রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ মিয়ানমারেই: জাতিসংঘ

রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ মিয়ানমারেই: জাতিসংঘ

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা লাখ লাখ রোহিঙ্গা নিয়ে মানবিক সমস্যায় পড়েছে বাংলাদেশ। ছবি: ফাইল ছবি/নিউজবাংলা

ইউএনএইচসিআর-এর প্রতিনিধি জোনাথন ভ্যান ডের ক্লাউ বলেন, ‘কক্সবাজারের মতো ভাসানচরেও আমাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্য হলো মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছা, নিরাপদ ও টেকশই প্রত্যাবাসনে তাদের প্রস্তুত করা। তাদের ভবিষ্যৎ মিয়ানমারেই, যেখান থেকে তারা এসেছেন।’

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ মিয়ানমারেই বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর প্রতিনিধি জোনাথন ভ্যান ডের ক্লাউ। বলেছেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে প্রস্তুত করতেই কক্সবাজারের মতো ভাসানচরেও মানবিক সহায়তায় বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন তারা।

ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের মানবিক কার্যক্রম শুরু করতে শনিবার সরকারের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ইউএনএইচসিআর-এর প্রতিনিধি জোনাথন ভ্যান ডের ক্লাউ।

তিনি বলেন, ‘আমাদের উদ্যোগ বাংলাদেশকে তাদের রোহিঙ্গা কার্যক্রম সম্প্রসারণে সহযোগিতা করবে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশি এনজিওর কার্যক্রমকেও সহযোগিতা করবে।

‘কক্সবাজারের মতো ভাসানচরেও আমাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্য হলো মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছা, নিরাপদ ও টেকশই প্রত্যাবাসনে তাদের প্রস্তুত করা। তাদের ভবিষ্যৎ মিয়ানমারেই, যেখান থেকে তারা এসেছেন।’

ইউএনএইচসিআর-এর প্রতিনিধি বলেন, ‘এই সমঝোতা সরকারি সহযোগিতার পাশাপাশি ভাসানচরে মানবিক ও সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। এই সমঝোতা চলমান রোহিঙ্গা মানবিক কার্যক্রমে সরকার ও জাতিসংঘের আন্তরিকতার একটি স্পষ্ট উদাহরণ। সেই সঙ্গে কক্সবাজার ও ভাসানচরে সহযোগিতায় বাংলাদেশকে লাগাতার সমর্থনে জাতিসংঘের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন এই সমঝোতা।’

এর আগে ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক কার্যক্রমের বিস্তার বাড়াতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমঝোতা স্মারকে সই করে জাতিসংঘ সংশ্লিষ্ট সংস্থাটি। এতে সই করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহসীন ও ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধি জোনাস ভ্যান ডেক ক্লাউ।

এই সমঝোতার ফলে ভাসানচরে খাদ্য ও পুষ্টি, সুপেয় পানি, পয়ঃনিষ্কাশন, চিকিত্সাসহ মানবিক কার্যক্রমে সরকারকে সহযোগিতা করবে জাতিসংঘ।

এ সময় দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুল রহমান বলেন, ‘কক্সবাজার বা ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের থাকার যে ব্যবস্থা করা হয়েছে তা সাময়িক। আমাদের মূল লক্ষ্য মিয়ানমারে তাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন। জাতিসংঘের সংস্থাগুলো এবং অন্যান্য দেশের সহযোগিতায় দ্রুত এ কাজ শুরু করা প্রয়োজন।’

মিয়ানমারে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর নিয়ে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলো শুরুতে আপত্তি তুললেও ভাসানচর ঘুরে দেখে তাদের অবস্থান পরিবর্তন হয়েছে। এর অংশ হিসেবেই ভাসানচরের রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা বাড়াতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যুক্ত হলো ইউএনএইচসিআর।

কক্সবাজারে শরণার্থী শিবির ও তার বাইরে অবস্থান নেয়া প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে নিয়ে দেখা দেয় নানা সামাজিক সমস্যা। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এক লাখ রোহিঙ্গাকে হাতিয়ার কাছে মেঘনা মোহনার দ্বীপ ভাসানচরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা নেয় সরকার।

সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ২ হাজার ৩১২ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩ হাজার একর আয়তনের ওই চরে ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করে ১ লাখের বেশি মানুষের বসবাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

কয়েক ধাপে ভাসানচরে এখন পর্যন্ত ১৮ হাজার ৮৫৯ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন দফায় আশ্রয় নেয়া মোট রোহিঙ্গা শরণার্থী ১১ লাখের ওপরে। সরকারের লক্ষ্য আরও ৮০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা।

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর নিয়ে চলতি বছরের ৬ জুন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অন্তত ১০টি দেশের রাষ্ট্রদূত এবং হাইকমিশনার, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধি, পররাষ্ট্রসচিব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণসচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

ওই বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. আহমদ কায়কাউস বলেছিলেন, ‘ইউএন হলো ম্যান্ডেট। পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় এ ধরনের শরণার্থী যদি হয়, তারাই লুক আফটার করবে। ইউএন গেলে অবশ্যই আমাদের জন্য সুবিধা। রোহিঙ্গাদের খাদ্যের চিন্তা করতে হবে না। পুরো ম্যানেজমেন্ট ইউএন করবে। আমরা তাদের সহযোগিতা করব।’

আরও পড়ুন:
ডাকাতির প্রস্তুতির সময় গ্রেপ্তার পাঁচ রোহিঙ্গা
রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যা অনাকাঙ্ক্ষিত: পররাষ্ট্রসচিব
স্বর্ণদ্বীপে আটক ৪৭ রোহিঙ্গা ভাসানচর অফিসে সোপর্দ
হাতিয়ার স্বর্ণদ্বীপে ৪৫ রোহিঙ্গা আটক
রোহিঙ্গা ক্যাম্প: চার বছরে ৭১ খুন, ১৩০০ মামলা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ক্ষুধা মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ দক্ষিণ এশিয়া চান প্রধানমন্ত্রী

ক্ষুধা মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ দক্ষিণ এশিয়া চান প্রধানমন্ত্রী

গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন ঢাকায় নবনিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী। ছবি: নিউজবাংলা

পাকিস্তান বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহী বলে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জানিয়েছেন ঢাকায় নবনিযুক্ত দেশটির হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী। ১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে পাকিস্তান সফরের ছবির পেইন্টিং এবং ভিডিও ফুটেজ উপহার দেন প্রধানমন্ত্রীকে।

ক্ষুধা ও নিরক্ষরতার অভিশাপ মুক্ত হতে এবং এ অঞ্চলের জনগণের কল্যাণে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে একযোগে কাজ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ঢাকায় নবনিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সোমবার সরকারপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় পাকিস্তাতি দূত।

বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

পাকিস্তান বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহী বলে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন হাইকমিশনার ইমরান আহমেদ সিদ্দিকী।

পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পাঠানো একটি বার্তার কপি শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করেন হাইকমিশনার।

১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে পাকিস্তান সফরের ছবির পেইন্টিং এবং ভিডিও ফুটেজও উপহার দেন প্রধানমন্ত্রীকে।

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্মৃতির স্মারক হস্তান্তর করার জন্য দেশটির হাইকমিশনারকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে পাকিস্তান বাংলায় একটি ক্যালিগ্রাফি বই প্রকাশ করায় প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এসময় অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ডাকাতির প্রস্তুতির সময় গ্রেপ্তার পাঁচ রোহিঙ্গা
রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যা অনাকাঙ্ক্ষিত: পররাষ্ট্রসচিব
স্বর্ণদ্বীপে আটক ৪৭ রোহিঙ্গা ভাসানচর অফিসে সোপর্দ
হাতিয়ার স্বর্ণদ্বীপে ৪৫ রোহিঙ্গা আটক
রোহিঙ্গা ক্যাম্প: চার বছরে ৭১ খুন, ১৩০০ মামলা

শেয়ার করুন

আবাসিকে গ্যাস সংযোগ দিতে নির্দেশ কেন নয়: হাইকোর্ট

আবাসিকে গ্যাস সংযোগ দিতে নির্দেশ কেন নয়: হাইকোর্ট

একইসঙ্গে আবাসিকে গ্যাস সংযোগ দিতে সরকারের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না সেটিও জানতে চাওয়া হয়েছে।

আবাসিকে গ্যাস সংযোগ না দিয়ে টাকা ফেরত দেয়ার সিদ্ধান্ত কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে আবাসিকে গ্যাস সংযোগ দিতে সরকারের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না সেটিও জানতে চাওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি আবেদনকারীদের গ্যাস সংযোগ দিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না সে বিষয়টিও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

চার সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব (জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ), পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান, গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান তিতাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, কর্ণফুলীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাখরাবাদের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ওয়াজি উল্লাহ, সঙ্গে ছিলেন আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী ও আফরোজা সুলতানা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

গত ২৭ এপ্রিল বিদ্যুৎ, জালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মাসিক সমন্বয় সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ‘আবাসিকে গ্যাস সংযোগ আর চালুর সুযোগ না থাকায় ডিমান্ড নোটের প্রেক্ষিতে যারা টাকা জমা দিয়েছিল তাদেরকে ক্রস চেকের মাধ্যমে টাকা ফেরত দেয়ার কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।’

সরকারের এ সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে চট্টগ্রাম গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি গ্রাহক ঐক্যজোটের সভাপতি আলমগীর নূর ও মহাসচিব একেএম অলিউল্লাহ হক ও সাধারণ গ্রাহক মো. নুরুল আলম গত ৪ অক্টোবর হাইকোর্টে রিট করেন।

রিটকারীদের আইনজীবী ওয়াজি উল্লাহ বলেন, ‘আইনে বলা আছে, ডিমান্ড নোটের (চাহিদাপত্র) প্রেক্ষিতে গ্যাস সংযোগের জন্য টাকা জমা নেয়া হলে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের গ্যাস সংযোগ দিতে সরকার বাধ্য। কিন্তু টাকা জমা নেয়ার পর নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও তাদের গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়নি, বরং তাদের টাকা ফেরত দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, যা আইন সম্মত নয়। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে আমরা আদালতে এসেছি। আদালত শুনানি শেষে রুল জারি করেছেন।’

আরও পড়ুন:
ডাকাতির প্রস্তুতির সময় গ্রেপ্তার পাঁচ রোহিঙ্গা
রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যা অনাকাঙ্ক্ষিত: পররাষ্ট্রসচিব
স্বর্ণদ্বীপে আটক ৪৭ রোহিঙ্গা ভাসানচর অফিসে সোপর্দ
হাতিয়ার স্বর্ণদ্বীপে ৪৫ রোহিঙ্গা আটক
রোহিঙ্গা ক্যাম্প: চার বছরে ৭১ খুন, ১৩০০ মামলা

শেয়ার করুন

বাউল রিতা দেওয়ানসহ ৩ জনের বিচার শুরু

বাউল রিতা দেওয়ানসহ ৩ জনের বিচার শুরু

রিতা দেওয়ানসহ তিনজনের বিচার শুরু হয়েছে সাইবার ট্রাইব্যুনালে। ফাইল ছবি

ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন সোমবার আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী বছরের ২৭ জানুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ঠিক করেন।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় বাউল রিতা দেওয়ানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দিয়েছে সাইবার ট্রাইব্যুনাল।

এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো আসামিদের বিচার।

ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন সোমবার আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী বছরের ২৭ জানুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ঠিক করেন।

বিচার শুরু হওয়া অপর দুই আসামি হলেন শাজাহান ও ইকবাল হোসেন।

সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর নজরুল ইসলাম শামীম অভিযোগ গঠনের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

আজ তিন আসামিই আদালতে হাজির হন। তাদের পক্ষে আইনজীবীরা অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন করা হয়।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের কাছে জানতে চান, তারা দোষী নাকি নির্দোষ। আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান। এরপর আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেয়।

গত বছরের ৩১ জানুয়ারি আইনজীবী ইমরুল হাসান রিতা দেওয়ানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেন ।

অভিযোগে বলা হয়, ইমরুল ফেসবুক ও ইউটউিবে দেখতে পান, রিতা দেওয়ান একটি পালা গানের আসরে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করতে গিয়ে ধর্মীয় বিষয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন।

অভিযোগটি তদন্তে পুলিশের বিশেষায়িত সংস্থা পিবিআইয়ের কাছে প্রতিবেদন চান বিচারক।

গত বছরের ২০ অক্টোবর পিবিআইয়ের পরিদর্শক শেখ মো. মিজানুর রহমান তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। সেই প্রতিবেদন আমলে নিয়ে গত বছরের ২ ডিসেম্বর আদালত রিতা দেওয়ানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। পরে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন রিতা।

১ ফেব্রুয়ারি ইউটিউবে ভাইরাল গানটির বিষয়ে ক্ষমা চেয়েছেন রিতা দেওয়ান।

‘গান রুপালি এইচডি’ নামক একটি ইউটিউব চ্যানেলে দুই মেয়েসহ করা একটি ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘এ কথাটা আমার ভুল হয়ে গেছে। মুসলিম ভাই-বোনদের কাছে আমি বলব, আমার ভুল হয়ে গেছে। আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। আমি যেন আর কোনো দিনও ভুল না করি।’

আরও পড়ুন:
ডাকাতির প্রস্তুতির সময় গ্রেপ্তার পাঁচ রোহিঙ্গা
রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যা অনাকাঙ্ক্ষিত: পররাষ্ট্রসচিব
স্বর্ণদ্বীপে আটক ৪৭ রোহিঙ্গা ভাসানচর অফিসে সোপর্দ
হাতিয়ার স্বর্ণদ্বীপে ৪৫ রোহিঙ্গা আটক
রোহিঙ্গা ক্যাম্প: চার বছরে ৭১ খুন, ১৩০০ মামলা

শেয়ার করুন

পাঁচ বছরের কন্যাকে মায়ের জিম্মায় দিতে রুল

পাঁচ বছরের কন্যাকে মায়ের জিম্মায় দিতে রুল

শিশুটির মায়ের পক্ষের আইনজীবী আব্দুল কাইয়ুম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আদালত আমাদের আবেদনের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছে। সেই সঙ্গে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শিশুটিকে বিদেশে নেয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।’

পাঁচ বছরের কন্যাকে দেশের বাইরে না নিতে বাবা মুসফেক আলমের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে ওই সন্তানকে মায়ের জিম্মায় দিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত।

এ সংক্রান্ত এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার বিচারপতি মাহমুদুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে মায়ের পক্ষে শুনানি করেন খুরশীদ আলম খান, জেড আই খান পান্না ও এম. আব্দুল কাইয়ুম।

পরে আব্দুল কাইয়ুম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আদালত আমাদের আবেদনের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছেন। সেই সঙ্গে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শিশুটিকে বিদেশে নেয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।’

তিনি বলেন, গত ১৭ মাস ধরে শিশু কন্যাকে মা দেখতে পাচ্ছেন না। সন্তানকে নিজের জিম্মায় চেয়ে মা নিম্ন আদালতে আবেদন করেছিলেন। নিম্ন আদালত শিশুটিকে ভার্চুয়ালি দেখার সুযোগ দিয়ে আবেদনটি খারিজ করে দেয়। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। আদালত শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেয়।

৫ বছরের কন্যা সন্তানকে নিজের জিম্মায় নিতে গত ২০ অক্টোবর হাইকোর্টে আবেদন করেন শিশুটির মা তাসনোভা ইকবাল। আবেদনে সন্তানকে দেড় বছর ধরে দেখতে না দেয়ার অভিযোগ আনা হয়। এ ছাড়া, শিশুকে বিদেশ না নিতে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়।

এতে বিবাদী করা হয় শিশুটির বাবা মুসফেক আলম সৈকত, দাদা পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম ও দাদী মোমতাজ আলমকে।

রাজধানী গুলশানের বাসিন্দা তাসনোভা ইকবালের বাবা ইকবাল কামাল ও মা নাজমা সুলতানা।

আরও পড়ুন:
ডাকাতির প্রস্তুতির সময় গ্রেপ্তার পাঁচ রোহিঙ্গা
রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যা অনাকাঙ্ক্ষিত: পররাষ্ট্রসচিব
স্বর্ণদ্বীপে আটক ৪৭ রোহিঙ্গা ভাসানচর অফিসে সোপর্দ
হাতিয়ার স্বর্ণদ্বীপে ৪৫ রোহিঙ্গা আটক
রোহিঙ্গা ক্যাম্প: চার বছরে ৭১ খুন, ১৩০০ মামলা

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধু হত্যার ‘কুশীলব’ খুঁজতে তদন্ত কমিশন চেয়ে রিট

বঙ্গবন্ধু হত্যার ‘কুশীলব’ খুঁজতে তদন্ত কমিশন চেয়ে রিট

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডিতে নিজ বাসভবনে কিছু বিপদগামী সেনার হাতে সপরিবারে হত্যার শিকার হন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

আইনজীবী সুবীর নন্দী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র এবং তার পরের পদক্ষেপ সম্পূর্ণ পর্যালোচনা ও নিরীক্ষার জন্য একটি স্বাধীন জাতীয় কমিশন চেয়ে রিট করেছি।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরীবারে হত্যার পেছনের ‘কুশীলবদের’ খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সুবীর নন্দী দাস হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট করেন।

রিটে মন্ত্রী পরিষদ সচিব, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং অর্থ সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

আইনজীবী সুবীর নন্দী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র এবং তার পরের পদক্ষেপ সম্পূর্ণ পর্যালোচনা ও নিরীক্ষার জন্য একটি স্বাধীন জাতীয় কমিশন চেয়ে রিট করেছি।’

রিটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কদের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত কমিশন গঠনের নজির এবং সংশ্লিষ্ট আইনের আলোকে বিভিন্ন দেশের আদালতের রায়ের আলোকে যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে।

বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির জন্য আগামী সপ্তাহে উপস্থাপন করা হবে বলেও জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী।

আরও পড়ুন:
ডাকাতির প্রস্তুতির সময় গ্রেপ্তার পাঁচ রোহিঙ্গা
রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যা অনাকাঙ্ক্ষিত: পররাষ্ট্রসচিব
স্বর্ণদ্বীপে আটক ৪৭ রোহিঙ্গা ভাসানচর অফিসে সোপর্দ
হাতিয়ার স্বর্ণদ্বীপে ৪৫ রোহিঙ্গা আটক
রোহিঙ্গা ক্যাম্প: চার বছরে ৭১ খুন, ১৩০০ মামলা

শেয়ার করুন

সাতক্ষীরার চারজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শেষ

সাতক্ষীরার চারজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শেষ

ধানমন্ডির তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির প্রধান সানাউল হক। ছবি: নিউজবাংলা

সংস্থাটি জানায়, সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ ও দেবহাটা থানা এলাকার বাসিন্দা আকবর আলী শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করা হয়েছে। চার আসামির মধ্যে আকবর আলী ছাড়া অন্যরা পলাতক রয়েছে।

একাত্তরে সংঘটিত হত্যা, গণহত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠণসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

সোমবার ধানমন্ডির তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির প্রধান সানাউল হক এ তথ্য জানান। এটি তদন্ত সংস্থার ৭৯তম প্রতিবেদন।

সংস্থাটি জানায়, সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ ও দেবহাটা থানা এলাকার বাসিন্দা আকবর আলী শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করা হয়েছে। চার আসামির মধ্যে আকবর আলী ছাড়া অন্যরা পলাতক রয়েছে।

চার আসামির বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ এনে তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে।

অভিযোগ-১ এ বলা হয়েছে- ১৯৭১ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর আনুমানিক সময় ৪টার সময় রহমতুল্লা মোড়ল, তার ছেলে গোলাম মোস্তফা মোড়লকে সঙ্গে করে সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানাধীন নলতা হাটে বাজার করতে যান।

এ সময় মুক্তিযোদ্ধা আনছারুল মাহমুদ নলতা হাটে সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ সড়কের একটি বাসে পাকিস্তানি সেনা থাকার সন্দেহে গ্রেনেড ছুড়ে। কিন্তু তাতে কেউ হতাহত হয়নি। গ্রেনেড ছুড়ার প্রতিশোধ নিতে বিকেল ৫টার দিকে আসামিরা পাকিস্তানি আর্মির সঙ্গে ইন্দ্রনগর মাদ্রাসায় একত্র হয়ে নলতা হাটে আক্রমণ করে। এ সময় রাজাকাররা স্বরাব্দীপুর গ্রামের মাদার আলী গাজীকে গুলি করে হত্যা করে।

এ ঘটনায় রাজাকারদের গুলিতে ইন্দ্রনগর গ্রামের আব্দুল রহমান ওরফে মেদু মোড়ল ও রহমতুল্লাহ মোড়ল গুরুতর আহত হন। ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায় নিজ বাড়িতে রহমতুল্লাহ মোড়লের মৃত্যু হয়।

অভিযোগ- ২ এ বলা হয়, ১৯৭১ সালে ৬ মে আনুমানিক ১২টার সময় সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানার ইন্দ্রনগর মাদ্রাসার রাজাকার ক্যাম্প হতে আসামিরাসহ পাকিস্তানি সেনারা দেবহাটার হাদিপুর গ্রামের ঘোষবাড়িতে হামলা করে।

সেখান থেকে নরেন্দ্রনাথ ঘোষকে আটক করে বাড়ির পেছনে নিয়ে গুলি হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলে দেয়। এরপর তারা শরৎচন্দ্র ঘোষ, গোপিনাথ ঘোষ, হেমনাথ ঘোষ এবং ওয়াজেদ আলী বিশ্বাসকে আটক করে বাড়ির দক্ষিণ দিকে ডোবায় নিয়ে সারিবদ্ধভাবে হত্যা করে লাশ পানিতে ফেলে রাখে। সেখানে নরেন্দ্রনাথ ঘোষের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বাধা দিতে গেলে আসামিরা তাকে আটক করে নির্যাতন করে। ঘোষ বাড়ির মালামাল লুট করে এবং অগ্নিসংযোগ করে।

মামলার তদন্ত করেন শাহজাহান কবীর। এ মামলায় ১৯ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ডাকাতির প্রস্তুতির সময় গ্রেপ্তার পাঁচ রোহিঙ্গা
রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যা অনাকাঙ্ক্ষিত: পররাষ্ট্রসচিব
স্বর্ণদ্বীপে আটক ৪৭ রোহিঙ্গা ভাসানচর অফিসে সোপর্দ
হাতিয়ার স্বর্ণদ্বীপে ৪৫ রোহিঙ্গা আটক
রোহিঙ্গা ক্যাম্প: চার বছরে ৭১ খুন, ১৩০০ মামলা

শেয়ার করুন

প্রযোজক রাজের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ

প্রযোজক রাজের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ

প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ। ছবি: সংগৃহীত

মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন বিচারক। সোমবার শুনানির সময় আসামিদের আদালতে আনা হয়। শুনানি শেষে আবার তাদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

রাজধানীর বনানী থানায় করা মাদক মামলায় প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ ও তার সহযোগী সবুজ আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছে আদালত।

সোমবার ঢাকার মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদারের আদালত এ অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।

মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দেন বিচারক। শুনানির সময় আসামিদের আদালতে আনা হয়। শুনানি শেষে আবার তাদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে চার্জশিট দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক গিয়াস উদ্দিন।

৪ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর বনানীতে নজরুল ইসলাম রাজের বাসা ও অফিসে অভিযান চালায় র‍্যাব। রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজকে তার বাসা থেকে বের করা হয়। পরে তার বাসা থেকে মাদক জব্দ করা হয়।

পরদিন আদালত মাদক মামলায় রাজ ও তার সহযোগীকে চার দিনের রিমান্ড দেন।

১০ আগস্ট রাজ ও সবুজ আলীর মাদক মামলায় আরও দুই দিন এবং পর্নোগ্রাফি মামলায় চার দিনের রিমান্ড অনুমোদন করে আদালত।

১৮ আগস্ট রিমান্ড শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।

২৯ আগস্ট রাজের আবার রিমান্ড আবেদন করে সিআইডি। আদালত রিমান্ড আবেদন নাকচ করে আদেশ দেয়।

আরও পড়ুন:
ডাকাতির প্রস্তুতির সময় গ্রেপ্তার পাঁচ রোহিঙ্গা
রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যা অনাকাঙ্ক্ষিত: পররাষ্ট্রসচিব
স্বর্ণদ্বীপে আটক ৪৭ রোহিঙ্গা ভাসানচর অফিসে সোপর্দ
হাতিয়ার স্বর্ণদ্বীপে ৪৫ রোহিঙ্গা আটক
রোহিঙ্গা ক্যাম্প: চার বছরে ৭১ খুন, ১৩০০ মামলা

শেয়ার করুন