৯ বছর পর মাদক মামলায় যাবজ্জীবন

৯ বছর পর মাদক মামলায় যাবজ্জীবন

২০১২ সালের ২৪ মার্চ র‍্যাব-৬-এর করপোরাল শামসুল হকের নেতৃত্বে একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইউনুস আলীর বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তল্লাশি করে ৯০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে র‍্যাব।

মেহেরপুরের ৯ বছর আগের মাদক মামলার এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

একই সঙ্গে ওই ব্যক্তিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রিপুতি কুমার বিশ্বাস রোববার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম ইউনুস আলী। তার বাড়ি গাংনী উপজেলার ২ নম্বর তেতুলবাড়িয়া ইউনিয়নের খাশমহল গ্রামে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কাজি শহীদ নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ছিলেন মোশাররফ হোসেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ২৪ মার্চ র‍্যাব-৬-এর করপোরাল শামসুল হকের নেতৃত্বে একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইউনুস আলীর বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তল্লাশি করে ৯০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে গাংনী থানায় ইউনুসের বিরুদ্ধে মামলা করে র‍্যাব। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গাংনী থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) টিপু সুলতান মামলার আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলায় মোট ১৪ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়। সাক্ষ্য নেয়া শেষে আসামি ইউনুস দোষী প্রমাণিত হওয়ায় আদালত রোববার এ রায় দেয়।

আরও পড়ুন:
মাকে কুপিয়ে হত্যায় ছেলের সশ্রম যাবজ্জীবন
১৯ বছর আগের ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন
ক্রাইম পেট্রল দেখে অপহরণ-হত্যা, যুবকের যাবজ্জীবন
সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-হত্যায় যুবকের যাবজ্জীবন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পদ্মায় জালে ১৭ কেজির কাতল

পদ্মায় জালে ১৭ কেজির কাতল

রাজবাড়ীর পদ্মা নদীতে ১৭ কেজি ওজনের একটি কাতল মাছ ধরা পড়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

মাছ ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ বলেন, ‘পদ্মা নদীতে প্রায়ই  বড় আকারের মাছ ধরা পড়ে। আজকের কাতল মাছটি জেলে ইসহাক হালদারের জালে ধরা পরেছে। আমি মাছটি কিনে সকাল ১১ টার দিকে সামান্য লাভে ঢাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে দেই।’

রাজবাড়ীর পদ্মা নদীতে ১৭ কেজি ওজনের একটি কাতল মাছ ধরা পড়েছে।

গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ার জেলে ইসহাক হালদারের জালে মঙ্গলবার সকাল ৭ টার দিকে মাছটি ধরা পরে।

মাছটি বিক্রির উদ্দেশ্যে দৌলতদিয়া ঘাটে নেয়া হয়। এ সময় দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের মাছ ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ ১ হাজার ৬৫০ টাকা কেজি দরে ২৮ হাজার ৫০ টাকায় মাছটি কিনে নেন।

পরে তিনি ঢাকার কাশিমপুরের এক ব্যবসায়ীর কাছে কেজি প্রতি ১৭০০ টাকা কেজি দরে ২৮ হাজার ৯০০ টাকায় মাছটি বিক্রি করেন।

মাছ ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পদ্মা নদীতে প্রায়ই বড় আকারের মাছ ধরা পড়ে। আজকের কাতল মাছটি জেলে ইসহাক হালদারের জালে ধরা পরেছে। আমি মাছটি কিনে সকাল ১১ টার দিকে সামান্য লাভে ঢাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে দেই।’

আরও পড়ুন:
মাকে কুপিয়ে হত্যায় ছেলের সশ্রম যাবজ্জীবন
১৯ বছর আগের ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন
ক্রাইম পেট্রল দেখে অপহরণ-হত্যা, যুবকের যাবজ্জীবন
সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-হত্যায় যুবকের যাবজ্জীবন

শেয়ার করুন

ফাটলে বন্ধ ফ্লাইওভার: বহদ্দারহাটের রাস্তায় দুর্ভোগ

ফাটলে বন্ধ ফ্লাইওভার: বহদ্দারহাটের রাস্তায় দুর্ভোগ

চট্টগ্রামের এম এ মান্নান ফ্লাইওভারের একটি পিলারে ফাটল দেখা দেয়ায় দুই পাশের সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ফ্লাইওভারটা আগের চেয়ারম্যানের সময় তৈরি করা হয়েছিল। তাই এ বিষয়ে কথা বলা যাচ্ছে না। ঘটনাস্থলে আমাদের লোক আছে। আমরা মন্ত্রণালয়ের একটি মিটিংয়ে যোগ দিতে ঢাকায় এসেছি। চট্টগ্রামে গিয়ে পিলারগুলো পরীক্ষা করার পর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

ফাটল দেখা দেয়ায় চট্টগ্রামের এম এ মান্নান ফ্লাইওভার বন্ধ সোমবার রাত থেকে। এতে মঙ্গলবার সকাল থেকে ফ্লাইওভারের দুই পাশের সড়কে যানবাহনের তীব্র চাপ সৃষ্টি হয়েছে। দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ।

মহানগর ট্রাফিক পুলিশ বলছে, ফ্লাইওভার বন্ধ থাকায় সড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে যানজট দেখা দিয়েছে।

ঘটনাস্থলে মঙ্গলবার সকালে গিয়ে দেখা যায়, এম এ মান্নান ফ্লাইওভারে আরাকান সড়কমুখী র‌্যাম্পে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। পিলারে ফাটলের খবর শুনে সোমবার রাত ১০টায় মহানগর ট্রাফিক পুলিশ ওই স্থানে প্রতিবন্ধক বসিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়।

ফাটলে বন্ধ ফ্লাইওভার: বহদ্দারহাটের রাস্তায় দুর্ভোগ

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস মুঠোফোনে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ফ্লাইওভারে র‌্যাম্পে ফাটলের বিষয়টি শুনেছি। ফ্লাইওভারটা আগের চেয়ারম্যানের সময় তৈরি করা হয়েছিল। তাই এ বিষয়ে কথা বলা যাচ্ছে না। ঘটনাস্থলে আমাদের লোক আছে। আমরা মন্ত্রণালয়ের একটি মিটিংয়ে যোগ দিতে ঢাকায় এসেছি। চট্টগ্রামে গিয়ে পিলারগুলো পরীক্ষা করার পর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (ট্রাফিক-উত্তর) মমতাজ উদ্দিন বলেন, ‘আমরা প্রকল্প ম্যানেজারের কাছ থেকে খবর পেয়ে রাতেই ওই র‌্যাম্পে যান চলাচল বন্ধের ব্যবস্থা করি। তবে এম এ মান্নান ফ্লাইওভারের র‌্যাম্প বন্ধ থাকায় ওই র‌্যাম্প দিয়ে মুরাদপুরমুখী ও আরাকান সড়কমুখী গাড়িগুলো ফ্লাইওভারে উঠতে পারছে না।

ফাটলে বন্ধ ফ্লাইওভার: বহদ্দারহাটের রাস্তায় দুর্ভোগ

‘এতে হঠাৎ করে ওই এলাকার সড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ পড়ায় কিছুটা যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ফাটল দেখার পর থেকে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।’

ফ্লাইওভারের যে পিলারে ফাটল দেখা দিয়েছে তার কাছাকাছি ফুটপাতে জুতা সেলাইয়ের কাজ করেন নির্মল গুরাইয়া। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এই পিলারে ফাটল আসলে অনেক দিন ধরেই ছিল। তবে গতকাল ফাটলটা কিছুটা বেড়ে গেছে।’

ফুটপাতে মাস্ক বিক্রেতা মো. মাসুদ বলেন, ‘আমি ৩ মাস আগে থেকে এই পিলারে ফাটল দেখতেছি। তবে গতকাল ফাটলটা বেড়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে।’

বহদ্দারহাটের চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার বাসিন্দা ছানোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমি প্রতিদিন প্রাইভেট কারে করে ফ্লাইওভার হয়ে কালামিয়া বাজারে কর্মস্থলে যাই। কিন্তু আজকে তো দেখতেই পাচ্ছেন, পুরা রোড জ্যাম।’

আরও পড়ুন:
মাকে কুপিয়ে হত্যায় ছেলের সশ্রম যাবজ্জীবন
১৯ বছর আগের ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন
ক্রাইম পেট্রল দেখে অপহরণ-হত্যা, যুবকের যাবজ্জীবন
সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-হত্যায় যুবকের যাবজ্জীবন

শেয়ার করুন

প্রাণ ফিরেছে মেঘনার মাছঘাটে

প্রাণ ফিরেছে মেঘনার মাছঘাটে

লক্ষ্মীপুরের মেঘনার মাছঘাটে ইলিশ বেচাকেনা জমেছে। ছবি: নিউজবাংলা

জেলেরা জানালেন, এক কেজি ওজনের এক হালি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে সাড়ে চার হাজার টাকায়। আর এক কেজির কম ওজনের এক হালি মাছ বিক্রি হচ্ছে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা।

নিষেধাজ্ঞা শেষে ২২ দিন পর আবারও জমে উঠেছে লক্ষ্মীপুরের মেঘনার তীরের সব মাছঘাট। ক্রেতা-বিক্রেতাদের আনাগোনায় প্রাণ ফিরেছে আড়তে।

জেলেরা সোমবার মধ্যরাত থেকে মাছ ধরতে শুরু করেছেন মেঘনায়। তারা জানালেন, ইলিশ ভালো পরিমাণেই পাওয়া যাচ্ছে। তবে প্রায় সবগুলোতেই ডিম আছে।

সদর উপজেলার মজুচৌধুরীরহাট, কমলনগরের মতিরহাট, লূধুয়া ও নাছিরগঞ্জের মাছঘাটগুলোতে মঙ্গলবার সকালে দেখা গেছে, প্রতিটিতেই ব্যাপক ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগম। জেলেরা ঘাটে ইলিশ নিয়ে আসা মাত্রই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।

রামগতির চেয়ারম্যানঘাট, বড়খেরী, চরআলেকজান্ডার, বাংলাবাজার, জনতাবাজার, চরকালকিনি, সাজু মোল্লারহাট, আলতাফ মাস্টাররঘাটসহ জেলার ১৬ ঘাট থেকে এমন জমজমাট কেনাবেচার খবর পাওয়া গেছে।

মজুচৌধুরীরহাটের জেলে কালাম মাঝি, ইউনুছ মাঝি ও মো. সোহেল জানালেন, ইলিশ রক্ষায় সরকারের নিষেধাজ্ঞা মেনে তারা ২২ দিন নদীতে নামেননি। ২৫ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে মাছ ধরা শুরু করেছেন।

তারা জানালেন, আগের তুলনায় জালে অনেক ইলিশ ধরা পড়ছে। দামও ভালো পাচ্ছেন। এক কেজি ওজনের এক হালি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে সাড়ে চার হাজার টাকায়। আর এক কেজির কম ওজনের এক হালি মাছ বিক্রি হচ্ছে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা।

তবে তাদের অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞার সময়টা ঠিক হয়নি। এ সময়ে মা ইলিশ ডিম ছাড়তে পারেনি। তাই প্রায় সব মাছে ডিম রয়ে গেছে।

প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সারা দেশে ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত চলে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা।

জেলা মৎস্য কর্মকতা আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘জেলেদের জালে প্রচুর পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ছে। এতে তারা অনেক খুশি। গত বছর শীতে প্রচুর মাছ পাওয়া গেছে। এবার মাছ আরও বেশি ধরা পড়বে। এবার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে ২৫ হাজার টন।’

আরও পড়ুন:
মাকে কুপিয়ে হত্যায় ছেলের সশ্রম যাবজ্জীবন
১৯ বছর আগের ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন
ক্রাইম পেট্রল দেখে অপহরণ-হত্যা, যুবকের যাবজ্জীবন
সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-হত্যায় যুবকের যাবজ্জীবন

শেয়ার করুন

মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর সন্তানের দায়িত্ব নিলেন বদি

মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর সন্তানের দায়িত্ব নিলেন বদি

কক্সবাজারের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদি মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর গর্ভে জন্ম নেয়া এক নবজাতকের দায়িত্ব নিয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

সম্প্রতি সাবেক সংসদ সদস্য বদিকে বাবা দাবি করে আদালতে মামলা করেছিলেন ইসহাক নামের এক যুবক। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেয়া বক্তব্যে বদি তা অস্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে তিনি ঘোষণা দেন, উখিয়া টেকনাফে যত ছেলে-মেয়ে তাকে বাবা বলে দাবি করবে সবাইকে তিনি ছেলে-মেয়ে হিসেবে স্বীকৃতি দেবেন। 

নানা বিষয় নিয়ে আলোচিত-সমালোচিত কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ ৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদি এবার মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর গর্ভে জন্ম নেয়া এক নবজাতকের দায়িত্ব নিয়েছেন। এতে প্রশংসায় ভাসছেন বদি ও তার স্ত্রী শাহীনা আক্তার।

নবজাতক মেয়ে শিশুটির নাম রাখা হয়েছে মরিয়ম জারা। সোমবার বিকেলে টেকনাফ পৌরসভায় শিশুটির জন্ম নিবন্ধন হয় বদি দম্পতির নামে। এরপর তা প্রকাশ করলে মুহূর্তেই বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা বলছেন, যে যা বলুক আজ থেকে শিশু মরিয়ম জারার পিতা সাবেক এমপি আব্দুর রহমান বদি ও মা শাহীনা আক্তার। এ মহৎ কাজের জন্য হাজারো মানুষ তাকে স্বাগত জানিয়েছেন।

এ নিয়ে ফেসবুকে জয়নাল উদ্দিন জয় নামে এক যুবক লিখেছেন, ‘টেকনাফে পাগলির মেয়ে রাজকন্যা জারাকে আপন করে নিলেন বর্তমান সংসদ সদস্য শাহিনা আক্তার ও উখিয়া-টেকনাফের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ আব্দুর রহমান বদি।’

মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর সন্তানের দায়িত্ব নিলেন বদি

মরিয়ম জারার নাম উখিয়া-টেকনাফবাসী সারা জীবন মনে রাখবে বলেও স্ট্যাটাসে লেখেন তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর মেয়েকে দত্তক নিয়ে উখিয়া-টেকনাফের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।’

এ বিষয়ে জানতে বদি দম্পতিকে মুঠোফোনে বারবার কল করা হলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা টিটু চন্দ্র শীল জানান, মা ও মেয়ে সুস্থ আছেন। মঙ্গলবার তাদের হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার শামলাপুরের শিলখালী এলাকায় মানসিক ভারসাম্যহীন ওই নারী ঘোরাঘুরি করতেন। এর মধ্যে তিনি গর্ভবতী হয়ে পড়েন। ২৪ অক্টোবর রাতে তার প্রসববেদনা উঠলে এলাকার চৌকিদার শহিদ উল্লাহ টেকনাফ থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ তাকে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সম্প্রতি সাবেক সংসদ সদস্য বদিকে বাবা দাবি করে আদালতে মামলা করেছিলেন ইসহাক নামের এক যুবক। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেয়া বক্তব্যে বদি তা অস্বীকার করেছেন। সেই সঙ্গে তিনি ঘোষণা দেন, উখিয়া টেকনাফে যত ছেলে-মেয়ে তাকে বাবা দাবি করবে, সবাইকে তিনি ছেলে-মেয়ে হিসেবে স্বীকৃতি দেবেন।

মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর মেয়ের দায়িত্ব নিয়ে সেই বক্তব্যের প্রতিফলন ঘটিয়েছেন, এমনই বলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আরও পড়ুন:
মাকে কুপিয়ে হত্যায় ছেলের সশ্রম যাবজ্জীবন
১৯ বছর আগের ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন
ক্রাইম পেট্রল দেখে অপহরণ-হত্যা, যুবকের যাবজ্জীবন
সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-হত্যায় যুবকের যাবজ্জীবন

শেয়ার করুন

বামন্দী গ্রামের বাজার মাতাচ্ছে কালো আখ

বামন্দী গ্রামের বাজার মাতাচ্ছে কালো আখ

মেহেরপুরের গাংনীর বামন্দী গ্রামে চাষ হচ্ছে ফিলিপিনো ব্ল্যাক জাতের আখ। ছবি: নিউজবাংলা

সাইফুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এক বিঘা জমিতে আখ চাষ করতে আমাদের খরচ হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা। আর আখ বিক্রি হচ্ছে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত। অন্য যে কোনো ফসলের চেয়ে আখ চাষ লাভজনক।’

মেহেরপুরে গাংনীর বামন্দী গ্রামের দুই বন্ধু সাইফুল ইসলাম ও ইউসুফ আলী। নিজ নিজ বাড়ির পাশের পৌনে দুই বিঘা জমিতে ফিলিপাইন ব্ল্যাক জাতের আখ চাষ করে গ্রামে তারা এখন সুপরিচিত। লোকজন নতুন জাতের আখ দেখতে প্রায়ই তাদের বাড়ি যায়।

সাইফুল ও ইউসুফ বামন্দী বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তারা জানালেন, শখ থেকেই পরীক্ষামূলকভাবে এই আখের চাষ করেছেন। খরচের দ্বিগুন লাভ হয়েছে বলে তারা উচ্ছ্বসিত।

নিউজবাংলাকে সাইফুল ও ইউসুফ জানান, দেশে সাধারণত যে আখ হয়, তার থেকে ফিলিপাইন ব্ল্যাক জাতের আখ বেশ নরম ও মিষ্টি। একটি আখ থেকে ৭ থেকে ১০ টি বীজ পাওয়া যায়। এ কারণে কম খরচে এর উৎপাদনও বেশি করা যায়।

দুই বন্ধু জানান, ভ্রাম্যমাণ আখ বিক্রেতারা তাদের জমি থেকে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা দামে এক একটি আখ কিনে নেয়। বাজারে ক্রেতাদের বেশ সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।

সাইফুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চাহিদা ও বাজার মুল্য ভালো থাকায় নতুন জাতের আখের বীজ নিতে বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা আসেন এখানে। চারা রোপনের দশ মাস পর থেকে জমি থেকে এই আখ সংগ্রহ করা যায়।

‘এক বিঘা জমিতে আখ চাষ করতে আমাদের খরচ হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা। আর আখ বিক্রি হচ্ছে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত। অন্য যে কোনো ফসলের চেয়ে আখ চাষ লাভজনক। এ কারণে অনেকে এই নতুন জাতের আখ চাষে আগ্রহী হচ্ছে।’

বামন্দী গ্রামের বাজার মাতাচ্ছে কালো আখ

ইউসুফ আলী বলেন, ‘আমি আর সাইফুল আমাদের আরেক শিক্ষক ভাইয়ের আখ চাষ দেখে ফিলিপাইন ব্লাক আখ চাষে আগ্রহী হই। ইউটিউব দেখে শিখে নিয়েছি। জমিতে আখের সঙ্গে সাথী ফসল হিসেবে রসুন চাষ করি।

‘সব মিলিয়ে বিঘা প্রতি এক লাখ টাকা খরচ হয়। অথচ সাথী ফসল রসুন বেচে পেয়েছি পঞ্চাশ হাজার টাকা। সব ঠিকঠাক থাকলে প্রতি বিঘাতে তিন থেকে চার লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব। তাই বলি শিক্ষিত বেকার যুবক ভাইয়েরা বসে না থেকে যে কোনো কৃষি কাজ বা খামার করা উচিত।’

আখ বিক্রেতা মো. শানারুল বলেন, ‘আমি প্রায় আট বছর গেন্ডারি আখ বাজার ঘাটে বেইচি বেড়াই। তবে এ বছর কালো খয়েরী কালারের ফিলিপাইন গেন্ডারি কাস্টমারে বেশি চাইছে। কারণ এটি খাইতে অনেক মিষ্টি ও খুব নরম।’

গাংনী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লাভলী খাতুন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এই উপজেলায় নতুন একটি ফসল সম্প্রসারণ হতে যাচ্ছে, তা হলো ফিলিপাইন ব্লাক গেন্ডারি। তিন বছরের মতো হবে এ ফসলটি বাণিজ‍্যিকভাবে চাষ শুরু হয়েছে।

‘যারা এই আখ চাষ করছেন, তারা আমাদের জানিয়েছেন বিঘা প্রতি খরচ হয় ৭৫ থেকে এক লাখ টাকা। আর ফিডব‍্যাক হিসেবে পাওয়া যায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার মতো। বাজারেও চাহিদা বেশ ভালো। তাই এ উপজেলার জন‍্য এটি একটি অর্থকারী ফসল হয়ে উঠতে পারে।’

আরও পড়ুন:
মাকে কুপিয়ে হত্যায় ছেলের সশ্রম যাবজ্জীবন
১৯ বছর আগের ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন
ক্রাইম পেট্রল দেখে অপহরণ-হত্যা, যুবকের যাবজ্জীবন
সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-হত্যায় যুবকের যাবজ্জীবন

শেয়ার করুন

সরকারি স্কুলের ২ একর জমি ‘বেদখলে’

সরকারি স্কুলের ২ একর জমি ‘বেদখলে’

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের এই জমি দখল করে কলাগাছ লাগানোর অভিযোগ উঠেছে। ছবি: নিউজবাংলা

স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিউজবাংলাকে জানান, উপজেলার মাকড়াই মৌজায় অবস্থিত স্কুলটির ২ দশমিক ৩৮ একর জমি স্থানীয় আব্দুল হাকিম ও তার ছেলে আব্দুল মতিন দখল করে রেখেছেন। সেই জমিতে ১৭টি পরিবারকে টাকার বিনিময়ে থাকার অনুমতিও দিয়েছেন তারা। তবে আব্দুল মতিন জানিয়েছেন, জমিটি লিজ নেয়া অনেক বছর ধরেই।

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ২ দশমিক ৩৮ একর জমি ভুমিদস্যুদের দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিভিন্ন চেষ্টার পরও জমিটি উদ্ধার করতে পারেননি বলে জানান বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিদ্যুৎ কুমার কবিরাজ।

বিদ্যুৎ কুমার নিউজবাংলাকে জানান, উপজেলার মাকড়াই মৌজায় অবস্থিত স্কুলটির ২ দশমিক ৩৮ একর জমি স্থানীয় আব্দুল হাকিম ও তার ছেলে আব্দুল মতিন দখল করে রেখেছেন। সেই জমিতে ১৭টি পরিবারকে টাকার বিনিময়ে থাকার অনুমতিও দিয়েছেন তারা।

ওই শিক্ষক আরও জানান, জমিটির বর্তমান মূল্য আনুমানিক আড়াই কোটি টাকা। বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধার করতে গিয়ে বিভিন্ন সময় হয়েছেন হুমকির শিকার।

জমি উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও কোনো কাজ হয়নি বলে দাবি করেছেন বিদ্যুৎ কুমার।

ওই শিক্ষক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা জমি উদ্ধারে গেলে নানা ধরনের হুমকি দেয় আব্দুল হাকিম ও আব্দুল মতিন। আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি জমিটি উদ্ধারের ব্যাপারে।'

‘কয়েক দিন আগে পুলিশ গিয়ে তাদের জায়গা ছেড়ে দিতে বললে তারা ছেড়ে দেবে বলে জানায়। তবে তারা জায়গা ছেড়ে দেয় নাই।’

সরকারি স্কুলের ২ একর জমি ‘বেদখলে’

বিদ্যুৎ কুমার আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে গত ১৭ মার্চ বিদ্যালয়ে বিভিন্ন প্রজাতির ১০০টি চারা রোপনের নির্দেশনা দেয়া হয় সরকার থেকে। সে অনুযায়ী বিদ্যালয়ের দখল করা জমির এক অংশে আমরা চারা রোপণ করতে গেলে তারা আমাদের বাধা দেয়।

‘জমিটি ছেড়ে দেয়ার জন্য গত ৯ সেপ্টেম্বর স্কুলের পক্ষ থেকে আব্দুল হাকিমসহ ১৯ জনকে চিঠি দেয়া হয়। চিঠি পাওয়ার পর ১১ সেপ্টেম্বর সকালে আব্দুল মতিন স্কুলে এসে আমিসহ অন্য শিক্ষকদের হুমকি দিয়ে যায়। আমরা পরদিন ১২ সেপ্টেম্বর বীরগঞ্জ থানায় অভিযোগ করি।’

প্রধান শিক্ষক জানান, অভিযোগ দেয়ার পর আব্দুল হাকিম ও তার ছেলে ওই জমিতে স্কুল কর্তৃপক্ষের রোপণ করা চারার সঙ্গে কলাগাছ রোপণ করেন।

অন্যদিকে আব্দুল মতিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জমিটি পাকিস্তান আমলের পর থেকে আমার বাবা লিজ নিয়ে ভোগদখল করে আসছে। এখানে আরও অনেকেই লিজ নিয়ে ভোগদখল করছে। ২০১৯ সাল পর্যন্ত আমাদের লিজের টাকা পরিশোধ আছে। সোনালী ব্যাংকে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে স্কুলেরই একটি অ্যাকাউন্টে এই টাকা জমা করা হয়।

‘জমির যে অংশে মুজিববর্ষ উপলক্ষে বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে, সে জমিতে কলা আবাদ করেছি। আবাদ শেষ হলে ওই অংশ আমরা ছেড়ে দেব।’

সরকারি স্কুলের ২ একর জমি ‘বেদখলে’

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল কাদের নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বীরগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাকড়াই মৌজার জমিটি উদ্ধারের ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে। শিগগিরই জমিটি উদ্ধারে আরও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

বীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিন প্রধান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বীরগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে থানায় একটি অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে জমিটি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
মাকে কুপিয়ে হত্যায় ছেলের সশ্রম যাবজ্জীবন
১৯ বছর আগের ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন
ক্রাইম পেট্রল দেখে অপহরণ-হত্যা, যুবকের যাবজ্জীবন
সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-হত্যায় যুবকের যাবজ্জীবন

শেয়ার করুন

পুকুরে বাবা, মা ও মেয়ের মরদেহ

পুকুরে বাবা, মা ও মেয়ের মরদেহ

খুলনায় পুকুর থেকে একই পরিবারের ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

কয়রা থানার ওসি তদন্ত শাহাদাৎ হোসেন জানান, মঙ্গলবার সকালে পুকুরে হাবিবুল্লাহ, তার স্ত্রী বিউটি ও কন্যা টুনির মরদেহ ভেসে উঠলে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

খুলনার কয়রায় একটি পুকুর থেকে একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার বাগালী ইউনিয়ন পরিষদের পাশে মাজেদের বাড়ির পুকুরে ভাসতে থাকা মরদেহগুলো মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উদ্ধার করা হয়।

কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) শাহাদাৎ হোসেন নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মঙ্গলবার সকালে পুকুরে হাবিবুল্লাহ, তার স্ত্রী বিউটি ও কন্যা হাবিবা টুনির মরদেহ ভেসে উঠলে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। থানা পুলিশ গিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আব্দুস সামাদ বলেন, হাবিবুল্লাহ ছিলেন দিনমজুর। তার মেয়ে টুনি স্থানীয় একটি স্কুলের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত।

তিনি আরও জানান, তিনজনেরই মুখে ও মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে রাতে তাদের হত্যা করে গুম করার জন্য মরদেহ পুকুরে ফেলা হয়।

আরও পড়ুন:
মাকে কুপিয়ে হত্যায় ছেলের সশ্রম যাবজ্জীবন
১৯ বছর আগের ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন
ক্রাইম পেট্রল দেখে অপহরণ-হত্যা, যুবকের যাবজ্জীবন
সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-হত্যায় যুবকের যাবজ্জীবন

শেয়ার করুন