ফের ডাউন ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম

ফের ডাউন ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম

ফেসবুকের একজন মুখপাত্র বলেন, ‘কিছু মানুষ আমাদের অ্যাপস ও বিভিন্ন সেবায় প্রবেশে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা অবগত আছি। যত দ্রুত সম্ভব স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে কাজ করছি। যেকোনো ধরনের অসুবিধার জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।’

সার্ভারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের চার দিনের মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় আবারও ডাউন পাওয়া যাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগের দুই জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম।

বিষয়টি স্বীকার করেছেন ফেসবুকের একজন মুখপাত্রও। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টকে তিনি বলেন, ‘কিছু মানুষ আমাদের অ্যাপস ও বিভিন্ন সেবায় প্রবেশে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা অবগত আছি। যত দ্রুত সম্ভব স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে কাজ করছি। যেকোনো ধরনের অসুবিধার জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।’

অনলাইন প্ল্যাটফর্ম পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ‘ডাউন ডিটেক্টর’-এ দেখা যায়, পূর্ব ইউরোপীয় সময় শুক্রবার বিকেল ৩টা নাগাদ অনেকে ইনস্টাগ্রামে ঢুকতে না পারার সমস্যার কথা জানিয়েছেন। আর ফেসবুক ডাউন পাওয়ার রিপোর্ট করেছেন প্রায় ২ হাজার ব্যবহারকারী।

ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের অ্যাপে প্রবেশে সমস্যা হচ্ছে- এ অভিযোগ জানাতে অনেকে বেছে নেন টুইটার। বিষয়টি নিয়ে টুইটে হতাশাও প্রকাশ করেন অনেকে।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দুটির অ্যাপ ডাউন নিয়ে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ অধিকাংশ দেশ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

এর আগে ৫ অক্টোবর ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপে বড় ধরনের বিভ্রাট ঘটে। ছয় ঘণ্টার বেশি সময় বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে প্রবেশ করা যায়নি এসব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্মে।

বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত ১০টা থেকে হঠাৎ করেই ফেসবুক চালাতে অসুবিধার সম্মুখীন হন ব্যবহারকারীরা। পরে মঙ্গলবার ভোর রাত ৪টার দিকে ফেসবুক সার্ভার ধীরে ধীরে সচল হতে শুরু করে।

তিনটি অ্যাপই ফেসবুকের মালিকানাধীন। ফেসবুকের ইতিহাসে এটা সবচেয়ে বড় বিপর্যয়। ওই ঘটনার জন্যও ক্ষমা চায় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট টেকক্রাঞ্চ জানিয়েছিল, ফাস্টলি নামের একটি ক্লাউড নেটওয়ার্কিং কোম্পানিতে প্রযুক্তিগত জটিলতায় এ সমস্যা দেখা দেয়।

আরও পড়ুন:
ভারতে ‘মুসলিম বিদ্বেষ’ চেপে গেছে ফেসবুক
ফেসবুক কেবল মুনাফার পেছনেই ছোটে না: জাকারবার্গ
‘ভুয়া তথ্য ঠেকানোর চেয়ে মুনাফায় বেশি মনোযোগ ফেসবুকের’
ফেসবুক বিপর্যয়ে ষড়যন্ত্রতত্ত্বের পালে হাওয়া
বিপর্যয়ের পর স্বাভাবিক ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জেনেশুনে ঘৃণাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে ফেসবুক

জেনেশুনে ঘৃণাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে ফেসবুক

ঘৃণা ছড়ানো নিয়ন্ত্রণ না করার অভিযোগ রয়েছে ফেসবুকের বিরুদ্ধে। ছবি: সংগৃহীত

নতুন করে শুক্রবার ফেসবুকের এমন সব কর্মকাণ্ড ফাঁস করেছেন মাধ্যমটির সাবেক এক কর্তা। ফেসবুক কীভাবে ঘৃণামূলক বক্তব্য ছড়াচ্ছে এবং অবৈধ কাজ করছে সেসব বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি।

কিছুদিন আগেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের সাবেক এক কর্তকর্তা দাবি করেন, মাধ্যমটির মূল লক্ষ্য মুনাফা করা। সে জন্য মাধ্যমটি ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তাকেও খুব বেশি আমলে নেয় না।

নতুন করে শুক্রবার ফেসবুকের এমন সব কর্মকাণ্ড ফাঁস করেছেন মাধ্যমটির সাবেক এক কর্তা। ফেসবুক কীভাবে ঘৃণামূলক বক্তব্য ছড়াচ্ছে এবং অবৈধ কাজ করছে সেসব বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি।

নির্বাচনের সময় ভুয়া তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে ফেসবুক। এমনকি নতুন কিছু নথি ফাঁসের পর ফেসবুক বেশ চাপে পড়েছে বলেও জানান তিনি।

নতুন করে ফেসবুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা ওই ব্যক্তি কথা বলেছেন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের সঙ্গে।

তিনি জানান, ফেসবুকের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটিস অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এবং যুক্তরাষ্ট্রের একটি সংস্থা যারা পাবলিক ট্রেড কোম্পানিতে বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণ করে তাদের কাছেও অভিযোগ করা হয়েছে।

সাবেক ওই কর্মকর্তা সেখানে বলেছেন, ফেসবুক কীভাবে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও তার মতো রাগান্বিত ব্যক্তি ও কোম্পানিকে খুশি রাখতে নিরাপত্তাবিধি প্রয়োগে অস্বীকার করেছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর হামলাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারতেও বিভিন্ন ধরনের ঘৃণা ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে মাধ্যমটির বিরুদ্ধে। সেসব নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকার কথা জানা যায়নি মাধ্যমটির পক্ষ থেকে।

অবশ্য ফেসবুকের যোগাযোগ কর্মকর্তা ট্র্যাকার বাউন্ড ২০১৬ সালের নির্বাচনে প্ল্যাটফর্মটির ভূমিকা নিয়ে যে উদ্বেগ তা উড়িয়ে দিয়েছেন।

বাউন্ড বলেন, ‘সেটি তো শেষ হয়ে গেছে।’

ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘এসব অভিযোগের কিছু ধরার মধ্যেই ছিল না। তারা কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বিষয়টি ভুলে অন্যদিকে চলে যায়। আমরা টাকা আয় করছি এবং আমরা ভালো আছি।’

ফেসবুকের সাবেক প্রোডাক্ট ম্যানেজার ফ্রান্সেস হাউজেন বলেন, ফেসবুক জননিরাপত্তার বিষয়ে মাথা না ঘামিয়ে ক্রমাগত মুনাফার দিকে ঝুঁকছে।

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, হাউজেন সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ফেসবুকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন। সামনেই যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে সাক্ষ্য দেবেন তিনি। এ বিষয়কে ঘিরে তৈরি হয়েছে সংকট। তাই ব্র্যান্ডটি নিজেদের নাম পরিবর্তন করার মতো বিষয় নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে ফেসবুক।

একই দিনে নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট এবং এনবিসি একটি গোপন নথি ফাঁসের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখানো হয়েছে, ২০২০ সালের নির্বাচনেও মাধ্যমটি কীভাবে ভুয়া তথ্য ছড়িয়েছে।

নির্বাচনে হেরে গিয়ে ডনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ফেসবুক জো বাইডেনের হয়ে কাজ করেছে।

অবশ্য একটি তথ্য বিশ্লেষণ করে নিউইয়র্ক টাইমস দেখিয়েছে, বাইডেনের পক্ষে প্রচারে ফেসবুকে যেসব তথ্য ছড়ানো হয়েছে তার অন্তত ১০ শতাংশ ছিল ভুয়া।

এটা শুধু মুনাফা লাভের আশাতেই করেছে বলে দাবি করেছেন ফেসবুকের সাবেক কর্মকর্তা ও তথ্য ফাঁসকারী।

মানবাধিকার সংস্থা ফ্রি প্রেস অ্যাকশনের কো-সিইও জেসিকা জে গোলন্দাজ বলেন, ‘এখন কংগ্রেসের উচিত হবে ফেসবুকের ব্যবসার মডেলটি খতিয়ে দেয়া। কেননা তাদের বিরুদ্ধে খুব বেশি পরিমাণে ঘৃণা ও ভুয়া তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ভারতে ‘মুসলিম বিদ্বেষ’ চেপে গেছে ফেসবুক
ফেসবুক কেবল মুনাফার পেছনেই ছোটে না: জাকারবার্গ
‘ভুয়া তথ্য ঠেকানোর চেয়ে মুনাফায় বেশি মনোযোগ ফেসবুকের’
ফেসবুক বিপর্যয়ে ষড়যন্ত্রতত্ত্বের পালে হাওয়া
বিপর্যয়ের পর স্বাভাবিক ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ

শেয়ার করুন

সাইবার নিরাপত্তায় সতর্কতা ও করণীয়

সাইবার নিরাপত্তায় সতর্কতা ও করণীয়

আইনি সুবিধাবঞ্চিত আর্থিকভাবে অসহায় ভুক্তভোগীরা এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আইনি সহায়তা চাইলে তাদের পাশে দাঁড়াবে নিউজবাংলার ‘আমার আইন, আমার অধিকার’।

সব ধরনের আইনি পরামর্শ ও সহায়তা দিতে নিউজবাংলার নিয়মিত আয়োজন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবারের বিষয়: সাইবার নিরাপত্তায় সতর্কতা ও করণীয়’। প্রচারিত হবে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

শবনম ফারিয়ার সঞ্চালনায় শনিবার এ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার হবে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

আলোচনায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্যারিস্টার মিতি সানজানা ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের আইন বিভাগের প্রভাষক মেহেরবা সাবরীন। অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার হবে শাহ্‌ সিমেন্টের সৌজন্যে।

‘আমার আইন, আমার অধিকার’ সম্পর্কে নিউজবাংলার এক মুখপাত্র বলেন, আইন জানা নাগরিকের জন্য একান্ত প্রয়োজন। আইন ও আইনজীবী- এই শব্দগুলো নিয়ে এক ধরনের ভীতি কাজ করে। তবে আইনের আশ্রয় লাভ করা একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।

নিজের আইনগত অধিকার সম্পর্কে না জানলে যে কেউ কোনো বিষয়ে ভুল পরামর্শ দিয়ে আপনাকে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে। কোনো নাগরিক রাষ্ট্রের কাছে কী কী সুযোগ-সুবিধার অধিকারী, সেটি যদি তিনি না জানেন, তাহলে তিনি ন্যায্য দাবি আদায় করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, নাগরিকের আইনি অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি সহজভাবে জানাতে কাজ করবে ‘আমার আইন, আমার অধিকার’। দেয়া হবে পরামর্শ। প্রয়োজনে তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরাসরি আইনি সহায়তাও দেয়া হবে।

আইনি সুবিধাবঞ্চিত আর্থিকভাবে অসহায় ভুক্তভোগীরা এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আইনি সহায়তা চাইলে তাদের পাশে দাঁড়াবে নিউজবাংলার ‘আমার আইন, আমার অধিকার’।

বিনা মূল্যে আইনি পরামর্শ এবং সহায়তা পেতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চোখ রাখুন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

অনুষ্ঠান চলাকালে ফোন করুন ০২৫৫০৫৫২৮৯ নম্বরে। এ ছাড়া সমস্যা জানাতে ০১৯৫৮০৫৬৬৬৮ নম্বরে ফোন করুন যেকোনো সময়। হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন ভিডিও করেও পাঠাতে পারেন একই নম্বরে।

নিউজবাংলার ফেসবুক পেজ NewsBangla24 এবং ই-মেইল [email protected]এ মেসেজ পাঠানোরও সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন:
ভারতে ‘মুসলিম বিদ্বেষ’ চেপে গেছে ফেসবুক
ফেসবুক কেবল মুনাফার পেছনেই ছোটে না: জাকারবার্গ
‘ভুয়া তথ্য ঠেকানোর চেয়ে মুনাফায় বেশি মনোযোগ ফেসবুকের’
ফেসবুক বিপর্যয়ে ষড়যন্ত্রতত্ত্বের পালে হাওয়া
বিপর্যয়ের পর স্বাভাবিক ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ

শেয়ার করুন

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে জাতিসংঘের আহ্বান

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে জাতিসংঘের আহ্বান

জাতিসংঘের সদরদপ্তর। ছবি: সংগৃহীত

মিয়া সেপ্পো বলেন, ‘সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।এমন সহিংসতা রোধে সবাইকে এক হয়ে হাতে হাত রেখে কাজ করতে হবে।’

বাংলাদেশে সংখ্যলঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো।

তিনি বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘৃণা ছড়িয়ে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ওপর সংবিধান পরিপন্থি।

এমন সব হামলা থামাতে বাংলাদেশ সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

টুইটারে দেয়া এক পোস্টে সোমবার তিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি এমন আহ্বান জানান।

তিনি লেখেন, ‘সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।’

এমন সহিংসতা রোধে সবাইকে এক হয়ে হাতে হাত রেখে কাজ করার আহ্বান জানান জাতিসংঘের বাংলাদেশের এই আবাসিক সমন্বয়কারী।

বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা ৩৮ মিনিটে এ টুইট করেন।

কুমিল্লায় দুর্গাপূজার সময় এক মণ্ডপে কোরআন রাখার ঘটনায় মণ্ডপে হামলা চালানো হয়। সে হামলায় মণ্ডপ, প্রতিমা ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা।

এর জেরে সেদিন ও পরের দিন থেকে দেশের বেশ কয়েক জেলায় মণ্ডপে হামলা চালানো হয়।

সবশেষ রোববার রাতে রংপুরের পীরগঞ্জে এক হিন্দু পাড়ায় হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৬ জেলায় ৬০টি মামলা হয়েছে। আর মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছে ২৬৩ জন।

আরও পড়ুন:
ভারতে ‘মুসলিম বিদ্বেষ’ চেপে গেছে ফেসবুক
ফেসবুক কেবল মুনাফার পেছনেই ছোটে না: জাকারবার্গ
‘ভুয়া তথ্য ঠেকানোর চেয়ে মুনাফায় বেশি মনোযোগ ফেসবুকের’
ফেসবুক বিপর্যয়ে ষড়যন্ত্রতত্ত্বের পালে হাওয়া
বিপর্যয়ের পর স্বাভাবিক ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ

শেয়ার করুন

সত্যিই কি প্রটেক্ট ছাড়া বন্ধ হচ্ছে ফেসবুক

সত্যিই কি প্রটেক্ট ছাড়া বন্ধ হচ্ছে ফেসবুক

ফেসবুকের নতুন ফিচার প্রটেক্ট নিয়ে হচ্ছে নানা আলোচনা। ছবি: সংগৃহীত

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা প্রটেক্ট ছাড়া অ্যাকাউন্ট বন্ধের বিষয়টি উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, কোনো অ্যাকাউন্টই বন্ধ করবে না ফেসবুক। প্রতিষ্ঠানটি এমন কোনো কথাও বলেনি। তাই ২৮ অক্টোবরের পর আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হচ্ছে কথাটি মিথ্যা। প্রতিষ্ঠানটি শুধু একটি অতিরিক্ত ফিচার যোগ করেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, এমনকি অনেক সংবাদমাধ্যমেও খবর বেরিয়েছে, ফেসবুক প্রটেক্ট অন না করলে আগামী ২৮ অক্টোবরের পর অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে। সত্যিই কি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেবে ফেসবুক?

প্রটেক্ট ফিচার অন ছাড়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়ার বিষয়ে কোনো কথা বলেনি প্রতিষ্ঠানটি। তবে গ্রাহকদের অধিক সুরক্ষা দিতে ফিচারটি এনেছে ফেসবুক। সেই সঙ্গে নোটিফিকেশন দিয়ে সেটি অন করার জন্য কিছু ব্যবহারকারীকে জানিয়েছে।

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা প্রটেক্ট ছাড়া অ্যাকাউন্ট বন্ধের বিষয়টি উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, কোনো অ্যাকাউন্টই বন্ধ করবে না ফেসবুক। প্রতিষ্ঠানটি এমন কোনো কথাও বলেনি। তাই ২৮ অক্টোবরের পর আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হচ্ছে কথাটি মিথ্যা। প্রতিষ্ঠানটি শুধু একটি অতিরিক্ত ফিচার যোগ করেছে।

ফেসবুক প্রটেক্ট কী

ফেসবুক প্রটেক্ট ফিচারটি কী, তা নিজেদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি।

তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘আমরা জানি যে, প্রার্থী, তাদের প্রচার দল ও নির্বাচিত কর্মকর্তাদের মতো কিছু ব্যক্তি ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের মতো সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্মগুলোতে হীন তৎপরতায় লিপ্ত ব্যক্তিদের শিকার হতে পারেন। একটি নির্বাচনি সময়সীমার মধ্যে যেসব অ্যাকাউন্ট বাড়তি ঝুঁকিতে থাকে, সেগুলোকে বাড়তি সুরক্ষা দেয়ার দরকার হতে পারে। এ কারণে আমরা ফেসবুক প্রটেক্ট নামের একটি কর্মসূচি চালু করেছি।

‘এটি যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির প্রার্থী, তাদের প্রচার দল এবং নির্বাচিত কর্মকর্তাদের জন্য একটি স্বেচ্ছাধীন কর্মসূচি, যার মাধ্যমে ওই ব্যক্তিদের অ্যাকাউন্ট ও পেজের বাড়তি সুরক্ষা দেয়া হয়।’

ফেসবুকের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘তালিকাভুক্তির (ওই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্তি) মাধ্যমে আমরা এসব অ্যাকাউন্টকে জোরদার সুরক্ষা গ্রহণে সহায়তা করব।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, এতে দুই ধাপে বৈধতা যাচাই (টু-ফ্যাক্টর অথেনটিক্যাশন) এবং সম্ভাব্য হ্যাকিং ঝুঁকি তদারকি করা।

‘তালিকাভুক্ত পেজগুলোর সব অ্যাডমিনকে পেজ পাবলিশিং অথরাইজেশনের মধ্য দিয়ে যেতে হবে, যাতে করে পেজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। এটি নির্দিষ্ট পেজের অ্যাডমিনদের এ কর্মসূচিতে (ফেসবুক প্রটেক্ট) অন্তর্ভুক্ত হতে চাওয়া বা না চাওয়ার ওপর নির্ভর করবে না।’

ফেসবুক বলে, ‘পেজ পাবলিশিং অথরাইজেশন বা কোনো কনটেন্ট প্রকাশের অনুমোদন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের জিজ্ঞাসা করা হয়, কারা পেজের নিয়ন্ত্রণ করেন। এ প্রক্রিয়ায় দুই ধাপ বৈধতা যাচাই এবং প্রাথমিক দেশের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার মধ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়।

একই সঙ্গে এ প্রক্রিয়ায় প্রকৃত নামের প্রোফাইল থেকে অ্যাডমিনদের পেজ নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

‘হীন তৎপরতায় লিপ্তদের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে থাকতে আমরা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন পথ খুঁজছি। আমরা হয়তো কখনোই অপতৎরতায় যুক্ত সবাইকে ধরতে পারব না, তবে এ কর্মসূচি অনেকগুলো পদক্ষেপের একটি যার মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোয়ানোর মতো ঘটনা কঠিন হয়ে পড়বে।’

‘কীভাবে তালিকাভুক্ত হব’

ফেসবুক প্রটেক্ট কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য সম্ভাব্য যোগ্য ব্যক্তিরা ফেসবুকে প্রম্পট (এক ধরনের ফিচার, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের কাছে কোনো বিষয়ে মতামত চাওয়া হয়) দেখতে পাবেন। এর মাধ্যমে তারা কর্মসূচিটি সম্বন্ধে জানার পাশাপাশি তাতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন।

ফেসবুক বলছে, ‘আমরা ২০২১ সালে এ কর্মসূচিটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতে চাই এবং এর অগ্রগতির নিয়ে নিয়মিত আপডেট জানাব।’

এ মুহূর্তে কোথায় কোথায় ফেসবুক প্রটেক্ট আছে?

বর্তমানে ফেসবুক প্রটেক্ট সক্রিয় আছে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি ও কানাডাতে।

আরও পড়ুন:
ভারতে ‘মুসলিম বিদ্বেষ’ চেপে গেছে ফেসবুক
ফেসবুক কেবল মুনাফার পেছনেই ছোটে না: জাকারবার্গ
‘ভুয়া তথ্য ঠেকানোর চেয়ে মুনাফায় বেশি মনোযোগ ফেসবুকের’
ফেসবুক বিপর্যয়ে ষড়যন্ত্রতত্ত্বের পালে হাওয়া
বিপর্যয়ের পর স্বাভাবিক ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ

শেয়ার করুন

এটি আসলে কিসের ছবি?

এটি আসলে কিসের ছবি?

অ্যাটাকাস অ্যাটলাস। ছবি: টুইটার

ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে ছবিটি টুইট করে একটি ধাঁধা দিয়েছিল। আর লিখেছিল, ‘সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে এই ধাঁধার উত্তর দেয়া হবে।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পেজে সাধারণত নিজেদের খবরের লিঙ্ক শেয়ার করে গণমাধ্যমগুলো।

কিন্তু শনিবার এই অদ্ভূত ছবিটি নিজেদের টুইটার পেজে শেয়ার করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে। আর অনুসারীদের কাছে প্রশ্ন রেখেছে, ‘আপনি কি জানেন এই সৃষ্টির নাম কী?’

প্রাথমিকভাবে ছবিটি দেখে অনেকেই জোড়া সাপের মাথা বলেই মনে করবেন। কিন্তু টুইটে একটি ক্লুও দিয়ে দেয় পোর্টালটি। ক্লু’তে বলা হয়- ‘এটি আসলে সাপ নয়!’

সাপ নয়, কিন্তু অবিকল সাপের মতো দেখতে। ভ্যাবাচেকা খাওয়ার মতো দশা। তবে কি এটি একটি ফুল?

এক্ষেত্রে বলে রাখা উচিত, এটি আসলে ফুলও নয়। তবে এটি কী?

ভারতীয় গণমাধ্যমটি টুইট-এর শেষ লাইনটিতে লিখেছিল- ‘সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে এই ধাঁধার উত্তর দেয়া হবে।’

তবে, তার আগেই কমেন্টে অনেকে সঠিক উত্তরটি দিয়ে দিয়েছেন বলেই মনে হলো। অন্তত গুগল ঘেঁটে এর সত্যতা মিললো।

জানা গেল, এটি আসলে একটি প্রজাপতি!

শুধু প্রজাপতি বললেও ভুল হবে। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রজাপতিগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রজাতি।

টুইটটির কমেন্ট বক্সে এ নিয়ে মালতি চন্দ্রশেখর নামে একজন উত্তর দিয়েছিলেন, ‘প্রথম দেখায় আমি এটিকে সাপ ভেবেছি। তারপর ভাবলাম এটি হয়তো কোনো বিচিত্র ফুল কিংবা উদ্ভিদ। কিন্তু ভালো করে দেখে বুঝতে পারলাম এটি আসলে একটি প্রজাপতি!'

কৃষ্ণকুমার পজুভাল নামে একজনের কমেন্ট থেকে জানা গেল, পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ এই প্রজাপতিটির নাম অ্যাটাকাস অ্যাটলাস। অনেকে আবার এটিকে ‘স্ন্যাক মাউথ’ বাটারফ্লাই বলেও ডাকেন। শত্রুদের চোখে ধুলা দিতেই এর পাখনাগুলো দেখতে এমন সাপের মতো। আরও সহজ করে বললে, নিজের ডিমগুলোকে এই বিশেষ রূপের সাহায্যেই সুরক্ষা দেয় ‘স্ন্যাক মাউথ’ বাটারফ্লাই।

ছবিটি নিয়ে অনেকে মজার মজার মন্তব্যও করেছেন। সাপের দুটি মুখ দেখে, জাসমিত লালি নামে এক ভারতীয় মন্তব্য করেছেন, ‘মোদি আর যোগি!’

আরও পড়ুন:
ভারতে ‘মুসলিম বিদ্বেষ’ চেপে গেছে ফেসবুক
ফেসবুক কেবল মুনাফার পেছনেই ছোটে না: জাকারবার্গ
‘ভুয়া তথ্য ঠেকানোর চেয়ে মুনাফায় বেশি মনোযোগ ফেসবুকের’
ফেসবুক বিপর্যয়ে ষড়যন্ত্রতত্ত্বের পালে হাওয়া
বিপর্যয়ের পর স্বাভাবিক ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ

শেয়ার করুন

চীনে কোরআনের অ্যাপ সরাল অ্যাপল

চীনে কোরআনের অ্যাপ সরাল অ্যাপল

অ্যাপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পিডিএম বলেছে, ‘অ্যাপল জানিয়েছে, কোরআন মাজীদে অবৈধ কনটেন্ট থাকায় চীনে অ্যাপ স্টোর থেকে এটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।’

চীন সরকারের চাপে অ্যাপ স্টোর থেকে মুসলমানদের ধর্মগ্রন্থ পবিত্র কোরআনের একটি অ্যাপ সরিয়ে নিয়েছে টেক জায়ান্ট অ্যাপল। এর ফলে চীনে অ্যাপলের ডিভাইস ব্যবহারকারীরা অ্যাপে কোরআন পড়তে পারবেন না।

শুক্রবার সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে কোরআন মাজীদ নামের ওই অ্যাপটির লাখ লাখ মুসলমান ব্যবহারকারী রয়েছেন। এছাড়া অ্যাপটির রিভিউ করেছেন আরও প্রায় দেড় লাখ ব্যবহারকারী।

চীনের প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষ অ্যাপটির মাধ্যমে কোরআন পড়েন।

এক বিবৃতিতে অ্যাপটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পিডিএম বলেছে, ‘অ্যাপল জানিয়েছে, কোরআন মাজীদে অবৈধ কনটেন্ট থাকায় চীনে অ্যাপ স্টোর থেকে এটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।’

পিডিএম আরও বলেছে, ‘বিষয়টি সমাধানের জন্য আমরা চীনের সাইবার স্পেস বিভাগের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করছি।’

তবে কোরআন সরিয়ে নেয়ার বিষয়ে বিবিসির কাছে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি চীন সরকারের কর্মকর্তারা।

কোরআনের অ্যাপ সরানোর বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি অ্যাপলও।

ইসলাম ধর্মকে স্বীকৃতি দিলেও চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির বিরুদ্ধে দেশটির মুসলমানদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।

চীন সরকারের চাপে আরও কিছু অ্যাপ সরিয়ে নিয়েছে অ্যাপল। দেশটির ক্ষমতাসীনদের জন্য অস্বস্তিকর বিষয় যেমন তিয়েনমান স্কয়ার, ফালুন গং, দালাই লামা এবং তাইওয়ান ও তিব্বতের স্বাধীনতার প্রসঙ্গ থাকায় ওই অ্যাপগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে দাবি করেছিল নিউ ইয়র্ক টাইমস

এর আগে বৃহস্পতিবার চীন সরকারের আরোপিত বিধিনিষেধের কারণে দেশটিতে নিজেদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম লিংকড ইন বন্ধ করেছে টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফট।

আরও পড়ুন:
ভারতে ‘মুসলিম বিদ্বেষ’ চেপে গেছে ফেসবুক
ফেসবুক কেবল মুনাফার পেছনেই ছোটে না: জাকারবার্গ
‘ভুয়া তথ্য ঠেকানোর চেয়ে মুনাফায় বেশি মনোযোগ ফেসবুকের’
ফেসবুক বিপর্যয়ে ষড়যন্ত্রতত্ত্বের পালে হাওয়া
বিপর্যয়ের পর স্বাভাবিক ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ

শেয়ার করুন

‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘মাতৃত্বকালীন সুবিধা সংক্রান্ত আইন’

‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবার ‘মাতৃত্বকালীন সুবিধা সংক্রান্ত আইন’

আইনি সুবিধাবঞ্চিত আর্থিকভাবে অসহায় ভুক্তভোগীরা এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আইনি সহায়তা চাইলে তাদের পাশে দাঁড়াবে নিউজবাংলার ‘আমার আইন, আমার অধিকার’।

সব ধরনের আইনি পরামর্শ ও সহায়তা দিতে নিউজবাংলার নিয়মিত আয়োজন ‘আমার আইন, আমার অধিকার’-এ এবারের বিষয়: মাতৃত্বকালীন সুবিধা সংক্রান্ত আইন’। প্রচারিত হবে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

শবনম ফারিয়ার সঞ্চালনায় শনিবার এ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার হবে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

আলোচনায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ব্যারিস্টার মিতি সানজানা ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের আইন বিভাগের প্রভাষক মেহেরবা সাবরীন। অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার হবে শাহ্‌ সিমেন্টের সৌজন্যে।

‘আমার আইন, আমার অধিকার’ সম্পর্কে নিউজবাংলার এক মুখপাত্র বলেন, আইন জানা নাগরিকের জন্য একান্ত প্রয়োজন। আইন ও আইনজীবী- এই শব্দগুলো নিয়ে একধরনের ভীতি কাজ করে। তবে আইনের আশ্রয় লাভ করা একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।

নিজের আইনগত অধিকার সম্পর্কে না জানলে যে কেউ কোনো বিষয়ে ভুল পরামর্শ দিয়ে আপনাকে ভুল পথে পরিচালিত করতে পারে। কোনো নাগরিক রাষ্ট্রের কাছে কী কী সুযোগ-সুবিধার অধিকারী, সেটি যদি তিনি না জানেন, তাহলে তিনি ন্যায্য দাবি আদায় করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, নাগরিকের আইনি অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি সহজভাবে জানাতে কাজ করবে ‘আমার আইন, আমার অধিকার’। দেয়া হবে পরামর্শ। প্রয়োজনে তৃণমূল পর্যায়ে নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরাসরি আইনি সহায়তাও দেয়া হবে।

আইনি সুবিধাবঞ্চিত আর্থিকভাবে অসহায় ভুক্তভোগীরা এই অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে আইনি সহায়তা চাইলে তাদের পাশে দাঁড়াবে নিউজবাংলার ‘আমার আইন, আমার অধিকার’।

বিনা মূল্যে আইনি পরামর্শ এবং সহায়তা পেতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চোখ রাখুন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে।

অনুষ্ঠান চলাকালে ফোন করুন ০২৫৫০৫৫২৮৯ নম্বরে। এ ছাড়া সমস্যা জানাতে ০১৯৫৮০৫৬৬৬৮ নম্বরে ফোন করুন যেকোনো সময়। হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন ভিডিও করেও পাঠাতে পারেন একই নম্বরে।

নিউজবাংলার ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/nwsbn24 এবং ই-মেইল [email protected]এ মেসেজ পাঠানোরও সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন:
ভারতে ‘মুসলিম বিদ্বেষ’ চেপে গেছে ফেসবুক
ফেসবুক কেবল মুনাফার পেছনেই ছোটে না: জাকারবার্গ
‘ভুয়া তথ্য ঠেকানোর চেয়ে মুনাফায় বেশি মনোযোগ ফেসবুকের’
ফেসবুক বিপর্যয়ে ষড়যন্ত্রতত্ত্বের পালে হাওয়া
বিপর্যয়ের পর স্বাভাবিক ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ

শেয়ার করুন