয়োজিত হয়েছে।

রোববার আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও এআইইউবি’র চ্যান্সেলর মো. আবদুল হামিদের সম্মতিক্রমে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ও গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে সনদ বিতরণ করেন। বিশেষ অতিথি হিসাবে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

সমাবর্তন বক্তা হিসাবে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার এইচ.ই. রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন এআইইউবি-এর ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. হাসানুল আবেদীন হাসান এবং ভাইস চ্যান্সেলার ড. কারমেন জেড ল্যামাগনা।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শিক্ষাবর্ষ ২০১৯-২০ এবং ২০২০-২১ এর বিভিন্ন অনুষদের মোট দুই হাজার ৮৭৮ জন ছাত্র-ছাত্রীকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি দেয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে পারদর্শিতা ও সর্বোত্তম ফলাফল অর্জনকারী ছাত্র-ছাত্রীদের সম্মাননা পদক দেয়া হয়।

সমাবর্তনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘গত দেড় বছর ধরে আমরা একটা অতিমারির মধ্যে রয়েছি। সারা বিশ্বের মানুষ নানান সমস্যার মধ্যে রয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রতিকূলতায় রয়েছে শিক্ষাখাত। যারা এ অতিমারির মধ্যে পড়াশোনা শেষ করেছেন তাদের অভিনন্দন।’

শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সনদ অর্জনের পাশাপাশি বর্তমান বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সাথে কর্মমূখী শিক্ষা গ্রহণ করে নিত্য নতুন দক্ষতা অর্জন করে দেশের উন্নয়নে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে হবে।’

সমাবর্তন বক্তা হিসাবে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিট্রিশ হাইকমিশনার এইচ.ই. রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন তার শিক্ষা ও কর্মজীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে উপস্থিত গ্র্যাজুয়েটদের উদ্বুদ্ধ করেন।

এআইইউবি-এর ভাইস চ্যান্সেলার ড. কারমেন জেড ল্যামাগনা গ্র্যাজুয়েটদেরকে জীবনে প্রতিটি সমস্যা ধৈর্য্যে সঙ্গে এবং মেধার আলোকে একাত্মতা বোধ সৃষ্টির মাধ্যমে ও প্রাপ্ত শিক্ষার মাধ্যমে নিজ নিজ মেধা দিয়ে মোকাবিলা করার আহ্বান জানান।

এআইইউবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. হাসানুল আবেদীন হাসান তার স্বাগত ভাষণে ডিগ্রি প্রাপ্তদের অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।

এআইইউবি’র ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব পেজে ১০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ও অভিভাববকরা সমাবর্তনে যোগ দেন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ব্লেন্ডেড এডুকেশন সিস্টেম চালুর উদ্যোগ

ব্লেন্ডেড এডুকেশন সিস্টেম চালুর উদ্যোগ

সবাইকে শিক্ষার আওতায় আনতেই এই উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। ছবি: প্রতীকী

একই সঙ্গে সশরীরে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি এবং অনলাইন বা অনসাইটের শিক্ষাসংক্রান্ত বিষয়বস্তু শিক্ষার্থীদের মাঝে বোঝানো এবং প্রদর্শন করার মাধ্যমে পাঠদান করার পদ্ধতিকে ব্লেন্ডেড এডুকেশন বলা হয়।

করোনার কারণে প্রায় দেড় বছরের বেশি সময় স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকার পর সশরীরে ক্লাস শুরু হলেও শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতির সংখ্যা বেশ কম। প্রথম দিকে উপস্থিতির হার ছিল ৬০ শতাংশের বেশি, কিন্তু ধীরে ধীরে কমছে এ হার।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ সেপ্টেম্বর সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম শুরুর পর ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার ছিল ৬০ দশমিক ২৭ শতাংশ। ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই হার ছিল ৫৫ শতাংশ। সর্বশেষ ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত স্কুলে উপস্থিতির হার ছিল প্রায় ৫০ শতাংশ। এরপর থেকে গত কিছুদিন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির গড় হার নির্ণয় করেনি মাউশি।

স্কুলে উপস্থিতির হার প্রতিনিয়ত কমার বিষয়টি ভাবিয়ে তুলেছে শিক্ষা প্রশাসনকে। এ সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য ‘ব্লেন্ডেড এডুকেশন সিস্টেম’ বা মিশ্র শিক্ষাব্যবস্থার আওতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ব্লেন্ডেড এডুকেশন সিস্টেমের একটি রূপরেখা (ফ্রেমওয়ার্ক) তৈরির জন্য জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

সেই সঙ্গে সশরীরে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি এবং অনলাইন বা অনসাইটের শিক্ষাসংক্রান্ত বিষয়বস্তু শিক্ষার্থীদের মাঝে বোঝানো ও প্রদর্শন করার মাধ্যমে পাঠদান করার পদ্ধতিকে ব্লেন্ডেড এডুকেশন বলা হয়।

জানতে চাইলে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা অ্যাকাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নিজামুল করিম বলেন, ‘ব্লেন্ডেড এডুকেশন সিস্টেম নিয়ে একটি ন্যাশনাল টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। এ টাস্কফোর্সের অধীনে ছয়টি উপকমিটি হয়েছে। এই উপকমিটিগুলো কাজ করছে। এর মধ্যে গবেষণা উপকমিটি একটি প্রস্তাবনা দিয়েছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।’

স্কুলে শিক্ষার্থীর উপস্থিতির হার কমছে কেন, এমন প্রশ্নে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ড. এ কিউ এম শফিউল আজম বলেন, ‘স্কুলে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কমার বিষয় অবশ্যই উদ্বেগের। এ বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি। এর মধ্যে ব্লেন্ডেড এডুকেশন সিস্টেম চালুও একটি।’

ব্লেন্ডেড এডুকেশন সিস্টেম কেমন হতে পারে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘মূলত সবাইকে শিক্ষার আওতায় আনতেই এই উদ্যোগ। ধরেন নদীপাড়ে একটি গ্রামে কিছু শিক্ষার্থী রয়েছে কিন্তু স্কুল নেই তারাও এ সিস্টেমে পড়াশোনা করতে পারবে প্রযুক্তির সাহায্যে।’

যাদের পক্ষে স্কুলে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না, তারাও এ সিস্টেমের মধ্যে পড়াশোনায় অংশ নিতে পারবে বলে জানান তিনি। বলেন, ‘ব্লেন্ডেড এডুকেশন সিস্টেমে সবাই শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে। কেউ নির্ধারিত সময়ে অ্যাসাইনমেন্ট পাওয়া বা জমা দিতে না পারলে সুবিধাজনক সময়ে অনলাইনেই তা দেখতে পারবে, জমা দিতে পারবে। এক্ষেত্রে সরকার প্রযুক্তিগত সহায়তা করবে।’

গত ৯ এপ্রিল একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমার্বতনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, শিক্ষার আধুনিকায়নে সরকার ব্লেন্ডেড এডুকেশন সিস্টেম চালুর কথা ভাবছে।

তিনি বলেন, ‘একজন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষা শেষ করে কর্মক্ষেত্রে যোগদান করার পরও নতুন কোনো ক্ষেত্রে জ্ঞান অর্জন করা তার জন্য জরুরি হয়ে যেতে পারে। তখন ওই কর্মজীবীর পক্ষে আবার বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সরাসরি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব নয়। এই প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে ব্লেন্ডেড এডুকেশন ও মডিউলার এডুকেশনের ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।’

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর ২০২০ সালের ১৭ মার্চ সারা দেশে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। এর প্রায় দেড় বছর পর গত ১২ সেপ্টেম্বর স্কুল-কলেজে ক্লাস শুরু হয়। তবে প্রতিদিন সব শ্রেণিতে ক্লাস হচ্ছে না।

শুধু চলতি বছরের ও আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ক্লাস নেয়া হচ্ছে। আর অন্যান্য শ্রেণির মধ্যে তৃতীয়, চতুর্থ, অষ্টম, নবম শ্রেণিতে দুই দিন এবং অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের এক দিন ক্লাসে আসতে বলা হয়েছে।

শেয়ার করুন

ফরম পূরণের টাকা ফেরত পাবেন এসএসসি পরীক্ষার্থীরা

ফরম পূরণের টাকা ফেরত পাবেন এসএসসি পরীক্ষার্থীরা

ফাইল ছবি।

এ বছর মোট ২৯ হাজার ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের ২২ লাখ ২৭ হাজার ১১৩ জন পরীক্ষার্থী তিন হাজার ৬৭৯টি কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরমপূরনের বেঁচে যাওয়া টাকা ফেরত দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে এ কথা জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সকল বিষয়ে পরীক্ষা না হওয়ার কারণে পরীক্ষার ব্যায় কমে যাওয়ায় পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণে আদায়কৃত অর্থের অব্যায়িত অংশ ফেরত দেয়া হবে।’

সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১৪ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে চলতি শিক্ষাবর্ষের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা। এ বছর শুধুমাত্র ঐচ্ছিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন শিক্ষার্থীরা। বাকি বিষয়গুলোর ফল নির্ধারণ হবে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে।

পরীক্ষার পদ্ধতি সম্পর্কে দীপু মনি বলেন, ‘পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে এসএমএস-এর মাধ্যমে পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্তদের কাছে প্রশ্নপত্রের সেট কোড জানিয়ে দেয়া হবে। কেন্দ্র সচিব ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না।’

ছবি তোলা যায় না এমন একটি ফোন কেন্দ্র সচিবের কাছে থাকবে বলেও জানান তিনি।

এ বছর মোট ২৯ হাজার ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের ২২ লাখ ২৭ হাজার ১১৩ জন পরীক্ষার্থী তিন হাজার ৬৭৯টি কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেবেন। এর মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার্থী ১৮ লাখ ৯৯৮ জন। এ ছাড়াও দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ৩ লাখ ১ হাজার ৮৮৭ এবং এসএসসি (ভকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ২২৮ জন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০২০ সালের তুলনায় এ বছর পরীক্ষার্থী বেড়েছে এক লাখ ৭৯ হাজার ৩৩৪ জন। শিক্ষার্থী বৃদ্ধির হার ৮ দশমিক ৭৬ ভাগ। মোট প্রতিষ্ঠান বেড়েছে ১৫১টি আর কেন্দ্র বেড়েছে ১৬৭টি।

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক মহামারির কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা শেষের ৩০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশিত হবে। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে এ বছর বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের পরীক্ষার্থীদের একই সময়ের পরিবর্তে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। পরীক্ষার সময় ও নম্বরও কমিয়ে আনা হয়েছে।’

এ বছর অনলাইনের মাধ্যমে প্রশ্নফাঁস গুজব ঠেকাতেও নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রশ্নফাঁসের বিভ্রান্তি ছড়ালে অপচেষ্টাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর এ জন্য এখন থেকেই গোয়েন্দা বাহিনী নজর রাখছে। অপচেষ্টা করে কেউ পার পাবে না।’

শেয়ার করুন

পরীক্ষা শুরুর আগে দেয়াললিখন, বহিষ্কার পরীক্ষার্থী

পরীক্ষা শুরুর আগে দেয়াললিখন, বহিষ্কার পরীক্ষার্থী

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রবিউল হাসান ভূঁইয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ছেলেটি পরীক্ষার নির্দেশনা সম্পর্কে জানে না। ওই হলের পরীক্ষক দেয়ালে লেখার বিষয়টি জানালে ওই পরীক্ষার্থীকে প্রক্টোরিয়াল বডির কাছে আনা হয়। তাকে পরীক্ষা দিতে দেয়া হয়নি।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা শুরুর আগে হলের দেয়ালে লেখায় এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বুধবার সকালে ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ৫৩৪ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

বহিষ্কার হওয়া শিক্ষার্থীর নাম মেহেদি হাসান। তার বাড়ি ঢাকার সাভারে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ‘বি’ ইউনিটের প্রথম শিফটের পরীক্ষা শুরু হয় বেলা ১১টায়। মেহেদি পরীক্ষা হলে প্রবেশ করেন সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে। তাকে ১ ঘণ্টার বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়। উত্তরপত্র পাওয়ার পর মেহেদি হলের দেয়ালে ‘পরীক্ষা কমিটির বহিষ্কার চাই’ লেখেন।

এমন অশোভন আচরণ করায় তাকে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করে কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রবিউল হাসান ভূঁইয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ছেলেটি পরীক্ষার নির্দেশনা সম্পর্কে জানে না। ওই হলের পরীক্ষক দেয়ালে লেখার বিষয়টি জানালে ওই পরীক্ষার্থীকে প্রক্টোরিয়াল বডির কাছে আনা হয়। তাকে পরীক্ষা দিতে দেয়া হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওই পরীক্ষার্থীর বিষয়ে ইনভেস্টিগেশন (তদন্ত) হচ্ছে। অন্য কোনো ইউনিটে সে পরীক্ষা দিতে পারবে কি না, সে বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

শেয়ার করুন

৮ থেকে ২৫ নভেম্বর বন্ধ কোচিং সেন্টার

৮ থেকে ২৫ নভেম্বর বন্ধ কোচিং সেন্টার

এসএসসি পরীক্ষা উপলক্ষে কোচিং সেন্টারগুলো নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফাইল ছবি

এসএসসি পরীক্ষা সামনে রেখে ৮ থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

সচিবালয়ে বুধবার এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ১৪ নভেম্বর; চলবে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত। এ পরীক্ষা হবে শুধু নৈর্বাচনিক বিষয়ে। অন্যান্য আবশ্যিক বিষয়ে আগের পাবলিক পরীক্ষার সাবজেক্ট ম্যাপিং করে মূল্যায়নের মাধ্যমে নম্বর দেয়া হবে।

এ ছাড়া চতুর্থ বিষয়েরও পরীক্ষা নেয়া হবে না। নির্ধারিত দিনে সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট এবং ২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পরীক্ষা হবে।

২৭ সেপ্টেম্বর আন্তশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, ‘১৪ নভেম্বর থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে; চলবে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত। করোনার এ সময়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেয়া হবে।’

সাধারণত প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে মাধ্যমিক (এসএসসি) পরীক্ষা শুরু হলেও এ বছর করোনার কারণে এ পাবলিক পরীক্ষা নভেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে নেয়ার ঘোষণা দেয় সরকার।

এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষা রুটিন প্রকাশ করে। এ পরীক্ষাও শুরু হবে ১৪ নভেম্বর থেকে, চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত।

শেয়ার করুন

উন্নত জাতি গঠনে গবেষণার সংস্কৃতি চান শিক্ষামন্ত্রী

উন্নত জাতি গঠনে গবেষণার সংস্কৃতি চান শিক্ষামন্ত্রী

বিএসএমএমইউর তৃতীয় গবেষণা দিবস উপলক্ষে বুধবার বৈজ্ঞানিক অধিবেশন ও অ্যাওয়ার্ড প্রদানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ছবি: নিউজবাংলা

গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘উন্নত জাতি গঠনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করেন গবেষকরা। তাই আমাদের দেশে গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।’

উন্নত জাতি গঠনে গবেষকদের বিকল্প নেই জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, দেশে গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) তৃতীয় গবেষণা দিবস উপলক্ষে বুধবার বৈজ্ঞানিক অধিবেশন ও অ্যাওয়ার্ড প্রদানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘উন্নত জাতি গঠনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করেন গবেষকরা। তাই আমাদের দেশে গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।’

অনেক সময় গবেষণার বরাদ্দ ফিরে যায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যারা গবেষণা করেন, তারা হয়তো সঠিক নিয়মকানুন মেনে আবেদন করেন না। কোথাও একটা সমস্যা আছে।

‘এ বিষয়ে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। নইলে যারা ভালো গবেষক আছেন, তারা হতাশ হবেন।’

ওই সময় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ‘সবাই গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধির কথা বলেন, কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় বরাদ্দকৃত টাকার যথাযথ ব্যবহারও হয় না। তাই বরাদ্দকৃত টাকা ফেরত যায়।’

দেশের গবেষণা খাতকে এগিয়ে নিতে ব্যবসায়ীদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান ইউজিসি চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, ‘দেশের উন্নতির জন্য আমি ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করব, আপনারা গবেষণা খাতে কিছু ব্যয় করুন। এতে দেশ লাভবান হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বর্তমানে আমরা গবেষণায় গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি, যেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় বিশ্বের বুকে রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।’

করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং গবেষণার ফল প্রকাশ করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘গবেষণায় দেখা গেছে, মোট ১৮ শতাংশ হচ্ছে ইন্ডিয়ান বা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট।’

তিনি জানান, করোনার টিকাগ্রহীতাদের ওপর গবেষণার ফলে দেখা গেছে, তাদের ৯৮ শতাংশের দেহে অ্যান্টিবডি।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, বিএসএমএমইউর উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. এ কে এম মোশাররফ হোসেন, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. ছয়েফ উদ্দিন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান।

শেয়ার করুন

বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় ‘পাস না করায় আত্মহত্যা’

বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় ‘পাস না করায় আত্মহত্যা’

ময়মনসিংহ নগরীর এই বাড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় তরুণীর মরদেহ। ছবি: নিউজবাংলা

রিয়ার পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বুয়েটে ভর্তির জন্য প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় অংশ নেন তিনি। মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় ফল বের হলে রিয়া দেখেন তিনি পাস করেননি। এরপর কাউকে কিছু না বলে নিজ কক্ষে চলে যান।

ময়মনসিংহ নগরীতে একটি বাড়ি থেকে তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবার জানায়, বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় ওই তরুণী আত্মহত্যা করেছেন।

নগরীর বাঘমারা এলাকার ভাড়া বাসায় মঙ্গলবার রাত ৭টার দিকে পাওয়া যায় রিয়া কর নামে ওই তরুণীর মরদেহ।

রিয়া কর নেত্রকোণার মদন থানার চিত্ত করের মেয়ে। তবে বাঘমারা এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে বসবাস করছে রিয়ার পরিবার।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন।

রিয়ার পরিবারের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘বুয়েটে ভর্তির জন্য প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় অংশ নেন রিয়া কর। মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় ফল বের হলে রিয়া দেখেন তিনি পাস করেননি। এরপর কাউকে কিছু না বলে নিজ কক্ষে চলে যান। সন্ধ্যা ৭টার দিকে দরজা বন্ধ দেখে পরিবারের লোকজন ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া পাননি।

পরে ঘরের দরজা ভেঙে দেখতে পান ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে আছেন রিয়া। তাকে দ্রুত নামিয়ে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

রিয়ার স্বজন ঐশী জানান, ‘রিয়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছে। বুয়েটে ভর্তির জন্য কয়েক মাস ধরে কোচিংয়ে লেখাপড়া করে আসছিল। ভর্তির জন্য প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হয়।’

এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ‘ওই শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবুও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাতেই ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে বলেও জানান ওসি।

শেয়ার করুন

পাবনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুপক্ষের হাতাহাতি

পাবনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুপক্ষের হাতাহাতি

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে একপক্ষের কক্ষে ভাঙচুর চালানো হয়। ছবি: নিউজবাংলা

লিখিত অভিযোগে শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক নুরুল্লাহ বলেন, বঙ্গবন্ধু হলের ১২৯ নম্বর কক্ষের বৈধ শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে দুপুরে সেখানে অবস্থান করছিলেন। ওই সময় ছাত্রলীগকর্মী মিনহাজ প্রান্ত, শেখ রাসেল, তৌসিকুর রাভা, সৌরভসহ ২০-২৫ জনের একটি দল জিআই পাইপসহ তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। দলটি তাদের মারধর করে আহত করে।

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। একটি কক্ষ ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সংঘর্ষের ঘটনায় প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক নুরুল্লাহ।

লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হলের ১২৯ নম্বর কক্ষের বৈধ শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে দুপুরে সেখানে অবস্থান করছিলেন। ওই সময় ছাত্রলীগকর্মী মিনহাজ প্রান্ত, শেখ রাসেল, তৌসিকুর রাভা, সৌরভসহ ২০-২৫ জনের একটি দল জিআই পাইপসহ তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। দলটি তাদের মারধর করে আহত করে।

নুরুল্লাহর আরও অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বৃহস্পতিবার হল খুলে দিলে বৈধ শিক্ষার্থীরা হলে আসতে শুরু করেন। হামলাকারীরা ওই সময় বহিরাগত নিয়ে হলে ঢুকলে তারা প্রতিবাদ জানান। এ ছাড়া দলটি বিভিন্ন সময় হলে মাদক বিক্রিও করে আসছে।

তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ায় হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ নুরুল্লাহর।

তবে প্রতিপক্ষ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক সাইদুজ্জামান সৌরভ বলেন, ‘তেমন কিছু হয়নি, রুম ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেনি। সামান্য কথা কাটাকাটি হয়েছিল মাত্র। নিজেরাই রুম ভাঙচুর করে আমাদের উপর দোষারোপ করা হচ্ছে।

মাদক সেবন বা বিক্রি নিয়ে তিনি বলেন, ‘নুরুল্লাহ গ্রুপের লোকজন আমাদের হেয় করতেই এ ধরনের অভিযোগ করছেন।’

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘ক্যাম্পাসে সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে সামান্য একটু ঝামেলা হয়েছিল। উভয়পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।

ওই ঘটনার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের একটি দল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। মিছিলটি পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার চত্বরে এসে সমাবেশ করে।

সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

এ সময় বক্তব্য দেন শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি মাহমুদ কামাল তুহিন, লিংকন হোসেন, মাহমুদুল হাসান, তৌহিদুল ইসলাম রানা, দপ্তর সম্পাদক সেহজাদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক অনুপপ চক্রবর্তী।

শেয়ার করুন