‘জিনিসের দাম বাড়ে, হামার দাম তো বাড়ে না’

‘জিনিসের দাম বাড়ে, হামার দাম তো বাড়ে না’

রংপুরের শ্রমিক রেজাউল করিম বলেন, ‘সকাল ৮টায় আসি ১২টায় যাই। কাজ হইলে নিয়ে যায়, না হইলে নাই। এলা (এখন) ডাল সিজেন। কাজ নাই। খালি জিনিসের দাম বাড়ে, হামার দাম তো বাড়ে না। কাজও নাই খাই কী?’

শনিবার সকাল সাড়ে ৮টা। রংপুর মহানগরীর শাপলা চত্বরে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে অর্ধশত মানুষ। কারও হাতে ডালি-কোদাল, কারও হাতে করাত।

শাপলা চত্বরে তারা আসছিলেন কেউ সাইকেলে, কেউ অটোরিকশায় আবার কেউ হেঁটে। এভাবে সকাল ১০টা বাজতে বাজতেই হয়ে গেল প্রায় ২০০ জন।

এসব মানুষ শ্রমজীবী। দিনমজুরি করে সংসার চলে তাদের। প্রতিদিন সকালে শাপলা চত্বরে যান তারা কাজের সন্ধানে। সেখান থেকে দরদাম করে তাদের কাজে নিয়ে যান ক্রেতারা।

তবে শনিবার বেলা ১১টা পর্যন্ত সেখানে কেউ কাজ পাননি। ওই সময়ে কাজের জন্য শ্রমিক নিতে সেখানে কেউই যাননি। উৎকণ্ঠা নিয়ে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পর সবাই বাড়ি ফেরেন হতাশা নিয়ে।

শ্রমিক বেচা-কেনার হাট বলে পরিচিত শাপলা চত্বরে এমন ঘটনা এখন নিয়মিতই দেখা যায়। শ্রমিকরা কাজের জন্য গেলেও ক্রেতা মেলে না। আবার কেউ গেলেও মজুরি বলেন অনেক কম।

রংপুরের গুড়াতি পাড়ার আশিকুর রহমান বলেন, ‘হামরা এটেকোনা দৈনিক আসি। আগের মতোন কাজ নাই। গত পাঁচ দিন কোনো কাজ পাই নাই। আইজ একজন আসি ডাকি নিয়ে গেইচে বালু তুলতে, কিন্তু কয় ২০০ টাকা দিন হাজরে। করি নাই, ফেরত আসলোং। বাজারোত সোগ জিনসের দাম বেশি। ২০০ টাকা দিয়ে কী হইবে।’

‘জিনিসের দাম বাড়ে, হামার দাম তো বাড়ে না’

পান বাড়ি এলাকার রেজাউল করিম আক্ষেপ করে বলেন, ‘সকাল ৮টায় আসি ১২টায় যাই। কাজ হইলে নিয়ে যায়, না হইলে নাই। এলা ডাল সিজেন। কাজ নাই। খালি জিনিসের দাম বাড়ে, হামার দাম তো বাড়ে না। কাজও নাই খাই কী?’

বাহার কাছনা তকেয়ার পাড় এলাকার আব্দুল নুর জানান, ‘এখনও ধান কাটা শুরু হয় নাই; আলুও নাই। গ্রামোত কোনো কাজ নাই। বসি থাকপের নাগে। এটিকোনা কাজের জন্য আসি দৈনিক, এক সপ্তাহ থাকি কোনো কাজ নাই। কাইও কাজোত ডাকে না। ছুরুমিক (শ্রমিক) মেলা, কাজ নাই।’

কাউনিয়ার হারাগাছের এনামুল হক জানান, ‘হামরা আসি কাজের জন্যে। যাদের লোক প্রয়োজন তারা আসি ডাকে নিয়ে যায়। কাইও ৩৮০ টাকা দেয়, কাইও কমও দেয়। দৈনিক কাজ হয় না।’

রংপুর কৃষি অফিস থেকে জানা যায়, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে সাড়ে পাঁচ লাখের উপর শুধু মৌসুমী শ্রমিক রয়েছেন। এসব শ্রমিক শহরে রিকশা, ভ্যান অথবা অন্য কোনো কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।

তবে ধান কাটার সময় তারা সব কাজ বাদ দেন। মজুরি বেশি হওয়ায় এ সময় জেলার সব শ্রমিকই ধান কাটেন। অনেকে অন্য জেলায় গিয়েও ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ করেন। অন্য সময় তারা নানা কাজ করেন।

‘জিনিসের দাম বাড়ে, হামার দাম তো বাড়ে না’

অর্থনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রংপুর বিভাগের আটটি জেলাকেই শিল্পে অনুন্নত জেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয় ২০১৬ সালে। শিল্পায়নে পশ্চাৎপদ এবং অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসর এলাকায় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতে ২০১৭ সালে একটি সুপারিশমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। বাস্তবায়নের সময় ধরা হয়েছিল ২০২১ সাল পর্যন্ত। তবে সেই কাজে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, শুধু কৃষির উপর নির্ভরতার কারণেই রংপুরে কর্মসংস্থান হচ্ছে না। এ কারণে শ্রমিক এবং দরিদ্রতার হার বাড়ছে।

রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোরশেদ হোসেন জানান, রংপুর বিভাগের অর্থনীতি মূলত কৃষিভিত্তিক। যুগ যুগ ধরে শিল্প খাত রয়ে গেছে অনুন্নত।

রংপুর বিভাগ শিল্পায়নে অন্য অঞ্চলের চেয়ে পিছিয়ে আছে, এ জন্য এখানে শিল্পায়নের পরিমাণ বাড়াতে হবে। এ ক্ষেত্রে যেসব এলাকায় বেশি শিল্পায়ন হয়েছে সেখান থেকে কম শিল্পায়ন এলাকায় শিল্প পুনর্বণ্টন ও স্থানান্তর করা যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘গার্মেন্টস শিল্প হচ্ছে শ্রমঘন শিল্প। রংপুর বিভাগের সস্তা শ্রম এ ক্ষেত্রে সহায়ক। এ অঞ্চলে গার্মেন্টস শিল্প স্থাপন করা হলে এখানকার দরিদ্র জনসাধারণের আয় ও জীবনযাত্রার মান বাড়বে।’

‘জিনিসের দাম বাড়ে, হামার দাম তো বাড়ে না’

রংপুর চেম্বারের প্রেসিডেন্ট মোস্তফা সোহরাব চৌধুরী টিটু জানান, রংপুর অঞ্চলে শিক্ষিত ও অশিক্ষিত বেকারের হারটা অনেক বেশি। বেকারত্ব দূর করতে হলে কৃষির বাইরে ভারী, ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্প কারখানা তৈরি করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘উত্তরবঙ্গের জন্য ৫ বছর বা ১০ বছর মেয়াদী একটি পলিসি নিতে হবে। যেটা ভারতের পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে। উত্তরবঙ্গকে এগিয়ে নিতে গেলে অবশ্যই উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ দরকার। তাহলে এই অঞ্চলের মানুষের বেকারত্ব এবং সামাজিক বৈষম্য দূর হবে। আর এ জন্য শিল্পায়নের কোনো বিকল্প নেই।’

আরও পড়ুন:
কল্যাণ ফির নামে চাঁদা: বরিশালে চালকদের বিক্ষোভ
বেতনের দাবিতে ফের মহাসড়কে শ্রমিকরা, পুলিশের ধাওয়া
বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করা শ্রমিকদের পুলিশের পিটুনি
যন্ত্রের ধাক্কায় শ্রমিকের মৃত্যু
শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ১৩ কোটি টাকা ব্যাট-নেসলের

শেয়ার করুন

মন্তব্য

চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক হামলা: আরও ৩ জনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক হামলা: আরও ৩ জনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) শহীদুল ইসলাম জানান, শনিবার বিকেলে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম নবনীতা গুহের আদালতে রিপন আহাম্মেদ মাহীর, আরাফাত হোসেন আবির ও ইব্রাহিম খলিল ওরফে রাজিব ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১৩ জনের মধ্যে আরও তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) শহীদুল ইসলাম রোববার দুপুরে নিউজবাংলাকে জানান, শনিবার বিকেলে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম নবনীতা গুহের আদালতে রিপন আহাম্মেদ মাহীর, আরাফাত হোসেন আবির ও ইব্রাহিম খলিল ওরফে রাজিব ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার আবদুর রহিম সুজন জবানবন্দি দিয়েছিলেন।

এসপি জানান, কুমিল্লার ঘটনার জেরে চৌমুহনী বাজারের পূজামণ্ডপ, মন্দির, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট, আগুন ও হত্যার ঘটনায় ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) ক্যামেরার ফুটেজ দেখে এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দুর্গাপূজায় সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যে গত ১৩ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার নানুয়ার দিঘির পাড়ের একটি মণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ পাওয়ার পর ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নে ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় এবং পরদিন দুপুরে একই উপজেলার চৌমুহনী পৌর এলাকায় ১১টি পূজামণ্ডপে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। লুটপাট করা হয় মন্দিরের আসবাব, স্বর্ণালংকার, ভাঙচুর করা হয় প্রতিমা।

হামলায় প্রাণ হারান প্রান্ত চন্দ্র দাশ নামে এক যুবক, আতঙ্কে হৃদরোগে যতন সাহা নামে আরেকজনের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে যতনের পরিবারের অভিযোগ, তিনিও হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন।

নোয়াখালীতে সহিংসতার ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাতটি মামলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
কল্যাণ ফির নামে চাঁদা: বরিশালে চালকদের বিক্ষোভ
বেতনের দাবিতে ফের মহাসড়কে শ্রমিকরা, পুলিশের ধাওয়া
বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করা শ্রমিকদের পুলিশের পিটুনি
যন্ত্রের ধাক্কায় শ্রমিকের মৃত্যু
শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ১৩ কোটি টাকা ব্যাট-নেসলের

শেয়ার করুন

শিশু ধর্ষণ মামলায় কারাগারে প্রতিবেশী

শিশু ধর্ষণ মামলায় কারাগারে প্রতিবেশী

প্রতীকী ছবি

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান বলেন, ‘শিশুটির বাবা-মা স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। শনিবার সকালে শিশুটির বাবা-মা বাসা থেকে বের হন। সন্ধ্যায় তারা ফিরলে শিশুটি তাদের জানায়, বিকেলে ঘরের বাইরে খেলার সময় রিশাদুল কৌশলে তাকে নিজের ঘরে ডেকে নেন। সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন।’

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় শিশু ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার প্রতিবেশীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

নারায়ণগঞ্জের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক ফাহমিদা খাতুন রোববার বিকেলে এ আদেশ দেন।

এর আগে শনিবার মধ্যরাতে ওই ব্যক্তিকে উপজেলার একটি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কারাগারে পাঠানো ব্যক্তির নাম মো. রিশাদুল। তার বাড়ি রংপুরের হারাগাছ উপজেলার জুম্মাপাড়া এলাকায়। তিনি ফতুল্লার ওই এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদালত পুলিশের পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান।

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুজ্জামান বলেন, ‘শিশুটির বাবা-মা স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। গ্রেপ্তার রিশাদুল প্রতিবেশী হওয়ায় তাকে চাচা বলে ডাকত শিশুটি।

‘শনিবার সকালে শিশুটির বাবা-মা বাসা থেকে বের হন। সন্ধ্যায় তারা ফিরলে শিশুটি তাদের জানায়, বিকেলে ঘরের বাইরে খেলার সময় রিশাদুল কৌশলে তাকে নিজের ঘরে ডেকে নেন। সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন।’

এ ঘটনায় শনিবার রাতেই থানায় মামলা করেন শিশুটির বাবা। মামলার পরপরই রিশাদুলকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান ওসি রকিবুজ্জামান।

ওসি বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে তদন্ত করছি। শারীরিক পরীক্ষার জন্য শিশুটিকে রোববার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
কল্যাণ ফির নামে চাঁদা: বরিশালে চালকদের বিক্ষোভ
বেতনের দাবিতে ফের মহাসড়কে শ্রমিকরা, পুলিশের ধাওয়া
বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করা শ্রমিকদের পুলিশের পিটুনি
যন্ত্রের ধাক্কায় শ্রমিকের মৃত্যু
শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ১৩ কোটি টাকা ব্যাট-নেসলের

শেয়ার করুন

সোনালী জুট মিল ফের চালু

সোনালী জুট মিল ফের চালু

খুলনা নগরীর মিরেরডাঙ্গার সোনালী জুট মিল আবার চালু করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

মিল সূত্র জানায়, আর্থিক সংকট, পাটের দাম বৃদ্ধিসহ নানা জটিলতায় মালিকপক্ষ মিলটি বন্ধ করে দেয়। পরে বেসরকারি পাট, সুতা, বস্ত্রকল শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন, মিলের এডহক কমিটি এবং খুলনা বিভাগীয় শ্রম পরিচালক মিজানুর রহমান এটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেন।

খুলনা নগরীর সোনালী জুট মিল আবার চালু করা হয়েছে। ১১ মাস বন্ধ থাকার পর শনিবার মিলটি আংশিক চালু করা হয়।

নগরীর মিরেরডাঙ্গা শিল্প এলাকায় ব্যক্তি মালিকানার মিলটি গেল বছরের ২৮ নভেম্বরে বন্ধ করা হয়েছিল।

মিল সূত্র জানায়, আর্থিক সংকট, পাটের দাম বৃদ্ধিসহ নানা জটিলতায় মালিকপক্ষ মিলটি বন্ধ করে দেয়। পরে বেসরকারি পাট, সুতা , বস্ত্রকল শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন, মিলের এডহক কমিটি এবং খুলনা বিভাগীয় শ্রম পরিচালক মিজানুর রহমান এটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেন।

মেসার্স জামান ট্রেডিং লিজ হিসেবে মিলটি চালানোর আগ্রহ প্রকাশ করলে শনিবার থেকে এটা পুনরায় চালু হয়।

রোববার সকাল ১০টার দিকে বেসরকারি পাট, সুতা, বস্ত্রকল শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন জরুরি মতবিনিময় সভা হয়। সোনালী জুট মিল ওয়াকার্স ইউনিয়ন ফেডারেশনের সভাপতি শেখ আমজাদ হোসেন এতে সভাপতিত্ব করেন। সংগঠনের প্রচার সম্পাদক সাইফুল্লাহ তারেকের পরিচালনায় সভা হয়।

বক্তব্য দেন বেসরকারি পাট, সুতা, বস্ত্রকল শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও মহসেন জুট মিল ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল খান, সংগঠনের সহসভাপতি ও আফিল জুট মিল মজদুর ইউনিয়নের নেতা কাবিল হোসেন ও নিজামউদ্দিন, মহসেন জুট মিলের শ্রমিক নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আসহাফ উদ্দীন ও মাহাতাব উদ্দীনসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
কল্যাণ ফির নামে চাঁদা: বরিশালে চালকদের বিক্ষোভ
বেতনের দাবিতে ফের মহাসড়কে শ্রমিকরা, পুলিশের ধাওয়া
বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করা শ্রমিকদের পুলিশের পিটুনি
যন্ত্রের ধাক্কায় শ্রমিকের মৃত্যু
শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ১৩ কোটি টাকা ব্যাট-নেসলের

শেয়ার করুন

নোংরা পরিবেশে খাবার-মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ: ৬ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

নোংরা পরিবেশে খাবার-মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ: ৬ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

নোংরা পরিবেশে খাদ্য তৈরি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে খুলনার ছয় প্রতিষ্ঠানকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর

অভিযানে ফুলতলার বেলতলার রবি চানাচুর, মিল্লাত বেকারি, সোনালী মেডিক্যাল হল, মেসার্স মিলন মেডিক্যাল, স্বর্ণা গিফট ও চম্পা চানাচুর ফ্যাক্টরির কাছ থেকে জরিমানার ৭০ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে।

নোংরা পরিবেশে খাদ্য তৈরি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে খুলনার ছয় প্রতিষ্ঠানকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

রোববার দুপুরে ফুলতলা উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় উপপরিচালক ইব্রাহীম হোসেন এবং জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলম অভিযানে নেতৃত্ব দেন।

অভিযানে ফুলতলার বেলতলার রবি চানাচুর, মিল্লাত বেকারি, সোনালী মেডিক্যাল হল, মেসার্স মিলন মেডিক্যাল, স্বর্ণা গিফট ও চম্পা চানাচুর ফ্যাক্টরির কাছ থেকে জরিমানার ৭০ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
কল্যাণ ফির নামে চাঁদা: বরিশালে চালকদের বিক্ষোভ
বেতনের দাবিতে ফের মহাসড়কে শ্রমিকরা, পুলিশের ধাওয়া
বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করা শ্রমিকদের পুলিশের পিটুনি
যন্ত্রের ধাক্কায় শ্রমিকের মৃত্যু
শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ১৩ কোটি টাকা ব্যাট-নেসলের

শেয়ার করুন

দুধের শিশু সঙ্গে নেয়ায় ক্লাস থেকে বহিষ্কার

দুধের শিশু সঙ্গে নেয়ায় ক্লাস থেকে বহিষ্কার

নাটোরের রাণী ভবানী সরকারি মহিলা কলেজ। ছবি: নিউজবাংলা

ওই ঘটনা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেয়া এক ছাত্রী অভিযোগ করেন, শিশুদের নিয়ে ওরিয়েন্টেশন ক্লাসে অংশ নেয়ায় অধ্যক্ষ মঞ্জুরা বেগম ও সহকারী অধ্যাপক তাসলিমা তিন ছাত্রীকে বের করে দেন। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করলেও তাদের আর অনুষ্ঠানে ঢুকতে দেয়া হয়নি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছাত্রীর সন্তানকে কোলে নিয়ে শিক্ষকের ক্লাস করার ছবি ভাইরাল হওয়ার পর প্রশংসা বাণীর মধ্যে উল্টো একটি ঘটনা ঘটল নাটোরে।

জেলার রাণী ভবানী সরকারি মহিলা কলেজের ওরিয়েন্টেশন ক্লাসে শিশু সন্তান নিয়ে যাওয়ায় তিন ছাত্রীকে বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে অধ্যক্ষ ও এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ, বৃহস্পতিবার কলেজের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক শ্রেণির ওরিয়েন্টেশন ক্লাসে নিজেদের সন্তান নিয়ে যান ওই তিন ছাত্রী। শিশু নিয়ে যাওয়ায় পরে অনুষ্ঠান থেকে তাদের বের করে দেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ও অধ্যক্ষ মঞ্জুরা বেগম এবং একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসলিমা খাতুন।

রোববার এ নিয়ে দুই ছাত্রী ফেসবুকে পোস্ট দিলে বিষয়টি জানাজানি হয়। দুই শিক্ষকের ছবিসহ ‘এমন শিক্ষকের হাত ধরে কীভাবে এগোবে নারী শিক্ষা’ শিরোনামে দেয়া ওই পোস্টের পর শুরু হয়েছে প্রতিবাদ ও নিন্দা। এ ছাড়া শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যেও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

নিজেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছেন দুই শিক্ষক।

সহকারী অধ্যাপক তাসলিমার দাবি, শিশুরা কান্না করায় অনুষ্ঠানে বিঘ্ন হচ্ছিল। এ জন্য তিনি তাদের বাইরে ঘুরে আসতে বলেছেন। আর অধ্যক্ষ শুনিয়েছেন ষড়যন্ত্রতত্ত্বের কথা। তার দাবি, এমন কিছু তিনি করেননি। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে।

দুধের শিশু সঙ্গে নেয়ায় ক্লাস থেকে বহিষ্কার

ওই ঘটনা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেয়া এক ছাত্রী অভিযোগ করেন, শিশুদের নিয়ে ওরিয়েন্টেশন ক্লাসে অংশ নেয়ায় অধ্যক্ষ মঞ্জুরা বেগম ও সহকারী অধ্যাপক তাসলিমা তিন ছাত্রীকে বের করে দেন। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করলেও তাদের আর অনুষ্ঠানে ঢুকতে দেয়া হয়নি।

এ বিষয়ে সহকারী অধ্যাপক তাসলিমা বলেন, ‘ওই অনুষ্ঠানে খুবই ছোট্ট বাচ্চারা কান্নাকাটি করায় অনুষ্ঠানে বিঘ্ন হচ্ছিল। তাই আমি তাদের সেখান থেকে বের হয়ে একটু ঘুরে আসতে বলেছি।

‘তাদের সাথে ছবিও উঠেছি। বের করে দেয়া ঠিক না। আমি তাদের অনুরোধ করেছি মাত্র। তবে এখনও পোস্টটি দেখিনি, তাই এই বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না।’

অধ্যক্ষ মঞ্জুরা বেগম বলেন, ‘এমন কোনোই ঘটনা ঘটেনি। আমি অল্প দিন হলো কলেজটিতে যোগদান করেছি। একটি মহল আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে।

‘আপনি নাম ঠিকানা দেন। তাদের সাথে কথা বলি। তারা যে ভাষায় ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছে তা কোনো শিক্ষার্থীর ভাষা হতে পারে না। কারো ইন্ধনে ওই কজন শিক্ষার্থী ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। আপনারা ষড়যন্ত্রের কারণ খুঁজে বের করেন।’

নাটোরের জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ জানান, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জেনেছেন। তিন শিক্ষার্থীকে যোগাযোগ করতে বলেছেন। তাদের কাছ থেকে ঘটনা শুনে বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন।

আরও পড়ুন: বাল্যবিয়ের শিকার ছাত্রীর সন্তান কোলে শিক্ষকের পাঠদান

চলতি মাসেই ৩ তারিখ শিশুসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক শিক্ষকের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

ছবিটিতে দেখা যায়, দুই থেকে তিন মাস বয়সী শিশুকে নিয়ে ক্লাস নিচ্ছেন এক শিক্ষক। দেখে মনে হচ্ছে নিজ সন্তানকে এমন পরম যত্নে আগলে পাঠদান করছেন তিনি।

তবে মেয়ে শিশুটি তার নিজের নয় বরং করোনার মধ্যে বাল্যবিয়ের শিকার এক ছাত্রীর। জেলার চিনাইর আঞ্জুমান আরা উচ্চ বিদ্যালয়ের পঙ্কজ মধু নামের ওই শিক্ষক তাকে কোলে নিয়েই ক্লাস নিচ্ছিলেন।

ওই ছবি ভাইরাল হওয়ার পর অনেকেই শিক্ষক পঙ্কজের প্রশংসা করেন। নাটোরের ঘটনায়ও উঠে এসেছে তার নাম।

এ ঘটনায় দেয়া পোস্টে শিক্ষক পঙ্কজের ছবি দিয়ে অনেকেই পার্থক্যের বিষয়টি নির্দেশ করেছেন।

আরও পড়ুন:
কল্যাণ ফির নামে চাঁদা: বরিশালে চালকদের বিক্ষোভ
বেতনের দাবিতে ফের মহাসড়কে শ্রমিকরা, পুলিশের ধাওয়া
বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করা শ্রমিকদের পুলিশের পিটুনি
যন্ত্রের ধাক্কায় শ্রমিকের মৃত্যু
শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ১৩ কোটি টাকা ব্যাট-নেসলের

শেয়ার করুন

ডাব পাড়তে গিয়ে মৃত্যু

ডাব পাড়তে গিয়ে মৃত্যু

ডাব পাড়তে গিয়ে মারা গেছেন ব্যবসায়ী শরিফুল আলম বাচ্চু। ছবি: সংগৃহীত

রোববার দুপুরে নিজ বাড়ির দোতলার ছাদের পাশে একটি নারকেলগাছ থেকে হাত বাড়িয়ে ডাব পাড়তে যান ওই ব্যবসায়ী। এ সময় পা-পিছলে পড়ে যান তিনি। জেলা সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে ডাব পাড়তে গিয়ে বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।

শহরের দক্ষিণ পৈরতলা মাজার গেট এলাকায় রোববার বেলা ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত ব্যক্তির নাম শরিফুল আলম বাচ্চু। ৫৫ বছর বয়সী বাচ্চু পৈরতলা মাজার গেট এলাকার সাবেক মেম্বর আজগর আলীর ছেলে ও সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানের ছোট ভাই।

পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বাচ্চু দীর্ঘদিন সৌদি আরবে ছিলেন। কয়েক বছর আগে তিনি দেশে ফিরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার যন্ত্রপাতির ব্যবসা শুরু করেন।

রোববার দুপুরে বাড়ির দোতলার ছাদের পাশে একটি নারকেলগাছ থেকে হাত বাড়িয়ে ডাব পাড়তে যান বাচ্চু। এ সময় পা-পিছলে পড়ে যান তিনি।

পুলিশ আরও জানায়, আহত অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা বাচ্চুকে জেলা সদর হাসপাতালে আনেন। পরে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ফাইজুর রহমান ফয়েজ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমরানুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হাসপাতালে ও ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। খোঁজ নিয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত জানানো হবে।’

আরও পড়ুন:
কল্যাণ ফির নামে চাঁদা: বরিশালে চালকদের বিক্ষোভ
বেতনের দাবিতে ফের মহাসড়কে শ্রমিকরা, পুলিশের ধাওয়া
বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করা শ্রমিকদের পুলিশের পিটুনি
যন্ত্রের ধাক্কায় শ্রমিকের মৃত্যু
শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ১৩ কোটি টাকা ব্যাট-নেসলের

শেয়ার করুন

প্রাইভেট কারচালক হত্যার ৯ বছর পর ছয়জনের যাবজ্জীবন

প্রাইভেট কারচালক হত্যার ৯ বছর পর ছয়জনের যাবজ্জীবন

প্রাইভেট কারচালক হত্যা মামলায় দণ্ডিত দুই আসামি। ছবি: নিউজবাংলা

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১২ সালের ১৪ জুলাই রাত ১০টার দিকে রাজধানীর মিরপুরের বাসা থেকে প্রাইভেট কার চালিয়ে সাভারের হেমায়েতপুরে রওনা দেন খোকা। রাত ১১টার দিকে খোকার স্ত্রী তাকে ফোন দিলে অপরিচিত একজন ধরে জানান, খোকা তার মোবাইল ফোন চার্জে দিয়ে রেখে চারজন যাত্রী নিয়ে সিলেটের জাফলং চলে গেছেন। দুই দিন পর পুলিশ মানিকগঞ্জ সদর থানার অরঙ্গবাদ এলাকার হাকিম আলীর মৎস্য খামারের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

মানিকগঞ্জে প্রাইভেট কারচালক হত্যার ৯ বছর পর ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ রায় দেন।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নিরঞ্জন বসাক।

দণ্ডিতরা হলেন ঢাকার সাভারের জোরলপুর কান্দার চর এলাকার দুই ভাই হাসান মিয়া ও ইজু মিয়া, একই এলাকার আব্দুর রহিম মাহমুদ, হেমায়েতপুরের জয়নাবাড়ী এলাকার মনির হোসেন, দারোগ আলী এবং বাগেরহাটের শরণখোলার দক্ষিণ রাজাপুর এলাকার আব্দুর রহিম।

রায় ঘোষণার সময় দারোগ আলী ও আব্দুর রহিম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকিরা পলাতক।

আনোয়ার হোসেন খোকা হত্যা মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১২ সালের ১৪ জুলাই রাত ১০টার দিকে রাজধানীর মিরপুরের বাসা থেকে প্রাইভেট কার চালিয়ে সাভারের হেমায়েতপুরে রওনা দেন খোকা। রাত ১১টার দিকে খোকার স্ত্রী পাপিয়া আক্তার তাকে ফোন দিলে অপরিচিত একজন ধরেন। তিনি জানান, খোকা তার মোবাইল ফোন চার্জে দিয়ে রেখে চারজন যাত্রী নিয়ে সিলেটের জাফলং চলে গেছেন।

দুই দিন পর পুলিশ মানিকগঞ্জ সদর থানার অরঙ্গবাদ এলাকার হাকিম আলীর মৎস্য খামারের পাশ থেকে খোকার মরদেহ উদ্ধার করে। পরিবারের সদস্যরা তাকে শনাক্ত করেন।

এরপর খোকার বড় ভাই আতিকুল ইসলাম মানিকগঞ্জ সদর থানায় অজ্ঞাতপরিচয়দের আসামি করে মামলা করেন। এ ঘটনায় দারোগ আলী ও আব্দুর রহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আইনজীবী নিরঞ্জন বসাক জানান, ২০১৩ সালের ৬ মার্চ আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় পুলিশ। এরপর ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেয়। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দেয়া হয়েছে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম, লুৎফর রহমান ও শেখ মো. নজরুল ইসলাম জানান, তারা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।

আরও পড়ুন:
কল্যাণ ফির নামে চাঁদা: বরিশালে চালকদের বিক্ষোভ
বেতনের দাবিতে ফের মহাসড়কে শ্রমিকরা, পুলিশের ধাওয়া
বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করা শ্রমিকদের পুলিশের পিটুনি
যন্ত্রের ধাক্কায় শ্রমিকের মৃত্যু
শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ১৩ কোটি টাকা ব্যাট-নেসলের

শেয়ার করুন